শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ গৌরনিতাই র্মন্দির, দর্জিপাড়া

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ গৌরনিতাই র্মন্দির, দর্জিপাড়া

শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ গৌরনিতাই র্মন্দির, দর্জিপাড়া নমষ্কার...
জয় মা দূর্গা।

দান তো অর্জুনও করতেন,তবু কর্ণকে বলা হতো—“দানবীর কর্ণ” কেন??কারণ দান মানে শুধু কিছু দেওয়া নয়,নিজের প্রিয় জিনিসটিও নিঃস...
02/09/2026

দান তো অর্জুনও করতেন,তবু কর্ণকে বলা হতো—“দানবীর কর্ণ” কেন??
কারণ দান মানে শুধু কিছু দেওয়া নয়,নিজের প্রিয় জিনিসটিও নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে পারা।।
মহাভারতের কাহিনিতে কর্ণ নিজের কবচ-কুণ্ডল পর্যন্ত দান করেছিলেন—যা তাঁর জন্মগত রক্ষাকবচ ছিল।।

শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন—“দাতব্যমিতি যদ্দানং… তৎ সাত্ত্বিকং স্মৃতম্।।”
অর্থাৎ কর্তব্য মনে করে, প্রত্যুপকারের আশা না রেখে যে দান করা হয়, সেটিই শ্রেষ্ঠ দান।।
—ভগবদ্গীতা ১৭.২০

তাই কর্ণ শুধু দান করতেন না-দান দিয়ে নিজের হৃদয়ের মহত্ত্ব প্রমাণ করেছিলেন।।

দান হাতে নয়,দানের মানসিকতায় মানুষ মহান হয়।।
জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏

👉ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম বা শ্রী কৃষ্ণের ১০৮ নাম, জন্মাষ্টমী দিনে অবশ্যই পাঠ করুন–জয় জয় গোবিন্দ গোপাল গদাধর |ক...
02/09/2026

👉ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অষ্টোত্তর শতনাম বা শ্রী কৃষ্ণের ১০৮ নাম, জন্মাষ্টমী দিনে অবশ্যই পাঠ করুন–

