Islamic Update bd

Islamic Update bd islamic

21/07/2026

আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের দীনের উপর থাকার তাওফীক দান করুক আমীন।

#আমীন

সাইয়েদুল ইস্তিগফার—এটাকে বলা হয়—"ক্ষমা চাওয়ার সর্দার।"সাইয়েদুল ইস্তেগফার এর ফজিলত—১. জান্নাতের গ্যারান্টি: রাসুল (সা.) ব...
20/07/2026

সাইয়েদুল ইস্তিগফার—
এটাকে বলা হয়—"ক্ষমা চাওয়ার সর্দার।"
সাইয়েদুল ইস্তেগফার এর ফজিলত—
১. জান্নাতের গ্যারান্টি: রাসুল (সা.) বলেছেন : যে ব্যক্তি দিনে একবার দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এটা পড়বে, আর যদি ঐ দিনেই সে মারা যায় তাহলে সে জান্নাতি। আর যদি রাতে পড়ে ঐ ব্যক্তি রাতেই মারা যায় তাহলে সেও জান্নাতি। [সহিহ বুখারী: ৬৩০৬]
২. সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ইস্তেগফার: সব দু'আর মধ্যে আল্লাহর কাছে এটা সবচেয়ে প্রিয়।
৩. গুনাহ মাফ হয়ে যায়: ছোট-বড় সব গুনাহ মাফের জন্য এটাই যথেষ্ট। ইন শা আল্লাহ। (সহিহ বুখারী :৬৩০৬)
৪. দিল নরম হয় এবং টেনশন দূর হয়: নিয়মিত পড়লে মনের সকল অশান্তি কেটে যায়। আল্লাহ তার মনে প্রশান্তি এনে দেন।
কখন পড়বেন? : সকাল-সন্ধ্যা ১ বার করে। ফজর ও মাগরিবের পর পড়া সবচেয়ে উত্তম হবে।
সাইয়েদুল ইস্তেগফার:
اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت، أعوذ بك من شر ما صنعت، أبوء لك بنعمتك علي، وأبوء بذنبي فاغفر لي فإنه لا يغفر الذنوب إلا أنت*
উচ্চারণ: "আল্লাহুম্মা আংতা রব্বি লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাকতানি ওয়া আনা 'আবদুক। ওয়া আনা 'আলা 'আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাস্তাত'তু। আ'উযুবিকা মিন শাররি মা সনাত'তু। আবূউ লাকা বিনি'মাতিকা 'আলাইয়া, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বি। ফাগফিরলি ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আংতা।"
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছো। আমি তোমার বান্দা। আমি সাধ্যমত তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমাকে যে নিয়ামত দিয়েছো তা স্বীকার করছি। আমি আমার গুনাহও স্বীকার করছি। তাই আমাকে ক্ষমা করে দাও। কারণ তুমি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।
চলুন আজ থেকে অভ্যাস করি, ফজর এবং মাগরিবের পর ১বার করে পড়ার। — ইন শা আল্লাহ।

দুরুদ শরীফের বরকতে জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার একটি অনুপ্রেরণার গল্পআজ আপনাদের সঙ্গে একজন ভাইয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। ...
20/07/2026

