02/10/2024
এখনো সময় আছে । প্রত্যেকটি ইসকন মন্দিরের প্রবেশ দ্বারে এবং মন্দিরের দেওয়ালে চারিদিকে এই কথাগুলো খোদাই করে লেখা হোক ।
রাম ইচ্ছে করে জেনেশুনে সীতার অপহরণ করিয়েছিলেন।
রাম সীতার পবিত্রতা প্রমাণ করার জন্য যে অগ্নি পরীক্ষার আয়োজন করেছিলেন তাঁর মাধ্যমে ভারতীয় সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথার প্রচলন হয়েছিল ।
এই দুটি কথা প্রত্যেকটি মন্দিরের দেওয়ালে চারিদিকে লিখতে হবে যাতে অন্ধ ভক্তরা মন্দিরে প্রবেশ করলে চারিদিকে এই লেখাগুলো পড়তে পারে ।
এই কথাগুলো যদি না লেখা হয় তাহলে কেঁদে কেঁদে হরে রামও হরে রামও ওহ ওহ হো হো হো হো করার সময় গুলি করে করে হাজার হাজার কীর্তনীয়ার লাশ ফেলে দেওয়া হবে । দরকার হলে ইসকন মন্দিরের উপর মিসাইল অ্যাটাক করা হবে । শুধু ইসকন মন্দির নয় পুরো মায়াপুর নবদ্বীপকে ধ্বংস স্তূপে পরিণত করা হবে । উত্তর ভারতে যতো রাম মন্দির আছে সেই মন্দিরের দেওয়ালে উপরের কথাগুলো লিখতে হবে । না লিখলে ধ্বংস যে কতো বড়ো ভয়াবহ হতে পারে তা তুমি দেখতে পারবে । উত্তর প্রদেশের পুরো 23 কোটি লোককে শেষ করে দেবো ।
শুধু উত্তর প্রদেশ নয়, সমগ্র উত্তর ভারতের লোকেদের আমরা কিভাবে ধ্বংস করি তা তোমরা খুব শীঘ্র দেখবে । তাই যা বলছি তা তাড়াতাড়ি করো ।
আমাদের হিন্দু সমাজে মহিলাদের উপর যে অন্যায় অবিচার অত্যাচার বলাৎকার হয় তার জন্য রাম দায়ী । ভারতীয় মহিলাদের এটা বোঝা উচিত আজ তাদের প্রতি যে অন্যায় অত্যাচার হচ্ছে, তাদের রেপ করে উল্টো তাদের চরিত্র খারাপ হওয়ার কথা রটনা করে উল্টো ওই মহিলাকে মারধর করে তাদের মাথায় সামাজিক অপমানের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার মূলে রাম দায়ী । রাম ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়ে সীতার জীবনে নিয়ে এসেছিল সামাজিক অপমান এবং সন্দেহ । আর এই সীতাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় ভারতীয় মহিলাদের প্রতি যৌন হিংসা এবং রেপ ।ভারতীয় মহিলাদের উচিৎ রামের পুজো করা থেকে বিরত থাকা । কারণ আমাদের সমাজে মহিলাদের উপর সন্দেহ করে যতো অন্যায় অত্যাচার হচ্ছে তার জন্য রামের শয়তানি দায়ী । রাম ইচ্ছে করে জেনে শুনে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিলেন। রাম রাবণকে ফোন করে বলেছিলেন, "হ্যালো রাবণ, তুমি আমার কুটিরের সামনে সোনার হরিণ ছেড়ে দাও । এই সোনার হরিণ দেখলে সীতা ওটাকে ধরে আনার জন্য আমাকে বারবার অনুরোধ করবে । আমি সোনার হরিণ ধরার জন্য গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবো আর আমাকে খোঁজার জন্য লক্ষণও গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবে । সেই সময় সীতা কুটিরে একা থাকবে আর সেই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও ।" রামের এই শয়তানি শুধু সীতার জীবনে দুঃখ কষ্ট নিয়ে আসেনি, ভারতের সমগ্র মহিলার জীবনে নিয়ে এসেছিল সামাজিক অপমান । সীতার অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথা চালু হয়েছিল যার শিকার হতে হয়েছিল লক্ষ লক্ষ বিধবা মহিলাকে । এইজন্য ভারতীয় মহিলাদের উচিৎ রামের পুজো বর্জন করা । মহিলাদের উচিৎ রামের মূর্তি ধাক্কা মেরে মেরে ফেলে দেওয়া । পুজো তো দূরের কথা মহিলাদের উচিৎ ভারতের সব রাম মন্দির ধ্বংস করে দেওয়া । যারা হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে কীর্তন করার সময় হরে রামও হরে রামও বলে কেঁদে কেঁদে ওঠে ওদের লাথি থাপ্পড় মেরে ফেলে দেওয়া । রামও রামও বলে সারা রাত চিল্লানো বের করে দেওয়া । শয়তানের দল রামও রামও বলে একদম কেঁদে কেঁদে হারমোনিয়ামের স্বরে যেনো কলির অন্ত করে দেয় । ঠিক ওই সময় শালাদের গুলি করে মারা উচিত । ধোনের বালেরা ভাবে সারা রাত হরে রামও রামও করলে কলির বন্ধন থেকে মুক্তি লাভ করে বৈকুণ্ঠে গমন করবেন । এইজন্য এই দুনিয়ার সবথেকে বড়ো শয়তানের পুজো না করে এর যতো মূর্তি আছে পিছন থেকে ধাক্কা মেরে মেরে ফেলে দিতে হবে । ভারতীয় মহিলারা সাবধান । রাম তোমাদের জীবনে নিয়ে এসেছে রেপ, সামাজিক অপমান । এই সব হয়েছে শয়তানি করে, ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করানোর ফলে ।
উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগড় যেখানে রামের প্রচুর মন্দির আছে সেখানে মেয়ে এবং মহিলাদের শস্য ক্ষেতের মধ্যে রেপ করে উল্টো ওই মহিলার উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় । রাম তার পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিলেন এবং তিনি ভেবেছিলেন এই নাটক বেশিদূর ছড়াবে না কিন্তু এই নাটক অযোধ্যার জনগণের মাধ্যমে ভারতীয় সমাজে ছড়িয়ে পড়ে এবং সীতার পবিত্রতা প্রমাণ করার জন্য রাম যে অগ্নি পরীক্ষার আয়োজন করেছিলেন তা থেকে সমগ্র ভারতে নৃশংস সতী দাহ প্রথা শুরু হয়ে যায় । এইজন্য ভারতীয় মহিলাদের উচিৎ রামের মন্দির না যাওয়া । মহিলাদের জন্য রাম একজন অশুভ শক্তি ।
যারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের এদেশ থেকে তাড়িয়েছে তাদের এবং তাদের সমর্থকদের কেনো জুতো পেটা করা উচিৎ তার কারণ বলছি । যারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল তাদের শেষ করে দিতে হবে । পশুর বাচ্চাদের আজ আমরা ধরতে পারবো না কিন্তু এদের সমর্থক ভারতে বর্তমান । বিনয় বাদল দীনেশ, লাল বাল পাল, সুভাষ চন্দ্র বসু, গান্ধী এরা শুধু মুর্খই নয়, এরা নৃশংস সতী দাহ প্রথার সমর্থক এবং যেহেতু ইংরেজরা এই প্রথাকে রদ করেছিল তাই এরা মনে করলো যে ইংরেজরা এদেশের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে । তাই তারা ইংরেজদের তাড়ানোর জন্য উঠেপড়ে লাগলো । হারামির বাচ্চা একেই বলে । রামের সময় থেকে 1929 সাল পর্যন্ত ভারতে একটি নৃশংস অমানবিক সামাজিক প্রথা চালু ছিল । এর নাম সতী দাহ প্রথা । এর মতো নৃশংস অমানবিক প্রথা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে অন্য কোনো ধর্মে দেখা যায় না । খ্রিস্টান মুসলমানরা পশু পাখি মেরে তার মাংস খায় তাই হিন্দুরা এদের অবজ্ঞা করে কিন্তু খ্রিষ্টান এবং মুসলমানরা কোনো বিধবা নারীকে হাত পা বেধে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করে না । এতো নৃশংস