Oath of ISLAM

Oath of ISLAM ইসলামের শপথ

23/08/2025

"মুমিন কখনো খোটাদানকারী, অভিশাপকারী,নির্লজ্জ ও অশ্লীলভাষী হয়না।"

(তিরমিযী : ১৯৭৭)

09/03/2025

সাবধানে থেকো বোন, অমানুষ দেখতেও মানুষের মতো!

💔

07/03/2025

আমল কবুলের জন্য দুআ

رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيمُ

হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের পক্ষ থেকে কবূল করুন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

وَتُبْ عَلَيْنَآ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সূরা আল বাকারাহ - ২:১২৭-১২৮

খুব গুরুত্বপূর্ণ । সম্ভব হইলে টাইমলাইনে প্রিন্ট করে রেখে দেন 🤲💚
17/02/2025

খুব গুরুত্বপূর্ণ । সম্ভব হইলে টাইমলাইনে প্রিন্ট করে রেখে দেন 🤲💚

16/02/2025

নিশ্চয়ই শ'য়তানের চক্রান্ত দুর্বল ।
📕 সূরা নিসা : ৭৬
নিশ্চয়ই নারীর চক্রান্ত ভ'য়াবহ
📕 সূরা ইউসুফ :২৮

12/02/2025

আমি আশ্চর্য হই ওই ব্যক্তির উপর,,
যে মৃত্যু নিশ্চিত যেনেও
কিভাবে দুনিয়ার রঙ তামাশায় মগ্ন থাকে...

তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে অপরকে শিক্ষা দেয়। -সহিহ বুখারি: ৫০২৭
09/02/2025

তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে অপরকে শিক্ষা দেয়। -সহিহ বুখারি: ৫০২৭

09/02/2025

সুন্নি শরিয়ত না মেনে জীবন যু দ্ধে বহু পিছিয়ে গেলাম🌝
নিচে মাজার পূজারির দলিল গুলো দেয়া হলো-

১। কবরে সিজদাহ করা হারাম।
(বুখারী: ১৩৩০)

২। কবরকে মসজিদ বানানো হারাম।
(আবু দাউদ ৩২২৭,নাসায়ী ২০৪৭)

৩।। কবরের উপর বসা ও সালাত আদায় নিষিদ্ধ ।
(মুসলিম ২১৪০,নাসায়ী ২০৪৪)

৪। কবর পাকা করা, মাজার বানানো হারাম ।
(মুসলিম: ২১৩৫,আবু দাউদ ৩২২৫, নাসায়ী ২০২৮)

৫। কবরের উপর মোমবাতি জ্বালানো হারাম ।
(নাসায়ী ২০৪৩)

৬। কবরের উপর লিখা হারাম। (আবু দাউদ: ৩২২৬)

৭। কবরে ফলক লাগানো নিষেধ। (তিরমিজি ১০৫২)

৮। কবরে চুনকাম করা নিষেধ।(মুসলিম ২১৩৫, আবু দাউদ ৩২২৫ নাসায়ী২০২৮)

৯। কবরের মধ্যে ওরস-মেলা এবং কবরকে উৎসবের স্থান বানানো হারাম।
(আবু দাউদ:২০৪২)

১০। উচু কবর দেখলে ভেঙ্গে দেয়া এবং কবর সমতল করা জরুরী।
(মুসলিম ২১৩৩,নাসায়ী২০৩০, আবু দাউদ ৩২১৮)।

১১। কবরের পাশে পশু জব|ই করা নিষেধ।
(আবু দাউদ ৩২২২)

১২। কবর জিয়ারত(একাকী হাত তুলে দোয়া) করার অনুমতি লাভ করা।
(মুসলিম ২১৪৯,আবু দাউদ ৩২৩৪ তিরমিজি ১০৫৪)

১৩।রাসুল(ﷺ)বলেছেন,
মসজিদুল হারাম,মসজিদুল আক্'সা ও মসজিদে নববী ছাড়া অন্য কোন মসজিদে কবর যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবেনা।
(বুখারী ১১৯৭)

