Beside Ummah

Beside Ummah We have a long-cherished dream; Breaking the barrier of being one Nation. Nations cannot be divided

একটা অর্ধপচা খেজুর পড়ে ছিলো। রাসুল (সাঃ) পচা অংশটা পরিষ্কার করলেন। আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, খাবে?তিন...
24/03/2025

একটা অর্ধপচা খেজুর পড়ে ছিলো। রাসুল (সাঃ) পচা অংশটা পরিষ্কার করলেন। আবদুল্লাহ্ ইবনে উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, খাবে?
তিনি জবাব দিলেন, না, ইয়া রাসুলুল্লাহ্।

রাসুল (সাঃ)বললেন, তোমার কাছে এটা খাওয়া না খাওয়ার ব্যাপার। অথচ আজ চারদিন হলো তোমার রাসুলের পেটে কিছু পড়েনি।

ইহুদিবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা থিওডর হার্জল অটোমান সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ এর কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের বসবাসের (মূলতঃ...
09/10/2023

ইহুদিবাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা থিওডর হার্জল অটোমান সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ এর কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের বসবাসের (মূলতঃ একটি ইহুদি দেশের ) জন্য একটি চুক্তিপত্র অনুমোদনের প্রস্তাব করেন।

এর বিনিময়ে সুলতানকে ২০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ২.২ মিলিয়ন ডলার) দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

তিনি উত্তরে বলেন, “হার্জল”,

আমি তা বিক্রি করতে পারব না। এমনকি এক মুষ্ঠি পরিমাণও নয়।
কারণ তা আমার নয়, আমার জনগণের। আমার জনগণ নিজেদের রক্ত দিয়ে লড়াই করে এই সাম্রাজ্য জয় করেছে। তাদের রক্ত এ মাটিতে মিশে আছে।

* আমাদের থেকে তা ছিনিয়ে নিতে হলে রক্তের বিনিময়েই নিতে হবে *

রিয়া বা লৌকিকতা অত্যন্ত ভয়ানক একটি অপরাধ I যার দরুন আমাদের কষ্টার্জিত নেকী সমূহ মূল্যহীন হয়ে যায় I তাই সর্বদা একজন মুমিন...
12/05/2023

রিয়া বা লৌকিকতা অত্যন্ত ভয়ানক একটি অপরাধ I
যার দরুন আমাদের কষ্টার্জিত নেকী সমূহ মূল্যহীন হয়ে যায় I
তাই সর্বদা একজন মুমিন রিয়া থেকে বেঁচে চলতে আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করবে এই দুআ'র মাধ্যমে I

➡️তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার পূর্বেই তার পাওনা পরিশোধ কর I✅ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্রমিকে...
01/05/2023

➡️তোমরা শ্রমিকের গায়ের ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার পূর্বেই তার পাওনা পরিশোধ কর I

✅ নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্রমিকের পাওনা দ্রুত পরিশোধে জোর তাকীদ দিয়েছেন। তিনি বলেন ;
أَعْطُوا الْأَجِيرَ أَجْرَهُ، قَبْلَ أَنْ يَجِفَّ عَرَقُهُ ✅

শ্রমিক, কর্মচারী, দিনমজুর যেই হোক না কেন তার থেকে শ্রম আদায়ের পর যথারীতি তার পাওনা পরিশোধ না করা মহা যুলম। এ যুলুম এখন হর-হামেশাই হচ্ছে। শ্রমিকদের প্রতি যুলুমের বিচিত্র রূপ রয়েছে। যেমন,

❌শ্রমিক স্বীয় কাজের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ পেশ করতে না পারায় তার পাওনাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা। এক্ষেত্রে দুনিয়াতে তার হক নষ্ট হলেও কিয়ামতে তা বৃথা যাবে না। কিয়ামতের দিন যালিমের পূণ্য থেকে মাযলূমের পাওনা পরিমাণ পূন্য প্রদান করা হবে। যদি তার পূণ্য নিঃশেষ হয়ে যায় তাহলে মাযলুমের পাপ যালিমের ঘাড়ে চাপানো হবে, তারপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

➡️যে পরিমাণ অংক মজুরী দেওয়ার জন্য চুক্তি হয়েছে তার থেকে কম দেওয়া। এ বিষয়ের সমূহ ক্ষতি প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা হুঁশিয়ারী বাণী উচ্চারণ করে বলেছেন- وَيۡلٞ لِّلۡمُطَفِّفِينَ

“যারা ওযনে কম দেয় তাদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে”। [সূরা আল-মুতাফফিফীন, আয়াত: ১]

❌বেতন বা মজুরী বৃদ্ধি না করে কেবল কাজের পরিমাণ কিংবা সময় বৃদ্ধি করা I

❌ বেতন বা মজুরী পরিশোধে গড়িমসি করা।

➡️ অনেক চেষ্টা-প্রচেষ্টা, তদবীর তাগাদা, অভিযোগ-অনুযোগ ও মামলা-মোকদ্দমার পর তবেই প্রাপ্য অর্থ আদায় সম্ভব হয়।

অনেক সময় নিয়োগকারী শ্রমিককে ত্যক্ত-বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে টাল-বাহানা করে, যেন সে পাওনা ছেড়ে দেয় এবং কোনো দাবী না তুলে চলে যায়। আবার কখনো তাদের টাকা খাটিয়ে মালিকের তহবিল স্ফীত করার কুমতলব থাকে। অনেকে তা সূদী কারবারেও খাটায়।