প্রথা অন্য কোনো ধর্মে নেই । এই প্রথা ভারতে কয়েক লক্ষ বছর ধরে চলছিল । আমাদের ভাগ্য ভালো যে দেবতা ইংরেজরা আমাদের দেশে শাসক হিসেবে এসে এই নৃশংস প্রথা সম্পর্কে জানতে পেরেছিল । তাই তারা কঠোর আইন করে এই নৃশংস প্রথা বন্ধ করতে পেরেছিল । রামের সময় থেকে না জানি কত কোটি হিন্দু বিধবা মহিলাকে হাত পা বেধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়েছিল। যারা এই নৃশংস প্রথা বন্ধ করে আমাদের সভ্য জাতিতে পরিণত করেছিল সেই দেবতা সম ইংরেজদের তাড়ানোর জন্য যারা স্বাধীনতা আন্দোলনে সামিল হয়েছিল তাদের মুখ এবং বুক পেঁচিয়ে লাথি মারা দরকার । এই ধরনের নৃশংস হিন্দু সম্প্রদায়ের অত্যাচার থেকে যারা আমাদের দেশের লক্ষ লক্ষ বিধবা মহিলাকে জীবন্ত দগ্ধ হওয়া থেকে বাঁচিয়েছিল তাদের এদেশ থেকে যারা তাড়িয়েছে তারা আমাদের কাছ থেকে জোর করে সম্মান আদায় করার জন্য সতত প্রস্তুত । তাদের সম্মান তো দূরের কথা তাদের আত্মায় মারি শত কোটি লাথি । জানি পশু বিনয় বাদল দীনেশ, লাল বাল পাল, সুভাষ চন্দ্র বসু, গান্ধী কে আজ আমরা ধরতে পারবো না কিন্তু এদের সমর্থকরা ভারতে বিদ্যমান । এদের দর্শন পাওয়া যাবে 15 ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করার সময় । এই সময় এদের জাপটিয়ে ধরে কোনো কারেন্টের খুটির সাথে লোহার তার দিয়ে হাত পা বেঁধে বা গাছের সাথে লোহার তার দিয়ে হাত পা বেঁধে তারপর পেট্রোল দিয়ে স্নান করিয়ে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । কোনো বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে যখন তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হতো তখন তার চিৎকার যাতে কেউ শুনতে না পায় সেজন্য অনেক ঢাক ঢোল পিটিয়ে দেওয়া হতো । ঠিক তেমনি স্বাধীনতা দিবস পালনকালে যারা সমবেত হবে তাদের ঠিক এইভাবে হাত পা বেধে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করতে হবে এবং যখন পুড়তে থাকবে তখন বাঁশ দিয়ে এদের মাথায় বারি মারতে হবে যাতে মূর্ছিত হয়ে পড়ে । আজ যারা গেরুয়া বস্ত্র পড়ে থাকে, যারা জোরে জয় শ্রী রাম বলে, যারা সনাতন ধর্মের মূল আদর্শ অনুসারে দেশ চালানোর কথা বলে মনে করতে হবে যে তারাই পুনরায় সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথা চালু করতে চায় । এদেরকে লোহার তার দিয়ে হাত পা বেধে কোনো গাছের সাথে বা কারেন্টের পোস্টের সাথে বা লোহার জানালার সাথে বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে ভালো করে স্নান করিয়ে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে ।নীচের লেখাগুলো প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের "মহাকাব্যের যুগ" অধ্যায়ে সংযোজন করা হোক । সত্যকে সবার সামনে আনা হোক । ভারতে কিভাবে সতী দাহ প্রথার সৃষ্টি হয়েছিল ? অযোধ্যার উন্নতি করা প্রকৃতির বিরুদ্ধে কাজ করার মতো । অযোধ্যার লোকেরা মা সীতার প্রতি যে অন্যায় অবিচার করেছিল তার জন্য অযোধ্যার লোকেদের শাস্তি পাওয়া উচিৎ । অযোধ্যার লোকেদের জন্য মা সীতাকে অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল আর এই অগ্নি পরীক্ষা ভারতের কোটি কোটি মহিলার জন্য এনে দিয়েছিল অমানুষিক নৃশংস বর্বরতা । সীতা আগুনে প্রবেশ করে নিজের বিশুদ্ধতা প্রমাণ করেছিলেন আর তাই দেখে অযোধ্যার বানরের দল সতী দাহ প্রথার সৃষ্টি করে । সীতার অগ্নি পরীক্ষা দেখে অযোধ্যার বানরেরা সিদ্ধান্ত নেয় যে কোনো মহিলার স্বামী মারা গেলে তাকে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করতে হবে ।