Islamic Update bd

Call Website Contact the place of worship

Islamic Update bd islamic

প্রতি শুক্রবার সূরা কাহফ পড়ি। কিন্তু কেন পড়ি, সেটা কি কখনো সত্যি করে ভেবেছি?আরেকটা শুক্রবার এসে গেছে।গত শুক্রবার থেকে আজ...
04/09/2026

প্রতি শুক্রবার সূরা কাহফ পড়ি। কিন্তু কেন পড়ি, সেটা কি কখনো সত্যি করে ভেবেছি?
আরেকটা শুক্রবার এসে গেছে।
গত শুক্রবার থেকে আজ পর্যন্ত কত কিছু হয়ে গেল। কারও একটা কথায় মন খারাপ হয়েছে। কারও জীবন দেখে নিজের জীবনটাকে পিছিয়ে থাকা মনে হয়েছে। টাকার হিসাব নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়েছে। ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় হয়েছে। কোনো একটা দু‘আ এখনো কবুল হতে না দেখে মনে হয়েছে, “আল্লাহ কি আমার কথা শুনছেন না?” আবার এমনও হয়েছে, জানি একটা কাজ ঠিক নয়, তবু চারপাশের সবাই করছে দেখে নিজের কাছেও সেটাকে স্বাভাবিক মনে হতে শুরু করেছে।
এই এক সপ্তাহে আমরা কত খবর পড়েছি, কত মানুষের জীবন দেখেছি, কত কিছু চেয়েছি, কত কিছু হারানোর ভয় করেছি। দুনিয়া আমাদের চোখের সামনে এত দ্রুত ঘুরতে থাকে যে একটা সময় আমরা বুঝতেই পারি না, কোন জিনিসটা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা শুধু এই মুহূর্তে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে।
ঠিক তখনই আবার শুক্রবার আসে। আর আমাদের সামনে খুলে যায় সূরা আল কাহফ।
হয়তো এজন্যই সূরা কাহফ শুধু “শুক্রবারের একটা আমল” হিসেবে পড়লে এর অনেকখানি সৌন্দর্য আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। এই সূরার ভেতরে এমন কিছু গল্প আছে, যেখানে একটু মন দিয়ে তাকালে নিজের জীবনটাকেই বারবার দেখতে পাওয়া যায়।
সূরার শুরুতেই আল্লাহ যেন আমাদের দুনিয়াকে দেখার দৃষ্টিটা ঠিক করে দেন।
“পৃথিবীর উপর যা কিছু আছে, আমি সেগুলোকে তার শোভা করেছি, যাতে আমি তাদের পরীক্ষা করি যে, তাদের মধ্যে কে আমলে উত্তম।”
সূরা আল কাহফ, ১৮:৭
অর্থাৎ এই সুন্দর পৃথিবী, সম্পদ, ঘর, সন্তান, ক্যারিয়ার, পরিচিতি, সুযোগ, অর্জন, মানুষের প্রশংসা সবকিছু শুধু পাওয়ার জিনিস নয়। এগুলোর ভেতরেও পরীক্ষা আছে।
এখন নিজের জীবনটা একটু মিলিয়ে দেখুন।
কাউকে নতুন গাড়ি কিনতে দেখলেন। কারও ব্যবসা আপনার চেয়ে ভালো চলছে। কেউ বিয়ে করে খুব সুখী ছবি দিচ্ছে। কারও সন্তান অনেক ভালো করছে। কেউ আপনার বয়সেই এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে, যেখানে আপনি এখনো পৌঁছাতে পারেননি।
মনের ভেতর খুব আস্তে একটা প্রশ্ন আসে, “আমারটা কেন এমন হলো না?”
সূরা কাহফ এসে যেন প্রশ্নটা বদলে দেয়।
“অন্য মানুষ কী পেল?” এটাই কি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন? নাকি আসল প্রশ্ন হলো, “আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন, তার ভেতরে আমি কেমন মানুষ হচ্ছি?”
তারপর আসে আসহাবে কাহফের সেই যুবকদের ঘটনা।
