হিন্দু মহাজোট - হিন্দু আমার নাম, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমার প্রাণ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • হিন্দু মহাজোট - হিন্দু আমার নাম, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমার প্রাণ

হিন্দু মহাজোট - হিন্দু আমার নাম, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমার প্রাণ ॐ�ॐ�ॐ ওম_নমঃ_শিবায় 💙🙏💘�ॐ�ॐ�ॐ Sonaton Friend Like This Page.

মা আসছেন আর মাত্র ৪৬ দিন বাকি🙏🥰জয় মা দুর্গা দুর্গতিনাশিনী❤🙏ওঁ সর্বমঙ্গল - মঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকেশরণ্যে ত্রম্বকে গ...
31/08/2026

মা আসছেন আর মাত্র ৪৬ দিন বাকি🙏🥰

জয় মা দুর্গা দুর্গতিনাশিনী❤🙏

ওঁ সর্বমঙ্গল - মঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে
শরণ্যে ত্রম্বকে গৌরী নারায়ণি নমোহস্তু তে।🧡🙏

দুর্গাপূজা,লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা বাঙালির সবচেয়ে বড় তিনটি উৎসব আসছে আর মাত্র কিছুদিন................🪔দুর্গাপূজা,লক্ষ্মী...
16/08/2026

দুর্গাপূজা,লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা বাঙালির সবচেয়ে বড় তিনটি উৎসব আসছে আর মাত্র কিছুদিন................🪔
দুর্গাপূজা,লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা,

বাঙালির সবচেয়ে বড় তিনটি উৎসব আসছে আর মাত্র কিছুদিন................🪔

দুর্গাপূজা,লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা বাঙালির সবচেয়ে বড় তিনটি উৎসব আসছে আর মাত্র কিছুদিন................🪔

🌿🌼 আসছে,পুত্রদা/পবিত্রারোপণী একাদশী 🌼🌿শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিটি হলো পবিত্রারোপনী একাদশী। এই একাদশী ব্রত পাল...
15/08/2026

🌿🌼 আসছে,পুত্রদা/পবিত্রারোপণী একাদশী 🌼🌿
শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিটি হলো পবিত্রারোপনী একাদশী। এই একাদশী ব্রত পালন করলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি মেলে এবং সন্তানহীন দম্পতিরা সন্তান সুখ প্রাপ্ত হন। তাই এই একাদশীকে শ্রাবণ পুত্রদা একাদশীও বলা হয়।🌿

পবিত্রারোপনী একাদশী কবে জেনে নিন👇

🌺 স্মার্ত অনুসারে, আগামী ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ইং
বাংলা ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ (রবিবার)

🌺 বৈষ্ণব অনুসারে, আগামী ২৪ আগস্ট, ২০২৬ ইং
বাংলা ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ (সোমবার)

একাদশী পারণ মন্ত্র:
একাদশ্যাং নিরাহারঃ ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখো নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব৷৷

সকলে এই পবিত্রারোপনী একাদশী পালন করুন। এইদিনে সারাদিন উপবাস থেকে ভগবান শ্রীবিষ্ণু এবং শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা ও মন্ত্র জপ করুন এবং পরদিন দ্বাদশী তিথিতে পারণের মাধ্যমে ব্রত সম্পন্ন করুন।

🌿🌼🐚🙏হরে কৃষ্ণ 🙏🐚🌿

আসছে 🌸🌿 শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী 🌸🌿জেনে নিন, শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী কবে?সনাতন ধর্মের এক অত্যন্ত পবিত্র, মাহাত্ম্যপূর্ণ ও আনন্দ...
14/08/2026

আসছে 🌸🌿 শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী 🌸🌿
জেনে নিন, শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী কবে?

সনাতন ধর্মের এক অত্যন্ত পবিত্র, মাহাত্ম্যপূর্ণ ও আনন্দময় মহোৎসব হলো শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী। পরম পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ধরাধামে শুভ আবির্ভাবকে স্মরণ করেই এই উৎসব পালন করা হয়।

২০২৬ সালের শুভ জন্মাষ্টমী কবে?

ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ও রোহিণী নক্ষত্রে মধ্যরাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল।

🌿 স্মার্ত মতে জন্মাষ্টমী:

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং (শুক্রবার)

বাংলার ১৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

🌿 বৈষ্ণব ও ইসকন মতে:

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং (শনিবার)

বাংলার ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

🌸 তিথি শুরুর সময়: ৪ সেপ্টেম্বর রাত ২:২৫ মিনিট থেকে অষ্টমী তিথি শুরু হচ্ছে এবং ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২:১৩ মিনিটে তিথি সমাপ্ত হবে।

🪔 বিশেষ মুহূর্ত (নিশিতা পূজা): ৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে (রাত ১১:৪৫ থেকে ১২:৪৯ মিনিট পর্যন্ত) কৃষ্ণ পূজার প্রধান শুভ সময়।

জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভ করতে জপ করুন তাঁর এই প্রণাম মন্ত্র:

ওঁ কৃষ্ণায় বাসুদেবায় হরয়ে পরমাত্মনে।

প্রণত-ক্লেশনাশায় গোবিন্দায় নমো নমঃ॥ ১

📖 অনুবাদ: যিনি বাসুদেবের পুত্র শ্রীকৃষ্ণ, যিনি সকলের পাপ ও দুঃখ হরণকারী, যিনি পরমাত্মা, যিনি তাঁর শরণাগত ভক্তদের সকল ক্লেশ ও দুঃখ দূর করে।সেই ভগবান গোবিন্দকে বারবার প্রণাম জানাই।

হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধু দীনবন্ধু জগত্পতে।

গোপেশ গোপিকাকান্ত রাধাকান্ত নমোস্তু তে॥ ২

📖 অনুবাদ: হে শ্রীকৃষ্ণ, আপনি করুণার সাগর, দীন-দুঃখীদের বন্ধু, জগতের অধিপতি। আপনি গোপগণের ঈশ্বর, গোপীদের প্রিয়তম এবং শ্রীরাধার প্রিয়তম। আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম।

জন্মাষ্টমী তিথিতে সকলে উপবাস থেকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পূজা-অর্চনা, গীতাপাঠ, নামজপ করে এই পবিত্র ব্রতটি পালন করুন।

জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏🏻🌸

'   ╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗❣    *"একাদশী বার্তা"*    ❣    ╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝✧══════•❁❀❁•══════✧   ✺ শয়ন একাদশী✺            ✺ শয়ন ...
25/07/2026

