Hare Krishna Movement

Hare Krishna Movement কৃষ্ণ ভুলে যেই জন অনাদি বহির্মুখ। অতএব মায়া তারে দেহ সংসার দুঃখ।

13/06/2025

রূপগঞ্জ ইসকন মন্দির | জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার স্নানযাত্রা ২০২৫🙏

11/06/2025
পানিহাটি চিড়া-দধি মহোৎসব: এক ঐতিহাসিক ভক্তির উৎসব।🗓️ ২৫ জ্যৈষ্ঠ (০৯ জুন ২০২৫) | সোমবার প্রতি বছর ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগ...
08/06/2025

পানিহাটি চিড়া-দধি মহোৎসব: এক ঐতিহাসিক ভক্তির উৎসব।
🗓️ ২৫ জ্যৈষ্ঠ (০৯ জুন ২০২৫) | সোমবার

প্রতি বছর ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগণার পানিহাটি গ্রামে গঙ্গার তীরে এক অপূর্ব ভক্তিময় উৎসব পালিত হয়—পানিহাটি চিড়া-দধি মহোৎসব। এই উৎসবের পেছনে রয়েছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর অপরূপ লীলার এক অমর কাহিনি, যা ভক্তদের হৃদয়ে চিরকাল ধরে রাখে ভক্তির মাধুর্য।

উৎসবের পটভূমিঃ
প্রায় ১৫১৩-১৪ খ্রিস্টাব্দের কথা। পানিহাটির গঙ্গাতীরে শ্রীল রাঘব পন্ডিত গোস্বামীর গৃহে শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু পদার্পণ করেন। সপ্তগ্রামের জমিদার গোবর্ধন রায়ের সন্তান শ্রী রঘুনাথ দাস গোস্বামী নিত্যানন্দ প্রভুর কৃপা লাভের আশায় এখানে আগমন করেন। গঙ্গার তীরে এক বটবৃক্ষের তলে শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু বসেছিলেন, তাঁর চারপাশে ভক্তদের এক জ্যোতির্ময় মন্ডলী। রঘুনাথ দাস দূর থেকে তাঁকে প্রণাম করেন। নিত্যানন্দ প্রভু তাঁকে কৌতুক করে বলেন, “ওরে চোর, এতদিনে তুই দেখা দিলি! আয়, আমি তোকে দন্ড দেব।” তিনি রঘুনাথকে কাছে ডেকে বলেন, “আমার ভক্তদের চিড়া-দধি খাওয়াতে হবে।”

চিড়া-দধি মহোৎসবের আয়োজনঃ
রঘুনাথ দাস আনন্দিত হয়ে তৎক্ষণাৎ উৎসবের আয়োজন শুরু করেন। চিড়া, দধি, দুধ, সন্দেশ, চিনি, কলা, ঘি ও কর্পূর দিয়ে বিশাল বিশাল মাটির পাত্রে বিভিন্ন প্রসাদ তৈরি করা হয়। সাতটি বড় পাত্রে দুধে ভেজানো চিড়া, দধি, কলা, চিনি ও ঘি মিশ্রিত প্রসাদ সাজানো হয়। চারশোটি মাটির হাঁড়িতে প্রসাদ পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর নির্দেশে ভক্তরা চাতালে, গঙ্গার তীরে, এমনকি জলে দাঁড়িয়েও প্রসাদ গ্রহণের জন্য স্থান নেন। কুড়িজন পরিবেশনকারী সকলকে চিড়া-দধি বিতরণ করেন।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর আগমনঃ
উৎসবের মাঝে এক অলৌকিক মুহূর্ত আসে। শ্রীনিত্যানন্দ প্রভু ধ্যানের মাধ্যমে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে সেখানে নিয়ে আসেন। তাঁরা পরস্পরকে হাসিমুখে চিড়া-দধি খাওয়ান, যা ভক্তদের হৃদয়ে অপার আনন্দের সঞ্চার করে। কেউ কেউ এই ঐশ্বরিক লীলা দর্শন করেন, কিন্তু অনেকেই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে দেখতে পান না, কারণ তাঁরা জানতেন মহাপ্রভু তখন জগন্নাথপুরীতে রয়েছেন।