তারা এমন একটা পরিবেশে ছিল, যেখানে ঈমান ধরে রাখা সহজ ছিল না। চারপাশের প্রবাহের বিপরীতে দাঁড়াতে হয়েছিল তাদের। তারা সংখ্যায় কম ছিল। কিন্তু সত্যকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটে মাপেনি।
আমাদের পরীক্ষা হয়তো তাদের মতো নয়। কিন্তু অনুভূতিটা কত পরিচিত।
একটা কাজ সবাই করছে। আপনি জানেন ঠিক নয়। কিন্তু না করলে মানুষ কী বলবে? অফিসে, ব্যবসায়, বন্ধুদের আড্ডায়, পরিবারের মধ্যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কখনো কখনো সত্যের পক্ষে থাকা মানে আলাদা হয়ে যাওয়া।
তখন নিজের মনই বোঝাতে শুরু করে, “এত কঠিন হওয়ার কী আছে? সবাই তো করছে।”
আসহাবে কাহফের ঘটনা মনে করিয়ে দেয়, কখনো কখনো ঈমান বাঁচাতে সবচেয়ে কঠিন কাজটি হলো মানুষের সঙ্গে তাল মেলানোর চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে বেশি মূল্য দেওয়া।
এরপর আসে দুই বাগানের মালিকের ঘটনা।
তার সম্পদ ছিল। সুন্দর বাগান ছিল। প্রাচুর্য ছিল। ধীরে ধীরে সেই নিয়ামতই তার হৃদয়ের ভেতরে এমন জায়গা নিল যে সে ভাবতে শুরু করল, এগুলো বুঝি আর কখনো শেষ হবে না।
এখানেও নিজেকে খুঁজে পাওয়া কঠিন নয়।
মাসের শেষে বেতন আসছে, তাই নিশ্চিন্ত। ব্যবসা চলছে, মনে হচ্ছে চলতেই থাকবে। শরীর ভালো আছে, মনে হচ্ছে অসুস্থতা অনেক দূরের বিষয়। প্রিয় মানুষগুলো পাশে আছে, তাই মনে হয় তারা সবসময়ই থাকবে।
আমরা জানি সবকিছু সাময়িক। কিন্তু জীবন চালাই অনেক সময় এমনভাবে, যেন কিছুই বদলাবে না।
তারপর কখনো একটা ফোনকল আসে। একটা রিপোর্ট আসে। ব্যবসায় ক্ষতি হয়। একটা সম্পর্ক ভেঙে যায়। অথবা এমন কিছু ঘটে, যা কয়েক মিনিটের মধ্যে আমাদের বহু বছরের নিশ্চিন্ততা পাল্টে দেয়।
আল্লাহ বলেন,
“সম্পদ ও সন্তান দুনিয়ার জীবনের শোভা। আর স্থায়ী সৎকাজ তোমার রবের কাছে প্রতিদানে উত্তম এবং আশার দিক থেকেও উত্তম।”
সূরা আল কাহফ, ১৮:৪৬
ইসলাম আমাদের দুনিয়ার বৈধ নিয়ামত ছেড়ে দিতে বলে না। সুন্দর জীবন চাওয়া অপরাধ নয়। সম্পদ থাকা সমস্যাও নয়। বিপদটা তখন, যখন যে নিয়ামত হাতে থাকার কথা, সেটাই ধীরে ধীরে হৃদয়ের নিয়ন্ত্রক হয়ে যায়।
তারপর সূরা কাহফ আমাদের নিয়ে যায় মূসা আলাইহিস সালাম ও খিযিরের ঘটনায়।
এই অংশটি পড়লে আমার জীবনের এমন অনেক অধ্যায়ের কথা মনে পড়ে, যেগুলোর অর্থ আমি তখন বুঝিনি।
কেন এই মানুষটা আমার জীবন থেকে চলে গেল? কেন এত চেষ্টা করেও কাজটা হলো না? কেন সেই সুযোগটা অন্য কেউ পেল? কেন এত দু‘আ করেও আমি যেটা চেয়েছিলাম, সেটাই পেলাম না?
কোনো ঘটনা ঘটার মুহূর্তে আমরা শুধু ঘটনাটাই দেখি। পুরো ছবিটা দেখি না।
আমি হয়তো আজকের একটা পৃষ্ঠা দেখছি। আল্লাহ জানেন পুরো বইটি।
এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি কষ্টের গোপন কারণ আমরা একদিন অবশ্যই বুঝে যাব। কুরআন আমাদের এমন নিশ্চয়তা দেয়নি। কিন্তু মূসা আলাইহিস সালামের এই ঘটনা আমাদের নিজের জ্ঞানের সীমা চিনতে শেখায়। আমি কোনো কিছুর হিকমাহ এখন বুঝতে পারছি না মানেই সেখানে কোনো হিকমাহ নেই, এমন নয়।
