Noor & Sabr

Noor & Sabr Strengthening hearts through Qur’an, sabr, and tawakkul 🤍

15/06/2026
15/06/2026

mportant Dates to Remember:
16 June 2026 — Islamic New Year.
24 June 2026 — 9th Muharram.
25 June 2026 — Day of Ashura.
A month of reflection, fasting, and drawing closer to Allah

15/06/2026

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)

১. سُبْحَانَ اللّٰهِ
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহ
অর্থ: আল্লাহ সকল ত্রুটি ও অপূর্ণতা থেকে পবিত্র।

২. اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ
উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহ
অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

৩. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।

৪. اَللّٰهُ أَكْبَرُ
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার
অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।

৫. أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ
উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

৬. اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফিরলী
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।

৭. يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي
উচ্চারণ: ইয়া রব্বিগফিরলী
অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন।

৮. اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান-নার
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।

৯. لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
উচ্চারণ: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
অর্থ: আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

১০. لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ-জালিমীন
অর্থ: আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।

১১. لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর রাসুল।

১২. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান-নার
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

১৩. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াহ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই।

১৪. رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي
উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
অর্থ: হে আমার রব! আমি নিজের উপর জুলুম করেছি, আমাকে ক্ষমা করুন।

১৫. اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا
উচ্চারণ: আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে সহজ হিসাব দান করুন।

১৬. يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
উচ্চারণ: ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
অর্থ: হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার হৃদয়কে আপনার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখুন।

১৭. أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি সেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, এবং আমি তাঁর কাছে তাওবা করছি।

১৮. اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ
উচ্চারণ: আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হিদায়াত ও সঠিক পথ চাই।

১৯. حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল
অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।

২০. اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

২১. اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
উচ্চারণ :আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
অর্থ: “হে আল্লাহ! আমাকে আপনার পথে শহীদ হওয়ার রিজিক দান করুন এবং আমার মৃত্যু আপনার রাসূল ﷺ-এর শহরে (মদিনায়) হওয়ার ব্যবস্থা করে দিন।”

২২. رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير
উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির ।
অর্থ:‌ হে আমার রব! আপনি যে কল্যাণ আমার জন্য নাজিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।

২৩. رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
উচ্চারণ: রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সমস্ত মুমিনদেরকে ক্ষমা ন সেই , যেদিন হিসাব কায়েম হবে (কিয়ামতের দিন)।”

২৪. رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
উচ্চারণ: রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
অর্থ: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের (পরহেজগারদের) জন্য আদর্শস্বরূপ করুন।"

২৫. اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
উচ্চারণ:আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখেরাতে ক্ষমা এবং পরিপূর্ণ সুস্থতা ও নিরাপত্তা (আফিয়াহ) কামনা করছি।"

২৬. رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াকিনা আযাবান-নার
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

২৭. يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
উচ্চারণ: ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস।
অর্থ : হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে সাহায্য চাই।

২৮. رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
উচ্চারণ: রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
অর্থ: "হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি রহম করুন, যেমন তাঁরা আমাকে শৈশবে পরম যত্নে লালন-পালন করেছিলেন।"

২৯. رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
উচ্চারণ: রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
অর্থ: হে আমার রব! আমাকে সৎ ও নেক সন্তান দান করুন।

৩০: رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا
উচ্চারণ: রব্বি জিদনী ইলমা ।
অর্থ: হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।

হাঁটতে-চলতে, কাজের ফাঁকে, অবসরে—যত বেশি সম্ভব আল্লাহর জিকির করুন।

"নিশ্চয়ই আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়সমূহ প্রশান্তি লাভ করে।" [সূরা রা'দ, ১৩:২৮]

08/06/2026

Before you walk into:
– a job interview
– a business meeting
– an exam
– a difficult conversation
– a stressful day

Recite these du'as. The Prophet ﷺ taught them for exactly these moments.

1)
بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

Bismillah, tawakkaltu 'alallah, wa la hawla wa la quwwata illa billah.

