গাদীরে খুম টু হাউজে কাউসার

গাদীরে খুম টু হাউজে কাউসার কিতাবুল্লাহ, আহলে বাইতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ), আলীউন ওয়ালিউল্লাহ, আলীউন হুজ্জাতউল্লাহ।

27/07/2026

যে ভুলের ফলশ্রুতিতে আমরা মুসলিমগন আজ নানাবিধ ফেরকাবন্দী-যেমন সুন্নি, শিয়া,খারেজী ইত্যাদি।

ইসলামের মধ্যে শুরু থেকেই পবিত্র ইমামগনের গুরুত্ব উপেক্ষা করা হয়। যেমন মাওলা আলী এবং নবীজির আহলে বাইতের অনুপস্থিতিতে হযরত আবু বাকর (রাঃ) খলিফা বনে যাওয়া।

আমাদের নবীজি যেমন সর্বশেষ “নবী”, ইমাম মাহদী (আঃ) তেমন সর্বশেষ “ইমাম”। অর্থাৎ দুনিয়ায় সকল নবী রাসুলগনের পর আমাদের নবীজির বংশ হতে আল্লাহর প্রতিনিধি হিসাবে পবিত্র ইমামগনের আবির্ভাব ঘটবে।

যেখানে আমরা মুসলিমগন ইমাম মাহদী (আঃ) এর আগমন কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি এবং সেই মোতাবেক আমল করি। তাহলে ইমাম আলী (আঃ)-সহ বাকি ইমামগনের বিষয়ে কেন নয়?

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, এই দ্বীন (ইসলাম) বারজন আল্লাহর প্রতিনিধির আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত অটুট অবস্থায় বিজয়ী থাকবে। বুখারী ৩৫০১, ৭২২২ মুসলিম ৭-(১৮২১), ১০-(১৮২২), মুসনাদে আহমাদ ২০৮৬২, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৩৭৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৬৬১, আল মুজামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৭৮৩, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৮৫৯, আবূ দাউদ ৪২৮০। গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | অধ্যায়ঃ পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب), সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত) | অধ্যায়ঃ ৩১, সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত) সহীহ।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মাহদী আমার মেয়ে ফাতিমার সন্তানদের মধ্য থেকে হবে।আবু দাউদ (২/২০৭-২০৮), ইবনু মাজাহ (২/৫১৯), হাকিম (৪/৫৫৭), আবু আমর আদানী ও উকায়লী যিয়াদ ইবনু বায়ান সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ ৪২৮৪, ইবনু মাজাহ ৪০৮৬, সহীহুল জামি ৬৭৩৪, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৮০। গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | অধ্যায়ঃ পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن) দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - কিয়ামতের আলামত। হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস গ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৩১/ মাহদী (আঃ) সম্পর্কে (كتاب المهدى) হাদিসের মানঃ সহিহ,সুনানে ইবনে মাজাহ কলহ-বিপর্যয় ৪০৮৫,৪০৮৫ [৩৪১৭] আহমাদ ৬৪৬ সহীহাহ ২৩৭১ রাওদুন নাদীর ২/৫৩। হাদিসের মানঃ হাসান হাদিস

05/07/2026

ঈমানের শীর্ষচূড়া,“শেরে খোদা ‘হযরত আলী” হতে “মাওলা আলী”(আঃ)। আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দা। আলীউন ওয়ালি উল্লাহ, আলীউন হুজ্জাত উল্লাহ। মুরশিদ আমার,সরদার আমার।

সুরা মায়েদাহ আয়াত নং-৬৭ ও নবীজির গাদীরে খুমের সমাবেশ একই সুত্রে গাথা। উক্ত সমাবেশে নবীজি মহান আল্লাহর ইচ্ছায় সকল সাহাবী এবং উম্মতের উদ্দেশ্যে ঘোষণা দিলেনঃ "মান কুনতু মাওলা ফা'হাযা আলীউন মাওলা"। সহীহ্ হাদিস