কিছু ঘটনার সামনে মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি সব উত্তর জেনে যাওয়া নয়। বরং সব উত্তর না জেনেও আল্লাহকে বিশ্বাস করতে পারা।
এরপর আসে যুলকারনাইনের ঘটনা। এখানে আমরা দেখি সামর্থ্য, নেতৃত্ব, সুযোগ এবং দায়িত্বের এক ভিন্ন ছবি। ক্ষমতা পেয়েও মানুষ কীভাবে নিজের মহত্বে ডুবে না গিয়ে সেই ক্ষমতাকে কল্যাণে ব্যবহার করতে পারে, তার শিক্ষা পাই।
আমাদের হয়তো কোনো রাজ্য নেই। কিন্তু আল্লাহ প্রত্যেককেই কিছু না কিছু দিয়েছেন।
কারও টাকা আছে। কারও জ্ঞান আছে। কারও অনেক মানুষকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা আছে। কারও ব্যবসা আছে। কারও পরিবারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে। কারও একটা ছোট্ট page আছে, যার একটা কথাও হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
প্রশ্ন হলো, আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন, সেটা দিয়ে আমি কী করছি?
খেয়াল করলে দেখা যায়, সূরা কাহফের এই ঘটনাগুলো আমাদের জীবনের একেকটি দুর্বল জায়গায় এসে হাত রাখে। ঈমান যখন চারপাশের চাপে পড়ে, সম্পদ যখন চোখ ধাঁধিয়ে দেয়, কোনো ঘটনার অর্থ যখন বুঝতে পারি না, কিংবা সামর্থ্য পেয়ে নিজের সীমা ভুলতে শুরু করি, সূরাটি আমাদের আবার আল্লাহর দিকে তাকাতে শেখায়।
আর তাই শুক্রবার সূরা কাহফ খুললে মনে হতে পারে, গত এক সপ্তাহ ধরে দুনিয়া আমার দৃষ্টির উপর যে ধুলো জমিয়েছে, কুরআন আবার সেটুকু পরিষ্কার করছে।
তবে এখানে একটি বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে জানা দরকার।
শুক্রবার সূরা কাহফ পড়া ফরজ বা ওয়াজিব নয়। কেউ কোনো শুক্রবার পড়তে না পারলে তার জুমার সালাত নষ্ট হয়ে যাবে, এমন নয়। এটিকে এমন কোনো বাধ্যতামূলক আমল হিসেবেও দেখা উচিত নয় যে না পড়লেই গুনাহ হয়ে গেল।
বরং এর ব্যাপারে বিশেষ ফজিলতের বর্ণনা এসেছে।
আবু সাঈদ আল খুদরী রা. থেকে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ পড়বে, তার জন্য এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত নূর হবে। বর্ণনাটি আল হাকিম ও আল বাইহাকী উল্লেখ করেছেন এবং একাধিক মুহাদ্দিস এটিকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন।
এই “নূর” ঠিক কীভাবে হবে, তার এমন ব্যাখ্যা আমাদের বানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন নেই যা রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেননি। এটুকুই যথেষ্ট যে এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ফজিলত, আর একজন মুমিনের জন্য সেই নূরই বিরাট প্রাপ্তি।
আর সূরা কাহফের সঙ্গে দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার সম্পর্কটি আরও শক্ত দলিলে এসেছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জাল থেকে সুরক্ষিত থাকবে।”
সহিহ মুসলিম, ৮০৯।
অন্য বর্ণনায় শেষের আয়াতগুলোর কথাও এসেছে।
