Deen o Duniya

Deen o Duniya If You Believers, Than Follow The Rules Your Creator

01/03/2026

আপনি কি আসলেই স্বাধীন?

সূরা ফুরকানের ৪৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, “তুমি কি তাকে দেখেছো যে তার নিজের খেয়াল-খুশিকেই তার ইলাহ বানিয়েছে?” কত গভীর কথা।

মানে সে যা চায়, সেটাই তার সত্য; যা ভালো লাগে, সেটাই তার ধর্ম; তার লোভ, তার লালসা, তার ভোগ, তার ইনজয়মেন্ট এইগুলোই তার ইলাহ।

সে ভাবে আমি স্বাধীন। আমি যা ইচ্ছা করবো। আমার শরীর, আমার টাকা, আমার জীবন। কিন্তু আল্লাহ দেখাচ্ছেন, এই স্বাধীনতার ভেতরেই লুকানো আছে দাসত্ব।

আমরা ইতিহাসে দেখি, মক্কায় যখন মুসলমানরা নির্যাতিত। তখন একদল সাহাবিকে এক খ্রিস্টান শাসকের দেশে পাঠানো হইলো, যেখানে একজন ন্যায়পরায়ণ রাজা ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের দাওয়াত কী?

তারা সংক্ষেপে বললেন, আমরা মানুষকে পৃথিবীর দাসত্ব থেকে মুক্ত করে এক আল্লাহর দাসত্বের দিকে ডাকছি। এই বাক্যটাই ইসলামের গভীর দর্শন। মানুষ সবসময় কারো না কারো দাস। কিন্তু সে কার দাস?

আজকে ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে মানুষ বলে, আমি কারো কথা শুনবো না। কিন্তু সে টাকার দাস, ফেমের দাস, শরীরের দাস, সোশ্যাল মিডিয়ার দাস।

এক সময় এক নারী, যে বহু বছর অশ্লীল ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে, সাক্ষাৎকারে বলেছিল, শুরুতে সে ভেবেছিল সে স্বাধীন। তার টাকা আছে, খ্যাতি আছে, যা ইচ্ছা তাই করছে। কিন্তু ধীরে ধীরে সে বুঝছে যে সে নিজের লজ্জা বিক্রি করতেছে।

কিছু লোকের টাকার বিনিময়ে এমন কাজ করতেছে যা তার মন চায় না। সে বলছে, আমি তো আসলে দাস। এবং নিচু পর্যায়ের দাস। শেষে সে সব ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছে।

এইটাই পৃথিবীর দাসত্ব। আজ আপনি আইফোনের দাস, কাল অন্য কিছুর। ফোন ব্যবহার করা সমস্যা না, কিন্তু যখন লাইক, ভিউ, ভাইরাল হওয়া আপনার পরিচয় হয়ে যায়, তখন আপনি দাসে পরিণত হন।

আপনি বলছেন আমি স্বাধীন, কিন্তু আপনি তো আসলে নির্ভরশীল। অসুস্থ হইলে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন, বিপদে পড়লে পুলিশের কাছে যাচ্ছেন, রিজিকের জন্য চাকরি খুজতেছেন মোট কথা আমরা কেউই প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন না।

আমরা আপেক্ষিক স্বাধীনতা পাই, কিন্তু অ্যাবসলিউট স্বাধীনতা মানুষের পক্ষে পাওয়া সম্ভব না।

ইসলাম বলে, যেহেতু নির্ভর করতেই হবে, তবে সেই সত্তার উপর নির্ভর করো যিনি সর্বশক্তিমান, সর্বকরুণাময়। আল্লাহর দাস হওয়া মানে অপমান না, বরং সর্বোচ্চ সম্মান।

আবদুল্লাহ হওয়াই স্বাধীনতার চূড়ান্ত রূপ। কারণ তখন আমি জানি, আল্লাহ যা নিষেধ করেন তা আমার ক্ষতির জন্য, যা নির্দেশ দেন তা আমার কল্যাণের জন্য।

শর্ট টার্মে যা ভালো লাগে, লং রানে তা ধ্বংস ডেকে আনে। আবার লং রানের কল্যাণের জন্য ত্যাগ করতে কষ্ট হয়। মানুষ এই টানাপোড়েনে থাকে। বসের অধীনে কাজ করলে মনে হয় দাস, কিন্তু বেকার থাকলে ব্যর্থ লাগে।

