সত্যানুসরন

সত্যানুসরন জয়গুরু 🙏 ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎

13/03/2026

আজকের সাপ্তাহিক সৎসঙ্গে নাম কির্তন

fans



আজকের সাপ্তাহিক সৎসঙ্গের কিছু স্থিরচিত্র 🤍📌শ্রীমঙ্গল, সিলেট, বাংলাদেশ
13/03/2026

আজকের সাপ্তাহিক সৎসঙ্গের কিছু স্থিরচিত্র 🤍

📌শ্রীমঙ্গল, সিলেট, বাংলাদেশ

আপনি কি জানেন শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র প্রথম কাকে দীক্ষা দিয়েছিলেন? জানেন কি ঠাকুর কাকে প্রথম দীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দ...
13/03/2026

আপনি কি জানেন শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র প্রথম কাকে দীক্ষা দিয়েছিলেন? জানেন কি ঠাকুর কাকে প্রথম দীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন? আজকের এই সুবিশাল সৎসঙ্গ, তার আন্দোলনের সূত্রপাত কোথায় এবং কাদের হাত ধরে শুরু হয়েছিল? আসুন জেনে নিই।
মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের একান্ত পার্ষদ অদ্বৈতাচার্যের পঞ্চদশ পুরুষ ছিলেন শ্রীসতীশচন্দ্র গোস্বামী। শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সান্নিধ্যে এসে তাঁর বংশগৌরবের ধারা পুরুষোত্তম পরম্পরা কে সার্থকভাবে বহন করেছিলেন। অধুনা বাংলাদেশের শালগাড়িয়ার ঠাকুর বাড়ির কনিষ্ঠ সন্তান ছিল সতীশচন্দ্র গোস্বামী। শিক্ষা জীবনে প্রথমে ইংরেজি স্কুলে এবং পরবর্তীতে চতুষ্পাঠীতে শিক্ষালাভ করে শাস্ত্রজ্ঞ পন্ডিত হয়ে 'বিদ্যারত্ন' উপাধি লাভ করেন।

শ্রীসতীশচন্দ্র গোস্বামী ছিলেন বংশপরম্পরায় বৈষ্ণব সমাজের গুরু। পারিবারিক শিষ্য সংখ্যা ছিল প্রায় পনেরো হাজার। তিনি বেশিরভাগ সময়ই শিষ্যদের অনুরোধের ডাকে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন এবং শ্রীকৃষ্ণের নাম ও বিগ্রহ সেবায় নিয়োজিত থাকতেন। ১৩১৯ বঙ্গাব্দে প্রিয় শিষ্যের অনুরোধে বাজিতপুরে পুলিন ঘোষের বাড়িতে সেবা আমন্ত্রণ রক্ষা করতে আসেন। শিষ্যের বাড়িতে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ল দেওয়ালের গায়ে টাঙানো একটা বাণী-

'ভোগের দ্রব্য সম্মুখে রাখিয়া
ত্যাগই ত্যাগ,
নতুবা ত্যাগ ভ্রান্তিমাত্র।'

বিস্মিত হয়ে পুলিন কে জিজ্ঞাসা করলেন এ বলা কার? গুরুদেব ব্যতীত অন্য কারো প্রতি অনুরক্তির কথা জানলে গুরুদেব যদি অসন্তুষ্ট হন, মনে এই সংশয় নিয়ে পুলিন নীরবে অপ্রতিভ হয়ে পড়লেন। এমনসময় বাড়িতে প্রবেশ করলেন চব্বিশ বছরের তরঙ্গিত উজ্জ্বল দেহের এক তরুণ কিশোর। প্রবেশ করতেই সতীশচন্দ্র গোস্বামী কে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞাসা করেন- দাদা, এটা আমার বলা; কথাটা কি ভুল বলেছি? এই ছিল শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সাথে তার প্রথম সাক্ষাত। তারপর চলতে থাকে শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গ সুখের আনন্দ এবং একের পর এক ঈশ্বরত্বের পরীক্ষা।

