দ্বীনি রাহবার

দ্বীনি রাহবার 👉💞💝✍️ইনফেরাদী গুনাহ☝️ থেকে বেঁচে থাকা🤚
সবচেয়ে বড় বুজুর্গী।🧙‍♂️ ❤️❣️👈

02/05/2026
➤• যদি শহীদ হয়ে যান.?☞• দেখা হবে আবার রহমানের সেই জান্নাতে.! 🤲💞
01/05/2026

➤• যদি শহীদ হয়ে যান.?
☞• দেখা হবে আবার রহমানের সেই জান্নাতে.! 🤲💞

30/04/2026

👉সন্তান বড় হলে স্বামী-স্ত্রী কিভাবে যৌন চাহিদা পূরণ করবে :-✍️স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্ক। হায়া-লজ্জাশীলতা। শালীনতাপূর্ণ ...
26/04/2026

👉সন্তান বড় হলে স্বামী-স্ত্রী কিভাবে যৌন চাহিদা পূরণ করবে :-

✍️স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্ক। হায়া-লজ্জাশীলতা। শালীনতাপূর্ণ পারিবারিক পরিবেশ রক্ষা করা—এই তিনটি ভিত্তির উপরই আদর্শিক পারিবারিক জীবন কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে।

১. স্বামী-স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ করাও ইসলামের বৈধ ও স্বাভাবিক বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় :

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌন সম্পর্ককে ইবাদতের অংশ হিসেবেও গণ্য করা হয়, যদি তা হালাল পদ্ধতিতে হয়। রাসূল (সঃ) বলেছেন, স্বামী-স্ত্রীর মিলনেও সওয়াব রয়েছে—কারণ তারা হারাম থেকে বেঁচে হালাল পথে চাহিদা পূরণ করে। তাই সন্তান বড় হয়ে গেলেও স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক বন্ধ বা লজ্জার কিছু নয়, বরং এটি বৈধ ও প্রয়োজনীয়।

২. সন্তানের উপস্থিতিতে গোপনীয়তা রক্ষা :

ইসলাম এখানে খুব স্পষ্টভাবে শালীনতা ও গোপনীয়তার নিয়ম দিয়েছে। যেমন, আলাদা ঘুমানোর ব্যবস্থা করা।

কুরআনে বর্ণিত সূরা আন-নূরের দিকনির্দেশনা হলো, শিশুদের নির্দিষ্ট সময়ে (ভোরে, দুপুরে, রাতে) বাবা-মায়ের কক্ষে প্রবেশের আগে অনুমতি নিতে শেখাতে হবে। সন্তান বড় হলে তাদের আলাদা রুম-বিছানার ব্যবস্থা করা জরুরি। বাবা-মায়ের ব্যক্তিগত সময় নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিজেদের রুমের দরজা বন্ধ রাখা। স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তে তাদের রুমের দরজা বন্ধ রাখা সুন্নাহসম্মত শালীন আচরণের অন্তর্ভুক্ত। সন্তান যেন কিছু না দেখে বা বুঝতে না পারে—এটা খুবই লক্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ।

৩. লজ্জাশীলতা (হায়া) বজায় রাখা:

ইসলামে হায়া (লজ্জাবোধ) খুব গুরুত্বপূর্ণ।
তাই সন্তানদের সামনে অশালীন আচরণ, ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ করা উচিত নয়
দাম্পত্য সম্পর্ক সম্পূর্ণ গোপনীয় ও মর্যাদাপূর্ণভাবে রাখতে হবে

৪. সময় ও পরিস্থিতি নির্বাচন:

যখন সন্তান ঘুমিয়ে থাকে বা বাইরে থাকে—তখন ব্যক্তিগত সময় নেওয়া উত্তম
রাতের সময় সাধারণত সবচেয়ে উপযুক্ত

৫. সন্তানদের শিক্ষা দেওয়া :

সন্তান বড় হলে তাদের ইসলামিক আদব শেখানো জরুরি (নক করা, অনুমতি নেওয়া)
কিন্তু দাম্পত্য বিষয় বিস্তারিত বলা নয়—বরং শালীনতা শেখানো

৬. সন্তানদের সামনে স্বামী-স্ত্রী যৌন আচরণ প্রকাশ করে এমন পরিবেশ তৈরি করা যাতে তারা অশ্লীল কিছু দেখে বা শোনে, তা থেকে বেঁচে থাকতেও ইসলাম নিষেধ করেছে। এত অবশ্যই গোপনীয়তা অবলম্বন করতে হবে। যেন ছেলে সন্তানরা বেহায়া নির্লজ্জ হয়ে না পড়ে। হাদিস শরীফে রাসুলে কারীম (সঃ) বলেন,
الحياء شعبة من الإيمان
লজ্জা শরম ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা।