কেন এই সূরার সঙ্গে দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার এমন সম্পর্ক, এর পূর্ণ হিকমাহ আল্লাহই ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের এমন কোনো একক ব্যাখ্যা দিয়ে যাননি যে আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, “শুধু এই কারণেই।”
তবে সূরাটির দিকে তাকালে একটি বিষয় গভীরভাবে অনুভব করা যায়।
এটি বারবার মানুষকে বাহ্যিক চাকচিক্যের ওপারে দেখতে শেখায়। সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেই সত্য নয়। সম্পদ থাকলেই নিরাপত্তা নয়। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা দেখে পুরো সত্য বুঝে ফেলেছি, এমনও নয়। সামর্থ্য থাকলেই মানুষ নিজের ইচ্ছামতো চলার মালিক হয়ে যায় না।
এমনকি একজন মানুষ ভুল পথেও চলতে পারে, অথচ তার নিজের ধারণা হতে পারে সে খুব ভালোই করছে।
সূরা কাহফের শেষদিকে আল্লাহ এমন মানুষের কথা বলেছেন,
“বলুন, আমি কি তোমাদের সংবাদ দেব আমলের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের? তারা সেইসব লোক, যাদের প্রচেষ্টা দুনিয়ার জীবনে বিফলে গেছে, অথচ তারা মনে করছে যে তারা ভালো কাজই করছে।”
সূরা আল কাহফ, ১৮:১০৩ থেকে ১০৪
এই জায়গায় এসে একটু থামা দরকার।
কারণ ভয় শুধু এই নয় যে, আমি জেনেশুনে কোনো ভুল করছি।
আরও ভয়ংকর হতে পারে এই অবস্থা, আমি ভুল করতে করতে এমন জায়গায় পৌঁছে গেলাম, যেখানে ভুলটাকেই আর ভুল মনে হচ্ছে না।
হয়তো এখানেই প্রতি সপ্তাহে কুরআনের কাছে ফিরে আসার প্রয়োজনটা সবচেয়ে বেশি অনুভব হয়।
কারণ একটা সপ্তাহ মানুষের হৃদয় বদলে দেওয়ার জন্য অনেক সময়।
সাত দিনে অনেক কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। যা একদিন বিবেকে লাগত, বারবার দেখতে দেখতে সেটাই আর অস্বাভাবিক লাগে না। যেটা একসময় আল্লাহর নিয়ামত মনে হতো, পরে সেটাকে নিজের অধিকার মনে হতে শুরু করে। যে দুনিয়াকে একসময় সাময়িক জানতাম, ব্যস্ততার মধ্যে সেটাকেই সবকিছু মনে হতে থাকে।
তারপর আবার শুক্রবার আসে।
আপনি সূরা কাহফ খুলে বসেন।
এবার শুধু কত পৃষ্ঠা বাকি আছে, সেটা দেখবেন না। শুধু দ্রুত তিলাওয়াত শেষ করে “আজকের আমল হয়ে গেছে” ভেবে উঠে যাবেন না।
গুহার যুবকদের কাছে এসে নিজের ঈমানের দিকে তাকান।
দুই বাগানের ঘটনায় এসে নিজের দুনিয়ার প্রতি টানটা দেখুন।
মূসা আলাইহিস সালামের ঘটনায় এসে সেই কষ্টটার কথা মনে করুন, যার উত্তর আজও পাননি।
যুলকারনাইনের ঘটনায় এসে আল্লাহ আপনাকে যে সামর্থ্য দিয়েছেন, তার হিসাব করুন।
আর সূরার শেষের আয়াতগুলোতে এসে নিজের হৃদয়কে জিজ্ঞেস করুন,
আমি কি সত্যিই আল্লাহর দিকে এগোচ্ছি, নাকি শুধু নিজেকেই বোঝাচ্ছি যে আমি ঠিক আছি?
হয়তো প্রতি শুক্রবার সূরা কাহফ পড়ার সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিটা এখানেই।
একটা নতুন সপ্তাহ শুরু হওয়ার আগে নিজের হৃদয়কে আবার কুরআনের সামনে বসানো।
গত সাত দিনে দুনিয়া আমার চোখে যা বড় করে দিয়েছে, আল্লাহর কালাম দিয়ে সেটাকে আবার তার আসল মাপে দেখা।