মাওলা আলী (আঃ)-এর যে বিশেষ উচ্চ মর্যাদাঃ

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, হে আলী! তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে মূসা (আঃ) এর নিকট হারুন (আঃ) যেমন আমার নিকট তুমিও তেমন। পার্থক্য শুধু এই টুকু হারূন (‘আঃ) নবী ছিলেন আর আমার পরে নবী নেই। বুখারী ৩৭০৬, মুসলিম ৩৪০৪ /১-২, তিরমিযী ৩৭৩১, আহমাদ ১৪৬৬, ১৪৯৩, ১৫০৮, ১৫১২, ১৫৩৫, ১৫৫০, ১৫৮৭, ১৬০৩, ১৬১১, ইবনু মাজাহ ১২১, (ই.ফা. ৬০০৩, ই.সে. ৬০৪২), সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৫, (ই.ফা. ৬০০২, ই.সে. ৬০৪১), সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)-গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৪,জামে' আত তিরমিজি রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা ৩৭২৪, সহীহ মুসলিম (হাঃ ৭/১২০), ইবনু
মাজাহ ১১৫, সহীহাহ ৪/৩৩৫

26/06/2026

শিয়ারা কিছু সাহাবিদের মুনাফিক বলে গালি দেয় এবং তাতে আমাদের আফসোস! বরং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন“ আমার সাহাবিদের মাঝে বারোজন লোক আছে মুনাফিক এবং তাদের মধ্যে আটজন নিশ্চিত জাহান্নামি”। সহীহ্ হাদিস

25/06/2026

সোয়া লক্ষ সাহাবী মিলে একজন বান্দার জান্নাতের গ্যারান্টি দিতে পারবে? বরং নবীজি বলেছেন, “যে ব্যাক্তি আমাকে ও এই দুইজনকে (হযরত হাসান এবং হুসাইন) এবং এদের পিতা মাতাকে ভালোবাসে, কিয়ামতের ময়দানে সে আমাদের সাথে অবস্থান করবে। সহীহ্ হাদিস

21/06/2026

ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান।
ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তান।
ইসলামিক রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ।
লাব্বাঈক ইয়া আলী, লাব্বাঈক ইয়া হুসাইন।
লাব্বাঈক ইয়া আহলে বাইত আলাইহিস সালাম।

19/06/2026

প্রশ্ন হল নবীজি কি কোথাও বলেছেন আল কোরআন এবং আমার সাহাবি? বরং তিনি সাহাবী এবং উম্মতের উদ্দেশ্যে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, “ আল কোরআন এবং আমার বংশধর (আহলে বাইত)”। যদি শক্ত ভাবে আঁকড়ে ধর তবে কখনোই পথভ্রষ্ট হবেনা।
সুত্রঃ আল গাদীর

24/05/2026

হক্বের পক্ষে হা বাতিলকে না। হক্ব মাওলা আলী,বাতিল মুয়াবিয়াকে দুনিয়া এবং আখেরাতের জন্য না। সরল এবং সঠিক পথঃ আমি যার মাওলা এই আলী তার মাওলা (ইমাম,নেতা,অবিভাবক)। সহীহ্ হাদিস

আন্দোলন হোক জায়গা মত! দেশ পরিচালিত হোক ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক,বর্তমান সরকার ঘোসনা দিক “ইসলামিক রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ”,সর্বদা, সর্ব অবস্থায় আমরা মহান আল্লাহর উপর ভরসা করি।
প্রচারেঃ আল গাদীর

06/05/2026

জেনে রাখা জরুরী যে প্রথম তিন খলিফা আর হযরত আলী (রাঃ) এর খেলাফত গ্রহণ একই বিষয় নয়।

হযরত আলী (রাঃ) এমন এক সময়ে খলিফার দায়িত্ব গ্রহণ করেন যখন আরব জাহানে আর কোন মায়ের সন্তান তা গ্রহণ করতে রাজি হয়নি। তাই ফলাও করে চতুর্থ খলিফার তকমা লেপে দিলেই হবে না।

তিনি নবীজির পর প্রথম মোমেন। তিনিই উলিল আমর জন্মগ্রহণ করেন আল্লাহর ঘর খানে কাবার অভ্যন্তরে। তিনি রোজ কেয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর সিংহ উপাধিত।
যার ঈমানের ওজন সাত আসমান এবং জমিনের
চেয়ে ভারী।

তিনি আল্লাহর ইচ্ছায় নবীজি কর্তৃক ঘোষিত প্রথম তিন খলিফাসহ উম্মতের সকল মুমিন নরনারীর মাওলা (ইমাম/ অবিভাবক)। নবীজির বংশধর পবিত্র ইমামগনের মাঝে তিনিই শ্রেষ্ঠ।