"In the Name of Allah, I place my trust in Allah. There is no power and no strength except through Allah."

Say this walking out the door. Every single morning.

2)
رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي

Rabbi ishrah li sadri wa yassir li amri.

"My Lord, expand my chest for me and ease my task for me."

This is the du'a of Musa (AS) before he had to stand in front of Pharaoh.

If it was enough for that moment — it is enough for yours.

3)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ

Allahumma inni a'udhu bika minal-hammi wal-hazani, wal-'ajzi wal-kasal.

"O Allah, I seek refuge in You from anxiety, grief, inability and laziness."

Notice how the Prophet ﷺ grouped emotional pain with loss of productivity.

He understood psychology 1400 years ago.
______

Sometimes the most powerful thing you carry into a hard day is not confidence in yourself.

It is confidence in who Allah is.

Save this. Come back to it every morning.

08/06/2026

১২ টা কাজ করবেন। জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।

১. সময়মত নামাজ আদায়।
২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী।
৩. সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল।
৪. প্রতিদিন কিছু অংশ কুরআন তিলাওয়াত।
৫. ইশরাকের নামাজ।
৬. বিতরের নামাজ বাদ দেবেন না।
৭. জুমআর দিন সূরা কাহাফ।
৮. রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
৯. আযান ও ইকামতের মাঝে দুয়া করা।
১০. পিতামাতার আনুগত্য।
১১. সাদাকাহ করা।
১২. দরূদ পড়া।

আল্লাহ তায়ালা জীবনের উপর রহমত ও বরকতের বন্যা বইয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ।

🌟 পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবী ও রাসূল এবং তাঁদের প্রতীকী নিদর্শন 🌟প্রতিটি প্রতীকের সংক্ষিপ্ত তাৎপর্য ও সহিহ কুরআন-হাদ...
08/06/2026

🌟 পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবী ও রাসূল এবং তাঁদের প্রতীকী নিদর্শন 🌟

প্রতিটি প্রতীকের সংক্ষিপ্ত তাৎপর্য ও সহিহ কুরআন-হাদিসের দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. আদম (আ.) — খেজুর গাছ
তাৎপর্য: মানবজাতির আদি পিতা। আল্লাহ তাঁকে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠানোর পর তিনি কৃষিকাজ ও ফলমূল চাষের মাধ্যমে জীবন নির্বাহ শুরু করেন।
দলিল: "হে মানবজাতি! তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি (আদম) থেকে সৃষ্টি করেছেন..." (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১)।

২. ইদ্রিস (আ.) — স্ক্রোল ও কলম
তাৎপর্য: তিনি ছিলেন প্রথম মানব যিনি কলম দিয়ে লেখালেখি ও পোশাক সেলাইয়ের বিদ্যা প্রবর্তন করেন।
দলিল: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তিনি (ইদ্রিস) ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি কলম দ্বারা লিখেছিলেন।" (সহিহ ইবনে হিব্বান)। কুরআনে বলা হয়েছে, "এবং কিতাবে ইদ্রিসের কথা স্মরণ কর, তিনি ছিলেন সত্যবাদী, নবী।" (সূরা মারইয়াম, আয়াত: ৫৬)।

৩. নুহ (আ.) — মহাপ্লাবনের নৌকা (কিশতি)
তাৎপর্য: আল্লাহর নির্দেশে তিনি এক বিশাল নৌকা তৈরি করেন, যা বিশ্বাসীদের এবং জোড়ায় জোড়ায় প্রাণীদের মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা করেছিল।
দলিল: "অতঃপর আমি তাকে ও নৌকার আরোহীদের রক্ষা করলাম এবং বিশ্ববাসীর জন্য একে একটি নিদর্শন বানালাম।" (সূরা আল-আনকাবুত, আয়াত: ১৫)।