সহিহ বুখারী থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জীবনঘনিষ্ঠ ৪০টি ছোট ও মাঝারি হাদিস নিচে দেওয়া হলো। এই হাদিসগুলো দৈনন্দিন জীবনে...
17/08/2026

সহিহ বুখারী থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জীবনঘনিষ্ঠ ৪০টি ছোট ও মাঝারি হাদিস নিচে দেওয়া হলো। এই হাদিসগুলো দৈনন্দিন জীবনে আমল করা সহজ এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

⭕ ​ইমান ও আমল:

​১. নিয়ত:
সমস্ত কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। (হাদিস: ১)

#১২বছর 🤲🏻📿✨💫♥️

21/07/2026

আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের দীনের উপর থাকার তাওফীক দান করুক আমীন।

#আমীন

সাইয়েদুল ইস্তিগফার—এটাকে বলা হয়—"ক্ষমা চাওয়ার সর্দার।"সাইয়েদুল ইস্তেগফার এর ফজিলত—১. জান্নাতের গ্যারান্টি: রাসুল (সা.) ব...
20/07/2026

সাইয়েদুল ইস্তিগফার—
এটাকে বলা হয়—"ক্ষমা চাওয়ার সর্দার।"
সাইয়েদুল ইস্তেগফার এর ফজিলত—
১. জান্নাতের গ্যারান্টি: রাসুল (সা.) বলেছেন : যে ব্যক্তি দিনে একবার দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এটা পড়বে, আর যদি ঐ দিনেই সে মারা যায় তাহলে সে জান্নাতি। আর যদি রাতে পড়ে ঐ ব্যক্তি রাতেই মারা যায় তাহলে সেও জান্নাতি। [সহিহ বুখারী: ৬৩০৬]
২. সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ইস্তেগফার: সব দু'আর মধ্যে আল্লাহর কাছে এটা সবচেয়ে প্রিয়।
৩. গুনাহ মাফ হয়ে যায়: ছোট-বড় সব গুনাহ মাফের জন্য এটাই যথেষ্ট। ইন শা আল্লাহ। (সহিহ বুখারী :৬৩০৬)
৪. দিল নরম হয় এবং টেনশন দূর হয়: নিয়মিত পড়লে মনের সকল অশান্তি কেটে যায়। আল্লাহ তার মনে প্রশান্তি এনে দেন।
কখন পড়বেন? : সকাল-সন্ধ্যা ১ বার করে। ফজর ও মাগরিবের পর পড়া সবচেয়ে উত্তম হবে।
সাইয়েদুল ইস্তেগফার:
اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت، أعوذ بك من شر ما صنعت، أبوء لك بنعمتك علي، وأبوء بذنبي فاغفر لي فإنه لا يغفر الذنوب إلا أنت*
উচ্চারণ: "আল্লাহুম্মা আংতা রব্বি লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাকতানি ওয়া আনা 'আবদুক। ওয়া আনা 'আলা 'আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাস্তাত'তু। আ'উযুবিকা মিন শাররি মা সনাত'তু। আবূউ লাকা বিনি'মাতিকা 'আলাইয়া, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বি। ফাগফিরলি ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আংতা।"
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছো। আমি তোমার বান্দা। আমি সাধ্যমত তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমাকে যে নিয়ামত দিয়েছো তা স্বীকার করছি। আমি আমার গুনাহও স্বীকার করছি। তাই আমাকে ক্ষমা করে দাও। কারণ তুমি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।
চলুন আজ থেকে অভ্যাস করি, ফজর এবং মাগরিবের পর ১বার করে পড়ার। — ইন শা আল্লাহ।

দুরুদ শরীফের বরকতে জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার একটি অনুপ্রেরণার গল্পআজ আপনাদের সঙ্গে একজন ভাইয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। ...
20/07/2026