তিনিই সর্বপ্রথম ব্যক্তি রোজ কেয়ামতের ময়দানে নবী (সাঃ) এর সাথে মিলিত হবেন। তিনিই সর্বপ্রথম ব্যক্তি রোজ কেয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহর সাথে মিলিত হয়ে আল্লাহর সমীপে হাঁটু গেড়ে বসে বদর যুদ্ধের বিবাদ মিমাংসা করবেন।

সর্বশেষ মহান আল্লাহ তার সবচেয়ে প্রিয় বান্দা মাওলা আলীকে এমন এক উপহার প্রদান এবং সম্মানে ভূষিত করবেন যা আর কারো ভাগ্যে জুটবে না আর তা হলো “সাইয়্যিদাতু নিসা-আল জান্নাহ”জান্নাতের নারীগনের রানী। নবীজির প্রিয় কন্যা এবং তাঁর কলিজার টুকরা।

গাদীরে খুমের দিন রাসূল (সাঃ) একটি পাগড়ি হযরত আলীর মাথায় পরিয়ে দিলেন এবং এর প্রান্তভাগ তার পিঠের দিকে ঝুলিয়ে দিলেন। তিনি হযরত আলী (রাঃ) এর এক হাত উপরে উঁচিয়ে সমাবেশে উপস্থিত সকল সাহাবী এবং উম্মতের উদ্দেশ্যে ঘোষণা দিলেন,“আমি যার মাওলা (ইমাম,অবিভাবক) এই আলী তার মাওলা। মুতাওয়াতির সহীহ্ হাদিস

সমাবেশে উপস্থিত হজরত আবু বকর ও হজরত ওমর (রাঃ) মাওলা আলী কে এ বলে স্বাগতম জানালেন যে, ইয়া আলী ইবনে আবু তালিব আজ থেকে আপনি সকল মোমেন ও মোমেনার মাওলা (অভিভাবক) হয়ে গেলেন। মাশহুর সহীহ্ হাদিস

27/04/2026

নিশ্চয় দুনিয়া এবং আখেরাতের জন্য আল কোরআন এবং “আহলে বাইতে রাসূল ওয়াল জামাত”।

হে মুমিনগণ! মহান আল্লাহর ইচ্ছায় উম্মতের উদ্দেশ্যে নবীজির ছেড়ে যাওয়া যে দু'টি বস্তু আঁকড়ে ধরার জন্য বিশেষ ভাবে উম্মতের উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা নিজ নিজ দায়িত্বে মিলিয়ে নিন।

নবীজি বলেন-হে লোক সকল! শোনো, আমি একজন মানুষ মাত্র। শীঘ্রই আমার নিকট আমার প্রতিপালকের দূত আসবেন এবং আমি আল্লাহর নিকট যাওয়ার জন্য তাঁর ডাকে সাড়া দেব। আমি তোমাদের মাঝে দু'টি ভারী এবং অতী গুরুত্বপূর্ণ বস্তু ছেড়ে যাচ্ছি। আল্লাহ্‌র কিতাব (আল-কোরআন) এবং আমার আহলে বাইত (বংশধর, রক্তের সম্পর্কীয় অতী নিকটতম আত্মীয়)।

আর যদি তোমরা সকলে মিলে বস্তু দু'টিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধর তবে কখনই পথভ্রষ্ট হবে না। আমার সঙ্গে কিয়ামত দিবসে হাউসে কাউসারে মিলিত না হওয়া র্পযন্ত এঁরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না। অতএব তোমরা লক্ষ কর আমার পরে এঁদের সঙ্গে কিভাবে আচরন করবে। সূত্রঃ গাদীরে খুম নবীজির সর্বশেষ সমাবেশ থেকে।