হরিনাম সংকীর্তন ও ভক্তির জোয়ারঃ
প্রসাদ বিতরণের পর শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর নির্দেশে হরিনাম সংকীর্তন শুরু হয়। “হরি হরি” ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। ভক্তদের মনে মনে হয়, তারা যেন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ ও বলরামের সঙ্গে যমুনার তীরে পুলিনভোজন করছেন। উৎসবের খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের গ্রাম থেকে আরও ভক্তরা প্রসাদ নিয়ে আসেন, এবং রঘুনাথ দাস তা কিনে সকলকে পরিবেশন করেন।

উৎসবের তাৎপর্যঃ
পানিহাটি চিড়া-দধি মহোৎসব প্রতি বছর জৈষ্ঠ্য বা আষাঢ় মাসের শুক্লা ত্রয়োদশী তিথিতে পানিহাটির সেই বটবৃক্ষতলে পালিত হয়। এই উৎসব শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ও শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর ভক্তির লীলার স্মৃতি নতুন করে জাগিয়ে তোলে। এটি কেবল একটি উৎসব নয়, বরং ভক্তির মাধুর্য ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি নিষ্ঠার এক অপূর্ব প্রকাশ।

🔷 এই উৎসব আমাদের কী শেখায়?
▪️ গুরু-আজ্ঞা পালনে ভক্তের নিষ্ঠা।
▪️ সেবার আনন্দ ও ভক্তদের মধ্য ভাগাভাগির
প্রশান্তি।
▪️ আহার শুধু শরীরের নয়, আত্মারও প্রাপ্তি— যখন
তা ভক্তিভাবে প্রস্তুত হয়।

চিড়া-দধির সেই সরল ভোজ আজও হয়ে উঠুক আমাদের জীবনের পরম উপলব্ধি।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে 🙌

#চিড়াদধিমহোৎসব #ভক্তিরস #গৌরনিত্যানন্দ #ভক্তিস্মৃতি #হরিনাম #রঘুনাথদাসগোস্বামী #ভক্তিপথ






#শ্রীপাট_পানিহাটি
#ভক্তি_মহোৎসব

আমরা কেন একাদশী পালন করি?"বছরে ২৬টি একাদশী আছে। পুরুষোত্তম মাসে আরও দু'টো হয়৷ এভাবে মোট ২৮টি একাদশী আছে। একেকটি একাদশীর ...
07/06/2025

আমরা কেন একাদশী পালন করি?

"বছরে ২৬টি একাদশী আছে। পুরুষোত্তম মাসে আরও দু'টো হয়৷ এভাবে মোট ২৮টি একাদশী আছে। একেকটি একাদশীর মাহাত্ম্যে একেকটি নাম দেওয়া আছে এবং একাদশীর কাহিনী আছে - কেউ উদ্ধার পেয়েছে, কেউ সিদ্ধি পেয়েছে, কেউ আশীর্বাদ লাভ করেছে। একাদশীর মাহাত্ম্য পদ্মপুরাণে আছে, বিভিন্ন পুরাণে আছে। সেটা পড়লে বোঝা যাবে কেন এটার নাম বিশেষ দেওয়া হলো এবং এই একাদশী করলে কী ফল লাভ হবে।

