IUBAT Dawah Society

IUBAT Dawah Society لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ مُحَمَّدٌ رَسُوُل اللّهِ

আসসালামু আলাইকুম  ওয়া রহমাতুল্লাহ। IUBAT Dawah society এর পক্ষ থেকে আমরা ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে একটি অনলাইন  ❝সীরাহ কু...
14/08/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।

IUBAT Dawah society এর পক্ষ থেকে আমরা ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে একটি অনলাইন ❝সীরাহ কুইজ❞ এর আয়োজন করতে যাচ্ছি।

🏷️IUBAT-এ বর্তমানে অধ্যায়নরত সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারবে।

📝 রেজিষ্ট্রেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রী‼️

📆 তারিখ: ২৪-০৮-২০২৬ (সোমবার)
⏰ সময়: রাত (৯-১১)

🗒️পরীক্ষার ধরণ:
২৫ মিনিট। ৫০ টা MCQ।

📎এ পেইজে পরীক্ষার সময় গুগল লিংক দেওয়া হবে। ২ঘন্টা লিংক খোলা থাকবে। এরপর লিংক অফ করে দেওয়া হবে। ২ ঘন্টার মধ্যে যেকোন ২৫ মিনিটে পরীক্ষা দেওয়া যাবে।

প্রত্যেক পরীক্ষার্থী ১ বার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।

🎁 ১ম ৫ জনের জন্য থাকবে আকর্ষণীয় হাদিয়া।

📜সিলেবাস: রেজিষ্ট্রেশন করার পর WhatsApp গ্রপে অ্যাড করে জানিয়ে দেওয়া হবে৷

⚠️( ছেলে ও মেয়েদের আলাদা গ্রপে অ্যাড করা হবে, সবাইকেই অ্যাড করা হবে। ইনশাআল্লাহ। তাই রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ফিল আপ করে দয়া করে অপেক্ষা করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হল। এরপরে ও কোন সমস্যা হলে পেইজে ম্যাসেজ দেওয়ার জন্য বলা হল)

📌রাসুল (ﷺ) এর মোহাব্বাতে এবং উম্মাহের স্বার্থে সবাইকে উক্ত কুইজ সম্পর্কে আমরা জানিয়ে দিব ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুক৷ আমিন।

"হে যুবক সমাজ! তোমাদের মধ্যে যে সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে।" — প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর এই বিখ্যাত হাদিসটি য...
12/08/2026

"হে যুবক সমাজ! তোমাদের মধ্যে যে সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে।" — প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর এই বিখ্যাত হাদিসটি যুবকদের সঠিক সময়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করে।
ইসলামে বিবাহ কেবল একটি সামাজিক বন্ধনই নয়, এটি ঈমানের অর্ধেক এবং চরিত্র রক্ষার একটি ঢাল।

✅বিয়ের প্রধান উপকারিতা:

1️⃣দৃষ্টি অবনত রাখা: এটি মানুষের কুদৃষ্টি ও অনৈতিকতা থেকে চোখকে রক্ষা করে।
2️⃣চরিত্র রক্ষা: লজ্জাস্থানের হেফাজত ও পবিত্র জীবনযাপনে সাহায্য করে।
3️⃣মানসিক শান্তি: জীবনসঙ্গীর মাধ্যমে জীবনে প্রশান্তি ও সার্থকতা আসে।
✅সামর্থ্য না থাকলে করণীয় :
কোনো যুবকের যদি বিয়ের শারীরিক বা আর্থিক সামর্থ্য (মোহরানা ও ভরণপোষণ) তাৎক্ষণিকভাবে না থাকে, তবে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে নিয়মিত রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। রোজা মানুষের ভেতরের কুপ্রবৃত্তি ও আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

12/08/2026

ফজর—মুমিনের দিনের প্রথম বিজয়।

যে মুমিন ঘুমের আরাম ছেড়ে রবের ডাকে সাড়া দিয়ে অজু করে সিজদায় নত হয়, সে দিনের শুরুতেই নিজের নফস ও শয়তানের বিরুদ্ধে এক বিজয় অর্জন করে।