হাদীস সম্ভার , অধ্যায়ঃ ২৬/ ফাযায়েল রসূল (ﷺ) এর বংশধরের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা এবং তাঁদের মাহাত্ম্যের বিবরণ (২৮৭৪) ,(আহমাদ,১১১০৪, হাকেম ৪৫৭৬, সিঃ সহীহাহ ১৭৫০),হাদীস সম্ভার , অধ্যায়ঃ ১৩/ সুন্নাহ পালনের গুরুত্ব ও তার কিছু আদব প্রসঙ্গে (১৫০৯) (মুসলিম ৬৩৭৮),মুসলিম ৩৬-(২৪০৮), সিলসিলাতুস সহীহাহ ১৭৬১, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ ২৩৫৭, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৪৮৮৮,গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) অধ্যায়ঃ পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা প্রথম অনুচ্ছেদ - নবী (সা.) -এর পরিবার-পরিজনদের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য ৬১৪০-[৬], (মুসলিম, ৬৩৮১) গ্রন্থঃ হাদীস সম্ভার , অধ্যায়ঃ ২৬/ ফাযায়েল, রসূল এর বংশধরের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা এবং তাঁদের মাহাত্ম্যের বিবরণ, (২৮৭৩),সহীহ মুসলিম, ৪র্থ খণ্ড, পৃ.১৮০৩, দারেমি এই টেক্সট বা মাতন তথা হাদিসের মূলপাঠটি নিজ ‘সুনান’-শীর্ষক বইয়ে বর্ণনা করেছেন। সূত্র:সুনানে দারেমী, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪৩১-৪৩২

26/04/2026

খেলাফত নয় বরং উম্মতের জন্য “ইমামত” জরুরী। যেথায় মাওলা আলী (আঃ) প্রথম ইমাম এবং ইমাম মাহদী (আঃ) সর্বশেষ ইমাম এবং সকল ইমামগন আমাদের নবীজির বংশধর আহলে বাইত (আঃ)।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,' ইমাম মাহদী আমার মেয়ে ফাতিমার সন্তানদের মধ্য থেকে হবে"।

আবু দাউদ (২/২০৭-২০৮), ইবনু মাজাহ (২/৫১৯), হাকিম (৪/৫৫৭), আবু আমর আদানী ও উকায়লী যিয়াদ ইবনু বায়ান সূত্রে বর্ণনা করেছেন।আবু দাউদ ৪২৮৪, ইবনু মাজাহ ৪০৮৬, সহীহুল জামি ৬৭৩৪, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৮০।গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | অধ্যায়ঃ পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن) দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - কিয়ামতের আলামত। হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিসগ্রন্থঃ সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৩১/ মাহদী (আঃ) সম্পর্কে (كتاب المهدى) হাদিসের মানঃ সহিহ,সুনানে ইবনে মাজাহ কলহ-বিপর্যয় ৪০৮৫,৪০৮৫ [৩৪১৭] আহমাদ ৬৪৬ সহীহাহ ২৩৭১ রাওদুন নাদীর ২/৫৩।হাদিসের মানঃ হাসান হাদিস।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, হে আলী! তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে মূসা (আঃ) এর নিকট হারূন (আঃ) যেমন আমার নিকট তুমিও তেমন। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে হারূন (আঃ) একজন নবী ছিলেন আমার পর আর কোন নবী নাই।

মুসলিম ৪৪/৪, হাঃ ২৪০৪,,আ.প্র. ৪০৬৮, ই.ফা. ৪০৭১, বুখারী ৩৭০৬, মুসলিম ৩৪০৪/১-২, তিরমিযী ৩৭৩১,আহমাদ ১৪৬৬, ১৪৯৩, ১৫০৮, ১৫১২, ১৫৩৫, ১৫৫০, ১৫৮৭, ১৬০৩, ১৬১১, ইবনু মাজাহ ১২১, তাহক্বীক্ব আলবানী,বুখারী পর্ব ৬৪ অধ্যায় ৭৯ হাদীস নং ৪৪১৬, ই.ফা. ৬০০৩, ই.সে. ৬০৪২,সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের মর্যাদা৬১১৫,আহমদ ১৪৬৩, জামে' আত-তিরমিজি, সাহাবীগণের মর্যাদা ৩৭২৪, মুসলিম (হাঃ ৭/১২০)। হাদিসের মানঃ সহিহ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেনঃ এই দ্বীন (ইসলাম) প্রতিষ্ঠিত থাকবে যে অবধি না কিয়ামত আসে এবং তাদের ওপর বারোজন ইমামের (আল্লাহ্‌র খলীফা) শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সহীহ: বুখারী ৩৫০১, ৭২২২ মুসলিম ৭-(১৮২১), ১০-(১৮২২), মুসনাদে আহমাদ ২০৮৬২, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৩৭৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৬৬১, আল মুজামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৭৮৩, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৮৫৯, আবূ দাউদ ৪২৮০।

Address

Banasree
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাদীরে খুম টু হাউজে কাউসার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share