Abdullah The slave of Allah

Abdullah The slave of Allah রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, "তোমরা আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছে দাও।" (জামে তিরমিযি)
(1)

প্রথমত, দুআ করার সময়ে আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে, আমরা মোটেও আল্লাহকে কোনো কিছুর জন্য হুকুম করার অবস্থানে নেই। দ্বিতীয়...
22/10/2024

প্রথমত, দুআ করার সময়ে আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে, আমরা মোটেও আল্লাহকে কোনো কিছুর জন্য হুকুম করার অবস্থানে নেই। দ্বিতীয়ত, আমি আল্লাহর কাছে যা কিছুর জন্যই প্রর্থনা করি, তা যদি আমার জন্য কল্যাণকর হয়, তবে তা যেন পাই। আর যদি অকল্যাণকর হয়, তবে যেন আমি তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর পরিপূর্ণ আস্থা রাখি। কখনোই এটা মনে করবেন না যে, আপনিই একমাত্র এমন পরিস্থিতির শিকার। আমরা যত ভালো বা খারাপ পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যাই না কেন, তা কোনো না কোনোভাবে কুরআনের কোনো না কোনো ঘটনার সাথে মিলে যায়। নবি-রাসূলগণ আমাদের চেয়েও কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন ।

আপনাদের মধ্যে যারা অসুস্থ, তারা এই আয়াতটির দিকে লক্ষ করুন, যখন আইয়ুব আলাইহিস সালাম বলছিলেন—
"Ayat in the picture"
‘আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান।' সূরা আম্বিয়া : ৮৩

এই কথার মধ্যেই দুআ চলে এসেছে। আইয়ুব আলাইহি সালাম আল্লাহর দিকে বিনয়াবনত হয়ে বললেন—‘আমি কষ্টে জর্জরিত হচ্ছি।' তিনি এটা বলেননি যে, ‘হে আল্লাহ! আমাকে আরোগ্য দান করুন।' কারণ, তিনি তো জানেন না, আরোগ্য লাভই তাঁর জন্য সর্বোত্তম কি না। উনি শুধু বিনীত চিত্তে আল্লাহকে এতটুকু বললেন—‘ইয়া আল্লাহ! আমি নিশ্চিত জানি, এমন কেউ নেই-যে আমাকে আপনার চেয়েও বেশি ভালোবাসা, দয়া ও স্নেহ দেখাবে। আমার এই ব্যথা আমার বিশ্বাসকে নাড়িয়ে দেয়নি এবং তা আপনার প্রতি আমার আস্থাও কমিয়ে দেয়নি।

*সুন্নতে মুয়াক্কাদা=অবশ্য পালনীয় সুন্নত।*সুন্নতে যায়েদাহ=পালনে ছাওয়াব,পালন না করলে গুনাহ হবে না।©️
22/10/2024

*সুন্নতে মুয়াক্কাদা=অবশ্য পালনীয় সুন্নত।
*সুন্নতে যায়েদাহ=পালনে ছাওয়াব,পালন না করলে গুনাহ হবে না।
©️

11/02/2023

আমাদের চারপাশটা মুসলিম পরিবার দিয়ে ঘেরা ছিল। দীর্ঘ ৯টি বছর তাদের আশেপাশেই ছিলাম আমি। অথচ তাদের কেউ কোনোদিন আমাকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়নি।
'ফেরা - ২' থেকে একটুখানি

আমরা মুসলিম হিসেবে প্রত্যেক নর নারীর জন্য  আল্লাহর বিধান আমাদের উপর ফরজ করেছে। ঠিক তেমনি আমাদের উপর মাহারামের  বিদান ফরজ...
14/12/2022

