আমাদের সনাতন ধর্ম

আমাদের সনাতন ধর্ম .......হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে
রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে.........

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন মহাশয় যে শঙ্খ বাজিয়েছিল তা নাম কি কি!!
11/12/2025

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুন মহাশয় যে শঙ্খ বাজিয়েছিল তা নাম কি কি!!

জয় মা দুর্গতিনাশিনী 🙏🙏আজ একটি বিশেষ দিন,,যা পিতৃপক্ষের শেষ এবং দেবীপক্ষের সূচনা হয়।এই মহালয়ার দিনই দুর্গাদেবীর আগমনের মা...
21/09/2025

জয় মা দুর্গতিনাশিনী 🙏🙏
আজ একটি বিশেষ দিন,,যা পিতৃপক্ষের শেষ এবং দেবীপক্ষের সূচনা হয়।এই মহালয়ার দিনই দুর্গাদেবীর আগমনের মাধ্যমেই দূর্গা পুজার উৎসবের সূচনা হয়।🙏
হে মা ত্রিনয়নী 🙏🙏অসুরদের দমন করো,,দেবতাদের রক্ষা করে🙏🙏ত্রিভুবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করো🙏🙏
🙏🙏 🙏🙏

* #মাণব_জিবনে_একমাত্র_লক্ষ্য_সাধু_সঙ্গ*👉ভক্তিমূলক প্রবন্ধমানুষের জীবনে অনেক সম্পদ, সাফল্য ও সামাজিক মর্যাদা থাকলেও হৃদয়...
26/08/2025

* #মাণব_জিবনে_একমাত্র_লক্ষ্য_সাধু_সঙ্গ*
👉ভক্তিমূলক প্রবন্ধ
মানুষের জীবনে অনেক সম্পদ, সাফল্য ও সামাজিক মর্যাদা থাকলেও হৃদয়ের শূন্যতা কখনো দূর হয় না। মাধবের গল্প সেই চিরন্তন সত্যকে মনে করিয়ে দেয়। দোকান, অর্থ, সংসার—সবকিছু তার ছিল, কিন্তু অন্তরে ছিল এক গভীর দুঃখ আর কঠোরতা। পিতার অসুস্থতা, সংসারের ক্লান্তি আর নিজের অকারণ রাগ তাকে শুষ্ক মরুভূমির মতো করে তুলেছিল।

কিন্তু ভাগ্যের সেই সন্ধিক্ষণে মাধব পেলেন সাধু-সঙ্গের অমূল্য দান। এক অচেনা বৈষ্ণব তাকে প্রসাদ দিলেন, কীর্তনের সুরে ভরিয়ে দিলেন তার মন। প্রসাদের প্রথম গ্রাসেই মাধব বুঝতে পারলেন—দুঃখকে অস্বীকার না করে হৃদয় নরম করতে হয়, কারণ হৃদয় নরম হলেই করুণা নামে, আর করুণা নামলে কৃপা পথ চেনে।

কীর্তনের ঢেউয়ে মাধব উপলব্ধি করলেন, তার কঠোরতা আসলে ভয়ের দেওয়াল। সেই দেওয়াল ফেটে বেরিয়ে এল অশ্রু, এবং শুরু হল অন্তর পরিবর্তনের যাত্রা। বৈষ্ণব শিখিয়ে দিলেন তিনটি উপায়—
১. নাম: প্রতিদিন জপ,
২. সেবা: ঘরে-বাইরে সেবার মনোভাব,
৩. সাধু-সঙ্গ: ভক্তদের সঙ্গে নিয়মিত কীর্তনে অংশগ্রহণ।

এর মধ্যেই তিনি অনুভব করলেন, “লব মাত্র সাধু-সঙ্গে সর্ব সিদ্ধি হয়।” অর্থাৎ এক ক্ষণিক সাধু-সঙ্গও মানুষের অন্তরকে রূপান্তরিত করতে পারে।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মাধবের ঘর ভরে উঠল শান্তিতে, বাবার কষ্ট কিছুটা লাঘব হলো, দোকানের সামনে জলপাত্র আর ভিক্ষুকদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা হলো, আর প্রতিদিন সন্ধ্যায় ধ্বনিত হতে লাগল ভজন-কীর্তন।

শেষে বৈষ্ণব আবার দেখা দিয়ে বললেন—“কৃপা আসতে পথ বড় লাগে না, দরজা খুলতে হয়।” তখন মাধব উপলব্ধি করলেন, বদল নয়—তিনি আসলে নিজের আসল সত্তাকে খুঁজে পাচ্ছেন।

