Ababil-أبابيل

Ababil-أبابيل নিজের বলতে কিছুই নেই সবই আপনার রবের দেওয়া নেয়ামত

কুরবানির গোশত এত স্বাদ হওয়ার কারণটা হচ্ছে দুনিয়াতে এটাই একমাত্র খাবার সেটাতে স্বয়ং আল্লাহ মেজবান, আর আমরা আল্লাহর মেহম...
28/05/2026

কুরবানির গোশত এত স্বাদ হওয়ার কারণটা হচ্ছে দুনিয়াতে এটাই একমাত্র খাবার সেটাতে স্বয়ং আল্লাহ মেজবান, আর আমরা আল্লাহর মেহমান।

- মাহদী ফয়সাল (হাফি.)

Eid Namaz Somewhere in Bangladesh ❤
28/05/2026

Eid Namaz Somewhere in Bangladesh ❤

কুরবানির মাংস কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত হাত/হাতের আঙ্গুল অথবা অন্য কোনো অঙ্গ/ অঙ্গবিশেষ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। কাজেই অধিকতর সত...
28/05/2026

কুরবানির মাংস কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত হাত/হাতের আঙ্গুল অথবা অন্য কোনো অঙ্গ/ অঙ্গবিশেষ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। কাজেই অধিকতর সতর্কতার বিকল্প নেই।

বিচ্ছিন্ন অঙ্গটি আধুনিক মাইক্রো/ সুপারমাইক্রো সার্জিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে পুনস্থাপন করা সম্ভব যাকে আমরা 'রিপ্লান্টেশন' সার্জারী বলি। এর পুর্ব শর্ত হচ্ছে বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি চিকিৎসার পুর্বে যথাযথ সংরক্ষন করা।

বিচ্ছিন্ন হওয়া অঙ্গটি কিভাবে সংরক্ষন করবেন?

১। প্রথমে বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি পানিতে বা সম্ভব হলে স্যালাইন দিয়ে ভাল ভাবে পরিস্কার করতে হবে।

২। এরপর স্যালাইন দিয়ে ভেজানো একটি পরিস্কার গজ বা কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে অঙ্গটি ভাল ভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে।

৩। মোড়ানো অঙ্গটি এরপর একটি এয়ার টাইট ব্যাগে স্থানান্তর করতে হবে। এক্ষেত্রে পলিব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। এরপর আরেকটি ব্যাগে কিছু বরফ নিতে হবে এবং পলিব্যাগে রাখা অঙ্গটি সবশেষে বরফের ব্যাগের ভেতর রাখতে হবে এবং ভালভাবে এয়ারটাইট করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই অঙ্গটি সরাসরি বরফের সংস্পর্শে না আসে।

এভাবে সংরক্ষন করে দ্রুত মাইক্রো/সুপারমাইক্রো সার্জারী সেটআপ সমৃদ্ধ (মাইক্রোস্কোপ) হাস্পাতালে যোগাযোগ করতে হবে।
নিম্নের সরকারি হাসপাতালে এই সুবিধা পাবেন

১. জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট
২. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
২. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৩. সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৪. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৫. খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৬. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৭. রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৮. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
৯.কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এছাড়াও বিভিন্ন হাসপাতালে সার্জারী বিভাগে এক্সপার্ট থাকা সাপেক্ষে রিকন্সট্রাক্টিভ প্লাস্টিক সার্জারি হবে

ছবিতে বিচ্ছিন্ন আঙ্গুল সংরক্ষনের পদ্ধতি দেখানো হয়েছে।

ডা: এম এ বি ছিদ্দিক মজুমদার (জাবের)
ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ও
মেডিসিন স্পেশালিষ্ট
#কুরবান

কোরবানির কিছু আদব এবং নিয়ম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৫১৪৭ , আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৫৫৪৫ পরিচ্ছেদঃ ২২০৫. কুরবানীর বিধান। ...
27/05/2026

কোরবানির কিছু আদব এবং নিয়ম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৫১৪৭ , আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৫৫৪৫
পরিচ্ছেদঃ ২২০৫. কুরবানীর বিধান।
ইবন উমর (রাঃ) বলেছেনঃ কুরবানী সুন্নাত এবং স্বীকৃত প্রথা

