Revival - রিভাইভাল

Revival - রিভাইভাল পুনঃজাগরণ

সূরা আল-মু'মিনূনের শেষাংশের একটি ভাবনা (আয়াত ১১২-১১৬)সূরা আল-মু'মিনূনের শেষের দিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিনের এক অসাধারণ দৃশ্...
08/07/2026

সূরা আল-মু'মিনূনের শেষাংশের একটি ভাবনা (আয়াত ১১২-১১৬)
সূরা আল-মু'মিনূনের শেষের দিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিনের এক অসাধারণ দৃশ্য তুলে ধরেছেন। তিনি মানবজাতিকে এমন একটি প্রশ্ন করেন যা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও, জীবন সম্পর্কে আমাদের চিন্তাভাবনাকে ভেতরে ভেতরে নাড়িয়ে দেয়:
**قَـٰلَ كَمْ لَبِثْتُمْ فِى ٱلْأَرْضِ عَدَدَ سِنِينَ**
তিনি জিজ্ঞেস করবেন, “তোমরা পৃথিবীতে কত বছর অবস্থান করেছিলে?” (১১২)

শব্দ চয়নটি অত্যন্ত সুনিপুণ। আল্লাহ কিন্তু জিজ্ঞেস করেননি, 'তোমরা কতদিন বেঁচে ছিলে?' তিনি জিজ্ঞেস করেছেন, 'কাম লাবিছতুম'—তোমরা কতদিন অবস্থান করেছিলে? 'লাবিছা' (لَبِثَ) ক্রিয়াপদটির অর্থ হলো কোনো স্থানে সাময়িকভাবে থাকা, যেমন একজন অতিথি কোথাও অল্প সময়ের জন্য অবস্থান করে। কেউ উত্তর দেওয়ার আগেই এই প্রশ্নটি জীবনের আসল সত্যকে উন্মোচন করে দেয়: এই দুনিয়া কখনোই আমাদের স্থায়ী ঠিকানা ছিল না। আমরা কেবল এটি অতিক্রম করে যাচ্ছিলাম।
তাদের উত্তরটি ছিল চমকে দেওয়ার মতো:
**قَالُوا۟ لَبِثْنَا يَوْمًا أَوْ بَعْضَ يَوْمٍۢ فَسْـَٔلِ ٱلْعَآدِّينَ**
তারা বলবে, “আমরা মাত্র একদিন বা দিনের কিছু অংশ অবস্থান করেছিলাম। অতএব আপনি তাদের জিজ্ঞেস করুন যারা হিসাব রেখেছিল।” (১১৩)

লক্ষ্য করুন, তারা কিন্তু সত্তর বা আশি বছর বলেনি। বরং তারা বলছে, “একদিন বা দিনের কিছু অংশ।” তারপর কিছুটা অনিশ্চয়তা নিয়ে যোগ করছে, “যারা হিসাব রেখেছিল তাদের জিজ্ঞেস করুন।” নিজেদের জীবনের দৈর্ঘ্য নিয়ে একসময় তাদের যে আত্মবিশ্বাস ছিল, তা যেন পুরোপুরি মিলিয়ে গেছে।
হয়তো এই অনুভূতিটি আমাদের কাছেও খুব একটা অপরিচিত নয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সময় যেন সংকুচিত হয়ে আসে। শৈশব, স্কুলজীবন, বিয়ে, সন্তানের জন্ম—দশক জুড়ে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাগুলোকে মনে হয় এই তো সেদিনের কথা। পঞ্চাশটি বছর যদি এই জীবনেই মাত্র একটি ঋতুর মতো মনে হতে পারে, তবে অনন্তকালের প্রেক্ষাপট থেকে দেখলে একে কেমন মনে হবে?
আল্লাহ তখন উত্তর দেবেন:
**قَـٰلَ إِن لَّبِثْتُمْ إِلَّا قَلِيلًۭا ۖ لَّوْ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَعْلَمُونَ**
তিনি বলবেন, “তোমরা অল্প সময়ই অবস্থান করেছিলে, যদি তোমরা জানতে!” (১১৪)

