Wonders Of Quran

Wonders Of Quran Islamic Content Dajjal Antichrist and Prophecies about Days and After Life

১৬৮৯ সাল।ভারত তখনো উপনিবেশিক শাসনের পুরো কবলে যায়নি।ইংরেজ খ্রিস্টান পাদ্রী ও পর্যটক জন ওভিংটন তাঁর বিখ্যাত বই A Voyage t...
29/05/2026

১৬৮৯ সাল।
ভারত তখনো উপনিবেশিক শাসনের পুরো কবলে যায়নি।
ইংরেজ খ্রিস্টান পাদ্রী ও পর্যটক জন ওভিংটন তাঁর বিখ্যাত বই A Voyage to Surat–এ এমন কিছু বাস্তব চিত্র লিখে গেছেন, যা আজকের সাজানো ইতিহাসের সঙ্গে ভয়ংকরভাবে সাংঘর্ষিক।

আমাদের পাঠ্যবই বলে—
“রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেছিলেন।”
কিন্তু ইতিহাসের পুরনো পাতা খুললে দেখা যায়, তারও বহু আগে মুসলিম শাসকরা এই বর্বর প্রথা দমনে প্রশাসনিক নির্দেশ জারি করেছিলেন।

ওভিংটনের বর্ণনায় উঠে আসে এক নির্মম বাস্তবতা—
সতীদাহ কেবল ধর্মীয় আচার ছিল না, এর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল ব্রাহ্মণ পুরোহিতদের অর্থনৈতিক স্বার্থ।

যে নারী স্বামীর চিতায় জীবন্ত পুড়ে মরতে অস্বীকৃতি জানাতো, তাকে সমাজচ্যুত করতে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হত।
আজীবন অপমান, ঘৃণা আর সামাজিক বর্জন—
এই ছিল তার শাস্তি।

আর যে নারী আগুনে ঝাঁপ দিতো, তার শরীরের গহনার দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকত পুরোহিত শ্রেণি।
কারণ মৃতদেহের ছাই স্পর্শের “অধিকার” কেবল তাদেরই ছিল।
ছাই থেকে স্বর্ণ-রৌপ্য তুলে নেওয়াও ছিল তাদের আয়ের উৎস।

কিন্তু ইতিহাসের আরেকটি দিক খুব কম মানুষকে জানানো হয়—
মুসলিম শাসকরা ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথা দ্রুত কমতে শুরু করে।
ওভিংটন নিজেই লিখেছেন, নবাবদের নির্দেশ ছিল সতীদাহ দমন ও নির্মূল করা।
ফলে এই প্রথা বিরল হয়ে পড়ে এবং কেবল কিছু রাজপরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

অর্থাৎ, যাদেরকে আজকের অনেক বর্ণনায় “আক্রমণকারী” বলা হয়,
তারাই বাস্তবে অসংখ্য হিন্দু নারীর জীবন রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল।

ইতিহাস সবসময় সাদা-কালো না।
কিছু সত্য পাঠ্যবইয়ে লেখা হয়,
আর কিছু সত্য সময়ের ধুলোয় চাপা পড়ে থাকে।

— সূত্র: A Voyage to Surat the Year 1689, John Ovington, p.201

২০০১ সালের ঢাকার নয়া বাজারের কুরবানির হাট…একটা বিশাল গরুর দাম হাঁকা হয়েছিল দেড় লাখ টাকা।হাটজুড়ে তখন সেটাই ছিল বিস্ময়!মান...
29/05/2026

২০০১ সালের ঢাকার নয়া বাজারের কুরবানির হাট…
একটা বিশাল গরুর দাম হাঁকা হয়েছিল দেড় লাখ টাকা।
হাটজুড়ে তখন সেটাই ছিল বিস্ময়!
মানুষ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতো, দীর্ঘশ্বাস ফেলতো, কিন্তু কিনতে পারতো না।
কারণ তখনও মানুষের পকেট ছোট ছিল, কিন্তু বিবেকটা অনেক বড় ছিল।

সময় বদলেছে।
ক্যালেন্ডারের পাতায় ২৫ বছর চলে গেছে।
আজ ২০২৬ সালে এসে ৩০ লাখ, ৫০ লাখ টাকার গরুও কোরবানি হচ্ছে।
ফেসবুকের নিউজফিড ভরে যায় বিশাল গরুর ছবি, নাম, ব্যানার আর বাহাদুরিতে।
কিন্তু মাঝে মাঝে খুব জানতে ইচ্ছে করে—
এই ২৫ বছরে আসলে কি মানুষ স্বাবলম্বী হয়েছে,
নাকি শুধু টাকার অঙ্কটাই বড় হয়েছে?