সারসংক্ষেপ :

স্বামী-স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণ ইসলামে বৈধ ও প্রয়োজনীয়। সন্তানদের উপস্থিতিতে গোপনীয়তা ও শালীনতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। আলাদা ঘুমানো, দরজা বন্ধ রাখা, উপযুক্ত সময় নির্বাচন করা—এসবই ইসলামের নির্দেশনার অংশ!
✍️ #দ্বিনি_রাহবার

26/04/2026

আসেন মাওলানা সাদ সাহেবের দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের এক প্রকাশ‍্য নমুনা দেখে যান।

মাওলানা সাদ এর বয়ান থেকেই তার দ্বীনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ছাপ প্রকাশ পেয়েছে।

একটু লক্ষ‍্য করুন.

সাদ সাহেব সর্ব সাধারণের মজমা তাদেরকে উম্মতের দ্বীনি অবনতির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে জোর গলায় দ্বীনের মেহনতের প্রতি উৎসাহ দিচ্ছেন এবং বলছেন,

উম্মতের এই বদদ্বীনি ও ধর্মত‍্যাগের পরিস্থিতি হালাল উপার্জন করাটাও জুলুম, অর্থাৎ বলতে চাচ্ছেন তোমরা ব‍্যবসা বানিজ‍্য খেত খামার এই সব হালাল উপকরণ এর প্রতি লক্ষ‍্য না রেখে উম্মতের পিছনে দ্বীনের মেহনতে লেগে যাও।

অথচ সেই সাদ সাহেবই আবার হযরত উলামায়ে কেরামের প্রতি জোর গলায় বলছেন যে, যেই আলেম উলামারা দ্বীনের খেদমত মসগুল আছে তারা যেন অবশ্যই অবশ্যই নিজেদের হালাল রূজির জন‍্য উপায় উপকরণে লাগুক, যদিও একটা দুইটা দরস দেওয়া সম্ভব হয় কিন্তু আসবাবের জন‍্য ৬-৮ ঘন্টা হালাল কামিয়ের জন‍্য সময় দিক। কেননা ইলমের জন‍্য নিজেকে আসবাব থেকে উপায় উপকরণ থেকে ফারেগ হয়ে যাওয়া নাকি ইলমে (দ্বীনের) বিরোধী (নাউযুবিল্লাহ)

এবং এটাই নাকি উলামাদের প্রথম ফরজ,

অর্থাৎ খালেস সহীহ শুদ্ধ দ্বীনের মেহনতে খেদমতে ব‍্যস্ত উলামা হযরতকে রুজির উপায় উপকরণের জন‍্য সেই ব‍্যস্ততা থেকে বের করতে জোর দিচ্ছেন গলা শুকাচ্ছেন আর যারা দ্বীন ও শরিয়ত নিয়ে কম জানে শুনে অর্থাৎ সর্ব সাধারণ তাদরকে উনি উম্মতের দ্বীনি অবনতির কথা বলে রুজি ব‍্যবস্থার উপায় উপকরণে লিপ্ত থাকাকে জুলুম বলছেন।

লা হাউলা ওয়ারা কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহ।

আশ্চর্য মনে হচ্ছে এটা এক জনের কথা? অর্থাৎ সর্ব সাধারণকে দ্বীনের ভেহনতের জন‍্য উনি হালাল রূজি থেকেও ফারেগ করতে চাচ্ছেন আর খালেস দ্বীনি মেহনতে পূর্বে থেকে জড়িত খেদমতরত আলেম উলামা হযরতদেরকে তাদের মেহনত থেকে বের করে এনে রূজির তালাসে লিপ্ত করতে চাচ্ছেন এখানে তার উম্মাহর প্রতি দরদ হজম হয়ে যায়। নাউজুবিল্লাহ।

মানে উম্মতকে যেভাবেই হোক উলামা ও মাদারিস থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে তাই যতো মুনাফেকি করা লাগে সাদ সাহেব করবে, যতোই মাদ্রাসা ও উলামাদেয প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো লাগে ছড়াবে এবং যতো রকম সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র আছে তা সাদ সাহেব মাদ্রাসা ও উলামাদের বিরুদ্ধে করবেই।

এর কারণ? কারণ স্পষ্ট ইসলামের প্রথম যুগ থেকে যারাই মাদারিসের এই কিলা ও আহলে ইলমের জামাত থেকে উম্মতকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছে ও বিদ্বেষ ছড়িয়েছে তারা হয়তবা প্রকাশ‍্য দ্বীন ইসলাম শরিয়তের শত্রু অথবা সূক্ষ্ণভাবে ইসলামের শত্রুতায় লিপ্ত।