জয় জয় গোবিন্দ গোপাল গদাধর |
কৃষ্ণচন্দ্র কর কৃপা করুণাসাগর ||
জয় রাধে গোবিন্দ গোপাল বনমালী |
শ্রীরাধার প্রাণধন মুকুন্দ মুরারি ||
হরিনাম বিনে রে গোবিন্দ নাম বিনে |
বিফলে মনুষ্য জন্ম যায় দিনে দিনে ||
দিন গেল মিছে কাজে রাত্রি গেল নিদ্রে |
না ভজিনু রাধাকৃষ্ণ চরণাবিন্দে ||
কৃষ্ণ ভজিবার তরে সংসারে আইনু |
মিছে মায়ায় বদ্ধ হয়ে বৃক্ষসম হইনু ||
ফলরূপে পুত্র-কন্যা ডাল ভাঙ্গি পড়ে |
কালরূপে সংসারেতে পক্ষ বাসা করে ||
যখন কৃষ্ণ জন্ম নিল দৈবকী উদরে |
মথুরাতে দেবগণ পুষ্পবৃষ্টি করে ||
বসুদেব রাখি এল নন্দের মন্দিরে |
নন্দের আলয়ে কৃষ্ণ দিনে দিনে বাড়ে ||
শ্রীনন্দ রাখিল নাম নন্দের নন্দন | ১
যশোদা রাখিল নাম যাদু বাছাধন || ২
উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল | ৩
ব্রজবালক নাম রাখে ঠাকুর রাখাল || ৪
সুবল রাখিল নাম ঠাকুর কানাই | ৫
শ্রীদাম রাখিল নাম রাখাল রাজা ভাই || ৬
ননীচোরা নাম রাখে যতেক গোপিনী | ৭
কালসোনা নাম রাখে রাধা-বিনোদিনী || ৮
কুব্জা রাখিল নাম পতিত-পাবন হরি | ৯
চন্দ্রাবলী নাম রাখে মোহন-বংশীধারী || ১০
অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া | ১১
কৃষ্ণ নাম রাখে গর্গ ধ্যানেতে জানিয়া || ১২
কণ্বমুনি নাম রাখে দেব-চক্রপাণি | ১৩
বনমালী নাম রাখে বনের হরিণী || ১৪
গজদন্তী নাম রাখে শ্রীমধুসূদন | ১৫
অজামিল নাম রাখে দেব নারায়ণ || ১৬
পুরন্দর নাম রাখে দেব শ্রীগোবিন্দ | ১৭
দ্রৌপদী রাখিল নাম দেব দীনবন্ধু || ১৮
সুদাম রাখিল নাম দারিদ্র-ভঞ্জন | ১৯
ব্রজবাসী নাম রাখে ব্রজের জীবন || ২০
দর্পহারী নাম রাখে অর্জ্জুন সুধীর | ২১
পশুপতি নাম রাখে গরুড় মহাবীর || ২২
যুধিষ্ঠির নাম রাখে দেব যদুবর | ২৩
বিদুর রাখিল নাম কাঙাল ঈশ্বর || ২৪
বাসুকি রাখিল নাম দেব-সৃষ্টি-স্থিতি | ২৫
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ধ্রুবের সারথি || ২৬
নারদ রাখিল নাম ভক্ত প্রাণধন | ২৭
ভীষ্মদেব নাম রাখে লক্ষ্মী-নারায়ণ || ২৮
সত্যভামা নাম রাখে সত্যের সারথি | ২৯
জাম্বুবতী নাম রাখে দেব যোদ্ধাপতি || ৩০
বিশ্বামিত্র নাম রাখে সংসারের সার | ৩১
অহল্যা রাখিল নাম পাষাণ-উদ্ধার || ৩২
ভৃগুমুনি নাম রাখে জগতের হরি | ৩৩
পঞ্চমুখে রামনাম গান ত্রিপুরারি || ৩৪
কুঞ্জকেশী নাম রাখে বলী সদাচারী | ৩৫
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নৃসিংহ-মুরারি || ৩৬
বশিষ্ঠ রাখিল নাম মুনি-মনোহর | ৩৭
বিশ্বাবসু নাম রাখে নব-জলধর || ৩৮
সম্বর্ত্তক রাখে নাম গোবর্দ্ধনধারী | ৩৯
প্রাণপতি নাম রাখে যত ব্রজনারী || ৪০
অদিতি রাখিল নাম অরাতি-সূদন | ৪১
গদাধর নাম রাখে যমল-অর্জ্জুন || ৪২
মহাযোদ্ধা নাম রাখে ভীম মহাবল | ৪৩
দয়ানিধি নাম রাখে দরিদ্র সকল || ৪৪
বৃন্দাবনচন্দ্র নাম রাখে বৃন্দাদূতী | ৪৫
বিরজা রাখিল নাম যমুনার পতি || ৪৬
বাণীপতি নাম রাখে গুরু বৃহস্পতি | ৪৭
লক্ষ্মীপতি নাম রাখে সুমন্ত্র-সারথি || ৪৮
সন্দীপনী নাম রাখে দেব অন্তর্যামী | ৪৯
পরাশর নাম রাখে ত্রিলোকের স্বামী || ৫০
পদ্মযোনি নাম রাখে অনাদির আদি | ৫১
নট-নারায়ণ নাম রাখিল সম্পাতি || ৫২
হরেকৃষ্ণ নাম রাখে প্রিয় বলরাম | ৫৩
ললিতা রাখিল নাম দূর্ব্বাদল শ্যাম || ৫৪
বিশাখা রাখিল নাম অনঙ্গমোহন | ৫৫
সুচিত্রা রাখিল নাম শ্রীবংশীবদন || ৫৬
আয়ান রাখিল নাম ক্রোধ-নিবারণ | ৫৭
চন্ডকেশী নাম রাখে কৃতান্ত-শাসন || ৫৮
জ্যোতিষ্ক রাখিল নাম নীলকান্তমণি | ৫৯
গোপীকান্ত নাম রাখে সুদাম-ঘরণী || ৬০
ভক্ত গণ নাম রাখে দেব জগন্নাথ | ৬১
দুর্ব্বাসা রাখেন নাম অনাথের নাথ || ৬২
রাসেশ্বর নাম রাখে যতেক মালিনী | ৬৩
সর্ব্বযজ্ঞেশ্বর নাম রাখেন শিবানী || ৬৪
উদ্ধব রাখিল নাম মিত্র-হিতকারী | ৬৫
অক্রূর রাখিল নাম ভব-ভয়হারী || ৬৬
গুঞ্জমালী নাম রাখে নীল-পীতবাস | ৬৭
সর্ব্ববেত্তা নাম রাখে দ্বৈপায়ন ব্যাস || ৬৮
অষ্টসখী নাম রাখে ব্রজের ঈশ্বর | ৬৯
সুরলোকে নাম রাখে অখিলের সার || ৭০
বৃষভানু নাম রাখে পরম-ঈশ্বর | ৭১
স্বর্গবাসী নাম রাখে সর্ব্ব পারাত্পর || ৭২
পুলোমা রাখেন নাম অনাথের সখা | ৭৩
রসসিন্ধু নাম রাখে সখী চিত্রলেখা || ৭৪
চিত্ররথ নাম রাখে অরাতি-দমন | ৭৫
পুলস্ত্য রাখিল নাম নয়ন-রঞ্জন || ৭৬
কশ্যপ রাখেন নাম রাস-রাসেশ্বর | ৭৭
ভান্ডারীক নাম রাখে পূর্ণ শশধর || ৭৮
সুমালী রাখিল নাম পুরুষ-প্রধান | ৭৯
পুরঞ্জন নাম রাখে ভক্তগণ-প্রাণ || ৮০
রজকিনী নাম রাখে নন্দের দুলাল | ৮১
আহ্লাদিনী নাম রাখে ব্রজের গোপাল || ৮২
দেবকী রাখিল নাম নয়নের মণি | ৮৩
জ্যোতির্ময় নাম রাখে যাজ্ঞবল্ক্য মুনি || ৮৪
অত্রিমুনি নাম রাখে কোটি চন্দ্রেশ্বর | ৮৫
গৌতম রাখিল নাম দেব বিশ্বম্ভর || ৮৬
মরীচি রাখিল নাম অচিন্ত্য-অচ্যুত | ৮৭
জ্ঞানাতীত নাম রাখে সৌনকাদি-সুত || ৮৮
রুদ্রগণ নাম রাখে দেব মহাকাল | ৮৯
বসুগণ নাম রাখে ঠাকুর দয়াল || ৯০
সিদ্ধগণ নাম রাখে পুতনা-নাশন | ৯১
সিদ্ধার্থ রাখিল নাম কপিল তপোধন || ৯২
ভাগুরি রাখিল নাম অগতির গতি | ৯৩
মত্স্যগন্ধা নাম রাখে ত্রিলোকের পতি || ৯৪
শুক্রাচার্য্য রাখে নাম অখিল-বান্ধব | ৯৫
বিষ্ণুলোকে নাম রাখে শ্রীমাধব || ৯৬
যদুগণ নাম রাখে যদুকুলপতি | ৯৭
অশ্বিনীকুমার নাম রাখে সৃষ্টি-স্থিতি || ৯৮
অর্য্যমা রাখিল নাম কাল-নিবারণ | ৯৯
সত্যবতী নাম রাখে অজ্ঞান-নাশন || ১০০
পদ্মাক্ষ রাখিল নাম ভ্রমর-ভ্রমরী | ১০১
ত্রিভঙ্গ রাখিল নাম যত সহচরী || ১০২
বঙ্কচন্দ্র নাম রাখে শ্রীরূপমঞ্জরী | ১০৩
মাধুরী রাখিল নাম গোপী-মনোহারী || ১০৪
মঞ্জুমালী নাম রাখে অভীষ্ট পূরণ | ১০৫
কুটিলা রাখিল নাম মদনমোহন || ১০৬
মঞ্জরী রাখিল নাম কর্ম্মবন্ধ-নাশ | ১০৭
ব্রজবধূ নাম রাখে পূর্ণ অভিলাষ || ১০৮

