Colorful life

Colorful life "A Muslim who plants a tree or sows a field, from which man, birds and animals can eat, is committing an act of charity." (Muslim)

“Keep away from prohibited things and you will be among the best of worshippers.”

01/10/2026

الْهَاكُمُ التَّكَاتُرُ . حَتَّى زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ - ثُمَّ كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ الْيَقِينِ - لَتَرَوْنَ الْجَحِيمَ . ثُمَّ لَتَرَوْنُهَا عَيْنَ الْيَقِينِ - ثُمَّ لَسَأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ

উচ্চারণ: আলহাকুমুত তাকাসুর। হাত্তা যুরতুমুল মাকাবির। কাল্লা সাওফা তা'লামুন। সুম্মা কাল্লা সাওফা তা'লামুন। কাল্লা লাও তা'লামুনা ইলমাল ইয়াকীন। লাতারাওউন্নাল জাহীম। সুম্মা লাতারাওউন্নাহা আইনাল ইয়াকীন। সুম্মা লাতুসআলুন্না ইয়াওমাইযিন আনিন না'ঈম।

"বেশী পাওয়ার প্রতিযোোগিতা তোমাদের গাফেল করে রেখেছে। যতক্ষণ না তোমরা কবরে পৌঁছে যাও। কখনো না! শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। আবারো বলছি, কখনো না! শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। কখনো না! যদি তোমরা নিশ্চিত জ্ঞানে জানতে! তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে। অবশ্যই তোমরা তা চোখের দেখায় দেখবে। অতঃপর সেদিন তোমাদের প্রতিটি নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।"

(সূরা তাকাসুর: ১-৮)

31/05/2026
18/02/2026

সূরা আরাফ :

আরাফে একটা ইন্টারেস্টিং ফেক্ট পেলাম

ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি যে

আখিরাতের পরিণাম হলো বাইনারি

হয় জান্নাত নয় জাহান্নাম

অথচ এই সুরার মাধ্যমে আমাদের জানানো হলো যে

না!

জান্নাত আর জাহান্নামের মাঝামাঝিও আরেকটা লোকেশন আছে

লোকেশনটার নাম আরাফ!

এই জায়গার নাম অনুসারেই এই সূরার নাম করন

"আরাফ" হবে তাদের জন্য

যারা এতটাও ভালো কাজ করেনি যেঁ জান্নাতের টিকেট পেয়ে যাবে

আবার এতটাও খারাপ কাজ করেনি যেঁ জাহান্নামে যেতে হবে

এ যেন মিডেল ক্লাসদের চরণ ভূমি!

এই আরাফবাশি সবসময়ই আশায় থাকবে যে

তাদেরকে যেন কোন না কোন সময় জান্নাতে আপগ্রেড করা হয়. [১]

এই আরাফ ছাড়াও হাশর আরেকটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট আমাদের অনেকেরই অজানা

আর সেটা হলো কান্তারা!

আমরা মনে করি

"কোনো রকমে পুলসিরাত পার হইতে পারলেই বাঁচি!"

ভুল!

পুলসিরাত পার হতে পারলেই জান্নাত নয়

পার হতে পারলে অপেক্ষা করবে মুমিনদের জন্য ফাইনাল পরীক্ষা।

হাশরের দিনে বিশাসীদের বিচার হবে দু বার

এক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পূর্বে

আরেক বার হবে সিরাত পার হওয়ার পরে

জি ঠিকই শুনেছেন

পূর্বের বিচার হবে

"স্রষ্টার হক নষ্ট করার বিচার"

আর পরের বিচার হবে

"বান্দার হক নষ্ট করার বিচার"

আর যে জায়গাটায় বিচারটি হবে

সেই জায়গাটির নামই হলো "কান্তারা"

আল-কান্তারাহ হলো সিরাতের পর আরেকটি ছোট সিরাত

বিস্বাসীগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে

তারা এই কান্তারার উপর দিয়েই প্রবেশ করবে

এবং স্রষ্টা এই কান্তারার উপরেই মুমিনদের মধ্যকার আন সেটেলড ইস্যুস গুলো রিসোলভ করবেন [২]