আর সাদ সাহেব ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় দ্বীন ইসলাম ও শরিয়তের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন যেন উম্মতকে উলামা হযরতদের রাস্তা থেকে সরিয়ে নিগের মনগড়া গোমরাহী মতবাদ ও বেদাতী নীতির পথ উম্মতকে আনা।

এখনো সময় আছে সাদপন্থিরা সাদ সাহেবের গোমরাহী ও ষড়যন্ত্র বুঝ না হয় অনেক দেরি হয়ে গেলে আর পিছনে তাকানোর সময় দিবে না ফেরেস্তা।

আল্লাহ তায়ালা উম্মতকে সাদ সাহেবের সকল প্রকার ফেতনা ফাষাদ ও ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন...আমীন

সাদ সাহেবের প্রথম বয়নটা এই মাসেরই, এপ্রিল ২০২৬ এর।
✍️ #দ্বীনি_রাহবার

26/04/2026

টুঙ্গি ইজতেমা ২০১৭ তে মাওলানা সাদ ও তার নেতৃবৃন্দ এবং ভক্তবন্দরা মিলে যেই গুন্ডামি, ও রাজনীতি করেছিল আমীর বানানোর জোরপূর্বক ফয়সালা ও ষড়যন্ত্র তার বর্ণনা কাকরাইলে ফয়সাল শূরা হযরত মাওলানা ওমর ফারুক সাহেব (দাঃবাঃ) এর বয়ানে শূনেন।

অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি যা প্রত‍্যেক দাওয়াত তবলীগের সাথি ভাইদের জানা খুবই জরুরী।
✍️ #দ্বীনি_রাহবার

👉কেন পর্নো*গ্রাফি দেখার জন্য মানুষ পাগল হয়?✍️তুমি যখন রাতভর প*র্নো দেখো, ভাবছো আনন্দ পাচ্ছো…কিন্তু জানো কি, সেই আনন্দের...
26/04/2026

👉কেন পর্নো*গ্রাফি দেখার জন্য মানুষ পাগল হয়?

✍️তুমি যখন রাতভর প*র্নো দেখো, ভাবছো আনন্দ পাচ্ছো…
কিন্তু জানো কি, সেই আনন্দের পেছনে লুকিয়ে থাকে এক গভীর সমস্যা—যেটা তুমি স্বীকার করতে চাও না?”

১. কৌতূহল থেকে শুরু হয়,
যেটা একপর্যায়ে আসক্তি চলে যায়

প্রথমে মনে হয়—“দেখলে তো কিছু হবে না। কিন্তু পর্নো*গ্রাফি আসলে মস্তিষ্কের কেমিস্ট্রিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।একবার শুরুর পর—

• কৌতূহল বাড়ে
• রিয়েল সম্পর্ক কম আনন্দদায়ক মনে হয়
• প*র্নো*গ্রাফি ছাড়া শারীরিক আ"ক"র্ষণ পূরণ অসম্ভব মনে হয়, ফলে এক ধরণের মানসিক আসক্তি তৈরি হয়।

২. বাস্তবতার সঙ্গে তুলনা—অসন্তোষ জন্মায়

প*র্নো*গ্রাফিতে সবকিছু অতিরঞ্জিত, নাটকীয়, একরকম নিখুঁত। প্রকৃত সম্পর্ক—দেরিতে হয়, ভুল হয়, চাপে পড়ে, কখনও নিখুঁত হয় না। যখন মস্তিষ্ক এই নিখুঁত ভুয়া দৃশ্যের সাথে বাস্তব জীবন তুলনা করে,ফলে সম্পর্ক অসন্তোষে ভরে ওঠে।

৩. প*র্নো*গ্রাফি হলো মানসিক প*ন্য, বাস্তব শিক্ষা নয়

অনেক ছেলে মনে করে—শিখব কিছু, অভ্যাস হবে, মজা হবে। কিন্তু সত্য হলো—প*র্নো*গ্রাফি কোন শিক্ষণ দেয় না,
মানবিক মূল্যায়ন দেয় না।

ফলস্বরূপ—
• নারীর প্রতি অবমাননা তৈরি হয়
• যৌ*নতা কেবল আনন্দের মাধ্যম মনে হয়, দায়িত্ব নয়
• সহমর্মিতা, সম্পর্কের বোঝাপড়া কমে যায়

৪. স্বাভাবিক আক*র্ষ*ণকে বি*কৃত করে

প্রকৃত আকর্ষণ মানে—
• বোঝাপড়া
• সম্মান
• ইচ্ছার সম্মান
• ধৈর্য

কিন্তু প*র্নো*গ্রাফি দেখলে—
• ‘না’ মানে ‘হ্যাঁ’ মনে হয়
• সহজেই উত্তেজনা তৈরি হয়
• মস্তিষ্ক স্বাভাবিক সীমারেখা ভুলে যায়