অথচ সেই শ্রমিক না নিজে খেতে পাচ্ছে না নিজের পুত্র-পরিজনদের জন্য কিছু পাঠাতে পারছে। যদিও তাদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দেওয়ার জন্যই সে এ দূর দেশে পড়ে আছে। এজন্যই এ সকল যালিমের জন্য এক কঠিন দিনের শাস্তি অপেক্ষা করছে।

✅ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেন;
ثَلاَثَةٌ أَنَا خَصْمُهُمْ يَوْمَ القِيَامَةِ: رَجُلٌ أَعْطَى بِي ثُمَّ غَدَرَ، وَرَجُلٌ بَاعَ حُرًّا فَأَكَلَ ثَمَنَهُ، وَرَجُلٌ اسْتَأْجَرَ أَجِيرًا فَاسْتَوْفَى مِنْهُ وَلَمْ يُعْطِ أَجْرَهُ

কিয়ামত দিবসে আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হব;
১. যে ব্যক্তি আমার নামে শপথ করে কিছু দেওয়ার কথা বলে তারপর তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে।

২. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন বা মুক্ত লোককে ধরে বিক্রয় করে তার মূল্য ভোগ করে।

৩. যে ব্যক্তি কোনো মজুরকে নিয়োগের পর তার থেকে পুরো কাজ আদায় করেও তার পাওনা পরিশোধ করে না

আল্লাহ আমাদের সঠিক জ্ঞান দান করুন I

হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া ---------------------------------------------------------...
27/04/2023

হিদায়াত প্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া
---------------------------------------------------------------------


رَبَّنَا لَا تُزِغۡ قُلُوۡبَنَا بَعۡدَ اِذۡ هَدَيۡتَنَا وَهَبۡ لَنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَةً‌ ۚاِنَّكَ اَنۡتَ الۡوَهَّابُ‏

হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন।

রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-অহাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহ্মাতান্ , ইন্নাকা আন্তাল্ অহ্হা-ব্
=========================================

رَبَّنَاۤ اِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوۡمٍ لَّا رَيۡبَ فِيۡهِ‌ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا يُخۡلِفُ الۡمِيۡعَادَ ✅

হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি মানুষকে সমবেত করবেন এমন একদিন, যাতে কোন সন্দেহ নেই। নিশ্চয় আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

রব্বানায় ইন্নাকা জ্বা-মি‘উন্ না-সি লিইয়াওমিল্ লা-রাইবা ফীহ্; ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ুখ্লিফুল্ মী‘আ-দ্।

✅ দোয়ার প্রেক্ষাপট ✅
আল-কুরআন থেকে সঠিক পথপ্রাপ্তি ও হেদায়াতের উপর অটল-অবিচল থাকার জন্যে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা। শাহর ইবনে হাওশাব (র.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উম্মু সালাম (রা.) কে বললাম, হে উম্মুল মু'মিনীন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার নিকট অবস্থানকালে প্রায়শ কোন দু'আটি পড়তেন ?

উম্মে সালামা (রা.) বলেন, তিনি প্রায়শ এ দু'আ পড়তেন, -
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَي دِيْنِكَ
ইয়া মুক্বল্লিবাল কুলুব,ছাব্বিত ক্বলবী আ'লা দ্বী-নিক।

হে অন্তর সমূহের পরিবর্তনকারী,আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ'।

উম্মু সালামা (রা.) বলেন,আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল,আপনি প্রায়শ 'হে অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী, আমার অন্তর তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ' দু'আটি কেন পড়েন?

তিনি বললেন, হে উম্মু সালামা। এমন কোন মানুষ নেই যার অন্তর আল্লাহর দুই আঙ্গুলের মাঝখানে অবস্থিত নয়। তিনি যাকে ইচ্ছা(দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন থেকে) বাঁকা করে দেন। অত:পর রাবী মুআয ইবনে মুআয (র.) কুরআনের এ আয়াত তিলওয়াত করেন-

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَيْتَنَا ✅

রাব্বানা-লা-তুঝিগ কুলূবানা-বা‘দা ইয হাদাইতানা... 'হে আমাদের রব,আমাদের সৎপথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বিপথগামী করো না I

(জামে আত-তিরমিযী,৬ষ্ঠ খন্ড,আবওয়াবুদ দাওয়াত-দু'আ বিষয়ক অধ্যায়,হাদীস নং-৩৪৫৩)

সূরা আলে ইমরান - ৩:৮-৯

"উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?” (সূরা গাশিয়াহ ১৭)১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম...
08/01/2023

"উটের দিকে তাকিয়ে দেখেছ, কীভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ?” (সূরা গাশিয়াহ ১৭)

১) উট প্রকৃতির এক মহাবিস্ময়, এটি ৫৩ ডিগ্রি গরম এবং মাইনাস-১ ডিগ্রি শীতেও টিকে থাকে।

২) মরুভূমির উত্তপ্ত বালুর উপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা পা ফেলে রাখে।

৩) কোনো পানি পান না করে মাসের পর মাস চলে।

৪) মরুভূমির বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস খেয়ে ফেলে।

৫) দেড়শ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে শত মাইল হেঁটে পার হয়।