১৪। মহীলাদের কবর জিয়ারত করা নিষেধ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘন ঘন কবর জিয়ারত কারীনীদের অভিসম্পাত করেছেন।
(তিরমিজি১০৫৬,ইবনে মাজাহ১৫৭৪)।

🔰 রাসূল সাঃ বলেছেন তোমরা দ্বীনের মধ্যে নতুন সৃষ্টি করা হতে বিরত থাক।
নিশ্চয়ই প্রত্যেক নতুন সৃষ্টি বিদ'আত ও প্রত্যেক বিদ'আতি গোমরাহী। আর প্রত্যেক গোমরাহীর পরিণাম জাহান্নাম ।
(মুসলিম ১৫৩৫, নাসাঈ ১৫৬০)

আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের বুঝার তৌফিক দিন...
Oath of ISLAM

31/12/2024

লাভ কি ! 31 st night পালন করে ??
আপনি শির্ক ছাড়া তো আর কিছু করতেছেন না । আপনি কি জানেন না দিবস পালন করা শির্ক ? কারণ আল্লাহ মুসলিমদের জন্য নির্দিষ্ট দুইটা দিন পালনের অনুমতি দিয়েছেন একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর অন্যটি হচ্ছে ঈদুল আযহা ।

আপনি নিজে থেকে শরীয়তের বাহিরে গিয়ে বিধর্মীদের কালচার নিজের মধ্যে লালন করে আপনি নিজেকে মুসলিম দাবি করেন কিভাবে ??

ধর্মীয় কথা আলাদা রাখি বিবেক দিয়ে একটু চিন্তা করেন , এই রাতে আপনি পটকাবাজি ফুটিয়ে কতশত অসুস্থ মানুষকে বারবার কাঁপিয়ে তুলতেছেন ?
আপনি কতশত ঘুমন্ত শিশুকে ভয়-ভীতির মধ্যে ফেলে দিচ্ছেন ??

আপনি জেনে শুনে পাখিগুলোকে হত্যা করতেছেন । পাখি হত্যার প্রতিযোগিতায় আপনি অংশ গ্রহণ করেন নি তো..?

বেশিরভাগ তরুণদের স্বভাব কেমন !! রাতে আতশবাজি ফাটিয়ে পাখি মারে, দিনে মরা পাখির পোস্টে Sad রিয়েক্ট দেয়। চমৎকার তাই না !! কেন আপনি কি জানতেন না পটকা ফুটালে পাখিগুলো আতঙ্কিত হয়ে মারা যাবে ?

এই পটকা ফুটাতে গিয়ে অনেক ঘরবাড়িতে আগুন লেগে যায় ।‌ পটকা ফুটানোর কারণে অগ্নিসংযোগের ঘটনা প্রতিবছরই পেপার পত্রিকাতে দেখা যায় । এরপরেও কেন আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয় না ??

ফাঁনুষ উড়ানোর ফলে আগুন লেগে গেল।
আপনি নিজেও জানতে পারলেন না আপনি মহান রবের কাছে একজন খুনি ।
দেখুন ভাই আপনি মানুষ পশু পাখিকে কষ্ট দিবেন আল্লাহ কি সহ্য করবে ??

এত এত অনুরোধ, নিষেধ সত্ত্বেও যারা ভীতিকর শব্দে আতসবাজি ও পটকা ফুটাচ্ছে তারা আসলেই কি মানুষ?!

এই রাতকে উদযাপন করার জন্যে কতো মানুষের কতো কতো প্ল্যান-প্রোগ্রাম! আঁতশবাজি, জুয়া, মদ, নারী, নেশা, নাচ আর গান— কতো কী! বছরের শেষ দিনটাকে বিদায় দিতে আর নতুন তারিখটাকে স্বাগত জানাতে তাদের আয়োজনের সে কী বাহার!