' ╔════ஜ۩۞۩ஜ════╗
❣ *"একাদশী বার্তা"* ❣
╚════ஜ۩۞۩ஜ════╝
✧══════•❁❀❁•══════✧
✺ শয়ন একাদশী✺
✺ শয়ন একাদশী✺
✺ শয়ন একাদশী✺
≪━━━━━━◆❃◆━━━━━━≫
২১শে আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ইং ২৫ সে জুলাই ২০২৬ সাল শনিবার
শয়ন একাদশী
❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏
*━─✤পারন✤─━*
°°°°°°°°°°°°°°°
পরের দিন রবিবার সকাল
*পশ্চিমবঙ্গঃ* পূর্বাহ্ন ০৫:৩৭- ৯ঃ৩২ মিঃ মধ্যে
*বাংলাদেশঃ* ৫ঃ০৭ মিঃ-৯ঃ০১মিঃ মধ্যে
•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸
*•─⊱✦পারণ মন্ত্র✦⊰─•*
"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব"।।
*_━─────⊱❉✸❉⊰──────━_*
*শয়ন একাদশী মাহাত্ম্য*
⊰᯽⊱┈───◑❊◑┈───┈⊰᯽⊱
🍎🍊🍏 মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--'হে কৃষ্ণ! আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি এবং এর মহিমাই বা কি তা আমাকে কৃপা করে বলুন।'
🍎🍊🍏 শ্রীকৃষ্ণ বললেন, ব্রহ্মা এই একাদশী সম্পর্কে দেবর্ষি নারদকে যা বলেছিলেন আমি সেই আশ্চর্যজনক কথা আপনাকে বলছি।
🍎🍊🍏 শ্রী ব্রহ্মা বললেন--হে নারদ! এই সংসারে একাদশীর মতো পবিত্র আর কোন ব্রত নেই। সকল পাপ বিনাশের জন্য এই বিষ্ণু ব্রত পালন করা একান্ত আবশ্যক। যে ব্যক্তি এই প্রকার পবিত্র পাপনাশক ও সকল অভিষ্ট প্রদাতা একাদশী ব্রত না করে তাকে নরকগামী হতে হয়।
🍎🍊🍏 আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী 'শয়ন' নামে বিখ্যাত। শ্রী ভগবান ঋষিকেশের জন্য এই ব্রত পালন করতে হয়। এই ব্রতের সম্বন্ধে এক পরম মঙ্গলময় পৌরাণিক কাহিনী আছে। আমি এখন তা বলছি।
🍎🍊🍏 বহু বছর পূর্বে সূর্য বংশে মান্ধাতা নামে এক রাজর্ষি ছিলেন। তিনি ছিলেন সত্য প্রতিজ্ঞ এবং প্রতাপশালী চক্রবর্তী রাজা। প্রজাদেরকে নিজের সন্তানের মতো প্রতিপালন করতেন। সেই রাজ্যে কোনরকম দুঃখ, রোগ-ব্যাধি, দুর্ভিক্ষ, আতঙ্ক, খাদ্যাভাব অথবা কোন অন্যায় আচরণ ছিল না। এই ভাবে বহু দিন অতিবাহিত হল। কিন্তু একসময় হঠাৎ দৈবদুর্বিপাকে ক্রমাগত তিন বছর সে রাজ্যে কোন বৃষ্টি হয়নি। দুর্ভিক্ষের ফলে সেখানে দেবতাদের উদ্দেশ্যে দানমন্ত্রের 'স্বাহা' 'স্বধা' ইত্যাদি শব্দও বন্ধ হয়ে গেল। এমনকি বেদপাঠও ক্রমশ বন্ধ হল।
🍎🍊🍏 তখন প্রজারা রাজার কাছে এসে বলতে লাগল--মহারাজ দয়া করে আমাদের কথা শুনুন। শাস্ত্রে জলকে নার বলা হয় আর সেই জলে ভগবানের অয়ন অর্থাৎ নিবাস। তাই ভগবানের এক নাম নারায়ণ। মেঘরূপে ভগবান বিষ্ণু সর্বত্র বারিবর্ষণ করেন। সেই বৃষ্টি থেকে অন্ন এবং অন্ন খেয়ে প্রজাগন জীবন ধারন করেন। এখন সেই অন্নের অভাবে প্রজারা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। অতএব হে মহারাজ আপনি এমন কোন উপায় অবলম্বন করুন যাতে আপনার রাজ্যের শান্তি এবং কল্যাণ সাধন হয়।
🍎🍊🍏 রাজা মান্ধাতা বললেন--তোমারা ঠিকই বলেছ। অন্ন থেকে প্রজার উদ্ভব। অন্ন থেকেই প্রজার পালন। তাই অ অন্নের অভাবে প্রজারা বিনষ্ট হয়। আবার রাজার দোষেও রাজ্য নষ্ট হয়। আমি নিজের বুদ্ধিতে আমার নিজের কোন দোষ খুঁজে পাচ্ছি না। তবুও প্রজাদের কল্যাণের জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব।
🍎🍊🍏 তারপর রাজা ব্রহ্মাকে প্রণাম করে সৈন্যসহ বনে গমন করলেন। সেখানে প্রধান প্রধান ঋষিদের আশ্রমে ভ্রমণ করলেন। এভাবে একদিন তিনি ব্রহ্মার পুত্র মহাতেজস্বী অঙ্গিরা ঋষির সাক্ষাৎ লাভ করলেন। তাকে দর্শন মাত্রই রাজা মহানন্দে ঋষির চরণবন্দনা করলেন। মুনিবর তাকে আশীর্বাদ ও কুশল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলেন। রাজা তখন তার বনে আগমনের কারণ সবিস্তারে ঋষির কাছে জানালেন।
🍎🍊🍏 ঋষি অঙ্গিরা কিছু সময় ধ্যানস্থ থাকার পর বলতে লাগলেন--'হে রাজন! এটি সত্যযুগ। এই যুগে সকল লোক বেদপরায়ণ এবং ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্য কেউ তপস্যা করে না। এই নিয়ম থাকা সত্ত্বেও এক শুদ্র এই রাজ্যে তপস্যা করছে। তার এই অকার্যের জন্যই রাজ্যের এই দুর্দশা। তাই তাকে হত্যা করলেই সকল দোষ দূর হবে।
🍎🍊🍏 রাজা বললেন--হে মুনিবর! তপস্যাকারী নিরপরাধ ব্যক্তিকে আমি কিভাবে বধ করব? আমার পক্ষে সহজসাধ্য অন্য কোনো উপায় থাকলে আপনি তা দয়া করে আমাকে বলুন।
🍎🍊🍏 তদুত্তরে মহর্ষি অঙ্গিরা বললেন--আপনি আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের শয়নী নামে প্রসিদ্ধা একাদশী ব্রত পালন করুন। এই ব্রতের প্রভাবে নিশ্চয়ই রাজ্যে বৃষ্টি হবে। এই একাদশী সর্বসিদ্ধি দাত্রী ও সর্ব উপদ্রব নাশকারিনী। হে রাজন! প্রজা ও পরিবারবর্গ সহ আপনি এই ব্রত পালন করুন।
🍎🍊🍏 মুনিবরের কথা শুনে রাজা নিজের প্রাসাদে ফিরে এলেন। আষাঢ় মাস উপস্থিত হলে রাজ্যের সকল প্রজা রাজার সাথে এই একাদশী ব্রতের অনুষ্ঠান করলেন। ব্রত প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হল। কিছুকালের মধ্যেই অন্নাভাব দূর হল। ভগবান হৃষিকেশের কৃপায় প্রজাগণ সুখী হল।
🍎🍊🍏 এ কারণে সুখ ও মুক্তি প্রদানকারী এই উত্তম ব্রত পালন করা সকলেরই কর্তব্য। ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ তথা নারদ-ব্রহ্মা সংবাদ রূপে একাদশীর এই মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে।
*🌸জয় শয়ন একাদশী🌸*
*🌸জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ🌸*
●●●●●●●●●●●●●
┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈
✧══════•❁❀❁•══════✧
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"
"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"
"রাম"রাম"হরে"হরে।।"
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
╲\ | / /╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮╲\ | / /
" ҉♥️" ҉ রাধে রাধে " ҉♥️" ҉-
╱/ | \╲╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯╱/| \╲"