উটের মত এত অসাধারণ ডিজাইনের প্রাণী প্রাণীবিজ্ঞানীদের কাছে এক মহাবিস্ময়।

মানুষসহ বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহের তাপমাত্রা সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর আশেপাশে থাকে।
যদি দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৩৮.৫ ডিগ্রির (১০২ ফা) বেশি হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর ক্ষতি হতে থাকে। ৪০ ডিগ্রির (১০৪ ফা) বেশি হয়ে গেলে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক, খাদ্যতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতি হয়।
৪১ ডিগ্রি (১০৫ ফা) তাপমাত্রায় শরীরের কোষ মরে যেতে শুরু করে।

একারণেই যখন স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেড়ে যায়, তখন শরীর ঘেমে বাড়তি তাপ বের করে দিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

কিন্তু উটের জন্য এভাবে পানি অপচয় করা বিলাসিতা। কারণ মরুভূমিতে সবচেয়ে দুর্লভ সম্পদ হচ্ছে পানি। একারণে উটের শরীরে এক বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।
ভোরবেলা এর শরীরের তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকে। তারপর আবহাওয়া যখন প্রচণ্ড গরম হয়ে যায়, তখন অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বেড়ে ৪১ ডিগ্রি (১০৪ ফা) পর্যন্ত ওঠে।
এর পর থেকে এটি ঘামা শুরু করে। এর আগে পর্যন্ত এটি পানি ধরে রাখে। এভাবে প্রতিদিন উট স্বাভাবিক তাপমাত্রা থেকে প্রচণ্ড তাপমাত্রা পর্যন্ত সহ্য করে।

এর শরীরের ভেতরে ব্যবস্থা রাখা আছে, যেন তা দিনের পর দিন ভীষণ তাপ সহ্য করার পরেও অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি না হয়। উটের রক্ত বিশেষভাবে তৈরি প্রচুর পরিমাণে পানি ধরে রাখার জন্য।

উট যখন একবার পানি পান করা শুরু করে, তখন এটি প্রায় ১৩০ লিটার পানি, প্রায় তিনটি গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্কের সমান পানি, ১০ মিনিটের মধ্যে পান করে ফেলতে পারে।

এই বিপুল পরিমাণের পানি অন্য কোনো প্রাণী পান করলে রক্তে মাত্রাতিরিক্ত পানি গিয়ে অভিস্রবণ চাপের কারণে রক্তের কোষ ফুলে ফেঁপে ফেটে যেত।

কিন্তু উটের রক্তের কোষে এক বিশেষ আবরণ আছে, যা অনেক বেশি চাপ সহ্য করতে পারে। এই বিশেষ রক্তের কারণেই উটের পক্ষে একবারে এত পানি পান করা সম্ভব হয়।

উটের কুজ হচ্ছে চর্বির আধার। চর্বি উটকে শক্তি এবং পুষ্টি যোগায়। আর পানি শরীরের যাবতীয় আভ্যন্তরীণ কাজকর্ম সচল রাখে, শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।

একবার যথেষ্ট খাবার এবং পানি নেওয়ার পর একটি উট ছয় মাস পর্যন্ত কোনো খাবার বা পানি পান না করে টিকে থাকতে পারে।

উট হচ্ছে মরুভূমির জাহাজ। এটি ১৭০-২৭০ কেজি পর্যন্ত ভর নিয়েও হাসিমুখে চলাফেরা করে।

এই বিশাল, শক্তিশালী প্রাণীটির মানুষের প্রতি শান্ত, অনুগত হওয়ার কোনোই কারণ ছিল না।

বরং এরকম স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাণীর হিংস্র হওয়ার কথা, যেন কেউ তাকে ঘাঁটানোর সাহস না করে। বিবর্তনবাদীদের বানানো বহু নিয়ম ভঙ্গ করে এই প্রাণীটি কোনো কারণে নিরীহ, শান্ত, মানুষের প্রতি অনুগত হয়ে গেছে।

আল্লাহ যদি উটকে মানুষের জন্য উপযোগী করে না বানাতেন, তাহলে মরুভূমিতে মানুষের পক্ষে সভ্যতা গড়ে তোলা অসম্ভব হয়ে যেত।

উটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা হলো কাটা যুক্ত গাছপালা চিবানোর ক্ষমতা, যা অন্য কোনো প্রাণীর নেই। বড় বড় কাঁটাসহ ক্যাকটাস এটি সাবাড় করে দিতে পারে।

অন্য কোনো প্রাণী হলে ক্যাকটাসের কাঁটার আঘাতে মাড়ি, গাল, জিভ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যেত। কিন্তু উটের কিছুই হয় না।

উটের মুখের ভেতরে এক বিস্ময়কর ব্যবস্থা রয়েছে। এর মুখের ভেতরের দিকটাতে অজস্র ছোট ছোট শক্ত আঙ্গুলের মত ব্যবস্থা রয়েছে, যা কাটার আঘাত থেকে একে রক্ষা করে। এমন এক জিভ আছে যা কাঁটা ফুটো করতে পারে না।

উটের চোখে দুই স্তর পাপড়ি রয়েছে। যার কারণে মরুভূমিতে ধূলিঝড়ের মধ্যেও তা চোখ খোলা রাখতে পারে। এই বিশেষ পাপড়ির ব্যবস্থা সানগ্লাসের কাজ করে মরুভূমির প্রখর রোদের থেকে চোখকে রক্ষা করে এবং চোখের আদ্রতা ধরে রাখে।

