Amol Ghor 24/7

Amol Ghor 24/7 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amol Ghor 24/7, Religious Center, Dhaka.

দৈনন্দিন জীবনের সকাল-সন্ধ্যার আমল, দো’আ ও জিকির, বদনজর থেকে হিফাজত, কালোজাদু ও হিংসা থেকে সুরক্ষা, কুরআন–হাদিসের আলোকে বিভিন্ন সমস্যার রুকাইয়া পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

“দিন-রাত আমলের সঙ্গী, আমল ঘর ২৪/৭!”

20/07/2025

দোয়ার আদব🤲

১. কবুল হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে দুআ করা।
২. গভীর মনোযোগের সাথে আবেগ নিয়ে দুআ করা।
৩. আল্লাহ্ তাআলার কাছে প্রার্থিত বিষয়ের ব্যাপারে তাড়াহুড়া না করা।
৪. হারাম খানাপিনা থেকে বিরত থাকা।
৫. কেউ দুআ চাইলে প্রথমে নিজের জন্য দুআ করা, তারপর তার জন্য দুআ করা। কেবল যে দুআ চেয়েছে তার জন্য দুআ করা উচিত নয়।
৬. দুই হাত তুলে দুআ করা। হাতের তালু চেহারার দিকে রাখা।
৭. দুআর শুরুতে আল্লাহ্ তাআলার প্রশংসা করা এবং দরুদ শরীফ পাঠ করা।

জামে তিরমিযীঃ ৩৪৭৯। হাসান।
সহীহ বুখারীঃ ৬৩৪০; সহীহ মুসলিমঃ ২৭৩৫
সহীহ মুসলিমঃ ১০১৫; জামে তিরমিযীঃ ২৯৮৯
জামে তিরমিযীঃ ৩৩৮৫।‌ হাসান।
সুনানে আবু দাউদঃ ১৪৮৬। সহীহ।
সুনানে আবু দাউদঃ ১৪৮১; জামে তিরমিযীঃ ৩৪৭৬, ৩৪৭৭। সহীহ।

বইঃ ইসলামী জীবনবিধান, পৃষ্ঠাঃ ৪৮০-৮১

18/07/2025

ওয়াসওয়াসা সমস্যার জন্য সংক্ষিপ্ত পরামর্শ—

'ওয়াসওয়াসা রোগ' এবং 'শুচিবাই বা ওসিডি’ - দুইটা সমস্যাই প্রায় কাছাকাছি। সংক্ষেপে বললে সমস্যাগুলোর ধরন এরকম-
১. অকারণে সর্বদা চিন্তিত থাকা। মাথায় বিক্ষিপ্ত চিন্তা ঘোরাঘুরি করার কারণে কোন কিছুতে মন দিতে না পারা।
২. ওযু-গোসল অথবা নামাজের বিশুদ্ধতা নিয়ে অতিরিক্ত দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকা।
৩. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা। টয়লেট বা গোসলখানায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা। এক অঙ্গ বারবার ধোয়া, এরপরেও তৃপ্ত হতে না পারা।
৪. বারবার মনে হওয়া ওযু ভেঙ্গে যাচ্ছে, অথবা প্রসাবের ফোঁটা পড়ছে, অথবা বায়ু বের হয়ে যাচ্ছে। বিশেষতঃ নামাজের সময় এমন হওয়া।
৫. অনিচ্ছাকৃতভাবে বারবার আল্লাহ তা’আলা, রাসুল ﷺ অথবা ইসলামের ব্যাপারে অবমাননাকর চিন্তা মাথায় আসা।
৬. বারবার নামাজের রাকাত ভুলে যাওয়া, কিরাত, রুকু-সাজদা ইত্যাদির ব্যাপারে সন্দেহে ভোগা।

সমস্যা বেশিদিন পুরনো হয়ে গেলে এসব থেকে আরও শারীরিক-মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর জাদু অথবা জিন সংক্রান্ত কোন সমস্যা (জিনের বদনজর বা জিনের আসর) থাকলেও ওয়াসওয়াসার সমস্যা প্রকট হতে পারে।

সমস্যার মাত্রা অনুযায়ী পরামর্শ তিনভাগে ভাগ করলাম, যেকোন ধরনের ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি এটা শুরু থেকে ফলো করতে পারেন। আগে ১মটা এরপর দরকার হলে ২য়টা, এরপর ৩য়... এভাবে।

