ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জিহাদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জিহাদ

ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জিহাদ Bangladesh Islami Chhatra Majlis

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রাক্তন দায়িত্বশীল ফোরাম কর্তৃক ১ মে ২০১৬ এ আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য পেশ ক...
02/05/2016

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রাক্তন দায়িত্বশীল ফোরাম কর্তৃক ১ মে ২০১৬ এ আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য পেশ করছেন: (বাম থেকে) প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হাফিজ খসরু, সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আজিজুল হক, সাবেক কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ সোলাইমান, লক্ষ্মীপুর জেলা সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মাস্টার সাইফ উদ্দিন আহমদ, খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও নোয়াখালী জেলা সভাপতি মাওলানা হারুনুর রশিদ, ফেনী জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল হাই, সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা সামছুদ্দিন, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ উদ্দিন খন্দকার, লক্ষ্মীপুর জেলা সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা, নোয়াখালী জেলা সাবেক সভাপতি মাওলানা মোরশেদ আলম মাসুম, সাবেক জেলা সভাপতি জিয়াউর রহমান, কুমিল্লা জেলা সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিস কুমিল্লা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হক আমিনী, ফেনী জেলা সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিস জেলা সেক্রেটারি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

02/03/2014

***সমাজ বিপ্লব : দ্বীন প্রতিষ্ঠার কার্যকরি ও টেকসই প্রকৃয়া****

ইসলামী সমাজ বিপ্লব :
কুরআন-সুন্নাহর উপর ভিত্তি করে সমাজ বিপ্লবের যে রূপরেখা গঠিত হয় তা হচ্ছে ইসলামী সমাজ বিপ্লব। এ বিপ্লবের লক্ষ্য থাকে আল্লাহর দ্বীনকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। সমাজ ও রাষ্ট্রের বিধি-বিধান, মূল্যবোধ, নীতি প্রভৃতির যেখানে সংস্কার প্রয়োজন সেখানে সংস্কার করা কিংবা যেখানে আমূল পরিবর্তন সাধিত করে পরিপূর্ণ কোরআন-সুন্নাহর ছাঁচে ঢেলে সাজানো দরকার প্রয়োজনে তা সম্পন্ন করাই হচ্ছে ইসলামী সমাজ বিপ্লবের সফলতা।

সমাজ ও রাষ্ট্রের এমন কোন উপাদান (Instrument) কিংবা প্রতিষ্ঠান বাকী নেই যা এ বিপ্লবী প্রকৃয়ার আওতায় পড়ে না। তাই ইসলামী সমাজ বিপ্লব হচ্ছে সর্বব্যাপি এক বিপ্লব। সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ স. সহ সকল নবী আ.ও সমাজ বিপ্লবের কাজ আঞ্জাম দিয়েছিলেন। নবী আ: গণের সংস্কার প্রকৃয়ার প্রাথমিক প্রচেষ্টা ছিল ঐশী নির্দেশনা, নৈতিক শিক্ষা ও পরিশোধনের মাধ্যমে ব্যক্তির আত্মিক উন্নয়ন, বিশ্বাস ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন সাধন করা।

সমাজ সংস্কারের এ বিষয়টি কোরআনে এভাবে এসেছে,
“আল্লাহ মুমিনদের প্রতি দয়াপরবশ হয়ে তাদেরই জন্য তাদের মধ্য থেকে একজনকে রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন। যিনি তাদেরকে আল্লাহর আয়াত সমূহ পড়ে শোনাবেন, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন এবং কিতাব ও প্রজ্ঞা শিক্ষা দিবেন। যার পূর্বে তারা (মুমিনগণ) স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে নিপতিত ছিল।” (আল ইমরান : ১৬৪)

মহান রাব্বুল আলামীন অসংখ্য নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন মানুষের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ সাধনের জন্য, এর মধ্যে মুহাম্মদ স. ছিলেন সর্বশেষ রাসূল। তাঁর নবুয়াতি মিশন শুধুমাত্র মক্কার শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিষ্ঠা ছিল না। সেখানে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ব্যক্তি পুনর্গঠন তথা ঈমান, তাকওয়া এবং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনের যোগ্যতাসম্পন্ন পরিপূর্ণ একদল মানুষ গড়ে তোলা। যারা সুবিধাজনক সময়ে এমন একটি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করবেন অর্থ্যাৎ বিপ্লব সংঘটিত করবেন যেখানে আল্লাহর বিধান নিরংকুশভাবে কার্যকর হবে, কোন শক্তি থাকবে না (থাকলেও তার যেকোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ ও বিজয় অর্জ ন করেই তবে ক্ষান্ত হবে) আল্লাহর বিধান কার্যকরে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ব্যক্তি ও সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ও অন্ধকার অলি-গলিতে এ বিপ্লবের যেমন স্পন্দন ছড়িয়ে পড়ে তেমনি রাষ্ট্রের সংবিধান, আইন ও বিচার এবং নির্বাহী বিভাগেও এ বিপ্লবের অগ্নিস্ফুরণ ঘটে। এ বিপ্লব দ্বীন প্রতিষ্ঠার কার্যকরি ও টেকসই প্রকৃয়া। এ বিপ্লবকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস দুনিয়ার কোন শক্তির থাকে না। কারণ বিপ্লবের আওয়ায সমাজের তৃণমূল থেকে আসে যা ক্রমান্বয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিপ্লবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতিনিধিত্ব থাকে। বিপ্লবের নেতৃত্ব থাকে দ্বীনি জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও তাকওয়ায় পারদর্শী ব্যক্তিত্বের হাতে।