৪. হুদ (আ.) — টর্নেডো বা প্রবল ঝড়
তাৎপর্য: আদ জাতিকে হেদায়তের জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন। তারা অবাধ্য হওয়ায় প্রবল ঘূর্ণি ঝড় ও বাতাস দিয়ে তাদের ধ্বংস করা হয়।
দলিল: "আর আদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচণ্ড শীতল ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা।" (সূরা আল-হাক্কাহ, আয়াত: ৬)।

৫. সালিহ (আ.) — উট
তাৎপর্য: সামুদ জাতির দাবির মুখে আল্লাহর পক্ষ থেকে মুজিজা হিসেবে পাহাড় থেকে একটি অলৌকিক উটনী বের হয়েছিল। পরে অবাধ্যরা উটটিকে হত্যা করে।
দলিল: "আর সামুদ জাতির কাছে আমি তাদের ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম... সে বলল, এটি আল্লাহর উটনী, যা তোমাদের জন্য এক নিদর্শন।" (সূরা আল-আরাফ, আয়াত: ৭৩)।

৬. ইব্রাহিম (আ.) — প্রজ্বলিত আগুন
তাৎপর্য: নমরূদ তাঁকে বিশাল অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করলে আল্লাহর নির্দেশে আগুন তাঁর জন্য শান্তিদায়ক বাগানে পরিণত হয়।
দলিল: "আমি বললাম, হে আগুন! তুমি ইব্রাহিমের জন্য শীতল ও শান্তিদায়ক হয়ে যাও।" (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৬৯)।

৭. লুত (আ.) — দম্পতি / হিজরত
তাৎপর্য: সদোম নগরীর পাপাচারের কারণে যখন আল্লাহর আজাব আসছিল, তখন লুত (আ.) তাঁর পরিবার নিয়ে (স্ত্রী ছাড়া) রাতের আঁধারে এলাকা ত্যাগ করেন।
দলিল: "সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক ভাগে আপনার পরিবারবর্গ নিয়ে বের হয়ে পড়ুন..." (সূরা হুদ, আয়াত: ৮১)।

৮. ইসমাইল (আ.) — ছুরি / কুরবানি
তাৎপর্য: পিতা ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর আদেশে তাঁর প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কুরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন, যা আজহায় পরিণত হয়।
দলিল: "অতঃপর সে যখন পিতার সাথে কাজ করার বয়সে উপনীত হলো, তখন ইব্রাহিম বলল, হে বৎস! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে আমি তোমাকে জবেহ করছি..." (সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ১০২)।

৯. ইশহাক (আ.) — দুম্বা বা ভেড়া
তাৎপর্য: তিনি ছিলেন ইব্রাহিম (আ.)-এর দ্বিতীয় পুত্র এবং বনি ইসরাইলের নবীগণের আদি পিতা। ছবিতে কুরবানির পরবর্তী বংশধারা বা শান্তির প্রতীক হিসেবে এটি দেখানো হয়েছে।
দলিল: "আর আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইশহাকের, সে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত একজন নবী।" (সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ১১২)।

১০. ইয়াকুব (আ.) — অশ্রু সজল চোখ
তাৎপর্য: প্রিয় পুত্র ইউসুফ (আ.)-এর বিচ্ছেদে দীর্ঘদিন কেঁদে কেঁদে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন।
দলিল: "এবং সে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বলল, আফসোস ইউসুফের জন্য! আর দুঃখে তার চোখ দুটি সাদা (অন্ধ) হয়ে গেল..." (সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৮৪)।

১১. ইউসুফ (আ.) — কুয়া (কূপ)
তাৎপর্য: ভাইয়েরা হিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁকে অন্ধকূপে নিক্ষেপ করেছিল, যেখান থেকে পরে তিনি মিশরের শাসক হন।
দলিল: "অতঃপর তারা যখন তাকে নিয়ে গেল এবং কুয়ায় ফেলে দিতে একমত হলো..." (সূরা ইউসুফ, আয়াত: ১৫)।