কিন্তু, শেষ রাতে উঠে কেউ কেউ জায়নামাযে হুঁ হুঁ করে কাঁদবে। সারাবছরের যাবতীয় গুনাহের কথা স্মরণ করে দু'চোখ ভরে অশ্রু ঝরাবে তারা। অতীতের সকল গুনাহের জন্য করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করবে মহান রবের দরবারে, আর আকুতিভরে চাইবে নতুন বছরে তারা যেন অতীতের পাপগুলোতে ফিরে না যায়।

ওয়াল্লহি।
ওয়াল্লহি।
ওয়াল্লহি।
আতশ-বাজি ফুটানোর জন্য কিয়া-মতের দিন অবশ্যই অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবেন। ইনশাআল্লাহ ।‌
কি হবে আমাদের !! যে উম্মাহর লোকেরা লাইলাতুল কদর কাটায় ঘুমিয়ে, অন্যদিকে ফজর পর্যন্ত উদযাপন করে থার্টি ফার্স্ট নাইট। সে উম্মাহর পরাজয়ের কারণ কি আর আলাদাভাবে জিজ্ঞাসা করা লাগে !

ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

আপনারা সত্যি কারের মুসলিম এর পরিচয় দিন । থার্টিফার্স্ট নাইটে সোশ্যাল মিডিয়াতে আতশবাজি ফানুস এর ছবি না দিয়ে বরং এইটা পোস্ট করুন যে
দুঃখিত "থার্টিফার্স্ট নাইট"
তুমি আমার জন্য না..!
কারন আমি একজন মুসলিম!!

লজ্জা নয় একজন মুসলিম হিসেবে গর্বের । থার্টি ফাস্ট নাইট পালন না করে একটা ভালো কাজ করুন না !

আপনি যখন পটকা বাজি ফানুস বারবিকিউ ইত্যাদির পেছনে টাকা খরচ করতেছেন ওইদিকে আপনার বিল্ডিংয়ের নিচেই কত মানুষ শীতে কাপতেছে , কত মানুষ শীতের কারণে অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছে । আসুন না , একদিন পটকা বাজি না ফুটিয়ে সেই টাকা দিয়ে শীতার্ত মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করি।

কি বা হবে এই পটকাবাজি না ফুটালে !!

থার্টি ফাস্ট নাইট পালন করা হারাম । একটা হাদিস দিয়ে শেষ করবো , রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি বিজাতির সদৃশ অবলম্বন করে ,সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে ।
আবু দাউদ
হাদিস নাম্বার ৪০৩১
হাদিসের মান: হাসান

© তুমি কি সত্যিকারের মুসলিম ? ( Upcoming book )

আসসালামু আলাইকুম আজ ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং, রবিবার২১ জুমাদিউল সানি,১৪৪৬....আজকের আলোচ্য বিষয়: ইসলামের দ্বিতীয় মৌলিক বিষয়...
22/12/2024

আসসালামু আলাইকুম
আজ ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং, রবিবার
২১ জুমাদিউল সানি,১৪৪৬....
আজকের আলোচ্য বিষয়: ইসলামের দ্বিতীয় মৌলিক বিষয় হচ্ছে আল্লাহ তাআলার ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস।
নিচে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো ও তার সম্পূর্ণভাবে পড়ার অনুরোধ করা হলো::

((Part-3))
ফেরেশতাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলেন জিবরীল আলাইহিস সালাম। তিনি অহীর দায়িত্বশীল। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَإِنَّهُ لَتَنزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ عَلَىٰ قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنذِرِينَ بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُّبِينٍ﴾

‘‘এটি রববুল আলামীনের নাযিল করা কিতাব। একে নিয়ে আমানতদার রূহ অবতরণ করেছে তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও। পরিস্কার আরবী ভাষায়’’। (সূরা শুআরা: ১৯২-১৯৫) আল্লাহ তা‘আলা সূরা নাহালের ১০২ নং আয়াতে আরো বলেন,

﴿قُلْ نَزَّلَهُ رُوحُ الْقُدُسِ مِن رَّبِّكَ بِالْحَقِّ ﴾‘‘বলো, একে তো রূহুল কুদুছ সত্যসহকারে তোমার রবের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে নাযিল করেছে’’।

আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতাদেরকে বিভিন্ন আকার-আকৃতি ধারণ করার ক্ষমতা দিয়েছেন। তারা ইবরাহীম ও লুত আলাইহিস সালামের নিকট মেহমানের বেশে আগমন করেছিলেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট জিবরীল আসতেন বিভিন্ন আকৃতিতে। কখনো আসতেন দিহইয়া কালবীর আকৃতিতে, কখনো আসতেন গ্রাম্য লোকের আকৃতিতে আবার কখনো আসতেন তার আসল আকৃতিতে যেভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সেভাবেই। দু’বার এমনটি হয়েছিল। জিবরীল অন্য আকৃতিতে আসার কারণ হলো, মানুষ ফেরেশতাদেরকে আসল আকৃতিতে দেখার ক্ষমতা রাখে না। মুশরিকরা যখন আবেদন করেছিল, আল্লাহ তা‘আলা যেন তাদের কাছে ফেরেশতা পাঠান, তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

﴿وَقَالُوا لَوْلَا أُنزِلَ عَلَيْهِ مَلَكٌ وَلَوْ أَنزَلْنَا مَلَكًا لَّقُضِيَ الْأَمْرُ ثُمَّ لَا يُنظَرُونَ وَلَوْ جَعَلْنَاهُ مَلَكًا لَّجَعَلْنَاهُ رَجُلًا وَلَلَبَسْنَا عَلَيْهِم مَّا يَلْبِسُونَ﴾

তারা বলে, তার কাছে ফেরেশতা পাঠানো হয় না কেন? যদি ফেরেশতা পাঠাতাম, তাহলে ফায়সালা হয়ে যেতো, তখন তাদেরকে আর কোনো অবকাশই দেয়া হতোনা। যদি ফেরেশতা পাঠাতাম তাহলেও তাকে মানুষের আকৃতিতেই পাঠাতাম এবং তাদেরকে ঠিক তেমনি সংশয়ে লিপ্ত করতাম যেমন তারা এখন লিপ্ত রয়েছে (সূরা আল আনআম: ৮-৯)

অর্থাৎ মানুষের কাছে যদি ফেরেশতা রসূল পাঠাতাম, তাহলে ফেরেশতা মানুষের আকৃতিতেই আসতেন। যাতে করে মানুষেরা তার সাথে কথা বলতে পারে এবং তার কাছ থেকে আল্লাহ তা‘আলার বাণী গ্রহণ করে উপকৃত হতে পারে। কেননা প্রত্যেক প্রকার সৃষ্টিই সমজাতীয় সৃষ্টির সাথে মিশতে পারে, ঘনিষ্টতা ও সখ্যতা তৈরী করতে অভ্যস্ত এবং অন্য প্রকৃতির সৃষ্টি থেকে দূরে সরে যায়। ফেরেশতা সম্পর্কে এতটুকু আলোচনাকেই যথেষ্ট মনে করছি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে বুঝার তাওফীক দিন। আমীন।
‘‘যা কিছু মানুষের সামনে আছে তা তিনি জানেন এবং যা কিছু তাদের অগোচরে আছে সে সম্পর্কেও তিনি অবগত’’। (সূরা বাকারা: ২৫৫) আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ﴿وَلَا يَشْفَعُونَ إِلَّا لِمَنِ ارْتَضَى وَهُمْ مِنْ خَشْيَتِهِ مُشْفِقُونَ﴾ ‘‘যাদের পক্ষে সুপারিশ শুনতে আল্লাহ সম্মত তাদের পক্ষে ছাড়া আর কারো সুপারিশ তারা করে না এবং তারা তাঁর ভয়ে থাকে ভীত-সন্ত্রস্ত’’। (সূরা আন্বীয়া: ২৮) আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,﴿يَخَافُونَ رَبَّهُمْ مِنْ فَوْقِهِمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ﴾ ‘‘তারা ভয় করে নিজেদের রবকে যিনি তাদের উপরে আছেন এবং যা কিছু হুকুম দেয়া হয় তারা তাই করে’’। (সূরা নাহাল: ৫০)