কল্পনা করুন,

একজন ব্যক্তি আল-কান্তারাহ-তে জান্নাতের দরজার অলমোস্ট দ্বারপ্রান্তে

অথচ সে সেথায় ঢুকতে পারছে না

কারণ তার সব সৎকর্মগুলো যা নিয়ে নিয়ে সে বড়াই করতো সব শেষ

উলটো তাকে জাহান্নামে টেনে নিয়ে হচ্ছে

সেই হতোভাগাকে আপনি তখন কী বলবেন?

আমার রাসুল স: অবশ্য সেই হতভাগা কে ডিফাইন করেছেন "মুফলিস" হিসেবে

"মুফলিস" অর্থ হলো দেউলিয়া বা ব্যাংকরপ্টড

রাসূল স: বলেছেন

“তোমরা কি জানো , কে আসল দেউলিয়া?”

সাহাবারা উত্তর দেন

“যার কাছে অর্থ বা সম্পদ কিছুই নেই সে ইয়া রাসূলুল্লাহ?”

রাসূল স: বললেন

“না! আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া হচ্ছে সেই ব্যক্তি

যেই ব্যক্তি কিয়ামতের দিনে অনেক নামাজ, অনেক রোজা ও অনেক সদকা নিয়ে উপস্থিত হবে

অথচ সে দেখতে পাবে যে

সে ঐ দিনে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে কারণ জীবদ্দশায়

সে অন্যদের গালি দিয়ে বেড়াতো

অন্যদের অপবাদ দিয়ে বেড়াতো

অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াতো

অন্যের রক্তপাত ঘটিয়ে বেড়াতো এবং

অন্যকে প্রহার করে বেড়াতো

আজ তার সব সৎকর্মগুলো ভুক্তভোগীদেরকে ট্র্যান্সফার করে দিতে হচ্ছে

শুধু তাই না

যদি তার ভালো কাজগুলো ক্ষতিপূরণ গুলোকে কভার করতে না পারে

তাহলে তাদের পাপ গুলোও তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে

এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” [৩]

তাই বলছি

আপনার যারা নামাজ রোজা সাদাকার পাশাপাশি

আপনার মুখের স্পিচ দিয়ে অন্যদের কষ্ট দিয়ে বেড়াচ্ছেন

কিংবা আমল দিয়ে অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করে বেড়াচ্ছেন

তাদের জন্য একটাই কথা

দেখা হবে বন্ধু

দেখা হবে কান্তারায়!

24/01/2026

গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ১৭/ ব্যবসা-বাণিজ্য (كتاب البيوع)
হাদিস নম্বরঃ ৩৩২৬

১. ব্যবসায় কসম ও অহেতুক কথার সংমিশ্রন

৩৩২৬। কায়িস ইবনু আবূ গারাযাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আমাদের (ব্যবসায়ীদের) সামাসিরাহ (দালাল সম্প্রদায় বলা হতো)। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদেরকে এই নামের চেয়ে অধিক সুন্দর নাম দিলেন। তিনি বললেনঃ হে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়! ব্যবসায়িক জাজে বেহুদা কথাবার্তা এবং অপ্রয়োজনীয় শপথ হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা ব্যবসার পাশাপাশি সাদাকাহ করে তাকে ত্রুটিমুক্ত করো।[1]

Narrated Qays ibn AbuGharazah: In the time of the Messenger of Allah (ﷺ) we used to be called brokers, but the Prophet (ﷺ) came upon us one day, and called us by a better name than that, saying: O company of merchants, unprofitable speech and swearing takes place in business dealings, so mix it with sadaqah (alms).