অবশেষে ১৩ শে জৈষ্ঠ্য, ১৩২১ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র স্বয়ং আনুষ্ঠানিক ভাবে সতীশচন্দ্র গোস্বামী কে দীক্ষা দিলেন। এটাই ছিল শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রথম দীক্ষাদান।
দীক্ষা গ্রহণের পরবর্তী সময়ে গোঁসায় ফিরে এলেন তাঁর নিজের গ্রাম শালগাড়িয়ায়। তৎপর ধ্যান, জপ, কীর্তন, ধর্ম প্রচার চলতে থাকে তীব্রগতিতে। গোঁসাই এর অভূতপূর্ব অনুভূতিতে ব্যাকুল হয়ে উঠলো গ্রামের মানুষজন। শালগাড়িয়ায় এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি করল- অগণিত মানুষ শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাবে ভাবান্বিত হয়ে গোঁসাই এর চরণে আশ্রয় নিতে লাগল। কিন্তু গোঁসাই ঠাকুরের কাছে মিনতি করে- 'পরম সৌভাগ্যে আমি তোমাকে লাভ করেছি তুমিই আমার ব্রজের সেই কৃষ্ণ, এবার থেকে আমি তোমার নামে দীক্ষা দেবো, আমাকে অনুমতি দিন।' ঠাকুর বললেন, প্রথম প্রচারের ভার বড় কঠিন দাদা, সইতে হবে আমৃত্যু কঠোর যন্ত্রনা। গোঁসাই দা বললেন-

রোগ-শোক-দারিদ্র্য যন্ত্রণা,
আজীবন এ মোর উপাসনা।
তথাপি প্রচার তব আমার কামনা।

শ্রীশ্রীঠাকুর এবার অনন্ত মহারাজ ও শ্রীসতীশচন্দ্র গোস্বামী কে দীক্ষা দেওয়ার অনুমতি দিলেন। এতদিন গোঁসাই ছিলেন শত শত মানুষের স্বয়ং নিজেই গুরু, এখন হয়েছেন তিনি গুরু মুখ। গুরুর প্রতিনিধি হিসেবে এখন দীক্ষা দেন তাঁরই আদেশে। গোঁসাই তার পূর্বের সকল শিষ্যদের পুনরায় দীক্ষা দিলেন শ্রীশ্রীঠাকুরের সৎনামে। এখান থেকেই শুরু হলো সৎসঙ্গ আন্দোলন। এই আন্দোলনের living ideal ছিলেন শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র এবং তাঁরই আদর্শে প্রথম living leader ছিলেন শ্রীমৎ আচার্য সতীশচন্দ্র গোস্বামী।

আজ ১১ই ফাল্গুন মঙ্গলবার। ১২৮১ বঙ্গাব্দে আজকের দিনেই শ্রীশ্রীঠাকুরের বিশিষ্ট লীলা পার্ষদ্ ভক্তপ্রবর শ্রীমৎ আচার্য সতীশচন্দ্র গোস্বামীর জন্ম দিবস। আসুন, শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাগবত জীবন ইতিহাসে ভক্তপ্রবর পরমপূজ্যপাদ এই মানুষটি কর্মচাঞ্চল হয়ে বেঁচে থাকুক আমাদের ইষ্টপথের অনুপ্রেরণায়।


◑|| পরমতীর্থ হিমাইতপুরধামে দোল উৎসবের আদি কথা ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ||শুরুটি প্রেমময়, ইতিহাস হয়ে ওঠে যে দিনবঙ্গাব...
02/03/2026

◑|| পরমতীর্থ হিমাইতপুরধামে দোল উৎসবের আদি কথা ও শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ||