দৈত্যারি দ্বারকানাথ দারিদ্য-ভঞ্জন |
দয়াময় দ্রৌপদীর লজ্জা-নিবারণ ||
স্বরূপে সবার হয় গোলোকেতে স্থিতি |
বৈকুন্ঠে বৈকুন্ঠনাথ কমলার পতি ||
রসময় রসিক নাগর অনুপম |
নিকুঞ্জবিহারী হরি নবঘনশ্যাম ||
শালগ্রাম দামোদর শ্রীপতি শ্রীধর |
তারকব্রহ্ম সনাতন পরম-ঈশ্বর ||
কল্পতরু কমললোচন হৃষীকেশ |
পতিত-পাবন গুরু জ্ঞান উপদেশ ||
চিন্তামণি চতুর্ভূজদেব চক্রপাণি |
দীনবন্ধু দেবকীনন্দন যদুমণি ||
অনন্ত কৃষ্ণের নাম অনন্ত মহিমা |
নারদাদি ব্যাসদেব দিতে নারে সীমা ||
নাম ভজ নাম চিন্ত নাম কর সার |
অনন্ত কৃষ্ণের মহিমা অপার ||
শতভার সুবর্ণ গো কোটি কন্যাদান |
তথাপি না হয় কৃষ্ণ নামের সমান ||
যেই নাম সেই কৃষ্ণ ভজ নিষ্ঠা করি |
নামের সহিত আছে আপনি শ্রীহরি ||
শুন শুন ওরে ভাই নাম সংকীর্ত্তন |
যে নাম শ্রবণে হয় পাপ বিমোচন ||
কৃষ্ণনাম হরিনাম বড়ই মধুর |
যেই জন কৃষ্ণ ভজে সে বড় চতুর ||
ব্রহ্মা-আদি দেব যারে ধ্যানে নাহি পায় |
সে ধনে বঞ্চিত হলে কি হবে উপায় ||
হিরণ্যকশিপুর উদর-বিদারণ |
প্রহ্লাদে করিলা রক্ষা দেব নারায়ণ ||
বলীরে ছলিতে প্রভু হইলা বামন |
দ্রৌপদীর লজ্জা হরি কৈলা নিবারণ ||
অষ্টোত্তর শতনাম যে করে পঠন |
অনায়াসে পায় রাধা-কৃষ্ণের চরণ ||
ভক্তবাঞ্ছা পূর্ণ কর নন্দের নন্দন |
মথুরায় কংস-ধ্বংস লঙ্কায় রাবণ ||
বকাসুর বধ আদি কালিয় দমন |
নরোত্তম কহে এই নাম সংকীর্ত্তন ||