দুরুদ শরীফের বরকতে জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার একটি অনুপ্রেরণার গল্প
আজ আপনাদের সঙ্গে একজন ভাইয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। তাঁর অনুমতি নিয়েই ঘটনাটি সংক্ষেপে লিখছি।
তিনি বলেন—
"একসময় আমি দ্বীন থেকে অনেক দূরে ছিলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত পড়তাম না। জীবনটা যেন শুধু দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ভরে গিয়েছিল। চাকরি ছিল না, সংসারে অভাব ছিল, আত্মীয়-স্বজনের নানা কথায় মন আরও ভেঙে যেত।
একদিন ইউটিউবে দুরুদ শরীফের ফজিলত নিয়ে একটি আলোচনা শুনলাম। মনে হলো, আল্লাহর দিকে নতুন করে ফিরে যাই। সেদিন থেকেই নিয়ত করলাম—প্রতিদিন অন্তত ১০০০ বার দুরুদে ইবরাহিম পাঠ করব। পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতিও যত্নবান হওয়ার চেষ্টা শুরু করলাম এবং আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করতে লাগলাম।"
"প্রথম কয়েক দিনেই বুঝতে পারলাম, আমার ভেতরের অস্থিরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগের মতো হতাশ লাগত না। মনে এক ধরনের প্রশান্তি আসতে শুরু করল।
এভাবে কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল। প্রায় ৩৪তম দিনের দিকে হঠাৎ একটি প্রতিষ্ঠানের ফোন পেলাম। যে চাকরির জন্য আগে বহুবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি, আল্লাহর ইচ্ছায় এবার সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই আমাকে নিয়োগের খবর দেওয়া হলো।
সেদিন আমি দীর্ঘ সিজদায় পড়ে শুধু আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেছি। আমার বিশ্বাস, আল্লাহর রহমত, দোয়া, দুরুদ এবং তাঁর ওপর ভরসাই আমাকে নতুন করে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন—
আজও আমি নিয়মিত দুরুদ শরীফ পাঠ করি। এখন শুধু কোনো দুনিয়াবি প্রয়োজনের জন্য নয়; বরং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়।
শিক্ষা:
দুরুদ শরীফ একটি মহান ইবাদত। এটি অন্তরে প্রশান্তি আনে, দোয়ার উত্তম আদবের অংশ এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে আরও বেশি ফিরিয়ে আনে। তাই কোনো কষ্ট বা দুশ্চিন্তা এলে হতাশ না হয়ে নামাজ, দোয়া, ইস্তিগফার ও দুরুদকে নিজের জীবনের অংশ বানিয়ে নিন। আল্লাহ কখন, কীভাবে এবং কোন পথে কল্যাণ দান করবেন—তা একমাত্র তিনিই জানেন।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার এবং তাঁর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন🤲
#দুরুদ_শরীফ #দুরুদে_ইবরাহিম #দোয়া।

২ মিনিটে হওক আপনার কাংখিত আমল।   #আমল।  #আমল।।  #আমল।🤲💚🌹🌳  #আমল।প  #আমল।।।
13/07/2026

২ মিনিটে হওক আপনার কাংখিত আমল। #আমল। #আমল।। #আমল।🤲💚🌹🌳 #আমল।প #আমল।।।

একটি তাসবীহ, দুটি সূরা — কুরআনের ভেতরে লুকানো এক আশ্চর্য বৃত্তআমাদের সবচেয়ে পরিচিত তাসবীহগুলোর একটি —سُبْحَانَ اللهِ، و...
09/07/2026