কিন্তু যখন অন্তর আল্লাহর কাছে সঁপে দেন, তখন আপনি টাকা বা লোভের গোলাম হন না। কারণ আপনি শুধু আল্লাহকে ভয় করেন, মানুষকে না।

যে তার অন্তরকে স্বেচ্ছায় আল্লাহর দাস বানায়, সে পৃথিবীর দাসত্ব থেকে মুক্ত হয়। এটাই ব্যক্তি স্বাধীনতার সর্বোচ্চ রূপ।

13/02/2026

এক ব্যক্তি হযরত উমর (রা.)-এর কাছে এসে বললেন, "আল্লাহ আপনাকে যে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দিয়েছেন, সেখান থেকে আমাকে কোনো একটি পদের দায়িত্ব (চাকরি) দিন।"

হযরত উমর (রা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি কুরআন পড়তে পারো?" সে উত্তর দিল, "না।" হযরত উমর (রা.) বললেন, "যে কুরআন পড়তে জানে না, আমরা তাকে কোনো দায়িত্ব দিই না।" (হযরত উমর (রা.) চেয়েছিলেন মানুষ আগে দ্বীন শিখুক, কারণ দ্বীনের জ্ঞান থাকলে সে আমানতদারিতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। )

লোকটি সেখান থেকে ফিরে গেল এবং এই আশায় কঠোর পরিশ্রম করে কুরআন শিখতে শুরু করল যে, কুরআন শেখা শেষ হলে সে আবার উমর (রা.)-এর কাছে যাবে এবং একটি চাকরি পাবে।

কিন্তু যখন সে কুরআন শিখে ফেলল, তখন সে উমর (রা.)-এর কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিল। একদিন হঠাৎ তার সাথে হযরত উমর (রা.)-এর দেখা হলো। তিনি তাকে দেখে বললেন, "তুমি কি আমাদের ছেড়ে দিলে (আমাদের কাছে আসা বন্ধ করে দিলে)?"

সে উত্তর দিল, "হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মতো লোক নই; কিন্তু আমি কুরআন শিখেছি আর এই কুরআনই আমাকে উমর এবং উমরের দরজার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দিয়েছে (অর্থাৎ আল্লাহ আমাকে স্বাবলম্বী করে দিয়েছেন)।"

হযরত উমর (রা.) অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "কুরআনের কোন আয়াতটি তোমাকে এতটা স্বাবলম্বী ও নিশ্চিন্ত করল?"

লোকটি উত্তর দিল, আল্লাহর এই বাণী:

"যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে (তাকওয়া অবলম্বন করে), আল্লাহ তার জন্য (সংকট থেকে বের হওয়ার) পথ করে দেন। আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।" (সূরা তালাক: ২-৩)

কুরআন কেবল তেলাওয়াতের জন্য নয়, বরং এর প্রতিটি আয়াত মানুষের জীবন দর্শন বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। মানুষ যখন প্রকৃত অর্থে আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং তাঁকে ভয় করে চলে, তখন আল্লাহ দুনিয়াবি সব অভাব দূর করে দেন।

© Salman Farsi
সূত্র: তাফসীরে সা’লাবাী, নাযমুদ দুরার, আস সিরাজুল মুনির

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

12/02/2026

ইসলামের স্বর্ণযুগের এক বিস্ময়কর দিক ছিল সাধারণ মানুষের ইলম চর্চায় সজাগ অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনে আলেমদের ফতওয়াকেও সাধারন মানুষ চ্যালেঞ্জ করতে দ্বিধা করতেন না। আজকাল যেমন দেখি “অমুক বড় বড় আলেমরা এমনটা বলেছেন, আর আপনারা সাধারণ মানুষ কি ইসলাম নিয়ে তাদের চেয়ে বেশী বুঝেন?” – তেমন ঘটনা অতীতে আমরা দেখি না।