আমরা মুসলিম হিসেবে প্রত্যেক নর নারীর জন্য আল্লাহর বিধান আমাদের উপর ফরজ করেছে। ঠিক তেমনি আমাদের উপর মাহারামের বিদান ফরজ করেছে। প্রত্যেক নারী যেমন ১৪শ্রেনী ব্যাক্তি ছাড়া আর কারো সাথে বিনা প্রয়জনে দেখা করা কথা বলা সম্পুর্ন রুপে হারাম।
ঠিক তেমনি পুরুষদের জন্যে ১৪ শ্রেণীর নারীদের সাথে ব্যাতিত বাকি সব নারীদের সাথে বিনা প্রয়জে দেখা করা কথা বলা সম্পুর্ন রুপে হারাম।
এই ১৪ জন ব্যাক্তির নাম নিচে উল্লেখ আছে (উভয়ের)।

©️কালেক্টেড

"এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।"দোষী যুবককে টেনে-হিঁচড়ে খলীফার দরবারে নিয়ে এসেছেন দুই ব্যক্তি। তা...
25/09/2022

"এই যুবক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।"
দোষী যুবককে টেনে-হিঁচড়ে খলীফার দরবারে নিয়ে এসেছেন দুই ব্যক্তি। তারা তাদের পিতার হত্যার বিচার চান।
খলীফা হযরত উমর (রা) সেই যুবককে জিজ্ঞেস করলেন যে তার বিপক্ষে করা অভিযোগ সত্য কিনা। অভিযোগ স্বীকার করল যুবক। দোষী যুবক সেই ঘটনার বর্ণনা দিলঃ
"অনেক পরিশ্রমের কাজ করে আমি বিশ্রামের জন্য একটি খেজুর গাছের ছায়ায় বসলাম। ক্লান্ত শরীরে অল্প সময়েই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একমাত্র বাহন উটটি পাশে নেই। খুঁজতে খুঁজতে কিছু দূর গিয়ে পেলাম, তবে তা ছিল মৃত। অভিযোগকারী এই দুই ব্যক্তির বাবাকে আমার মৃত উটের পাশে পেলাম। সে আমার উটকে তার বাগানে প্রবেশের অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করেছে। এই কারণে আমি হঠাৎ করে রাগান্বিত হয়ে পড়ি এবং তার সাথে তর্কাতর্কি করতে করতে এক পর্যায়ে মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করে ফেলি। ফলে সে সেইখানেই মারা যায়। যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটে গেছে। এর জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"
বাদী’রা জানালেন- "আমরা এর মৃত্যুদণ্ড চাই।" সব শুনে হযরত উমর (রা) অপরাধী যুবককে বললেন, "উট হত্যার বদলে তুমি একটা উট দাবি করতে পারতে, কিন্তু তুমি বৃদ্ধকে হত্যা করেছ। হত্যার বদলে হত্যা। এখন তোমাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। তোমার কোন শেষ ইচ্ছা থাকলে বলতে পারো।" নওজোয়ান বললো, "আমার কাছে কিছু ঋণ ও অন্যের রাখা কিছু আমানত আছে। আমাকে যদি কিছু দিন সময় দিতেন, আমি বাড়ি গিয়ে আমানত ও ঋণগুলি পরিশোধ করে আসতাম।"
খলিফা হযরত উমর (রা) বললেন, "তোমাকে এভাবে একা ছেড়ে দিতে পারি না। যদি তোমার পক্ষ থেকে কাউকে জিম্মাদার রেখে যেতে পারো তবে তোমায় সাময়িক সময়ের জন্য যেতে দিতে পারি।“ নওজোয়ান বললো, "এখানে আমার কেউ নেই যে আমার জিম্মাদার হবে।" যুবকটি তখন নিরুপায় হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
এই সময় হঠাৎ মজলিসে উপস্থিত একজন সাহাবী হযরত আবু যর গিফারী (রা) দাঁড়িয়ে বললেন, "আমি হবো ঐ ব্যক্তির জামিনদার। তাকে যেতে দিন।" আবু যর গিফারীর (রা) এই উত্তরে সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক। একে তো অপরিচিত ব্যক্তি, তার উপর হত্যার দন্ডপ্রাপ্ত আসামী! তার জামিনদার কেন হচ্ছেন আবু জর!
খলিফা বললেন, "আগামি শুক্রবার জুম্মা পর্যন্ত নওজোয়ানকে মুক্তি দেয়া হলো। জুম্মার আগে নওজোয়ান মদীনায় ফেরত না আসলে নওজোয়ানের বদলে আবু যরকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে।" মুক্তি পেয়ে নওজোয়ান ছুটলো মাইলের পর মাইল দূরে তার বাড়ির দিকে। আবু যর গিফারী (রা) চলে গেলেন নিজ বাড়িতে।
