ইসলামী জাগরণ

ইসলামী জাগরণ এটা একটি ইসলামিক পেজ।এখানে হাদিস,কোর?

04/05/2025

হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনে আস রাযি. থেকে বর্ণিত।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামত দিবসে এক ব্যক্তিকে দাঁড়িপাল্লার নিকট নিয়ে আসা হবে। তারপর পাপ ও গুনাহে ভরা তার নিরানব্বইটি খাতা বের করা হবে। প্রত্যেকটি দৃষ্টির প্রান্তসীমা পর্যন্ত বড়। সেগুলোকে এক পাল্লায় রাখা হবে। অত:পর পিপীলিকার মত ছোট একটি কাগজ বের করা হবে।
তাতে লিপিবদ্ধ থাকবে-
أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ

مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

এবং তা অপর পাল্লায় রাখা হবে। ফলে তা গুনাহের
পাল্লা থেকে ভারী হয়ে যাবে।

02/12/2024

নবী (সাঃ) বলেছেন,
“তোমরা একে অপরকে উপহার দাও,
কেননা তাতে পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।"
অর্থ: এই হাদিসটি আমাদের শিখায় যে, একে অপরকে উপহার দেওয়া একটি সুন্দর কাজ। এতে মানুষের মধ্যে ভালোবাসা আরো বৃদ্ধি পায়।

09/01/2019

Trees are our friends. It helps us in many ways. It let us live.
lt provides us with shadow, food, fuel, medicine and oxygen.
It adds beauty to our environment. Trees are our valuable
assets, So the government has emphasized an planting trees...

07/12/2017

চার মাজহাব' সম্পর্কে নবীজী (সা:) এর ভবিষ্যদ্বাণীঃ
-----------------------------------------------------------------------
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ(রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নাবী(সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি একটি সরল রেখা টানলেন এবং তাঁর ডান দিকে দুটি সরল রেখা টানলেন এবং বাম দিকেও দুটি সরল রেখা টানলেন। অতঃপর তিনি মধ্যবর্তী রেখার উপর তাঁর হাত রেখে বলেনঃ এটা আল্লাহ্‌র রাস্তা। অতঃপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন এবং "এ পথই আমার সরল পথ। অতএব তোমরা এ পথেরই অনুসরণ করো এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করো না, অন্যথায় তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে" [সূরা আনআম ৬: ১৫৩]
সূত্র:-সুনানে ইবনে মাজাহ, অধ্যায়ঃ ভূমিকা পর্ব, হাদিস নম্বরঃ ১১ হাদিসের মান- সহীহ । তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: আহমাদ ১৪৮৫৩, তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
পৃথিবীতে যে চারটি মাজহাব হবে এ হাদীস তার জাজ্জ্বল্য প্রমাণ। হাদীসটি খেয়াল করুন, 'ডানে দুটি দাগ ও বামে দুটি দাগ' অর্থাৎ, হানাফী ও শাফেঈ একদিকে আর অন্যদিকে মালেকী ও হাম্বলী মাজহাব। আর আজকের এই ফেৎনাময় বিশ্বে মুসলিমরা যত দল, মতবাদ, ফির্কা, তরিকায় বিভক্ত হোক না কেন তবুও সবার মাঝে উক্ত ৪ মাজহাব হল কমন ফির্কা।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা করুন, এদেশে দেওবন্দী ও বেরেলভী ফির্কা আছে। উভয়ে নিজেদের মাঝে 'কুফরী' ফতোয়া পর্যন্ত দিয়েছে, তারপরও তারা একই 'হানাফী' মাজহাব ফির্কায় বন্দী। অনুরূপ তাবলীগ জামাত, হেফাজতে ইসলাম প্রায় সবার নিজেদের মাঝে রয়েছে দ্বন্ধ, তবে হানাফী মাজহাব ফির্কায় বন্দী।
এদেশের প্রত্যেক পীর ও পীরের তরিকা ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু চরমুনাই, হাটহাজারী পীর, দেওয়ানবাগী, শর্শিনাপীর, চন্দ্রপুরী, রাজারবাগী, ফুলতুলী, আটরশি, মাইজভান্ডারী ইত্যাদি যত পীর তরিকা আছে সবাই এক ফির্কা তথা 'হানাফী' মাজহাব ফির্কায় বন্দী। এখন যদি প্রশ্ন করি, 'হানাফী' মাজহাব ঠিক হলে সেই মাজহাবে এত দল ও উপদল কেন? এখন প্রত্যেক উপদল ভাবছে তার দল ঠিক, সবাই তো ঠিক না। অর্থাৎ, বাতিলের ভিতরেও আরও বাতিল।। অন্ধকারের উপর আরও ঘন অন্ধকার।।
নবীজী হাদীসের মাধ্যমে এটাই় প্রমাণ করলেন, পৃথিবীতে কমন চারটি বড় দল তৈরী হবে। বাস্তবতা দেখুন, প্রত্যেক দল উক্ত চারটি মাজহাবের কোনও না কোনও মাজহাবের তাক্বলিদকারী। হাদীসে নবীজী মধ্যে অন্য একটি রেখা টেনে বললেন, এটাই আল্লাহর পথ। অর্থাৎ, চার মাজহাব অনুসরণ করতে গিয়ে এই চিরাচরিত শ্বাশত আল্লাহ্ ও রাসূলের পথ ও মাজহাব হতে সরে যাবে অনেকে। আর সেসব মানুষকে সতর্ক করতেই রাসূল (সা:) সতর্ক করেছেন। এখন হতে ১৪শ বছর পূর্বেই নবী (সাঃ) বর্তমানে বড় ফিৎনা ৪ মাজহাব নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। যা আজ বাস্তব ও চাক্ষুষ প্রমাণ দেখছি।।
⚛️ আসুন মাযহাবী গোড়ামি ছেড়ে কুরআন ও সুন্নাহ মেনে চলি!
কুরান ও সুন্নাহ অনুসরণ করলেই আপনি "আহলে হাদীস".
Courtesy আহলে হাদিস ভোলা জেলা।

