ইসলামী পর্দা

ইসলামী পর্দা পর্দা একটি ফরজ ইবাদত।

22/08/2024
কথা বলার আদব।
24/02/2023

কথা বলার আদব।

লজ্জা ইমানের শাখা।
22/11/2022

লজ্জা ইমানের শাখা।

"সত্যবাদী আত্মা এবং মানুষের উত্তম দুয়া এমন সেনাবাহিনী, যা কখনোই পরাজিত হয় না।"- ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.)[মাযমুয়ুল ফাতও...
02/10/2022

"সত্যবাদী আত্মা এবং মানুষের উত্তম দুয়া এমন সেনাবাহিনী, যা কখনোই পরাজিত হয় না।"

- ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহ.)
[মাযমুয়ুল ফাতওয়া, ২৮/৬৪৪]

ছেলেদের বিয়ের ক্ষেত্রে ৪টি যোগ্যতা এবং অভিভাবকদের দায়িত্ব❗১.শারীরিক সুস্থতা‌।২.যৌন সক্ষমতা:যৌন ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে আপ...
27/09/2022

ছেলেদের বিয়ের ক্ষেত্রে ৪টি যোগ্যতা এবং অভিভাবকদের দায়িত্ব❗

১.শারীরিক সুস্থতা‌।

২.যৌন সক্ষমতা:যৌন ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে আপনাকে পর্দা করতে হবে, হস্তমৈথুন করা যাবে না, পর্ন ভিডিও দেখা যাবে না, অশ্লীল ভিডিও থেকে দূরে থাকতে হবে।

৩.দায়িত্ব নেয়ার যোগ্যতা: দায়িত্ব নেয়ার জন্য আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবনের স্বপ্ন সবাই দেখেন। কিন্তু সবার জীবন কি সুখী হয় ! অনেক সময় দাম্পত্যজীবনে নেমে আসে হাজারো দুঃখ, অশান্তি ও হতাশা। এর অন্যতম কারণ দাম্পত্যজীবন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান, প্রস্তুতি ও আয়োজনের অভাব। দুঃখজনক হলেও সত্য অনেকে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু করে দেন দাম্পত্যজীবন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান, প্রস্তুতি ও আয়োজনের অভাব নিয়েই।বিয়ে করার আগে দাম্পত্য জীবন সংক্রান্ত কিছু বই পড়ে নিবেন,বিয়ের আগে বিবাহের মাসআলা, পরস্পরের প্রতি দায়িত্ব , তালাকের মাসায়েল জ্ঞান অর্জন করে অথবা আলেমদের কাছ থেকে বিবাহের মাসআলা জেনে নিন। বিয়ে জীবনের অনেক বড় একটি পার্ট। তাই অজ্ঞতা যেন দাম্পত্য জীবনের অশান্তির কারণ না হয়।

৪.অর্থনৈতিক সার্মথ্য:ছেলেদের বিয়ের জন্য অনত্যম শর্ত অর্থনৈতিক সার্মথ্যবান হওয়া।যে পরিবারে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আছে সেই পরিবারের অভিভাবকদের উচিত সন্তানকে বিয়ে দেওয়া।অর্থনৈতিক সচ্ছল পরিবারের অভিভাবকদের বলতে চাই আপনারা আপনাদের ছেলেদের তাড়াতাড়ি বিয়ে দেন। কেননা এখন যদি আপনার ছেলে কোন দুর্ঘটনায় পতিত হয় তখন অপারেশনে ২-৫লাখ টাকা খরচ করতে পারেন কিন্তু ছেলের চরিত্ররক্ষার জন্য বিয়ে দিতে পারেন না।

ইংরেজি একটি প্রবাদ আছে:"If wealth is lost, nothing is lost. If health is lost, something is lost. But, if character is lost, everything is lost."বাংলা অনুবাদ:"সম্পদ হারালে কিছুই হারায় না। স্বাস্থ্য হারালে কিছু হারায়। কিন্তু, চরিত্র হারালে সব হারিয়ে যায়।"অল্প বয়সে সন্তানকে বিয়ে দিলে ছেলেরা শান্তিতে থাকবে। রাসুল সা: বলেছেন : প্রাপ্ত বয়সে সন্তানকে বিয়ে দিয়ে দাও। প্রাপ্ত বয়সে সন্তানকে বিয়ে না দিলে ছেলে যদি হারাম রিলেশনশিপে জড়িয়ে যায়, পর্ন ভিডিও দেখে , হস্তমৈথুন করে ,যিনা করে অভিভাবক ও এই গুনাহের সমান ভাগিধার হবে।

হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে,
সন্তান জন্মগ্রহণের পর পিতা-মাতার দায়িত্ব হল তার সুন্দর নাম রাখা এবং দীন শিক্ষা দেয়া, আর বালেগ হয়ে গেলে বিবাহ করিয়ে দেয়া। যদি বালেগ হওয়ার পরও বিবাহ না করায়, আর সন্তান কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, তাহলে এর দায়ভার পিতার উপরই বর্তাবে। (বায়হাকী, হাদীস নং ৮২৯৯)।

অন্য একটি হাদীসে আছে, পিতা-মাতার উপর সন্তানের হক হল, সুন্দর নাম রাখা, আকীকা করা, দীন শিক্ষা দেওয়া, বালেগ হওয়ার পর বিয়ে দেওয়া। (কিতাবুল বিররি ওয়াস্ সিলাহ, হাদীস নং ১৫৫)। কাজেই পিতা মাতার দায়িত্ব শেষ হবে সন্তানকে বিয়ে দেওয়ার পর। (আওলাদ কো মুসলমান বানানে কা তরীকা, ২৭৩)

আর বাপ-মা বর্তমানে খাড়া করেছে পড়াশুনা শেষ করা, চাকরী ঠিক হওয়া। অনেক সময় দেখা যায় তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেটি বন্ধু-বান্ধবদের মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়, আব্বা! আমি গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করার প্রয়োজন মনে করছি। আর বাপ মা বলে, তোর এখনো লেখা-পড়াই শেষ হয়নি, বিয়ে করে বউকে খাওয়াবি কোত্থেকে? (এর উত্তরে আমরা বলবো,) কেন, সে কি পড়াশুনার পাশাপাশি দু’একটা টিউশনি করে কিছু রোজগার করতে পারবে না? যদি না-ও পারে তাহলে আপনার প্রিয় রাসূল তো বলেই গেছেন, طعام الواحد يكفي الإثنين একজনের খাবার দু’জনের জন্য যথেষ্ট। দু’জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট। (মুসলিম শরীফ, হাদীস নং ২০৫৯)

আপনার ফ্যামিলিতে দু’চারজন সদস্য অবশ্যই আছে, আরেক জন আসলে কি তার জন্য ব্যবস্থা হবে না? অবশ্যই হবে। তো পড়া লেখা শেষ হওয়ার দরকার নেই। বালেগ হলেই বিয়ে দিয়ে দেন। রিযিকের মালিক আল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা অভিভাবক দের উদ্দেশ্যে বলেন:আর তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিতদের বিয়ে করিয়ে দাও এবং তোমাদের সৎ ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীদেরও। যদি তারা দরিদ্র হয় তবে আল্লাহ তার নিজ অনুগ্রহে ধনী বানিয়ে দেবেন।(সূরা আন নূর: আয়াত নং ৩২)রাসুল (সা.) বলেছেন, তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী,

২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়

৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।

হাদিসটি পাবেন

(তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি।

অল্প বয়সে ছেলেদের বিয়ে দিলে অভিভাবকদের ৪টি সওয়াব :
১.বিয়েতে যে টাকা খরচ করবেন তা সবই সদকা
২.কিয়ামত পর্যন্ত নেকি পেতে থাকবেন
৩.ছেলের চরিত্র রক্ষা।
৪.পাশের বাড়ির মেয়ের চরিত্র রক্ষা
আর ছেলেদের বলতে চাই আপনারা আর কতদিন বাবার হোটেলে খাবেন । আপনি এমনিতেই বাবার হোটেলে খাচ্ছেন আবার আরেক জন কে টেনে আনবেন। এতে আপনার স্ত্রীর আত্মমর্যাদায় আঘাত হানবে। বাবার হোটেলে খাওয়া ত্যাগ করে যে কোন হালাল কাজে নেমে পড়েন। কাজে কোন লজ্জা নেই। আর হালাল রুজি অন্বেষণ করা ফরজ। তারপর বাবা-মা কে বিয়ের কথা বলেন।বাবা-মা না শুনে কুরআন-হাদীসের দলিল দিয়ে শান্তভাবে বুঝিয়ে বলেন, আলেম দিয়ে বাবা-মা কে বুঝান। আল্লাহ তায়ালা যদি কোন দিন তাওফিক দেয় তাহলে ২১-২৫ বছর বয়সে নিজের ছেলেদের বিয়ে দিয়ে দেবো ইনশাআল্লাহ।

অন্যদিকে যে পরিবারে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা নেই,সে সব ছেলেদের উচিত দেনমোহর জোগাড় করা, ভরনপোষণের দায়িত্ব অর্জন করে বিয়ে করা।ছেলেদের অর্থনৈতিক সচ্ছল না হওয়া পর্যন্ত আপনারা রোজা রাখেন, ধৈর্য্য ধারণ করেন,
পর্দা করেন, কুরআন তিলাওয়াত,নেককারদের সহবতে থাকেন, অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকুন ‌।

রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনছেন: হে যুবক সম্প্রদায় তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিয়ে করে। কেননা বিয়ে তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করে এবং যার বিয়ে করার সামর্থ্য নেই, সে যেন সাওম পালন করে। কেননা, সাওম তার যৌনতাকে দমন করবে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫০৬৬।

নিজের অর্থনৈতিক সাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে না দেয় তাহলে করণীয়:

পরিবারের মধ্যে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা থাকা সত্ত্বেও অভিভাবকরা বিয়ে না দেয় তাহলে হলে ধৈর্য্য ধারণ করুন, আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করতে থাকুন। আপনি নিজে অর্থনৈতিক সাবলম্বী হয়ে দেনমোহর জোগাড় করে বিয়ে করুন।

এ অবস্থায় যদি না বুঝে তাহলে নিজে নিজে বিয়ে করুন। এতে আপনার কোন গুনাহ হবে না মা বাবা নারাজ হলেও। এতে আপনার মা বাবা আপনাকে খুন করবে না। স্ত্রীর জন্য আলাদা বাসস্থান নির্ধারণ করলেই হবে।

মা বাবা কে আলাদা সাধ্যমতো প্রতি মাসে খরচ দিন এবং এলাকার কোন আলিমকে ওয়ালী বানিয়ে নিজে নিজে বিয়ে করেন যত বাধা বিপত্তি আসুক না কেন।

▋বউ জ্বালাতন করলে এই হাদিসটি দেখাবেন, মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পৃথিবীতে কোন স্ত্রীলোক ...
23/09/2022

▋বউ জ্বালাতন করলে এই হাদিসটি দেখাবেন,
মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পৃথিবীতে কোন স্ত্রীলোক যখনই তার স্বামীকে কষ্ট দেয় তখনই (জন্নাতের) বিস্তৃত চক্ষুবিশিষ্ট হুরদের মধ্যে তার (ভাবী) স্ত্রী বলে, হে অভাগিনী! তাকে কষ্ট দিও না। তোমাকে আল্লাহ তা'আলা যেন ধ্বংস করে দেন! তোমার নিকট তো তিনি কিছু সময়ের মেহমান মাত্র। শীঘ্রই তোমার হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে তিনি আমাদের নিকট চলে আসবেন।
حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن عياش، عن بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، عن كثير بن مرة الحضرمي، عن معاذ بن جبل، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تؤذي امرأة زوجها في الدنيا إلا قالت زوجته من الحور العين لا تؤذيه قاتلك الله فإنما هو عندك دخيل يوشك أن يفارقك إلينا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏ ورواية إسماعيل بن عياش عن الشاميين أصلح وله عن أهل الحجاز وأهل العراق مناكير ‏.‏
[সহীহ্, ইবনু মাজাহ (২০৪১)]
[জামে' আত-তিরমিজি ১১৭৪]

10/09/2022

▋আমি দেখেছি ওই সব নারীদের❗

🎙 জামসেদ মজুমদার হাফিয্বাহুল্লাহ

আবু দারদা (রা.) বলেন– তিন ব্যক্তির আচরণ আমায় অবাক করে-১. যে দুনিয়ার চিন্তায় নিমগ্ন ; অথচ মৃত্যু তাকে খুঁজে ফিরছে।২. জ...
05/09/2022

আবু দারদা (রা.) বলেন– তিন ব্যক্তির আচরণ আমায় অবাক করে-

১. যে দুনিয়ার চিন্তায় নিমগ্ন ; অথচ মৃত্যু তাকে খুঁজে ফিরছে।

২. জীবন নিয়ে যে ব্যক্তি উদাসীন; অথচ তার হিসাব-নিকাশ উদাসীনতার শিকার নয়।

৩. যে প্রাণ খুলে হাসছে ;অথচ তার জানা নেই যে সে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করছে, না অসন্তুষ্ট।

[কিতাবুয যুহদ, পৃষ্ঠা:৮৪]

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামী পর্দা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share