নীলাচল নিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনে।বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ।। 🙏সবাইকে রথযাত্রার মহাসৌভাগ্যের শুভেচ্ছা।জয় জগন্ন...
16/07/2026

নীলাচল নিবাসায় নিত্যায় পরমাত্মনে।
বলভদ্র সুভদ্রাভ্যাং জগন্নাথায় তে নমঃ।। 🙏

সবাইকে রথযাত্রার মহাসৌভাগ্যের শুভেচ্ছা।

জয় জগন্নাথ, জয় বলরাম, জয় সুভদ্রা মহারাণী! 🔱🚩

হরে কৃষ্ণ 😍🙏🌺সুপ্রভাত মিত্রগন 🌅🌿সবাইকে যোগিনী একাদশীর অনেক অনেক শুভেচ্ছা 🥰🙏🌼
11/07/2026

হরে কৃষ্ণ 😍🙏🌺
সুপ্রভাত মিত্রগন 🌅🌿

সবাইকে যোগিনী একাদশীর অনেক অনেক শুভেচ্ছা 🥰🙏🌼

'   *༺༊ ❛ #যোগিনী_একাদশী_2026❜ ༊༻            •─── ত্রিস্পৃশা মহাদ্বাদশী ───•        ᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖ  #একাদশী_তিথি_শুরুঃ- ...
10/07/2026

