ISLAM Dhormer KOTHA

ISLAM Dhormer KOTHA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ISLAM Dhormer KOTHA, Religious organisation, Khilkhet, Dhaka.

"ইসলামের আলোকে জীবনের পথে। 🌙📖
আলোর পথে চলুন, জ্ঞান এবং ইবাদতের মাধ্যমে জীবনে বরকত আনুন।
📚 কুরআন, হাদিস এবং ইসলামের মূল শিক্ষার প্রচারে নিবেদিত।
❤️ অনুসরণ করুন এবং ইসলামের পবিত্র বার্তা ছড়িয়ে দিন।"

16/12/2024

আবু বকর সিদ্দিক রা.-এর সময়ের শাম

আবু বকর রা. রোমানদের বিরুদ্ধে বড় কোনো বাহিনী প্রেরণ না করে; বরং তিনি সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন। আর মদিনা রাষ্ট্রের প্রভাব বজায় রাখার লক্ষ্যে সীমান্তে টুকটাক হামলার জন্য খালিদ বিন সাঈদ রা.-কে নিযুক্ত করেছিলেন। কিন্তু রোমানরা ছিল সামরিক দিক দিয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী তাই খালিদ রা. দরবারে খেলাফতে আরও অধিকসংখ্যক সৈন্য প্রেরণ করার আবেদন করেন।

সিদ্দিকে আকবর রা. বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ইকরিমা ইবনে আবি জাহেলের নেতৃত্বে শামের দিকে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু প্রয়োজন পূরণ না হওয়ায় স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে শাম বিজয়ের লক্ষ্য একটি বিশাল বাহিনী গঠন করে তিনটি অংশে বিভক্ত করেন। একটির সিপাহসালার বানানো হয় আমর ইবনুল আস রা.-কে। তাকে ফিলিস্তিন অভিমুখে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় বাহিনীর সিপাহসালার বানানো হয় হজরত ওয়ালিদ ইবনে ওকবা রা.-কে। তাকে জর্দান অভিমুখে পাঠানো হয়।

তৃতীয় বাহিনীটি ছিল সবচেয়ে বড়—যা ইয়াজিদ ইবনে সুফিয়ান রা.-এর নেতৃত্বে প্রেরণ করেন। সহায়তাকারী বাহিনী রওনা হওয়ার সংবাদ শুনে খালিদ ইবনে সাঈদ রা. বাহানের উপর আক্রমণ করে বসেন। তবে পরাজিত ও শহিদ হন।

সেনাপতি শহিদ হওয়ার সংবাদ শুনে সিদ্দিকে আকবর রা. শুরাহবিল বিন হাসানা, আবু সুফিয়ান এবং হজরত আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ রা.-এর মতো অভিজ্ঞ সাহাবিকে শামের উদ্দেশে রওনা করিয়ে দেন। কিন্তু সকলেই ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিলেন।

মুসলিম বাহিনী যেন একত্র হতে না পারে, তাই বাহান প্রতিটি বাহিনীর বিরুদ্ধে সৈন্য সমাবেশ ঘটায়। মুসলিম সেনাপতিগণ এই অবস্থা দেখে চিঠিপত্র আদানের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেন যে, পুরো বাহিনী একত্র হয়ে যাবে এবং দারুল খিলাফায় সাহায্য চাইবে। সিদ্দিকে আকবর রা.-এর নির্দেশে তারা ইয়ারমুক প্রান্তরে পানিপূর্ণ জায়গায় শিবির স্থাপনের নির্দেশ প্রদান করেন।

এ সময় খলিফার আদেশ পেয়ে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে ইরাকের দায়িত্ব মুসান্না বিন হারিসার নিকট সোপর্দ করে অর্ধেক সৈন্য নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ইয়ারমুক পৌঁছান। শামে পৌঁছেই মুসলিম বাহিনীর হিম্মত ও পা মজবুত করার জন্য হামলা করে সন্ধির মাধ্যমে বুসরা জয় করে নেন।

এরপর খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. বাহিনী নিয়ে আজদায়ন অভিমুখে যাত্রা করেন, যেখানে আমর ইবনুল আস রা. অবস্থান করছিলেন। যুদ্ধের পূর্বে রোমান সিপাহসালার এক আরব গুপ্তচরকে‌ মুসলমানদের শিবিরে পাঠায়। ফিরে এসে সে রিপোর্ট করে,

باليل رهبان و ناالنهار فرسان

তারা রাত কাটায় ইবাদত- উপাসনা করে আর দিন গুজরান করে অশ্বপিঠে যুদ্ধ করে।

পাশাপাশি সে এটাও বলে যে, তারা নিয়মকানুন মেনে চলার প্রতি এতটাই যত্নবান—যদি তাদের শাসকের ছেলেও চুরি করে, তবু তার হাত কাটতে সময় নেওয়া হয় না। যদি সে অপকর্ম করে, তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হয়। এটা শুনে রোমান সেনাপতি বলে, 'তা হলে তো তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চেয়ে জমিনে জিন্দা দাফন হয়ে যাওয়াই উত্তম। হায়, যদি আমাকে তাদের সাথে লড়াই করতে না হতো!'

অবশেষে ১৩ হিজরির ২৭শে জুমাদুল উলাতে আজদাইনের ময়দানে এক প্রলয়ঙ্কারী যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুসলিম আমিরগণ একমত হয়ে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সমগ্র মুসলিম বাহিনীর সিপাহসালার নিযুক্ত করেন। যুদ্ধে রোমানরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় এবং রোমান সম্রাটের ভাই তাজরিক নিহত হয়।

খালিদ রা. রোমানদের প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ না দিয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ইয়ারমুক পৌঁছে যান, যেখানে রোমানদের মূল বাহিনী অবস্থান করছিল।

ধারাবাহিকভাবে চলবে ইনশাআল্লাহ...
Ettihad Publication

Address

Khilkhet
Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ISLAM Dhormer KOTHA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share