১২. আইয়ুব (আ.) — বালুঘড়ি (সবর ও সময়)
তাৎপর্য: তিনি দীর্ঘ বছর কঠিন রোগ ও চরম পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েও অসীম ধৈর্যের (সবর) পরিচয় দিয়েছিলেন।
দলিল: "আমি তো তাকে ধৈর্যশীল পেয়েছি। কত চমৎকার বান্দা সে! নিশ্চয় সে ছিল আল্লাহর প্রতি অত্যন্ত প্রত্যাবর্তনশীল।" (সূরা সোয়াদ, আয়াত: ৪৪)।

১৩. শুয়াইব (আ.) — দাঁড়িপাল্লা বা মাপজোখ
তাৎপর্য: মাদইয়ান জাতির প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন। তারা ব্যবসা-বাণিজ্যে ওজনে কম দিত। তিনি তাদের ওজনে সততার দাওয়াত দেন।
দলিল: "আর হে আমার কওম, তোমরা ন্যায়সঙ্গতভাবে মাপে ও ওজনে পূর্ণ করো এবং মানুষকে তাদের জিনিসপত্রে কম দিও না..." (সূরা হুদ, আয়াত: ৮৫)।

১৪. মুসা (আ.) — লাঠি ও সাপ
তাৎপর্য: আল্লাহর দেওয়া অলৌকিক লাঠি, যা মাটিতে ফেললে বিশাল সাপে পরিণত হতো এবং যা দিয়ে তিনি লোহিত সাগর দ্বিখণ্ডিত করেছিলেন।
দলিল: "অতঃপর মুসা তার লাঠি নিক্ষেপ করল, সঙ্গে সঙ্গে তা এক জলজ্যান্ত অজগর সাপ হয়ে গেল।" (সূরা আল-আরাফ, আয়াত: ১০৭)।

১৫. হারুন (আ.) — সমুদ্রের ঢেউ
তাৎপর্য: মুসা (আ.)-এর ভাই ও সহযোগী নবী, যিনি ফেরাউনের কবল থেকে সমুদ্র পার হয়ে বনি ইসরাইলকে মুক্ত করার ঐতিহাসিক যাত্রায় সাথে ছিলেন।
দলিল: "আর আমি মুসা ও হারুন উভয়কেই অনুগ্রহ করেছিলাম। এবং আমি তাদের ও তাদের সম্প্রদায়কে মহা সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।" (সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ১১৪-১১৫)।

১৬. জুলকিফল (আ.) — মুকুট বা স্ক্রোল
তাৎপর্য: তিনি অত্যন্ত ইবাদতগুজার এবং আল্লাহর দেওয়া দায়িত্ব পালনে কঠোর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন।
দলিল: "এবং স্মরণ কর ইসমাইল, আল-ইয়াসা ও জুলকিফলের কথা; তারা সকলেই ছিলেন পুণ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত।" (সূরা সোয়াদ, আয়াত: ৪৮)।

১৭. দাউদ (আ.) — রাজমুকুট
তাৎপর্য: আল্লাহ তাঁকে একই সাথে নবুওয়াত এবং বিশাল রাজ্যের রাজত্ব দান করেছিলেন। তিনি জাবুর কিতাব লাভ করেছিলেন।
দলিল: "আর দাউদ জালূতকে হত্যা করল এবং আল্লাহ তাকে রাজ্য ও হিকমত (নবুওয়াত) দান করলেন..." (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২৫১)।

১৮. সুলাইমান (আ.) — পিঁপড়া
তাৎপর্য: তিনি পশুপাখি ও কীটপতঙ্গের ভাষা বুঝতেন। একবার তাঁর বিশাল বাহিনী দেখে একটি পিঁপড়ার সতর্কবার্তার গল্প কুরআনে বর্ণিত আছে।
দলিল: "অবশেষে যখন তারা পিঁপড়ার উপত্যকায় পৌঁছাল, তখন এক পিঁপড়া বলল, হে পিঁপড়ারা! তোমরা তোমাদের ঘরে প্রবেশ কর, যেন সুলাইমান এবং তার বাহিনী তোমাদের পিষে না ফেলে..." (সূরা আন-নামল, আয়াত: ১৮)।