তৃতীয় ভাবে শনি: একজন নীরব যোদ্ধা​তৃতীয় ভাবে শনি অবস্থান করলে জাতক/জাতিকা হয়ে ওঠেন একজন প্রকৃত যোদ্ধা। তবে এই যুদ্ধ কো...
02/09/2026

তৃতীয় ভাবে শনি: একজন নীরব যোদ্ধা
​তৃতীয় ভাবে শনি অবস্থান করলে জাতক/জাতিকা হয়ে ওঠেন একজন প্রকৃত যোদ্ধা। তবে এই যুদ্ধ কোনো রক্তক্ষয়ী বা ময়দানের যুদ্ধ নয়; এ হলো জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এক নিঃশব্দ আত্মসংগ্রাম।

​একাকী লড়াইয়ের শক্তি: জীবনের সবচেয়ে কঠিন বা অন্ধকার সময়ে এরা ভেঙে পড়েন না। উল্টে নিজের ঘাড়ে নিজেই হাত রেখে বলেন—লড়াই এবার শুরু কর। এরা খুব ভালো করেই জানেন, পাশে কাউকে পাওয়া যাবে না; আর মজার বিষয় হলো, এরা কারো কাছে কোনো প্রত্যাশাও রাখেন না। নিজের ক্ষমতার ওপর এদের অটুট বিশ্বাস থাকে যে একাই সব সামলে নেওয়া সম্ভব।

​সীমাহীন ধৈর্য ও সহনশীলতা: এদের ধৈর্য সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে। জীবনে কোনো কিছুই এরা সহজে বা শুরুতেই পান না; সাফল্য আসে অত্যন্ত ধীরে ধীরে, সময়ের হাত ধরে।

​বাস্তবতার শিক্ষা: পরিস্থিতিই এদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। জীবনের কঠিন ধাক্কাগুলো এদের দুর্বল করার বদলে ভেতর থেকে পরিণত করে তোলে। সেই অভিজ্ঞতাই এদের উপহার দেয় পাহাড়প্রমাণ ধৈর্য আর শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার অদম্য ক্ষমতা।

জয় বড় ঠাকুর এর জয় 🙏

02/09/2026

ঈশ্বর হলো অক্সিজেনের মতো যাকে আমরা দেখতে পাই না কিন্তু প্রতিটা ক্ষেত্রে আমাদের ওনাকে প্রয়োজন হয়।

গ্রহ ও কর্মফল: পরম সত্য​প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম এবং সনাতন দর্শনের মূল ভিত্তি হলো কর্মবাদ। মানুষ জাগতিক অহংকার বা ক্ষোভে যতই ল...
01/09/2026