03/12/2017

ডা জাকির নায়েক এই পোপকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন আলোচনা করার জন্য যে ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম।আলোচনা হবে, তার ভিডিও হবে এবং তা সবাই দেখবে। কিন্তু সে রাজি হয়নি। এতো বড় সাহসি ব্যক্তি যে কিনা খ্রিষ্টান পোপকে চ্যালেন্জ করে আর সেই নাকি খ্রিষ্টানের দালাল। হাসি পায় হুজুর কি বলে না বলে সে নিজেই জানে না (সব হুজুর নয়)। হুজুরের মাথায় কাঁচা গু আর গোবর ছাড়া আর কিছু আছে কিনা সেটা এক্সরে করে দেখা দরকার। আসলে তাদের জ্ঞান খুবই সংকীর্ন। ডা: জাকির নায়েকের মত হওয়ার চেষ্টা করেন কারন সে কোনো লেকচার দিতে টাকা নেন না।
আজকে সারাবিশ্বের ক্যাথলিক খৃষ্ঠানদের ধর্মগুরু, ইসলামের দুশমন এই দেশে এসেছে। কোনো কাঠমোল্লা, ধর্ম ব্যবসায়ী, ভন্ড হুজুর, পেট পকেট পূজারী আলেম, টাউট বাটপার-ঈমান চোর পীর সাব, ইসলামে ভেদাভেদ সৃষ্টিকারী ভুয়া মাঝবধারী, বিভিন্ন তরীকার আলেম-হুজুর, তাবলীগি মুরুব্বী, কওমী, দেওবন্দী, বেরেলভি, রিজভী, রেজাখানি, চিশতিয়া, সাবেরিয়া, ভাণ্ডারী,-কেউ একটা কোনো টু শব্দটা পর্যন্ত করলোনা এই পোপের আগমনে।।
অথচ ডাঃ জাকির নায়েক যখন বাংলাদেশে আসবে প্রচার হলো, উপরোক্ত জানোয়ারগুলোর রাতের ঘুম, সুখ শান্তি, ক্ষুধা কোথায় যেন উড়ে গেলো!!! তারা সবাই এক হয়ে কঠোর আন্দোলন শুরু করে দিলো। কেউ কেউ জাকির নায়েকের আগমন ঠেকানো ফরজ এবং ঈমানী দায়িত্ব ঘোষণা করে দিলো!!!
কত ভন্ড, বেয়াদব, জাহেল, টাউট, বাটপার আমাদের এই মুসলিম সমাজের আলেম নামধারী কুলাঙ্গারগুলো!!! আজকে তো এই উম্মত এবং জাতির কাছে স্পষ্ট প্রমাণিত যে কে বা কারা ইহুদীদের দালাল!!! খৃষ্ঠানদের দালাল!!!
নিচের ছবিতে পুরোপুরি স্পষ্ট হয়ে গেল যে পোপ দেশে আসায় কারা খুশি হয়েছে, কাদের মিশন বাস্তবায়িত হয়েছে, কারা ইহুদি খৃষ্ঠানদের দালালি করছে।। ভন্ড মওলানা, কওমী-দেওবন্দিদের পীর সাহেব ফরিদ উদ্দিন মাসুদ পোপকে নিয়ে মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করছেন!!!
আল্লাহ তুমি সব জানো কার অন্তরে কি আছে। কে কোন মিশন বাস্তবায়ন করছে।। তুমি অবশ্যই সবাইকে সবার প্রাপ্য প্রতিদান দিবা। সেই অপেক্ষায় রইলাম।।