শুরুটি প্রেমময়, ইতিহাস হয়ে ওঠে যে দিন
বঙ্গাব্দ ১৩৩১, ফাগুন মাসের পূর্ণিমা—দোলযাত্রা। দিনটি কেবল একটি ধর্মীয় বা ঋতুকালীন উৎসব ছিল না, বরং সেইদিন হিমাইতপুর পরমতীর্থে এক অনন্য অধ্যায় সূচিত হয়েছিল—শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে কেন্দ্র করে প্রেম, ভক্তি ও রঙের উৎসবের। সাধকপ্রবর মহারাজ অনন্তনাথ রায়, যিনি শ্রীশ্রীঠাকুরের প্রিয়তম লীলাপার্ষদদের অন্যতম, সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চাইলেন মহাপ্রভুর নবকলেবর, শ্রীশ্রীঠাকুরকে রাঙিয়ে দিয়ে।
দোল উৎসবের আয়োজনের খবর ছড়িয়ে পড়ল আশ্রমমণ্ডলে—গোঁসাইদা, কিশোরীমোহনদা, হেমকবি এবং অনেকে পরম উৎসাহে যোগ দিলেন। পদ্মার ধারে বাবলা গাছের ডালে কাপড় বেঁধে তৈরী হল দোলমঞ্চ, যেখানে ঠাকুরের প্রতিকৃতি এবং সরকার সাহেবের প্রতিকৃতি একত্রে স্থাপন করা হলো।

।শ্রীমায়ের সম্মতি ও শ্রীশ্রীঠাকুরের অভিষিক্ত রূপ

এই আয়োজনের কথা জানাতে মহারাজ গিয়েছিলেন শ্রীমায়ের কাছে। মাতৃসম্মতিতে তিনি ঠাকুরের কাছে গিয়ে প্রার্থনা করেন: “ঠাকুর, আপনার দোল উৎসবের আয়োজন হয়েছে। আপনাকে মঞ্চে বসিয়ে সকলে সমবেত প্রার্থনা করি, এই আমাদের কামনা।”
এই প্রার্থনায় সম্মতি দিয়েই শুরু হয় হিমাইতপুরে শ্রীশ্রীঠাকুরকে কেন্দ্র করে দোল উৎসবের সূচনা। শুধু প্রথাগত আয়োজন নয়, এটি হয়ে ওঠে অন্তরভরা প্রেম ও ভক্তির বিস্ফোরণ—যেখানে রঙ ছিল ভক্তির বাহন, আবির ছিল আত্মিক অনুরাগের প্রতীক।

।ঠাকুরের দোল: প্রণামের প্রাচুর্য, রঙের উচ্ছ্বাস।

উৎসবের দিনে শ্রীশ্রীঠাকুর প্রথমে তাঁর স্বর্গীয় পিতৃদেবের প্রতিকৃতির পায়ে, এরপর শ্রীমায়ের পায়ে আবির অর্পণ করে প্রণাম করেন। তারপর হুজুর মহারাজ ও সরকার সাহেবের প্রতিকৃতিকে প্রণাম করে দোলনায় বড়মাকে পাশে নিয়ে বসেন।
ভক্তরা একে একে সারিবদ্ধভাবে এসে ঠাকুরের পায়ে আবির দিয়ে প্রণাম করতেন।

এই দৃশ্যই কবি হেমচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গানটির উৎস:
“ধন্য হল দ্বাপর লীলা ফাগ দিয়ে আজ তোমার পায় কি দেব যে তোমায় মানায় প্রণাম যেথা লজ্জা পায়।। মধু মাসে মধুর খেলা আজ আমাদের মধু উৎসব পদ্মাতীরে বাবলা তলার প্রাঙ্গণে আজ মিলেছি সব।।”
এই গান আজও হিমাইতপুরের দোল উৎসবে অনুরণিত হয়, যেন চেতনায় রঙ ছড়িয়ে দেয় সেই ঐতিহাসিক প্রথম দিনের অনুভব।