আগে মানুষ কম খেত, কম পরতো, কিন্তু হারামকে ভয় পেত।
আজ মানুষ ব্র্যান্ড পরে, দামি গাড়িতে ঘোরে,
কিন্তু অনেকের উপার্জনের ভেতরে লুকিয়ে থাকে অন্যের হক, কান্না আর অভিশাপ।

আগে ব্যবসায়ী মানে ছিল বিশ্বাস।
এখন শিক্ষিত প্রতারকের সংখ্যা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।
ডিগ্রি বেড়েছে, কিন্তু মানবিকতা কমেছে।
হাসপাতালের করিডোরে দাঁড়িয়ে থাকা স্বজনদের চোখের পানি এখন অনেকের কাছে ব্যবসার সুযোগ।
অপারেশন থিয়েটারের দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের খেলা।

তাই আজ যখন কোটি টাকার কোরবানির গল্প শুনি,
তখন বুকের ভেতর একটা প্রশ্ন নিঃশব্দে কাঁদে—
আমরা কি সত্যিই উন্নত হয়েছি?
নাকি শুধু দামের সাথে সাথে আমাদের অহংকারও বড় হয়েছে?

২৫ বছর আগে মানুষ দেড় লাখ টাকার গরু কিনতে পারেনি,
কারণ তখন অধিকাংশ মানুষ সৎ ছিল, সীমাবদ্ধ ছিল, লজ্জাবোধ ছিল।
আর আজ লাখ লাখ টাকার গরু জবাই হয়,
কিন্তু নিজের ভেতরের হিংসা, অহংকার, আমিত্ব—
সেগুলো কি কখনো কোরবানি হয়?

কোরবানি তো শুধু পশু জবাইয়ের নাম না।
কোরবানি মানে নিজের নফসকে হত্যা করা,
নিজের লোভকে থামানো,
অন্যের হক আদায় করা,
মানুষের কষ্ট বুঝতে শেখা।

আজ হাটগুলো অনেক বড় হয়েছে,
গরুগুলোও অনেক বিশাল হয়েছে,
শুধু মানুষের হৃদয়টাই যেন একটু একটু করে ছোট হয়ে গেছে…। #কোরবানি #বাংলাদেশ #নস্টালজিয়া #সমাজবাস্তবতা #মানবতা #সততা #হারাম_হালাল #আত্মশুদ্ধি #ভাইরাল #ফেসবুক_পোস্ট

29/05/2026

The anti-Semitic UN secretary-general has added Israel to the black list along with terrorist organizations, based on false allegations that Israel uses trained dogs to r**e Muslim terrorists in its prisons.

Despite Israel inviting UN officials, opening prisons, and providing comprehensive answers and evidence against each of the fabricated claims, the UN ignored everything and refused to investigate. Instead, he rushed to include the Jewish State in the black list purely to please Arab-Islamic countries and Europe, which are actively promoting the demonization of Israel in the Nazi-style.
This is not incompetence. It's a deliberate blood dragon in the 21st century.

The UN, under Guterres, has proven once again that it serves the interests of the worst human rights violators on Earth—regimes that stone women, execute g**s, enslave non-Muslims, and fund global jihad—while inventing the most grotesque lies against the only democracy in the Middle East that actually protects human rights.

“চারশ বছরের বিদ্রোহের অর্জন বাংলাদেশের গরু কোরবানি” — কথাটা অনেকের কাছে বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস খুলে দেখলে ...
28/05/2026