দেখতে দেখতে জুম্মাবার এসে গেল। নওজোয়ানের আসার কোনো খবর নেই। হযরত উমর (রা) রাষ্ট্রীয় পত্রবাহক পাঠিয়ে দিলেন আবু যর গিফারির (রা) কাছে। পত্রে লিখা, আজ শুক্রবার বাদ জুমা সেই যুবক যদি না আসে, আইন মোতাবেক আবু যর গিফারির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হবে। আবু যর যেন সময় মত জুম্মার প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে নববীতে হাজির হন। খবর শুনে সারা মদীনায় থমথমে অবস্থা। একজন নিষ্পাপ সাহাবী আবু যর গিফারী আজ বিনা দোষে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন।
জুমার পর মদীনার সবাই মসজিদে নববীর সামনে হাজির। সবার চোখে পানি। কারণ দন্ডপ্রাপ্ত যুবক এখনো ফিরে আসেনি। জল্লাদ প্রস্তুত।
জীবনে কত জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছে তার হিসেব নেই। কিন্তু আজ কিছুতেই চোখের পানি আটকাতে পারছে না জল্লাদ। আবু যরের মত একজন সাহাবী সম্পূর্ণ বিনা দোষে আজ মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হবেন, এটা মদীনার কেউ মেনে নিতে পারছেন না। এমনকি মৃত্যুদন্ডের আদেশ প্রদানকারী খলিফা উমর (রা) নিজেও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। হৃদয় তাঁর ভারাক্রান্ত। তবু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। কারো পরিবর্তনের হাত নেই। আবু যর (রা) তখনও নিশ্চিন্ত মনে হাঁসি মুখে দাঁড়িয়ে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত। জল্লাদ ধীর পায়ে আবু যর (রা) এর দিকে এগুচ্ছেন আর কাঁদছেন। আজ যেন জল্লাদের পা চলে না। পায়ে যেন কেউ পাথর বেঁধে রেখেছে।
এমন সময় এক সাহাবী উচ্চ স্বরে জল্লাদকে বলে উঠলেন, "হে জল্লাদ একটু থামো। মরুভুমির ধুলার ঝড় উঠিয়ে ঐ দেখ কে যেন আসছে। হতে পারে ঐটা নওজোয়ানের ঘোড়ার পদধুলি। একটু দেখে নাও।" ঘোড়াটি কাছে আসলে দেখা যায় সত্যিই এ সেই নওজোয়ান।
নওজোয়ান দ্রুত খলিফার সামনে এসে বললো, "আমীরুল মুমিনীন, মাফ করবেন। রাস্তায় যদি আমার ঘোড়া পায়ে ব্যথা না পেত, তবে যথা সময়েই আসতে পারতাম। বাড়িতে গিয়ে আমি একটুও দেরি করিনি। বাড়ি পৌঁছে গচ্ছিত আমানত ও ঋণ পরিশোধ করি। তারপর বাবা, মা এবং নববধুর কাছে সব খুলে বলে চিরবিদায় নিয়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এখন আমার জামিনদার ভাইকে ছেড়ে দিন আর আমাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে পবিত্র করুন। কেননা কেয়ামতের দিন আমি খুনি হিসেবে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চাই না।"
আশেপাশের সবাই একেবারেই নীরব। চারিদিকে একদম থমথমে অবস্থা। সবাই হতবাক, কী হতে চলেছে! যুবকের পুনরায় ফিরে আসাটা অবাক করে দিলো সবাইকে।
খলিফা হযরত উমর (রা) যুবককে বললেন, "তুমি জানো তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে, তারপরেও কেন ফিরে এলে?" উত্তরে সেই যুবক বলল- "আমি ফিরে এসেছি, কেউ যাতে বলতে না পারে, এক মুসলমানের বিপদে আরেক মুসলামান সাহায্য করতে এগিয়ে এসে নিজেই বিপদে পড়ে গেছিলো।"
এবার হযরত উমর (রা) হযরত আবু যর গিফারী (রা) কে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কেন না চেনা সত্যেও এর জামিনদার হলেন?" উত্তরে হযরত আবু যর গিফারী (রা) বললেন, "পরবর্তিতে কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান বিপদে পড়েছিলো, অথচ কেউ তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।"
এমন কথা শুনে, হঠাৎ বৃদ্ধের দুই সন্তানের মাঝে একজন বলে উঠল, "হে খলীফা, আপনি তাকে মুক্ত করে দিন। আমরা তার উপর করা অভিযোগ তুলে নিলাম।"
হযরত উমর (রা) বললেন, “কেন তাকে ক্ষমা করে দিচ্ছ?” তাদের এক ভাই বলে উঠলো, "কেউ যেন বলতে না পারে, এক মুসলমান অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল করে নিজেই স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পরেও অন্য মুসলমান তাকে ক্ষমা করেনি।"
[হায়াতুস সাহাবা-৮৪৪]