১৯. იলিয়াস (আ.) — তাসবিহ বা ইবাদত
তাৎপর্য: তিনি বাল (Baal) মূর্তির পূজারী কওমের বিরুদ্ধে তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছিলেন এবং আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দা ছিলেন।
দলিল: "নিশ্চয় ইলিয়াস ছিলেন রাসূলদের একজন।" (সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ১২৩)।

২০. আল-ইয়াসা (আ.) — চাঁদ-তারা / হেদায়েতের আলো
তাৎপর্য: ইলিয়াস (আ.)-এর পরবর্তী নবী, যিনি বনি ইসরাইলকে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখান।
দলিল: "আর ইসমাইল, আল-ইয়াসা, ইউনুস ও লুত—সকলকেই আমি সৃষ্টিজগতের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছিলাম।" (সূরা আল-আনআম, আয়াত: ৮৬)।

২১. ইউনুস (আ.) — তিমি মাছ
তাৎপর্য: আল্লাহর নির্দেশের পূর্বে কওম ত্যাগ করায় তিনি সমুদ্রের তিমির পেটে বন্দি হন এবং সেখানে তাওবা করে অলৌকিকভাবে মুক্তি পান।
দলিল: "অতঃপর একটি বড় মাছ তাকে গিলে ফেলল, এমতাবস্থায় সে ছিল নিজেকে ধিক্কারদানকারী।" (সূরা আস-সাফফাত, আয়াত: ১৪২)।

২২. যাকারিয়া (আ.) — কাঠের মিহরাব / বেঞ্চ
তাৎপর্য: মারইয়াম (আ.)-এর অভিভাবক ছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে অলৌকিকভাবে পুত্র ইয়াহইয়ার সুসংবাদ পান। তিনি কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন বলেও সহিহ হাদিসে এসেছে।
দলিল: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যাকারিয়া (আ.) একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।" (সহিহ মুসলিম)।

২৩. ইয়াহিয়া (আ.) — তারকা (উজ্জ্বলতা)
তাৎপর্য: শৈশব থেকেই আল্লাহ তাঁকে প্রজ্ঞা, জ্ঞান ও হৃদয়ের কোমলতা দান করেছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত পুণ্যবান ও জ্যোতির্ময় চরিত্রের।
দলিল: "হে ইয়াহিয়া! দৃঢ়তার সাথে কিতাবটি ধারণ কর। আর আমি তাকে শৈশবেই প্রজ্ঞা দান করেছিলাম।" (সূরা মারইয়াম, আয়াত: ১২)।

২৪. ঈসা (আ.) — দোলনা
তাৎপর্য: কোনো পিতার মাধ্যম ছাড়াই অলৌকিকভাবে কুমারী মাতা মারইয়াম (আ.)-এর গর্ভে তাঁর জন্ম। তিনি দোলনায় থাকা অবস্থায় আল্লাহর নবী হিসেবে কথা বলে মায়ের পবিত্রতা প্রমাণ করেছিলেন।
দলিল: "সে (শিশুপুত্র ঈসা) বলল, আমি তো আল্লাহর বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে নবী বানিয়েছেন।" (সূরা মারইয়াম, আয়াত: ৩০)।

২৫. মুহাম্মাদ (সা.) — পবিত্র কাবা শরিফ
তাৎপর্য: সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী ও রাসূল। তাঁর মাধ্যমেই দ্বীন ইসলাম পূর্ণতা পেয়েছে এবং কাবার দিকে মুখ করে আজ সারাবিশ্বের মুসলিমরা সালাত আদায় করে।
দলিল: "মুহাম্মাদ তোমাদের মধ্যে কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত: ৪০)।
শিক্ষা: এই মহান নবীগণের জীবনী কেবল গল্প নয়, বরং আমাদের জীবনের জন্য এক একটি আলোকবর্তিকা ও শিক্ষার উৎস। আল্লাহ আমাদের তাঁদের দেখানো সরল পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন 🤲

♻️ নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও তা পৌঁছে দাও।" - সহীহ বুখারী: ৩৪৬১

➡️🌹 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে আমাদের ফলো দিয়ে রাখুন এবং শেয়ার করে সওয়াবের অংশীদার হন!

