Discussion with Dhiraj

Discussion with Dhiraj Let the world be noble.

12/08/2024

আজকে সকাল ১১:৩০ টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কবৃন্দের সাথে "সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন" এর প্রতিনিধিদের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং ওনারা "সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন" কর্তৃক ৮ দফা দাবির সাথে একমত পোষণ করেছেন।

06/08/2024

ছেলের সাথে রাজপথে নেমে দেশটা স্বাধীন করলাম, ওর বাবা এসে জ্বালিয়ে পরাধীন করে দিলো।

♦শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ১ম অধ্যায় থেকে মনস্তাত্ত্বিক শিক্ষা ডিপ্রেশন জিনিসটা আধুনিক কিছু বলেই মনে হয়। কিন্তু গীতার প্রথম অধ্য...
12/07/2024

♦শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ১ম অধ্যায় থেকে মনস্তাত্ত্বিক শিক্ষা

ডিপ্রেশন জিনিসটা আধুনিক কিছু বলেই মনে হয়। কিন্তু গীতার প্রথম অধ্যায়ের নামকরণই হয়েছে এক ডিপ্রেশনের ঘটনা নিয়ে — অর্জুন বিষাদযোগ।

আধ্যাত্মিক-দার্শনিক শিক্ষা তো যা এখানে আছে, আছে। তবে আজ আমরা অন্য দৃষ্টিকোন থেকে দেখবো।

আমরা দেখতে পাই কুরুযুদ্ধে দুইপক্ষে যখন সৈন্যগণ দণ্ডায়মান, অর্জুন তখনও প্রখর আত্মবিশ্বাসী। তিনি গাণ্ডীবধনু হাতে নিয়ে যুদ্ধের হুংকার দিয়ে শ্রীকৃষ্ণকে বলছেন, "হে অচ্যুত! রথ মাঝে নিয়ে যাও, আমিও তো দেখি এই দুর্মতি দুর্যোধনের পক্ষে যু্দ্ধ করার জন্য কে কে এসেছে।" (১/২১-২৩)

কিন্তু যুদ্ধের উৎসাহে টগবগে অর্জুন যখন আসলেই দেখলেন যুদ্ধে তার বিপক্ষে তারই পিতৃব্য-পুত্রসম আত্মীয়স্বজন দাড়িয়ে আছে, জ্ঞাতিদ্বন্ধের করালরূপ তার কাছে ফুটে উঠলো, অবসাদ তাকে গ্রাস করলো তাকে, তিনি বিষাদে ভেঙে পড়লেন। তার শরীর অবসন্ন হয়ে কাঁপতে লাগলো, ত্বক জ্বলতে লাগলো, মন চঞ্চল হলো, হাত হতে গাণ্ডীব খসে পড়লো। (১/২৮-৩০)

এবার অর্জুন মনের বিষাদ ঢাকতে জ্ঞানী জ্ঞানী কথা বলে নিজের দুর্বলতাকে জাস্টিফাই করতে বসলেন শ্রীকৃষ্ণের কাছে। বিষাদগ্রস্থ হয়ে তিনি প্রলাপ করতে শুরু করলেন। শেষমেষ অস্ত্রত্যাগ করে রথের পেছনে বসেই পড়লেন। তাতে যদি তিনি মারাও পড়েন, তাতেও আপত্তি নেই, এমন আত্নঘাতী চিন্তাও তার মনে এলো (১/৪৫-৪৬)

কিন্তু এতো প্রলাপ করার পরও শ্রীকৃষ্ণ তাকে থামালেন না বা বললেন না "ছিঃ, যুদ্ধে এসে এখন কী বলছো!" পুরো প্রথম অধ্যায় শ্রীকৃষ্ণ মন দিয়ে শুনে গেলেন অর্জুনের বিষাদমাখা প্রলাপ।

এর থেকে ব্যক্তিগত জীবনেও আমরা কতগুলো মানসিক শিক্ষা পাই,

১. ওভার-কনফিডেন্ট হওয়া ঠিক নয়। কঠিন পরিস্থিতিতে অর্জুনের মত শক্ত যোদ্ধারাও ভেঙে পড়ে।
যুদ্ধে এসে একজন ক্ষত্রিয় বীরের এরকম কাপুরুষতা কেন? অর্জুন জানতেন কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ হলে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গেই তার যুদ্ধ করতে হবে। কিন্তু গৃহবিবাদ, ভ্রাতৃবিরোধ যে বাস্তবিকপক্ষে কি ভীষণ তা তিনি পূর্বে সম্যক উপলব্ধি করতে পারেননি। কল্পনাতীত দৃশ্য যখন অর্জুন নিজ চোখে দর্শন করলেন তখন স্বাভাবিকভাবেই তার স্নায়ুচাপ বৃদ্ধি পাচ্ছিল, শরীর কাঁপছিল আর শিহরিতও হচ্ছিল।

