আলোকিত জীবন

আলোকিত জীবন For better living

03/12/2025
31/05/2025

ঈদের দিনের সবচেয়ে বড় আমল হল ঈদের নামায শেষে কুরবানী করা।

১০, ১১ বা ১২ যিলহজ্বের যেকোন একদিন, কোন ব্যক্তির মালিকানায় যদি নিত্য প্রয়োজন অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ, অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রোপা বা এর সমমূল্যের সম্পদ থাকে, {বর্তমান বাজার মূল্যে যা ১২০,০০০ টাকা (১৮ ক্যারেট) ~১৫০০০০ টাকা (২২ ক্যারেট) প্রায়} তাহলে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব। পুরুষ-মহিলা সকলের উপরই এ বিধান প্রযোজ্য। বিস্তারিতঃ ফাতওয়াশামী-৯/৪৫৩, ৪৫৭ । ফাতওয়া আলমগীরী-৫/২৯২

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-কুরবানী করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে। -সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৩১২৩;

আবু হুরায়রা রা. থেকে অন্য বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- কারো সামর্থ্য থাকলে সে যেন কুরবানী করে। এর পরও কেউ কুরবানী না করলে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে। -সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৩১৬০; আসসুনানুল কুবরা, বায়হাকী ৯/২৬০

যায়েদ বিন আরকাম রাঃ বলেন-রাসূল সা. এর সাহাবাগণ বললেন-হে আল্লাহর রাসূল! এ সকল কুরবানীর ফযীলত কি? উত্তরে তিনি বললেন-তোমাদের জাতির পিতা ইবরাহীম আ. এর সুন্নাত। তারা পুনরায় আবার বললেন-হে আল্লাহর রাসূল! তাতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন-কুরবানীর পশুর প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। তারা আবারো প্রশ্ন করলেন-হে আল্লাহর রাসূল! ভেড়ার লোমের কি হুকুম? [এটাতো গণনা করা সম্ভব নয়] তিনি বললেন-ভেড়ার লোমের প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি সওয়াব রয়েছে। {সুনানে ইবনে মাজাহ-হাদীস নং-৩১২৭}
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরবানীঃ
জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন বড় শিংবিশিষ্ট ও সাদা কালো বর্ণের দুটি নর দুম্বা যবাই করেছেন। যখন যবাইয়ের জন্য শোয়ালেন, তখন বললেন- এরপর বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বলে যবাই করলেন। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১৫০২২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩৮৬; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ২২৫
পূর্বে আনাস ইবনে মালেক রা.-এর একটি বর্ণনা উল্লেখ করা হয়েছে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বড় শিংবিশিষ্ট সাদা-কালো বর্ণের দুটি নর দুম্বা কুরবানী করতেন এবং তিনি বিসমিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বলতেন। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১১৯৬০, ১২১৪৭

এছাড়াও সামনে উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা.-এর একটি বর্ণনা আসছে। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানী করার জন্য বড় শিং এবং দুই পা, হাঁটু ও চোখের আশপাশে শুভ্রতাবিশিষ্ট একটি দুম্বা সংগ্রহের আদেশ করলেন। অতঃপর তা আনা হলে তিনি আমাকে বললেন, হে আয়েশা! ছুরি নিয়ে এস। অতঃপর বললেন, পাথর দিয়ে তা ধার দাও। আমি তা করলাম। অতঃপর তিনি তা নিলেন এবং দুম্বাটিকে ধরে শোয়ালেন। এরপর- -বলতে বলতে তা যবাই করলেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৬৭; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৭৯২

31/05/2025

কুরবানী

25/03/2025

রমজানের শেষ দশকের প্রতিদিন কিছু দান করুন, লাইলাতুল কদরের বরকত নছিব হবে ইনশাআল্লাহ।

09/03/2025

হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান!

হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পাপি?"
আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পাপি"
আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পাপি
হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"
আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"
হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।
মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পাপি আবার মহা নেকী"
আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে? বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।
ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে? সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!
তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।
হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপি ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শাস্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
আবু দাউদঃ ৫১৫

প্রিয় নবীজি (সা.) সুস্থতার নিয়ামতের মূল্যায়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়...
03/03/2025

প্রিয় নবীজি (সা.) সুস্থতার নিয়ামতের মূল্যায়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘এমন দুটি নিয়ামত আছে, যে দুটিতে বেশির ভাগ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হচ্ছে, সুস্থতা আর অবসর।’

(বুখারি, হাদিস : ৬৪১২)

আমর ইবনে মায়মুন আল আওদি (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) এক ব্যক্তিকে নসিহতস্বরূপ বলেন—‘পাঁচটি জিনিস আসার আগে পাঁচটি কাজকে বিরাট সম্পদ মনে করো।
১. তোমার বার্ধক্যের আগে যৌবন, ২. রোগগ্রস্ত হওয়ার আগে সুস্বাস্থ্য, ৩. দরিদ্রতার আগে অভাবমুক্ত থাকা, ৪. ব্যস্ততার আগে অবসর সময় এবং ৫. মৃত্যুর আগে জীবন।’ (শুআবুল ঈমান)
পৃথিবীতে যে ঈমানদার সুস্থ আছে, তার পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা আছে, বলা যায়, সে দুনিয়ার যাবতীয় কল্যাণ লাভ করেছে। এটা বিশ্বনবী (সা.)-এর ভাষ্য। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে লোক পরিবার-পরিজনসহ নিরাপদে সকালে উপনীত হয়, সুস্থ শরীরে দিনাতিপাত করে এবং তার কাছে সারা দিনের খোরাকি থাকে, তাহলে তার জন্য যেন গোটা দুনিয়াটাই একত্রিত করা হলো।’

(তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৬)

শান্তির দিন আসছে।
12/02/2025

শান্তির দিন আসছে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোকিত জীবন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share