।দোল খেলার প্রাণপ্রবাহ ও ঠাকুরের লীলা।

দোলের রঙ খেলার এই উৎসব ছিল উদ্দাম, প্রাণময় এবং অলঙ্ঘনীয়। কারও রঙের ভয়, কারও গোপন লুকানো, কিছুই কাজে আসত না। মহারাজ দরজার খিল ভেঙে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সঙ্গীকেও রঙ মাখিয়ে দিতেন। পরে তিনিই সেই দরজার মেরামতের ব্যবস্থা করতেন—এক অনুপম লীলারশ্মি।

।পদ্মার জলে ঐশ্বরিক স্নান: চক্রব্যূহ ও পরমপুরুষ।

রঙের খেলা শেষে সকলেই ছুটে যেতেন পদ্মার জলে স্নানে। আশ্রমিক যুবকেরা চক্রাকারে ব্যুহ রচনা করত এবং সেই ব্যুহের কেন্দ্রে শ্রীশ্রীঠাকুর, স্নিগ্ধ, সৌম্য, দিব্য রূপে সানন্দে স্নান করতেন।
চক্রব্যুহের বাইরে আশ্রমবাসীরা একে অপরকে জল ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিতেন—রঙের রেশ যেন জলে ছড়িয়ে পড়ত। পদ্মার জলে তখন রঙের ঝিলিক—“রঙে রঙিন পদ্মা!”

।উৎসবের সমাপ্তি ও চিরন্তন রেশ।

স্নান শেষে সবাই মিলে শুকনো পোশাক পরে আনন্দবাজারে প্রসাদ গ্রহণে বসতেন। উৎসব শেষ হলেও তার জ্যোতি, তার অনুরণন মুছে যেত না, বরং হৃদয়ে গেঁথে থাকত।
এই উৎসবের মূলকেন্দ্র ছিলেন শ্রীশ্রীঠাকুর। তিনি আমাদের জীবনের মূর্ত উৎসব, যাঁর জীবনে সকল রঙের উৎসার, যিনি বিবর্ণ জীবনেও রামধনুর রঙ ছড়িয়ে দেন প্রেমে, উৎসবে, আনন্দে।

উপসংহার
শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে কেন্দ্র করে দোল উৎসব কেবল একটি ধর্মীয় আচরণ নয়, বরং তা ঈশ্বরীয় প্রেমের প্রকাশ, গুরুপ্রেমে আত্মবিসর্জনের প্রতীক। হিমাইতপুরধামে এই উৎসব আজও একই প্রেরণা নিয়ে পালন হয়। ঠাকুরের সেই প্রেমময় রঙ আজও তাঁর ভক্তের হৃদয় রাঙিয়ে তোলে।
সূত্র:
• পুরুষোত্তম লীলাপার্ষদ মহারাজ অনন্তনাথ, মাতৃস্মৃতি
• হেমচন্দ্র মুখোপাধ্যায় (হেমকবি), দোল উপলক্ষে রচিত গান।।
• ------------------------------------------------------------------
✍️ নিবেদক— ইষ্টভক্ত এক অন্বেষণপ্রবণ অন্তরাত্মা পরিমল দাস, সৎসঙ্গ। শনিবার, ১০ই মে, ২০২৫। ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। অনুকূল অব্দ: ১৩৭।

দয়াল তোমার রঙে রাঙিয়ে দিয়ে যাও বিশ্বভুবন
28/02/2026

দয়াল তোমার রঙে রাঙিয়ে দিয়ে যাও বিশ্বভুবন

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ব্যবহার করা সবচেয়ে প্রিয় গাড়িটি ছিল একটি বিলাসবহুল রোলস রয়েস ফ্যান্টম (Rolls-Royce P...
26/02/2026