দুইটা ঘটনা বলি –

১. ইমাম শাফিঈ (র) মিসরের ফুসতাত শহরে ‘আমর ইবনুল আস মসজিদে’একবার দরস দিচ্ছিলেন। মানত ও শপথ সম্পর্কে একটি মাসআলা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করলেন যে, কোনো মানত ভেঙে ফেললে তার জন্য কোন কাফফারা নাই।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন এক সাধারণ রুটি বিক্রেতা (কোনো কোনো বর্ণনায় সবজি বিক্রেতা বা সাধারণ একজন শ্রমিক বলা হয়েছে)। লোকটি নিজের ইবাদত-বন্দেগির জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনিই তৎক্ষণাৎ দাঁড়িয়ে ইমামকে প্রশ্ন করলেন: হে ইমাম! আল্লাহ তাআলা তাঁর নবী আইয়ুব (আ) কে কি বলেছেন? – ‘তুমি একগুচ্ছ শুকনো ঘাস হাতে নাও, আর তা দিয়ে (হালকা ভাবে) প্রহার করো এবং তোমার শপথ ভঙ্গ করো না’ (সুরা সাদ, ৩৮:৪৪)।

এটাই প্রমাণ করে যে, তিনি (আইয়ুব আঃ) একটা শপথ নিয়েছিলেন এবং তাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে তা প্রতীকীভাবে পূর্ণ করতে, ভাঙ্গতে না। যদি শপথ ভাঙার জন্য কোন কাফফারা নাই থাকত, তাহলে তাকে ভেঙে ফেলার পরিবর্তে এই বিকল্প পদ্ধতি কেন দেওয়া হতো? এর মানেই তো কাফফারা আছে!”

এই যুক্তি শুনে ইমাম শাফিঈ (রহঃ) একটু থামলেন, গভীরভাবে ভেবে দেখলেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই তা সংশোধন করলেন। তিনি তার ছাত্রদের দিকে ফিরে বললেন: “একজন রুটি-ওয়ালা আমাকে ঠিক করে দিল! একজন রুটি-ওয়ালা আমাকে ঠিক করে দিল!”

এরপর তিনি তার আগের মতামত ফিরিয়ে নিলেন এবং ঐ ব্যক্তির সুন্দর বুঝের প্রশংসা করলেন। (ইমাম বায়হাকি (র) তাঁর ‘মানাকিব আল শাফিঈ’ তে এই ঘটনা উল্লেখ করেছেন)।

২. ইমাম আবু হানিফার মতো মহান মুজতাহিদ এক খুতবায় বলে বসলেন, “কোনো মানত ভঙ্গের কাফফারা নেই”, তখনই একজন সাধারণ গ্রাম্য মুসল্লি দাঁড়িয়ে কোরআনের স্পষ্ট আয়াত (সূরা আল-মায়িদাহ, ৫:৮৯) তুলে ধরে বললেনঃ “ওহে ইমাম, আপনি ভুল! তাই মানত ভঙ্গের জন্য কাফফারা আছে”।

ইমাম কিছুক্ষন চিন্তা করলেন এবং স্বীকার করলেন এই বলে, “এই গ্রামবাসী ঠিক বলেছেন, আমি ভুল করেছি।”

[আল খতিব আল বাগদাদির (র) ‘তারিখ বাগদাদ’ এবং ইবন আব্দুল বার (র) ‘ আল ইনতিকা’ সহ আরও বেশ কয়েকটি বইতে এই ঘটনার উল্লেখ আছে]

সাধারণ মানুষের দ্বীনী জ্ঞান ও সচেতনতার এরকম বেশ কিছু উজ্জ্বল উদাহরণ রয়েছে। যেমন—খলীফা উমর (রা.)-কে একজন নারী কোরআনের আয়াত (সূরা নিসা ৪:২০) উদ্ধৃত করে মহর বিষয়ক একটি সিদ্ধান্ত সংশোধন করেছিলেন। একবার ইমাম মালিকের (র) ক্লাসে এক বেদুঈন সাহাবী হাদীস সম্পর্কে ভুল ধরিয়ে দিয়েছিলেন। আরেকবার একজন মহিলা ইমাম আহমাদ ইবনে হানবালকে (র) উত্তরাধিকার আইন সংক্রান্ত একটি বিষয়ে শুদ্ধ করে দিয়েছিলেন।

এইসব ঘটনা শুধু খ*লিফা বা ইমাম আবু হানিফা বা শাফিঈদের বিনয় দেখায় না, বরং সে যুগের মুসলিম সমাজের ‘ইলমি সচেতনতা’-র উজ্জ্বল প্রমাণ দেয়। সাধারণ মানুষও শরিয়তের মৌলিক উৎস জানতেন, যেকোনো আলেমের বক্তব্যকে কোরআন-সুন্নাহর মাপকাঠিতে যাচাই করার দক্ষতা ও সাহস রাখতেন।

কিন্তু আজ?

