The Holy Quran

The Holy Quran لا إله إلا الله محمد رسول الله (ﷺ)

اَلسَلامُ عَلَيْكُم وَرَحْمَةُ اَللهِ وَبَرَكاتُهُ‎

❤Muhammad ﷺ❤

10/05/2026

[২৩:৪২] আল মুমিনূন

ثُمَّ أَنشَأنا مِن بَعدِهِم قُرونًا آخَرينَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
তারপর তাদের পরে আমি অন্য প্রজন্ম সৃষ্টি করেছি।

তাফসির:

[১] এর অর্থ সালেহ, লূত ও শুআইব ('আলাইহিমুস সালাম)-এর জাতি। কেননা, সূরা আ'রাফ ও সূরা হূদে অনুরূপ পর্যায়ক্রমে এদের ঘটনা আলোচিত হয়েছে। আবার কারো কারো নিকট এর অর্থঃ বানী ইস্রাঈল জাতি। قرون শব্দটি قَرن (শতাব্দী) এর বহুবচন, এখানে 'জাতি' অর্থে ব্যবহার হয়েছে।

09/05/2026

[২৩:৪১] আল মুমিনূন

فَأَخَذَتهُمُ الصَّيحَةُ بِالحَقِّ فَجَعَلناهُم غُثاءً فَبُعدًا لِلقَومِ الظّالِمينَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
অতঃপর যথার্থই তাদেরকে এক বিকট আওয়াজ পেয়ে বসল, তারপর আমি তাদেরকে খড়কুটায় পরিণত করলাম। সুতরাং যালিম কওমের জন্য ধ্বংস।

তাফসির:

[১] এই বিকট শব্দের ব্যাপারে বলা হয় যে, এটি জিবরীল (আঃ)-এর শব্দ ছিল। আবার কেউ কেউ বলেন, এটি এমনিই একটি বিকট শব্দ ছিল, যার সঙ্গে ছিল প্রচন্ড ঝড়। এই দুয়ে মিলে তাদেরকে এক নিমেষে ধ্বংস করে ফেলল। [২] غُثَاء হল সেই পানির স্রোতে ভেসে যাওয়া আবর্জনা; যাতে গাছের ছাল-পাতা, শুকনো ডাল-পালা, খড়কুটো ইত্যাদি জিনিস থাকে। আর যখন পানির স্রোত কমে যায়, তখন এগুলো শুকনো অবস্থায় অকেজো হয়ে পড়ে থাকে। ঠিক এই অবস্থাই হল এই সব অহংকারী মিথ্যাজ্ঞানকারিদের।

09/05/2026

[২৩:৪০] আল মুমিনূন

قالَ عَمّا قَليلٍ لَيُصبِحُنَّ نادِمينَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
আল্লাহ বললেন, ‘কিছু সময়ের মধ্যেই তারা নিশ্চিতরূপে অনুতপ্ত হবে’।

তাফসির:

[১] عَمَّا এ ما হরফটি অতিরিক্ত ব্যবহার হয়েছে। সময়ের সামান্যতা বুঝাতে তাকীদের জন্য তা ব্যবহার হয়েছে। যেমন, {فَبِمَا رَحْمَةٍ مِّنَ اللهِ} (সূরা আলে ইমরান ৩:১৫৯ আয়াত) এখানেও فَبِمَا তে مَا হরফটি অতিরিক্ত। অর্থ হল, অচিরেই, অতি সামান্য সময়ের ভিতর খুব শীঘ্রই আযাব আসবে। আর তখন তারা আফসোস করবে, কিন্তু সে আফসোস তাদের কোন কাজে আসবে না।

08/05/2026

[২৩:৩৯] আল মুমিনূন

قالَ رَبِّ انصُرني بِما كَذَّبونِ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
সে বলল, ‘হে আমার রব, আমাকে সাহায্য করুন, কারণ তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলেছে’।

তাফসির:

[১] শেষ পর্যন্ত নূহ (আঃ)-এর মত নবীও আল্লাহর নিকট সাহায্যের জন্য দু'আ করলেন।

08/05/2026

[২৩:৩৮] আল মুমিনূন

إِن هُوَ إِلّا رَجُلٌ افتَرى عَلَى اللَّهِ كَذِبًا وَما نَحنُ لَهُ بِمُؤمِنينَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
‘সে শুধু এক ব্যক্তি যে আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করেছে; আর আমরা তাঁর প্রতি ঈমান আনয়নকারী নই’।

তাফসির:

[১] অর্থাৎ পুনর্বার জীবিত হওয়ার প্রতিশ্রুতি হল একটি গড়া মিথ্যা, যা এই ব্যাক্তি আল্লাহর প্রতি আরোপ করেছে।

07/05/2026

[২৩:৩৭] আল মুমিনূন

إِن هِيَ إِلّا حَياتُنَا الدُّنيا نَموتُ وَنَحيا وَما نَحنُ بِمَبعوثينَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
‘এ শুধু আমাদের দুনিয়ার জীবন। আমরা মরে যাই এবং বেঁচে থাকি। আর আমরা পুনরুত্থিত হবার নই’।

07/05/2026

[২৩:৩৬] আল মুমিনূন

هَيهاتَ هَيهاتَ لِما توعَدونَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
অনেক দূর, তোমাদের যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অনেক দূর।

তাফসির:

[১] هَيهَات এর অর্থ হয় দূর। দুইবার তাকিদের জন্য এসেছে। (অর্থাৎ দুর-দুর! সে প্রতিশ্রুতি মিথ্যা)

06/05/2026

[২৩:৩৫] আল মুমিনূন

أَيَعِدُكُم أَنَّكُم إِذا مِتُّم وَكُنتُم تُرابًا وَعِظامًا أَنَّكُم مُخرَجونَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
‘সে কি তোমাদের ওয়াদা দেয় যে, তোমরা যখন মারা যাবে এবং তোমরা মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাবে। তোমাদেরকে অবশ্যই বের করা হবে?’