৫১৪৭। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... বারা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের এ দিনে আমরা সর্ব প্রথম যে কাজটি করবো তা হল সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করবো। এরপর ফিরে এসে আমরা কুরবানী করবো। যে ব্যাক্তি এভাবে তা আদায় করল সে আমাদের নীতি অনুসরণ করল। আর যে ব্যাক্তি আগেই যবাহ করল, তা এমন গোশতরুপে গন্য যা সে তার পরিবার পরিজনের জন্য আগাম ব্যবস্থা করল। এটা কিছুতেই কুরবানী বলে গন্য নয়। তখন আবূ বুরদা ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়ালেন, আর তিনি (সালাতের) আগেই যবাহ করেছিলেন। তিনি বললেনঃ আমার নিকট একটি বকরীর বাচ্চা আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাই যবাহ কর। তবে তোমার পরে আর কারোর পক্ষে তা যথেষ্ঠ হবে না।

মুতাররাফ বারা (রাঃ) থেকে বর্ননা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি সালাতের পর যবাহ করল তার কুরবানি পূর্ন হলো এবং সে মুসলিমদের নীতি পালন করলো।

সালাতের পূর্বে পশু জবাই নয়।

নিজের পশু নিজে জবাই করা সর্বোত্তম।
রসুলল্লাহ’র (সাঃ) নিজের কোরবানি পশু নিজেই জবাই করতেন।
তিনি পড়তেন।

إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِسَى لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا، وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ، إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، لَا شَرِيكَ لَهُ، وَبِذلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ
অতঃপর
بِسْمِ اللَّهِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُمَّ
বলে পশু জবাই করতেন

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট

১) কোরবানি যেনো একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহ সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে হয়।
২) সম্পূর্ণ অহংকার মুক্ত থাকতে হবে
৩) কোরবানি সাথে সাথে নিজের মনের পশুত্বও কোরবানি দেওয়াই অত্যান্ত জরুরি।
৪)কোরবানি সকল ভাগ সমন তিন ভাগে হওয়া উচিন, এ ক্ষেত্রে গোস্ত তিন ভাগে যেনো একি রকমের হয়, কোথায়ও গোস্ত বেশি কোথাও হাড্ডি এটা অত্যন্ত খারাপ/গৃণ্য কাজ।
৫) কোরবানি পশুর সাথে পশুর মতো আচরণ থেকে বিরত থাকুন।
৬) জাবাই করার পূর্ণ পশুর শরীরের ময়লা ধুয়ে দিন।
৭) পশুকে পর্যপ্ত পরিমানপ পানি পান করনা।
৮)পশুকে একটা পরিষ্কার স্থানে শোয়াবেন। অনেকে ময়লা যুক্ত স্থান, পরিত্যাক্ত সাথে পশু জাবাই দেন।
৯) সমান্তরালে, শুধু পশুর প্রধান শিরা গুলা জবাইয়ের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন করুন, কখনো গাড়ের হাড়ের ভিতরে চুরি দিয়ে খোঁচাবেনা, এটা পশু স্টোক করে মারা যাবে, কোরবানি শুদ্ধ হবে না।
১০) পশু সম্পূর্ণ সান্ত না হওয়া পর্যন্ত চামড়া চিলা বা অন্য কোন কাজ করা যাবে না।

সবাই সর্বদা সার্বক্ষণ তাকবির পাট করুন
اَللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ

اَللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ وَللهِ الْحَمْدُ

উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

কুরবানী এক ইবাদত। যা তার নির্ধারিত সময় ছাড়া অন্য সময়ে সিদ্ধ হয় না। এই কুরবানীর সময় দশই যিলহজ্জ ঈদের নামাযের পর। নামাযের ...
26/05/2026

কুরবানী এক ইবাদত। যা তার নির্ধারিত সময় ছাড়া অন্য সময়ে সিদ্ধ হয় না। এই কুরবানীর সময় দশই যিলহজ্জ ঈদের নামাযের পর। নামাযের পূর্বে কেউ যবেহ করলে তার কুরবানী হয় না এবং নামাযের পর ওর পরিবর্তে কুরবানী করা জরুরী হয়।

জুনদুব বিন সুফ্য়যান আল-বাজালী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে কুরবানীতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি যখন নামায সমাপ্ত করলেন তখন কতক ছাগল ও মেষকে দেখলেন যবেহ করা হয়ে গেছে। অতঃপর বললেন, ‘‘যে ব্যক্তি নামাযের পূর্বে যবেহ করেছে, সে যেন ওর পরিবর্তে আর এক পশু যবেহ করে। আর যে ব্যক্তি যবেহ করে নি, সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে যবেহ করে।’’

ঈদের খুতবায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আজকের এই দিন আমরা যা দিয়ে শুরু করব তা হচ্ছে নামায। অতঃপর ফিরে গিয়ে কুরবানী করব। অতএব যে ব্যক্তি এরূপ করবে সে আমাদের সুন্নাহ (তরীকার) অনুবর্তী। আর যে ব্যক্তি (নামাযের পূর্বে) কুরবানী করে নিয়েছে, তাহলে তা মাংসই; যা সে নিজের পরিবারের জন্য পেশ করবে এবং তা কুরবানীর কিছু নয়।’’[1]