collected

25/09/2022

আলহামদুলিল্লাহ! আমার বিএফ আজকে আমাকে এটা গিফট করেছে'!
'আলহামদুলিল্লাহ! ভালো একটা মুভি উপহার দিতে পেরেছি'! 'আলহামদুলিল্লাহ! আমার মেয়ে গান গেয়ে পুরষ্কার নিয়ে এসেছে'!
আপলোড দিয়ে ক্যাপশন দিবেন, ''please say Ma Sha Allah', গান শুনে বলবেন, 'মা শা আল্লাহ! Nice song'
আল্লাহর অবাধ্যতামূলক কাজে এ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না!❌
এমন বিশেষ শব্দগুলো একনিষ্ঠ মুমিন মুসলমানের জন্য, সর্বস্থানে ব্যবহারের জন্য না!❌
©️

🍁 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় .......এড়িয়ে যাবেন না!মেয়ের বয়স পাঁচ মাস।শীতকাল তখন।উঠোনে মেয়েকে নিয়ে রোদ পোহাচ্ছে ময়না। সকালের...
24/09/2022

🍁 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় .......এড়িয়ে যাবেন না!

মেয়ের বয়স পাঁচ মাস।শীতকাল তখন।উঠোনে মেয়েকে নিয়ে রোদ পোহাচ্ছে ময়না। সকালের রোদ বাচ্চার জন্য খুব উপকারী। বাচ্চাকে রোদে শুইয়ে রাখল। হঠাৎই সেখানে আসল পাশের ঘরের রবিন। ইরার চাচা হয় রবিন।এসেই ইরাকে কোলে নিল।আদর করতে লাগল। হাসানোর চেষ্টা করল।কিছুক্ষণ পর সে ইরাকে আকাশের দিকে ছেড়ে দিয়ে আবার বল ক্যাচ ধরার মত করে ধরছে।

এতে যেন ইরা আরও খুশি হচ্ছে। ময়নাও দেখে হাসছে। মেয়ে হাসলে যেকোন মায়েরই ভালো লাগে।

ময়নারও ভালো লাগছে।

আর রবিন কেন!সবাই ই তো এভাবে খেলা করে বাচ্চাকে নিয়ে।

রবিন আবার ইরাকে আকাশের দিকে ছেড়ে দিল। ঠিকঠাক মত ক্যাচও ধরল।

🍁কিন্তু একি হল ??