02/03/2014

***সমাজ বিপ্লব : দ্বীন প্রতিষ্ঠার কার্যকরি ও টেকসই প্রকৃয়া****

বিপ্লব ও সংস্কার :
সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিপ্লবী প্রকৃয়া নাকি সংস্কার প্রকৃয়া অবলম্বন করা হবে তা নিয়েও সংস্কারবাদী ও বিপ্লবীদের মাঝে তাত্ত্বিক ফারাক রয়েছে। তবে দু’টোর মধ্যে বেশকিছু মৌলিক পার্থক্য থাকলেও দু’টোর সমন্বয়েই একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব সাধিত হতে পারে। বিপ্লবের মৌলিক লক্ষ্য হচ্ছে সমাজ ব্যবস্থার বাহ্যিক স্তর বিশেষত রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন সাধন করা। যেখানে সংস্কার প্রকৃয়ার প্রধান লক্ষ্য থাকে ভিতরের স্তর- মানুষের ব্যক্তিগত আচরণ ও চেতনা পরিবর্তন সাধন। যেখানে সংস্কার প্রকৃয়া হচ্ছে আংশিক এবং ক্রমশ পরিবর্তনের ধারা সেখানে বিপ্লব হচ্ছে তার যৌগিক ও আকষ্মিক বহি:প্রকাশ। সংস্কার প্রকৃয়া অপরের প্রতি উদ্বেগ ও কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে পরিচালিত হয়। কিন্তু বিপ্লবী প্রকৃয়ায় সাধারণত ঘৃণা বা প্রতিশোধের স্পৃহা বহি:প্রকাশ ঘটানো হয়।

25/02/2014

***সমাজ বিপ্লব : দ্বীন প্রতিষ্ঠার কার্যকরি ও টেকসই প্রকৃয়া****

সমাজ বিপ্লব কীঃ
মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি হান্টিংটনের মতে, সমাজ বিপ্লব হচ্ছে সমাজের প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধ ও কুসংস্কার, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সামাজিক কাঠামো, নেতৃত্ব এবং সরকারের কর্মক্রম ও নীতির দ্রুত, মৌলিক এবং অন্তর্ঘাতমূলক পরিবর্তন।

মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী থোডা স্কোকপলের মতে, সমাজ বিপ্লবকে চিহ্নিত করা যায় আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের দ্রুত ও বুনিয়াদি পরিবর্তন এবং বড় এক শ্রেণী অভ্যুত্থান হিসেবে।

এ থেকে বোঝা যায় সামরিক অভ্যুত্থান, গেরিলা যুদ্ধ, বিদ্রোহ, প্রতিরোধ এবং সমাজ ও উদার বিপ্লব সমাজ বিপ্লবের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক।

ইউরোপীয় আধুনিক সমাজ বিজ্ঞানী পিটার সোডারলান্ড বলেন, সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শুধু এলিট শ্রেণীর অভ্যুত্থান ঘটানো যায়, তৃণমূল বিপ্লব সাধিত হয় না। গেরিলা যুদ্ধ হচ্ছে অন্য বিষয় কিন্তু খুব দ্রুত।

আধুনিক সমাজ বিজ্ঞানী লিচবেছ বলেন, বিদ্রোহ কিংবা প্রতিবাদ কোনটাই আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বুনিয়াদি কিংবা মৌলিক পরিবর্তন সাধিত করতে পারে না।

মার্কিন সমাজ বিজ্ঞানী জোশুয়া একারমেন বলেন, উদার বিপ্লবের লক্ষ্য হচ্ছে সমাজ বিপ্লবের চেয়ে ভিন্ন, সেখানে সাধারণত বড় ধরণের শ্রেণী উত্থান ঘটে না।

ইরানী সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, যখন কোন সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক তার জনগণের উপর মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার ও নির্যাতন শুরু করে তখনই সমাজ বিপ্লব প্রয়োজন হয় পড়ে।

25/02/2014

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
****সমাজ বিপ্লব : দ্বীন প্রতিষ্ঠার কার্যকরি ও টেকসই প্রকৃয়া****

বিপ্লব বা রিভোল্যুশন কিংবা ইনকিলাব তিনটি ভাষার তিনটি বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ। যুগে যুগে দেশে দেশে সমাজ কিংবা রাষ্ট্র কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এ শব্দাবলী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এর বিভিন্ন প্রতিশব্দও রয়েছে, যেমন: বিদ্রোহ, উত্থান, অভ্যুত্থান প্রভৃতি।

বিপ্লব হচ্ছে একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আমূল পরিবর্তন যা অপেক্ষাকৃত স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সংঘটিত হয়। বিপ্লবের মাধ্যমে একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি, অর্থনীতি, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বড় ধরণের পরিবর্তন সাধিত হয়। গ্রীক দার্শনিক এরিস্টটলের মতে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিপ্লব দু’ধরণের ঘটে :
১. একটি সংবিধান কিংবা শাসনতন্ত্রের আমূল পরিবর্তন
২. বর্তমান সংবিধান সংশোধন
রাশিয়ান সমাজতান্ত্রিক ভ্লাদিমির লেনিনের মতে, বিপ্লব হচ্ছে একটি নতুন সামাজিক ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বঞ্চিত-নিপীড়িতদের উৎসব।

25/02/2014

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
পরম করুণাময় আল্লাহর নামে শুরু

Address

Dhaka University
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জিহাদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ইসলামী সমাজ বিপ্লবের জিহাদ:

Share