আজ সাধারণ মানুষকে ইলমে দ্বীন চর্চায় ‘এক প্রকার’ নিরুৎসাহিত করা হয়। “তুমি আলেম নও”, “কোন সাহসে বড় বড় আলেমদের চিন্তার ভুল ধর”— এমন বাধা তৈরি করা হয় (কিছু বেয়াদব আছে যারা ভদ্রতার সাথে প্রশ্ন করতে পারে না; আমি তাদের কথা বলছি না)। “কি” দলীল বা যুক্তি তুলে ধরা হচ্ছে সেটার চেয়েও বর্তমানে মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে “কে” এই কথা বলছে!!!

অথচ ইসলামের স্বর্ণযুগ ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত। একদিকে যেমন জনগণের ইলমি সচেতনতা ছিল, অন্যদিকে আলেমগণ জনগণের মাঝে থেকে, তাদের ভাষায়, তাদের সমস্যায় ফতোয়া দিতেন।

আজকের আলেমদের চিন্তাধারায় নতুন সংকট:

বর্তমানে অনেক আলেম, বিশেষত যারা ইসলামি রাজনীতির নামে লিবারেল গণতান্ত্রিক কাঠামোয় কাজ করছেন, তারা প্রায়শই কিছু উসুলি নিয়ম ও মাকাসিদ শারিয়াহর ভুল প্রয়োগ করেন। যেমন:

- ‘আখাফফু দারারাইন’ (দুটি ক্ষতির মধ্যকার অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতি বেছে নেওয়া) এর নামে ইসলামের স্পষ্ট বিধানকে পাশ কাটিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রের মূলনীতির সঙ্গে আপস করা। মূলনীতি বিসর্জন দিয়ে কৌশলগত সমঝোতাকে ‘ফিকহি সমাধান’ বলে চালানো।

- মাকাসিদ শারিয়াহর অপব্যাখ্যা: “মাসলাহা” বা জনস্বার্থের নামে হারামকে হালালের পথ প্রশস্ত করা, হারাম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোয় অংশগ্রহণকে জায়েজ সাব্যস্ত করা।

- ‘ফিকহুল ওয়াকি’ (বাস্তবতার ফিকহ) নামে সময়ের দাবির কাছে শরিয়তের চিরস্থায়ী বিধানকে খর্ব করা।

স্বর্ণযুগের মুসল্লিরা ইমাম আবু হানিফাদের কোরআনের আয়াত দিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। আর আজ, যারা শরিয়তের মৌলিক বিধান ধরে রাখার কথা বলেন, তাদেরই ‘অবাস্তব’, ‘প্র্যাগম্যাটিক না”, ‘র‍্যাডিকাল’, ‘ফ্রিঞ্জ মাইনরিটি’ ইত্যাদি তকমা দেওয়া হয়। জনগণকে শরিয়তের গভীর জ্ঞান থেকে দূরে রাখাই যেন লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, যাতে কেউ তাদের ‘ফিকহি জটিলতা’ বা ‘রিয়াল পলিটিক্সের’ দোহাই দিয়ে শরিয়তের সঙ্গে আপস করার পথে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা না রাখে।

ইসলামের স্বর্ণযুগ আমাদের শেখায়: ইলম শুধু আলেমদের একচেটিয়া সম্পত্তি না, বরং প্রতিটা মুসলমানের অনুসন্ধান ও আত্মস্থ করার বিষয়। এই ইলম অবশ্যই আমরা আলেমদের সহবতে থেকে এমনভাবে শিখব যাতে ওনারা কোন ভুল বললে আমরা তা চ্যালেঞ্জ করার যোগ্যতা রাখি।

‘অমুক অমুক আলেম বলেছেন’ — কেবল এই উক্তি কখনোই শরিয়ত-ভিত্তিক আলোচনা হতে পারে না; বরং ইসলামী জ্ঞান-পদ্ধতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো যে, প্রয়োজনে তাদের ‘বলা বা মতামত’-কেও যুক্তি ও দলিলের ভিত্তিতে চ্যালেঞ্জ করা যায়। (অবশ্যই আদাবের সাথে)।