অনেকে মনে করে "আমি মেন্টালি খুব স্ট্রং / আমি কোনোদিন সু‌‌ই সা‌'ইড করবো না"। কিন্তু কোন পরিস্থিতিতে পড়লে যে আমাদের কী অবস্থা হবে, তা আমরা কেউ জানিনা। তাই সতর্ক থাকা উচিৎ।

২. সবারই শ্রীকৃষ্ণের মত একজন ধৈর্যশীল শ্রোতা মেন্টর/ বন্ধু প্রয়োজন। নিজেকেও তেমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যেন প্রয়োজনে প্রিয় কারো কাছে শ্রীকৃষ্ণের মত বন্ধুর ভূমিকা পালন করা যায়। শ্রীকৃষ্ণ তাকে সব ভেঙে বুঝিয়েছেন। কিন্তু ঐ অবস্থায় কোনোকিছু জোর করে চাপিয়ে দেননি।

৩. নির্জের দুর্বলতাকে স্বীকার করে জ্ঞানী ও শুভাকাঙ্খী কারো কাছে বিনয় নিয়ে খোলা মনে উপদেশ নেওয়া প্রয়োজন। যেভাবে অর্জুন শ্রীকৃষ্ণের কাছে নিয়েছিলেন। (২/৭)

দুর্বল মানসিক অবস্থায় নিজেকে নিজে ঠিক করা খুব কঠিন। এমতাবস্থায় কোনো শুভাকাঙ্খীর কাছে নিজের কষ্ট তুলে ধরা দরকার। হতে পারে সেটা মা-বাবা, ভাই-বোন বা বন্ধু কেউ। যদি তেমন কেউ নাও থাকে, তবুও আজকের যুগে মেন্টাল কাউন্সেলিংয়ের সহায়তা নেওয়া যায়।

তবে সেটা যেন প্রকৃতই মন খোলা রেখে নিজেকে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যেই উপদেশ নেওয়া হয়। শুধু নিজের সিদ্ধান্তকে জাস্টফাই করার জন্য বা খামোখা কারো সাথে কুতর্ক করার জন্য কথা বললে তত লাভ হয় না। অনেকেই অবসাদগ্রস্থ হয়ে ভিক্টিম মাইন্ডসেটে চলে যায়। তারা নিজেকে পরিবর্তন করতে চায় না। অর্জুনের মন এমন হলে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণও তাকে উদ্ধার করতে পারতেন না।

তাই নিজের মনকে বিনয়ী ও পরিবর্তনে উৎসাহী রাখতে হবে। উভয়পক্ষীয় সহায়তাই পারে একজন অবসাদগ্রস্থ মানুষকে সহায়তা করতে।

♦ নিবেদনে :- 🕉 শাস্ত্রপৃষ্ঠা 🙏

• ন হি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্রমিহ বিদ্যতে।
- “এই জগতে জ্ঞানের সমান পবিত্রকারী নিঃসন্দেহে কিছুই নেই।”
[শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ৪/৩৮]

স্বাধ্যায়ান্মা প্রমদঃ
- স্বাধ্যায়ে/ অধ্যয়নে প্রমাদ করবে না।
[তৈত্তিরীয় উপনিষদ/ শিক্ষাবল্লী/১১/১ ]

08/04/2024

"রোজা রাখাই ভারতে এসে বাড়তি সম্মান পাচ্ছি। রোজা কেন্দ্র করে ১০ দিন ধরে যে অভিজ্ঞতা হচ্ছে,তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আমার রুমমেট গোয়ার অধিবাসী। সে আমার জন্য খেজুর, আপেল, কলা কিনে এনেছেন।এছাড়া বাড়তি সমাদর তো আছেই। আমি রোজা থাকি বিধায় আমার সামনে কিছু খানও না তিনি।

অন্যান্য কোর্স মোটদের কাছে থেকেও পাচ্ছি বাড়তি সমাদর। রাতে সেহেরি কোথায় খাবো,কোথায় মসজিদ আছে - সব বিষয়েই খোঁজ খবর নেন তাঁরা।

ভিন্নধর্মাবলম্বী হলেও রোজার প্রতি তাঁঁদের সম্মান প্রদর্শন মুগ্ধ হওয়ার মতো। রোজার মাসে ভারত সফরটা আমার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"

