শ্রী শ্রী রাধা-গিরিধারী মন্দির, মাদারীপুর

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শ্রী শ্রী রাধা-গিরিধারী মন্দির, মাদারীপুর

শ্রী শ্রী রাধা-গিরিধারী মন্দির, মাদারীপুর The Sri Sri Radha Giridhari Mandir in the close area of Pathak kandi,oldBus stand, Madaripur. He has coined the first p

Srila Prabhupada outlined four major phases for the overall preaching movement of Lord Caitanya, to which he gave specific names.

হরে কৃষ্ণ! 🙏✨​আগামী পবিত্র শুভ জন্মাষ্টমী, নন্দোৎসব এবং শ্রীল প্রভুপাদের শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মাদারীপুর শ্রী শ্রী র...
03/09/2026

হরে কৃষ্ণ! 🙏✨
​আগামী পবিত্র শুভ জন্মাষ্টমী, নন্দোৎসব এবং শ্রীল প্রভুপাদের শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মাদারীপুর শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী ইসকন মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ ধর্মীয় মহোৎসব।
​এই পরম পবিত্র তিথিতে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অপার কৃপা ও আশীর্বাদ লাভে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সাদর নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি। 🌸
​🗓 অনুষ্ঠানসূচি:
​[ জন্মাষ্টমীর দিন ]
🔸 বিকাল ৪:০০ টা: মহামন্ত্রে মুখরিত মধুর কীর্তন মেলা শুরু
🔸 রাত ৮:০০ টা: ভগবানের পরম পবিত্র মহা অভিষেক
🔸 অভিষেক শেষে: অনুকল্প মহাপ্রসাদ আস্বাদন
​[ পরের দিন ]
🔸 পরম আনন্দের নন্দোৎসব উদযাপন
🔸 ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য শ্রীল প্রভুপাদের শুভ আবির্ভাব তিথি পালন
​আসুন, হরিনাম সংকীর্তনে অংশ নিয়ে এবং অনুকল্প মহাপ্রসাদ গ্রহণ করে জীবনকে ধন্য করি। 🌿✨
​📍 স্থান: শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী ইসকন মন্দির, মাদারীপুর।
​— বিনীত:
শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষ, মাদারীপুর।

24/07/2026

উল্টা রথযাত্রায় শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব সুভদ্রা মহারানীর ভোগ দরশন😍

"জয় জগন্নাথ! জয় বলদেব! জয় সুভদ্রা মহারানী!" 🪔✨পরম করুণাময় জগৎপতি শ্রী জগন্নাথ দেবের অসীম কৃপায় অত্যন্ত ভক্তি ও আনন্দঘন...
18/07/2026

"জয় জগন্নাথ! জয় বলদেব! জয় সুভদ্রা মহারানী!" 🪔✨

পরম করুণাময় জগৎপতি শ্রী জগন্নাথ দেবের অসীম কৃপায় অত্যন্ত ভক্তি ও আনন্দঘন পরিবেশে "শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী মন্দিরে" অত্যন্ত সফলভাবে উদযাপিত হলো পরম পবিত্র রথযাত্রা মহোৎসব।

ভক্তদের জয়ধ্বনি, হরিনাম সংকীর্তন আর ভক্তিভরে রথের রশি টানার মধ্য দিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণ এক স্বর্গীয় রূপ ধারণ করেছিল। রথে চড়ে ভক্তদের দর্শন দিতে এবং তাঁদের হৃদয়ে ভক্তির আনন্দ ছড়িয়ে দিতেই শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা দেবীর এই রথযাত্রা।

আজকের এই পুণ্যলগ্নে সকল ভক্তের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। প্রভু জগন্নাথের কৃপায় সবার জীবন সুখ, শান্তি ও মঙ্গলে ভরে উঠুক। 🙏🌸

16/07/2026
22/05/2026
03/03/2026

কীভাবে পালন করবেন গৌর পূর্ণিমা ব্রত?

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু রূপে এসেছেন। এই বিষয়ে বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, তন্ত্র, স্মৃতি শাস্ত্রে নানা ভবিষ্যৎবাণী মহাপ্রভুর আবির্ভাবের আগেই প্রদত্ত হয়েছে। (এই পোস্টের কমেন্টে তা উল্লেখ করা হয়েছে) অতএব শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু যেহেতু স্বয়ং কৃষ্ণ, তাই তাঁর আবির্ভাব তিথি পালন করাও কৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি পালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি কৃষ্ণের থেকে মহাপ্রভু অধিক কৃপালু বলে, এই উৎসব পালনের কোনো বিকল্প নেই।
তাই যারা কেবল দোল‌পূর্ণিমা পালন করবেন, অথচ গৌর পূর্ণিমা কীভাবে পালন করতে হয় বিষয়ে অনভিজ্ঞ, তাদের জন্য আজকের আলোচনা।
গৌর পূর্ণিমা ব্রত পালন কর্তব্য কেন?
ভগবানের আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে ব্রত ও উৎসব পালন করা সকলেরই কর্তব্য। যেহেতু শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, তাই গৌর পূর্ণিমা ব্রত পালন অবশ্য করণীয়।

কারা এই ব্রত পালন করতে পারে?

