10 Minute Amal Daily

10 Minute Amal Daily Invest 10 minute for Akhirat.

05/05/2026

আপনি কি জানেন—এমন একটি দোয়া আছে, যা সম্পর্কে বলা হয়েছে: এটি মৃ'ত্যু ছাড়া সব রোগের জন্য শিফা?

ভাবুন তো, যদি এমন একটি আমল থাকে, যা নিয়মিত করলে আল্লাহ আপনার শরীর থেকে রোগের অন্ধকার সরিয়ে দেন! শুধু শরীর নয়—হৃদয়, মন, জীবন—সবকিছুর ওপর নেমে আসে প্রশান্তি। এই দোয়াটি শিখিয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সা.)।

তিনি বলেছেন, কালোজিরায় (হাব্বাতুস সাওদা) আছে মৃ'ত্যু ছাড়া সব রোগের শিফা। আর সেই সাথে অসুস্থতার সময় তিনি আমাদের যে দোয়াটি শিখিয়েছেন, সেটি হলো—
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা রব্বান্ নাস, আযহিবিল বা’স, ইশফি আন্তাশ শাফি, লা শিফা’আ ইল্লা শিফা’উক, শিফা’আন লা ইউগাদিরু সাকামা।

অর্থ:
“হে মানুষের প্রতিপালক আল্লাহ! কষ্ট দূর করে দিন। আপনি শিফা দানকারী। আপনার শিফা ছাড়া আর কোনো শিফা নেই। এমন শিফা দান করুন, যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখবে না।”

একবার ভেবে দেখুন—
এখানে মানুষ ডাকছে না ডাক্তারকে, ডাকছে সেই সত্ত্বাকে যিনি ডাক্তার সৃষ্টি করেছেন। কত মানুষ অপারেশনের টেবিলে যাওয়ার আগে এই দোয়া পড়ে শান্তি পেয়েছে।
কত মা সন্তানের মাথায় হাত রেখে এই দোয়া পড়ে চোখের জল ফেলেছে।

কত অসহায় মানুষ হাসপাতালের বেডে শুয়ে এই দোয়া পড়ে অদৃশ্য সাহস পেয়েছে। রোগ আল্লাহর পরীক্ষা, কিন্তু শিফাও আল্লাহরই দান। চিকিৎসা করা সুন্নাহ, কিন্তু আরোগ্য আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে।

কেন এই দোয়া এত শক্তিশালী?
কারণ এতে আছে তিনটি জিনিস:
১. আল্লাহকে তাঁর গুণে ডাকা — “আশ-শাফি” (শিফা দানকারী)
২. সম্পূর্ণ নির্ভরতা — “আপনার শিফা ছাড়া আর শিফা নেই”
৩. পূর্ণ আরোগ্যের প্রার্থনা — “যাতে কোনো রোগ অবশিষ্ট না থাকে”
তবে মনে রাখতে হবে—
“মৃত্যু” একমাত্র বাস্তবতা, যেখান থেকে কেউ রক্ষা পায় না। রোগ সেরে যেতে পারে, বিপদ কেটে যেতে পারে, কিন্তু নির্ধারিত সময় এলে মৃত্যু আসবেই।
আর তাই এই দোয়া আমাদের শুধু রোগমুক্তির নয়—আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের শিক্ষা দেয়।

আজ থেকেই অভ্যাস করুন— নিজের জন্য পড়ুন।
অসুস্থ কাউকে দেখে পড়ুন। পরিবারের সদস্যের মাথায় হাত রেখে পড়ুন। বিশ্বাস রাখুন— যখন আপনি বলেন “লা শিফা’আ ইল্লা শিফা’উক”… তখন আকাশের দরজাগুলো কাঁপতে থাকে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে শিফা দান করুন।
আমিন।

06/05/2025
নিশ্চয়ই যারা মানুষকে অন্যায় ভাবে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে শাস্তি দিবেন।  --- মুসলিম।
01/10/2024

নিশ্চয়ই যারা মানুষকে অন্যায় ভাবে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে শাস্তি দিবেন। --- মুসলিম।

04/08/2024

এই আমল গুলো করবেন সবাই ইনশাআল্লাহ।
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত নবি (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ‘আয়াতুল কুরসি’ পাঠ করবে, সে ব্যক্তির জন্য তার মৃত্যু ছাড়া আর অন্য কিছু জান্নাত প্রবেশের পথে বাধা হবে না।
সুবাহানাল্লাহ।

জুলুমের ভয়াবহ পরিণামজুলুম একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো নির্যাতন বা অবিচার। সাধারণ অর্থে কাউকে অন্যায়ভাবে শারীরিক, মানসিক,...
01/08/2024

জুলুমের ভয়াবহ পরিণাম

জুলুম একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো নির্যাতন বা অবিচার। সাধারণ অর্থে কাউকে অন্যায়ভাবে শারীরিক, মানসিক, আর্থিক বা যেকোনো পন্থায় অবিচার বা নির্যাতন করাকে জুলুম বলে। তবে জুলুমের সবচেয়ে উত্তম সংজ্ঞা হলো, কোনো কিছু নিজ স্থান বাদ দিয়ে অন্য কোনো স্থানে প্রয়োগ করা বা রাখা।