এই গল্প আমাদের শেখায়:
👉 জীবনের অন্ধকারে আলোর প্রদীপ জ্বালাতে অনেক কিছু লাগে না—এক মুহূর্তের সাধু-সঙ্গই যথেষ্ট।
👉 নাম, সেবা ও সাধু-সঙ্গ জীবনের তিনটি স্তম্ভ, যা হৃদয়কে ভক্তির মাটিতে পরিণত করে।
👉 ভক্তির পথে দেরি বলে কিছু নেই, শুধু দরজা খোলার মন চাই।

🌸 সাধু-সঙ্গ মানেই—হৃদয়ের কঠিন পাথর নরম হয়ে ভক্তির বীজ অঙ্কুরিত হওয়া। 🌸
┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈

যখন আমরা ভগবানের কথা শুনি মন আস্তে আস্তে শুদ্ধ হয়ে যায়। পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে আমরা যার বিষয়ে বেশি  চিন্তা করি সেই ব্যাক্ত...
12/08/2025

যখন আমরা ভগবানের কথা শুনি মন আস্তে আস্তে শুদ্ধ হয়ে যায়। পদ্মপুরাণে বলা হয়েছে আমরা যার বিষয়ে বেশি চিন্তা করি সেই ব্যাক্তির ১২% গুণ নিজের কাছে চলে আসে।কিন্তু আমরা কি করি আমরা রাবন আর হিরণ্যকশিপুর কথা শুনি,, রাবন হিরণ্যকশিপু যাদের কথা ভাগবতে আলোচনা হয়েছে তাদের কথা বলা হচ্ছে না। আধুনিক রাবন হিরণ্যকশিপুর কথা বলা হচ্ছে। কে এই আধুনিক রাবন হিরণ্যকশিপু ফ্লিম এক্টার, নায়ক, নায়িকা ওদের কথা শুনতে চায়। কার কোন কালার পছন্দ কে কোন রকম জামা কাপড় পড়ল এই আধুনিক রাবন আর হিরণ্যকশিপুর কথা শুনি। ভাগবতে যেই রাবণ হিরণ্যকশিপু আছে তাদের কথা শুনা খারপ কিছু নয়! হিরণ্যকশিপুর কথা শুনলে ভগবান নৃসিংহদেবর কথা মনে আসবে, রাবনের কথা শুনলে ভগবান রাম চন্দ্রের কথা মনে আসবে কিন্তু আমরা শুনি না। আধুনিক রাবণ হিরণ্যকশিপুর কথা শুনতে শুনতে আমরা আরো সংসারের মায়া জালে ফেঁসে যায়।
-

সন্ন্যাস গ্রহন  করার পর  ভগবৎপ্রেমে উন্মত্ত >🙏❤🙏>🙏মহাপ্রভু   সন্ন্যস গ্রহণ করার  পর  ভগবৎপ্রেম  উন্মত্ত হয়ে  ঘুরতে ঘুরতে...
07/08/2025

সন্ন্যাস গ্রহন করার পর ভগবৎপ্রেমে উন্মত্ত >🙏❤🙏
>🙏মহাপ্রভু সন্ন্যস গ্রহণ করার পর ভগবৎপ্রেম উন্মত্ত হয়ে ঘুরতে ঘুরতে —একদিন শান্তীপুরে শ্রী অদ্বৈত আচার্যের ঘরে এলেন । 🙏
আর নবদ্বীপ থেকে শচী মাতা ও এলেন
তাঁর সঙ্গে দেখা করতে ।
এখানেই সন্ন্যাসীর বেশে মহাপ্রভু শচীমাতাকে প্রনাম করলেন ।
ধর্মপ্রাণা শচীদেবী ছেলেকে একবার ও
বললেন না যে, ‘‘তুমি ফিরে চল ‘‘ ।
শুধু বললেন ———‘‘তুমি বেশী দূরে যেয়ো না ‘‘ কাছেই জগন্নাথ পুরীতে থাক।
যাতে ভক্তরা পুরী থেকে যাতায়াত করতে পারে ।
তাহলে —তাদের কাছ থেকেই তোমার সংবাদ পাব ‘‘ ।
জয় গৌর গুণমনি জয় আমার নিতাই চাঁদের জয় । ।🙏❤🙏।

"সর্বধর্মান্ পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ ।অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ॥অনুবাদঃ সর্ব প্রকার ধর্ম পরিত্যাগ...
27/07/2025

"সর্বধর্মান্ পরিত্যজ্য মামেকং শরণং ব্রজ ।
অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ॥