এখানে মূল বিষয় বছরের সঠিক সংখ্যাটি ছিল না। জীবন দীর্ঘ হোক বা সংক্ষিপ্ত, আল্লাহ একে বর্ণনা করেছেন কেবল 'ক্বালীলান' (قَلِيلًا) বা 'খুবই অল্প' বলে।
এখানে তিরস্কারটি কিন্তু বছরের হিসাব ভুল করার জন্য নয়। তিরস্কারটি হলো—‘লাও আন্নাকুম কুনতুম তা'লামূন’ (যদি তোমরা জানতে)। তারা জানত জীবন সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এই জানাশোনাকে তারা কখনোই তাদের জীবনযাপনের ওপর প্রভাব ফেলতে দেয়নি। সমস্যা তথ্যের অভাব ছিল না, বরং সেই সত্যকে নিজেদের অগ্রাধিকারের তালিকায় জায়গা না দেওয়াটাই ছিল মূল ব্যর্থতা।
আমাদের অবস্থানের সময়কাল নির্ধারণের পরপরই, কুরআন অবিলম্বে সেই প্রশ্নটি করে যা আসলে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ:
**أَفَحَسِبْتُمْ أَنَّمَا خَلَقْنَـٰكُمْ عَبَثًۭا وَأَنَّكُمْ إِلَيْنَا لَا تُرْجَعُونَ**
“তোমরা কি মনে করেছিলে যে, আমরা তোমাদের উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেছি এবং তোমরা আমাদের কাছে ফিরে আসবে না?” (১১৫)

'আবাছান' (عَبَثًا) শব্দটির অর্থ কেবল 'দিকহীন' বা 'লক্ষ্যহীন' নয়। এটি এমন কিছুকে বোঝায় যা কোনো প্রজ্ঞা বা উদ্দেশ্য ছাড়াই করা হয়েছে। আমাদের অবস্থান যে কেবল 'ক্বালীলান' (অল্প সময়) তা স্পষ্ট করার পর, আল্লাহ স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নটি রাখছেন: তাহলে এই সংক্ষিপ্ত অবস্থানের উদ্দেশ্য কী ছিল?
জীবনের এই সংক্ষিপ্ততা এর গুরুত্বকে কমিয়ে দেয় না, বরং বাড়িয়ে দেয়। একটি সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা দীর্ঘ পরীক্ষার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এর প্রতিটি মিনিট আরও বেশি ওজন বহন করে।
হয়তো এই কারণেই আল্লাহ সম্পদ, অর্জন বা ব্যর্থতার কথা আগে না এনে 'সময়' দিয়ে শুরু করেছেন। কারণ সময় হলো সেই পাত্র যা প্রতিটি নেয়ামত, প্রতিটি পরীক্ষা এবং তাঁর কাছাকাছি যাওয়ার প্রতিটি সুযোগকে ধারণ করে রেখেছিল। সেই পাত্রটি যখন মাত্র 'ক্বালীলান' বা সামান্য বলে প্রমাণিত হয়, তখন অন্য সবকিছুই তার আসল রূপ ও গুরুত্ব ফিরে পায়।
এই পরিচ্ছেদটি আমাদের দৃষ্টিকে নিজেদের থেকে সরিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে শেষ হয়:
**فَتَعَـٰلَى ٱللَّهُ ٱلْمَلِكُ ٱلْحَقُّ ۖ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ ٱلْعَرْشِ ٱلْكَرِيمِ**
“অতএব মহিমান্বিত আল্লাহ, যিনি প্রকৃত মালিক, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি সম্মানিত আরশের অধিপতি।” (১১৬)

কত চমৎকার ও উপযুক্ত একটি সমাপ্তি!
আমাদের অবস্থান ছিল 'ক্বালীলান' (ক্ষণস্থায়ী)। আর তাঁর রাজত্ব চিরস্থায়ী। যিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, “তোমরা কতদিন অবস্থান করেছিলে?” তিনি হলেন 'আল-মালিকুল হাক্ক'—প্রকৃত শাসক, পরম সত্য; যাঁর কর্তৃত্ব প্রতিটি প্রজন্ম, প্রতিটি সাম্রাজ্য এবং প্রতিটি মানুষের জীবনকে ছাড়িয়ে টিকে থাকে।
আমাদের পুরো জীবনটি যদি একদিন কোনো এক সকাল বা বিকেলের মতো মনে হয়, তবে আসল প্রশ্নটি এটা নয় যে আমরা জীবনকে সংক্ষিপ্ত বলে জানি কি না। আসল প্রশ্ন হলো—যিনি এই প্রশ্নটি করবেন তাঁর সামনে দাঁড়ানোর আগেই আমরা এই জ্ঞানকে আমাদের জীবনযাত্রার ধরন বদলে দেওয়ার সুযোগ দেব কি না।

৩৬% শিক্ষার্থী ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিচ্ছে না। মানে দেশের তিন ভাগের এক ভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় নাই। এটা নিয়ে প্রথম আ...
03/07/2026

৩৬% শিক্ষার্থী ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিচ্ছে না। মানে দেশের তিন ভাগের এক ভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় নাই। এটা নিয়ে প্রথম আলো, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সিভিল সোসাইটির দারুণ মাথাব্যথা।

অথচ আমি অবাক হচ্ছি কেন দেশের ৬৪% শিক্ষার্থী এই পরীক্ষাটা দিতে গেছে! এই পরীক্ষা দিয়ে কী হয়? কোন উদ্দেশ্যে কেউ এইচএসসি পরীক্ষাটা দিবে?