আর যে ব্যক্তি ঘুমের কাছে পরাজিত হয়ে ফজরের সালাত ছেড়ে দেয়, সে দিনের প্রথম প্রহরেই একটি বড় সুযোগ হারিয়ে ফেলে।

দিনের শুরুটা কেমন হবে—তা অনেকটাই নির্ভর করে, তুমি ফজরের সময় কার ডাকে সাড়া দিলে।

— লেখা সংগৃহীত

IUBAT Dawah Society

✅ Shuttle Bus Schedule :( Campus - Metro Rail Center Station--Campus)
11/08/2026

✅ Shuttle Bus Schedule :
( Campus - Metro Rail Center Station--Campus)

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সবাইকে বুঝার এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুক - আমিন।
11/08/2026

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সবাইকে বুঝার এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুক - আমিন।

✅ বিস্তারিত কমেন্ট বক্স
10/08/2026

✅ বিস্তারিত কমেন্ট বক্স

09/08/2026
07/08/2026

ছয় দিন।

একটা মা ডলফিন তার মরা বাচ্চাটাকে পিঠে নিয়ে ঘুরছিল ছয়টা দিন। ছেড়ে দিচ্ছিল না। মাঝে মাঝে বাচ্চাটা পানিতে পড়ে যাচ্ছিল। মা আবার ডুব দিয়ে তুলে আনছিল। বুকে চেপে ধরছিল। যেন ঘুমিয়ে আছে, যেন এক্ষুনি জেগে উঠবে।

বাচ্চাটার বয়স হয়েছিল মাত্র দুই সপ্তাহ।
আর এই মা এর আগেও বারবার সন্তান হারিয়েছে।
পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার শান্ত এক মোহনায় ড্রোনে ধরা পড়া এই দৃশ্যটা সারা পৃথিবী দেখেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন — এটা নিছক অভ্যাস নয়। এটা শোক। মায়ের মমতা মৃত্যুর পরও থামে না।

একটা কথা জানেন কি?

গবেষণা বলছে, ডলফিন কুড়ি বছর পরও একজন পুরোনো সঙ্গীর ডাক চিনে ফেলতে পারে। তার মানে এই মা তার হারানো বাচ্চাটার কথা কোনোদিন ভুলবে না। বছরের পর বছর মনে রাখবে।

ভাবতে পারেন? একটা প্রাণী, যার কোনো ভাষা নেই, কোনো নামাজ নেই, কোনো আখিরাতের হিসাব নেই — তার বুকেও আল্লাহ এত গভীর মমতা রেখে দিয়েছেন।
এই মমতাটা কোত্থেকে এলো?

মা ডলফিন নিজে বানায়নি। নিজে শেখেনি। এটা তার ভেতরে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। যিনি বসিয়েছেন, তিনি আর-রাহমান — পরম দয়াময়। সাগরের একটা প্রাণীর বুকে যিনি এত মায়া দিতে পারেন, তাঁর নিজের মায়াটা তাহলে কত গভীর?

এবার একটা হাদিস শুনুন। বুকে গেঁথে যাওয়ার মতো।

একবার কিছু যুদ্ধবন্দিকে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে আনা হলো। তাদের মধ্যে এক মা ছিলেন, যিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজছিলেন। বুক দুধে ভরে উঠছিল। তিনি বন্দিদের ভেতর যে শিশুকেই পাচ্ছিলেন, বুকে চেপে ধরে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। তারপর তিনি নিজের হারানো সন্তানকে খুঁজে পেলেন। জড়িয়ে ধরলেন বুকের সাথে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন — "তোমরা কি মনে করো, এই মা তার সন্তানকে আগুনে ছুঁড়ে ফেলতে পারবে?"
সাহাবিরা বললেন — "না, কখনোই না। যদি ঠেকানোর সামান্যতম ক্ষমতাও তার থাকে।"
তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন —
"আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি এই মায়ের চেয়েও বেশি দয়ালু।"
(সহিহ বুখারি)