' *༺༊ ❛ #যোগিনী_একাদশী_2026❜ ༊༻
•─── ত্রিস্পৃশা মহাদ্বাদশী ───•
ᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖᨖ
#একাদশী_তিথি_শুরুঃ- আগামী ২৪ আষাঢ়,৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাত্রি ৩.৫৭ মিনিটে।
#একাদশী_তিথি_শেষঃ- পরদিন ২৫ আষাঢ়, ১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার রাত্রি ১.৪৪ মিনিটে।
≪━━━━━━◆❃◆━━━━━━≫
ইং ১১ই জুলাই ২০২৬, বাং ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার যোগিনী একাদশী
❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏
━───✤পারন✤───━
পরের দিন রবিবার সকাল
#পশ্চিমবঙ্গঃ- ০৫ঃ০৩মিঃ - ০৯ঃ৩০ মিঃ
#বাংলাদেশঃ- ০৫ঃ২৫মিঃ - ০৯ঃ৪৪ মিঃ
#দিল্লিঃ- ০৫ঃ৩১মিঃ - ১০ঃ০৮ মিঃ
#বৃন্দাবনঃ- ০৫ঃ৩১মিঃ - ১০ঃ০৭ মিঃ
#সিঙ্গাপুরঃ- ০৭ঃ০৪মিঃ - ১১ঃ০৮ মিঃ
•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸
•───⊱✦পারণ মন্ত্র✦⊰───•
"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।
প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব।।"
━───────⊱❉✸❉⊰────────━
✺ #যোগিনী_একাদশী_মাহাত্ম্য ✺
⊰᯽⊱┈─────◑❊◑┈─────┈⊰᯽⊱
✦ ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণিত আছে।
✦ যুধিষ্ঠির বললেন--হে বাসুদেব! আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন।
✦ শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে মহারাজ! সকল পাপবিনাশিনী ও মুক্তিপ্রদ এই উত্তম ব্রতের কথা বলছি, আপনি শ্রবণ করুন। আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী 'যোগিনী' নামে পরিচিত। মহাপাপ বিনাশকারী এই তিথি ভবসাগরে পতিত মানুষের উদ্ধারলাভের একমাত্র নৌকাস্বরূপ। ব্রত পালনকারীদের পক্ষে এটি সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত বলে প্রসিদ্ধ। এই প্রসঙ্গে আপনাকে একটি পবিত্র পৌরাণিক কাহিনী বলছি।
✦ অলকা নগরে শিবভক্ত পরায়ণ কুবের নামে এক রাজা ছিল। তিনি প্রত্যহ শিবপূজা করতেন। তার হেমমালী নামে একজন মালী ছিল। প্রতিদিন শিব পূজার জন্য মানস সরোবর থেকে সে ফুল তুলে যক্ষরাজ কুবেরকে দিত। বিশালাক্ষী নামে হেমমালীর এক পরমা রূপবতী পত্নী ছিল। সে তার সুন্দরী পত্নীর প্রতি অত্যন্ত আসক্ত ছিল। একদিন সে তার স্ত্রীর প্রতি কামাসক্ত হয়ে পড়ল। রাজভবনে যাওয়ার কথাও ভুলে গেল। বেলা দুই প্রহর অতীত হল। অর্চনের সময় চলে যাচ্ছে দেখে রাজা ক্রুদ্ধ হলেন। মালীর বিলম্বের কারণ অনুসন্ধানে এক দূত প্রেরণ করলেন।
✦ দূত এসে রাজাকে বলল--'সে গৃহে স্ত্রীর সাথে আনন্দে মত্ত।' দূতের কথা শুনে কুবের রেগে তখনই মালীকে তার সামনে হাজির করতে আদেশ দিল। এদিকে মালী পূজার সময় অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে পেরে অত্যন্ত ভয় পেল। তাই স্নান না করেই সে রাজার কাছে উপস্থিত হল।
✦ তাকে দেখামাত্র রাজা ক্রোধবশে চোখ রাঙিয়ে বললেন--রে পাপিষ্ঠ, দুরাচার! তুই দেবপূজার পুষ্প আনতে অবজ্ঞা করেছিস তাই আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি তুই শ্বেতকুষ্ঠগ্রস্ত হয়ে যা এবং তোর প্রিয়তমা ভার্যার সাথে তোর চিরবিয়োগ সংগঠিত হোক। রে নীচ, তুই এখনি এই স্থান থেকে ভ্রষ্ট হয়ে অধোগতি লাভ কর।
✦ কুবেরের এই অভিশাপে হেমমালী তার পত্নীর সাথে স্বর্গভ্রষ্ট হয়ে দীর্ঘকাল যাবৎ কুষ্ঠরোগ ভোগ করতে লাগল। রোগের যন্ত্রণায় দিন অথবা রাত্রে কখনই সে সুখ পেত না। এভাবে শীত গ্রীষ্মে প্রচন্ড বেদনায় বহু কষ্টে সে জীবন যাপন করতে লাগল। কিন্তু দীর্ঘদিন মহাদেবের অর্চনের ফুল সংগ্রহের সুকৃতির ফলে সে শাপগ্রস্ত হয়েও বৈষ্ণবশ্রেষ্ঠ শিবের বিস্মরণ কখনও হয়নি।
✦ একদিন হেমমালী ভ্রমণ করতে করতে হিমালয়ে শ্রী মার্কণ্ডেয় ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। কুষ্ঠরোগে পীড়িত সপত্নী হেমমালীকে দর্শন করে শ্রী মার্কণ্ডেয় তাকে জিজ্ঞাসা করলেন--'তুমি কার অভিশাপে এই রকম নিন্দনীয় কুষ্ঠরোগগ্রস্ত হয়েছ?'
✦ সে উত্তর দিল--'হে মুনিবর! রাজা ধনকুবেরের আমি ভৃত্য ছিলাম। আমার নাম হেমমালী। আমি প্রত্যহ মানস সরোবর থেকে ফুল তুলে শিব পূজার জন্য রাজাকে দিতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে একদিন স্ত্রীর মনোরঞ্জন হেতু কামাসক্ত হওয়ায় সেই ফুল দিতে বিলম্ব হয়। রাজার অভিশাপে এই রকম দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছি। পরোপকারই সাধুগণের স্বাভাবিক কর্ম। হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! আমি অত্যন্ত অপরাধী। কৃপা করে আমার প্রতি প্রসন্ন হন।
✦ তখন দয়ার্দ্র চিত্ত মার্কণ্ডেয় মুনি বললেন--'হে মালী! তোমার মঙ্গলের জন্য শুভফল প্রদানকারী এক ব্রতের উপদেশ করছি। তুমি আষাঢ় মাসের কৃষ্ণপক্ষের 'যোগিনী' নামক একাদশী পালন কর। এই ব্রতের পুণ্য প্রভাবে তুমি অবশ্যই কুষ্ঠব্যাধি থেকে মুক্ত হবে।
✦ শ্রীকৃষ্ণ বললেন--ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে হেমমালী তাকে প্রণাম জানাল। পরে অত্যন্ত আনন্দে ঋষির আদেশ মতো নিষ্ঠার সঙ্গে যোগিনী একাদশী ব্রত পালন করল। এই ভাবে হেমমালী সমস্ত রোগ থেকে মুক্ত হল ও পত্নীসহ সুখে জীবন যাপন করতে লাগল।
✦ হে মহারাজ যুধিষ্ঠির! আমি আপনার কাছে এই ব্রত উপবাসের মহিমা কীর্তন করলাম। এই ব্রত পালনে অষ্টাশি হাজার ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর ফল লাভ হয়। যে ব্যক্তি এই মহাপাপ বিনাশকারী ও পুণ্য ফল প্রদায়ী যোগিনী একাদশীর কথা পাঠ ও শ্রবণ করে সে অচিরেই সর্বপাপ থেকে মুক্ত হবে।