একটি তাসবীহ, দুটি সূরা — কুরআনের ভেতরে লুকানো এক আশ্চর্য বৃত্ত
আমাদের সবচেয়ে পরিচিত তাসবীহগুলোর একটি —
سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ لِلهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। চারটি অংশ, ঠিক এই ক্রমে। ছোটবেলা থেকে পড়ে আসছি, তাই না?
এখন একটা প্রশ্ন করি। যদি বলি, এই তাসবীহটি কুরআনের মানচিত্রে আঁকা আছে — দুটি সূরা জুড়ে, একটি নিখুঁত বৃত্তের আকারে?
চলুন, দেখা যাক। সূরা ইসরা, কুরআনের ১৭ নম্বর সূরা। এর প্রথম শব্দ কী?
سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ
"পবিত্র ও মহিমান্বিত তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন..." (১৭:১)
তাসবীহর প্রথম অংশ — সুবহানাল্লাহ।
এর পরের সূরা, সূরা কাহাফ, ১৮ নম্বর। শুরু হচ্ছে কী দিয়ে?
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ
"সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি তাঁর বান্দার ওপর কিতাব নাজিল করেছেন" (১৮:১)
দ্বিতীয় অংশ — আলহামদুলিল্লাহ।
এবার সূরা কাহাফের একেবারে শেষ আয়াতে চলে যান।
وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
"এবং সে যেন তার রবের ইবাদতে কাউকে শরিক না করে" (১৮:১১০)
এটা আপনাকে কোন কথাটা মনে করিয়ে দিচ্ছে? তৃতীয় অংশ — লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
আর এবার বৃত্তটা পূর্ণ করতে ফিরে আসুন সূরা ইসরার শেষ শব্দগুলোতে।
وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا
"এবং সসম্ভ্রমে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করুন" (১৭:১১১)
চতুর্থ অংশ — আল্লাহু আকবার।
পথটা আরেকবার দেখুন: ১৭-এর শুরু, ১৮-এর শুরু, ১৮-এর শেষ, ১৭-এর শেষ। সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। দুটি সূরা মিলে একটি বৃত্ত — আর সেই বৃত্তের ওপর লেখা আপনার প্রতিদিনের তাসবীহ, নির্ভুল ক্রমে।
শুধু তা-ই নয়। সূরা ইসরার শেষ আয়াতে আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছেন — وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ — "বলুন, আলহামদুলিল্লাহ।" আর ঠিক তার পরের সূরাটি শুরুই হচ্ছে কোন শব্দ দিয়ে? আলহামদুলিল্লাহ। যেন এক সূরার নির্দেশ পালিত হচ্ছে পরের সূরার প্রথম শব্দে।
কিন্তু এই জোড়ার গল্প এখানেই শেষ নয়। আরও গভীরে যাওয়া যাক।
সূরা ইসরার শুরুর দিকে আল্লাহ বলেছেন ইহুদিদের ইতিহাস। আর সূরা কাহাফের শুরুতে? খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে বিখ্যাত ঘটনা — আসহাবে কাহাফ — এবং সতর্কবার্তা তাদের প্রতি, যারা বলে আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন। সূরা ফাতিহায় আমরা প্রতিদিন এই দুই দলের কথাই পড়ি — الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ "যাদের ওপর গজব পড়েছে" (ইহুদিরা) আর الضَّالِّينَ "যারা পথভ্রষ্ট"(খ্রিস্টানরা)।
এখন সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশটা খেয়াল করুন। দুটি সূরাতেই ইবলিসের ঘটনা এসেছে, প্রায় একই ভাষায় — ফেরেশতাদের আদমকে সিজদা করতে বলা হলো, সবাই করলো, ইবলিস ছাড়া। শুরুটা এক, কিন্তু আয়াত দুটির শেষ ভিন্ন। কেন?
সূরা ইসরায় — যে সূরায় ইহুদিদের কথা — সেখানে ইবলিসের আপত্তিটা তুলে ধরা হয়েছে:
أَأَسْجُدُ لِمَنْ خَلَقْتَ طِينًا
"আমি কি তাকে সিজদা করবো, যাকে আপনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন?" (১৭:৬১)
এটা কীসের সমস্যা? অহংকারের। আর বনী ইসরাইলের সমস্যাটাও ছিল ঠিক এটাই — "একজন আরবকে আমরা নবী মানবো?" ইবলিসের যুক্তিরই প্রতিধ্বনি।
আর সূরা কাহাফে — যে সূরায় খ্রিষ্টানদের কথা — সেখানে একই ঘটনার শেষে বলা হলো:
كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ
"সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত, ফলে সে তার রবের আদেশ অমান্য করলো" (১৮:৫০)
এখানে জোর দেওয়া হলো আল্লাহর আদেশ অমান্য করার ওপর। কারণ খ্রিষ্টানদের একটা অংশ বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল — ঈসা (আ)-এর রক্তই তো আমাদের পাপমুক্ত করেছে, তাহলে আদেশ মানা না-মানায় আর কী আসে যায়? আর ওই একই আয়াতে প্রশ্ন তোলা হলো — তোমরা কি আমাকে বাদ দিয়ে তাকে ও তার বংশধরদের অভিভাবক বানিয়ে নেবে, অথচ তারা তোমাদের শত্রু? যে সম্প্রদায় পরিত্রাণদাতা 'সেইন্ট'-এর ধারণায় ডুবে ছিল, তাদের জন্য এর চেয়ে সরাসরি বার্তা আর কী হতে পারে?
একই ঘটনা, দুই সূরায় দুই সমাপ্তি — যার যে ওষুধ দরকার, তাকে সেটাই দেওয়া হয়েছে।
আরও আছে। সূরা ইসরার শেষে মুসা (আ) এসেছেন ফেরাউনের মুখোমুখি দাঁড়ানো নেতা হিসেবে — তাঁর প্রকাশ্য, বহির্মুখী জীবন। আর সূরা কাহাফে সেই মুসা (আ)-ই এসেছেন জ্ঞানের খোঁজে সফরে বের হওয়া এক বিনয়ী ছাত্র হিসেবে — তাঁর ব্যক্তিগত, অন্তর্মুখী আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান। এক ব্যক্তিত্বের দুই আয়না, দুই সূরায় ভাগ করা।
এক মুহূর্ত থামুন। যে কিতাব তেইশ বছর ধরে, ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে, খণ্ড খণ্ড করে নাজিল হয়েছে — তার দুটি সূরা কীভাবে এমন নিখুঁতভাবে একে অপরের সাথে গাঁথা থাকে? শুরুতে-শুরুতে, শেষে-শেষে, ঘটনায়-ঘটনায়? এই বিন্যাস কোনো মানুষের সম্পাদনার ফল হতে পারে না। এ কেবল তাঁরই কালাম হতে পারে, যিনি প্রথম আয়াত নাজিলের আগেই জানতেন — শেষ আয়াতটি কোথায় বসবে।
পরের পর্বে ইনশাআল্লাহ আরেকটি জোড়ার গল্প — যেখানে একটি পোশাকের দুটি অংশ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে দুটি সূরায়, আর সূরা দুটির মাঝে দূরত্ব নয়টি সূরার!
আল্লাহ আমাদের কুরআনের এই সৌন্দর্য নিয়ে ভাবার এবং প্রতিদিনের তাসবীহগুলোকে নতুন চোখে দেখার তৌফিক দান করুন। আমীন।