অযোধ্যার লোকেরা সারা ভারতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের জীবনে নিয়ে আসে এক বর্বর এবং নৃশংস প্রথা । এই প্রথা কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত ভারতে চলতে থাকে । যতদিন না এই প্রথা সম্বন্ধে ইংরেজ সরকার জানতে না পারে ততদিন এই প্রথা ভারতীয় সমাজে চলতে থাকে আর এর জন্য দায়ী অযোধ্যার লোক । সীতা মাতা অভিশাপ দিয়ে গিয়েছিলেন যে অযোধ্যার যেনো কোনোদিন বিকাশ না হয় । এতদিন সেটাই চলছিল কিন্তু নরেন্দ্র মোদী প্রধান মন্ত্রী হয়ে অযোধ্যার যে বিকাশ করলেন সেটা সীতা মাতার অভিশাপের বিরুদ্ধে এবং প্রকৃতির বিরুদ্ধে । যাদের জন্য সমগ্র ভারতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে পুড়িয়ে মারা হতো তাদের বিকাশ প্রকৃতির বিরুদ্ধে । অযোধ্যার লোকেদের জন্য সারা ভারতে নৃশংস প্রথা কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত চলেছিল । এতো আমাদের ভাগ্য ছিলো যে দেবতা ইংরেজরা ভারতে এসেছিল এবং নৃশংস প্রথা সম্পর্কে জানতে পেরেছিল । না হলে এখনও পর্যন্ত এই অমানবিক প্রথা চলতে থাকতো । অযোধ্যার লোকেরাই সতী দাহ প্রথার জনক এবং তারা সীতার অগ্নি পরীক্ষা দেখে এটা শিখেছিল ।আর সীতাকে এই অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল রামের শয়তানির কারণে কারণ রাম রাবণকে ফোন করে বলেছিল, "হ্যালো রাবণ, আমি সোনার হরিণ খুঁজতে গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবো আর আমাকে খোঁজার জন্য লক্ষণও গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবে । সেই সময় সীতা কুটিরে একা থাকবে আর সেই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও ।" এই ছিলো রামের শয়তানিমূলক পরিকল্পনা আর এই শয়তানি সীতার জীবনে নিয়ে এসেছিল অকথ্য কষ্ট এবং সামাজিক অপমান । পরবর্তীকালে এই সামাজিক অপমানটাই ভারতীয় নারীদের ক্ষেত্রে বৈধ অপমান হয়ে দাঁড়িয়েছিল । কয়েক হাজার বছর ধরে ভারতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারা তাদের স্বামীর চিতায় জীবন্ত দগ্ধ হয়ে যে আগুনের তাপ সহ্য করেছে সেই তাপকে যোগ করলে যে যোগফল বেরোবে সেটা একটি নিউক্লিয়ার বম্ব থেকে উৎপন্ন তাপের থেকে অনেক বেশি । তাই অযোধ্যার উপর নিউক্লিয়ার বম্ব ফেলে এমনভাবে ধ্বংস করতে হবে যে ওখানে মন্দির তো দূরের কথা হাজার হাজার বছর পর্যন্ত যাতে ওখানে কোনো ঘাস জন্মাতে না পারে । একটি জীবন্ত নারীকে হাত পা বেঁধে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন ধরিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হতো । এভাবে না জানি কতো কোটি মহিলাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল । সেই আগুনের তাপকে যোগ করতে হবে । দেখতে হবে সেই তাপ কতো কোটি সেন্ট্রিগ্রেড পর্যন্ত পৌঁছলো এবং সেই পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করতে কতগুলো নিউক্লিয়ার বম্ব অযোধ্যার উপর ফেলতে হবে সেটা হিসেবে করে দেখতে হবে । রামকে কোনোভাবেই মর্যাদা পুরুষোত্তম খেতাব দেওয়া যায় না কারণ তার পূর্ব পরিকল্পিত যোজনা অনুসারে সীতার অপহরণ করানো হয়েছিল এবং তার জন্য সীতাকে যে অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল সেই অগ্নি পরীক্ষা দেখে অযোধ্যার লোকেরা সতী দাহ শিখেছিল এবং এই সতীদাহ ভারতে কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত চলতে থাকে । কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত ভারতীয় মহিলাদের হাত পা বেঁধে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হতো ।এতো আমাদের ভাগ্য ছিলো যে মানবতাবাদী খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোক ইংরেজরা ভারতের শাসক হতে পেরেছিল এবং এই নৃশংস প্রথাকে আইন বলে বন্ধ করতে পেরেছিল । এইজন্য দেবতা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যারা স্বাধীনতা আন্দোলন করেছিল তাদের মুখ পেঁচিয়ে আমি লাথি মারি । ধোনের বালদের আমি সর্বদা লাথি মারি । যারা ইংরেজদের এদেশ থেকে তাড়িয়েছে তাদের এদেশে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই । সম্মানের সাথে ভাইরাস মিশিয়ে এদের পোঙ্গার মধ্যে ঢুকিয়ে দেবো । এদের সাথে গায়ের বলে পারা যাবে না । এদেরকে ধ্বংস করার সহজ উপায় হলো ধীরে ধীরে এদের রক্তে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিতে হবে যাতে এরা নিজেদের বাড়ির মধ্যে পচে পচে মরে । তবুও এদের সতীদাহের মতো আগুনে পুড়ে মরতে হবে না । আরামসে বাড়ির মধ্যে শুয়ে শুয়ে পচে মরবে । বেশি যন্ত্রণা পেতে হবে না । বল, তোরা সীতা মাতার অভিশাপের বিরুদ্ধে গিয়ে অযোধ্যার কেনো রাম মন্দির নির্মাণ করলি ? অযোধ্যার লোকেদের চরম দুঃখ কষ্টে রাখতে হবে । হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা কৃষ্ণের থেকে রামকে বেশি পসন্দ করে । তারা মনে করে শ্রী কৃষ্ণ ছল করে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ জিতেছিলেন । তাই তারা শ্রী কৃষ্ণকে ছলিয়া বলে এবং খারাপ মনে করে । তারা রামকে অতি মহান বলে মনে করে কিন্তু তারা রামের ছলের কথা ভুলে গেছে । একটু স্বরণ করিয়ে দেওয়া দরকার । ।
হিন্দী ভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা হয়তো জানে না অথবা তারা হয়তো আবেগে ভুলে গেছে যে শ্রী রাম রাবণকে ফোন করে বলেছিলেন, "রাবণ, আমি ফল খুঁজতে বনের মধ্যে অনেক দূর যাচ্ছি, এই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও ।" যে নিজের বউকে অপহরণ করার জন্য অন্যকে উস্কানি দেয় সে তো কৃষ্ণের থেকে বেশি শয়তান, কৃষ্ণের থেকে বেশি ছলিয়া । কিন্তু হিন্দী ভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা রামের এই শয়তানির কথা ভুলে গেছে তাই তারা রামকে