এই সংজ্ঞাটি ব্যাপক অর্থবহ। সব ধরনের জুলুম এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়।
জুলুম একটি সামাজিক ব্যাধি। সর্বত্র ব্যাপক আকার ধারণ করেছে এটি।

অন্যের ওপর অন্যায় বা অবিচার করে নিজের পতন ও ধ্বংস ডেকে আনে জালিমরা। আপদ-বিপদ ও দুর্যোগ-বিশৃঙ্খলায় আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো জুলুম। তাই আল্লাহ তাআলা সবাইকে তা থেকে নিষেধ করেছেন।
এমনকি আল্লাহ নিজের জন্যও এটিকে হারাম করেছেন।

রাসুল (সা.) হাদিসে কুদসিতে আল্লাহর কথা বর্ণনা করে বলেন, ‘হে আমার বান্দা, আমি নিজের ওপর জুলুম হারাম করেছি এবং তোমাদের জন্যও তা হারাম করেছি। অতএব তোমরা একে অপরের ওপর জুলুম কোরো না।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৭৩৭)
আল্লাহ তাআলা সবাইকে ন্যায়পন্থার নির্দেশ দিয়েছেন। কল্যাণ ও ন্যায়পন্থা হলো মানবজীবনের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ তাআলা তোমাদের ন্যায়পন্থা, অনুগ্রহ ও নিকটাত্মীয়দের হক প্রদানের নির্দেশ দেন এবং অশ্লীল ও নিষিদ্ধ কার্যাবলি থেকে নিষেধ করেন।

’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৯০)
মানুষের অধিকার হরণ করা ও তাদের ধন-সম্পদ আত্মসাৎ করা অনেক বড় জুলুম। এই ধরনের জুলুমের কারণে পুরো পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্ট হচ্ছে। বিত্তবানরা দারিদ্র্য শ্রেণিকে ও ক্ষমতাবানরা সাধারণ লোকের প্রতি হিংসার বশবর্তী হয়ে নির্যাতন, নিপীড়ন করে। ফলে একসময় জালিম বা অন্যায়কারীর জীবনে নেমে আসে নানা বিপদ-আপদ। যারা মানুষের ওপর জুলুম করে এবং প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাদের ব্যাপারে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই যারা মানুষকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাআলা তাদের শাস্তি প্রদান করবেন।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৬১৩)।

পবিত্র কোরআনের অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা জুলুমের ব্যাপারে মানবজাতিকে সতর্ক করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘অচিরেই জালিমরা জানতে পারবে, তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল কোথায় হবে।’ (সুরা : শুআরা, আয়াত : ২২৭)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জালিমরা কখনো সফলকাম হয় না।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৭)

জুলুমের পরিণাম খুবই ভয়াবহ। জুলুম এমন একটি অন্যায় কাজ, যার শাস্তি আল্লাহ তাআলা ইহকালেও দিয়ে থাকেন। জালিমের বিচার শুধু কিয়ামতের দিবসেই হবে না, বরং দুনিয়া থেকেই আল্লাহ তাআলা তাদের জুলুমের প্রতিদান দেওয়া শুরু করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘দুটি পাপের শাস্তি আল্লাহ তাআলা আখিরাতের পাশাপাশি দুনিয়ায়ও দিয়ে থাকেন। তা হলো, জুলুম ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার শাস্তি।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৫১১)

সমাজে বিরাজমান অত্যাচার-অনাচার ও বিশৃঙ্খলা-অস্থিরতার মূল কারণ হলো জুলুম। একে অপরের ওপর নানা রকম অবিচারের ফলে আল্লাহ তাআলা মানুষের ওপর এ বিশৃঙ্খলা চাপিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘জল ও স্থলভাগে যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে তা মানুষের কর্মের ফলস্বরূপ।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ৪১)

মজলুম বা নিপীড়িতের দোয়া কখনো ব্যর্থ হয় না। তাই মজলুমের অশ্রুফোঁটা ও অন্তরের অভিশাপ পতনের অন্যতম কারণ। মজলুমের আর্তনাদের ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে জালিমদের ওপর নেমে আসে কঠিন আজাব। তাদের অধঃপতন ত্বরান্বিত হয়। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর কাছ থেকে ফেরত আসে না। এক. ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া। দুই. ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া। তিন. মজলুমের দোয়া। আল্লাহ তাআলা তাদের দোয়া মেঘমালার ওপরে তুলে নেন এবং তার জন্য আসমানের দরজাগুলো খুলে দেন। মহান রব বলেন, আমার সম্মানের শপথ, কিছুটা বিলম্ব হলেও আমি তোমাকে অবশ্যই সাহায্য করব।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩৫৯৮)

Address

Ibrahimpur
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 10 Minute Amal Daily posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share