25/06/2026
নবী করীম ﷺ – এর চোখে নবী করিম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়েসর্বোত্তম !আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কিন...
19/06/2026

নবী করীম ﷺ – এর চোখে নবী করিম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়ে
সর্বোত্তম !
আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কি
না?
● ১.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ القُرْآنَ وَعَلَّمَهُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন
শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭)
● ২.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحَاسِنُكُمْ أَخْلَاقًا
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের
মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস
নম্বর : ৬০৩৫)
● ৩.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের
বেলায় ভালো।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩৩৫)
● ৪.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই
কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশা করে না।’ (তিরমিজি,
হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪০১)
● ৫.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের
কাছে ভালো।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭)
● ৬.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالًا
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে
বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।
(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)
● ৭.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ
সর্বোত্তম মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি
উপকারী।
(সহীহুল জামে’ হা/৩২৮৯, দারাকুতনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬)
● ৮.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
مَخْمُومُ القَلْبِ صَدُوقُ اللِّسَانِ قَالُوا صَدُوقُ اللِّسَانِ نَعْرِفُهُ فَمَا مَخْمُومُ القَلْبِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী।
সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! সত্যবাদী
মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল,
মুক্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাগাড়ম্বর বা জুলুম নেই,
নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।’
(ইবনে মাজাহ ৪২১৬, সহীহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১)
● ৯.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
خَيْرُ الأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ
‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে
উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার
প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)
● ১০.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ أَحْسَنَكُمْ أَخْلَاقًا
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে
বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯)
● ১১.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন
خَيْرُ النَّاسِ مَنْزِلَةً رَجُلٌ عَلَى مَتْنِ فَرَسِهِ يُخِيفُ الْعَدُوَّ وَيُخِيفُونَهُ
মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে।
(সহীহুল জামিউস সাগীর ৪২৯১, সিলসিলা সহীহা ৩৩৩৩)
● ১২.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
لَمُؤْمِنٌ مُجَاهِدٌ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللهِ
ঐ মু'মিন (শ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে।
(বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ১৮৮৪-১৮৯৫)
~ সংগৃহীত

আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদেরকে আত্মীয়তার সম্পর্ক ও সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার তৌফিক দান করুক আমিন    #ᴀʟʟᴀʜᴜᴀᴋʙᴀʀ   ...
08/06/2026

আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদেরকে আত্মীয়তার সম্পর্ক ও সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার তৌফিক দান করুক আমিন

#ᴀʟʟᴀʜᴜᴀᴋʙᴀʀ 🤲🏻📿✨💫♥️

Address

74/B/1 Green Road
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Update bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic Update bd:

Shortcuts

Share