বাংলাদেশের যে কোনো টিপিকাল গ্রামে আপনি যান। দেখবেন স্কুলগুলো খালি। বড় বড় সরকারি বিদ্যালয়ের বিল্ডিং খালি পড়ে আছে। ক্লাসরুম ৩০% ভরে না। বাকি ৭০% এর অর্ধেক পড়ে হিফজ আর বাকি অর্ধেক কিছু করে না, বাবার সাথে কৃষিতে হেল্প করার অভিনয় করে, মূলত জুয়া খেলে, ঘুমায়া থাকে, খালের উপর ব্রিজে বসে ফ্রি ফায়ার খেলে, সিগারেট, গাঁজা আর গুটি খায়। টিকটক করে।

নাক উঁচু যে ৩০% পোলাপানের কথা প্রথমে বললাম তারা এসএসসি পাশ করে চাকরি পায় না। এইচএসসি করেও পায় না। তখন আইদার লেবার ভিসায় মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার ট্রাই করে, লিবিয়া দিয়ে ইতালি যাওয়ার ট্রাই করে। আর তার চেয়ে বড় লুজার হইলে একটা ডিগ্রি কলেজ কি হবিগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মত কোনো একটা প্রতিষ্ঠানে ফার্সি সাহিত্যে ভর্তি হয়।

৪ বছরের কোর্স ৬ বছরে শেষ করে চাকরি পায় না। ফারসিতে মাস্টার্স করে। তারপর চাকরি পায় না। শেষে বিদেশ যায়, একটা মুদি দোকানে বসে, বিয়া করে চড়া যৌতুকের টাকায় বাইক কিনে পাঠাও চালায় আর নাহয় ইজিবাইক চালায়। এটাই সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ।

নব্বই দশকে বাংলাদেশের গ্রামের কৃষকটা এনজিও, সরকার আর বিটিভির ছায়াছবির ফাঁদে পা দিয়ে ভেবেছে: তার ছেলে মাঠে কাজ করবে না। মাঠে কাজ করা খারাপ। সে কলেজ পাশ করে দৌড়ে এসে বাড়ি মাথায় তুলে বলবে, "মা মা মা, আমি পাশ করেছি।" তারপর কোট টাই পরে চাকরি করে বাবা মাকে গাড়ি কিনে দিয়ে পরিবারের সকল দুঃখ দূর করবে।

বাংলাদেশের মানুষ আশি নব্বইয়ের দশক থেকে এই লোভে পড়ে, মধ্যবিত্ত হবার স্বপ্নে বিভোর হয়ে স্কুল, কলেজ, গাইড, কোচিং, ব্যাচ, টেস্ট পেপার, টিউশনি, গ্রুপ কোর্স, প্রি টেস্ট, মডেল টেস্ট, শিট, নোটে এত খরচ করেছে যে শিক্ষা খাত এখন দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক খাতগুলোর একটি।

শিশুর ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৭ বছর পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা শিক্ষায় খরচ করে ৯০ দশকের বাবা মায়েদের প্রাপ্তি হলো একটা অশ্বডিম্ব।

হাজার হাজার গ্রামে কোনো ছেলে চাকরি পায় নাই। হাজার হাজার গ্রামে মাত্র ১ জন কি ২ জন চাকরি পেয়েছে। বাকিরা হিংসা করেছে। ভেবেছে এটা ওর কপালের দোষ অথবা সে ভালো করে পড়ে নাই। তাই আবার একই জুয়া। এবার নিজের ছেলের পিছনে আবার ২০ লাখ খরচ কর। কিন্তু স্কুল, কোচিং, ব্যাচ, ভারী ব্যাগ দিয়ে সন্তানের শৈশবের সর্বনাশ করার পরেও রেজাল্ট সেইম। ছেলেও লুজার হইছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও চাকরি হয় না।

বাই ২০১০ সাল, দুই জেনারেশনের লাইফ নষ্ট করার পর গ্রামগুলো শিখেছে যে পড়াশোনা করে কোনো লাভ হয় না। এই পড়ালেখা জিনিসটা স্ক্যাম।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই স্ক্যাম তৈরি করল কে?