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي غَرَزَةَ، قَالَ: كُنَّا فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نُسَمَّى السَّمَاسِرَةَ فَمَرَّ بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمَّانَا بِاسْمٍ هُوَ أَحْسَنُ مِنْهُ، فَقَالَ: يَا مَعْشَرَ التُّجَّارِ، إِنَّ الْبَيْعَ يَحْضُرُهُ اللَّغْوُ وَالْحَلْفُ، فَشُوبُوهُ بِالصَّدَقَةِ صحيح [1]. সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১৪৫)।

19/11/2025

এক রাতে জালালউদ্দিন রুমি (রহ.) তাঁর শিক্ষক শামসুদ্দিন তাবরিজিকে নিজের ঘরে আমন্ত্রণ জানালেন।

মুরশিদ শামসুদ্দিন আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন এবং রুমির ঘরে এলেন।

সব খাবার প্রস্তুত হওয়ার পর শামস রুমিকে বললেন: তুমি কি আমাকে পানীয় দিতে পারবে? (মানে মদ/আলকোহল)।

রুমি এটা শুনে বিস্মিত হলেন: কী! শিক্ষকও কি পান করেন?

হ্যাঁ – শামস উত্তর দিলেন।

রুমি তখনো অবাক হয়ে বললেন: দুঃখিত, আমি এটা জানতাম না।

এখন জেনে গেলে। সুতরাং ব্যবস্থা করো।

এমন রাতে আমি কোথা থেকে মদ আনবো?

তোমার কোনো দাসকে পাঠিয়ে দাও কিনতে।

আমার দাসদের সামনে আমার মানসম্মান নষ্ট হয়ে যাবে।

তাহলে তুমি নিজেই বের হয়ে কিনে আনো।

সারা শহর আমাকে চেনে। আমি কীভাবে মদ কিনতে বাইরে যাব?

যদি সত্যিই তুমি আমার শাগরেদ হও, তবে আমাকে যা চাই তা এনে দাও। মদ ছাড়া আজ রাতে আমি খাব না, কথা বলব না, ঘুমাতেও পারব না।

শিক্ষকের প্রতি ভালবাসা থেকে রুমি শেষমেশ তাঁর চাদর পরলেন, ভেতরে একটি বোতল লুকালেন এবং খ্রিস্টান পাড়ার দিকে রওনা দিলেন।

যতক্ষণ তিনি মুসলিম পাড়ায় ছিলেন, কেউ কিছু ভাবেনি। কিন্তু খ্রিস্টান এলাকায় ঢুকতেই কিছু লোক অবাক হয়ে তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করল।

তারা দেখল, রুমি একটি মদের দোকানে ঢুকলেন। তাঁকে দেখা গেল একটি বোতল কিনলেন এবং পরে সেটা চাদরের নিচে লুকিয়ে বের হলেন।

লোকেরা তাঁকে অনুসরণ করতে থাকল, আর ভিড় বাড়তে লাগল। অবশেষে রুমি শহরের জামে মসজিদের সামনে এসে পৌঁছালেন, যেখানে তিনি ইমামতি করতেন।

হঠাৎ ভিড়ের একজন চিৎকার করে উঠল: “হে মানুষ! শেখ জালালউদ্দিন রুমি, যিনি প্রতিদিন তোমাদের নামাজে ইমামতি করেন, তিনি এখনই খ্রিস্টান এলাকায় গিয়ে মদ কিনেছেন!”

সে লোকটি রুমির চাদর সরিয়ে দিল। সবাই দেখল তাঁর হাতে একটি বোতল।
সে লোকটি প্ররোচনামূলকভাবে চিৎকার করতে লাগল: “যে মানুষকে তোমরা পরহেজগার বলে মানো, যাঁর অনুসারী, তিনি মদ কিনেছেন এবং ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন!”

জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে গেল। তাঁরা রুমির মুখে থুথু নিক্ষেপ করল, তাঁকে মারতে লাগল, এমনকি তাঁর পাগড়ি গলায় নেমে গেল।

রুমি কিছু না বলে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন। এতে ভিড় আরও নিশ্চিত হল যে তারা রুমির তপস্যা ও ধর্মভীরুতার দ্বারা প্রতারিত হয়েছে।

তারা আর দয়া করল না, মারতে লাগল, এমনকি কেউ কেউ তাঁকে হত্যা করতে চাইছিল।

হঠাৎ শামস তাবরিজির কণ্ঠ শোনা গেল: “হে লজ্জাহীন জনতা!