ইরা হাসছে না। চোখ বন্ধ করে আছে। রবিন ভয় পেয়ে গেল।

ময়নাকে ডাক দিল।

ময়না দৌড়ে এসে ইরাবতীকে কোলে নিল ইরাকে।নানান নামে ডাকতে শুরু করল।হাত দিয়ে চোখ খুলার চেষ্টা করল।

কিন্তু না!ইরা চোখ খুলছে না।

চিৎকার করে কেঁদে উঠল ময়না।

বাড়ির সব মানুষ এসে ভীড় করল।

সবাই সাধ্যমতো চেষ্টা করল ইরাকে জাগানোর। কেউ ই পারল না।

উঠোনে শুয়ে গড়াগড়ি খেতে লাগল ময়না।

🍁তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ইরাকে। ইমার্জেন্সিতে নেওয়ার পর ডাক্তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বলে দিলেন ইরা মারা গেছে।

আর হাসবে না সে।

চিরদিনের জন্য তার হাসি বন্ধ হয়ে গেছে। অজ্ঞান হয়ে যায় ময়না।

একমাত্র মেয়েকে হারানোর ব্যাথা

সে নিতে পারছে না।

ঘরের পিছনে কবর দেওয়া হয় ইরাকে।

মাঝে মাঝেই রাতে পাগলের মত আচরণ করে ময়না। মেয়ের কবরের কাছে দৌড়ে চলে যায়। বিড়বিড় করে কথা বলে! ইরাকে ভুলতে পারছে না।

খাওয়া দাওয়া করছে না।

শুকিয়ে যাচ্ছে।অগত্যা ময়নাকে নিয়ে শহরে পাড়ি জমায় রাজিব।

🌷ঘটনার ব্যাখ্যাঃ-

বাচ্চাদের আকাশে তুলে আবার কোলে নিয়ে আমরা অনেক আনন্দ পাই।বাচ্চারাও পায়।

কিন্তু বাচ্চাদের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ম্যাচিউর হতে অনেকদিন সময় লাগে।

খুব সহজেই সেগুলো আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে। ইরাকে যখন বারবার উপরে তোলা হচ্ছিল তখন গ্রাভিটির এগেইনস্টে তাকে বারবার উপরে তোলায় তার ব্রেইনের সাথে মাথার খুলির হাড়ের বারবার ধাক্কা লাগছিল।

যেহেতু তার ব্রেইন টাও নরম আর মাথার হাড়টাও নরম তাই হাড়ের সাথে বারবার ধাক্কা লেগে তার ব্রেইনের ধমনী ছিড়ে যায়।

ধমনী শিরাতে রক্ত চলাচল করে।

ব্রেইনের ধমনী ছিড়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয় মাথার ভিতরে।

রক্তে থাকে গ্লুকোজ।

গ্লুকোজ না পেলে ব্রেইন ৪-৫ মিনিটের ভিতর মারা যায়।সাথে জীবন্ত মানুষটাও।রক্ত সব ধমনী দিয়ে বের হয়ে আল্টিমেটলি

ব্রেইন ডেথ হয় ছোট্ট ইরার।

🌷তাই এসব ব্যাপারে সঠিকভাবে জানতে হবে,সতর্ক হতে হবে, সামান্য একটি ভুলের কারণে আমরা আমাদের প্রিয়জনকে হারাতে পারি!!

সংগৃহীত

রাতে মায়ের হাতে রান্না করা খাবার খুব মজা করে খেয়ে রাত ১০টায় ঘুমিয়ে গেলাম...!!!সকাল গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না...!!! আরাম...
19/09/2022

রাতে মায়ের হাতে রান্না করা খাবার খুব মজা করে খেয়ে রাত ১০টায় ঘুমিয়ে গেলাম...!!!
সকাল গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না...!!!
আরামে ঘুমাবো বলে মা ডাকলো না...!!!
দুপুর হয়ে গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না...!!!