06/06/2026

জানাবাতের পরিচয়:
'জানাবাত' একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ অপবিত্রতা।
শরীয়তের পরিভাষায়—হায়েজ-নেফাস, স্ত্রী সহবাস অথবা স্বপ্নদোষ বা অন্য কোনো কারণে বীর্যপাতের ফলে যে নাপাকি সৃষ্টি হয়, তাকে 'জানাবাত' বলা হয়। এই অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে বলা হয় ‘জুনুবি’। জানাবাত অবস্থা থেকে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করা ফরজ।

চলুন এ সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করি
১. জীবনে কিছু কাজ আমাদের করতেই হয়, না করে উপায় থাকে না। গোসলও তেমন এক কাজ। এই গোসল কখনো মুস্তাহাব, কখনো সুন্নাত, আবার কখনো ফরজ।
আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন—
"তোমরা যদি জানাবাত অবস্থায় থাকো, তবে নিজেদের দেহ (গোসলের মাধ্যমে) ভালোভাবে পবিত্র করে নেবে।" (সূরা মায়েদা: ৬)

২. নবীজি (সা.)-এর গোসলের পদ্ধতি
আম্মাজান আয়েশা (রা.) বলেছেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) জানাবাতের গোসল করার সময় এভাবে সম্পন্ন করতেন:
• ক. প্রথমে দুই হাত ধৌত করতেন।
• খ. ডান হাত দিয়ে পানি ঢালতেন এবং বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করতেন।
• গ. তারপর পরিপূর্ণ (সালাতের ন্যায়) অজু করতেন, তবে পা ধোয়া বাকি রাখতেন।
• ঘ. পানি দিয়ে চুলের গোড়ায় ভালো করে পানি পৌঁছাতেন এবং এরপর মাথায় তিন কোষ পানি ঢালতেন।
• ঙ. পুরো শরীরে পানি ঢালতেন।
• চ. সবশেষে পা ধুতেন।

৩. শরীর ভেজানোর ধারাবাহিকতা
হযরত আয়েশা (রা.) আরও বলেছেন, আমাদের কেউ জুনুবি হলে মাথায় তিনবার পানি ঢালতেন। তারপর শরীরের ডান পাশে পানি ঢালতেন এবং এরপর বাম পাশে।

৪. গোসলের ফরজ কাজসমূহ
গোসলের এই সুন্নাত তরিকা শুধু ফরজ গোসলে নয়, সাধারণ গোসলেও আমরা প্রয়োগ করতে পারি। তবে জানাবাতের গোসলে ৩টি কাজ অবশ্যই করতে হবে (যা ফরজ):
১. একবার কুলি করতে হবে।
২. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছে দিয়ে নাক পরিষ্কার করতে হবে।
৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছাতে হবে।

৫. সাধারণ গোসলকে ইবাদতে পরিণত করা
এই তিনটি কাজ ফরজ আর নবীজির অনুসৃত পদ্ধতি অনুসরণ করা সুন্নাত। আমরা ফরজ গোসল প্রতিদিন না করলেও সাধারণ গোসল তো প্রায় প্রতিদিনই করি। একটু খেয়াল করে নবীজির তরিকা অনুসরণ করলে আমাদের দৈনন্দিন গোসলটাও ইবাদতে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

৬. সচেতনতা ও আমল
মাথায় পানি ঢালার সময় আমরা তিনবার অবশ্যই ঢালব, প্রয়োজনে বেশিও ঢালতে পারি। শাওয়ারে গোসল করার সময় তিনবারের নিয়ত করে নেব। শাওয়ারের নিচে দাঁড়ানোর সময়ও খেয়াল করে আগে ডান দিক ভেজাব, তারপর বাম দিক। দ্বীন পালন মানেই হলো একটুখানি সচেতনতা। একটু খেয়াল করলেই আমরা কত সহজে অনেক বেশি ইবাদত করতে পারি।
রব্বে কারীম আমাদের আমল করার তাওফীক দান করুন। আমিন।

Address

Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Noor & Sabr posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share