আগে রেখে শ্রী কৃষ্ণকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায় । শ্রী কৃষ্ণের প্রতি তাদের অভিযোগ, "শ্রী কৃষ্ণ পাণ্ডবদের হারানো সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য একই পরিবারের মধ্যে ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়েছিলেন এবং ছল করে কৌশল করে এই যুদ্ধ জিতেছিলেন । তাই শ্রী কৃষ্ণ ছলিয়া এবং খারাপ ।" কিন্তু হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে শ্রী কৃষ্ণের থেকে শ্রী রাম বেশি ছলিয়া ছিল কারণ শ্রী রাম আগে থেকেই রাবণকে ফোন করে বলে রেখেছিলেন যে তিনি একটু পর ফল খুঁজতে এবং সোনার হরিণ ধরতে গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবেন আর সেই সুযোগে তিনি যেনো সীতাকে অপহরণ করে নেয় । তাহলে দেখা যাচ্ছে রামও অনেক বড়ো ছলিয়া ছিলো । একথা হিন্দী ভাষীদের স্বরন করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন আছে । রামের এই শয়তানি বা নাটক স্ত্রী জাতিকে অবিশ্বাসের পথে ঠেলে দিয়েছে । আজকের সমাজেও যদি কোনো নারীকে কেউ অপহরণ করে এবং সে যদি অপহরণকারীদের চঙ্গুল থেকে ছাড়া পেয়ে বেচে আসে তাহলেও তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয় । সবাই মনে করে যে অপহরণকারীরা তার সাথে সেক্স করেছে এবং সে অপবিত্র হয়েছে । কিন্তু কোনো নারীকে অপহরণ করে জোর করে যদি তার সাথে কেউ সেক্স করে তাহলে সে নারী কখনোই অপবিত্র হয় না । আপনার সাথে যদি কেউ খারাপ কিছু করে তাহলে আপনিও অপবিত্র হবেন না কিন্তু সমাজের লোক যদি আপনাকে অপবিত্র বলা শুরু করে তাহলে আপনার মনের অবস্থা কেমন হবে বলুন তো ? রামের এই শয়তানি নাটক সীতার জীবনে নিয়ে এসেছিল দুঃখ কষ্ট এবং বদনাম । এতো বদনাম যে রাম সীতাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হয়েছিল এবং সমাজ থেকে দূরে বনের মধ্যে থাকতে বাধ্য করেছিল । কোনো নারীকে বনের মধ্যে বনবাসে পাঠিয়ে দিলে তার নিরাপত্তা যে আরো কম হয়ে যায় তার কোনো চিন্তা হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের নেই । সীতাকে বনের মধ্যে নিয়ে ছেড়ে আসা হয়েছিল । বনের মধ্যে কোনো নারীকে একা ছেড়ে দেওয়াটা কোনো নারীর প্রতি যে কতো অপমানের তার কোনো খেয়াল হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা করে নি । তারা রামের আদর্শকে সমাজে চালু করতে চায় কিন্তু সমাজে রামের আদর্শ চালু হলে নারীজাতির জীবনে নেমে আসবে চরম দুঃখ কষ্ট । রাম কতো বড়ো শয়তান । একে তো সে চোদাচুদির ব্যবস্থা বানিয়েছে আবার কোনো নারীর সাথে যদি কেউ চোদাচুদি করে তাহলে সে নারী অপবিত্র হবে । এ যে কতবড় শয়তানি । কোনো নারীকে কেউ যদি বলপূর্বক ধরে নিয়ে যায় এবং চোদে তাহলে সেই নারী কখনোই অপবিত্র নয় । রাম একথা অযোধ্যা বাসীকে বোঝাতে ভুলে গিয়েছিল আর তাই সীতার জীবনে নেমে এসেছিল দুঃখের ঢল । শুধু তাই নয় সীতাকে অপবিত্র মনে করে তাকে রাম ত্যাগ করেছিল মানে ডিভোর্স দিয়েছিল এবং তাকে সমাজের বাইরে গভীর বনের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছিল । আর সীতা যতদিন বনের মধ্যে ছিলো সেই সময় অযোধ্যার শয়তান লোকেরা আরামসে ঘরের মধ্যে সেক্স করেছে । দেখুন শয়তানি কাকে বলে ।