যে মা সন্তানকে আগুন থেকে বাঁচাতে নিজের জীবন দিয়ে দেবে — আল্লাহ আপনার প্রতি তার চেয়েও বেশি দয়ালু।
ডলফিন মা ছয় দিন মরা বাচ্চাকে ছাড়েনি। মানুষ মা সন্তানকে আগুনে ফেলতে পারে না। এগুলো তো আল্লাহর দয়ার একটা ছোট্ট প্রতিফলন মাত্র।

মূল উৎসটা তাহলে কত বিশাল?

আমরা ভাবি আল্লাহ বুঝি রাগ করে বসে আছেন। ভুল করলেই বুঝি শাস্তি। অথচ তিনি নিজেই লিখে রেখেছেন "নিশ্চয়ই আমার রহমত আমার ক্রোধের ওপর জয়ী হয়েছে"।
(সহিহ বুখারি)

আপনি যতবার ফিরে আসবেন, আর-রহমান ততবার বুকে টেনে নেবেন। একটা মা যেমন হারানো সন্তানকে খুঁজে পেয়ে আর ছাড়ে না — ঠিক তেমনি, তার চেয়েও গভীরভাবে।

গুনাহের বোঝা নিয়ে যে ভাবছেন "আমাকে দিয়ে আর হবে না" — একবার শুধু ফিরে দেখুন। যিনি ডলফিনের বুকে এত মমতা রেখেছেন, তিনি আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছেন। আল্লাহ সূরা আয-যুমারের ৫৩ নাম্বার আয়াতে বলেন,
"যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"

আল্লাহ আমাদের তাঁর সেই অসীম দয়ার ছায়ায় জায়গা দিন। আর তাঁর রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়ার তাওফিক দিন।

আমীন। 🤍

লেখাঃ Abu MuHammad Rafiuzzaman

01/08/2026

🌼 সাহাবা ওয়ালা জীবন গড়ার সাতটি বৈশিষ্ট্য:

১. অতীতের গুনাহ থেকে পবিত্র হওয়া

সাহাবায়ে কিরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ইসলাম গ্রহণের পর থেকেই অতীতের গুনাহ থেকে নিজেদের পবিত্র করার চেষ্টা করেছেন। তাঁরা আন্তরিক তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর দিকে ফিরে এসেছেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ছিলেন মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক। তাঁর মাধ্যমেই আমরা আল্লাহকে চিনেছি এবং দ্বীনের শিক্ষা পেয়েছি।

ইমাম শাফিঈ (রহ.)-এর একটি বিখ্যাত ঘটনা রয়েছে। তিনি একবার তাঁর উস্তাদের কাছে ইলম ভুলে যাওয়ার অভিযোগ করলে উস্তাদ তাঁকে বলেন, নিজের জীবনে কোনো গুনাহ হয়েছে কি না তা চিন্তা করতে। তখন তিনি স্মরণ করেন যে, একবার অনিচ্ছাকৃতভাবে একজন নারীর পায়ের দিকে দৃষ্টি পড়েছিল। উস্তাদ তাঁকে বুঝিয়ে দেন যে, গুনাহ ইলমের নূরকে দুর্বল করে দেয়।

২. গুনাহ বর্জন এবং গুনাহের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি

সাহাবারা শুধু গুনাহ ত্যাগই করেননি, বরং গুনাহের প্রতি অন্তরে ঘৃণাও সৃষ্টি করেছিলেন।

একটি কবিরা (মহাপাপ) গুনাহ, যদি আল্লাহ তাআলা তাওবা কবুল না করেন, তবে একজন ঈমানদারকে জাহান্নামের শাস্তির মুখোমুখি করতে পারে।

আখিরাতের সফলতার জন্য সর্বদা আখিরাতের কথা কল্পনা ও স্মরণ করা জরুরি। যে ব্যক্তি আখিরাতকে ভুলে যায়, সে তার জন্য প্রস্তুতিও নিতে পারে না।