সুতরাং ফেরেশতারা হচ্ছেন আল্লাহর সম্মানিত বান্দা। তাদের মধ্যে কতক ফেরেশতা সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান। কেউবা তাসবীহ পাঠে মশগুল। তাদের প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে সুনির্দিষ্ট দাড়াবার স্থান। তিনি তা অতিক্রম করতে পারেন না। তিনি আদিষ্ট কর্মে ব্যস্ত রয়েছেন। সেই কাজ করতে কোন প্রকার ত্রুটি করেন না এবং তাঁকে যেই কাজের আদেশ করা হয়েছে, তার সীমাও লংঘন করেন না। যারা আল্লাহর নিকটবর্তী, তাদের মর্যাদা সর্বোচ্চ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,﴿لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ يُسَبِّحُونَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ﴾ ‘‘তারা নিজেদেরকে বড় মনে করে তাঁর এবাদত থেকে বিমুখ হয় না এবং না ক্লান্ত হয়। দিনরাত তাঁর প্রশংসা ও মহিমা ঘোষণা করতে থাকেন, বিরাম বা বিশ্রাম নেন না’’। (সূরা আম্বীয়া: ১৯-২০)

ফেরেশতাদের প্রধান ও নেতা হলেন তিনজন। জিবরীল, মীকাঈল এবং ইসরাফীল। তারা সকল মানুষ, প্রাণী, জীব ও উদ্ভিদের হায়াতের দায়িত্বপ্রাপ্ত। জিবরীল (আঃ) অহীর দায়িত্বপ্রাপ্ত। অহীর মাধ্যমেই রূহ এবং অন্তর জীবিত হয়। মিকাঈল বৃষ্টির দায়িত্বপ্রাপ্ত। বৃষ্টির মাধ্যমে যমীন, উদ্ভিদ এবং প্রাণী জগৎ জীবিত হয়। ইসরাফীল শিঙ্গায় ফুৎকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত। এর মাধ্যমে সৃষ্টি মৃত্যুর পর পুনঃজীবন ফেরত পাবে। সুতরাং ফেরেশতারা হচ্ছে আল্লাহর সৃষ্টি ও আদেশের ক্ষেত্রে আল্লাহর দূত। তারা তাঁর মাঝে এবং তাঁর বান্দাদের মাঝে দূত স্বরূপ। তারা আল্লাহর নিকট থেকে সৃষ্টি জগতের সকল প্রামেত্ম তাঁর আদেশ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে অবতরণ করে এবং তাঁর নিকট উন্নীত হয়। ফেরেশতাদের ভারে আসমানসমূহ কড়কড় আওয়াজ করে। আওয়াজ করাই এগুলোর জন্য সমীচিন। আসমানে চার আঙ্গুল পরিমাণ জায়গাও খালী নেই, যাতে কোনো না কোনো ফেরেশতা দাঁড়িয়ে, কিংবা রুকু অবস্থায় অথবা সিজদারত অবস্থায় আল্লাহর এবাদতে মশগুল নয়। প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা বাইতুল মা’মুরে প্রবেশ করে। তাদের কেউ সেটাতে দ্বিতীয়বার প্রবেশের সুযোগ পাবে না। কুরআন মজীদ বিভিন্ন প্রকার ফেরেশতা এবং তাদের বিভিন্ন পদ মর্যাদার আলোচনায় ভরপূর। কোথাও কোথাও আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নামের সাথে ফেরেশতার নাম যুক্ত করে উল্লেখ করেছেন এবং আল্লাহর সালাতকে ফেরেশতাদের সালাতের সাথে মিলিয়ে উল্লেখ করেছেন। আবার কখনো কখনো সম্মান জনক স্থানের দিকে তাদেরকে সম্বোধিত করেছেন। আবার কখনো উল্লেখ করেছেন যে, ফেরেশতারা আরশকে ঘিরে আছে এবং তারা আরশ বহন করে আছে। আবার কখনো উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারা পাপ কাজ করা হতে মুক্ত। কখনো বলা হয়েছে যে, তারা সম্মানিত, নৈকট্যশীল, তারা উপরে উঠে, তারা পবিত্র, শক্তিধর এবং একনিষ্ঠ। (আল্লাহ তা‘আলাই সর্বাধিক অবগত রয়েছেন)