দুরুদ শরীফের বরকতে জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার একটি অনুপ্রেরণার গল্প
আজ আপনাদের সঙ্গে একজন ভাইয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। তাঁর অনুমতি নিয়েই ঘটনাটি সংক্ষেপে লিখছি।
তিনি বলেন—
"একসময় আমি দ্বীন থেকে অনেক দূরে ছিলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত পড়তাম না। জীবনটা যেন শুধু দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ভরে গিয়েছিল। চাকরি ছিল না, সংসারে অভাব ছিল, আত্মীয়-স্বজনের নানা কথায় মন আরও ভেঙে যেত।
একদিন ইউটিউবে দুরুদ শরীফের ফজিলত নিয়ে একটি আলোচনা শুনলাম। মনে হলো, আল্লাহর দিকে নতুন করে ফিরে যাই। সেদিন থেকেই নিয়ত করলাম—প্রতিদিন অন্তত ১০০০ বার দুরুদে ইবরাহিম পাঠ করব। পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতিও যত্নবান হওয়ার চেষ্টা শুরু করলাম এবং আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করতে লাগলাম।"
"প্রথম কয়েক দিনেই বুঝতে পারলাম, আমার ভেতরের অস্থিরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগের মতো হতাশ লাগত না। মনে এক ধরনের প্রশান্তি আসতে শুরু করল।
এভাবে কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল। প্রায় ৩৪তম দিনের দিকে হঠাৎ একটি প্রতিষ্ঠানের ফোন পেলাম। যে চাকরির জন্য আগে বহুবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি, আল্লাহর ইচ্ছায় এবার সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই আমাকে নিয়োগের খবর দেওয়া হলো।
সেদিন আমি দীর্ঘ সিজদায় পড়ে শুধু আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছি। আমার বিশ্বাস, আল্লাহর রহমত, দোয়া, দুরুদ এবং তাঁর ওপর ভরসাই আমাকে নতুন করে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন—
আজও আমি নিয়মিত দুরুদ শরীফ পাঠ করি। এখন শুধু কোনো দুনিয়াবি প্রয়োজনের জন্য নয়; বরং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
শিক্ষা:
দুরুদ শরীফ একটি মহান ইবাদত। এটি অন্তরে প্রশান্তি আনে, দোয়ার উত্তম আদবের অংশ এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে আরও বেশি ফিরিয়ে আনে। তাই কোনো কষ্ট বা দুশ্চিন্তা এলে হতাশ না হয়ে নামাজ, দোয়া, ইস্তিগফার ও দুরুদকে নিজের জীবনের অংশ বানিয়ে নিন। আল্লাহ কখন, কীভাবে এবং কোন পথে কল্যাণ দান করবেন—তা একমাত্র তিনিই জানেন।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার এবং তাঁর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন🤲
#দুরুদ_শরীফ #দুরুদে_ইবরাহিম #দোয়া।

২ মিনিটে হওক আপনার কাংখিত আমল।   #আমল।  #আমল।।  #আমল।🤲💚🌹🌳  #আমল।প  #আমল।।।
13/07/2026

২ মিনিটে হওক আপনার কাংখিত আমল। #আমল। #আমল।। #আমল।🤲💚🌹🌳 #আমল।প #আমল।।।

একটি তাসবীহ, দুটি সূরা — কুরআনের ভেতরে লুকানো এক আশ্চর্য বৃত্তআমাদের সবচেয়ে পরিচিত তাসবীহগুলোর একটি —سُبْحَانَ اللهِ، و...
09/07/2026