আর আফযল এটাই যে, নামাযের পর খুতবা শেষ হলে তবে যবেহ করা। যে ব্যক্তি ভালরূপে যবেহ করতে পারে তার উচিত, নিজের কুরবানী নিজের হাতে যবেহ করা এবং অপরকে তার দায়িত্ব না দেওয়া। যেহেতু আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বহস্তে নিজ কুরবানী যবেহ করেছেন। এবং যেহেতু কুরবানী নৈকট্যদানকারী এক ইবাদত, তাই এই নৈকট্য লাভের কাজে অপরের সাহায্য না নিয়ে নিজস্ব কর্মবলে লাভ করা উত্তম। ইমাম বুখারী (রঃ) বলেন, ‘আবু মূসা (রাঃ) তাঁর কন্যাদেরকে আদেশ করেছিলেন যে, তারা যেন নিজের কুরবানী নিজের হাতে যবেহ করে।’[2]

পক্ষান্তরে যবেহ করার জন্য অপরকে নায়েব করাও বৈধ। যেহেতু এক সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে তেষট্টিটি কুরবানী যবেহ করেছিলেন এবং বাকী উঁট যবেহ করতে আলী (রাঃ)-কে প্রতিনিধি করছিলেন।[3]

[1] (বুখারী , মুসলিম ১৯৬১নং)

[2] (ফাতহুল বারী ১০/১৯)

[3] (মুসলিম)

জিলহজ্জ মাসের নয় তারিখকে ‘য়াউমে আরাফা’-আরাফা দিবস বলে। এক আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিবস আরাফা দিবস। আল্লাহ তাআলা, আরাফা দি...
25/05/2026

জিলহজ্জ মাসের নয় তারিখকে ‘য়াউমে আরাফা’-আরাফা দিবস বলে। এক আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিবস আরাফা দিবস। আল্লাহ তাআলা, আরাফা দিবসে, তাঁর বান্দাদেরকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বলেছেন, ‘এমন কোনো দিবস নেই যেখানে আল্লাহ তাআলা আরাফা দিবস থেকে বেশি বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। এবং আল্লাহ নিশ্চয়ই নিকটবর্তী হন, ও তাদেরকে নিয়ে ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করেন, বলেন—ওরা কী চায়?[1] অন্য এক হাদিসে এসেছে, ‘আল্লাহ তাআলা আরাফায় অবস্থানরতদেরকে নিয়ে আকাশবাসীদের সাথে গর্ব করেন। তিনি বলেন, আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে দেখো, তারা আমার কাছে এসেছে এলোথেলো ও ধুলায় আবৃত অবস্থায়।[2]

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)আরাফার ময়দানে সূর্যাস্তের পূর্বে বেলালকে (রাঃ) নির্দেশ দিলেন মানুষদেরকে চুপ করাতে। বেলাল বললেন: আপনারা রাসূলুল্লাহ (রাঃ) এর জন্য নীরবতা অবলম্বন করুন। জনতা নীরব হল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বললেন, ‘হে লোকসকল! একটু পূর্বে জিবরাইল আমার কাছে এসেছেন। তিনি আমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আহলে আরাফা ও আহলে মুযদালেফার জন্য আমার কাছে সালাম পৌঁছিয়েছেন, ও তাদের অন্যায়ের জিম্মাদারি নিয়েছেন। ওমর দাঁড়িয়ে বললেন, য়্যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! এটা কি শুধুই আমাদের জন্য? তিনি বললেন, এটা তোমাদের জন্য ও তোমাদের পর কেয়ামত পর্যন্ত যারা আসবে তাদের জন্য। ওমর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর অনুকম্পা অঢেল ও উত্তম।[3]

আরাফা দিবস মুসলমানদের ওপর আল্লাহর দ্বীন ও নেয়ামত পরিপূর্ণতা প্রাপ্তির দিবস। তারিক ইবনে শিহাব থেকে বুখারির এক বর্ণনায় এসেছে, ইহুদিরা ওমর (ﷺ)কে বলল: আপনারা একটি আয়াত পড়েন, যদি তা আমাদের ওপর নাযিল হতো তাহলে এ দিবসে আমরা উৎসব পালন করতাম। ওমর (রাঃ) বললেন, আমি অবশ্যই জানি কী উদ্দেশ্যে ও কোথায় তা নাযিল হয়েছে, এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কোথায় ছিলেন যখন তা নাযিল হল। (তা ছিল) আরাফা দিবস। আর আমরা-আল্লাহর কসম- আরাফার ময়দানে। সুফয়ান বলেন, দিনটি জুমাবার ছিল কি-না, আমার সন্দেহ আছে। (আয়াতটি ছিল : الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ - আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দিনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম)[4] ([5])