[3]. সহীহ মুসলিম, হা/২৬৪৩, তিরমিযী, হা/২১৩৭, সহীহ।

[4] . এর অর্থ এও হতে পারে যে ফেরেশতারা মহান আল্লাহ তা‘আলা ও নবী-রাসূলদের মধ্যে বার্তা পৌঁছাবার কাজ করেন। সে হিসাবে তারা আল্লাহর দূত। আবার এ অর্থও হতে পারে যে, সমগ্র বিশ্ব-জাহানে মহাশক্তির অধিকারী আল্লাহর বিধান নিয়ে যাওয়া এবং সেগুলো প্রবর্তন করা ফেরেশতাদেরই কাজ। এ কথা উল্লেখ করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ফেরেশতাদেরকে মুশরিকরা দেব-দেবীতে পরিণত করেছিল অথচ এদের মর্যাদা এক আল্লাহর একান্ত অনুগত খাদেমের চেয়ে মোটেই বেশি নয়। বাদশাহর খাদেমরা যেমন তার হুকুম তামিল করার জন্য দৌড়াদৌড়ি করে থাকে ঠিক তেমনি এ ফেরেশতারাও বিশ্ব-জাহানের প্রকৃত শাসনকর্তার হুকুম পালন করার জন্য উড়ে চলতে থাকেন। এ খাদেমদের কোনো ক্ষমতা নেই। সমস্ত ক্ষমতা রয়েছে আসল শাসনকর্তার হাতে। আল্লাহ তা‘আলাই সর্বাধিক অবগত রয়েছেন।

[5]. ফেরেশতাদের হাত ও ডানার অবস্থা ও ধরণ জানার কোনো মাধ্যম আমাদের কাছে নেই। কিন্তু এর অবস্থা ও ধরণ বর্ণনা করার জন্য আল্লাহ যখন এমন শব্দ ব্যবহার করেছেন যা মানুষের ভাষায় পাখিদের হাত ও ডানার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে তখন অবশ্যই আমাদের ভাষার এ শব্দকেই আসল অবস্থা ও ধরণ বর্ণনার নিকটতর বলে ধারণা করা যেতে পারে। দুই দুই, তিন তিন ও চার চার ডানার কথা বলা থেকে বুঝা যায় যে, বিভিন্ন ফেরেশতাকে আল্লাহ বিভিন্ন রকম শক্তি দান করেছেন এবং যাকে দিয়ে যে কাজ করতে চান তাকে সেরকম দ্রুতগতি ও কর্মশক্তি দান করেছেন।

আসসালামু আলাইকুম আজ ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং, রবিবার২১ জুমাদিউল সানি,১৪৪৬....আজকের আলোচ্য বিষয়: ইসলামের দ্বিতীয় মৌলিক বিষয়...
22/12/2024

আসসালামু আলাইকুম
আজ ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং, রবিবার
২১ জুমাদিউল সানি,১৪৪৬....
আজকের আলোচ্য বিষয়: ইসলামের দ্বিতীয় মৌলিক বিষয় হচ্ছে আল্লাহ তাআলার ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস।
নিচে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো ও সম্পূর্ণভাবে পড়ার অনুরোধ করা হলো::

(Part-3)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

(يَتَعَاقَبُونَ فِيكُمْ مَلَائِكَةٌ بِاللَّيْلِ وَمَلَائِكَةٌ بِالنَّهَارِ وَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الْعَصْرِ ثُمَّ يَعْرُجُ الَّذِينَ بَاتُوا فِيكُمْ فَيَسْأَلُهُمْ وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِمْ كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي فَيَقُولُونَ تَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ وَأَتَيْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ)

‘‘তোমাদের নিকট রাতে একদল ফেরেশতা এবং দিনে একদল ফেরেশতা পালাক্রমে আগমন করে। তারা ফজর ও আসরের নামাযের সময় একসাথে একত্রিত হয়। অতঃপর তোমাদের কাছে যে দলটি ছিল, তারা উপরে উঠে যায়। মহান আল্লাহ জানা সত্ত্বেও তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, আমার বান্দাদেরকে কি অবস্থায় ছেড়ে এসেছো? তারা বলেন, আমরা তাদেরকে সালাত অবস্থায় ছেড়ে এসেছি এবং যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখন তারা নামাযেই ছিল’’।