তোমরা একজন আলেম ও ফকিহকে মদ্যপ বলে অভিযুক্ত করেছ। জেনে রাখো, ওই বোতলে রান্নার জন্য ভিনেগার আছে।”

জনতার একজন প্রতিবাদ করল: “না, এটা ভিনেগার নয়, এটা মদ। আমি নিজ চোখে দেখেছি রুমিকে মদের দোকান থেকে কিনতে।”

তখন শামস বোতলটি হাতে নিলেন, মুখ খুললেন এবং সামান্য তরল লোকদের হাতে ঢাললেন যেন তারা গন্ধ নিতে পারে।

সবাই হতবাক হয়ে গেল, কারণ তা আসলেই ভিনেগার ছিল।

আসলে, রুমির ঘরে যাওয়ার আগে শামস মদের দোকানে গিয়েছিলেন এবং দোকানদারকে বলে গিয়েছিলেন—যদি রুমি মদ কিনতে আসে তবে তাকে ভিনেগারে ভরা বোতল দিতে।

জনতা লজ্জায় মাথা কুটে ফেলল এবং রুমির পায়ে সেজদা করল।

তারা ক্ষমা চাইতে লাগল, তাঁর হাত চুমু খেতে লাগল এবং একে একে চলে গেল।

রুমি শামসকে বললেন: “আজ রাতে তুমি আমাকে এক বড় বিপদে ফেলেছ। আমার অনুসারীদের সামনে আমাকে নিজের সম্মান ও মর্যাদা কলুষিত করতে হয়েছে। এর মানে কী?”

শামস বললেন:
“যাতে তুমি বুঝতে পারো, মানুষের দেয়া সম্মান ও মর্যাদা আসলে এক মরীচিকা ছাড়া আর কিছু নয়।

তুমি কি ভেবেছিলে সাধারণ মানুষের সম্মান চিরস্থায়ী?

তুমি নিজেই দেখেছ, মাত্র একটি বোতল নিয়ে সন্দেহ হওয়ার কারণে সব সম্মান উবে গেল, তারা তোমাকে থুথু মেরেছে, মেরেছে, এমনকি মারতে চেয়েছে।

এই কি সেই সম্মান, যার ওপর তুমি এত গর্ব করছিলে, যা মুহূর্তেই হারিয়ে গেল?

আজ থেকে মানুষের কাছ থেকে সম্মান খোঁজা বন্ধ করো এবং ভরসা করো তাঁর ওপর, যাঁকে সময় নাড়াতে পারে না, যুগের পরিবর্তন ভাঙতে পারে না।

তিনি, সর্বশক্তিমান আল্লাহ, জানেন কে সত্যিই সম্মানিত আর কে কেবল ভুয়া সম্মানের পেছনে ছুটছে।

আজ থেকে শুধু আল্লাহ্‌ তাআলার ওপর নির্ভর করো। তিনি জানেন কে সত্যিকার সম্মানিত আর কে মিথ্যা।”

27/02/2025
21/05/2024

👉 সফর অবস্থায় নামায এবং গাড়ির মধ্যে তা পড়ার পদ্ধতি

প্রশ্ন: ক. গাড়িতে বসে কিভাবে সালাত আদায় করতে হয়?
খ. সফর অবস্থায় নামাযের পদ্ধতি কি?
গ. যদি ওযু না থাকে এবং গাড়ি থেকে নেমে ওযু করা সম্ভব না হয় বা তায়াম্মুম করারও সুযোগ না পাওয়া যায় তাহলে কিভাবে সালাত আদায় করব?
ঘ. কিবালার দিকে ফিরে সালাত আদায় করা সম্ভব না হলে কিভাবে সালাত আদায় করব?