অনুবাদঃ সর্ব প্রকার ধর্ম পরিত্যাগ করে কেবল আমার শরণাগত হও। আমি তোমাকে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত করব। তুমি শোক করো না।🙏🙏🙏

*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••**_❀"কোটি জন্ম করে যদি নাম সংকীর্তন।"_❀**_❀তথাপি না পায় ব্রজের ব্রজেন্দ্রনন্দন॥"❀_**•••••••┈...
24/07/2025

*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
*_❀"কোটি জন্ম করে যদি নাম সংকীর্তন।"_❀*
*_❀তথাপি না পায় ব্রজের ব্রজেন্দ্রনন্দন॥"❀_*
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
*_❈❀━┉অপরাধযুক্ত নাম জপ কোটি জন্ম ধরে কখনোই করা যায় না! কারণ নামের শক্তিতে নামই নামাপরাধ থেকে মুক্ত করে দেয়। একজনমেই নাম জপ করলে নামাপরাধ আর থাকে না। তাহলে কোটি জন্ম ধরে নাম জপ করলে কেন "ব্রজের ব্রজেন্দ্রনন্দন" পাওয়া যাবে না? কারণ--_*

*_"কোটি জন্ম করে যদি নাম সংকীর্তন।_*
*_ব্রজগোপীভাব না হইলে মিলিবে না ব্রজেন্দ্রনন্দন॥"_*

*_❈❀━┉কোটি জন্ম নাম সংকীর্তন করে যদি সাধকের ব্রজগোপীভাবের উদয় না হয়, তাহলে কখনোই শ্রীবৃন্দাবনে প্রবেশ হবে না, আর ব্রজের ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ কখনোই পাবে না। তাহলে কাকে পাবে? হ্যাঁ! কোটি জন্ম নাম সংকীর্তন করেও ব্রজগোপীভাবের প্রকাশ না হলে বৈকুণ্ঠপতি নারায়ণ পাওয়া যেতে পারে, দ্বারকাধীশ শ্রীকৃষ্ণ পাওয়া যেতে পারে, মথুরাধীশ শ্রীকৃষ্ণ পাওয়া যেতে পারে; কিন্তু ব্রজেন্দ্রনন্দন শ্রীকৃষ্ণ কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়।_*
*_❈❀━┉অতএব, যেহেতু আমাদের আরাধ্য "ব্রজেশতনয়", অর্থাৎ "ব্রজেন্দ্রনন্দন কৃষ্ণ", তা পঞ্চরসের যেকোন রসে ভজন করলেও সেই ব্রজের কৃষ্ণই আমাদের ভজন। সেহেতু এত এত নাম জপ, কীর্তন, সাধনভজন করে কি লাভ যদি ব্রজগোপীভাবের প্রকাশ না হয়? সুতরাং আমাদের সর্বাগ্রে সেই দিকেই খেয়াল রাখা কর্তব্য যে আমি সাধন ভজন করছি কিন্তু আমার মধ্যে ব্রজগোপীভাবের প্রকাশ হচ্ছে কি?? তার জন্য তেমন ভাবাশ্রয়ী ব্রজরসিক, গোপীভাবময় মহৎ কৃপা ও তেমন ভক্তের সঙ্গই একমাত্র সেই ভাবের প্রকাশ ঘটাতে সহায়তা করে।_*
*┈┉━❀❈❀━┉┈*
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
*_"বাহ্য অন্তর ইহার দুই তো সাধন।_*
*_বাহ্যে সাধক দেহে করে শ্রবণ ও কীর্তন॥_*
*_মনে নিজ সিদ্ধদেহ করিয়া ভাবন।_*
*_রাত্রিদিন চিন্তে ব্রজে কৃষ্ণের সেবন॥"_*
*┈┉━❀❈❀━┉┈*
*_রাধিকাচরণরেণু, ভূষণ করিয়া তনু,_*
*_অনায়াসে পাবে গিরিধারী।_*
*_রাধিকা-চরণাশ্রয়, যে করে সে মহাশয়,_*
*_তারে মুইঁ যাউ বলিহারী॥_*
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*
*•••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••*

শ্রী শ্রী জগন্নাথায় নমঃআসছে আগামী রোজ শুক্রবার ২৭ জুন শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব।
25/06/2025

শ্রী শ্রী জগন্নাথায় নমঃ
আসছে আগামী রোজ শুক্রবার ২৭ জুন শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব।