ফলে মানুষ পাগল হয়ে যায়—
প্রকৃত যৌনতা আর সম্পর্ককে আর উপভোগ করতে পারে না।

৫. মানসিক সমস্যা—লজ্জা, অপরাধবোধ, আত্মবিশ্বাসহীনতা

যদি কেউ আসক্ত হয়—

✔ নিজেকে লজ্জিত মনে হয়
✔ অপরাধবোধ থাকে
✔ মানসিক চাপ বাড়ে
✔ আত্মবিশ্বাস কমে

এই লুপ থেকে বের হওয়া খুব কঠিন।
বহু মানুষই চুপচাপ ভেতরে ভাঙতে থাকে।

_“আপনি কি ভেবেছেন—প*র্নো*গ্রাফি দেখার আসক্তি শুধু সময় নষ্ট নয়, বরং এটি আপনার মানসিকতা, সম্পর্ক এবং নিজের সম্মানকেও ধ্বংস করে দেয়!
যদি আপনি কখনো নিজে বা আপনার পরিচিত কেউ এই সমস্যায় পড়েছেন, তাহলে আপনি জানেন—একটা ছোট কৌতূহল কিভাবে আসক্তি, হতাশা, লজ্জা আর অপরাধবোধে রূপ নেয়।

আরেকটা প্রশ্ন—
আপনি কি ভাবছেন প*র্নো*গ্রাফিতে শুধু ছেলেরাই আসক্ত , না মেয়েরাও এখন আর ছেলেদের থেকে পিছিয়ে নেই😢
🤲আল্লাহ আমাদের সকলকে এই জঘন্য পাপ কাজ থেকে হেফাজত করুন....امين 🤲🤲🤲😭
✍️ #দ্বীনি_রাহবার
********on

নিস্তব্ধতার অরণ্যে নিজের খোঁজ 🌿✍️মাঝে মাঝে মনে হয়, শহরের এই যান্ত্রিক কোলাহল থেকে বহুদূরে কোথাও হারিয়ে যাই। যেখানে কোনো ...
25/04/2026

নিস্তব্ধতার অরণ্যে নিজের খোঁজ 🌿
✍️মাঝে মাঝে মনে হয়, শহরের এই যান্ত্রিক কোলাহল থেকে বহুদূরে কোথাও হারিয়ে যাই। যেখানে কোনো কৃত্রিমতা নেই, নেই কোনো অভিনয়ের দায়বদ্ধতা। ঠিক তেমনই এক নিঝুম বন বনালির কোলে দাঁড়িয়ে আজ নিজেকে খুব অচেনা মনে হচ্ছে।
চারপাশে বিশাল সব মহীরুহের ভিড়, মাথার ওপর পাতার ছাউনি ভেদ করে চুঁইয়ে পড়া এক চিমটি রোদ্দুর

—সব মিলিয়ে এক অপার্থিব নিস্তব্ধতা। এই বনেরও কি নিজস্ব কোনো কান্না আছে?
হয়তো আছে। ঝরা পাতার মড়মড় শব্দে কিংবা নাম না জানা পাখির হঠাৎ ডেকে ওঠার মাঝে সেই বিষণ্ণ সুরটা স্পষ্ট টের পাওয়া যায়।
"আমরা আসলে বনের নিস্তব্ধতাকে ভয় পাই না, ভয়
পাই নিজের ভেতরের সেই নীরবতাকে, যা নির্জনে
গেলে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে।"
বনের এই গহীন আঁধারে এসে বুঝলাম—
মানুষ যতটা না মানুষের কাছে ঋণী, তার চেয়ে বেশি ঋণী প্রকৃতির কাছে। এই অরণ্য আমাদের বিচার করে না, সে শুধু দুহাত বাড়িয়ে আগলে রাখে। ডালপালার মায়াবী ছায়ায় যেন পৃথিবীর সব ক্লান্তি ধুয়ে যায়।
শহরের ব্যস্ততায় আমরা কত কী হারিয়ে ফেলি, অথচ এই নিঝুম বন ঠিকই তার নির্জনতাটুকু আগলে রেখেছে যুগের পর যুগ। হয়তো আমাদের জীবনটাও এমন হওয়া উচিত ছিল— শান্ত, স্নিগ্ধ আর গভীর।
আক্ষেপ শুধু একটাই, দিনশেষে আমাদের আবার সেই যান্ত্রিকতায় ফিরে যেতে হয়। বনের বুক থেকে এক মুঠো শান্তি যদি ব্যাগে করে নিয়ে আসা যেত!

✍️ #محمدعبدالله
#নিঝুম_বন #অনুভূতির_কাব্য #প্রকৃতির_মায়া

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীনি রাহবার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share