একটি তাসবীহ, দুটি সূরা — কুরআনের ভেতরে লুকানো এক আশ্চর্য বৃত্ত
আমাদের সবচেয়ে পরিচিত তাসবীহগুলোর একটি —
سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। চারটি অংশ, ঠিক এই ক্রমে। ছোটবেলা থেকে পড়ে আসছি, তাই না?
এখন একটা প্রশ্ন করি। যদি বলি, এই তাসবীহটি কুরআনের মানচিত্রে আঁকা আছে — দুটি সূরা জুড়ে, একটি নিখুঁত বৃত্তের আকারে?
চলুন, দেখা যাক। সূরা ইসরা, কুরআনের ১৭ নম্বর সূরা। এর প্রথম শব্দ কী?
سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ
"পবিত্র ও মহিমান্বিত তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন..." (১৭:১)
তাসবীহর প্রথম অংশ — সুবহানাল্লাহ।
এর পরের সূরা, সূরা কাহাফ, ১৮ নম্বর। শুরু হচ্ছে কী দিয়ে?
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ
"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি তাঁর বান্দার ওপর কিতাব নাজিল করেছেন" (১৮:১)
দ্বিতীয় অংশ — আলহামদুলিল্লাহ।
এবার সূরা কাহাফের একেবারে শেষ আয়াতে চলে যান।
وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
"এবং সে যেন তার রবের ইবাদতে কাউকে শরিক না করে" (১৮:১১০)
এটা আপনাকে কোন কথাটা মনে করিয়ে দিচ্ছে? তৃতীয় অংশ — লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
আর এবার বৃত্তটা পূর্ণ করতে ফিরে আসুন সূরা ইসরার শেষ শব্দগুলোতে।
وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا
"এবং সসম্ভ্রমে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করুন" (১৭:১১১)
চতুর্থ অংশ — আল্লাহু আকবার।
পথটা আরেকবার দেখুন: ১৭-এর শুরু, ১৮-এর শুরু, ১৮-এর শেষ, ১৭-এর শেষ। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। দুটি সূরা মিলে একটি বৃত্ত — আর সেই বৃত্তের ওপর লেখা আপনার প্রতিদিনের তাসবীহ, নির্ভুল ক্রমে।
শুধু তা-ই নয়। সূরা ইসরার শেষ আয়াতে আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছেন — وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ — "বলুন, আলহামদুলিল্লাহ।" আর ঠিক তার পরের সূরাটি শুরুই হচ্ছে কোন শব্দ দিয়ে? আলহামদুলিল্লাহ। যেন এক সূরার নির্দেশ পালিত হচ্ছে পরের সূরার প্রথম শব্দে।
কিন্তু এই জোড়ার গল্প এখানেই শেষ নয়। আরও গভীরে যাওয়া যাক।
সূরা ইসরার শুরুর দিকে আল্লাহ বলেছেন ইহুদিদের ইতিহাস। আর সূরা কাহাফের শুরুতে? খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বিখ্যাত ঘটনা — আসহাবে কাহাফ — এবং সতর্কবার্তা তাদের প্রতি, যারা বলে আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন। সূরা ফাতিহায় আমরা প্রতিদিন এই দুই দলের কথাই পড়ি — الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ "যাদের ওপর গজব পড়েছে" (ইহুদিরা) আর الضَّالِّينَ "যারা পথভ্রষ্ট"(খ্রিস্টানরা)।
এখন সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশটা খেয়াল করুন। দুটি সূরাতেই ইবলিসের ঘটনা এসেছে, প্রায় একই ভাষায় — ফেরেশতাদের আদমকে সিজদা করতে বলা হলো, সবাই করলো, ইবলিস ছাড়া। শুরুটা এক, কিন্তু আয়াত দুটির শেষ ভিন্ন। কেন?
সূরা ইসরায় — যে সূরায় ইহুদিদের কথা — সেখানে ইবলিসের আপত্তিটা তুলে ধরা হয়েছে:
أَأَسْجُدُ لِمَنْ خَلَقْتَ طِينًا
"আমি কি তাকে সিজদা করবো, যাকে আপনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন?" (১৭:৬১)
এটা কীসের সমস্যা? অহংকারের। আর বনী ইসরাইলের সমস্যাটাও ছিল ঠিক এটাই — "একজন আরবকে আমরা নবী মানবো?" ইবলিসের যুক্তিরই প্রতিধ্বনি।
আর সূরা কাহাফে — যে সূরায় খ্রিষ্টানদের কথা — সেখানে একই ঘটনার শেষে বলা হলো:
كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ
"সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত, ফলে সে তার রবের আদেশ অমান্য করলো" (১৮:৫০)
এখানে জোর দেওয়া হলো আল্লাহর আদেশ অমান্য করার ওপর। কারণ খ্রিষ্টানদের একটা অংশ বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল — ঈসা (আ)-এর রক্তই তো আমাদের পাপমুক্ত করেছে, তাহলে আদেশ মানা না-মানায় আর কী আসে যায়? আর ওই একই আয়াতে প্রশ্ন তোলা হলো — তোমরা কি আমাকে বাদ দিয়ে তাকে ও তার বংশধরদের অভিভাবক বানিয়ে নেবে, অথচ তারা তোমাদের শত্রু? যে সম্প্রদায় পরিত্রাণদাতা 'সেইন্ট'-এর ধারণায় ডুবে ছিল, তাদের জন্য এর চেয়ে সরাসরি বার্তা আর কী হতে পারে?
একই ঘটনা, দুই সূরায় দুই সমাপ্তি — যার যে ওষুধ দরকার, তাকে সেটাই দেওয়া হয়েছে।
আরও আছে। সূরা ইসরার শেষে মুসা (আ) এসেছেন ফেরাউনের মুখোমুখি দাঁড়ানো নেতা হিসেবে — তাঁর প্রকাশ্য, বহির্মুখী জীবন। আর সূরা কাহাফে সেই মুসা (আ)-ই এসেছেন জ্ঞানের খোঁজে সফরে বের হওয়া এক বিনয়ী ছাত্র হিসেবে — তাঁর ব্যক্তিগত, অন্তর্মুখী আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান। এক ব্যক্তিত্বের দুই আয়না, দুই সূরায় ভাগ করা।
এক মুহূর্ত থামুন। যে কিতাব তেইশ বছর ধরে, ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে, খণ্ড খণ্ড করে নাজিল হয়েছে — তার দুটি সূরা কীভাবে এমন নিখুঁতভাবে একে অপরের সাথে গাঁথা থাকে? শুরুতে-শুরুতে, শেষে-শেষে, ঘটনায়-ঘটনায়? এই বিন্যাস কোনো মানুষের সম্পাদনার ফল হতে পারে না। এ কেবল তাঁরই কালাম হতে পারে, যিনি প্রথম আয়াত নাজিলের আগেই জানতেন — শেষ আয়াতটি কোথায় বসবে।
পরের পর্বে ইনশাআল্লাহ আরেকটি জোড়ার গল্প — যেখানে একটি পোশাকের দুটি অংশ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে দুটি সূরায়, আর সূরা দুটির মাঝে দূরত্ব নয়টি সূরার!
আল্লাহ আমাদের কুরআনের এই সৌন্দর্য নিয়ে ভাবার এবং প্রতিদিনের তাসবীহগুলোকে নতুন চোখে দেখার তৌফিক দান করুন। আমীন।