লক্ষণীয়, সবগুলোর সাথেই সকাল-সন্ধ্যা, ঘুমের পূর্বের এবং অন্যান্য সময়ের মাসনুন যিকর "মনোযোগ দিয়ে" করবেন। এটা যেহেতু সবারই করতে হয়, তাই উল্লেখ করলাম না।

[ক]

প্রাথমিক কাজ ৩টি, মেয়াদ ৩দিন-

১। সকাল-সন্ধ্যায় মাসনুন আমলের সাথে সূরা মূমিনুন ৯৭-৯৮ আয়াতের দোয়া ৩বার করে পড়বেন।
رَبِّ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ - وَأَعُوْذُ بِكَ رَبِّ أَن يَّحْضُرُوْنِ

২। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি খাবেন। খাবার আগে, পানির মধ্যে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস- ৩বার করে পড়ে ফুঁ দিবেন। সম্ভব হলে এর সাথে আয়াতে শিফা ৬টি পড়ে নিবেন।

৩। প্রতিদিন সকাল-বিকাল বা সুবিধামত নির্দিষ্ট ২টা সময়ে রুকইয়াহ করবেন।
রুকইয়ার নিয়ম: আপনার সমস্যা মনে করে এটার জন্য রুকইয়াহ করার নিয়াতে মাথায় (একটা বা দুইটা) হাত রাখবেন, এরপর সম্পূর্ণ মনোযোগের সাথে আউযুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ সহ সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবেন ৭বার। প্রতিবার পড়া সূরা ফাতিহা শেষ করে বুকে ফুঁ দিবেন, আর একদম শেষে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে পুরা শরীর মুছে নিবেন।

এভাবে কোন গ্যাপ না দিয়ে ৩দিন সকাল বিকাল রুকইয়া করবেন।

[খ]

যাদের সমস্যা একটু বেশি, তারা ওপরের কাজগুলো করার পর ১দিন বিরতি দিবেন। এরপর নিচের কাজগুলো করবেন ৩দিন।

৪। সূরা মূমিনুন ৯৭-৯৮ আয়াতের দোয়া দুটি ৩বার করে পড়বেন প্রতি সালাতের পরে।

৫। সকালের খালি পেটে পানি খাবেন। পানিতে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস- ৩বার করে পড়বেন, সাথে ৬টি আয়াতে শিফা পড়বেন ৩বার করে।
[আয়াতে শিফা: সুরা তাওবা ১৪, সুরা ইউনূস ৫৭, সূরা নাহল ৬৯, সুরা বানী ইসরাইল ৮২, শু'আরা ৮০ এবং সূরা হা-মীম সাজদা ৪৪ নং আয়াত]

৬। প্রতিদিন দুইবার ওপরে বলা নিয়মে রুকইয়াহ করবেন- তবে রুকইয়ার মাঝে সূরা ফাতিহা, সূরা ইখলাস ফালাক নাস- ৩বার করে এবং সূরা বাকারা ১-৫ আয়াত, আয়াতুল কুরসি এবং পরের আয়াত, শেষ ৩ আয়াত- একবার করে পড়বেন।

৭। সম্ভব হলে এর সাথে রুকইয়ার গোসল করবেন। (ওপরে ৬নং পয়েন্টে বলা আয়াতগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে গোসল করা...)

মোটামুটি ভাল মাত্রার সমস্যাও আল্লাহ চায়তো এই রুকইয়াতে ভাল হয়ে যাবে। উপকারিতা বুঝতে পারলে আপনি চাইলে ৩দিনের যায়গায় লাগাতার ৭দিন অনুসরণ করতে পারেন।

(এসব নিয়ম অনুসরণ করার পর পরবর্তী পরামর্শের জন্য 'আমাকে মেসেজ না দিয়ে' অনুগ্রহ করে রুকইয়াহ গ্রুপে আপডেট জানান)

[গ]