এবার মা অনেক ডাকলো আমি উঠলাম না।
মা চলে গেলো।
একটু পর আবার আসলো।
এবার অনেক ডাকার পরেও না উঠায় মা অনেক বকলো আমি তাও উঠলাম না।
এইবার মা একটা থাপ্পড় দিলো।
তাও উঠলাম না।

এবার মা হাত ধরে টান দিলো কিন্তু আমার হাত পুরো শরীর নিয়ে নড়ে উঠলো।
শরীর আমার পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে গেছে।
মা কিছু না বলে চুপ করে রুম থেকে বেরিয়ে বাবাকে ডেকে নিয়ে আসলো।
কিন্তু বাবা অনেক ডাকার পরও আমি উঠলাম না।
এইবার বাবা চোখের জল ফেলে বলছেঃ উঠে আয় তোকে আর কোন দিন কিছু বলবো না।
যেমন করে থাকতে চাস থাক।
তাও উঠে আয়।
তোকে আজকেই ল্যাপটপ কিনে দিবো।

আমি অবাক হয়ে দেখছি বাবা এতো করুণা করে কোনোদিন আমাকে বলে না অথচ আজ বলছে।
আমি উঠে আসতে চাচ্ছি কিন্তু কিছুতেই উঠতে পারছি না।
এদিকে বাবা নানান রকম লোভ দেখিয়ে বলছে উঠে আসতে।
একটু পর আমার বাড়িতে অনেক মানুষ চলে আসলো।

ওদিকে মা কাঁদছে কেউ মাকে স্বান্ত্বনা দিচ্ছে কেউবা বাবাকে কেউ ভাই বোনকে নানান কথা বলে বুঝাচ্ছে।
একটু পরেই কয়েকজন এসে আমাকে খুব যত্ন করে বিছানা থেকে নামিয়ে লোহার শক্ত খাটিয়াই শুইয়ে দিলো।

আমি কাঁদছি আর বলছি আমার পিঠে খুব ব্যাথা লাগছে নামাও এখান থেকে।
কেউ আমার কথা শুনলো না।
একটু পর ঐ মানুষ গুলো গরম পানি নিয়ে এসে আমার শরীরে কিছুটা পানি ডেলে দিলো।
ঈশ আমার শরীর পুড়ে গেলো বলে চিৎকার করছি কেউ কথা শুনছে না আমার। আমাকে পরম যত্নে গরম পানি দিয়ে খুব সুন্দর করে ডলে ডলে ধুঁইছে।

আমি কাঁদছি আর বলছি আমাকে আর গরম পানি দিয়ো না,শরীর পুড়ে যাচ্ছে। আমায় আর ডলা দিয়ো না।খুব ব্যাথা লাগছে কেউ শুনলোনা।
অনেক সময় নিয়ে গোসল করিয়ে আমার শরীর ভালো করে মুছে নিয়ে আসলো আমার বসার জায়গাতে।

আমি খুব খুশি হলাম ভাবলাম আমাকে এইবার এখানে বসাবে।
কিন্তু ওরা আমাকে না বসিয়ে কাঠের শক্ত একটা খাটে শুইয়ে দিলো।
একটা চাদরও নিচে দিলনা।
একটু পরে মা,বোন আরো কয়জন মিলে আমাকে একটা সাদা কাপড় পড়ালো।
মা অনেক আদর করে আমার মুখে হাত বুলাচ্ছে আর কাঁদছে।
এতো আদর কোনোদিন করেনি মা আমাকে।

আমি অনেক করে বললাম কান্না থামাতে কিন্তু কিছুতেই কান্না থামাচ্ছে না।
আমি এতো করে বলছি কেঁদো না।
মা কিন্তু কিছুতেই শুনছেনা।

©️কালেক্টেড

19/09/2022

নাস্তিকরা কি দেখেনা ??