গ্রহ ও কর্মফল: পরম সত্য
​প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম এবং সনাতন দর্শনের মূল ভিত্তি হলো কর্মবাদ। মানুষ জাগতিক অহংকার বা ক্ষোভে যতই লাফালাফি করুক না কেন, গ্রহ বা মহাজাগতিক শক্তির তাতে বিন্দুমাত্র যায় আসে না। এর কারণগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট:
​গ্রহ বিচারক, শত্রু বা মিত্র নয়: জ্যোতিষ শাস্ত্রে গ্রহদের অবস্থান কোনো ব্যক্তিকে পক্ষপাতিত্ব করে না। গ্রহ হলো কর্মফলের নির্দেশক বা মাধ্যম মাত্র। পূর্বজন্মে ও ইহজন্মে করা কর্মের হিসাব অনুযায়ী ফল প্রদান করাই তাদের কাজ।

​ঈশ্বরীয় লীলাতেও কর্মের নিয়ম অটুট: স্বয়ং ভগবানও যখন নররূপে অবতীর্ণ হয়েছেন, তিনিও কর্মের নিয়ম লঙ্ঘন করেননি। ত্রেতাযুগে রাম অবতারে বালীকে লুকিয়ে বধ করার কর্মফল, দ্বাপরযুগে শ্রীকৃষ্ণ অবতারে ব্যাধের তীরে দেহত্যাগের মাধ্যমে গ্রহণ করেছিলেন। ঈশ্বর নিজেই তাঁর লীলায় দেখিয়েছেন যে কর্মের বিধান সবার ঊর্ধ্বে।

​অহংকারের স্থান নেই: ব্যক্তি যত বড় পদের বা ক্ষমতার অধিকারীই হোক না কেন, সময়ের চাকা ঘুরলে কর্মফল তাকে পেতেই হয়।
​দোষ নয়, সমাধান ও সঠিক কর্মের পথ
​গ্রহ দোষ বা সমস্যার কথা বলে মানুষকে পথ দেখানোর উদ্দেশ্য একটাই—সঠিক সৎকর্ম ও প্রতিকারের মাধ্যমে পরিস্থিতির ভারসাম্য রক্ষা করা।

​যা নেই তা ত্যাগ করুন: অতীতের ভুল বা যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা নিয়ে হা-হুতাশ না করে সেখান থেকে মনকে সরিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

​যা আছে তাতে মনোযোগ দিন: বর্তমানের শক্তি, সুযোগ এবং সৎ চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে সঠিক কর্মে নিয়োজিত হোন।

​সততা ও সেবা: একমাত্র নিঃস্বার্থ কর্ম, সত্যের পথে চলা এবং সঠিক সমাধানই মানুষের ভার লাঘব করে এবং মুক্তির দিকে এগিয়ে দেয়।

01/09/2026

যত তাড়াতাড়ি নিজেকে শুধরে নিবেন ততই মঙ্গল ।

জয় বড় ঠাকুর এর জয় 🙏

নমস্কার 🙏আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত হবে। আপনারা অনেকেই উপবাস এবং পারনের সময়টুকু জ...
31/08/2026

নমস্কার 🙏
আগামী ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত হবে। আপনারা অনেকেই উপবাস এবং পারনের সময়টুকু জানতে চেয়েছেন। আপনাদের সুবিধার জন্য এই পোস্টটি করা। আশা করি আপনাদের সবার উপকারে আসবে।

উপবাস ও পারণের নিয়মাবলি-
উপবাসের দিন (৪ সেপ্টেম্বর):
আগের দিন বৃহস্পতিবার সারাদিন নিরামিষ খেয়ে সংযম পালন করবেন।
সকালে স্নান সেরে শ্রীকৃষ্ণের চরণে উপবাসের সংকল্প নিন।
সারাদিন সাত্ত্বিক নিয়ম মেনে চলুন। অন্ন, শস্য, মসুর ডাল, পেঁয়াজ ও রসুন সম্পূর্ণ বর্জনীয়।

উপবাস ও পূজার মূল সঙ্কল্প মন্ত্র
উপবাস শুরুর দিন সকালে স্নান সেরে হাত জোর করে শ্রীকৃষ্ণের চরণে উপবাসের সংকল্প করার সময় এই মন্ত্রটি পাঠ করতে হয়:
"মম সর্বপাপপ্রশমন পূর্বক সর্বাভীষ্ট সিদ্ধয়ে।
শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী ব্রতমহং করিষ্যে।।"
অর্থ: "আমার সকল পাপ বিনাশ এবং সকল সৎকামনা ও অভীষ্ট সিদ্ধির উদ্দেশ্যে আমি শ্রীকৃষ্ণ জন্মাষ্টমী ব্রত ও উপবাস পালনের সংকল্প করছি।"
পারণের দিন (৫ সেপ্টেম্বর): সকাল ৯:০২ মিনিটের মধ্যে পারন সম্পন্ন করবেন।