যাদের সমস্যা অনেক বেশি অথবা অনেক পুরনো, তাদের জন্য আরেকটু বেশি রুকইয়াহ করা লাগতে পারে।
যেমন- প্রতিদিন দুইবেলা রুকইয়ার পানি খাওয়া, গোসল করা, সূরা বাকারা থেকে তিলাওয়াত করা, রুকইয়াহ শোনা অথবা রুকইয়ার আয়াতগুলো মনোযোগের সাথে তিলাওয়াতের মাধ্যমে রুকইয়া করা ইত্যাদি।
যেহেতু জ্বিন - যাদুর সমস্যার জন্যও ওয়াসওয়াসা হয়ে থাকে, তাই কারও কারও ক্ষেত্রে অন্য কাউকে দিয়ে সরাসরি রুকইয়াহ করানোর প্রয়োজন হতে পারে। কমসে কম এজন্য অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিয়ে আপনার অবস্থা অনুপাতে নিয়ম মাফিক রুকইয়াহ করলেই সবচে ভাল হবে মনে করি।

শুধু ওয়াসওয়াসা রোগ বা ওসিডির সমস্যা হলে আল্লাহ চায়তো কিছুদিন গুরুত্বের সাথে রুকইয়াহ করলেই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। এজন্য অতিরিক্ত মেডিসিন বা থেরাপির প্রয়োজন হবে না।

[ঘ]

নির্ধারিত এসব পরামর্শের বাহিরে প্রতিদিন এই দোয়াগুলো এবং ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়া সবার জন্যই উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।

এক.
أَعُوذُ بِاللّهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ مِنْ هَمْزِه وَنَفْخِه وَنَفْثِه

দুই.
أُعِيْذُكُمْ بِكَلِمَاتِ اللّهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِه وَعِقَابِه وَشَرِّ عِبَادِه وَمِنْ همَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ وَأَنْ يَّحْضُرُوْنِ

তিন.
اَلْلّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ، وَقَهْرِ الرِّجَالِ

আল্লাহ আমাদেরকে মানুষ এবং জ্বিন শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে হিফাজতে রাখুক। সব ধরনের শারীরিক, মানসিক এবং আত্মিক রোগ-ব্যাধি থেকে আরোগ্য দান করুক। আমিন🤲

18/07/2025

“যে ব্যক্তি দুনিয়াতে (কারো) দোষ গোপন করে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন।”

— (সহীহ মুসলিম: ৬৭৮০)

17/07/2025

সামান্য ঝগড়ায় স্বামী রেগে বললো "কি পারো তুমি?কোন কাজটা হয় তোমার দ্বারা?"

স্ত্রী চুপচাপ, মুখে একটা কথা নেই, শান্ত দৃষ্টি। স্বামী আরো কিছুক্ষণ কথা শোনালো।

স্ত্রীর মুখ এখনো বিষণ্ণ।
স্বামীর বিকৃত চিৎকার "কিছু বললে চুপ করে থাকো কেন? কথার জবাব দাও?"

স্ত্রী মুচকি হেসে বললো "এখন রেগে আছো। কথা বললে ঝগড়া আরো বাড়বে। একটু পর রাগ কমলে নিজেই এসে ভাব জমাবে"।

স্ত্রীর কথায় স্বামীর মুখ প্যাচার মতো বিকৃত হয়ে গেলো। খানিক্ষন যেতেই স্বামীর রাগ গলে জল হয়ে গেলো। স্ত্রীর আঁচলে নখ প্যাঁচাতে প্যাঁচাতে বললো।

"তুমি আমার সাথে তর্ক কেন করো না?"

"মাকে দেখেছি, বাবা রেগে গেলে মা চুপ থাকতো।"

"তাই বলে এতোটা চুপ থাকবে? একটু তর্ক তো করতেই পারো!"

"হৃদয়জয়ী আমি, তর্কজয়ী হয়ে কি করবো? তাছাড়া একটু আধটু শাসনে থাকতে ভালোই লাগে। তখন মনে হয় আমার খেয়াল রাখার জন্য, ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য একজন তো আছেই। নিজেকে সুরক্ষিত মনে হয়।"

গল্প --হৃদয়জয়ী

স্বামী রাগ করলে, বকাদিলে তর্ক করবেন না।
একটু ধৈর্য্য ধরুন, চুপচাপ থাকুন। জয় আপনারই হবে ইংশাআল্লাহ।

16/07/2025

দোয়া কবুল হবে এই বিশ্বাস রেখে দোয়া করো,
কেননা, আল্লাহ তায়া’লা কোন উদাসীন অন্তরের
দোয়া কবুল করেন না!
— [তিরমিজিঃ ৩৪৭৯]

আলহামদুলিল্লাহ 🌸

16/07/2025

স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে আজকে থেকে আমাদের ব্রেকআপ(Breakup), তাহলে কি তালাক হবে?