রাবণ সীতার সাথে সেক্স করেছে এই অজুহাতে সীতাকে গভীর বনের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়ে অযোধ্যার লোকেরা আরামসে নিজেদের ঘরের মধ্যে প্রতিদিন চোদাচুদি করেছে । আর আজকে নরেন্দ্র মোদি সেই শয়তান অযোধ্যা বাসীর উন্নতি কল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে । এটা স্ত্রী জাতির প্রতি অন্যায় । অযোধ্যার বিকাশ না করে অযোধ্যার লোকদের লাথি মেরে ফেলে দেওয়া উচিৎ । রাম আগে থেকেই রাবণকে বলে রেখেছিলেন যে সে যেনো সীতাকে অপহরণ করে । তাই রাম নিঃসন্দেহে শয়তান প্রকৃতির লোক ছিল । কারণ যে আগে থেকে রাবণকে বলে রেখেছিলেন যে রাবণ যেনো তার পত্নী সীতাকে অপহরণ করে । এ ধরনের শয়তানি আমরা সাবধান ইন্ডিয়াতে দেখতে পাই । রাম রাবণের থেকে বেশি শয়তান ছিলো । যারা জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম স্লোগান দেয় তারা নিঃসন্দেহে শয়তান প্রকৃতির লোক । উত্তর প্রদেশের প্রত্যেকটা লোক শয়তান প্রকৃতির । যারা রামকে অতি উচ্চে রাখেন তারা প্রত্যেকে শয়তান প্রকৃতির লোক । রামের এই শয়তানির কারণে সীতা মাতাকে সারাজীবন দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে হয়েছিল । শুধু তাই নয়, রামের এই শয়তানির কারণে পৃথিবীতে ডিভোর্স প্রথা এবং স্ত্রী জাতির প্রতি অন্যায় অবিচার শুরু হয়েছে । এই সাজানো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীতার প্রতি যে অন্যায় অবিচার করা হয়েছিল তা আমাদের সমাজে চালু হয়ে যায় । তখন থেকেই স্ত্রী জাতির লোককে সন্দেহের চোখে দেখা হয় । তারা কোনো কারণে বাড়ির বাইরে থাকলে তাদের সাথে যৌন সম্পর্ক হয়েছে এই সন্দেহে দেখা হয় । সীতা মাতার প্রতি যে সন্দেহ করা হয়েছিল এবং তার প্রতি যৌন সম্পর্কের যে অভিযোগ করে তাকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল তা আজকের সমাজে চালু হয়ে গেছে । আজকের সমাজেও তাই নারী জাতির প্রতি অন্যায় অবিচার করা হয় । গ্রামাঞ্চলে লোকেরা কোনো মহিলাকে রেপ করে উল্টো ওই মহিলার চরিত্র যে খারাপ সেই দাগ লাগিয়ে তাকে উল্টো পেটানো হয়, তার উপর অত্যাচার করা । আর এ সব কিছুর জন্য রামের ওই শয়তানি দায়ী । রাম শয়তানি করার জন্য রাবণকে বলে রেখেছিলেন, "তুই আমার বউকে চুরি করে আমার সাথে শত্রুতা করবি আর আমি তোর গলা কেটে তোকে মুক্তি দেবো ।" এই শয়তানি করতে গিয়ে সীতাকে যে কষ্ট, অপমান, ঘৃনা, সন্দেহ, অপবাদ সহ্য করতে হয়েছিল তা আজকে ভারতের গ্রামাঞ্চলে হয়ে থাকে । গ্রামের কোনো মহিলাকে ধর্ষণ করে গ্রামের কিছু লোক ওই মহিলা যে খারাপ সে অপবাদ ছড়িয়ে দেওয়া হয় । গ্রামের মহিলারা বিচার পায় না । রামের ওই শয়তানির কারণে গ্রামাঞ্চলের মহিলাদের প্রতি এ রকম অন্যায় হয়ে আসছে । গ্রামের মহিলাদের ধরে ক্ষেতের মধ্যে রেপ করে দেওয়া হয় আর অপবাদের ভয় দেখিয়ে ওই মহিলাকে চুপ থাকতে বলা হয় । এ রকম ভগবান সত্যিই বিরল । এইজন্য অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ হলে সমাজে পুনরায় অন্যায় অবিচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে । তাই শুধু অযোধ্যার রাম মন্দির নয়, উত্তর প্রদেশে যতো রাম মন্দির আছে টা ধ্বংস করে সেখানে শ্রী কৃষ্ণের মূর্তি স্থাপন করতে হবে । শ্রী কৃষ্ণই হলো কলিযুগের ভগবান । রাম পুরনো যুগের ভগবান । সমাজে রামের আদর্শ স্থাপিত হলে গ্রামের মহিলাদের রেপ করে লোকেরা উল্টো তার চরিত্র খারাপ হওয়ার দোষ লাগিয়ে দেবে । তাই ভারতীয় নারীদের উচিৎ রাম মন্দিরের বিরোধিতা করা । রাম মন্দির মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকলে সমাজে মহিলাদের প্রতি অন্যায় অবিচার হতে থাকবে । অযোধ্যার লোকেরা হলো শয়তান । তাই অযোধ্যার বিকাশ এবং উন্নতি করা হবে প্রকৃতির বিরুদ্ধে । অযোধ্যার বাসীর উন্নতি করার অর্থ শয়তানদের উন্নতি করা । অযোধ্যার বাসীর উন্নতি করার অর্থ হলো মহিলাদের প্রতি অন্যায় করে উল্টো তার মাথায় দোষ চাপিয়ে দেওয়া । কোনো মহিলাকে ধর্ষণ করে তার বিরুদ্ধে প্রচার করা যে মহিলাটির চরিত্র খারাপ । এইজন্য উত্তর প্রদেশে গ্রামাঞ্চলে মহিলারা সন্ধ্যা বেলা ক্ষেতের মধ্যে পায়খানা করতে যায় আর গ্রামের লোকেরা ক্ষেতের মধ্যে ওট পেতে থাকে । মহিলার পায়খানা করা হয়ে গেলে তাকে জাপটিয়ে ধরে ক্ষেতের মধ্যে রেপ করে দেওয়া হয় । উল্টো ধমকি দেওয়া হয় যে যদি ঐ মহিলা রেপের ব্যাপারটি লোককে জানায় তাহলে উল্টো তার উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং সীতার মতো গ্রাম থেকে বহিষ্কার করা হবে । প্রসঙ্গত উল্লেখ করি যে উত্তর প্রদেশে গ্রামের দিকে মহিলারা সন্ধ্যা বেলা একটু অন্ধকার হলে গমের ক্ষেতে, আখের ক্ষেতে, ডালের ক্ষেতে, বাজরার ক্ষেতে, সরষের ক্ষেতে পায়খানা করতে যায় । আবার খুব ভোরবেলাও যায় । এই সুযোগে গ্রামের কিছু লোক তাদের ধরে রেপ করে । মহিলা মুখ খুললে তার উপর উল্টো চরিত্রহীনতার দোষ লাগিয়ে দেওয়া হয় । রাবণকে উদ্ধার করার জন্য রাম সীতা মাতার প্রতি রাম যে অন্যায় করেছিলেন সেই অন্যায় ভারতীয় সমাজে প্রচলিত আইনের মতো ছেয়ে গেছে । রামের আদর্শ অনুসারে দেশ চললে গ্রামের লোকেরা মহিলাদের প্রতি অন্যায় করতে থাকবে আর উল্টো ওই মহিলাকে চরিত্রহীন বানিয়ে ছেড়ে দেবে । রাম রাবণকে উপদেশ দিয়েছিলেন যাতে রাবণ সীতাকে অপহরণ করে আর পুরো নাটক করা যায় । কিন্তু এই নাটক সীতার জীবনকে নষ্ট করে দেয় । সীতার প্রতি এই অন্যায় ভারতীয় সমাজে নারীদের প্রতি একটা আইনের মতো চালু হয়ে যায় । অযোধ্যায় যে রাম মন্দির নির্মিত হয়েছে তার প্রবেশদ্বারে বা মন্দিরের মধ্যে নিচের কথাগুলো বোর্ডে লেখা হোক বা পাথরে খোদাই করে লেখা হোক । ছলিয়া রাম রাবণকে ফোন করেছিলো, "রাবণ, আমি সোনার হরিণ খুঁজতে গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবো আর আমাকে খোঁজার জন্য লক্ষণও গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবে । সেই সময় সীতা কুটিরে একা থাকবে । সেই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও।"এই কথাগুলো রাম মন্দিরের চারিদিকে পাথরে খোদাই করে লেখা হোক ।