একইসাথে এটি বিশেষভাবে বাঁকা করা যেন তা ধুলোবালি আটকে দিতে পারে।

ইব্রাহীম (আঃ) কর্তৃক (মক্কা) নগরীর অধিবাসীদের নিরাপত্তা ও রিযিক চাওয়া I
23/12/2022

ইব্রাহীম (আঃ) কর্তৃক (মক্কা) নগরীর অধিবাসীদের নিরাপত্তা ও রিযিক চাওয়া I

🌱 রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন অজু করল; সে যথেষ্ট করলো ও ভালো করলো। আর যে গো...
09/12/2022

🌱 রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন অজু করল; সে যথেষ্ট করলো ও ভালো করলো। আর যে গোসর করলো সে অধিক উত্তম।’ (ইবনে মাজাহ)

🌱 আবু দাউদ শরিফের একটি হাদিসে এসেছে, জুমার দিন যে ব্যক্তি ভালোভাবে গোসল করলো, তারপর তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলো, কোনো বাহনে না চড়ে হেঁটে মসজিদে গেল, ইমামের কাছাকাছি গিয়ে মনোযোগ দিয়ে তার কথা (খুতবা) শুনলো, অনর্থক কোনো কথা বললো না; সে প্রতিটি কদমের জন্যে, এক বছর নামাজ-রোজার সওয়াব পাবে।

🌱 হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ‘আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘জুমআর দিন প্রত্যেক সাবালকের (প্রাপ্ত বয়স্ক) জন্য গোসল করা ওয়াজিব।’ (বুখারি)

🌱 বিখ্যাত গ্রন্থ মুসলিমের এক বর্ণনায় এসেছে, ‘সুন্দরভাবে অজু করে যে ব্যক্তি জুমার নামাজে যায়; মনোযোগের সঙ্গে খুতবাহ শুনে এবং চুপ থাকে; তার এক জুমা থেকে অপর জুমার মধ্যের (৭দিন) এবং আরও অতিরিক্ত তিন দিনসহ ১০ দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবি।’ (মুসলিম)

May Allah grant us to perform Jummah Activities Properly.

একটি পাত্রে একটি ব্যাঙকে রেখে পাত্রটি পানি দ্বারা পূর্ণ করে তাপ দিতে শুরু করুন। পানির তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে ব্যাঙটি...
29/10/2022

একটি পাত্রে একটি ব্যাঙকে রেখে পাত্রটি পানি দ্বারা পূর্ণ করে তাপ দিতে শুরু করুন। পানির তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে ব্যাঙটি সেই অনুযায়ী তার শরীরের তাপমাত্রা অ্যাডজাস্ট করে ।

ব্যাঙ তার শরীরের তাপমাত্রা পানির ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার সাথে অ্যাডজাস্ট করতে থাকে। কিন্তু যখন পানি স্ফুটনাঙ্কে (Boiling point) পৌঁছায়, ব্যাঙ সেই তাপমাত্রা আর টলারেট করতে পারে না। ঠিক সেই মুহুর্তে ব্যাঙটি লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ব্যাঙটি লাফ দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু তা পারে না কারণ ক্রমবর্ধমান পানির তাপমাত্রার সাথে নিজেকে ব্যালেন্স করা বা লাফ দিয়ে বাহিরে বেরিয়ে আসার মতো শক্তি সে ইতোমধ্যে হারিয়ে ফেলেছে। এবং খুব তাড়াতাড়ি ব্যাঙটি মারা যায়।

প্রশ্ন হলোঃ- ব্যাঙটি কেন মারা গেল ? চিন্তা করুন!

আমরা অনেকেই হয়তো বলবো ফুটন্ত পানির কারনে।

কিন্তু সঠিক কারনটি হলো;
--------------------------
*সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয়া*
যখন পানির তাপ বাড়ানো হচ্ছিল, তখন ব্যাঙটির
২ ধরনের সিদ্ধান্ত নেবার সুযোগ ছিল।

(১) সর্বশক্তি দিয়ে লাফিয়ে বেরিয়ে আসা।
(২) তাপ সহ্য করার সক্ষমতা ব্যবহার করে গরম পানিতে সারভাইভ করা।

আমাদের বাস্তব জীবনেও এমনটিই দেখা যায়।
চারপাশের মানুষ, পরিবেশ বা সমাজের সাথে নিজেকে অ্যাডজাস্ট করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ি।

কখন সমাজের সাথে ব্যালেন্স করতে হবে আর কখন সমাজ থেকেও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে তা নিশ্চিত হউন। এমন সময় আছে যখন আমাদের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

যদি আমরা নিজেদের শারীরিক, আধ্যাত্মিক বা আর্থিকভাবে তাদের শোষণ করতে দেই, তবে তারা তা করতেই থাকবে।

কখন লাফ দিবেন সে সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার ! এখনও শক্তি আছে ঝাঁপ দেয়ার। Let's do it.

ফিজিওলজির একজন মুসলিম সিনিয়র অধ্যাপক বলেন; আমি পেশাগত কারনে মারাকাসে ছিলাম (মারাকাস-Maracás ব্রাজিলের ১টি জায়গার নাম)। ...
25/08/2022

ফিজিওলজির একজন মুসলিম সিনিয়র অধ্যাপক বলেন;
আমি পেশাগত কারনে মারাকাসে ছিলাম (মারাকাস-Maracás ব্রাজিলের ১টি জায়গার নাম)। সেখানে থাকাকালীন সময়ে চিকিৎসার জন্য একজন ইহুদি ডাক্তারের নিকট আমাকে যেতে হয়। সেই ইহুদি ডাক্তার যথেষ্ট বয়স্ক ছিলেন। এপোয়েন্টমেন্ট এর জন্য লিখিত নাম দেখে তিনি আমাকে বললেন, “আপনি কি মুসলিম?”