সকালে স্নান ও শ্রীকৃষ্ণের নিত্যপূজা শেষ করার পর প্রসাদ গ্রহণ করে উপবাস ভঙ্গ করতে হয়।
তুলসীপত্রযুক্ত গোবিন্দ প্রসাদ বা চরণামৃত গ্রহণ করে পারণ করা সবচেয়ে উত্তম।
পারণ বা ব্রত ভঙ্গের মন্ত্র
পরের দিন উপবাস ভেঙে প্রসাদ গ্রহণের পূর্বে এই মন্ত্রটি পাঠ করা শুভ:
"সর্বায় সর্বেশ্বরায় সর্বপতয়ে সর্বসংভবায়
গোবিন্দায় নমো নমঃ।।"

আপনি যদি এই পোস্টটি শেয়ার করে দেন তাহলে অনেক মানুষ এই তথ্যগুলো জানতে পারবে এবং তাদের উপকার হবে।

হরে কৃষ্ণ 🙏

29/08/2026

জয় ভগবান নৃসিংহ দেব এর জয় 🙏

শনি ও কেতু যুতি​শনি আমাদের স্পষ্ট শেখায়—কর্ম করো, নইলে জীবনে কিছুই পাবে না। ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে কর্মের উপর বিশ্বাস...
29/08/2026

শনি ও কেতু যুতি

​শনি আমাদের স্পষ্ট শেখায়—কর্ম করো, নইলে জীবনে কিছুই পাবে না। ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে কর্মের উপর বিশ্বাস রেখে নিজের পথ নির্ধারণ করো; কর্মই জীবনের সঠিক পথের সন্ধান ও বিশ্লেষণ দেবে।

​অপরদিকে কেতুর ভাবধারা সম্পূর্ণ বিপরীত। কেতু বলে—এই মায়ামোহে নিজেকে জড়িয়ে কী লাভ? সৃষ্টির রক্ষক স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা, তাই তাঁর স্মরণে লীন হও; কোনো বস্তু বা মানুষের সাথে নিজেকে অতিরিক্ত আসক্ত কোরো না।

​দুজন দুই বিপরীত পথের পথিক হলেও সততা ও ঈশ্বরের প্রশ্নে তারা এক বিন্দুতে মিলিত হয়। তার মানে এই নয় যে মানুষ সংসার ত্যাগ করে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। কর্মের অধিপতি শনির সাথে কেতুর তখনই সঠিক সামঞ্জস্য তৈরি হবে, যখন আপনি আপনার কাজের গভীরে প্রবেশ করবেন। অর্থাৎ, যেকোনো কাজ করার সময় পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে তার অন্তরে প্রবেশ করে তা সম্পন্ন করুন। এতে কাজের প্রতি কোনো অনীহা বা ক্লান্তি আসবে না, বরং কাজের প্রতি আন্তরিক আগ্রহ ও আনন্দ জন্মাবে।

প্রকৃতির সাথে নোংরামি? সব ফিরিয়ে দেবে, সব। কর্মফলদাতা শনি সে, কাউকে ছাড়ে না। প্রকৃতির সাথে নোংরামি করবেন, সে এমন শিক্ষা...
27/08/2026

প্রকৃতির সাথে নোংরামি? সব ফিরিয়ে দেবে, সব। কর্মফলদাতা শনি সে, কাউকে ছাড়ে না। প্রকৃতির সাথে নোংরামি করবেন, সে এমন শিক্ষা দেবে যা কলির মানুষ সহ্য করতে পারবে না। সাবধান হয়ে যান, এখনও সময় আছে! জল নষ্ট করা বন্ধ করুন, উন্নতির নামে নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করুন। প্রকৃতি কোনো সাধারণ বিষয় নয়—প্রলয় ডেকে আনবে, এমন প্রলয় যা আটকানোর ক্ষমতা কারোর নেই।

​এই প্রকৃতি আমাদের মা, একে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের। আর তা না পারলে সে আসবে—২৯ থেকে ৩০ বছরের হিসেব একবারে তুলে নিয়ে চলে যাবে কর্মফলদাতা শনি।

জয় বড় ঠাকুর এর জয় 🙏

Address

Dorjipara, Panditsar, Naria, Shariatpur
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ গৌরনিতাই র্মন্দির, দর্জিপাড়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share