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ব্যবহার করা সবচেয়ে প্রিয় গাড়িটি ছিল একটি বিলাসবহুল রোলস রয়েস ফ্যান্টম (Rolls-Royce Phantom) দেওঘরের সৎসঙ্গ আশ্রমের সাথে যুক্ত এই গাড়িটি বর্তমানেও সযত্নে সংরক্ষিত আছে এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। এছাড়া, বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠানে তাঁর পরিবারের ব্যবহৃত গাড়ির উল্লেখ পাওয়া যায়।
মূল তথ্য:
প্রধান গাড়ি: রোলস রয়েস ফ্যান্টম II (Rolls-Royce Phantom II)।
বর্তমান অবস্থান: দেওঘর, ঝাড়খণ্ড (সৎসঙ্গ আশ্রমের সংগ্রহশালায়)।
সংগৃহীত
🙏🌸🪷🙏🌼🌼🙏

 #আমাদের শাস্ত্র বলে প্রতিদিন যজ্ঞ না করলে ঈশ্বর প্রাপ্তি হয় না, যজ্ঞ মানে যুক্ত হওয়া, যুক্ত হওয়ার সাধনাকে বলে যজ্ঞ। ...
13/02/2026

#আমাদের শাস্ত্র বলে প্রতিদিন যজ্ঞ না করলে ঈশ্বর প্রাপ্তি হয় না, যজ্ঞ মানে যুক্ত হওয়া, যুক্ত হওয়ার সাধনাকে বলে যজ্ঞ। ঠাকুরের আদেশ পালন করে চলি, তাঁর সব নিজের বোধ করে চলি, নিজেকে, নিজের অহংকারকে বিসর্জন দিয়ে, তিনিই আমার অহংকার, তিনিই আমার চালকশক্তি, এই মনে করে তাকে কেন্দ্র করে, তাকে সামনে রেখে চলি, এই চলার মধ্য দিয়ে আমি বড় হয়ে উঠি। ঈশ্বরের কোন সীমা নাই, কতদূর গেলে ঈশ্বর পাব তা জানিনা। তিনি অসীম অনন্ত, কিন্তু তিনি আমার আরাধ্য, এই ঈশ্বর অনুভব করি কখন, যখন তিনি নরদেহে মূর্ত হন, তাকে বলে পুরুষোত্তম, পুরুষোত্তমই ঈশ্বরের নর বিগ্রহ। যে সুযোগ আমরা পেয়েছি এই সুযোগ কিন্তু হাজার বছরেও কেউ পায় না। হাজার হাজার বছর ধরে এসো এসো এসো বলে, আর সব ভক্তদের সমবেত প্রার্থণায় আমাদের সামগ্রিক মন জয় করেন। তাঁর কথা শুনে, তাকে মাথায় রেখে, তাকে ভালবেসে মুক্ত হই, উন্নতির অবাধ পথে চলতে থাকেন, এই জীবনের সাধনা।"

[ পরম পূজ্যপাদ আচার্য্যদেব শ্রীশ্রীদাদা ]
তাং- ০১/০১/২০২০.ইং

সৎসঙ্গ অমরধামে একজন দাদা নিজের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে পূজ্যপাদ শ্রী শ্রী অবিনদা তাকে বলেন— "দেখ , বিয়ে করবি ভেবেচিন্...
09/02/2026

সৎসঙ্গ অমরধামে একজন দাদা নিজের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে পূজ্যপাদ শ্রী শ্রী অবিনদা তাকে বলেন—

"দেখ , বিয়ে করবি ভেবেচিন্তে । ক্রিকেট খেলায় যেভাবে 5 দিনের test ম্যাচ মাত্র একটা session এ ঘুরে যায় , সেভাবেই জীবন মাত্র ওই একটা session এ হয় এগিয়ে যায় নাহলে চিরতরে জলাঞ্জলিতে যায় ।
মেয়ে দীক্ষিত / অদীক্ষিত হোক ক্ষতি নাই , আগে দেখবি মেয়েটা ঠাকুরের চরণের প্রতি নিজেকে মিলিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে কি না । পরিবার কেমন ! মা বাবা কেমন !

