এসো জানি

এসো জানি ⌕ যারা দ্বীনকে জানতে চায়।
ᴾʳᵃʸ ᶠᵒʳ ᵗʰᵉ ᴾᵃˡᵉˢᵗⁱⁿⁱᵃⁿˢ𓂆

⌕ যারা দ্বীনকে জানতে চায়।  #এসো_জানি
06/05/2025

⌕ যারা দ্বীনকে জানতে চায়। #এসো_জানি

জীবন হচ্ছে ঘুম আর মৃত্যু হচ্ছে জাগরণ!
05/04/2025

জীবন হচ্ছে ঘুম আর মৃত্যু হচ্ছে জাগরণ!

এক টুকরো জান্নাত থেকে এসো জানি`তে পরিবর্তন! পূর্বের কনটেন্ট বা কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারায় এবং বিভিন্ন জটিলত...
28/03/2025

এক টুকরো জান্নাত থেকে এসো জানি`তে পরিবর্তন! পূর্বের কনটেন্ট বা কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে না পারায় এবং বিভিন্ন জটিলতার কারণে এক টুকরো জান্নাত এর কনটেন্ট তৈরি কার্যক্রম বন্ধ করা হচ্ছে। নতুন কিছু নিয়ে নতুন প্রচেষ্টার মাধ্যমে #এসোজানি দ্বারা আপনাদের কাছে নতুন কিছু নিয়ে আসবো ইং শা আল্লাহ্ - দ্বীন প্রচারের এই প্রচেষ্টায় আপনারা পাশে থাকবেন আশা করি যেমনটা পূর্বেও ছিলেন। পূর্বের ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম এক টুকরো জান্নাত নামটি পরিবর্তন করে এসো জানি দেয়া হয়েছে পূর্বে তৈরি করা কনটেন্টগুলো ডিলিট করা হবে না বরং নতুন নাম এবং লোগো ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরি এবং প্রচার করা হবে। এসো জানি এবং এক টুকরো জান্নাত এর কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবধান থাকবে, কারণ পূর্বের কনটেন্টগুলো ছিল শুধু ছবি ভিত্তিক এখন ছবির পাশাপাশি শর্ট ভিডিও এর মাধ্যমে ইসলামিক প্রশ্ন উত্তর এবং কুরআন হাদীস সম্পর্কে সহজেই ধারণা পেতে বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করা হবে, ইং শা আল্লাহ্। সাথে থাকুন! দ্বীন প্রচার এবং জানার ক্ষেত্রে আমাকে সাহায্য করুন🤍- #এসোজানি

Pray for them🕊️🇵🇸 keep talking about them. Keep sharing the truth. Never forget.
03/02/2024

Pray for them🕊️🇵🇸 keep talking about them. Keep sharing the truth. Never forget.

সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা এটা আপনার ঈমানী দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আপনি আপনার সন্তানকে দুনিয়ার সব কিছু শিখালেন, বড়...
10/02/2021

সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা এটা আপনার ঈমানী দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আপনি আপনার সন্তানকে দুনিয়ার সব কিছু শিখালেন, বড় ডাক্তার বানালেন, বড় ইঞ্জিনিয়ার বানালেন, মোটা অংকের টাকা ব্যয় করে বিদেশ পাঠিয়ে তাকে শিক্ষিত করে দিলেন, দুনিয়া অর্জনের জন্য সকল সুযোগ সুবিধা করে দিলেন। কিন্তু আপনি তাকে দ্বীন শিখালেন না, তা হলে আপনি বাহ্যিকভাবে যদিও তাকে সফল করেছেন কিন্তু পরোক্ষভাবে তার জীবনটাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। কাল কিয়ামতের ময়দানে বুঝে আসবে আপনি আপনার সন্তানের কী ক্ষতি করেছেন। অপরদিকে আপনি যদি আপনার সন্তানের জন্য টাকা পয়সা ধন- দৌলত কিছুই করতে না পারেন, কিন্তু আপনি তাকে দ্বীন শিক্ষা দিয়েছেন, আলেম বানিয়েছেন, হাফেজে কুরআন বানিয়েছেন, তা হলে আপনি তাঁকে আখেরাতের বাদ্শাহ বানিয়ে দিয়েছেন। (সুবহান-আল্লাহ্)

এতে আপনি সফল হয়েছেন। কাল কিয়ামতের ময়দানে আপনার মাথায় থাকবে রাজকীয় মুকুট। সুতরাং যদি কেউ আখেরাতের বদশাহ হতে চায়, রাজকীয় মুকুট পরিধাণ করতে চায়। তা হলে সে যেন তাঁর সন্তানকে আলেম বানায় হাফেজে কুরআন বানায়, তা হলে এটাই হবে তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ পুঁজি। আবু দাউদ শরীফে আছে -

যে ব্যক্তি এলেম শিক্ষার জন্য কোন পথ অবলম্ভন করে। আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতের রাস্তাকে সহজ করে দেন। এবং ফেরেশতারা তাঁর পায়ের নিচে নূরের পর বিছিয়ে দেয়। (সুবহান-আল্লাহ্)

