ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদ

ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদ মানবতার কল্যাণে নিবেদিত অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদ 'ঢাকা মহানগর অফিশিয়াল পেইজে আপনাকে স্বাগত। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন।

24/05/2026

পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে যা বললেন হেযবুত তওহীদের ইমাম।

23/05/2026

রামিসা ঘটনায় সরকার পদত্যাগ করলেই কি সমাধান হবে? কী বললেন ইমাম সেলিম?

23/05/2026

শায়খ আহমাদুল্লাহর এই কথার সাথে একমত হলেন মাননীয় এমাম।

শিশু নির্যাতন ও সামাজিক অবক্ষয়: সাময়িক ক্ষোভ নয়, চাই আমূল পরিবর্তন।আজকের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিবেকবান প্রতিটি মানুষ স্ত...
22/05/2026

শিশু নির্যাতন ও সামাজিক অবক্ষয়: সাময়িক ক্ষোভ নয়, চাই আমূল পরিবর্তন।
আজকের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিবেকবান প্রতিটি মানুষ স্তম্ভিত, ক্ষুব্ধ ও চরমভাবে শঙ্কিত। সাত বছরের শিশু রামিসা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক অবোধ শিশুর ওপর যে পাশবিক নির্যাতন, ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, তা কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ হতে পারে না। এই পৈশাচিকতার বিরুদ্ধে আজ দেশজুড়ে যে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে, তার সাথে আমরা সম্পূর্ণ একাত্মতা প্রকাশ করি এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই।
কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন আজ আমাদের নিজেদের বিবেকের কাছে করা দরকার—কেবল একটি ঘটনার পর সাময়িক বিক্ষোভ বা মিছিল কি এই ব্যাধির স্থায়ী সমাধান দিতে পারছে?
বাস্তবতা হলো, রামিসা হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশের কোথাও না কোথাও আরেকটি শিশু একই নির্মমতার শিকার হচ্ছে। বিগত মাত্র কয়েক মাসেই শত শত কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, প্রাণ হারিয়েছে অনেকে। অতীতেও তনু বা নুসরাত হত্যাকাণ্ডের সময় পুরো দেশ এভাবে ফুঁসে উঠেছিল, কিন্তু আজ অপরাধের গ্রাফ কমেনি, বরং জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।
তাহলে গলদটা আসলে কোথায়?
অনেকে এই জাতীয় অপরাধকে কেবল ‘কোনো মাদকাসক্ত বা বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন কাজ’ বলে এড়িয়ে যেতে চান। কিন্তু সমাজজুড়ে ঘরে ঘরে কেন এত মাদকাসক্ত তৈরি হচ্ছে? কেন পারিবারিক বন্ধন আজ ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে? কেন আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা এবং সামাজিক কাঠামো ক্ষমতার দাপট আর সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে?
এর ওপর যুক্ত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার লাগামহীন অপব্যবহার। সুস্থ বিনোদন বা যোগাযোগের পরিবর্তে আজ সস্তা ভিউ আর অর্থ উপার্জনের জন্য অশ্লীল ও বিকৃত কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার নৈতিকতার মেরুদণ্ড ধসিয়ে দিচ্ছে।
মানুষের মন থেকে লোকলজ্জা, ভব্যতা ও খোদাভীতি বিলুপ্তির পথে। এমন এক চরম নৈতিক ধসের যুগে আজ ধর্মও যেন কেবল বাহ্যিক লেবাস, আনুষ্ঠানিকতা আর লোকদেখানো ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। মসজিদগুলো লোকে লোকারণ্য হচ্ছে, ওয়াজ-মাহফিল হচ্ছে, অথচ সমাজ থেকে অন্যায়, অবিচার, ঘুষ, দুর্নীতি আর পৈশাচিকতা দূর হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি অবিকল আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সেই বিখ্যাত ভবিষ্যদ্বাণীর কথাই মনে করিয়ে দেয়, যেখানে তিনি বলেছিলেন—এমন এক সময় আসবে যখন ইসলামের শুধু নাম থাকবে, কোরআনের শুধু অক্ষর থাকবে, মসজিদগুলো জমকালো হবে কিন্তু সেখানে হেদায়েত বা প্রকৃত আলো থাকবে না।
ইতিহাস সাক্ষী, প্রাক-ইসলামী আরবের জাহেলি সমাজে যখন কোনো মানুষের তৈরি সংবিধান বা রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিল না, মানুষ যখন কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দিত এবং বর্বরতায় লিপ্ত ছিল, তখন মহান আল্লাহর দেওয়া সত্য জীবনবিধান তথা 'দীনুল হক' কায়েমের ফলেই সেই সমাজ পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে শান্তিময় ও অনুকরণীয় সমাজে পরিণত হয়েছিল।
আজ আমরা তথাকথিত আধুনিক যুগে বাস করেও কন্যাসন্তানের নিরাপত্তা দিতে পারছি না। এর একমাত্র কারণ—আমরা আল্লাহর দেওয়া চিরন্তন ও শাশ্বত জীবনবিধান বাদ দিয়ে মানুষের তৈরি ত্রুটিপূর্ণ ও ব্যর্থ ব্যবস্থার পেছনে ছুটছি। এই মানবসৃষ্ট ব্যর্থ সিস্টেম বা আইন দিয়ে সাময়িক জোড়াতালি দেওয়া সম্ভব, কিন্তু মানুষের হৃদয়ের পরিবর্তন বা সমাজের আমূল সংস্কার সম্ভব নয়। এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি, অন্যায়, অবিচার এবং পাশবিকতা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো—মানবসৃষ্ট স্বার্থান্বেষী ব্যবস্থার চর্চা ত্যাগ করে সকলে মিলে আল্লাহর দেওয়া সত্য জীবনবিধান তথা ‘দীনুল হক’ কায়েম করা।
এই আদর্শিক লক্ষ্য এবং সমাজ থেকে সমস্ত প্রকার অন্যায়-অবিচার, জুলুম ও শোষণ নির্মূল করতেই হেযবুত তওহীদ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিরলস ও নিঃস্বার্থভাবে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। হেযবুত তওহীদ বিশ্বাস করে, কেবল আইন প্রয়োগ করে বা রাস্তায় নেমে সাময়িক ক্ষোভ প্রকাশ করে সমাজে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, যতক্ষণ না মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ও আদর্শিক পরিবর্তন ঘটে। ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানবজাতির কল্যাণ এবং সমাজে প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য হেযবুত তওহীদ কাজ করে যাচ্ছে। আসুন, কেবল সাময়িক হুজুগে গা না ভাসিয়ে, সমাজের এই পচনশীল ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে আল্লাহর দেওয়া সত্য আদর্শের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হই। তবেই সুরক্ষিত থাকবে আমাদের সন্তান, তবেই শান্তিময় হবে আমাদের সমাজ।