আরাফা দিবসের রোজা, পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।[6] তবে এ রোজা হাজিদের জন্য নয়, বরং যারা হজ্জ করতে আসেনি তাদের জন্য। হাজিদের জন্য আরাফার দিবসে রোজা রাখা মাকরুহ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)বিদায় হজ্জের সময় আরাফা দিবসে রোজা রাখেননি। বরং সবার সম্মুখে তিনি দুধ পান করেছেন।[7] ইকরামা থেকে এক বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রাঃ) এর বাড়িতে প্রবেশ করে আরাফা দিবসে আরাফার ময়দানে থাকা অবস্থায় রোজা রাখার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)আরাফার ময়দানে আরাফা দিবসের রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।[8]

কুরবানীর পশুতে যে সব গুণ থাকা আবশ্যকআর তা হচ্ছে দু’টি:১। পশুর শরীয়াত নির্ধারিত বয়স হওয়া। আর তা হচ্ছে, উঁটের বয়স পাঁচ বছর...
24/05/2026

কুরবানীর পশুতে যে সব গুণ থাকা আবশ্যক

আর তা হচ্ছে দু’টি:

১। পশুর শরীয়াত নির্ধারিত বয়স হওয়া। আর তা হচ্ছে, উঁটের বয়স পাঁচ বছর সম্পূর্ণ হওয়া, গরুর বয়স দুই বছর সম্পূর্ণ হওয়া, ছাগলের বয়স এক বছর সম্পূর্ণ হওয়া, মেষ বা দুম্বার বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়া। এর কম বয়সের হলে তা কুরবানীতে যথেষ্ট হবে না। এর দলীল নবী (সা.) এর হাদীস:

لَا تَذْبَحُوا إِلَّا مُسِنَّةً إِلَّا أَنْ يَعْسُرَ عَلَيْكُمْ فَتَذْبَحُوا جَذَعَةً مِنْ الضَّأْنِ

তোমরা দাঁতা পশু ব্যতীত অন্য কোন পশু (কুরবানীতে) যবহ করবে না। তবে যদি তোমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়ে তাহলে দুম্বা বা মেষের জায্’আ (যার বয়স ছয় মাস) যবহ্ করবে।[3]

২। চারটি দোষ হতে কুরবানীর পশুর মুক্ত হওয়া, যা থেকে নাবী (সা.) কুরবানীর পশুর ক্ষেত্রে বেঁচে থাকতে বলেছেন। আর তা হলো:

স্পষ্ট কানা হওয়া। আর দুই চোখের অন্ধ হওয়া আরো বড় দোষ, তাই তা যথেষ্টে হবে না।

স্পষ্ট রোগী হওয়া, যেমন চুলকানী-পাচড়া বা অন্য কোন ব্যধীতে আক্রান্ত হওয়া।

স্পষ্ট খোঁড়া হওয়া এবং এমন অচল হওয়া যা চলতে পারে না। তাই কোন একটি পা কাটা হওয়া আরো বড় দোষ।

আর এমন দুর্বল হওয়া যার শরীরে কোন মাংস নেই।[4]

এর দলীল ইমাম মালিক মু‘আত্তা নামক হাদীস গ্রন্থে বারা বিন আযিব (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, নাবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়; কোন্ কোন্ ধরণের পশু কুরবানী করা হতে বিরত থাকতে হবে? তখন তিনি (সা.) নিজ হাতের ইঙ্গিতে বলেন: চারটি দোষেযুক্ত পশুর কুরবানী করা হতে বিরত থাকবে। আর বারা (রা.) নিজ হাতের ইশারা করতেন এবং বলতেন, আমার হাত আল্লাহর রসূল (সা.) এর হাত হতে খাট। (তিনি যে চারটি দোষের কথা বলেন তা হল) স্পষ্ট খোঁড়া হওয়া, স্পষ্ট কানা হওয়া, স্পষ্ট রোগী হওয়া এবং এমন দুর্বল হওয়া যার গায়ে কোন মজ্জা নেই। তবে এর থেকে ছোট ধরণের দোষ যেমন, পশুর কান কাটা বা সিং ভাঙ্গা হওয়া; এমন পশুর কুরবানী করা মাকরূহ (অপছন্দনীয়), কিন্তু সঠিক মতে তার কুরবানী শুদ্ধ হওয়াতে কোন বাধা নেই।