সমস্যা শুধু কোচিং সেন্টার না। কোচিং তো একটা উপসর্গ। আসল রোগ হলো এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা, যার উদ্দেশ্য মানুষ গড়া নয়, বরং শ্রমবাজারের জন্য উপযুক্ত কর্মচারী তৈরি করা।

এই শিক্ষাব্যবস্থা শুরু থেকেই শিক্ষার্থীকে শেখায় না কেন সে পড়বে, কার জন্য পড়বে, সমাজে তার ভূমিকা কী হবে। তাকে শেখানো হয় পরীক্ষার জন্য পড়তে, সার্টিফিকেটের জন্য পড়তে, চাকরির জন্য পড়তে। ফলে সার্টিফিকেট যখন চাকরি দিতে পারে না, তখন পুরো ব্যবস্থার উদ্দেশ্যই ভেঙে পড়ে।

এই শিক্ষা আলাদা, অর্থনীতি আলাদা, রাষ্ট্র আলাদা, নৈতিকতা আলাদা। ফলে একজন শিক্ষার্থী ২০ বছর পড়াশোনা করেও জানে না সমাজ পরিচালনার কোনো চিন্তা, অর্থনীতির কোনো বিকল্প, কিংবা সভ্যতার কোনো দৃষ্টিভঙ্গি। সে শুধু জানে, পরীক্ষায় পাশ করতে হবে এবং কোনোভাবে একটা চাকরি পেতে হবে।

যে রাষ্ট্র নিজেই তার অর্থনীতি বিদেশি ঋণ, আমদানি নির্ভরতা এবং সীমিত চাকরির উপর দাঁড় করিয়ে রেখেছে, সেই রাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থা কখনোই অধিকাংশ মানুষের জন্য অর্থবহ ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারে না। কারণ শিক্ষা এখানে সমাজের প্রয়োজন পূরণের জন্য নয়, বিদ্যমান অর্থনৈতিক কাঠামোর জন্য জনবল তৈরির মাধ্যম।

তাই আজ হাজার হাজার গ্রাজুয়েট বেকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ডিগ্রি উৎপাদন করছে, কিন্তু সমাজের সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম মানুষ তৈরি করছে না।

ফলে মানুষ বুঝে গেছে, ২০ লাখ টাকা খরচ করে ২৫ বছর সার্টিফিকেটের পিছনে দৌড়ানোর চেয়ে ফুড কার্ট দেওয়া ভালো, ব্যাটারি রিকশা কেনা ভালো, বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করা ভালো।

বাংলাদেশের সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিতে টপ চয়েজ একটি ডিপার্টমেন্ট থেকে পাশ করে বের হয়ে আজ দুই বছর পর আমার সহপাঠীদের মধ্যে ৫%ও একটা স্ট্যাবল চাকরি পায় নাই। রাষ্ট্র, বিশ্ববিদ্যালয়, বাজার অর্থনীতি আর শিক্ষাব্যবস্থা তাদের সাথে প্রতারণা করছে। একজন সাধারণ ডিগ্রি কলেজের গ্রাজুয়েটের ভবিষ্যৎ তাহলে কেমন হবে, সেটা অনুমান করাই যায়। তাই অবাক হওয়ার বিষয় ৩৬% শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি, এটা না।

বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত, এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা, যা মানুষের চিন্তা, সমাজ ও জীবনের উদ্দেশ্য নির্ধারণ করতে ব্যর্থ, যা কেবল সার্টিফিকেট উৎপাদন করে কিন্তু অধিকাংশ মানুষের জন্য কোনো বাস্তব ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে না, সেই ব্যবস্থার পরীক্ষায় এখনো ৬৪% শিক্ষার্থী কেন অংশ নিচ্ছে?

-copied

বিখ্যাত ইতিহাসবিদ বার্নার্ড লুইস লিখেছেন—“The disappearance of the Caliphate left a political vacuum in the Islamic worl...
30/06/2026

বিখ্যাত ইতিহাসবিদ বার্নার্ড লুইস লিখেছেন—

“The disappearance of the Caliphate left a political vacuum in the Islamic world.”