আমি বললাম জী হাঁ; আমি মুসলিম এবং পাকিস্তানী। ইহুদি ডাক্তার বলতে লাগলেন তোমাদের পাকিস্থানে যদি স্বয়ং তোমাদের নবীর একটি পন্থা (সুন্নাত) জীবিত (আমল করা) হয় তাহলে পাকিস্তানিরা কয়েকটি রোগ থেকে বাঁচতে পারবে ।

আমি কৌতুহলবশতঃ ব্যাকুল হলাম এবং জিজ্ঞেস করলাম;
ডাক্তার সাহেব সেটা কোন পন্থা ?

ইহুদি ডাক্তার বলতে লাগলেন। তাহলো প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার (পায়খানা পেশাবের) পন্থা। যদি পায়খানা পেশাব এর জন্য তোমরা ইসলামিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে, তাহলে
* এপেন্ডিসাইটিস
* স্থায়ী ধরা
* পাইলস হতো না।

যদি মুসলমান স্বয়ং নবী করীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর এই পদ্ধতিতে পায়খানা পেশাব করে তাহলে এসব পীড়া থেকে বাঁচতে পারেন।

পাকিস্তানি অধ্যাপক বলেন; আমি আমার নবীর পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলাম না, আমার আফসোস হলো যে আমি জ্ঞানার্জনের জন্য সামান্য সময় ব্যয় করি নি যে ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যকীয় মাসআলাগুলো শিখে নিব। এ সময়ে আমারে পদ্ধতি সম্পর্কে জানার প্রবল আগ্রহ জন্মাল।

মারাকাসে একজন দ্বীনী আলেম ছিলেন, আমি তার নিকট উপস্থিত হলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর পদ্ধতি জিজ্ঞেস করলাম, যখন তিনি এ পদ্ধতি বর্ণনা করলেন এবং বুঝিয়ে দিলেন ,তখন থেকেই আমি এর উপর আমল শুরু করলাম ।

প্রথম প্রথম আমার কিছু সময় লাগলো কিন্তু এর উপকারিতা খুব শীঘ্রই আমার বুঝে আসলো এবং এ সময় থেকে আজ পর্যন্ত আমি পায়খানা পেশাব এর জন্য এ পদ্ধতি অনুসরণ করি যে পদ্ধতিতে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ইসলাম শিক্ষা দিয়েছেন।

আধুনিক বিজ্ঞান নবী করীম সাল্লাল্লাহু সালামের এই পায়খানা পেশাবের পদ্ধতির উপর ধারাবাহিক রিসার্চ বা গবেষণা করছে এবং বর্তমানে মুসলিম বিজ্ঞানীরা এর উপকারিতা স্বীকার করছে ।

স্বাস্থ্য এবং সুন্দর স্থায়ী ব্যবস্থার জন্য নবী করীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর প্রয়োজনীয় পদ্ধতির চেয়ে বড় কোন পদ্ধতি নেই। নবী করীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম এর সুন্নাতের উপর আমল করলে রোগগুলো বাস্তবেই কমে যায় ।


عَنْ النَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ ( قَالَ: ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الدَّجَّالَ ذَاتَ غَدَاةٍ فَخَفَّضَ ف...
05/08/2022