©রাশেদুল ইসলাম
নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য ও সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা তৈরির জন্য যারা ভারত বয়কটের যাকা ডাক দেন ; তাদের জীবনে একবার অন্তত ভারত ভ্রমণ করা দরকার। কিছু টাকা জমিয়ে হলেও ভারত ভ্রমণ করুন। উপরের ভাইটি যেমনটা লিখেছেন তেমনই অভিজ্ঞতা হবে।

16/03/2024

আপনার ইনকাম যদি দৈনিক ৪৯০ টাকা হয়,তাহলে আপনি সরকারি অফিসের অফিস সহায়ককের চেয়ে বেশি আয় করেন। আপনার ইনকাম যদি ৬০০ টাকা হয়, তাহলে আপনি একজন সৈনিকের চেয়ে বেশি আয় করেন। আপনার ইনকাম যদি দৈনিক ৯০০ টাকা হয়, তাহলে আপনি একজন ২য় শ্রেণির কর্ম কর্তার সমতুল্য ইনকাম করেন। আপনার ইনকাম যদি দৈনিক ১২০০ টাকা হয় তাহলে আপনি একজন ১ম শ্রেণির কর্ম কর্তাকে ধরে ফেলছেন।

সরকারি অফিসের অধিকাংশের দৈনিক মজুরি ৪৮০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা' র মধ্যে, যা একজন চায়ের দোকানদার,ঝাল মুড়ি মামার,চটপটি বিক্রেতার কিংবা রিকসাওয়ালা চেয়েও কম।তাই কথায় কথায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন আকাশ সমান বৃদ্ধি করা হয়েছে তাই দুনিয়ায়র যা-ই হোক তারা বেহেশতে বসবাস করে এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন।
একজন চাকুরীজীবীর লাইফস্টাইল আর চায়ের দোকানদারের লাইফস্টাইল এক হবে না- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যবসায়ীদের মূল্যস্ফীতির সাথে সমন্বয় করার সুযোগ থাকলেও চাকুরীজীবীদের বেতন শেষ বৃদ্ধি পেয়েছে ২০১৫ সালে। খোঁজ নিয়ে দেখুন যারা চাকুরীজীবী তাদের অধিকাংশই বর্তমানে ঋণগ্রস্ত। অবশ্যই, হারাম গ্রহণ কারীদের কথা আলাদা, এদের বেতনে হাত দিতেও হয় না।

কল্পনা করুন, লক্ষ প্রতিযোগিকে পেছনে ফেলে দেশের সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে ডিগ্রি নিয়ে আরও লক্ষ প্রতিযোগিকে পেছনে ফেলে প্রথম / দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরি বাগিয়ে নেয়া একজনের আয়ের চেয়ে কোনমতে নাম লিখতে পারে কি পারে না,এমন একজন মুদি দোকানদারের আয় অনেক বেশি।
©️

নিজেদের আত্মতুষ্টির জন্য, কাউকে পীড়া দেওয়া অধিকার নেই আমাদের।Stand with Simrin Lubaba 💗🌻
04/11/2023

নিজেদের আত্মতুষ্টির জন্য, কাউকে পীড়া দেওয়া অধিকার নেই আমাদের।

Stand with Simrin Lubaba 💗🌻

হাজারো স্বপ্ন বুকে নিয়ে, তবুও বাংলাদেশ ❤️🙏
31/10/2023

হাজারো স্বপ্ন বুকে নিয়ে, তবুও বাংলাদেশ ❤️🙏

'কল-রেডী' বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে জড়িয়ে।  এর মাইক্রোফোন-মাইক ঐতিহাসিক ৭মার্চে, দেখা মিলিছে ১৯৫২ এর ভাষ...
30/10/2023

'কল-রেডী' বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে জড়িয়ে। এর মাইক্রোফোন-মাইক ঐতিহাসিক ৭মার্চে, দেখা মিলিছে ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬৬ এর ৬ দফা, ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের মঞ্চে, ৭০ এর সভা-সমাবেশে।

যাত্রারম্ভ হরিপদ ঘোষ ও দয়াল ঘোষ ভ্রাতৃদ্বয়ের হাত ধরে ঢাকার লক্ষ্মীবাজার থেকে। ' লাইট হাউস ' হলেও এতোটাই নামডাক যে ডাকা মাত্রই প্রস্তুত অর্থাৎ 'কল-রেডী' নামে রূপান্তরিত করতে হয়েছিল।

সাক্ষী হয়ে থাকুক 'কল-রেডী' ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Discussion with Dhiraj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share