“খিলাফত ব্যবস্থার এই রাজনৈতিক শূন্যতার ফলে বহিঃশক্তির প্রভাব মুসলিম দেশগুলোতে আরও বৃদ্ধি পায়।”

রাষ্ট্র যখন জন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, জনগণের উপর অত্যাচার, খুন - ধর্ষণ - চাঁদাবাজি - জুলুমের শাস্তি কার্যকর করত...
26/06/2026

রাষ্ট্র যখন জন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, জনগণের উপর অত্যাচার, খুন - ধর্ষণ - চাঁদাবাজি - জুলুমের শাস্তি কার্যকর করতে পারে না তখন বিক্ষুদ্ধ জনতা সরকারের উপর পরিপূর্ণ আস্থা হারায়।

অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখতে, নিজেদের জুলুমের কবল থেকে মুক্ত করতে নিপীড়িত জনগণই তখন প্রতাবাদী হয়ে উঠে আর অন্যায় জানার পরেও অপরাধীদের শাস্তি প্রদান নিজের হাতেই তুলে নেয়।

পাবলিক জাস্টিস এভাবে রাষ্ট্রীয় জাস্টিস কে রিপ্লেস করে নিচ্ছে সময়ের সাথে সাথে!
লক্ষীপুরে ঘরে ঢুকে এক মুসলিম পরিবারের মা এবং তিন মেয়েকে কু পিয়ে হ ত্যা করেছে এক হি/ন্দু যুবক।

আজকের তরুণ প্রজন্ম ক্লান্ত-বিধ্বস্ত! তারা কি আসলেই এক আমূল পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত?তবে এই চরম ক্লান্তির মাঝেও আশার আলো ...
24/06/2026

আজকের তরুণ প্রজন্ম ক্লান্ত-বিধ্বস্ত! তারা কি আসলেই এক আমূল পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত?

তবে এই চরম ক্লান্তির মাঝেও আশার আলো উঁকি দিচ্ছে। উৎসবে ইয়োগা, ব্রিদিং সেশন, নাচ, চিত্রকলা এবং মেডিটেশনের মতো আয়োজনগুলোর প্রতি শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া আগ্রহ দেখা গেছে; অনেক শিক্ষার্থীই জানিয়েছেন যে এখন থেকে তারা নিজেদের মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে চান।

ক্যাম্পাসগুলোতে Yoga, Therapeutic Dancing, Mindfulness sessions এবং Therapy মূলত ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রমোট করে। এখানে বারবার বলা হয় Fix your own mind, Self-care is the priority, Find your inner peace এবং Optimize yourself। এই অনুশীলনগুলো সব সমস্যাকে ব্যক্তিগত চাপ সামলানোর ব্যর্থতা হিসেবে দেখায়। ফলে শিক্ষাব্যাবস্থার নিষ্ঠুর চাপ, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনা এসব গৌণ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীরা নিজের মন শান্ত করার কৌশল শেখে, কিন্তু কেন এই ব্যবস্থা এত খারাপ তা নিয়ে প্রশ্ন করে না। তারা ভাবতে শুরু করে যে সমস্যাটা তাদের নিজের মধ্যেই, যেমন তারা যথেষ্ট মেডিটেশন করছে না বা যথেষ্ট সেল্ফ-কেয়ার করছে না। এতে করে তারা সিস্টেমের দোষ দেখতে ভুলে যায় এবং নিজেকে আরও বেশি চাপ দিতে থাকে।

এভাবে বাণিজ্যিকরণের মাধ্যমে Yoga-ও এই ধরনের অনুশীলনগুলো পুঁজিবাদী বাজারের অংশ হয়ে যায়। Wellness Industry প্রায় ৬.৮ ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে ব্যক্তির একাকীত্ব ও আত্মিক ক্ষুধাকে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করে। বিভিন্ন অ্যাপ, অনলাইন ক্লাস, রিট্রিট প্রোগ্রাম এবং দামি সেশনের মাধ্যমে এই ব্যবসা চলে। এতে community বা higher duty এর বোধ দুর্বল হয়। মানুষ নিজের সুখের জন্যই সবকিছু করে।

এই ব্যক্তিকেন্দ্রিক সমাধানগুলো আস্তে আস্তে Individualism কে আরও শক্তিশালী করে। Individualism ব্যক্তির autonomy, self-interest এবং “personal rights” কে সবার উপরে রাখে। এটি Enlightenment thinkers যেমন Locke ও Mill থেকে এসেছে, যারা বলেছিলেন যে ব্যক্তি স্বাধীনভাবে নিজের জীবন গড়ে তুলবে এবং সমাজ তার পরে। কিন্তু বাস্তবতা পুরো উল্টো। মানুষ আসলে unencumbered self নয়, অর্থাৎ সম্পূর্ণ স্বাধীন ও কোনো বন্ধনহীন সত্তা নয়। মানুষ স্বভাবতই সমাজে বাস করে। একা থেকে কেউ পুরোপুরি সুখী হতে পারে না। Pure individualism এসব বন্ধন ভেঙে atomized individual তৈরি করে, যে নিজের ছাড়া আর কারো কথা ভাবে না। এতে করে মানুষের মধ্যে একাকীত্ব বাড়ে এবং সমাজ দুর্বল হয়ে পড়ে।