#শিশু_নির্যাতন_বন্ধ_হোক।
#সামাজিক_অবক্ষয়
#স্থায়ী_সমাধান।
#হেযবুত_তওহীদ।

22/05/2026

রামিশা হত্যাকাণ্ড নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিলেন হেযবুত তওহীদের ইমাম

২০১৬ সালের ১৪ই মার্চ, সোনাইমুড়িতে মাননীয় এমামের বাড়িতে মসজিদ নির্মাণকাজ চলছিল। ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী চারদিকে গুজব রটিয়...
21/05/2026

২০১৬ সালের ১৪ই মার্চ, সোনাইমুড়িতে মাননীয় এমামের বাড়িতে মসজিদ নির্মাণকাজ চলছিল। ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী চারদিকে গুজব রটিয়ে দেয় যে এখানে গির্জা নির্মাণ হচ্ছে। বলা হতে থাকে, “চলো, ভেঙে ফেলতে হবে।” কিছুক্ষণ পরই মিছিল শুরু হয়। মিছিলে স্লোগান দেওয়া হয়, “খ্রিস্টান মারো, গির্জা ভাঙো।” হাজার হাজার উগ্রবাদী, ধর্মান্ধ, মব সৃষ্টিকারী ও ধর্মব্যবসায়ী লাঠি, সোটা, ক্রিস রড ইত্যাদি নিয়ে হামলা চালায়।
মসজিদ নির্মাণ করতে আসা দুই সদস্য, ইব্রাহিম রুবেল ও সোলায়মান খোকনকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করা হয়। এরপর লাশের ওপর উল্লাস করে পেট্রোল ঢেলে মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
সেই ঘটনায় নোয়াখালী কোর্টে মামলা হলেও আজ পর্যন্ত কোনো আসামিকে একদিনের জন্যও রিমান্ডে আনা হয়নি। সন্তানের হত্যাকারীদের বিচার চাইতে চাইতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শামসুদ্দিন সাহেব অফিসে অফিসে, থানায় থানায়, আদালতের বারান্দায়, গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে, প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন জায়গায় ১০টি বছর কাটিয়েছেন। কিন্তু সন্তানের খুনিদের বিচার হয়নি।
অবশেষে আজ তিনি মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন। আমরা শুধু বলতে চাই— এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হবেই হবে, ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ, তুমি শামসুদ্দিন চাচাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করো। যিনি তাঁর যুবক সন্তানকে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কোরবানি করেছেন। যেমনভাবে ইব্রাহিম (আ.) তাঁর সন্তানকে আল্লাহর জন্য কোরবানি করতে নিয়েছিলেন। আল্লাহ, তুমি তাঁর এই কোরবানির উসিলায় সর্বোচ্চ জান্নাত দান করো। আমিন।

20/05/2026

আলেম-ওলামাদের কাছে হেযবুত তওহীদ আসলে কী চায়? এই প্রশ্নের উত্তরে যা বললেন হেযবুত তওহীদের গাজীপুর মহানগরীর আমির -

19/05/2026

আপনারা কেনো ইসলামিক রাষ্ট্র চাচ্ছেন- প্রশ্নের জবাবে যা বললেন হেযবুত তওহীদের উত্তরা জোনের সভাপতি

18/05/2026

হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরামের মূল উদ্দেশ্য কি - প্রশ্নের জবাবে যা বললেন হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরাম এর সভাপতি রাদুল ইসলাম

17/05/2026

হেযবুত তওহীদ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নারীরা কি সত্যিকারের নিরাপত্তা ও স্বস্তির পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারবে?
এ বিষয়ে হেযবুত তওহীদের একজন নারী সদস্যের মতামত তুলে ধরা হয়েছে।

15/05/2026

একজন ছাত্র হিসাবে হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরামের সভাপতি কেমন রাষ্ট্র ব্যবস্থা চান, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি যা বললেন —

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ঢাকা মহানগর হেযবুত তওহীদ:

Share