28/08/2017

আসুন সহীহ্ হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি
আকিকা ও কুরবানি-
আসুন জেনে নেই কিছু বিধি বিধানঃ
কোরবানীর সাথে ভাগে আকীকা দেয়াঃ ===
আমাদের দেশে সাতভাগে গরু দিয়ে কুরবানী করার ক্ষেত্রে আকীকার অংশীদার হওয়ার নিয়ম ব্যপকভাবে প্রচলিত আছে। এটি হাদীছ সম্মত নয়। একটি গরু দিয়ে একজন সন্তানের আকীকা করা যদি ঠিক না হয়, তাহলে কুরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকীকা করা সঠিক হওয়ার প্রশ্নই আসে না। সর্বোপরি কতিপয় আলেম কোরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকীকা দিলে তা বৈধ হবে বলে মত দিয়েছেন। কিন্তু তা হাদীছ সম্মত নয়। আক্বীকা একটি ইবাদত যার সময়- কাল ও উদ্দেশ্য স্বতন্ত্র। অনুরূপ কুরবানীও একটি স্বতন্ত্র ইবাদত যার সময়-কাল ও উদ্দেশ্য নির্ধারিত। কিন্তু উভয়কে একত্রীকরণে উভয়ের সময় ও উদ্দেশ্য তথা উভয় ইবাদতকে একীকরণ করা হয়, যা নিঃসন্দেহে ভুল তথা শরীয়তে হস্তক্ষেপ।
আকীকার ক্ষেত্রে কিছু ভ্রান্ত বিশ্বাসঃ ====
কিছু লোক বিশ্বাস করে যে, সন্তানের পিতা- মাতা এবং যে সন্তানের আকীকা দেওয়া হলো, সে সন্তান আকীকার গোশত খেতে পারবেনা। এটি একটি ভ্রান্ত বিশ্বাস। এ মর্মে কোন দলীল-প্রমান নাই। আকীকার গোশত কুরবানীর গোশতের মতই। পরিবারেই সবাই খেতে পারবে।
আকীকা দিতে অক্ষম হলেঃ ====
দারিদ্রতার কারণে আকীকা দিতে অক্ষম হলে, আর্থিক অবস্থার উন্নতি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। যখনই সামর্থবান হবে, তখনই আকীকা করবে। আর যদি আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হয় এবং আকীকা দিতে না পারে, তাহলে কোন গুনাহ হবেনা।
আল্লাহ তা‘য়ালা বলেনঃ “আল্লাহ তা‘য়ালা কারও উপর সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেননা। (সূরা বাকারা-২৮৬)
আল্লাহ তা‘য়ালা আরও বলেনঃ “আল্লাহ তা‘য়ালা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠিন বিষয় চাপিয়ে দেননি। (সূরা হজ্জঃ৭৮)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তোমাদের সাধ্য অনুযায়ী”। (সূরা তাগাবুন-১৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যখন আমি তোমাদেরকে কোন কাজের আদেশ দেই, তখন সাধ্য অনুযায়ী তোমরা তা পালন কর। আর যখন কোন কাজ হতে নিষেধ করি, তখন তা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাক”।
উপরোক্ত দলীল গুলোর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, আকীকাসহ যে কোন আমলই হোক না কেন, অক্ষমতার কারণে পালন করতে না পারলে কোন গুনাহ হবেনা। কিন্তু নিষিদ্ধ বিষয়ের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্নরূপ। সবধরণের নিষেধ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে। কারণ নিষেধ থেকে বিরত থাকতে কোন কষ্ট হয়না বা আর্থিক সচ্ছলতার দরকার পড়ে না। সন্তানের আকীকা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতে মুহাম্মাদী। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদেরকে এ গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতটি যথাযথভাবে পালন করার তাওফীক দেন। আমীন!
লেখক: আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদী আরব।আসুন সহীহ্ হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি
আকিকা ও কুরবানি-