৩. পূর্ণ দ্বীনের শিক্ষা গ্রহণ ও অন্যদের শিক্ষা দেওয়া

সাহাবারা নিজেরা দ্বীন শিখেছেন, আমল করেছেন এবং পরিবার-পরিজনকে শিক্ষা দিয়েছেন। স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা, ভাই-বোন—সবার প্রতি নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমান সমাজে অনেকেই নিজেদের দায়িত্ব ভুলে গেছেন। বাবা, মা, ভাই, ইমাম, শিক্ষক—অনেকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করায় সমাজে ফিতনা-ফাসাদ বেড়ে গেছে।

শুধু নামাজ পড়লেই সাহাবাদের মতো হওয়া যায় না; তাঁদের নামাজ ছিল আল্লাহভীতি, ইখলাস ও বিনয়ের সঙ্গে আদায় করা নামাজ।

৪. আল্লাহর দ্বীনের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ

সাহাবারা আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জান, মাল ও স্বার্থ উৎসর্গ করেছেন।

যদি তাঁরা শুধু নিজেদের ব্যক্তিগত ইবাদতেই সীমাবদ্ধ থাকতেন, তবে মক্কা ছেড়ে হিজরত করার প্রয়োজন হতো না।

দ্বীনের কাজের ধাপ হল—

- নিজেকে সংশোধন করা,
- পরিবারকে সংশোধন করা,
- সমাজকে সংশোধন করা,
- এবং সামর্থ্য অনুযায়ী রাষ্ট্রে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা।

সাহাবাদের স্বপ্ন ছিল না দুনিয়ার বিলাসবহুল অট্টালিকা নির্মাণ করা; তাঁদের লক্ষ্য ছিল আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

৫. সর্বস্ব ত্যাগের পরও আরও দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা

সাহাবারা আল্লাহর পথে অনেক কিছু ব্যয় করার পরও মনে করতেন, "ইশ! যদি আরও দিতে পারতাম।"

এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো আবদুল্লাহ ইবন হুযাফা (রা.)। এক অত্যাচারী বাদশাহ তাঁকে ইসলাম ত্যাগ করার বিনিময়ে রাজকন্যাকে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তিনি তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেন। মৃত্যুর ভয় দেখানো হলেও তিনি ঈমানের ওপর অটল থাকেন।

৬. ভবিষ্যৎকেও গুনাহমুক্ত রাখার চেষ্টা

সাহাবারা যেমন অতীতের গুনাহ থেকে তাওবা করতেন, তেমনি ভবিষ্যতে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার জন্যও সর্বদা সচেষ্ট থাকতেন।

যেমন একজন চালক প্রতিদিন গাড়ি চালালে তার দক্ষতা বাড়ে, তেমনি নিয়মিত নেক আমল ও আত্মশুদ্ধির চর্চা মানুষের তাকওয়া বৃদ্ধি করে।

৭. অতীতের গুনাহ স্মরণ করে কান্না করা

সাহাবারা অতীতের গুনাহের কথা স্মরণ করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাঁদতেন। তাঁরা কখনো নিজেদের গুনাহ থেকে নিরাপদ মনে করতেন না।

অথচ আমরা অনেক গুনাহ করার পরও নিজেদের নিরাপদ মনে করি।

যখন কোনো বিপদ বা মুসিবত আসে, তখন আত্মসমালোচনা করা উচিত—আমার কোনো গুনাহ বা ভুলের কারণে কি এ পরীক্ষাটি এসেছে? এরপর আন্তরিক তাওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

*আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহাবায়ে কিরামের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে তাঁদের আদর্শ অনুযায়ী জীবন গড়ার তাওফীক দান করুন। আমীন🤲🏻*

_বয়ান সংকলনঃ_
*শাইখ মুফতি মামুনুর রশীদ হাফিজাহুল্লাহ*

Address

Embankment Road, Sector 10, Uttara
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IUBAT Dawah Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to IUBAT Dawah Society:

Shortcuts

Share