✡️বীর অভিমুন্যের বীরত্ব✡️কুরুবংশের রাজকুমার অভিমন্যু মহাভারতের অন্যতম উল্লেখযোগ্য চরিত্র; যিনি সততা, নিষ্টা ও সাহসীকতায় ...
05/06/2025

✡️বীর অভিমুন্যের বীরত্ব✡️

কুরুবংশের রাজকুমার অভিমন্যু মহাভারতের অন্যতম উল্লেখযোগ্য চরিত্র; যিনি সততা, নিষ্টা ও সাহসীকতায় চির অমর হয়ে আছেন। রাজকুমার অভিমুন্য মধ্যম পান্ডব অর্জুন এবং শ্রীকৃষ্ণের ভগ্নী যাদব রাজকুমারী সুভদ্রার পুত্র। সেই দিক থেকে বীর অভিমুন্য ছিলেন শ্রীকৃষ্ণের ভাগিনেয়। তাছাড়া ও তিনি ছিলেন মৎস্য রাজকন্যা উত্তরার স্বামী। অভিমুন্য শৌর্যে বীর্যে ছিলেন তাঁর পিতা অর্জুন ও পিতামহ ইন্দ্রের সমতুল্য।

অর্জুনের বারো বছরের ব্রহ্মচর্য ও বনবাস সম্পূর্ণ হওয়ার সময় অভিমন্যুর জন্ম হয়। মাতা সুভদ্রার গর্ভে থাকতেই তাঁর শিক্ষা শুরু হয়েছিল।গর্ভাবস্থায় সুভদ্রা অর্জুনের নিকট চক্রব্যূহে প্রবেশের প্রণালী শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ায় তিনি আর চক্রব্যূহ হতে বের হওয়ার কৌশল শুনতে পারেন নি।তাই অভিমন্যু কেবল চক্রব্যূহে প্রবেশ করতে জানতেন, বাহির হতে জানতেন না।পান্ডবগণের বনবাস ও অজ্ঞাতবাসের কারণে অভিমন্যু তাঁর বাল্যকাল দ্বারকায় মাতুলালয়ে অতিবাহিত করেন। সেখানে কৃষ্ণ ও বলরামের অভিভাবকত্বে তিনি কৃষ্ণপুত্র প্রদ্যুম্ন এবং যাদববীর কৃতবর্মা ও সাত্যকীর নিকট অস্ত্রশিক্ষা গ্রহণ করেন।অজ্ঞাতবাসকালে পঞ্চপান্ডব ও দ্রৌপদী মৎস্যরাজ বিরাটের নিকট ছদ্মবেশে আশ্রয় গ্রহণ করেন।তেরো বৎসর সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাঁরা আত্মপ্রকাশ করলে বিরাট স্বীয় কন্যা উত্তরার সঙ্গে অর্জুনের বিবাহের প্রস্তাব দেন। তখন অর্জুন জানান উত্তরা তাঁকে আচার্যের ন্যায় শ্রদ্ধা করেন।তাই তিনি উত্তরাকে পুত্রবধূ রূপে গ্রহণ করবেন।তাঁর পুত্র অভিমন্যুই মৎস্যরাজের জামাতা হওয়ার উপযুক্ত।মহারাজ বিরাট তাতে সম্মত হন। এরপর উপপ্লব্য নগরীতে অভিমন্যু ও উত্তরার বিবাহ সম্পন্ন হয়।আর সেই অভিমুন্য ও উত্তরার পুত্র হলেন পরীক্ষীত।যিনি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় উত্তরার গর্ভে ছিলেন।