عَنْ النَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ ( قَالَ: ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الدَّجَّالَ ذَاتَ غَدَاةٍ فَخَفَّضَ فِيهِ وَرَفَّعَ حَتَّى ظَنَنَّاهُ فِي طَائِفَةِ النَّخْلِ فَقَالَ: « غَيْرُ الدَّجَّالِ أَخْوَفُنِي عَلَيْكُمْ، إِنْ يَخْرُجْ وَأَنَا فِيكُمْ فَأَنَا حَجِيجُهُ دُونَكُمْ، وَإِنْ يَخْرُجْ وَلَسْتُ فِيكُمْ فَامْرُؤٌ حَجِيجُ نَفْسِهِ, وَاللَّهُ خَلِيفَتِي عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ, إِنَّهُ شَابٌّ قَطَطٌ عَيْنُهُ طَافِئَةٌ كَأَنِّي أُشَبِّهُهُ بِعَبْدِ الْعُزَّى بْنِ قَطَنٍ فَمَنْ أَدْرَكَهُ مِنْكُمْ فَلْيَقْرَأْ عَلَيْهِ فَوَاتِحَ سُورَةِ الْكَهْفِ، إِنَّهُ خَارِجٌ خَلَّةً بَيْنَ الشَّاْمِ وَالْعِرَاقِ، فَعَاثَ يَمِينًا وَعَاثَ شِمَالاً يَا عِبَادَ اللَّهِ فَاثْبُتُوا»، قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا لَبْثُهُ فِي الْأَرْضِ؟ قَالَ: «أَرْبَعُونَ يَوْمًا يَوْمٌ كَسَنَةٍ وَيَوْمٌ كَشَهْرٍ وَيَوْمٌ كَجُمُعَةٍ وَسَائِرُ أَيَّامِهِ كَأَيَّامِكُمْ». قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ فَذَلِكَ الْيَوْمُ الَّذِي كَسَنَةٍ أَتَكْفِينَا فِيهِ صَلَاةُ يَوْمٍ؟ قَالَ: «لَا، اقْدُرُوا لَهُ قَدْرَهُ»، قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا إِسْرَاعُهُ فِي الْأَرْضِ؟ قَالَ: «كَالْغَيْثِ اسْتَدْبَرَتْهُ الرِّيحُ، فَيَأْتِي عَلَى الْقَوْمِ فَيَدْعُوهُمْ فَيُؤْمِنُونَ بِهِ وَيَسْتَجِيبُونَ لَهُ، فَيَأْمُرُ السَّمَاءَ فَتُمْطِرُ وَالْأَرْضَ فَتُنْبِتُ فَتَرُوحُ عَلَيْهِمْ سَارِحَتُهُمْ أَطْوَلَ مَا كَانَتْ ذُرًا، وَأَسْبَغَهُ ضُرُوعًا، وَأَمَدَّهُ خَوَاصِرَ، ثُمَّ يَأْتِي الْقَوْمَ فَيَدْعُوهُمْ فَيَرُدُّونَ عَلَيْهِ قَوْلَهُ فَيَنْصَرِفُ عَنْهُمْ فَيُصْبِحُونَ مُمْحِلِينَ لَيْسَ بِأَيْدِيهِمْ شَيْءٌ مِنْ أَمْوَالِهِم,ْ وَيَمُرُّ بِالْخَرِبَةِ فَيَقُولُ لَهَا: أَخْرِجِي كُنُوزَكِ فَتَتْبَعُهُ كُنُوزُهَا كَيَعَاسِيبِ النَّحْلِ ثُمَّ يَدْعُو رَجُلاً مُمْتَلِئًا شَبَابًا فَيَضْرِبُهُ بِالسَّيْفِ فَيَقْطَعُهُ جَزْلَتَيْنِ رَمْيَةَ الْغَرَضِ ثُمَّ يَدْعُوهُ فَيُقْبِلُ وَيَتَهَلَّلُ وَجْهُهُ يَضْحَكُ، فَبَيْنَمَا هُوَ كَذَلِكَ إِذْ بَعَثَ اللَّهُ الْمَسِيحَ ابْنَ مَرْيَمَ فَيَنْزِلُ عِنْدَ الْمَنَارَةِ الْبَيْضَاءِ شَرْقِيَّ دِمَشْقَ بَيْنَ مَهْرُودَتَيْنِ وَاضِعًا كَفَّيْهِ عَلَى أجْنِحَةِ مَلَكَينِ، إِذَ طَأْطأَ رَأْسَهُ قَطَرَ، وَإِذَا رَفَعَهُ تَحَدَّرَ مِنْهُ جُمَانٌ كَاللُّؤْلُؤِ فَلَا يَحِلُّ لِكَافِرٍ يَجِدُ رِيحَ نَفَسِهِ إِلَّا مَاتَ وَنَفَسُهُ يَنْتَهِي حَيْثُ يَنْتَهِي طَرْفُهُ، فَيَطْلُبُهُ حَتَّى يُدْرِكَهُ بِبَابِ لُدٍّ فَيَقْتُلُهُ، ثُمَّ يَأْتِي عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ قَوْمٌ قَدْ عَصَمَهُمْ اللَّهُ مِنْهُ فَيَمْسَحُ عَنْ وُجُوهِهِمْ وَيُحَدِّثُهُمْ بِدَرَجَاتِهِمْ فِي الْجَنَّةِ، فَبَيْنَمَا هُوَ كَذَلِكَ إِذْ أَوْحَى اللَّهُ إِلَى عِيسَى إِنِّي قَدْ أَخْرَجْتُ عِبَادًا لِي لَا يَدَانِ لِأَحَدٍ بِقِتَالِهِمْ فَحَرِّزْ عِبَادِي إِلَى الطُّورِ، وَيَبْعَثُ اللَّهُ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ وَهُمْ مِنْ كُلِّ حَدَبٍ يَنْسِلُونَ فَيَمُرُّ أَوَائِلُهُمْ عَلَى بُحَيْرَةِ طَبَرِيَّةَ فَيَشْرَبُونَ مَا فِيهَا، وَيَمُرُّ آخِرُهُمْ فَيَقُولُونَ: لَقَدْ كَانَ بِهَذِهِ مَرَّةً مَاءٌ، وَيُحْصَرُ نَبِيُّ اللَّهِ عِيسَى وَأَصْحَابُهُ حَتَّى يَكُونَ رَأْسُ الثَّوْرِ لِأَحَدِهِمْ خَيْرًا مِنْ مِائَةِ دِينَارٍ لِأَحَدِكُمْ الْيَوْمَ، فَيَرْغَبُ نَبِيُّ اللَّهِ عِيسَى وَأَصْحَابُهُ فَيُرْسِلُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ النَّغَفَ فِي رِقَابِهِمْ فَيُصْبِحُونَ فَرْسَى كَمَوْتِ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ ثُمَّ يَهْبِطُ نَبِيُّ اللَّهِ عِيسَى وَأَصْحَابُهُ إِلَى الْأَرْضِ فَلَا يَجِدُونَ فِي الْأَرْضِ مَوْضِعَ شِبْرٍ إِلَّا مَلَأَهُ زَهَمُهُمْ وَنَتْنُهُمْ, فَيَرْغَبُ نَبِيُّ اللَّهِ عِيسَى وَأَصْحَابُهُ إِلَى اللَّهِ فَيُرْسِلُ اللَّهُ طَيْرًا كَأَعْنَاقِ الْبُخْتِ فَتَحْمِلُهُمْ فَتَطْرَحُهُمْ حَيْثُ شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ يُرْسِلُ اللَّهُ مَطَرًا لَا يَكُنُّ مِنْهُ بَيْتُ مَدَرٍ وَلَا وَبَرٍ فَيَغْسِلُ الْأَرْضَ حَتَّى يَتْرُكَهَا كَالزَّلَفَةِ، ثُمَّ يُقَالُ لِلْأَرْضِ: أَنْبِتِي ثَمَرَتَكِ وَرُدِّي بَرَكَتَكِ فَيَوْمَئِذٍ تَأْكُلُ الْعِصَابَةُ مِنْ الرُّمَّانَةِ، وَيَسْتَظِلُّونَ بِقِحْفِهَا وَيُبَارَكُ فِي الرِّسْلِ حَتَّى أَنَّ اللِّقْحَةَ مِنْ الْإِبِلِ لَتَكْفِي الْفِئَامَ مِنْ النَّاسِ، وَاللِّقْحَةَ مِنْ الْبَقَرِ لَتَكْفِي الْقَبِيلَةَ مِنْ النَّاسِ، وَاللِّقْحَةَ مِنْ الْغَنَمِ لَتَكْفِي الْفَخِذَ مِنْ النَّاسِ، فَبَيْنَمَا هُمْ كَذَلِكَ إِذْ بَعَثَ اللَّهُ رِيحًا طَيِّبَةً فَتَأْخُذُهُمْ تَحْتَ آبَاطِهِمْ فَتَقْبِضُ رُوحَ كُلِّ مُؤْمِنٍ وَكُلِّ مُسْلِمٍ، وَيَبْقَى شِرَارُ النَّاسِ يَتَهَارَجُونَ فِيهَا تَهَارُجَ الْحُمُرِ فَعَلَيْهِمْ تَقُومُ السَّاعَةُ » . ( م ) صحيح