8️⃣আমি তো পাপ করেও শুখে আছিহাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লাহর কাছে একবার এক লোক জানতে চাইলো, "আচ্ছা, আপনি তো বলেন, পাপ কাজ করল...
07/09/2022

8️⃣আমি তো পাপ করেও শুখে আছি

হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লাহর কাছে একবার এক লোক জানতে চাইলো, "আচ্ছা, আপনি তো বলেন, পাপ কাজ করলে নাকি আল্লাহ তাঁর নিয়ামত থেকে বান্দাকে বঞ্চিত করেন। আমি কিন্তু প্রচুর পাপ কাজ করি এবং ভালো কাজ একদম করিই না বলা চলে। কিন্তু দেখুন, আমার খুব সুন্দর একজন স্ত্রী আছে।সন্তান-সন্ততি আছে। আমার রয়েছে প্রচুর টাকা ও ধনসম্পদ। বলা চলে, আল্লাহ আমাকে কোনো কিছু থেকেই বঞ্চিত করেননি।তাহলে আপনি কিভাবে একথা বলেন যে, পাপ কাজ করলে আল্লাহ বান্দাকে তাঁর নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করেন?"
লোকটার কথা শুনে হাসান আল বাসরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "আচ্ছা, তুমি কি রাতে তাহাজ্জুদ পড়তে পারো? আন্তরিকতার সাথে কখনো আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারো? তুমি কি তৃপ্তি সহকারে কখনো সালাত আদায় করতে পারো? কুরআন পড়তে পারো? এসবই তো আল্লাহর নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হবার জন্য যথেষ্ট।"

©️বেলা ফুরাবার আগে

 #ডায়ালাইসিসের সময় শরীর থেকে রক্ত ​​বের হয়ে লাল টিউব দিয়ে ডায়ালাইসিস মেশিনে যায় এবং নীল টিউবের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়...
07/09/2022

#ডায়ালাইসিসের সময় শরীর থেকে রক্ত ​​বের হয়ে লাল টিউব দিয়ে ডায়ালাইসিস মেশিনে যায় এবং নীল টিউবের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়ে ফিরে আসে আর এভাবে ৪ ঘণ্টা নড়াচড়া ছাড়া কস্ট সহ্য করে বিছানায় থাকতে হয়।
#কীডনী বিকল রোগীদের প্রতি সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস করাতে হয় যার অর্থ মাসে ১২ বার এবং প্রতিবার ৪ ঘন্টা করে মোট ৪৮ ঘন্টা।
#আমরা যারা সুস্থ আছি, আমাদের কিডনি দিনে ৩৬ বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোন প্রকার ব্যথা ছাড়াই আমাদের রক্ত পরিষ্কার করে যাচ্ছে।
#আল্লাহ তায়ালার কি পরিমান দয়ায় আমরা বেচে আছি একবারও কি উপলব্ধি করেছেন?
#তাই সর্বাবস্থায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন।
#আলহামদুলিল্লাহ
#সংগৃহীত 🖤

অভিশাপ এক ভয়ানক ক্ষেপণাস্ত্র। বাকবিতণ্ডায়, মনোমালিন্যে কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েনে একে অন্যের উপর যা হরহামেশাই প্রয়োগ করা...
26/08/2022

অভিশাপ এক ভয়ানক ক্ষেপণাস্ত্র। বাকবিতণ্ডায়, মনোমালিন্যে কিংবা সম্পর্কের টানাপোড়েনে একে অন্যের উপর যা হরহামেশাই প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু এটা যে কতোটা ভয়াবহ; আমরা অনেকেই তা উপলব্ধি করিনা। রাগের বশে অন্যকে দেওয়া অভিশাপ যে নিজের দিকেই বুমেরাং হয়ে ফিরবে না, তার কি কোন গ্যারান্টি আছে? রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেন— মুমিন কখনো অভিসম্পাতকারী হতে পারে না। [সুনান আত তিরমিজী : ১৯৭৭]

তাই আসুন, সামান্য কোন বিষয়ের রেশ ধরে একে অন্যের প্রতি অভিশাপ দেওয়া থেকে বিরত থাকি।

©️Mizanur Rahman Azhari

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdullah The slave of Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share