🌸জয় যোগিনী একাদশী🌸
🌸জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ🌸
●●●●●●●●●●●●●●●●●●
┈┉━━❀❈🙏🏻❈❀━━┉┈
✧════════•❁❀❁•════════✧
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"
"হরে"রাম"হরে"রাম"রাম"রাম"হরে"হরে।।"
┄❈❥ًً❀──●❀🌹🍒🌻
╲\ | / /╭━━━━ " ҉♥️" ҉-━━━━╮╲\ | / /
" ҉♥️" ҉ কৃষ্ণময় হোক জীবন " ҉♥️" ҉-
╱/ | \╲╰━━━━ " ҉♥️" ҉-"━━━━╯╱/| \╲"

 #হরে_কৃষ্ণ 💙🙏❤️ #একাদশী_বার্তা 🌱💌🍀•───✺ পান্ডবা নির্জলা একাদশী✺───•   ≪━━━━━━◆❃◆━━━━━━≫             ২৬ শে জুন ২০২৫     ...
26/06/2026

#হরে_কৃষ্ণ 💙🙏❤️
#একাদশী_বার্তা 🌱💌🍀

•───✺ পান্ডবা নির্জলা একাদশী✺───•

≪━━━━━━◆❃◆━━━━━━≫

২৬ শে জুন ২০২৫

শুক্রবার পান্ডবা নির্জলা একাদশী

❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏❖❏

*━─✤পারন✤─━*

°°°°°°°°°°°°°°°

পরের দিন শনিবার সকাল.....