১. ৮ থেকে ৮০ বছর পর্যন্ত কলের জন্যেই একাদশী এবং অন্যান্য বিষ্ণুব্রত পালন বাধ্যতামূলক।

২. কোনো রকম অশৌচ থাকলেও এই ব্রত পালন করতে হব। পদ্মপুরাণে [উত্তরখণ্ড, ৫১।৭-৮] বলা হয়েছে,

সূতকেঽপি ন ভোক্তব্যং নাশৌচ চ জনাধিপ।
যাবজ্জীবং ব্রতমিদং কর্ত্তব্যং পুরুষর্ষভ॥

~“জন্মাশৌচ বা মৃতাশৌচেও বিষ্ণুব্রতে ভোজন করিবে না। হে পুরুষশ্রেষ্ঠ! যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন এ বিষ্ণুব্রত পালন করা কর্তব্য।”

কখন ও কতক্ষণ এই ব্রত পালন করতে হয়?
যেহেতু পরমেশ্বর ভগবান শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু দোলপূর্ণিমা তিথিতে সন্ধ্যায় আবির্ভূত হয়েছেন, তাই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি জন্মাষ্টমীর মতো গৌর পূর্ণিমা তিথিও একাদশীর মতোই পালন করতে হবে‌। উত্তম বিধি হলো, পরদিন সকাল‌ পর্যন্ত নির্জলা ব্রত, অন্যথায় পর্যন্ত কমপক্ষে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস পালন করতে হবে। এরপর অনুকল্প গ্রহণ করা যাবে। যারা একান্তই অসমর্থ তারা একাদশীর মতোই পালন করতে পারেন।

শিশু, বৃদ্ধ, নির্জলায় অসমর্থ, গর্ভবতী ও অসুস্থদের জন্য কী বিধান?

মহাভারতে [উদ্যোগপর্ব, ৩৯।৭০] বলা হয়েছে,

অষ্টৈতান্যব্ৰতঘ্নানি আপো মূলং ফলং পয়ঃ।
হরির্ব্রাহ্মণকাম্যা চ গুরোর্বচনমৌষধম্॥

~ ফল, মূল, ক্ষীর, ঘৃত, ব্রাহ্মণের নির্দেশ, গুরুর বচন ও ঔষধ এই আটটি ব্রত-নাশক নহে।

অতএব শিশু, বৃদ্ধ, নির্জলায় অসমর্থ, গর্ভবতী ও অসুস্থরা ফল-জল প্রভৃতি অনুকল্প গ্রহণ করে উপবাস করতে পারবেন। এমনকি অসুস্থরা প্রয়োজনীয় ঔষধও সেবন করতে পারবেন। এছাড়াও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণিত হয়েছে, উপবাসাসমৰ্থশ্চ ফলমূলজলং পিবেৎ। অর্থাৎ, উপবাসে অসমর্থ হইলে, ফল-মূল ভোজন ও জল পান করিবেন।

• উপবাসে কি কি নিয়ম পালন করতে হবে?
১. আগের দিন রাতে তাড়াতাড়ি আহার করা ও নিদ্রা যাওয়া।
২. (যারা নিরামিষ ভোজী নন) তাদের উচিত আগেরদিন নিরামিষ গ্রহণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
৩. গৌর পূর্ণিমার দিন যত দ্রুত সম্ভব ঘূম থেকে উঠে পড়া। ব্রাহ্মমুহূর্ত হলো সর্বোত্তম। অন্যথায় সূর্যোদয়ের সময় উঠতে চেষ্টা করতে হবে।
৪. সকালেই স্নান‌ সমাপন করে ভগবানের হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে করতে মঙ্গল আরতি করা।
৫. তুলসী পূজা ও জলদান করা।
৬. শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পাঠ করা
৭. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ যেন সকলেই হরে কৃষ্ণ জপ ও কীর্তন করে, তাই জপ মালায় আজ বেশি বেশি হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা এবং কীর্তন করা।
৮. সাধুদের মুখে (সরাসরি সম্ভব না হলে অনলাইনেও সম্ভব, যেমন ইউটিউবে Mayapur TV Bangla) শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলাকথা শ্রবণ করা।
৯. এভাবে গৌর স্মরণ, গৌর কীর্তন করে দিন অতিবাহিত করা, সম্ভব হলে নিকটবর্তী মন্দিরে গিয়ে ভক্তসঙ্গ করা।
১০. সন্ধ্যায় সম্ভব হলে গৌর নিত্যানন্দের শ্রী বিগ্রহ বা চিত্রপটে পঞ্চামৃত দ্বারা অভিষেক করা অথবা মন্দিরে অভিষেক দর্শন করা।
১১. অভিষেকের পর অনুকল্প প্রসাদ গ্রহণ করা যাবে।
১২. অভিষেকাদি অনুষ্ঠানের সময় হরে কৃষ্ণ কীর্তন করা।