কোরআনে হাফেজের পিতা-মাতা সম্পর্কে রাসুল (সা.) অনেক সুসংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, কেয়ামতের দিন ফেরেশতারা হাফেজে কোরআনের বাবা-মাকে নিয়ে গর্ব করবেন। ফেরেশতারা তাদের আহলান সাহলান জানাবেন এবং তাদের দেখলে পরস্পর বলতে থাকবেন তিনি হাফেজে কোরআনের বাবা। তিনি হাফেজে কোরআনের মা।

কোরআনের হাফেজ আখেরাতে ফেরেশতাদের সাথে অবস্থান করবে। তিনি যদি জান্নাত বাসী হতে পারেন তবে জান্নাতে প্রবেশের পর কোরআন হিফজের বদৌলতে জান্নাতের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে উপরে দিকে উঠবেন তার মুখস্থ থাকা শেষ আয়াতটি পড়া পর্যন্ত। হযরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত ও মুখস্থ রেখেছে এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম মেনেছে। তাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশজন লোক সম্পর্কে তার সুপারিশ কবুল করবেন যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম আবশ্যক ছিলো। (তিরমিযী-২৯০৫,আহমাদ-১২৭১, মিশকাত-২১৪১)

হজরত মুয়াজ জুহানি (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করেছে এবং তাতে যা আছে সে অনুযায়ী আমল করেছে, তাহলে তার মা-বাবাকে কেয়ামত দিবসে একটি (নুরের) তাজ (টুপি) পরানো হবে। যদি সূর্য তোমাদের গৃহে প্রবেশ করত, তাহলে ওই সূর্যের আলো অপেক্ষাও ওই টুপির আলো উজ্জ্বলতর হবে। এখন আপনারা চিন্তা করুন, যে ব্যক্তি কোরআনের নির্দেশ অনুসারে আমল করে, তার মর্যাদা ও অবস্থা কত উত্তম হবে?’ (আবু দাউদ, আহমাদ পৃ. ১৮৬)।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের হাফেজে কোরআনের বাবা-মা হিসেবে কবুল করুন এবং হাফেজে কোরআনের মা-বাবাকে কেয়ামতের দিন আরও উচ্চ মর্যাদা দান করুক, আমিন।

- SHARE♥️

সালাম আদান-প্রদান একটি জান্নাতী আমল। জান্নাতবাসীরা আল্লাহর ইচ্ছায় সেখানে অনন্তকাল বসবাস করবেন। সেখানে তাঁরা পরস্পর সালাম...
28/11/2020

সালাম আদান-প্রদান একটি জান্নাতী আমল। জান্নাতবাসীরা আল্লাহর ইচ্ছায় সেখানে অনন্তকাল বসবাস করবেন। সেখানে তাঁরা পরস্পর সালাম বিনিময় করবেন।

যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের এমন জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, যার নিচে নির্ঝরিণী প্রবাহিত হবে। তাদের প্রতিপালকের নির্দেশে তারা সেখানে অনন্তকাল থাকবে। সেখানে তাদের অভিবাদন হবে সালাম। (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ২৩)

একে অন্যকে সালাম দেওয়া জান্নাতের রীতি। তাই মহান আল্লাহ দুনিয়ায়ও একে অন্যকে সালাম দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জান্নাতেও সালামের প্রচলন থাকবে। সালামের মাধ্যমে জান্নাতবাসীদের অভ্যর্থনা জানানো হবে। এ ‘সালাম’ আল্লাহর পক্ষ থেকেও হতে পারে। যেমন—ইরশাদ হয়েছে : ‘সালাম, পরম দয়ালু প্রতিপালকের পক্ষ থেকে সম্ভাষণ।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৫৮)।

আবার ‘সালাম’ ফেরেশতাদের পক্ষ থেকেও হতে পারে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘জান্নাতের রক্ষীরা (ফেরেশতারা) তাদের বলবে, তোমাদের প্রতি সালাম, তোমরা সুখী হও এবং জান্নাতে প্রবেশ করো স্থায়ীভাবে অবস্থানের জন্য।’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৭৩)

মানবসভ্যতার শুরু থেকেই একে অন্যের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের সময় ভাব বিনিময়ের বিভিন্ন পদ্ধতি প্রচলিত হয়ে আসছে। প্রতিটি জাতি নিজেদের সভ্যতা-সংস্কৃতি, আদর্শ ও রুচি অনুযায়ী বিভিন্ন শব্দ ও বাক্য বেছে নিয়েছে। ‘সালাম’ একটি অভ্যর্থনামূলক, শান্তিময় ইসলামী অভিবাদন। পরস্পর সালাম বিনিময় ইসলামের নিদর্শন। ‘সালাম’ আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, আদি পিতা আদম (আ.)-এর যুগ থেকে। এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এমন শক্তি, যা মনের কালিমা ও অনৈক্য দূর করে সবাইকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে।

গ্রন্থনা : মাওলানা কাসেম শরীফ

- SHARE♥️

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো জানি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to এসো জানি:

Share