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুন কতৃক ভীষ্মের শরশয্যার পর কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের কৌরব সেনাপতি হন দ্রোণাচার্য।দ্রোণের অধিনে যুদ্ধ চলাকলে যুদ্ধের ত্রয়োদশ দিনে কৌরব সেনাপতি দ্রোণাচার্য একটি চক্রব্যূহ রচনা করেন এবং পান্ডবদের তা ভেদ করতে আমন্ত্রণ জানান।এইসময়ে চক্রব্যূহ ভেদ করার জন্য পান্ডব শিবিরে অভিমন্যু ব্যতীত আর কেউ উপস্থিত না থাকায় যুধিষ্ঠির তাঁর ওপর এই গুরুভার অর্পণ করেন।এরপর অভিমন্যু যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং চক্রব্যূহ ভেদ করে কৌরব সেনা মধ্যে একাই উপস্থিত হন বীর বালক অভিমুন্য। তাঁর শরবর্ষণে মদ্ররাজ শল্য ও দুঃশাসন মূর্ছিত হন।কর্ণের এক ভাই ও শল্যের ভ্রাতা নিহত হয় এবং শল্য রণভূমি থেকে পলায়ণ করেন।ভয়াবহ যুদ্ধ চলতে থাকে তখন।কৌরব সেনা দ্বারা বেষ্টিত হয়ে একাই সবার সাথে পরম বিক্রমে যুদ্ধ করেন বীর অভিমুন্য।এইসময় যুধিষ্ঠির,ভীম,ধৃষ্টদ্যুম্ন, শিখন্ডী,সাত্যকী,বিরাট ও দ্রুপদ ব্যূহে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে ধৃতরাষ্ট্রের ভগ্নিপতি সিন্ধুরাজ জয়দ্রথ শিবের বরে তাদের পরাস্ত করেন ও ব্যূহের প্রবেশ পথ রুদ্ধ করে্ন।কুরুসৈন্য বেষ্টিত অভিমন্যু একাকী যুদ্ধ করতে থাকেন।কৌরবসৈন্য ছত্রভঙ্গ হয় এবং যোদ্ধারা পালাতে থাকে।শল্যপুত্র রুক্মরথ, দুর্যোধনের পুত্র লক্ষণ ও কোশলরাজ বৃহদবল তাঁর বাণে হত হন।

অভিমন্যুকে অপ্রতিরোধ্য দেখে কর্ণ দ্রোণের উপদেশে তাঁকে পিছন থেকে আক্রমণ করে তাঁকে রথচ্যূত ও ধনুর্হীন করেন এবং দ্রোণ,কৃপ,কর্ণ, অশ্বত্থামা,দুর্যোধন ও শকুনি নিষ্করুণ ভাবে তাঁর ওপর শরাঘাত করতে থাকেন।সপ্ত মহারথীর সাথে রথহীন অভিমন্যু খড়গ,চক্র,গদা এমনকি রথের চাকা দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এই সময় দুঃশাসনের পুত্র তাঁর মাথায় গদাঘাত করে। ফলে কৌরবসেনা নিপীড়িত বালক অভিমন্যুর প্রাণশূন্য দেহ ভূপাতিত হয়। মাত্র ষোলো বছর বয়সে এক ষড়যন্ত্রের আর অনৈতিক যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।অভিমুন্যের একমাত্র পুত্র পরীক্ষিৎ তাঁর মৃত্যুর পর জন্মগ্রহণ করেন।যিনি যুধিষ্টিরের পর হস্তিনাপুরের রাজা হন।

🕉️🙏হরে কৃষ্ণ🙏🕉️

স্বামীজী একবার মঠে নিয়ম করেছিলেন যে দ্বিপ্রহরে কেউ ঘুমাতে পারবে না। আমি বাগানে কাজকর্ম করে এসে খেয়ে-দেয়ে দুপুরবেলা ঘুমুচ...
30/05/2025

স্বামীজী একবার মঠে নিয়ম করেছিলেন যে দ্বিপ্রহরে কেউ ঘুমাতে পারবে না। আমি বাগানে কাজকর্ম করে এসে খেয়ে-দেয়ে দুপুরবেলা ঘুমুচ্ছি। স্বামীজী এসে আমায় জোর করে বিছানা থেকে ফেলে দিলেন। আমি তো লজ্জায় ধড়মড় করে উঠে পড়লুম। কিন্তু স্বামীজী তার কিছুক্ষণ পরেই কানাই মহারাজকে দিয়ে আমায় ডেকে পাঠালেন। আমি যেতেই একেবারে আমার পায়ের উপর পড়ে কান্না! আমি একবারে অবাক। একি কাণ্ড! আমি যত বলি, ‘স্বামীজী কি করছো ভাই, স্বামীজী কি করছো ভাই!’ তিনি ততই বলেন, ‘ভাই ঠাকুর তোদের কতো ভালোবাসতেন, আর আমি কি করছি বল্ দিকি, কত কষ্ট দিচ্ছি বল্ দিকি! তা ভাই তোদের বলবো না তো আর বলবো কাকে! তোদের উপর জোর করবো না তো করবো কার উপর! আমার ধকল সইবে কে ভাই!’ আহা! স্বামীজীর কি ভালোবাসা, তা কি মুখে বলে বোঝানো যায়!


[•]স্বামী প্রেমানন্দ[•]
(স্বামী প্রেমানন্দের জীবন ও স্মৃতিকথা, পৃ. ১৩১)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমাদের সনাতন ধর্ম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আমাদের সনাতন ধর্ম:

Share