আসলে বিয়ের প্রাক্কালে বউকে জোর করে দীক্ষা দেওয়াতে পারবি কিন্তু তার মধ্যে যদি ঠাকুরের প্রতি সেই টান না জাগ্রত হয় তাহলে তোর বিয়ের পরের কতকগুলো বছর তুই দয়ালের কাজে পিছিয়ে পড়বি ওকে দয়ালের বিষয়ে বোঝাতে বোঝাতে ।

কিন্তু সে যদি আদিকাল থেকে সপরিবারে দীক্ষিত হয় তাহলে তুই কয়েকশো ধাপ এগিয়ে যাবি জীবনে।

একসাথে দয়ালকে নিয়ে , সারাদিন দয়ালের কাজে বেরোলে বাড়িতে ঝগড়ার কারণ এটা হবে না, যে কেনো এতক্ষণ বাইরে ছিলি বরং এটা হবে যে ওই মেয়ে তোকে বলবে যে তুমি এত দয়ালের কাজ করছো, আমাকেও নিয়ে চলো ।

নিজেদের personal time হয়ে উঠবে দয়ালের কাজ & প্রত্যেকদিনের আহার হয় উঠবে আনন্দবাজার । আর এটা তখনই সম্ভব যদি পরমপ্রেমময় এর প্রেম কি জিনিস সেটা সে বুঝতে পারে ।

আচ্ছা বলতো তোর বউ হঠাৎ যদি জিজ্ঞেস করে "আচার্য্য" কে হন , কী বলবি ?"

সেই দাদা— " আজ্ঞে , আমার জীবনের সবকিছু "

শ্রী শ্রী অবিনদা— " জীবজগত জীবন কারণ যিনি তার ভব লীলাকে তুই শুধু তোর জীবনের সবকিছু বলে ব্যাখ্যা দিলে হবে !

ওকে শেখাবি যাকে চিনলে এ জগৎ চেনা হয়ে যায় , যাকে জানলে আর কিছু জানার বাকি থাকে না , যাকে ভালবাসলে আর মিথ্যে ভালোবাসাতে বিশ্বাস হয় না , যার প্রেমে শুধু প্রেমবিনা আর কিছু নেই তিনি আমার দয়াল , আর যাকে চিনলে দয়ালকে চেনা হয়ে যায় তিনিই আচার্য্য।
বুঝলি ! ( বলেই সেই অপরূপ হাসি ) সুখে সংসার কর একমাত্র একটা জিনিস কে মাথায় নিয়ে যে ঘরের কর্তা - পরমাদয়াল এবং গিন্নি হলেন - তারই স্ত্রী স্বরূপ মোদের বড়মা । ব্যাস দেখবি কতসুন্দর এক জীবন উপহার পাস ।

ভালো থাকিস এবং যে আসবে তাঁকে নিয়ে দেওঘর যাস অন্তত মাসে একবার বিয়ের প্রথমদিকে এতে ওই মেয়েটার সুবিধা হবে বুঝলি ( বলেই উনি এক অপরূপ হাসি মুখ নিয়ে বললেন ) জয়গুরু ।"

লেখায় - অরিজিৎ মাঝি
Arijit Majee

 #ইস্টভৃতি_ব্যাবসা।আমি এমন এক ব্যাবসার সাথে যুক্ত আছি যার নাম ইস্টভৃতি তবে তার লাভ কিন্তু লোকের চোখে পড়ে না তাঁরা শুধু ...
04/02/2026

#ইস্টভৃতি_ব্যাবসা।

আমি এমন এক ব্যাবসার সাথে যুক্ত আছি যার নাম ইস্টভৃতি তবে তার লাভ কিন্তু লোকের চোখে পড়ে না তাঁরা শুধু দেখে সৎসঙ্গ নামক একটা সংগঠন এই ব্যাবসার মাধ্যমে বিস্তার করছে।