যেসব সমাজে Individualism খুব বেশি, যেমন USA ও Western Europe, সেখানে loneliness epidemic, depression, su***de rates এবং mental health crisis অনেক বেশি দেখা যায়। Robert Putnam এর Bowling Alone বইয়ে দেখানো হয়েছে social capital কতটা কমে গেছে, অর্থাৎ মানুষেরা আর একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকে না, শুধু নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। Gen Z এর তীব্র loneliness এর বড় কারণ এই hyper-individualistic culture. Pure self-interest কোনো higher purpose দিতে পারে না। Nietzsche এর God is dead ধারণার পর nihilism এবং hedonism বেড়েছে। Sensual gratification বা material success দিয়ে আত্মিক ক্ষুধা মেটে না। এতে lust man তৈরি হয়, যে শুধু comfort চায়, কোনো transcendence বা sacrifice এর জন্য প্রস্তুত নয়। সে শুধু নিজের সুখের পেছনে ছোটে, কিন্তু জীবনের গভীর অর্থ খুঁজে পায় না। এছাড়া Individualism এর Social ও Political Consequences খুব খারাপ। এটি community solidarity ভেঙে Exploitation সহজ করে। যখন সবাই নিজের জন্য লড়ে, তখন শোষণকারীরা সহজেই সুবিধা নেয়। Family ও social decay ঘটায় — marriage rates ও birth rates কমে যায়, strong communities দুর্বল হয়। Isolated individuals হয় corporation এর consumer বা state এর dependent। এতে soft despotism এর ঝুঁকি বাড়ে, অর্থাৎ মানুষ স্বাধীনতা হারিয়ে রাষ্ট্র বা বড় কোম্পানির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। Extreme self-reliance শুধু একটা myth. বাস্তবে একা কেউ বেঁচে থাকতে পারে না।

ইসলাম মানুষকে বিচ্ছিন্ন একক বা Individual হিসেবে দেখে না, বরং তাকে Ummah বা একটি অবিভাজ্য সামষ্টিক দেহের অংশ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের পবিত্র হাদিসে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ) মুমিনদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়াকে একটি অখণ্ড দেহের সাথে তুলনা করেছেন, যার একটি অঙ্গ অসুস্থ হলে পুরো দেহই অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়। ইসলাম যেখানে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের প্রতিরোধকে সামষ্টিক দায়িত্ব ঘোষণা করেছে, সেখানে বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থা তরুণদের ভেতর থেকে সামষ্টিক ‘We’-এর পজিটিভ বোধটুকুই ধুয়েমুছে সাফ করে দিচ্ছে।

তরুনরা জীবনে যেই Higher purpose খুজছে ইসলাম মানুষকে জীবনের সেই Higher purpose দেয় যেখানে এই দুনিয়ার জীবনটাই শেষ না বরং তাকে তার দায়িত্বের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র সামনে আখিরাতে জবাবদিহিতার জন্যে দাড়াতে হবে। তাই তরুণদের জীবনের চূড়ান্ত ও একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত কোনো ক্ষণস্থায়ী কর্পোরেট ট্রফি নয়, বরং দুনিয়ার বুকে সামষ্টিক ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তার জীবনের Higher purpose বা সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্থাৎ (Ridwanullah) অর্জন করা।

- আবু ইউসুফ

আপনি যদি একদম সাধারণভাবে প্রশ্ন করেন, "একটা বাজেটকে সফল বলবো কখন?" তাহলে উত্তরটা খুব সহজ যদি আপনি বুঝতে চান!বাজেট সফল তখ...
21/06/2026

আপনি যদি একদম সাধারণভাবে প্রশ্ন করেন, "একটা বাজেটকে সফল বলবো কখন?" তাহলে উত্তরটা খুব সহজ যদি আপনি বুঝতে চান!