সুতরাং মানুষের সাথে এক শ্রেণীর ফেরেশতা রয়েছে, যারা তাকে কষ্টদায়ক জিনিস থেকে হেফাযত করে। আরেক শ্রেণীর ফেরেশতা রয়েছে, যারা তার আমলসমূহ সংরক্ষণ করে এবং তার মুখ থেকে যা কিছু প্রকাশিত হয়, তা সংরক্ষণ করে। আল্লাহ তা‘আলার ফেরেশতাদের মধ্যে এমন ফেরেশতা রয়েছে, যিনি গর্ভাশয় ও শুক্রকীটের দায়িত্বে নিয়োজিত। যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের হাদীছে এসেছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,

إِنَّ أَحَدَكُمْ يُجْمَعُ خَلْقُهُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا نطفة، ثُمَّ يَكُونُ عَلَقَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يَكُونُ مُضْغَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يرسل إليه الملك فينفخ فيه الروح وَيُؤْمَرُ بِأَرْبَعِ كَلِمَاتٍ يكتب رزقه وَأَجَلَهُ وعَمَلَهُ وَشَقِيٌّ أَوْ سَعِيدٌ

‘‘তোমাদের কারো সৃষ্টির অবস্থা এ যে, সে তার মায়ের পেটে প্রথমে চল্লিশ দিন বীর্য আকারে সঞ্চিত থাকে। পরবর্তী চল্লিশ দিনে সেটা জমাট রক্তে পরিণত হয়। এরপর আরো চল্লিশ দিনে সেটা মাংশপিন্ডে রূপান্তরিত হয়। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা একজন ফেরেশতা প্রেরণ করেন। তিনি তাতে রূহ ফুঁকে দেন। এসময় তাকে চারটি বিষয় লেখার নির্দেশ দেয়া হয়: ( ১) সে কী পরিমাণ রিযিক পাবে। (২) বয়স কত হবে। (৩) কর্ম কি হবে এবং (৪) সে সৌভাগ্যবান হবে না হতভাগা হবে’’।[3]
ফেরেশতাদের মধ্য থেকে একদল ফেরেশতা বনী আদমের রূহ কবযের দায়িত্বশীল। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَهُوَ الْقَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِ وَيُرْسِلُ عَلَيْكُمْ حَفَظَةً حَتَّىٰ إِذَا جَاءَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ تَوَفَّتْهُ رُسُلُنَا وَهُمْ لَا يُفَرِّطُونَ﴾

‘‘তিনি নিজের বান্দাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান এবং তোমাদের উপর রক্ষক নিযুক্ত করে পাঠান। অবশেষে যখন তোমাদের কারোর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয় তখন তার প্রেরিত ফেরেশতারা তার প্রাণ বের করে নেয় এবং নিজেদের দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে তারা সামান্যতম শৈথিল্য দেখায়না’’। (সূরা আল আনআম: ৬১) আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,

﴿قُلْ يَتَوَفَّاكُم مَّلَكُ الْمَوْتِ الَّذِي وُكِّلَ بِكُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ﴾

‘‘বলে দাও, মৃত্যুর ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করবে, যাকে তোমাদের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। অতঃপর তোমাদেরকে তোমাদের রবের কাছে ফিরিয়ে আনা হবে’’। (সূরা সাজদাহ: ১১)

সুতরাং মালাকুল মাওতের জন্য ফেরেশতাদের মধ্য থেকে সহযোগী রয়েছে। তারা বান্দার শরীর থেকে রূহ বের করে। তারা যখন রূহকে কণ্ঠনালী পর্যন্ত আনয়ন করে, তখন মালাকুল মাওত নিজের কবযায় নিয়ে নেয়। মোটকথা আল্লাহ তা‘আলা উর্ধ্বজগৎ ও নিম্নজগতে বহু ফেরেশতা নিযুক্ত করে রেখেছেন। তারা তার অনুমতি, আদেশ ও ইচ্ছায় উভয় জগতের সকল কাজ-কর্ম পরিচালনা করেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ لَا يَسْبِقُونَهُ بِالْقَوْلِ وَهُم بِأَمْرِهِ يَعْمَلُونَ﴾ ‘‘তারা তো মর্যাদাশালী বান্দা। তারা তার সামনে অগ্রবর্তী হয়ে কথা বলেন না এবং শুধু তার হুকুমে কাজ করেন’’। (সূরা আন্বীয়া: ২৬) আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,