ঘটনা না তো সত্য আমরা রোজ ঘুম থেকে উঠে ইস্টভৃতি দিচ্ছি তাও আবার টাকা দিয়ে কেউ রোজ ১ টাকা করে দেয় কেউ আবার ১০,১০০,১০০০ আবার কেউ ১০০০০ করে ও করে রোজ ইস্টভৃতি।কিন্তু লাভের বেলায় তাঁরা কিছুই পাইনা। কিন্তু ওইযে একটা কথা মা থেকে মাসির দরদ বেশি বলে একটা কথা আছে আমাদের প্রত্যেকের মাসি হচ্ছে তাঁরা। কারন আমি ইস্টভৃতি করছি আমার মাথাব্যথা নেই আমাদের চিন্তা তাঁরা বহন করে বেরোচ্ছে তার জন্য ঠাকুরের কাছে তাদের মঙ্গল প্রার্থনা।

এইবার ঘটনা হলো আমি বা যাঁরা রোজ শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের দীক্ষা নিয়ে ভোর ৪ টায় উঠে ঠাকুরের বিগ্ৰহের সামনে বসে তাও আবার নাম ধ্যান করে কেউ ১০ মিনিট কেউ আবার এক ঘন্টা নাম ধ্যান করার পর ইস্টভৃতি করে তাঁরা কি সত্যি পাগল।এত সাধের/আরামের ঘুম বিসর্জন দিয়ে কি দরকার ভোর বেলা উঠে ইস্টভৃতি করার যখন খুশি তখন ও তো করা যায়।না আমার কথা না আমার দরদ বেশি মাসির কথা আরকি এটা।

যাঁরা আমাদের বোকা ভাবে পাগল ভাবে ইস্টভৃতি কে ব্যাবসা ভাবে তাদের উদ্দেশ্য আমার এই কথাগুলো বলা একটা বোকা মানুষ ও নিজের কোনটাতে আরাম,লাভ সেটা বুঝে তাই আমাদের বোকা ভেবে নিজেদের এতো জ্ঞানি বা পন্ডিত ভাববেন না কারন ইস্টভৃতি করি আমরা ভালোবাসা থেকে। আপনাদের কথাগুলো শুনে আমাদের বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না কারণ বিষয় টা এখানে ভালোবাসার।

কারন আমরা দীক্ষার সময় সেই প্রতিজ্ঞা করি যে প্রত্যেক দিন কর্ম আরম্ভে আমাদের গুরুর জন্য আমাদের পরম পিতার জন্য,পরম পিতা মানে যিনি আমার ও পিতা আমার মাতাপিতার ও পিতা এই জগতের পিতা তাকে আমরা পরম পিতা বলি সেই পরম পিতা কে নিত্য কোনকিছুর প্রত্যাশা ছাড়া আমাদের ভোগ নিবেদন করতে হয় আর সেই ভোগ হচ্ছে ইস্টভৃতি।

ইস্টভৃতি শব্দের অর্থ হচ্ছে ইস্ট মানে মঙ্গল ভৃতি মানে ভরণ পোষোণ আমি আমার মঙ্গলের ভরণ পোষণের জন্য এই অর্ঘ প্রত্যেক দিন তার চরন তলে অর্পণ করি।এই দুনিয়ায় সবাই ভৃতি পালন করছে পিতাভৃতি,মাতাভৃতি,সন্তানভৃতি তাই যার দয়ায় এই মানব জনম পেয়েছি যার দয়ায় বেঁচে আছি তাঁর ও ভৃতি করতে লাগে সেটাই ইস্টভৃতি।

