22/07/2026
পাওনা টাকা অথবা টাকা ধার নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়মত ফেরত না দিয়ে জুলুম করা আজকাল খুবই কমন বিষয়, আসুন এ সম্পর্কিত কিছু হাদিস জেনে নেই এতে যদি কারো হুশ ফেরে -
‘যে ব্যক্তি ঋণ করার পর মনে মনে সঙ্কল্প করে রাখে যে, সে ওই ঋণ পরিশোধ করবে না, তবে সে আল্লাহর সাথে চোর হয়ে সাক্ষাৎ করবে’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১০)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে সচ্ছল ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করে, তাকে অপমান ও শাস্তি উভয়টিই দেয়া আমার জন্য হালাল’ (নাসায়ি : ৪৬৯০, আবু দাউদ : ৩৬২৮, মুসনাদে আহমাদ: ১৮৯৬২)
"ধনী/সামর্থ্যবান ব্যক্তির ঋণ আদায়ে টালবাহানা করা অন্যায়’ (সহিহ বুখারি : ২২৮৭, মুসলিম : ১৫৬৪, মুয়াত্তা মালেক : ১৩৭৯)।
‘কোনো ব্যক্তি তার হাত দিয়ে যা গ্রহণ করেছে, তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত সে দায়ী থাকবে (তিরমিজি : ১২৬৬, আহমাদ : ১৯৫৮২)
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির আত্মা লটকে থাকে, যতক্ষণ না তার পক্ষ থেকে কেউ সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেয়’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১৩)।এজন্য কেউ মরে গেলে সাথেসাথেই ছেলেমেয়েদের উচিত তার ধার দেনা শোধ করে দেয়া।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি একটি দিনার অথবা দিরহাম ঋণ রেখে মারা যাবে, কিয়ামতের দিন তাকে তার নেকি থেকে সেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। কারণ সেখানে কোনো দিনার ও দিরহাম নেই’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১৪, আহমদ : ৫৫১৯)।
রাসূল সা: বলেন, ‘ঋণ পরিশোধের পাপ ছাড়া শহীদের সব পাপই মাফ দেয়া হবে’ (মুসলিম, মিশকাত : ২৯১২)।
যে ব্যক্তি পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে মানুষের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে, আল্লাহ তায়ালা তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা নেয় বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তায়ালা তাকে ধ্বংস করেন’ (সহিহ বুখারি : ৫৭২)।
সুতরাং জুলুমকারী ভাইয়েরা সতর্ক হউন।সময়মত ধার পরিশোধ করুন।