আসুন জেনে নেই কিছু বিধি বিধানঃ
কোরবানীর সাথে ভাগে আকীকা দেয়াঃ ===
আমাদের দেশে সাতভাগে গরু দিয়ে কুরবানী করার ক্ষেত্রে আকীকার অংশীদার হওয়ার নিয়ম ব্যপকভাবে প্রচলিত আছে। এটি হাদীছ সম্মত নয়। একটি গরু দিয়ে একজন সন্তানের আকীকা করা যদি ঠিক না হয়, তাহলে কুরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকীকা করা সঠিক হওয়ার প্রশ্নই আসে না। সর্বোপরি কতিপয় আলেম কোরবানীর গরুর সাথে ভাগে আকীকা দিলে তা বৈধ হবে বলে মত দিয়েছেন। কিন্তু তা হাদীছ সম্মত নয়। আক্বীকা একটি ইবাদত যার সময়- কাল ও উদ্দেশ্য স্বতন্ত্র। অনুরূপ কুরবানীও একটি স্বতন্ত্র ইবাদত যার সময়-কাল ও উদ্দেশ্য নির্ধারিত। কিন্তু উভয়কে একত্রীকরণে উভয়ের সময় ও উদ্দেশ্য তথা উভয় ইবাদতকে একীকরণ করা হয়, যা নিঃসন্দেহে ভুল তথা শরীয়তে হস্তক্ষেপ।
আকীকার ক্ষেত্রে কিছু ভ্রান্ত বিশ্বাসঃ ====
কিছু লোক বিশ্বাস করে যে, সন্তানের পিতা- মাতা এবং যে সন্তানের আকীকা দেওয়া হলো, সে সন্তান আকীকার গোশত খেতে পারবেনা। এটি একটি ভ্রান্ত বিশ্বাস। এ মর্মে কোন দলীল-প্রমান নাই। আকীকার গোশত কুরবানীর গোশতের মতই। পরিবারেই সবাই খেতে পারবে।
আকীকা দিতে অক্ষম হলেঃ ====
দারিদ্রতার কারণে আকীকা দিতে অক্ষম হলে, আর্থিক অবস্থার উন্নতি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। যখনই সামর্থবান হবে, তখনই আকীকা করবে। আর যদি আর্থিক অবস্থার উন্নতি না হয় এবং আকীকা দিতে না পারে, তাহলে কোন গুনাহ হবেনা।
আল্লাহ তা‘য়ালা বলেনঃ “আল্লাহ তা‘য়ালা কারও উপর সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপিয়ে দেননা। (সূরা বাকারা-২৮৬)
আল্লাহ তা‘য়ালা আরও বলেনঃ “আল্লাহ তা‘য়ালা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠিন বিষয় চাপিয়ে দেননি। (সূরা হজ্জঃ৭৮)
আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ “তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তোমাদের সাধ্য অনুযায়ী”। (সূরা তাগাবুন-১৬)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যখন আমি তোমাদেরকে কোন কাজের আদেশ দেই, তখন সাধ্য অনুযায়ী তোমরা তা পালন কর। আর যখন কোন কাজ হতে নিষেধ করি, তখন তা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাক”।
উপরোক্ত দলীল গুলোর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, আকীকাসহ যে কোন আমলই হোক না কেন, অক্ষমতার কারণে পালন করতে না পারলে কোন গুনাহ হবেনা। কিন্তু নিষিদ্ধ বিষয়ের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্নরূপ। সবধরণের নিষেধ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকতে হবে। কারণ নিষেধ থেকে বিরত থাকতে কোন কষ্ট হয়না বা আর্থিক সচ্ছলতার দরকার পড়ে না। সন্তানের আকীকা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতে মুহাম্মাদী। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদেরকে এ গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতটি যথাযথভাবে পালন করার তাওফীক দেন। আমীন!
লেখক: আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদী আরব।

Address

Gazipur
Dhaka
1122

Telephone

019618

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী জাগরণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share