নাওয়াস ইব্‌ন সাম‘আন থেকে বর্ণিতঃ:

কোন এক সকালে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জালের উল্লেখ করলেন, তাতে তিনি আওয়াজ নিচু ও উঁচু করছিলেন, এমনকি আমরা তাকে (দাজ্জালকে) প্রতিবেশীর খেজুর বাগানে ধারণা করেছিলাম। অতঃপর তিনি বললেনঃ “আমি তোমাদের ওপর দাজ্জাল ব্যতীত অন্য কিছুর আশঙ্কা করছি, যদি সে বের হয় আর আমি তোমাদের মাঝে থাকি, তাহলে আমিই তাকে মোকাবিলা করব তোমাদের পরিবর্তে। যদি সে বের হয় আর আমি তোমাদের মাঝে না থাকি, তাহলে প্রত্যেকে তার নিজের জিম্মাদার, আর আমার অবর্তমানে আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমের জিম্মাদার। দাজ্জাল কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট যুবক, তার চোখ ওপরে উঠানো, আমি তার উদাহরণ পেশ করছি আব্দুল উজ্জা ইব্‌ন কুতনকে। তোমাদের থেকে যে তাকে পাবে সে যেন তার ওপর সূরা কাহাফের প্রথম আয়াতগুলো পড়ে, নিশ্চয় সে বের হবে শাম ও ইরাকের মধ্যবর্তী স্থান থেকে, সে ডানে ও বামে ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে, হে আল্লাহর বান্দাগণ তোমরা দৃঢ় থাক”। আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, যমীনে তার অবস্থান কি পরিমাণ হবে? তিনি বললেনঃ “চল্লিশ দিন, একদিন এক বছর সমান, অতঃপর একদিন এক মাসের সমান, অতঃপর একদিন এক জুমার সমান, অতঃপর তার অন্যান্য দিনগুলো তোমাদের দিনের ন্যায়”। আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল, যে দিনটি এক বছরের ন্যায় সেখানে কি একদিনের সালাত যথেষ্ট? তিনি বললেনঃ “না, তোমরা তার পরিমাণ করবে”। আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল যমীনে তার গতি কিরূপ হবে? তিনি বললেনঃ “মেঘের মত, যাকে বাতাস হাঁকিয়ে নিয়ে যায়, সে এক কওমের নিকট আসবে তাদেরকে আহ্বান করবে, ফলে তারা তার ওপর ঈমান আনবে ও তার ডাকে সাড়া দিবে, অতঃপর সে আসমানকে নির্দেশ করবে আসমান বৃষ্টিপাত করবে, যমীনকে নির্দেশ করবে যমীন শস্য জন্মাবে, এবং তাদের জন্তুগুলো সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরবে উঁচু চুটি, দুধে পরিপূর্ণ ও দীর্ঘ দেহ নিয়ে। অতঃপর এক কওমের নিকট আসবে তাদেরকে দাওয়াত দিবে, কিন্তু তারা তার দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করবে, সে তাদের থেকে চলে যাবে ফলে তারা দুর্ভিক্ষে পতিত হবে তাদের হাতে তাদের সম্পদের কিছুই থাকবে না। সে ধ্বংস স্তূপের পাশ দিয়ে যাবে অতঃপর তাকে বলবেঃ তোমার সম্পদ তুমি বের কর, ফলে তার সম্পদ তার অনুগামী হবে মক্ষী রাণীর ন্যায়, অতঃপর সে পূর্ণ এক যুবককে ডাকবে ও তলোয়ারের আঘাতে দু’টুকরো করে ঢিলার দূরত্ব পরিমাণ দুই ধারে নিক্ষেপ করবে, অতঃপর তাকে ডাকবে সে এগিয়ে আসবে ও হাসিতে তার চেহারা উজ্জ্বল থাকবে। দাজ্জাল এরূপ করতে থাকবে, এমতাবস্থায় আল্লাহ মাসিহ ইব্‌ন মারইয়ামকে প্রেরণ করবেন, তিনি দামেস্কের পূর্ব দিকে সাদা মিনারের কাছে অবতরণ করবেন দু’টি কাপড় পরিহিত অবস্থায় ফেরেশতাদের ডানার ওপর তার দু’হাত রেখে। যখন তিনি মাথা নিচু করবেন (বৃষ্টির ন্যায়) পানি টপকাবে, যখন তিনি মাথা উঁচু করবেন মুক্তোর ন্যায় শ্বেত পাথর পড়বে, (অর্থাৎ পরিষ্কার পানি)। কোন কাফের এর পক্ষে সম্ভব হবে না তার শ্বাসের গন্ধ পাবে আর বেচে থাকবে, তার শ্বাস সেখানে যাবে যেখানে তার দৃষ্টি পৌঁছবে। তিনি তাকে সন্ধান করবেন অবশেষে ‘লুদ্দ’ নামক দরজার নিকট তাকে পাবেন, অতঃপর তাকে হত্যা করবেন। অতঃপর ঈসা আলাইহিস সালাম এক কওমের নিকট আসবেন, যাদেরকে আল্লাহ দাজ্জাল থেকে নিরাপদ রেখেছেন, তিনি তাদের চেহারায় হাত ভুলিয়ে দিবেন এবং জান্নাতে তাদের মর্তবা সম্পর্কে তাদেরকে বলবেন। এমতাবস্থায় আল্লাহ তার নিকট ওহি করবেন, আমি আমার এমন বান্দাদের বের করেছি যাদের সাথে যুদ্ধ করার সাধ্য কারো নেই, অতএব তুমি আমার বান্দাদের নিয়ে তুরে আশ্রয় গ্রহণ কর, আল্লাহ ইয়াজুজ ও মাজুজকে প্রেরণ করবেন, তারা প্রত্যেক উঁচু স্থান থেকে ছুটে আসবে। তাদের প্রথমাংশ পানিতে পূর্ণ নদীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে, তারা তার পানি পান করে ফেলবে। তাদের শেষাংশ অতিক্রম করবে ও বলবেঃ এখানে কখনো পানি ছিল। আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ তুরে আটকা পড়বেন, অবশেষে গরুর একটি মাথা তাদের নিকট বর্তমানে তোমাদের একশো দিনার থেকে উত্তম হবে। অতঃপর আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ আল্লাহর নিকট মনোনিবেশ করবেন, ফলে আল্লাহ তাদের (ইয়াজুজ-মাজুজের) গ্রীবায় গুটির রোগ সৃষ্টি করবেন, ফলে তারা সবাই এক ব্যক্তির মৃতের ন্যায় মৃত পড়ে থাকবে। অতঃপর আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ যমীনে অবতরণ করবেন, তারা যমীনে এক বিঘত জায়গা পাবে না যেখানে তাদের মৃত দেহ ও লাশ নাই। অতঃপর আল্লাহর নবী ঈসা ও তার সাথীগণ আল্লাহর নিকট দো‘আ করবেন, ফলে তিনি উটের গর্দানের ন্যায় পাখি প্রেরণ করবেন, তারা এদেরকে বহন করে আল্লাহর যেখানে ইচ্ছা নিক্ষেপ করবে। অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, কাঁচা-পাকা কোন ঘর অবশিষ্ট থাকবে না যেখানে সে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করবে না, যমীন ধৌত করে অবশেষে আয়নার মত করে দিবে। অতঃপর যমীনকে বলা হবেঃ তোমার ফল তুমি জন্মাও, তোমার বরকত তুমি ফেরৎ দাও, ফলে সেদিন এক দল লোক একটি আনার ভক্ষণ করবে এবং তার ছিলকা দ্বারা ছায়া গ্রহণ করবে, দুধে বরকত দেয়া হবে ফলে এক উটের দুধ কয়েক গ্রুপ মানুষের জন্য যথেষ্ট হবে। এক গরুর দুগ্ধ এক গ্রামের জন্য যথেষ্ট হবে। এক বকরির দুগ্ধ এক পরিবারের জন্য যথেষ্ট হবে। তারা এভাবেই জীবন যাপন করবে, এমতাবস্থায় আল্লাহ পবিত্র বাতাস প্রবাহিত করবেন, যা তাদের বগলের নিচ স্পর্শ করবে, ফলে সে প্রত্যেক মুমিন ও মুসলিমের রূহ কব্জা করবে, তখন কেবল সবচেয়ে খারাপ লোকগুলো অবশিষ্ট থাকবে, তারা গাধার ন্যায় (সবার সামনে) যৌনাচারে লিপ্ত হবে, অতঃপর তাদের ওপরই কিয়ামত কায়েম হবে”। [মুসলিম]


সহিহ হাদিসে কুদসি, হাদিস নং ১৬২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beside Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Beside Ummah:

Share