I Love ISLAM

I Love ISLAM সকল ইসলামিক পোস্ট লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন ইসলামের মাহাত্ম্য।

02/09/2023
07/05/2022

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো হাত লাগলেই শেষ।
সেইটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোনো পুরুষের।
এই হাত লাগা শুধু শারীরিক স্পর্শে না, পুরুষের সঙ্গতায়ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে, তার লজ্জা তত কমবে।
যেমন-চিত্র নায়িকারা। পাবলিক প্লেসে পেন্টি পড়তেও দ্বিধা করেনা।
পুরুষের মাঝে থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে।
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
ইদানিং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের ভূমিকা পালন করছে।- ফেসবুকে বন্ধু বেশি।
অতি-আধুনিকরা ছেলে বন্ধুর সঙ্গে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে। ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা বলে- মাইন্ড করলে বলে '' জাস্ট কিডিং, টেক ইট ইজি।'
ইজিলি নিতে নিতে সেই অশালীন বিষয় আর অশালীন লাগে না।
লজ্জা শেষ !
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি!! কেউ প্রেমে পড়েছে তো,
প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে। স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়। আবার কারো প্রেমে পড়ে।
আবারো চুম্মা-চাটি,আরো কত কি করে !!
আবার ব্রেকাপ।
লজ্জা -শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ হয়ে যায়।
'প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে, পুরুষের সব বিলীন হয়ে যায়।
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো। প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে ২০-২৫ টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যস ! এক সময় পুরুষের প্রতি ফিলিংস কাজ করেনা।
প্রেমিকের ভালবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে। কিন্তু স্থির হতে পারে না।
জানাশোনা শেষ হলেই - আর ভালো লাগে না। বোরিং লাগে।
কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতে ভালবাসার অনুভূতিই শেষ !
মুরব্বীরা বলতেন বিয়ের পরে মেয়ের লজ্জা কমে। বাচ্চা হবার পরে আরো কমে যায়। তখন বুঝতাম না। ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
এখন বুঝি। আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিলো পুরুষ। তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে।
এখন বিয়ে লাগে না পুরুষের কাছে আসতে- ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুক সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।

কালেক্টেড

03/05/2020

রাতে কি কি জিকির করতে পারি —
১।আস্তাগফিরুল্লাহ ১০০ বার । ২।বেশী বেশী দরুদ পড়া। ৩। সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি ১০০ বার । ৪।লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ১০০ বার । ৫।লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহ লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আ'লা কুল্লি শাইইন কাদির ১০০ বার । ৬।আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আ'ফুউন তুহিব্বুল আ'ফওয়া ফাআ'ফু আ'ন্নী।
‎‏(اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفُ عني‏
উক্ত দোয়াটি বেশী বেশী পড়বেন। ৭। দোয়া ইউনুস -লা- ইলা-হা ইল্লা- আন্তা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যোয়া-লিমীন’ । ৮। সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী, সুবহানাল্লা হিল আ'যীম।’ ১০০ বার । ৯।‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ১০০ বার । ১০। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।* --- বেশী বেশী পড়তে পারেন।

নামাজে মন ফেরান।রুকু এবং সিজদায় করা দুয়াগুলির পিছনে কি কোনো নির্দিষ্ট কারণ আছে? আমরা রুকুতে বলি "সুবহানা রব্বিয়াল আযীম"....
28/04/2020

নামাজে মন ফেরান।
রুকু এবং সিজদায় করা দুয়াগুলির পিছনে কি কোনো নির্দিষ্ট কারণ আছে? আমরা রুকুতে বলি "সুবহানা রব্বিয়াল আযীম". অর্থঃ "আল্লাহ আপনি কতই না পবিত্র এবং আপনি সবচেয়ে শক্তিধর।" আমরা সিজদায় বলি, "সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’. অর্থঃ ''আল্লাহ আপনি কতই না পবিত্র এবং আপনার মাকাম সবচেয়ে উঁচু"।
নামাজের মধ্যে ফিজিক্যালি উইক এবং সবচেয়ে নড়বড়ে অবস্থাটা হচ্ছে "রুকু"। রুকুরত অবস্থায় কেউ যদি নামাজীকে হালকা করেও একটা ধাক্কা দেয়, সে ধপাস করে মাটিতে পড়ে যাবে। চমৎকার ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা যখন নামাজে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় থাকি, তখন বলি "আল্লাহ আপনি সবচেয়ে শক্তিশালী!" আবার, আমরা যখন নামাজের মধ্যে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকি, তখন আল্লাহকে বলি যে, "আল্লাহ আপনি সবচেয়ে উঁচু!" সুবহানাল্লাহ! জাস্ট এই কনসেপ্টটা আমাদের নামাজকে অন্য আরেক ডাইমেনশানে নিয়ে যায়! নামাজ পড়তে পড়তে যেখানেই মন চলে যাক না কেন, রুকু আর সিজদাহ দেওয়ার সময় মনে পড়ে যায় যে, "আল্লাহ সবচেয়ে শক্তিধর এবং আল্লাহ সর্বোচ্চ!"
তারপর রুকু থেকে উঠতে উঠতে আমরা বলি - "সামি আল্লাহু লিমান হামিদা" অর্থ: "আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে।" তারপর পরই দাঁড়িয়ে সোজা হয়ে আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি - "রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’ অর্থ, হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই। যেন আমাদের কথাগুলি যে আল্লাহ সুবহানাতা'আলা শুনবেন, সেটা নিশ্চিত করে রাখলাম। ঠিক সিজদায় যাবার আগে কেন এটা নিশ্চিন্ত করে নিলাম যে, আল্লাহ আমার সব কথা শুনবেন?
কারণ, সিজদায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে কাছে চলে যায় এবং সিজদা হচ্ছে দুয়া কবুলের মোক্ষম সময়। রসূল (সা.) বলেছেন, ‘সিজদারত বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী। সুতরাং সে সময় তোমরা বেশি বেশি দুয়া করো।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৮২)। তাই আল্লাহর সাথে বান্দার এই মহামিলনের ঠিক আগ মুহূর্তে "সামি আল্লাহু লিমান হামিদা" রিমাইন্ডার দিচ্ছে যে, আল্লাহর কাছে যা চাওয়ার সিজদায় গিয়ে উজাড় করে চেয়ে নাও। তিনি তোমার সব আকুতি-মিনতি শুনছেন। একটাও মাটিতে পড়বেনা। প্রতিটা দুয়া রব্বুল আলামিনের দরবারে মেহমান হয়ে পৌঁছাবে।

বেশি বেশি শেয়ার দিন।আর নেকির পাল্লা ভারি করুন।
20/04/2020

বেশি বেশি শেয়ার দিন।আর নেকির পাল্লা ভারি করুন।

আল্লাহ্‌ তায়ালা হযরত দাউদ (আঃ) কে ওহী পাঠিয়েছিলেন যে, যে ব্যক্তি আমার প্রেমের দাবী করে অথচ রাত্রি এলে প্রেম ছেড়ে আরামে ন...
11/01/2020

আল্লাহ্‌ তায়ালা হযরত দাউদ (আঃ) কে ওহী পাঠিয়েছিলেন যে, যে ব্যক্তি আমার প্রেমের দাবী করে অথচ রাত্রি এলে প্রেম ছেড়ে আরামে নিদ্রা যায়, সে মিথ্যাবাদী।”

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I Love ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share