বাজেট সফল তখনই, যখন মানুষ বাজেটের ঘোষণায় খুশি হয় না, বরং বাজেটের ফল নিজের জীবনে অনুভব করে। তবে এখন যে বাজেট গুলো হয় সেগুলোও জীবনে পরিলক্ষিত হয় কিন্তু নট পজিটিভলি।

কারণ বাজেট আসলে কোনো কাগজের হিসাব না। এটা একটা রাষ্ট্র তার জনগণকে কী দিতে চায়, তার স্পষ্ট ওয়াদা।

এখন প্রশ্ন হলো, কী দেখে বুঝবো বাজেট সফল?
ধরুন সরকার বললো, অর্থনীতি বড় হয়েছে, জিডিপি বেড়েছে, বিনিয়োগ বেড়েছে। কিন্তু একই সময়ে একজন বাবা বাজারে গিয়ে আগের চেয়ে কম জিনিস কিনে বাসায় ফিরছেন। একজন তরুণ চাকরি খুঁজে পাচ্ছেন না। একজন কৃষক উৎপাদন করেও লাভ করতে পারছেন না, পাশের দেশ থেকে হুমকি দিচ্ছে রংপুর আমাদের করতে হবে, নাগরিকদের সিকিউরিটি নাই।

তাহলে সাধারণ মানুষের কাছে এই বাজেটের সাফল্য কোথায়?

মানুষ তো শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়েই বাজেট মাপে।
তাই প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত, এই বাজেট মানুষের মৌলিক প্রয়োজনগুলো কতটা নিশ্চিত করছে?

খাদ্য কি সহজলভ্য হচ্ছে?

চিকিৎসা কি নাগালের মধ্যে আসছে?

শিক্ষা কি সবার জন্য সহজ হচ্ছে?

বাসস্থান কি আরও নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হচ্ছে?

যদি এসব ক্ষেত্রে বাস্তব উন্নতি না আসে, তাহলে বড় বড় অর্থনৈতিক সংখ্যা মানুষের কাছে খুব বেশি অর্থ বহন করে না।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাজেট কার জন্য?

অনেক সময় দেখা যায়, বাজেটের বড় অংশ চলে যায় এমন খাতে যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে খুব কম প্রভাব ফেলে। অথচ যে খাতগুলো মানুষের জীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে, সেগুলো তুলনামূলক কম গুরুত্ব পায়।

তাহলে রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার আসলে কী?
একজন সাধারণ মানুষ?

নাকি কিছু নির্দিষ্ট পুঁজিবাদী গোষ্ঠী?
একটা ভালো বাজেটের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, এটি উৎপাদনকে উৎসাহ দেয়।

শুধু টাকা ধার করে খরচ করলেই উন্নয়ন হয় না।
প্রশ্ন হলো, এই বাজেট কি নতুন সম্পদ সৃষ্টি করবে?
নতুন শিল্প গড়ে তুলবে?

কৃষি, উৎপাদন, প্রযুক্তি কিংবা বাস্তব অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে?

নাকি শুধু ঋণ নিয়ে পুরনো সমস্যাগুলো কিছুদিনের জন্য ঢেকে রাখবে?

কারণ ধার করা টাকা দিয়ে কিছুদিন চললো কিন্তু তারপর?

একসময় সেই ঋণই নতুন বোঝা হয়ে ফিরে আসে।

আরেকটা বিষয় নিয়ে খুব কম আলোচনা হয়।
বাজেটের টাকা আসছে কোথা থেকে?

যদি রাষ্ট্রের আয় বাড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হয় জনগণের উপর নতুন নতুন কর চাপানো, তাহলে সাধারণ মানুষের জীবন আরও কঠিন হয়ে যাবে স্বাভাবিক।

তাহলে রাষ্ট্র কি নিজের সম্পদ, উৎপাদনশীল খাত ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়িয়ে আয় করছে?

নাকি মানুষের পকেট থেকে আরও বেশি টাকা নিয়ে ঘাটতি পূরণ করছে?

একটা সফল বাজেটের বিচার তাই শুধু ব্যয়ের অঙ্ক দেখে হয় না।

আয়ের উৎসও দেখতে হয়।

আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই বাজেট কি সমাজের দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলোর সমাধানের দিকে যাচ্ছে?

নাকি শুধু এক বছরের জন্য কিছু সংখ্যা সুন্দর দেখানোর চেষ্টা করছে?

ধরুন একটি পরিবার আছে। সংসারের আয় কমছে, ঋণ বাড়ছে, খরচ সামলাতে নতুন ঋণ নিতে হচ্ছে। কিন্তু পরিবারের কর্তা ঘোষণা দিলেন, "এবার আমাদের বাজেট আগের চেয়ে বড়।"
এতে কি পরিবারের সমস্যা সমাধান হয়ে গেল?
অবশ্যই না।

রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও একই কথা।

বাজেট বড় হওয়া আর বাজেট সফল হওয়া এক জিনিস নয়।
একটা বাজেটকে সফল বলতে হলে শেষ পর্যন্ত কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হতে হবে।

মানুষের জীবন কি সহজ হয়েছে?