25/06/2026
নবী করীম ﷺ – এর চোখে নবী করিম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়েসর্বোত্তম !আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কিন...
19/06/2026

নবী করীম ﷺ – এর চোখে নবী করিম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়ে
সর্বোত্তম !
আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কি
না?
● ১.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ القُرْآنَ وَعَلَّمَهُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন
শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭)
● ২.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحَاسِنُكُمْ أَخْلَاقًا
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের
মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস
নম্বর : ৬০৩৫)
● ৩.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের
বেলায় ভালো।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩৩৫)
● ৪.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই
কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশা করে না।’ (তিরমিজি,
হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪০১)
● ৫.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের
কাছে ভালো।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭)
● ৬.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالًا
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে
বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।
(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)
● ৭.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ
সর্বোত্তম মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি
উপকারী।
(সহীহুল জামে’ হা/৩২৮৯, দারাকুতনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬)
● ৮.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
مَخْمُومُ القَلْبِ صَدُوقُ اللِّسَانِ قَالُوا صَدُوقُ اللِّسَانِ نَعْرِفُهُ فَمَا مَخْمُومُ القَلْبِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী।
সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! সত্যবাদী
মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল,
মুক্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাগাড়ম্বর বা জুলুম নেই,
নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।’
(ইবনে মাজাহ ৪২১৬, সহীহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১)
● ৯.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ الأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ
‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে
উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার
প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)
● ১০.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ أَحْسَنَكُمْ أَخْلَاقًا
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে
বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯)
● ১১.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন
خَيْرُ النَّاسِ مَنْزِلَةً رَجُلٌ عَلَى مَتْنِ فَرَسِهِ يُخِيفُ الْعَدُوَّ وَيُخِيفُونَهُ
মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে।
(সহীহুল জামিউস সাগীর ৪২৯১, সিলসিলা সহীহা ৩৩৩৩)
● ১২.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
لَمُؤْمِنٌ مُجَاهِدٌ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللهِ
ঐ মু'মিন (শ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে।
(বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ১৮৮৪-১৮৯৫)
~ সংগৃহীত

আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদেরকে আত্মীয়তার সম্পর্ক ও সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার তৌফিক দান করুক আমিন    #ᴀʟʟᴀʜᴜᴀᴋʙᴀʀ   ...
08/06/2026

আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদেরকে আত্মীয়তার সম্পর্ক ও সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার তৌফিক দান করুক আমিন

#ᴀʟʟᴀʜᴜᴀᴋʙᴀʀ 🤲🏻📿✨💫♥️

Address

74/B/1 Green Road
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Update bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic Update bd:

Shortcuts

Share