06/05/2026

[২৩:৩৪] আল মুমিনূন

وَلَئِن أَطَعتُم بَشَرًا مِثلَكُم إِنَّكُم إِذًا لَخاسِرونَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
‘আর যদি তোমরা তোমাদের মতই একজন মানুষের আনুগত্য কর, তবে তোমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হবে’।

তাফসির:

[১] তা ক্ষতির কথাই বটে যে, নিজেদেরই মত একজন মানুষকে রসূল মেনে নিয়ে তোমরা তার মর্যাদা ও বড়ত্বকে মেনে নেবে। অথচ একজন মানুষ অপর মানুষ হতে উত্তম কি করে হতে পারে? এই সেই ভ্রান্তি; যা আল্লাহর রসূলকে মানুষ হিসাবে অস্বীকারকারীদের মাথায় ঢুকে আছে। অথচ আল্লাহ যে মানুষকে রিসালাতের (রসূল হওয়ার) জন্য নির্বাচন করেন, তিনি রিসালাত ও অহীর কারণে অন্য সমস্ত সাধারণ মানুষ অপেক্ষা সম্মানিত, উত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ বলে বিবেচিত হন।

05/05/2026

[২৩:৩৩] আল মুমিনূন

وَقالَ المَلَأُ مِن قَومِهِ الَّذينَ كَفَروا وَكَذَّبوا بِلِقاءِ الآخِرَةِ وَأَترَفناهُم فِي الحَياةِ الدُّنيا ما هذا إِلّا بَشَرٌ مِثلُكُم يَأكُلُ مِمّا تَأكُلونَ مِنهُ وَيَشرَبُ مِمّا تَشرَبونَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
আর তার সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ যারা কুফরী করেছে, আখেরাতের সাক্ষাতকে অস্বীকার করেছে এবং আমি দুনিয়ার জীবনে যাদের ভোগ বিলাসিতা দিয়েছিলাম, তারা বলল, ‘সে কেবল তোমাদের মত একজন মানুষ, সে তাই খায় যা থেকে তোমরা খাও এবং সে তাই পান করে যা থেকে তোমরা পান কর’।

তাফসির:

[১] জাতির নেতারাই প্রতি যুগে নবী-রসূল ও সত্যপন্থীদেরকে মিথ্যাজ্ঞান করায় সক্রিয় থেকেছে। যার কারণে জাতির অধিকাংশ মানুষই ঈমান গ্রহণে বঞ্চিত থেকেছে। কারণ, তারাই হল প্রভাবশালী ও জাতির মাথা, জাতি তাদের পিছনে পিছনে চলতে থাকে। [২] পরকালে বিশ্বাস না করা ও পার্থিব সুখ-বিলাসের আতিশয্য -- এই দু'টি ছিল রসূলের উপর ঈমান না আনার মূল কারণ। আজও বাতিলপন্থীরা উক্ত দুই কারণে হকপন্থীদের বিরোধিতা ও সত্যের দাওয়াত হতে বিমুখতা অবলম্বন করে। [৩] তারাও কেবল এই বলে অস্বীকার করল যে, এওতো আমাদের মতই খায়-পান করে। অতএব এ রাসুল কিভাবে হতে পারে! যেমন আজও ইসলামের বহু দাবিদার 'রাসুল (সাঃ) মানুষ ছিলেন' একথা স্বীকার করতে চায় না।

05/05/2026

[২৩:৩২] আল মুমিনূন

فَأَرسَلنا فيهِم رَسولًا مِنهُم أَنِ اعبُدُوا اللَّهَ ما لَكُم مِن إِلهٍ غَيرُهُ أَفَلا تَتَّقونَ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
অতঃপর তাদের মধ্যে তাদেরই একজনকে আমি রাসূলরূপে প্রেরণ করেছিলাম যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করবে, তিনি ছাড়া তোমাদের অন্য কোন (সত্য) ইলাহ নেই। তবুও কি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে না।

তাফসির:

[১] আমি সে রাসুল তাদের মধ্যে হতেই প্রেরণ করেছি, যিনি তাদের মাঝেই প্রতিপালিত হয়েছিলেন এবং যাকে তারা ভালভাবেই চিনত; তার বংশ, বারি-ঘর ও জন্ম সম্পর্কে তারা সম্যক অবগত ছিল। [২] তিনি সর্বপ্রথম তাওহিদের দাওয়াত দিলেন। আর এই তাওহীদই ছিল সমস্ত নবী রাসুলদের দাওয়াতের শিরোনাম।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Holy Quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share