কিন্তু আমরা সেটাকে খুব গুরুত্ব দিই না৷ কেননা আমরা একাদশী করি কারণ সেটা ভগবানের খুব প্রিয় দিন। একাদশীতে যদি হরিনাম করি বা কৃষ্ণসেবা করি, তবে শাস্ত্র বলছে যে, এতে কৃষ্ণকে আরও সন্তুষ্ট করা যায়। আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো ভগবানকে সন্তুষ্ট করা। আমরা প্রতিটি একাদশী করি৷ পাণ্ডবা নির্জলা হোক, ভৈমী হোক, পাপবিনাশিনী হোক যেটাই হোক না কেন। কিন্তু এমন কেউ আছে হয়তো তার সারা বছরের হয়তো একটি একাদশীর বিষয়ে একটু আকৃৃৃষ্ট আছে বা একেকটি একাদশীর মাহাত্ম্য শ্রবণ করে তারা একটু আকৃষ্ট হয়ে পড়ে যে, 'বাহ! তাহলে এই একাদশীতে এই আশীর্বাদ পাওয়া যায় বা এই ব্রতে এই আশীর্বাদ পাওয়া যায়।' তার ফলে তারা উৎসাহিত হয়ে বলে, আমি এটি করব৷ এটা প্রভুপাদ বলছেন, কখনো কখনো পুরাণের মধ্যে এই সমস্ত জড়জাগতিক কিছু পুণ্যকর্মের ফল বা কোন সিদ্ধি বা অন্য কোন একটা আশীর্বাদ বিষয়ে উল্লেখ থাকে, সেটা অনেক ক্ষেত্রে নতুন খরিদ্দারকে আকর্ষণ করার জন্য৷ যারা শুদ্ধভক্ত, তারা তো সব একাদশী করবে। কোন একাদশী কী দেয় না তিনি তো প্রত্যেক একাদশী করছেন, কোন একাদশী কী ফল দেয়, না দেয়, সেই মাহাত্ম্য তেমন দরকার নেই। আমরা প্রত্যেক একাদশীই করে যাচ্ছি। তাই প্রতিটি একাদশীর মাহাত্ম্য শোনার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশি গুরুত্ব দেই না৷ একেকটা একাদশী কী করে এর কী দরকার? হরিনাম করুন প্রত্যেকে। তবে হয়তো প্রচারের পক্ষে কেউ দু'চারটা জানলে ভালো, সুবিধা আছে। সেটি আছে পদ্মপুরাণে।"

~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০০০
শিলিগুড়ি

আসছে আগামীকাল জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের নির্জলা একাদশী — একাদশী ব্রত পালনের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বপাপ-নাশক ব্রত।📖 এই ব্...
06/06/2025

আসছে আগামীকাল জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের নির্জলা একাদশী — একাদশী ব্রত পালনের মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বপাপ-নাশক ব্রত।
📖 এই ব্রতের মাহাত্ম্য ও ইতিহাস শ্রীমদ্‌ ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে* বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে শ্রীভীমসেন ও মহর্ষি ব্যাসদেবের মধ্যে সংলাপের মাধ্যমে।
👇 নিচে বিস্তারিত মাহাত্ম্য পাঠ করুন এবং প্রয়োজনে সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।

জৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ্রীভীমসেন-ব্যাসসংবাদে বর্ণিত হয়েছে।
মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--হে জনার্দন! আমি অপরা একাদশীর সমস্ত মাহাত্ম্য শ্রবণ করলাম এখন জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই একাদশীর কথা মহর্ষি ব্যাসদেব বর্ণনা করবেন। কেননা তিনি সর্বশাস্ত্রের অর্থ ও তত্ত্ব পূর্ণরূপে জানেন। রাজা যুধিষ্ঠির ব্যাসদেবকে বললেন--হে মহর্ষি দ্বৈপায়ন! আমি মানুষের লৌকিক ধর্ম এবং জ্ঞানকান্ডের বিষয়ে অনেক শ্রবণ করেছি। আপনি যথাযথভাবে ভক্তিবিষয়িনী কিছু ধর্মকথা এখন আমায় বর্ণনা করুন।
শ্রী ব্যাসদেব বললেন--হে মহারাজ! তুমি যেসব ধর্মকথা শুনেছ, এই কলিযুগের মানুষের পক্ষে সে সমস্ত পালন করা অত্যন্ত কঠিন। যা সুখে, সামান্য খরচে, অল্প কষ্টে সম্পাদন করা যায় অথচ মহাফল প্রদান করে এবং সমস্ত শাস্ত্রের সারস্বরূপ সেই ধর্মই কলিযুগে মানুষের পক্ষে করা শ্রেয়। সেই ধর্মকথাই এখন আপনার কাছে বলছি।
উভয় পক্ষের একাদশী দিনে ভোজন না করে উপবাস করবে। দ্বাদশী দিনে স্নান করে শুচিশুদ্ধ হয়ে নিত্যকৃত্য সমাপনের পর শ্রীকৃষ্ণের অর্চন করবে। এরপর ব্রাহ্মণদেরকে প্রসাদ ভোজন করাবে। অশৌচাদিতেও এই ব্রত কখনও ত্যাগ করবে না। যে সকল ব্যক্তি স্বর্গে যেতে চায়, তাদের সারাজীবন এই ব্রত পালন করা উচিত। পাপকর্মে রত ও ধর্মহীন ব্যক্তিরাও যদি এই একাদশী দিনে ভোজন না করে, তবে তারা যমযাতনা থেকে রক্ষা পায়।
শ্রী ব্যাসদেবের এসব কথা শুনে গদাধর ভীমসেন অশ্বথ্থ পাতার মতো কাঁপতে কাঁপতে বলতে লাগলেন--হে মহাবুদ্ধি পিতামহ! মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, ভ্রাতা যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল, সহদেব এরা কেউই একাদশীর দিনে ভোজন করে না। আমাকেও অন্নগ্রহণ করতে নিষেধ করে। কিন্তু দুঃসহ ক্ষুধাযন্ত্রণার জন্য আমি উপবাস করতে পারি না।
ভীমসেনের এই কথায় ব্যাসদেব বলতে লাগলেন--যদি স্বর্গাদি দিব্যধাম লাভে তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকে, তবে উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না।
তদুত্তরে ভীমসেন বললেন--আমার নিবেদন এই যে, উপবাস তো দূরের কথা, দিনে একবার ভোজন করে থাকাও আমার পক্ষে অসম্ভব। কারণ আমার উদরে 'বৃক' নামে অগ্নি রয়েছে। ভোজন না করলে কিছুতেই সে শান্ত হয় না। তাই প্রতিটি একাদশীর পালনে আমি একেবারেই অপারগ।
হে মহর্ষি! বছরে একটিমাত্র একাদশী পালন করে যাতে আমি দিব্যধাম লাভ করতে পারি এরকম কোন একাদশীর কথা আমাকে নিশ্চয় করে বলুন।
তখন ব্যাসদেব বললেন--জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে জলপান পর্যন্ত না করে সম্পূর্ণ উপবাস করবে। তবে আচমনে দোষ হবে না। ঐ দিন অন্নাদি গ্রহণ করলে ব্রত ভঙ্গ হয়।
একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত জলপান বর্জন করলে অনায়াসে বারোটি একাদশীর ফল লাভ হয়। বছরের অন্যান্য একাদশী পালনে অজান্তে যদি কখনও ব্রতভঙ্গ হয়ে যায়, তা হলে এই একটিমাত্র একাদশী পালনে সেই সব দোষ দূর হয়। দ্বাদশী দিনে ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নানাদিকার্য সমাপ্ত করে শ্রীহরির পূজা করবে। সদাচারী ব্রাহ্মণদের বস্ত্রাদি দান সহ ভোজন করিয়ে আত্মীয়স্বজন সহ নিজে ভোজন করবে। এরূপ একাদশী পালনে যে প্রকার পুণ্য সঞ্চিত হয়, এখন তা শ্রবন কর।
সারাবছরের সমস্ত একাদশীর ফলই এই একটিমাত্র ব্রত উপবাসে লাভ করা যায়। শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাকে বলছেন--'বৈদিক ও লৌকিক সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে যারা একমাত্র আমার শরণাপন্ন হয়ে এই নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়।'
বিশেষত কলিযুগে ধন-সম্পদ দানের মাধ্যমে সদ্ গতি বা স্মার্ত সংস্কারের মাধ্যমেও যথার্থ কল্যাণ লাভ হয় না। কলিযুগে দ্রব্যশুদ্ধি নেই। কলিতে শাস্ত্রোক্ত সংস্কার বিশুদ্ধ হয় না। তাই বৈদিক ধর্ম কখনও সুসম্পন্ন হতে পারে না।
হে ভীমসেন! তোমাকে বহু কথা বলার আর প্রয়োজন কি? তুমি উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। যদি তাতে অসমর্থ হও তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে অবশ্যই নির্জলা উপবাস করবে। এই একাদশী ব্রত ধনধান্য ও পুণ্যদায়িনী। যমদূতগন এই ব্রত পালনকারীকে মৃত্যুর পরও স্পর্শ করতে পারে না। পক্ষান্তরে বিষ্ণুদূতগন তাঁকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যান।
শ্রী ভীমসেন ঐদিন থেকে নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করতে থাকায় এই একাদশী 'পান্ডবা নির্জলা বা ভীমসেনী একাদশী' নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই নির্জলা একাদশী তিথিতে পবিত্র তীর্থে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ইত্যাদি যা কিছু মানুষ করে তা অক্ষয় হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ভক্তি সহকারে এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন তিনি বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হন।