আর কুরবানীর পশুতে যে সব গুণ থাকা উত্তম: তা হলো, কুরবানীর পশুর মোটা হওয়া, শক্তিশালী হওয়া, দৈহিক গঠনে বড় হওয়া এবং দেখতে সুন্দর হওয়া। সুতরাং কুরবানীর পশু যত ভাল হবে ততই মহান আল্লাহর নিকট তা প্রিয় হবে।
আর সহীহ হাদীসে রয়েছে, আল্লাহ সুন্দর ও উত্তম, তাই তিনি সুন্দর ও উত্তম ব্যতীত অন্য কিছু গ্রহণ করেন না।

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন আল্লাহর কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে প্রিয় দিন। কুরআনে কারীমের সূরা তাওবার ৩৬ নং আয়াতে আল্...
19/05/2026

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন আল্লাহর কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে প্রিয় দিন।
কুরআনে কারীমের সূরা তাওবার ৩৬ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা যে চার মাসকে সম্মানিত বলে ঘোষণা করেছেন মাহে যিলহজ্ব তার অন্যতম। রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

إِنّ الزّمَانَ قَدِ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ خَلَقَ اللهُ السّمَوَاتِ وَالأَرْضَ، السّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا، مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ، ثَلاَثٌ مُتَوَالِيَاتٌ: ذُو القَعْدَةِ، وَذُو الحِجّةِ، وَالمُحَرّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الّذِي بَيْنَ جُمَادَى، وَشَعْبَانَ.

সময়ের হিসাব যথাস্থানে ফিরে এসেছে, আসমান-যমীনের সৃষ্টির সময় যেমন ছিল। (কারণ, জাহেলী যুগে আরবরা নিজেদের স্বার্থ ও মর্জিমত মাস-বছরের হিসাব কমবেশি ও আগপিছ করে রেখেছিল।) বার মাসে এক বছর। এর মধ্য থেকে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি মাস ধারাবাহিক- যিলকদ, যিলহজ্ব ও মুহাররম। আরেকটি হল রজব, যা জুমাদাল আখিরাহ ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৪৬৬২

এই দিনগুলোর মর্যাদা ও ফজিলত অপরিসীম, কারণ এ সময়ে সালাত, রোজা, দান-সদকা ও হজের মতো ইসলামের মৌলিক ইবাদতগুলো একত্রিত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এই ১০ দিনের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোনো সময়ের আমল আল্লাহর কাছে এত প্রিয় নয়।জিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের বিশেষত্ব ও আমল:
১) ইবাদতের আধিক্য: এই দিনগুলোতে বেশি বেশি নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত এবং দান-সদকা করা উচিত।
২)সিয়াম বা রোজা পালন: প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। বিশেষ করে ৯ জিলহজ্জ ‘আরাফার দিনের রোজা রাখার ব্যাপারে বিশেষ তাগিদ রয়েছে, যা আগের ও পরের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়।
৩)তাকবীর ও যিকির: ১ থেকে ১৩ জিলহজ্জ পর্যন্ত তাকবীরে তাশরিক (আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর...) পাঠ করা সুন্নাত। এছাড়া অধিক পরিমাণে তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ) পড়া উচিত
৪)।কুরবানি: সামর্থ্যবানদের জন্য ১০ জিলহজ্জ থেকে ১২ জিলহজ্জের মধ্যে কুরবানি করা অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল।
৫)চুল ও নখ না কাটা: যারা কুরবানি করবেন, তাদের জন্য জিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি করা পর্যন্ত নিজের চুল, নখ বা শরীরের কোনো অংশ না কাটা মুস্তাহাব (সুন্নাত)।

17/05/2026

#কোরবানী

ঈদের সুন্নাহ্১) অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।২) মিসওয়াক করা।৩) গোসল করা।৪) শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।৫) সাম...
21/03/2026

ঈদের সুন্নাহ্

১) অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

২) মিসওয়াক করা।

৩) গোসল করা।

৪) শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা।

৫) সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা।

৬) সুগন্ধি ব্যবহার করা।

৭) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি-জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের সালাতের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম।

৮) সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।

৯) ঈদের সালাত ঈদগাহে আদায় করা, একান্ত বাধ্য না হলে মসজিদে আদায় না করা।

১০) যে রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা।

১১) পায়ে হেঁটে যাওয়া।

১২) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় নীরবে এই তাকবীর পড়তে থাকা:

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ তবে ঈদুল আযহায় যাবার সময় পথে এ তাকবীর সরবে পড়তে থাকবেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ababil-أبابيل posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share