তাহলে আবির খেলব কখন?
আবির ভগবানের শ্রী চরণে নিবেদন করে নিজেরা এক অপরের মস্তকে লাগিয়ে দেওয়ার বিধান। সকালে বা বিকালে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শ্রীশ্রী গৌর-নিতাইয়ের চরণে আবির নিবেদন করা যেতে পারে।

পরদিন বিশেষ কিছু?
তযেহেতু শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাবের পরদিন তাঁর পিতা শ্রীল‌ জগন্নাথ মিশ্র মহোৎসব করেছিলেন, তাই পরদিন মহাপ্রভুর প্রিয় নানা শাক-সবজি ব্যাঞ্জন রান্না করে ভোগ নিবেদন করে গ্রহণ করতে হবে।

সর্বোপরি যত বেশি সম্ভব হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করতে হবে। কেননা এর দ্বারাই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সবথেকে বেশি সন্তুষ্ট হন। বিশেষত এই দুইদিন যা করা যেতে পারে —
১. প্রতিদিনের তুলনায় বেশি সংখ্যক হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা। যেমন কেউ ১৬ মালা জপ করেন, তিনি ২৪, ৩২, ৬৪ বা এরকম করতে পারেন। আবার যারা ৮ মালা জপ করেন তারাও ১২, ১৬, ২৪ ইত্যাদি করতে পারেন। এগুলো কেবল উদাহরণ হিসেবে বলা হলো। যাদের দিনব্যাপী সময় আছে, তারা অবশ্যই বেশি বেশি
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে পারেন।
২. একাকী অথবা ভক্তসঙ্গে হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে পারেন।
৩. গৃহে অথবা মন্দিরে নাম সংকীর্তনে অংশ নিতে পারেন।
৪. পাড়া প্রতিবেশীদের নিয়ে গৃহে সংকীর্তন, নগর সংকীর্তন করতে পারেন।
৫. সাধু মুখে হরি কথা শুনতে হবে।
৬. অভিষেক প্রভৃতি অনুষ্ঠানের সময়েও হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে হবে।

শুভ গৌর পূর্ণিমা ২০২৬❤️💗
03/03/2026

শুভ গৌর পূর্ণিমা ২০২৬❤️💗

শুভ গৌর পূর্ণিমা ২০২৫ 🌸​মাদারীপুরবাসী ও সকল ভক্তবৃন্দের জন্য আনন্দের সংবাদ! আগামী গৌর পূর্ণিমা তিথি উপলক্ষে শ্রী শ্রী রা...
03/03/2026

শুভ গৌর পূর্ণিমা ২০২৫ 🌸
​মাদারীপুরবাসী ও সকল ভক্তবৃন্দের জন্য আনন্দের সংবাদ! আগামী গৌর পূর্ণিমা তিথি উপলক্ষে শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী ইসকন মন্দির পাঠককান্দি-তে এক বিশেষ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
​মহাপ্রভুর চরণে ভক্তি নিবেদনের এই মহালগ্নে আমাদের আয়োজনে থাকছে:
📖 গীতা পাঠ
🎶 ভক্তিগীতি ও ভজন
🎭 ধর্মীয় নাটক
🙏 সাংস্কৃতিক পরিবেশনা
​📢 অংশগ্রহণের সুযোগ:
​আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি এই পবিত্র মঞ্চে গীতা পাঠ, ভজন পরিবেশন বা নাটকে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী হন, তবে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। আমাদের স্থানীয় প্রতিভা তুলে ধরতে এবং ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত হতে আপনার অংশগ্রহণ আমাদের একান্ত কাম্য।
​📍 যোগাযোগ:
সিদ্ধি দেবী দাসী
পাঠককান্দি, মাদারীপুর।
📞 ফোন: 01885140379
​আসুন, সকলে মিলে এই মহোৎসবকে আনন্দময় ও সার্থক করে তুলি। জয় শচী নন্দন গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু! 🙏✨
​ #মাদারীপুর #গৌরপূর্ণিমা #রাধা_গিরিধারী_ইসকন_মন্দির #সাংস্কৃতিক_অনুষ্ঠান