উত্তর:

🔹ক. গাড়িতে বসে সালাত আদায়ের পদ্ধতি:

যদি সালাতের সময় শেষ হওয়ার পূর্বে গাড়ি থেকে নামার সুযোগ পাওয়া যায় তাহলে গাড়ি থেকে নেমেই সালাত আদায় করতে হবে। কিন্তু যদি গাড়ি থেকে নেমে সালাত আদায়ের সুযোগ না থাকে এবং এ অবস্থায় সালাতের সময় অতিবাহিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে গাড়ির মাধ্যেই সালাত আদায় করতে হবে।

এর পদ্ধতি হল, গাড়ির সিটে বসে কিবলার দিকে মুখ করে সালাত শুরু করার পর ইশারায় রুকু-সেজদা করতে হবে। রুকুর জন্য মাথাটা সামনের দিকে সামান্য ঝুঁকাতে হবে আর সেজদা জন্য তার চেয়ে একটু বেশি ঝুাকাতে হবে। কিবলার দিকে মুখ করে শুরু করার পর গাড়ি অন্য দিকে ঘুরলেও সমস্যা নেই। এতে সালাতের কোন ক্ষতি হবে না ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য যে, উক্ত পদ্ধতিতে কেউ ইচ্ছে করলে, গাড়িতে বসে যতখুশি নফল সালাত আদায় করতে পারে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে চলতি পথে বাহনে বসে নফল সালাত আদায় করতেন কিন্তু ফরজ সালাতগুলো বাহন থেকে নেমে মাটিতে নেমে আদায় করতেন। তাই যথাসম্ভব ফরয নামাযগুলো গাড়ি থেকে নেমে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু কোন কারণে নামা সম্ভব না হলে গাড়িতে আদায় করা যাবে ইনশাআল্লাহ।

🔹 খ. সফর অবস্থায় দু ওয়াক্তের নামায একত্রিত করে পড়া জায়েজ আছে:

দূরে সফর কালীন সময় যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশার সালাতকে যেমন যথাসময়ে আদায় করা জায়েজ অনুরূপভাবে যোহর+আসর এবং মাগরিব+ইশাকে একত্রিত করে অগ্রিম বা পিছিয়ে আদায় করা জায়েজ রয়েছে। অর্থাৎ যোহরের সময় প্রথমে যোহরের দু রাকআত ফরয কসর করা তারপর আসরের দু রাকআত কসর সালাত অগ্রিম পড়া।
অথবা যোহরের সময় যোহরের সালাত না পড়ে -তা পিছিয়ে আসরের সময় প্রথমে যোহরের দু রাকআত কসর পড়া তারপর আসরের দু রাকআত সালাত কসর পড়া।
অনুরূপভাবে মাগরিবের সময় প্রথমে মাগরিবের ৩ রাকআত আদায় করা তারপর ইশার দু রাকআত সালাত অগ্রিম পড়া
অথবা মাগরিবকে পিছিয়ে ইশার সময় প্রথমে মাগরিবের ৩ রাকআত আদায় করা অত:পর ইশার দু রাকআত ফরয সালাত কসর পড়া।
কিন্তু ফজর সালাতকে যোহরের সাথে অথবা আসরকে মাগরিবের সাথে অথবা ইশাকে ফজরের সাথে একত্রিত করা বৈধ নয়।

🔹গ. সফর অবস্থায় চার রাকআত বিশিষ্ট ফরয সালাতগুলো কসর তথা দু রাকআত করে পড়া এবং সুন্নত সালাতগুলো না পড়াই সুন্নত:

সফরের ক্ষেত্রে চার রাকআত বিশিষ্ট ফরয সালাত (যেমন যোহর, আসর ও ইশার সালাত) দু রাকআত দু রাকআত করে কসর করা আর অন্যগুলোতে কসর না করা অর্থাৎ মাগরিব ও ফজর সালাতে যেভাবে আছে সেভাবেই আদায় করা সুন্নত।

সফরে বিতির ও ফজরের দু রাকআত সুন্নত ছাড়া অন্য ওয়াক্তের সুন্নত নামায না পড়াই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত। তবে সুযোগ থাকলে অতিরিক্ত নফল সালাত যত ইচ্ছা পড়া জায়েয রয়েছে।

❖ প্রশ্ন: যদি গাড়ি থেকে নেমে ওযু করার মত সুযোগ না থাকে অথবা তায়াম্মুমের জন্য মাটি পাওয়া না যায় অপরদিকে ওয়াক্ত শেষ পর্যায়ে তাহলে কিভাবে সালাত আদায় করতে হবে?