🪔 যাঁরা ভক্তি সহকারে এই নির্জলা একাদশী ব্রতের মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন, তাঁরা ভগবান বিষ্ণুর চরণে গমন করেন।**
🙏 চলুন, আমরা সবাই এই মহত্‍ ব্রত পালনের সংকল্প গ্রহণ করি এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করি।
📢 পোস্টটি শেয়ার করে জ্ঞানের এই পবিত্র আলো সবাইকে পৌঁছে দিন।

#ভক্তি #হিন্দুধর্ম #একাদশী

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও প্রযুক্তি দুনিয়ার কাণ্ডারি ইলন মাস্কের পিতা ইরোল মাস্ক সম্প্রতি ভারত সফরে এসে পরিদর্শন করেছেন...
06/06/2025

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও প্রযুক্তি দুনিয়ার কাণ্ডারি ইলন মাস্কের পিতা ইরোল মাস্ক সম্প্রতি ভারত সফরে এসে পরিদর্শন করেছেন ইসকন দিল্লির শ্রী শ্রী রাধা পার্থসারথী মন্দির। 🙏

ইসকনের স্নিগ্ধ পরিবেশে এসে তিনি প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন, ভক্তদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য শ্রীল প্রভুপাদকে মাল্য অর্পণ করেন। এই সময় তাঁকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পবিত্র ভগবদ্গীতা "As It Is" গ্রন্থটি।

🔊 ইরোল মাস্ক বলেন:

“আমি এখন বুঝতে পারছি কেন মানুষ হরে কৃষ্ণ আন্দোলনে যোগ দেয়। এই আন্দোলনের উষ্ণতা, আন্তরিকতা ও আধ্যাত্মিক শক্তি হৃদয় ছুঁয়ে যায়।”

এই সফর ছিল তাঁর পাঁচ দিনের ভারত ভ্রমণের অংশ, যেখানে তিনি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করেন। বর্তমানে তিনি Servotech Power Systems -এর গ্লোবাল অ্যাডভাইজার হিসেবে যুক্ত আছেন।

এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, আধ্যাত্মিকতা সীমাহীন—যা ধর্ম, দেশ বা পরিচয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে সকল হৃদয়ে স্থান করে নেয়।

আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না:
আপনি কি মনে করেন আধুনিক জীবনে এই ধরনের আধ্যাত্মিক সংযোগ কতটা প্রয়োজনীয়?

হরে কৃষ্ণ 🙏

#ভক্তি #আধ্যাত্মিকতা

🔴 চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্রভুকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জেলে রাখা হয়েছে!আজ ৩ জুন ২০২৫, আদালত চিন্ময় প্রভুর বিরুদ্ধে দায়ের...
03/06/2025

🔴 চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্রভুকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জেলে রাখা হয়েছে!