জনগণের ইলমি সচেতনতাই ছিল ইসলামী সমাজের ভুলত্রুটি সংশোধনের প্রধান রক্ষাকবচ। সেই সচেতনতা ফিরে আনাই আজকের সবচেয়ে বড় ইন্টেলেকচুয়াল স্ট্রাগল।

08/02/2026

মানুষের দুইটা জিনিস ঠিক হয়ে গেলে তার জীবনের সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। "নামাজ এবং জবান"।
বান্দা যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, তাহলে তার অন্তর পরিশুদ্ধ হয়। আর যদি কথা বলার আগে ভেবে বলে, কথা কম বলে এবং গীবত না করে—তাহলে সমাজে তার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

— ইউনুস ইবনে উবাইদ (রহ.)
[সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৬/২৮৯]

08/02/2026

আপনি দুআ করলেন,"ইয়া আল্লাহ, এই বছরেই আমার বিয়ে দাও।" আল্লাহ আপনার ডাকে সাড়া দিলেন, তবে বিয়ের ব্যবস্থা করলেন না। বিনিময়ে এই বছরের বড় বড় রোগগুলো আপনার তাকদির থেকে মুছে দিলেন। যে রোগগুলো নিয়ে বিয়ে হলে হয়তো আপনার জীবন নরক হতো৷

আপনি দুআ করলেন, "ইয়া আল্লাহ, আমাকে সন্তান দাও।" আল্লাহ আপনার ডাকে সাড়া দিলেন,কিন্তু সন্তান দিলেন না। হয়তোবা এখন আপনি সন্তান পালনে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। বা ওই সন্তান আপাতত আপনার কল্যাণে আসতো না। বিনিময়ে, আল্লাহ আপনার উপর মা-বাবার ছায়াকে দীর্ঘ করলেন৷

আপনি দুআ করলেন,"ইয়া রাজ্জাক, আমার রিজিকে বারাকাহ্ দাও। ইনকাম বাড়িয়ে দাও।" আল্লাহ আপনার ডাকে সাড়া দিলেন, কিন্তু ইনকাম বাড়লো না। হয়তোবা, যেটুকু ইনকাম বাড়ার দুআ করেছিলেন, ওটুকু আপনার কোনো অসুস্থতায় খরচ হতো। কিন্তু আল্লাহ ইনকাম না বাড়িয়ে আপনাকে সুস্থতার জীবন দিলেন।

উপরের প্রতিটা কথা উদাহরণস্বরূপ বলেছি। আসলে,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বান্দার প্রতিটা দুআ কবুল করেন। বান্দার ডাকে সাড়া দেন। কুরআনে তিনি দুআ কবুলের ওয়াদা দিয়েছেন। ওয়াদা রক্ষার্থে আল্লাহর চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কে-ই বা আছে!

প্রতিটা দুআ কবুল হয়। কখনো কখনো আল্লাহ দুআর বিনিময়ে বান্দার চাওয়াটাই দিয়ে দেন। কখনো বা দুআর বিনিময়ে বান্দার এমন বিপদ দূর করে দেন,যা বান্দার চাওয়া জিনিসটার চেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিলো।

আল্লাহ আল-হাকিম। তিনি যা করেন,তা কখনোই উদ্দেশ্যহীন নয়৷ একমাত্র তিনিই জানেন,কোন জিনিস, কিভাবে বান্দাকে দিলে তা বান্দার জন্য কল্যাণ আনবে।
আমরা রব্বের গোলাম,অধম বান্দা। রব্বের উপর ভরসা রেখে তাঁর ইবাদাত করে যাওয়া এবং দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে তাঁর কাছে চেয়ে যাওয়াই আমাদের কাজ।

© তাহিয়া ইসলাম

31/01/2026

"গুহাবাসীদের কুকুরটির কথা ভাবুন; সে কেবল নেককার মানুষদের সাথে ছিল বলে কুরআনে তার উল্লেখ এসেছে। আপনি কাদের সাথে সময় কাটাচ্ছেন, তা আপনার ভবিষ্যতের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলে। ভালো সঙ্গ আপনাকে আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে যায়, আর খারাপ সঙ্গ আপনাকে ধ্বংস করে দেয়।"

© নোমান আলী খান

26/01/2026

শয়তান ৩ দরজা দিয়ে আক্রমণ করে:

১. প্রয়োজনের বেশি :
মানুষ যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশির পিছু ছুটে, তখন শয়তান এটাকে ব্যক্তির অন্তরে ঢোকার দরজা হিসেবে গ্রহণ করে। এটা থেকে বাঁচার উপায় হলো, “মন যা যায়– যেমন: খাওয়া দাওয়া, ঘুম, ভোগ-বিলাস আর আরাম-আয়েশ জাতীয় এসব কিছু পূরণ করা যাবে না। যখন আপনি এই দরজা বন্ধ করে দিবেন, তখন শত্রুর আক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকবেন।

২। গাফলতি :
যে আল্লাহকে স্মরণ করে, সে একটি মজবুত দুর্গের ভিতর চলে যায়। কিন্তু এরপর সে যদি গাফেল হয়ে পড়ে, দুর্গের দরজা খুলে যায় এবং শত্রুরা ঢুকে পড়ে; তখন ব্যক্তিকে বাঁচানো কঠিন।

৩। অহেতুক বিষয় :
যে জিনিসের সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই কিংবা যে বিষয়ে তার মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই— এমন অহেতুক বিষয়ে যে নিজেকে জড়ায়, শয়তান তাকে পেয়ে বসে।

- ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[আল-ফাওয়ায়িদ, ১/২৭৭]

23/01/2026

আল্লাহ কেনো সবাইকে ধনী বানান না!

একবার হযরত মুসা (আ.) এক রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র এক ব্যক্তি বালির ভেতবে শরীর ডুবিয়ে বসে আছে। তার গায়ে কোনো কাপড় নেই, লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে।

লোকটি হযরত মুসা (আ.)-কে দেখে আর্তনাদ করে বলল, "হে আল্লাহর নবী। আমার জন্য একটু দোয়া করুন। আল্লাহ যেন আমাকে অন্তত বেঁচে থাকার মতো সামান্য কিছু রিযিক দান করেন। অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছি না।"

ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে হযরত মুসা (আ.)-এর দয়া হলো। তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন। পরবর্তীতে আল্লাহর নবীর দোয়াও কবুল হলো।

কিছুদিন পর মুসা (আ.) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, রাস্তায় বিশাল জটলা। অনেক মানুষ ভিড় করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "এখানে কী হয়েছে? এত ভিড় কেনো?

লোকেরা জানালো, "কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুকটি বালির নিচে শরীর ঢেকে পড়ে থাকত, সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়েছিল। টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে। এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এখন তার 'কিসাস' বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।"

হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তিগফার করলেন।

ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার উপমা ও প্রবাদ ব্যবহার করেছনঃ-

১. বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত, তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত।" (অর্থাৎ, দুর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে ওঠে)।

২. প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন: "পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো। কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।"

৩. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: "যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে অঢেল রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।" (সূরা শুরা: ২৭)

৪. বাবার কাছে অনেক মধু আছে, কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলেকে তা খেতে দেন না। কারণ তিনি জানেন, মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।

অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি, তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।
©
─শেখ সা'দী (রহ.)

15/01/2026

একবার মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী?

তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:
১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।

২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।

৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।

৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।

৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।

৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।

৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।

৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।

১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।

১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।

১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।

১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।

১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।

১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।

১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।

১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক।

সর্বশেষ এই দুয়া শিখে সর্বদা পাঠ কর। পেরেশান অবস্থায় অনেক উপকারে আসবে।رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

Sayedur Rahman হাফিজাহুল্লাহ

12/01/2026

রাশিয়ার একজন তথাকথিত জাদুকর বা অকাল্টিস্ট (Occultist) ঝান্না কুশনির (Zhanna Kushnir)

একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে জাদুর প্রভাব এবং এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, আধ্যাত্মিক সাধনা বা জাদুর মাধ্যমে সব মানুষকে সমানভাবে প্রভাবিত করা সম্ভব হয় না।

​তিনি জানান যে, একজন প্রকৃত মুসলিমকে জাদুর মাধ্যমে প্রভাবিত করা প্রায় অসম্ভব। তার মতে, মুসলিমরা তাদের স্রষ্টার (আল্লাহর) সাথে এক অনন্য এবং সার্বক্ষণিক আত্মিক সংযোগ বজায় রাখে। তাদের নিয়মিত নামাজ এবং ইবাদত তাদের চারপাশে একটি "অদৃশ্য সুরক্ষা বলয়" (Invisible Dome) তৈরি করে।