*পশ্চিমবঙ্গ পূর্বাহ্ন ঃ* ৯: ২৪ মিঃ মধ্যে

*বাংলাদেশঃ* ৫ঃ১৩মিঃ-৯ঃ৪৫মিঃ

•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸¸¸.•*¨*•.¸¸

*•─⊱✦পারণ মন্ত্র✦⊰─•*

"একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব।

প্রসীদ সুমুখ নাথ ঙ্গানদৃষ্টিপ্রদো ভব"।।

*_━─────⊱❉✸❉⊰──────━_*

*পান্ডবা একাদশী মাহাত্ম্য*

⊰᯽⊱┈───◑❊◑┈───┈⊰᯽⊱

--------- পাণ্ডবা নির্জলা একাদশী মাহাত্ম্য-------

জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই নির্জলা একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ্রীভীমসেন-ব্যাসসংবাদে বর্ণিত হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন---হে জনার্দন! আমি অপরা একাদশীর সমস্ত মাহাত্ম্য শ্রবণ করলাম এখন জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই একাদশীর কথা মহর্ষি ব্যাসদেব বর্ণনা করবেন। কেননা তিনি সর্বশাস্ত্রের অর্থ ও তত্ত্ব পূর্ণরূপে জানেন। রাজা যুধিষ্ঠির ব্যাসদেবকে বললেন---হে মহর্ষি দ্বৈপায়ন! আমি মানুষের লৌকিক ধর্ম এবং জ্ঞানকাণ্ডের বিষয়ে অনেক শ্রবণ করেছি। আপনি যথাযথভাবে ভক্তিবিষয়িনী কিছু ধর্মকথা এখন আমায় বর্ণনা করুন।

শ্রীব্যাসদেব বললেন---হে মহারাজ! তুমি যেসব ধর্মকথা শুনেছ এই কলিযুগের মানুষের পক্ষে সে সমস্ত পালন করা অত্যন্ত কঠিন। যা সুখে, সামান্য খরচে, অল্প কষ্টে সম্পাদন করা যায় অথচ মহাফল প্রদান করে এবং সমস্ত শাস্ত্রের সারস্বরূপ সেই ধর্মই কলিযুগে মানুষের পক্ষে করা শ্রেয়। সেই ধর্মকথাই এখন আপনার কাছে বলছি।

উভয় পক্ষের একাদশী দিনে ভোজন না করে উপবাস ব্রত করবে। দ্বাদশী দিনে স্নান করে শুচিশুদ্ধ হয়ে নিত্যকৃত্য সমাপনের পর শ্রীকৃষ্ণের অর্চন করবে। এরপর ব্রাহ্মণদেরকে প্রসাদ ভোজন করাবে। অশৌচাদিতেও এই ব্রত কখনও ত্যাগ করবে না। যে সকল ব্যক্তি স্বর্গে যেতে চায়, তাদের সারা জীবন এই ব্রত পালন করা উচিত। পাপকর্মে রত ও ধর্মহীন ব্যক্তিরাও যদি এই একাদশী দিনে ভোজন না করে, তবে তারা যমযাতনা থেকে রক্ষা পায়।

শ্রীব্যাসদেবের এসব কথা শুনে গদাধর ভীমসেন অশ্বত্থ পাতার মতো কাঁপতে কাঁপতে বলতে লাগলেন---হে মহাবুদ্ধি পিতামহ! মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, ভ্রাতা যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল ও সহদেব এরা কেউই একাদশীর দিনে ভোজন করে না। আমাকেও অন্ন গ্রহণ করতে নিষেধ করে। কিন্তু দুঃসহ ক্ষুধাযন্ত্রণার জন্য আমি উপবাস করতে পারি না।

ভীমসেনের এরকম কথায় ব্যাসদেব বলতে লাগলেন---যদি স্বর্গাদি দিব্যধাম লাভে তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকে, তবে উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। তদুত্তরে ভীমসেন বললেন---আমার নিবেদন এই যে, উপবাস তো দূরের কথা, দিনে একবার ভোজন করে থাকাও আমার পক্ষে অসম্ভব। কারণ আমার উদরে ‘বৃক’ নামে অগ্নি রয়েছে। ভোজন না করলে কিছুতেই সে শান্ত হয় না। তাই প্রতিটি একাদশী পালনে আমি একেবারেই অপারগ।