জ্বীন-জাদু ও বদ নজর থেকে আত্নরক্ষার আমল।© Ahmadullah
15/07/2025

জ্বীন-জাদু ও বদ নজর থেকে আত্নরক্ষার আমল।
© Ahmadullah

15/07/2025

সূরা ওয়াকিয়া পড়ছেন তো?

ফযিলত :
যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে, তাকে কখনো দারিদ্র্য স্পর্শ করবে না।

— সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং- ১৭৮১

15/07/2025

সূরা ফাতিহার রোগ নিরাময় সংক্রান্ত আমল ও ফজিলত—

কুরআনের প্রথম সূরা এবং এটি একটি শক্তিশালী রুকইয়া (রোগ মুক্তির আমল) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
🩺 সূরা ফাতিহা যেসব রোগে ব্যবহৃত হয়:
1. শারীরিক রোগ (জ্বর, ব্যথা, ক্রনিক ডিজিজ, পেটের সমস্যা ইত্যাদি)
2. রূহানি রোগ (জিন-শয়তানের আছর, বদ নজর, ওঝা-টোনার ক্ষতি)
3. মানসিক রোগ (অবসাদ, দুশ্চিন্তা, ভয়, অনিদ্রা)
4. কঠিন রোগ (ক্যান্সার, লিভার/কিডনি সমস্যা, হার্টের রোগ ইত্যাদি)

---

📖 সূরা ফাতিহার আমল পদ্ধতি (রোগের জন্য):
১. সাধারণ পদ্ধতি (প্রতিদিন পড়া):
- সময়: ফজর ও মাগরিবের পর (অথবা যেকোনো সময়)
- পদ্ধতি:
- ৩ বার সূরা ফাতিহা পড়ুন।
- ১ বার আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারা ২:৫৫) পড়ুন।
- ৭ বার সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ুন।
- দোয়া:
"اللَّهُمَّ اشْفِنِي بِسُورَةِ الْفَاتِحَةِ"
*(হে আল্লাহ! সূরা ফাতিহার বরকতে আমাকে সুস্থ করে দিন।

২. পানিতে ফুঁ দিয়ে পড়া (রুকইয়া):
- একটি পাত্রে পানি নিন।
- ৭ বার সূরা ফাতিহা পড়ে পানিতে ফুঁ দিন।
- এই পানি রোগীকে পান করান বা গায়ে মালিশ করুন।
- (বিশেষভাবে কার্যকর জিন-বদ নজরের জন্য)

৩. রোগীর উপর পড়া:
- রোগীর কাছেই বসে ৭ বার সূরা ফাতিহা পড়ুন।
- হাত রোগীর মাথা বা ব্যথার স্থানে রেখে দোয়া করুন:
"بِسْمِ اللَّهِ، أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ"
(আল্লাহর নামে, তোমাকে সব কষ্টদায়ক জিনিস থেকে মুক্ত করছি।)

---

⏳ কখন আমল করবেন?
1. ফজরের পর (সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত)
2. মাগরিবের পর (সূর্যাস্তের পর)
3. রাতে ঘুমানোর আগে
4. রোগীকে দেখার সময়

---

🌟 সূরা ফাতিহার বিশেষ ফজিলত (হাদিস দ্বারা প্রমাণিত):
1. রাসুল (ﷺ) বলেছেন:
"সূরা ফাতিহা সব রোগের জন্য শিফা (আরোগ্য)।" (সুনান দারেমি, সহিহ বুখারি)
2. সাহাবি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) বর্ণনা করেন:
- একদল সাহাবি একটি গ্রামে গেলেন, যেখানে সর্পদংশনে আক্রান্ত একজনকে সূরা ফাতিহা পড়ে ফুঁক দিলেন। সে সুস্থ হয়ে উঠল। (সহিহ বুখারি ৫৭৩৬)
3. ইমাম ইবনে কাইয়িম (রহ.) বলেছেন:
- সূরা ফাতিহা রুকইয়া (ঝাড়ফুঁক) হিসেবে ব্যবহার করা যায় এবং এটি অনেক শারীরিক ও মানসিক রোগে কার্যকর।

---

⚡ সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা:
- শুধুমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, ডাক্তারের চিকিৎসাও নিন।
- হারাম জিনিস (জাদু-টোনা, শিরক) থেকে দূরে

15/07/2025

অনেক মানুষই সংসারে শান্তি ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সুন্দর রাখার জন্য কুরআনের হেদায়েত খোঁজেন।

📖 সূরা নিসা (৪:৩৪) – বাংলা অনুবাদ (সংক্ষেপে):

“পুরুষগণ নারীদের রক্ষণাবেক্ষণকারী, কারণ আল্লাহ একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন এবং তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে।...”