জীবনযাত্রার খরচ কি নিয়ন্ত্রণে এসেছে?

কর্মসংস্থান কি বেড়েছে?

রাষ্ট্রের প্রকৃত উৎপাদনশীল শক্তি কি বৃদ্ধি পেয়েছে?

ঋণের ওপর নির্ভরতা কি কমেছে?

জনগণের মৌলিক প্রয়োজন কি আরও ভালোভাবে পূরণ হয়েছে?
যদি এসব প্রশ্নের উত্তর বাস্তবে ইতিবাচক হয়, তখন বাজেটকে সফল বলা যায়।

আর যদি কাগজে উন্নয়ন থাকে কিন্তু মানুষের জীবনে না থাকে, তাহলে হয়তো নেতাদের পেট বাজেট সফল দেখায়, কিন্তু জনগনের জন্য সফল হয় না।

কারণ শেষ পর্যন্ত বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক কোনো রিপোর্ট না, কোনো পরিসংখ্যান না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো মানুষের বাস্তব জীবন। মানুষ যদি অনুভব করে তার জীবন আগের চেয়ে নিরাপদ, স্থিতিশীল ও স্বস্তিদায়ক হয়েছে, তখনই বলা যায় হ্যাঁ, এই বাজেট সত্যিই সফল।

- M. Mottaqin

সেক্যুলার ব্যবস্থায় ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন - এক অসম্ভব প্রত্যাশা!!! --রিভাইভাল
19/06/2026

সেক্যুলার ব্যবস্থায় ইসলামের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন - এক অসম্ভব প্রত্যাশা!!! --রিভাইভাল

অথচ"পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে মুমিনদের উদাহরণ একটিমাত্র দেহের মতো। যখন দেহের কোনো একটি অঙ্...
17/06/2026

অথচ
"পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে মুমিনদের উদাহরণ একটিমাত্র দেহের মতো। যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন পুরো দেহ জ্বর ও অনিদ্রায় আক্রান্ত হয়।"

বর্তমানে ধর্ম নিরপেক্ষ ব্যবস্থার অবাধ স্বাধীনতা নামক ঘোড়ার ডিমের চর্চার ভুক্তভোগী আসলে কারা হয়? যারা বড়লোক, প্রতিষ্ঠি...
16/06/2026

বর্তমানে ধর্ম নিরপেক্ষ ব্যবস্থার অবাধ স্বাধীনতা নামক ঘোড়ার ডিমের চর্চার ভুক্তভোগী আসলে কারা হয়? যারা বড়লোক, প্রতিষ্ঠিত নারী বা পুরুষ তারা কিন্তু ভুক্তভোগী হয় না বরং প্রান্তিক নারী-শিশু-পুরুষ সহ তুলনামুলক দুর্বল মানব অংশ। সুযোগ সন্ধানিরা ওঁত পেতে থাকে শিকারের আশায়। ফলে এই ব্যবস্থায় ধর্ষণ একটি স্বাভাবিক পরিনতি। তাই এই ব্যবস্থার অধীনে কোন কঠোর আইন বা বিচার তা যদি ইসলাম থেকেও নেয়া হয়, তবু ধর্ষণ কোন ভাবে কমবে না, কমে নাই বরং বাড়ছে এবং বাড়বে। ধর্ষণ মহামারীর উৎস ধর্ম নিরপেক্ষ ব্যবস্থা থেকে যারা সমাধান বের করার চেষ্টা করছে তারা আসলে সত্যিকার ভাবে সমাধান চাইছে না, বরং মানুষের অসহায়ত্ব আর বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে তাদের অজ্ঞতাকে পূঁজি করে এই ব্যর্থ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে চাইছে!

যখন স্টেডিয়ামে আলো জ্বলে, গ্যালারিতে উল্লাস ওঠে— ঠিক তখনই গাজার আকাশে আগুন নামে ।একদিকে বিশ্বকাপের ট্রফি, অন্যদিকে রক্ত...
15/06/2026

যখন স্টেডিয়ামে আলো জ্বলে, গ্যালারিতে উল্লাস ওঠে— ঠিক তখনই গাজার আকাশে আগুন নামে ।
একদিকে বিশ্বকাপের ট্রফি, অন্যদিকে রক্তে ভেজা ধ্বংসস্তূপ।
একদিকে খেলা, বিনোদন, কর্পোরেট উৎসব-
অন্যদিকে শিশুর লাশ, মায়ের আর্তনাদ, ঘরহারা মানুষের নীরব চিৎকার।

When the world cheers,GAZA BURNS.

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Revival - রিভাইভাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share