হে মহর্ষি! বছরে একটি মাত্র একাদশী পালন করে যাতে আমি দিব্যধাম লাভ করতে পারি এরকম কোন একাদশীর কথা আমাকে নিশ্চয় করে বলুন। তখন ব্যাসদেব বললেন---জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে জলপান পর্যন্ত না করে সম্পূর্ণ উপবাস থাকবে। তবে আচমনে দোষ হবে না। ঐদিন অন্নাদি গ্রহণ করলে ব্রত ভঙ্গ হয়।

একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত জলপান বর্জন করলে অনায়াসে বারোটি একাদশীর ফল লাভ হয়। বছরের অন্যান্য একাদশী পালনে অজান্তে যদি কখনও ব্রতভঙ্গ হয়ে যায, তা হলে এই একটি মাত্র একাদশী পালনে সেই সব দোষ দূর হয়। দ্বাদশী দিনে ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নানাদিকার্য সমাপ্ত করে শ্রীহরির পূজা করবে। সদাচারী ব্রাহ্মণদের বস্ত্রাদি দানসহ ভোজন করিয়ে আত্মীয়স্বজন সঙ্গে নিজে ভোজন করবে। এরূপ একাদশী ব্রত পালনে যে প্রকার পুণ্য সঞ্চিত হয়, এখন তা শ্রবণ কর।

সারা বছরের সমস্ত একাদশীর ফলই এই একটি মাত্র ব্রত উপবাসে লাভ করা যায়। শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাকে বলেছেন---‘বৈদিক ও লৌকিক সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে যারা একমাত্র আমার শরণাপন্ন হয়ে এই নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়। বিশেষত কলিযুগে ধন-সম্পদ দানের মাধ্যমে সদ্গতি বা স্মার্ত সংস্কারের মাধ্যমেও যথার্থ কল্যাণ লাভ হয় না। কলিযুগে দ্রব্যশুদ্ধি নেই। কলিতে শাস্ত্রোক্ত সংস্কার বিশুদ্ধ হয় না। তাই বৈদিক ধর্ম কখনও সুসম্পন্ন হতে পারে না। হে ভীমসেন! তোমাকে বহু কথা বলার আর প্রয়োজন কি? তুমি উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। যদি তাতে অসমর্থ হও তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে অবশ্যই নির্জলা উপবাস করবে। এই একাদশী ব্রত ধনধান্য ও পুন্যদায়িনী। যমদূতগণ এই ব্রত পালনকারীকে মৃত্যুর পরও স্পর্শ করতে পারে না। পক্ষান্তরে বিষ্ণুদূতগণ তাঁকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যান।

শ্রীভীমসেন ঐদিন থেকে নির্জলা একাদশী পালন করতে থাকায় এই একাদশী ‘পাণ্ডবা নির্জলা বা ভীমসেনী একাদশী’ নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই নির্জলা একাদশীতে পবিত্র তীর্থে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ইত্যাদি যা কিছু মানুষ করে তা অক্ষয় হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ভক্তিসহকারে এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন তিনি বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হন।

*🌸জয় পান্ডবা একাদশী🌸*

*🌸জয় শ্রীরাধাকৃষ্ণ🌸*

[x] [x] [x] [x] [x] [x] [x] [x] [x] [x] [x] [x] [x]

┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈

✧══════•❁❀❁•══════✧

┄❈❥ًً❀──[x] ❀🌹🍒🌻

"হরে"কৃষ্ণ"হরে"কৃষ্ণ"

"কৃষ্ণ"কৃষ্ণ"হরে"হরে।"

"হরে"রাম"হরে"রাম"

"রাম"রাম"হরে"হরে।।"

┄❈❥ًً❀──[x] ❀🌹🍒🌻

╲\ | / /╭━━ " ҉♥️" ҉-━━╮╲\ | / /



╱/ | \╲╰━━ " ҉♥️" ҉-"━━╯╱/| \╲"

সবাই পালন করুন এবং অন্যকে পালন করতে উৎসাহ প্রদান করুন।

🌿🙏🌿🍒🍓🍇🍑🍉🥭

হিন্দু মহাজোট - হিন্দু আমার নাম, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমার প্রাণ

Address

Cumilla
Dhaka
COMILLA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিন্দু মহাজোট - হিন্দু আমার নাম, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমার প্রাণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share