﴿ لَّا يَعْصُونَ اللَّهَ مَا أَمَرَهُمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ﴾

‘‘তারা কখনো আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে না এবং তাদেরকে যে নির্দেশ দেয়া হয় তাই পালন করে’’। (সূরা তাহরীম: ৬) এ জন্যই আল্লাহ তা‘আলা কখনো কখনো ফেরেশতাদের দিকেই ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার সম্বন্ধ করেছেন। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿ فَالْمُدَبِّرَاتِ أَمْرًا ﴾ ‘‘অতঃপর তারা সকল বিষয়ের কাজ পরিচালনা করেন’’। (সূরা নাযিআত: ৫) আবার কখনো কখনো আল্লাহ তা‘আলা সেটাকে নিজের দিকে সম্বন্ধ করেছেন।যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ﴾

‘‘তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত যাবতীয় বিষয় পরিচালনা করেন এবং এ পরিচালনার বৃত্তান্ত উপরে তার কাছে উঠানো হয় এমন একদিনে যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় এক হাজার বছর’’। (সূরা সাজদাহ: ৫)

সুতরাং ফেরেশতা হলো আল্লাহ তা‘আলা ও তার সৃষ্টির মধ্যে দূত স্বরূপ। তারা তার আদেশ-নিষেধ সৃষ্টির নিকট পৌঁছে দেয়। আর الملك ফেরেশতা নামটির অর্থই হলো দূত।[4] কেননা الملك শব্দটি ألوكة থেকে গৃহীত। ألوكة শব্দটি الرسالة অর্থে ব্যবহৃত হয়।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَّثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ يَزِيدُ فِي الْخَلْقِ مَا يَشَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ﴾

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবীর নির্মাতা এবং ফেরেশতাদেরকে বাণীবাহক নিয়োগকারী। যাদের দুই দুই তিন তিন ও চার চারটি ডানা[5] আছে। তিনি নিজের মধ্যে যা চান বৃদ্ধি করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব জিনিসের উপর শক্তিশালী’’। (সূরা ফাতির: ১)

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,﴿وَالْمُرْسَلَاتِ عُرْفًا﴾ ‘‘শপথ ফেরেশতাদের, যারা একের পর এক প্রেরিত হয়’’। (সূরা মুরসালাত: ১)

সুতরাং এরা হলো আল্লাহ তা‘আলার ঐসব সৃষ্টিগত আদেশ বাস্তবায়নকারী ফেরেশতা, যা দ্বারা আসমান-যমীনের সবকিছুর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করা হয়। সেই সঙ্গে তারা আল্লাহ তা‘আলার শরী‘আত গত আদেশ নিয়েও মানব রসূলদের কাছে আগমন করে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿يُنَزِّلُ الْمَلَائِكَةَ بِالرُّوحِ مِنْ أَمْرِهِ عَلَىٰ مَن يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ أَنْ أَنذِرُوا أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنَا فَاتَّقُونِ﴾

‘‘তিনি তার বান্দাদের মধ্য থেকে যার প্রতি ইচ্ছা স্বীয় নির্দেশে অহীসহ ফেরেশতাদের নাযিল করেন, এই মর্মে সতর্ক করার জন্য যে, আমি ছাড়া তোমাদের আর কোনো সত্য মাবুদ নেই। কাজেই তোমরা আমাকেই ভয় করো’’। (সূরা আন নাহাল: ২) আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন,

﴿اللَّهُ يَصْطَفِي مِنَ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا وَمِنَ النَّاسِ إِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ بَصِيرٌ﴾

‘‘আল্লাহ ফেরেশতাদের মধ্য থেকেও বাণীবাহক বাছাই করেন এবং মানুষদের মধ্য থেকেও। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা’’। (সূরা আল হজ: ৭৫)

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Oath of ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share