“চারশ বছরের বিদ্রোহের অর্জন বাংলাদেশের গরু কোরবানি” — কথাটা অনেকের কাছে বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে। কিন্তু ইতিহাস খুলে দেখলে বোঝা যায়, এই উপমহাদেশে গরু কোরবানি শুধু ধর্মীয় আচার ছিল না, এটা ছিল সামাজিক ক্ষমতা, পরিচয় আর অধিকার নিয়েও এক দীর্ঘ সংগ্রামের অংশ।
বাংলার মুসলমানদের বড় অংশ ছিল দরিদ্র কৃষক, নিম্নবর্ণ থেকে ইসলাম গ্রহণ করা মানুষ। শত শত বছর হিন্দু জমিদারি, সামাজিক নিষেধাজ্ঞা আর দারিদ্র্যের কারণে প্রকাশ্যে গরু কোরবানি করা সহজ ছিল না। অনেক জায়গায় অলিখিত বাধা ছিল, ভয় ছিল, শাস্তির আশঙ্কা ছিল।
আজ বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর— সর্বত্র মানুষ প্রকাশ্যে কোরবানি দেয়। এটা শুধু ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয় না, এটা সামাজিক পরিবর্তনেরও প্রতীক।
মজার বিষয় হলো, যারা মুসলমানদের কোরবানি নিয়ে “বর্বরতা”র কথা বলে, তারা ইতিহাসের অন্য দিকটা প্রায়ই চেপে যায়। উপমহাদেশের বহু ধর্মীয় ঐতিহ্যেই পশুবলির ইতিহাস আছে। অনেকেই আজ গরুকে শুধুই “চিরকালীন পবিত্র” ধারণার মধ্যে দেখেন। অথচ বহু ইতিহাসবিদ ও সংস্কৃত গবেষকের মতে, প্রাচীন বৈদিক যুগে হিন্দু সমাজের একাংশের মধ্যে গো-মাংস ভক্ষণ প্রচলিত ছিল।
ঋগ্বেদ, শতপথ ব্রাহ্মণ (Shatapatha Brahmana) ও বিভিন্ন গৃহসূত্রে যজ্ঞে পশুবলি ও গো-মাংসের উল্লেখ পাওয়া যায়। শতপথ ব্রাহ্মণে ঋষি যাজ্ঞবল্ক্যের একটি বিখ্যাত উক্তি রয়েছে যেখানে তিনি বলেন, গরুর মাংস “নরম হলে” তিনি তা খেতে পছন্দ করেন।
মনুস্মৃতি ৫:৩০-এ বলা হয়েছে: “খাদ্যযোগ্য প্রাণীর মাংস ভক্ষণে পাপ নেই।” আবার কিছু আয়ুর্বেদীয় গ্রন্থ, বিশেষ করে চরক সংহিতা (Charaka Samhita)-তে দুর্বল, অসুস্থ বা গর্ভবতী নারীর জন্য নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে গো-মাংসের ঝোল বা পুষ্টিকর মাংসের উল্লেখ পাওয়া যায় বলে বহু গবেষক দাবি করেছেন।
ইতিহাসবিদ D.N. Jha তাঁর আলোচিত বই “The Myth of the Holy Cow”-এ প্রাচীন ভারতে গো-মাংস ভক্ষণ ও পশুবলির বহু ঐতিহাসিক রেফারেন্স তুলে ধরেছেন। . তবে এটাও সত্য— সময়ের সাথে হিন্দুধর্মে অহিংসা ও গরুকে পবিত্র ভাবার ধারণা শক্তিশালী হয়েছে। তাই বর্তমানের বহু হিন্দু গরু খান না। সেটাও তাদের বিশ্বাস ও অধিকার।
একইভাবে মুসলমানদের কাছেও কোরবানি শুধু পশু জবাই না; এটা ত্যাগ, আনুগত্য, ভাগাভাগি আর গরিব মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার শিক্ষা।

27/05/2026
সবাইকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা 🌹
27/05/2026

সবাইকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা 🌹

25/05/2026

একজন বাবা ও রিকশাচালক সম্প্রতি স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে নিজের মতামত জানিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন। তিনি জানান সুশিক্ষা ও সচেতনতার অভাবে কিছু মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করছে, যা সমাজে নানা প্রভাব ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, যদি তার ক্ষমতা থাকত তাহলে স্মার্টফোন ব্যবহারে বয়সভিত্তিক সীমাবদ্ধতা ও কিছু নীতিমালা চালু করতেন—যাতে যে কেউ চাইলেই মোবাইল ব্যবহার করতে না পারে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা, অনেকে সমর্থন করছেন, আবার অনেকে ভিন্নমতও দিচ্ছেন। আপনার মত কী? ওনাকে নিয়ে এই ভিডিও কমেন্ট সেকশনে।

Address

Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wonders Of Quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share