আজ ৩ জুন ২০২৫, আদালত চিন্ময় প্রভুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হত্যা, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরসহ পাঁচটি মিথ্যা মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

🧎‍♂️ তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান,

“চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী প্রভু গুরুতর অসুস্থ। তিনি লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত এবং কারাগারে চিকিৎসাহীন অবস্থায় আছেন। এসব মামলা পুরোপুরি ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

❌ অথচ রাষ্ট্রপক্ষ বরাবরের মতোই জামিনের বিরোধিতা করেছে—সেই পুরনো প্রক্রিয়া, সেই নিঃস্ব চিৎকার।

🙏 চিন্ময় প্রভু একজন ধর্মভীরু ব্রহ্মচারী, যিনি হিংসা নয়, ভালোবাসা ও ভক্তির বার্তা ছড়িয়েছেন জীবনভর।
তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলা হিন্দু সমাজের প্রতি অবিচার এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।

📢 আজ প্রশ্ন একটাই —
একজন অসুস্থ, নিরপরাধ সন্ন্যাসীকে কেন এভাবে জেলে আটকে রাখা হচ্ছে?

✊ আমরা বিচার চাই, জামিন চাই, চিন্ময় প্রভুর মুক্তি চাই!

🙏 সাহায্যের জন্য একটি মানবিক আবেদন 🙏অত্যন্ত দুঃখ ও কষ্টের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ভক্তিবেদান্ত নামহট্টের একজন একনিষ্ঠ ভক্...
01/06/2025

🙏 সাহায্যের জন্য একটি মানবিক আবেদন 🙏
অত্যন্ত দুঃখ ও কষ্টের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ভক্তিবেদান্ত নামহট্টের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত আপন প্রভুর মা দীর্ঘদিন ধরে কঠিন রোগে আক্রান্ত। তাঁর কিডনি দুটিই প্রায় সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর হয়ে গেছে। গত কিছু সপ্তাহ ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন।

বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে দুইবার ডায়ালাইসিস এবং কিছুদিন পর পর রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে। প্রতিদিনের চিকিৎসা, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ মিলে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে। অথচ পরিবারের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। আপন প্রভু নিজে এখনো ছাত্র এবং তার বাবা একজন মানসিকভাবে অসুস্থ ও কর্মহীন ব্যক্তি।

এই কঠিন সময়ে আমাদের সকল ভক্ত, গুরুভাই ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি হৃদয় থেকে আবেদন—আপনারা দয়া করে যে যতটুকু পারেন, সেই সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। এক ভক্তের মায়ের জন্য সাহায্য মানেই আমাদের নিজের মায়ের প্রতিও সেবার মনোভাব পোষণ করা। শ্রীল প্রভুপাদ আমাদের শিখিয়েছেন, সংকটে পরস্পরের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত ভক্তির পরিচয়।

আপনারা চাইলে সরাসরি আপন প্রভুর বিকাশ নাম্বারে সাহায্য পাঠাতে পারেন...

📱 পার্সোনাল বিকাশ: 01647151712

অথবা নিচের নামহট্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভক্তদের সাথেও যোগাযোগ করে সহায়তা করতে পারেন--

১. লোকানন্দ গোপাল দাস (লোকনাথ প্রভু)

২. নিত্য আরাধ্য মাধব দাস

৩. কুঞ্জেশ্বর গোবিন্দ দাস (কাকন প্রভু)

আমাদের এই অনুরোধটি দয়া করে যত বেশি সম্ভব শেয়ার করুন, যাতে আরও অনেকে জানে এবং সহযোগিতা করতে পারে।

চলুন, একসাথে একটি মায়ের জীবন রক্ষায় আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী অংশগ্রহণ করি। শ্রীল প্রভুপাদের সন্তুষ্টি এবং আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যবোধেরই এটি এক সুন্দর প্রকাশ হবে।

হরে কৃষ্ণ 🙏

ভগবান ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না!গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুদের ওপর ঘটে যাওয়া অসংখ্য নির্যাতনের একট...
27/05/2025

ভগবান ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না!

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুদের ওপর ঘটে যাওয়া অসংখ্য নির্যাতনের একটিরও বিচার হয়নি। অথচ আজ, ভগবানের অদ্ভুত লীলায়, সেই অবহেলিত হিন্দুদের কাছেই আপনাকে বিচার প্রার্থী হতে হচ্ছে!