এইবার আসি ইস্টভৃতির লাভ যেটা আমার মাসি(মানে যাদের প্রশ্ন) জানতে পারেনা এই ইস্টভৃতি করা যখন আমি শুরু করি প্রথম অবস্থায় আমার প্রত্যেক দিন ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস গড়ে উঠে এবং সেই সূর্যের আলো আমার গায়ে পরার সৌভাগ্য হয় এবং বিজ্ঞানের ভাষায় সুস্থ থাকার একটা লক্ষ্যন ভোরে উঠা এইবার ভোরে উঠা ইস্টভৃতি করা তার আগে নাম ধ্যান করা বিজ্ঞানের ভাষায় নামধ্যান(meditation)খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যের জন্য এবং পুরুষোত্তম রা তো যুগে যুগে বলেই গেছেন নাম করার কথা।

এইবার ইস্টভৃতি শেষ করে ঠাকুর বলেছেন থানকুনি পাতা ২ টো খেতে সাথে এক গ্লাস জল সেটা প্রত্যেক দিন খেলে শরীর ২০ থেকে ৩০ টা রোগ থেকে মুক্ত থাকে আর বিজ্ঞান বলছে তার ও বেশি তারপর ঠাকুর বলেছেন মাবাবা থেকে শুরু করে গুরুজনদের প্রনাম যেটা আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতি ঠাকুর কে ধরে সে অভ্যাস ও আমাদের মধ্যে ঘরে উঠে।

তাছাড়া আমাদের অনেকের অনেক রকম ভুল চিন্তা ভাবনা থাকে আমরা আমাদের গুরুজনদের সাথে ঠিক কিরকম ব্যাবহার করতে হয় জানি না আমার চারিপাশের মানুষের উপর আমার কি দায়িত্ব সেটা জানি এই ইস্টভৃতি করতে করতে ঠাকুরের এই নিয়ম পালনে আমাদের মধ্যে আস্তে আস্তে একটা পরিবর্তন ঘরে উঠে এবং সেই পরিবর্তন আমাদের আস্তে আস্তে দায়িত্বশীল করে তোলে। মাবাবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়।

এই সবকিছু সম্ভব হয় ইস্টভৃতি নামক ব্যাবসায় যুক্ত হলে।তাই আমরা সৎসঙ্গীরা গর্বিত যে আমরা এইরকম একটা ব্যাবসার সাথে যুক্ত 🥰🥰🥰

কলমে দীপক বিশ্বাস।

#সৎসঙ্গ_বর্তমান_সময়ে_কেন_গুরুত্বপূর্ণ #দেওঘর #ঈশ্বরের_ইচ্ছায়_মঙ্গল #সৎসঙ্গ #ঊষাবাজার_সৎসঙ্গ_বিহার

দুটো জিনিস মাথায় রেখে + পালন করে চলতে হয় :১. *বিশ্বাস:*  ঠাকুরের ওপর বিশ্বাস রাখো সব অবস্থাতে। তাঁর হাত ছেড়ো না।২. *ব...
01/02/2026

দুটো জিনিস মাথায় রেখে + পালন করে চলতে হয় :

১. *বিশ্বাস:* ঠাকুরের ওপর বিশ্বাস রাখো সব অবস্থাতে। তাঁর হাত ছেড়ো না।

২. *বিবেচনা:* বিবেচনাবোধ দিয়ে সব কিছু বিচার করে সিদ্ধান্ত নিয়ে সব কর্ম করা। ভালো-মন্দ, ধর্ম-অধর্ম --- সবটা ভেবে চিন্তে কর্ম করা। একটা ভুল অনেক গুলো অপকর্মকে ডেকে আনে। তাই খুবই সাবধানে চলাচল করতে হয়।

*~ পরমপূজ্যপাদ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব*
_(সৎসঙ্গ আশ্রম দেওঘর, বড়দা বাড়ি, নাটমণ্ডপ, ৩১ শে জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার, দুপুর ১২ টা ২৮ মিনিট।)_


29/01/2026

আহা তুমুল কির্তনে মেতে আছেন সব্বাই 😊🙏


Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সত্যানুসরন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share