এই আয়াতে আল্লাহ স্বামী ও স্ত্রীর সম্পর্কের দায়িত্ব, ভারসাম্য ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মূলনীতিগুলো দিয়েছেন।

✅ এই আয়াত সংসার জীবনে কেন গুরুত্বপূর্ণ?

পুরুষের দায়িত্ব – স্ত্রীকে রক্ষা, উপার্জন, সহানুভূতি ও নেতৃত্ব দেওয়া

নারীর দায়িত্ব – অনুগত্য, নিজের সম্মান রক্ষা ও পারিবারিক বন্ধন রক্ষা

উভয়ের প্রতি দায়িত্ববোধ – পারস্পরিক সম্মান ও ভালবাসা

☪️ এই আয়াত নিয়মিত পড়লে বা স্মরণে রাখলে:

সংসারে একে অপরের দায়িত্ব বুঝে নেয়া সহজ হয়

অহংকার কমে যায়, কারণ দুজনেই জানে কার উপর কী দায়িত্ব

ঝগড়া বা ভুল বোঝাবুঝিতে কুরআনের হেদায়েত মনে পড়ে যায়

🔹 কিভাবে পড়বেন?

যেহেতু আয়াতটি বড়, তাই পুরো আয়াত না পারলে শুধু এই অংশটুকু বারবার স্মরণে রাখতে পারেন:

"الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ..."
(আল-রিজালু কাওওয়ামূনা 'আলা আন-নিসা)

মানে: “পুরুষগণ নারীদের রক্ষণাবেক্ষণকারী”

🌸 সংসারের জন্য আরও কিছু উপকারী আয়াত ও দোয়া:

১. সূরা রুম ৩০:২১

“তাঁর নিদর্শনাবলীর অন্যতম হলো— তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।”

➡️ প্রতিদিন একসাথে পড়লে সংসারে শান্তি ও ভালোবাসা বাড়ে।

২. দোয়া:

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
"হে আমাদের রব, আমাদের জন্য আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে চোখের শীতলতা করো এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য আদর্শ বানাও।”
— (সূরা ফুরকান ২৫:৭৪)

15/07/2025

আমরা প্রায়ই ভাবি, “বড় বড় আমল করতে হবে, তাহলেই না দুঃখ-কষ্ট থেকে রেহাই পাবো!”
বিশেষ কোনো রাত, দীর্ঘ কোনো দোয়া, বিশেষ নিয়ম খুঁজে বেড়াই…
কিন্তু জানেন, এমন অনেক সহজ ছোট্ট আমল আছে, যেগুলো আমাদের রোজকার জীবনের জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারে—যেগুলো আমরা ভুলেই যাই।

তেমনই একটি আমল হলো:
"لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ"
উচ্চারণ: লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ
অর্থ: "আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।"

"আপনার দুঃখ এবং দুশ্চিন্তা যদি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে, তবে অবশ্যই এই দোয়াটিকে নিত্যসঙ্গী করে নিন।"
—ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ), [যাদুল মা'আদ, ৪/৮৩]

কষ্ট বাড়ছে?
মন অশান্ত?
ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন?

আস্তে আস্তে, মন থেকে বলুন:
"লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ…"

বড় কিছু খুঁজতে গিয়ে ছোট ছোট আমল ভুলে যাবেন না। এটাই হতে পারে আপনার জন্য জান্নাতের রাস্তা খুলে দেওয়ার চাবিকাঠি। 🌸

14/07/2025

যাই করেন না কেন। দুনিয়ার বুকে ওই লোকগুলোই সবচেয়ে ধনী। যাদের একাউন্টে দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায জমা হয় আলহামদুলিল্লাহ্।🌿🤍

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amol Ghor 24/7 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share