আপনি রাষ্ট্রীয় অর্থে ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করেছেন, কিন্তু একটি মন্দিরও নির্মাণ করেননি— যেন মন্দিরের উলুধ্বনি, কাঁসরের শব্দ, কিংবা ঘণ্টাধ্বনি আপনার কানে না পৌঁছায়। অথচ ভগবানের ইচ্ছায়, আজ সেই শব্দই আপনাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে।

আপনি বলেছিলেন, রাষ্ট্র চলবে মদিনার সনদ অনুযায়ী। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—আজ আপনাকে জীবন রক্ষার আশায় থাকতে হচ্ছে সনাতন ভূমি, রাম ও কৃষ্ণের জন্মভূমিতে!

রামু, নাসিরনগর, কুমিল্লা কিংবা দেশের আরও অনেক এলাকায় দুর্গাপূজার সময় হিন্দুদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, প্রতিমা ভাঙচুর, ধর্ষণ এবং জুলুম-নির্যাতন হয়েছিল। তখন মানবাধিকার সংগঠনগুলো শত শত মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি দিয়েও আপনার কর্ণকুহরে হিন্দুদের কান্নার ধ্বনি পৌঁছাতে পারেনি। কিন্তু আজ আপনি সেই হিন্দু ভূমিতে কত সুন্দর, কত নিরাপদ!

প্রতিটি পূজার আগে যেন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হিন্দুদের আতঙ্কিত করা হতো, মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙা যেন উৎসবের মতো হয়ে উঠেছিল। অথচ আজ, আপনার সেই নেতারাই ভাগ্যের শিকার—ভাঙাচোরা, চুপচাপ, নির্জীব, যেন নিজের কর্মফলের প্রতিমূর্তি!

এটাই নিয়তি, মাননীয় নেত্রী!

ভগবান আপনাকে, আপনার সহচরদের, এবং যারা আজও সনাতন ধর্মের ওপর জুলুম চালাচ্ছে—তাদের শুভবুদ্ধির উদয় করুন। মানবতা, ন্যায় ও সত্যকে যেন কেউ কখনও পদদলিত না করতে পারে—এই হোক আমাদের প্রার্থনা।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা এবং টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। টাঙ্গাইল জেলায় ...
14/02/2025

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা এবং টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। টাঙ্গাইল জেলায় এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে, যেখানে দুই ভাইয়ের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং তাদের মন্দির ভাঙচুর করা হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় থানা প্রশাসনসহ বিভিন্ন মহলে বিচার চেয়ে মানববন্ধন করা হয়। কিন্তু এর দু'দিন পর, রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা জোরপূর্বক তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এমন ঘটনা শুধু টাঙ্গাইলেই নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটছে। নদী, খাল, বিল, পুকুর কিংবা ডোবা থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষদের জবাই করা, ফাঁসিতে ঝুলানো কিংবা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এটি অত্যন্ত ভয়াবহ ও শঙ্কাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

Hare_Krishna

10/02/2025

বিএনপির সাবেক যুবদল সভাপতি এক বিধবা হিন্দু নারীকে জোরপূর্বক ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে। একই সঙ্গে, দুই মাস আগে জেলা ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক তিন বিঘা কৃষিজমি জোরপূর্বক দখল করেছেন।
এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন, তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

১০ই ফেব্রুয়ারি,২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।   সোমবার  নিত্যানন্দ ত্রয়োদশীদুপুর পর্যন্ত উপবাস    মহাজন ব্যক্তিরা বলেছেন যে রাধাকৃষ...
09/02/2025

১০ই ফেব্রুয়ারি,২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
সোমবার
নিত্যানন্দ ত্রয়োদশী
দুপুর পর্যন্ত উপবাস

মহাজন ব্যক্তিরা বলেছেন যে রাধাকৃষ্ণ সেবা ও প্রেমভক্তি সহজে পেতে হলে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আরাধনা করতে হয়, আর গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর কৃপা পেতে হলে নিত্যানন্দ প্রভুর চরণসেবা আগে করতে হয়।
"মেরেছিস কলসীর কানা,
তাই বলে কি প্রেম দেব না!"

"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"রাম"রাম"হরে"হরে।।"

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hare Krishna Movement posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share