উত্তর: যদি ওযু বা তায়াম্মুম করা কোনটাই সম্ভব না হয় তাহলে ওযু/তায়াম্মুম ছাড়াই সালাত আদায় করতে হবে। তারপরও নামায পরিত্যাগ করার কোন সুযোগ নাই।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
لَا يُكَلِّفُ اللَّـهُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا
“আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত কোন কাজের দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না।” (সূরা বাকারা: ২৮৬)
তিনি আরও বলেন:
فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُمْ
“অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো যতটুকু তোমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকে।” (সূরা তাগাবুন: ১৬)

❖ প্রশ্ন: যদি গাড়িতে কিবলার দিকে ফেরা সম্ভব না হয় তাহলে কিভাবে সালাত আদায় করতে হবে?

উত্তর:
সর্বাত্তক চেষ্টা করতে হবে কিবলার দিকে মুখ করে সালাত শুরু করার। তারপর গাড়ি যদি অন্য দিকে ঘুরে তাহলেও তাতে কোন সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ। কিন্তু চেষ্টা করার পরও যদি ফরয সালাতে কিবালার দিকে মুখ ফেরানো সম্ভব না হয় তাহলেও যে দিকে সম্ভব সে দিকে ফিরে সালাত আদায় করলে তা শুদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ।
এ ক্ষেত্রেও ওযু ও তায়াম্মুম করার সম্ভব না হলে ওযু/তায়াম্মুম ছাড়াই সালাত আদায় করার দলীলগুলো প্রযোজ্য।
আল্লাহু আলাম।
আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমীন।

উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (মাদানী)
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (আল হাদীস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার/ট্যাগ করতে ভুলবেন না কিন্তু।

10/04/2024

“The only success of cowardice state of Israel is killing of 33000 of innocent civilians including family members of Hamas leaders.”

01/04/2024

"আমি এ কুরআনে মানুষের জন্য যাবতীয় দৃষ্টান্ত বিশদভাবে বিবৃত করেছি কিন্তু মানুষ অধিকাংশ বিষয়েই বিতর্ককারী।"
সুরা কাহফ; ১৮:৫৪

09/10/2023

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসয়ালুকা ফি’লাল খাইরাতি, ওয়া তারকাল মুনকারাতি, ওয়া হুব্বাল মাসাকিনি, ওয়া আন-তাগফিরালি, ওয়া তারহামানি, ওয়া ইজা আরাদতা ফিতনাতা কাউমিন ফাতাওয়াফফানি গাইরা মাফতুনিন। আসয়ালুকা হুব্বাকা ওয়া হুব্বা মান ইয়ুহিব্বুকা ওয়া হুব্বা আমালিন ইয়ুকাররিবু ইলা হুব্বিকা।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে ভালো ও কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের, মন্দ কাজগুলো বর্জনের, দরিদ্রজনদের ভালোবাসার তাওফিক চাই, তুমি আমায় ক্ষমা কোরো ও দয়া কোরো। তুমি যখন কোনো গোত্রকে বিপদে ফেলার ইচ্ছা কোরো, তখন তুমি আমাকে বিপদমুক্ত রেখে তোমার কাছে তুলে নিও। আমি প্রার্থনা করি তোমার ভালোবাসা, যে তোমায় ভালোবাসে তার ভালোবাসা এবং এমন কাজের ভালোবাসা, যা তোমার ভালোবাসার নিকটবর্তী করে দেয়।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, স্বপ্নটি অবশ্যই সত্য। অতএব তা পড়, তারপর তা শিখে নাও। ইমাম তিরমিজি (রহ.) হাদিসটি বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত বলে মন্তব্য করেছেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৩২৩৫

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Colorful life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share