🌕✨ চন্দ্রগ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশনা– ২০২৬ ✨🌕শ্রী গৌর পূর্ণিমা দিবসে চন্দ্রগ্রহণ উপলক্ষে করণীয় প্রটোকল সম্পর্কে বহু মন্দি...
28/02/2026

🌕✨ চন্দ্রগ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশনা– ২০২৬ ✨🌕

শ্রী গৌর পূর্ণিমা দিবসে চন্দ্রগ্রহণ উপলক্ষে করণীয় প্রটোকল সম্পর্কে বহু মন্দিরের জিজ্ঞাসার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নিম্নলিখিত পূজনীয় জি.বি.সি গনের নিকট নির্দেশনা প্রার্থনা করি—

🔹 HH ভানু স্বামী মহারাজ
🔹 HH ভক্তি-পুরুষোত্তম স্বামী মহারাজ
🔹 HH গুরু-প্রসাদ স্বামী মহারাজ
🔹 HH জয়পতাকা স্বামী মহারাজ
🔹 HG রেবতী-রমণ প্রভু

তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছরের গৌর পূর্ণিমা উৎসবে নিম্নলিখিত নির্দেশাবলী পালন করা যেতে পারে—

━━━━━━━━━━━━━━
🛕 বিগ্রহ সেবা
━━━━━━━━━━━━━━
গ্রহণ দিবসের নিয়মিত প্রটোকল (IDWM Position Paper অনুযায়ী) অনুসারে বিগ্রহ সেবা চলমান থাকবে।
আরতি, রান্না, নৈবেদ্য প্রদান ইত্যাদি দৈনিক সেবার সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন হবে না।
প্রয়োজন হলে পর্দা বন্ধ রেখে সেবা সম্পন্ন করা যেতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━
👁️ দর্শন ব্যবস্থা
━━━━━━━━━━━━━━
স্থানীয় পরিস্থিতি অনুযায়ী যদি গ্রহণের পরে দর্শন দেওয়া প্রয়োজন হয়, তবে গ্রহণ শেষ হওয়ার পর সর্বসাধারণের জন্য দর্শন উন্মুক্ত করা হবে।

━━━━━━━━━━━━━
🎶 কীর্তন ও কথা
━━━━━━━━━━━━━━
গ্রহণ শুরু বা শেষ যেকোনো সময়েই কীর্তন ও হরিকথা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে পারে।
ভক্তবৃন্দ গ্রহণের আগে, সময়ে অথবা পরে সমবেত হয়ে কীর্তন ও কথা শ্রবণ করতে পারবেন।

━━━━━━━━━━━━━━
🍚 ভোগ (ভোজ) প্রস্তুতি
━━━━━━━━━━━━━━
গ্রহণ শুরুর পূর্বে (বিকাল ৩.৫০ মি.) ভোগ প্রস্তুত ও নিবেদন করা যেতে পারে।
অভিষেক ও গৌর আরতির পর প্রসাদ বিতরণ করা হবে।
প্রসাদ গ্রহণের পূর্বে ভক্তবৃন্দ গঙ্গাজল মাথায় ছিটিয়ে শুদ্ধ হতে পারেন।
নিয়মিত নৈবেদ্য বিগ্রহের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।

━━━━━━━━━━━━━━
🪔 অভিষেক প্রস্তুতি
━━━━━━━━━━━━━
মন্দির কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেকোনো সময় অভিষেকের প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।
গ্রহণের আগে বা সময়ে প্রস্তুতি নিলে উপকরণে সুরক্ষার জন্য কুশ ও তুলসী রাখা বাঞ্ছনীয়।

━━━━━━━━━━━━━━
🌼 অভিষেক, গৌর আরতি ও প্রসাদ বিতরণ
━━━━━━━━━━━━━━
গ্রহণ শেষ হওয়ার পর (সন্ধ্যা ৭.১৮ মিনিট) স্থানভেদে সময় কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে) অভিষেক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
যাঁরা অভিষেকে অংশগ্রহণ করবেন (কিন্তু প্রস্তুতিতে যুক্ত ছিলেন না), তাঁরা সেবার পূর্বে স্নান করে শুচিবস্ত্র পরিধান করবেন।
এরপর গৌর আরতি ও প্রসাদ বিতরণ সম্পন্ন হবে।

━━━━━━━━━━━━━

Address

Pathak Kandi, Near Old Bustand, Madaripur
Dhaka
7900

Telephone

+8801911137779

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী রাধা-গিরিধারী মন্দির, মাদারীপুর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share