​ঝান্না কুশনির একটি বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, যখন তিনি কোনো অমুসলিমকে নিয়ে জাদুর প্রক্রিয়া শুরু করেন, তখন খুব সহজেই সেই ব্যক্তিকে তার কল্পনায় বা 'ভিশনে' নিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু একজন নিষ্ঠাবান মুসলিমের ক্ষেত্রে তিনি তা পারেন না। এমনকি তার সামনে সেই ব্যক্তির ছবি থাকলেও তিনি তার অবয়ব বা অস্তিত্বকে আধ্যাত্মিকভাবে স্পর্শ করতে পারেন না। তার কাছে মনে হয়, সেই ব্যক্তিটি যেন অদৃশ্য হয়ে গেছেন বা কোনো এক শক্তিশালী দেয়ালে ঢাকা পড়ে আছেন।

​তিনি স্বীকার করেন যে, একজন মুসলিমের ওপর জাদু প্রয়োগ করতে গেলে তিনি বারবার বাধাগ্রস্ত হন। কোনো এক অদৃশ্য শক্তি তার জাদুকরী প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে দেয় না। উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই বিশেষ সুরক্ষা এবং অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রধানত মুসলিমদের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করেছেন।

সূরা নাহল-এর ৯৯ নম্বর আয়াতটি এই ঘটনার একটি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা প্রদান করে:

​اِنَّہٗ لَیۡسَ لَہٗ سُلۡطٰنٌ عَلَی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَلٰی رَبِّہِمۡ یَتَوَکَّلُوۡنَ



"নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের রবের উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করেছে, তাদের ওপর শয়তানের কোনো আধিপত্য নেই।" (সূরা আন-নাহল: ৯৯)

​ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, নামাজ, জিকির এবং আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ঢাল হিসেবে কাজ করে। এই সাক্ষাৎকারটি সেই চিরন্তন সত্যেরই একটি সমসাময়িক বাস্তব স্বীকৃতি।

​এই ভিডিওটি মূলত রাশিয়ান ভাষায় ছিল, যা পরবর্তীতে ইংরেজি ও বাংলা সাবটাইটেলসহ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

05/01/2026

১. লোক চক্ষুর আড়ালে তুমি তোমার জীবনকে সুন্দর করো, তাহলে আল্লাহ তোমার প্রকাশ্য জীবনকে সুন্দর করে দেবেন।

২. তুমি তোমার এবং আল্লাহর মধ্যকার সম্পর্কের ব্যাপারে যত্নবান হও, তাহলে আল্লাহ তোমার এবং লোকদের সাথে সম্পর্ককে ঠিক করে দেবেন।

৩. পরকালের জন্য আমল করো তাহলে আল্লাহ তোমার দুনিয়াবী চাহিদা পূরণ করবেন।

৪. আখেরাতের বিনিময়ে তুমি তোমার দুনিয়াকে বিক্রি করো, তাহলে উভয় জগতে তুমি লাভবান হবে।

৫. দুনিয়ার বিনিময়ে তুমি আখেরাতকে বিক্রি করোনা, তাহলে উভয় জগতে তুমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।”

- সুফিয়ান আস-সাওরী (রহ.)
[হিলইয়াতুল আওলিয়াঃ ৭/৩৫]

02/01/2026

কুরআন বলে, মানুষ কোনো না কোনো কিছুর গোলাম হবেই।
আপনি যদি আল্লাহকে বেছে না নেন, তবে অবচেতনভাবেই আপনি অন্য কিছুর দাসে পরিণত হবেন। হতে পারে সেটা ফ্যাশন, জনপ্রিয়তা, টাকা, ক্যারিয়ার কিংবা নিজের অহংকার, সমাজের তৈরি করে দেওয়া নিয়মের দাস, কিংবা নিজের যেটা মন চায় ঐটার দাস ।

কিন্তু আপনি যখন আল্লাহর দাসত্ব গ্রহণ করবেন, তখনই আপনি দুনিয়ার অন্য সবকিছুর দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবেন।

একমাত্র আল্লাহর গোলাম হওয়াই হলো পৃথিবীর বুকে প্রকৃত স্বাধীনতা।

-- উস্তাদ নোমান আলী খানের আলোচনা থেকে অনুপ্রাণিত

Address

Fakirapool
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen o Duniya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share