25/05/2020
রাসুলুল্লাহ ( সাঃ) বলেছেন,বান্দা যখন সূরা ফাতিহা পাঠ করে,
তখন প্রতিটি আয়াতের জবাব মহান আল্লাহ তায়ালা নিজে দেন।"❤
[মুসলিম: ৯০৪]
সোমালিয়া থেকে প্রশ্ন আসে, "আমাদের যদি সেহেরি এবং ইফতার খাওয়ার কিছু না থাকে তাহলে কি রোজা হবে ?"
• ফিলিস্তিন থেকে প্রশ্ন আসে, "মিসাইল বিষ্ফোরণের কারণে আমার মুখের ভিতর ঢুকে যাওয়া ময়লা এবং পাথরের কারণে আমার রোজা কি ভেঙ্গে যাবে ?"
• সিরিয়া থেকে প্রশ্ন আসে, "বিমান হামলার কারণে আমার শরীর থেকে অনেক রক্ত ঝরে গেছে, আমার রোজা কি ভেঙ্গে যাবে ?"
• কোন এক কাশ্মীরী বোন থেকে এ-ও শোনা গেছে, "রোজা রাখা অবস্থায় ধর্ষিতা হলে কি সেদিনের রোজা হবে না...?" !!!
▪ সেখানে আমাদের প্রশ্নের নমুনাগুলো কেমন...???
—রোজা রেখে কি তারাবিহ পড়তেই হবে ? এটা তো ফরজ না..!!!
—তারাবির নামাজ কি ৮ রাকাত, নাকি ২০ রাকাত...? কোনটা আসলে ঠিক...!!!
—রোজা রেখে হিন্দি মুভি দেখলে সমস্যা নাই তো...? রোজার ক্ষতি হবে কি...!!!
—রোজা রেখে সিগারেট খেলে কোনো সমস্যা আছে কি ? সিগারেট তো খাবার না, এটাতো পেটে যায় না...!!!
—ইফতারি-সেহেরি কোন সময়ে করবো...? সালাফি সময়ে, না হানাফি সময়ে...!!!
🔹 আফসোস...! 🔹 আফসোস...! 🔹 শুধুই আফসোস...!!!
★ আমরা কিলাকিলিতে ব্যস্ত নামাজে কোথায় হাত বাধবো, তা নিয়ে...।
★ আমরা তর্কাতর্কিতে ব্যস্ত আমীন জোরে হবে নাকি আস্তে, তা নিয়ে...।
★ আমরা যুদ্ধ করছি তারাবীহের রাকাত সংখ্যা নিয়ে...।
__অথচ নিকটস্থ রাষ্ট্রেই হিন্দুত্ববাদী শিবসেনারা প্রস্তুতি নিচ্ছে এক হিন্দুত্ববাদী অখণ্ড ভারত প্রতিষ্টার,,
__একটু একটু করে তরুণ-যুবকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ধর্মবিদ্বেষী চিন্তার বীজ,,
__দেশের সর্বত্রই ছড়িয়ে পরছে উগ্র-হিন্দুত্ববাদী ইসকনের এজেন্ডার বাস্তবায়ন,,
__পুরো মহাদেশে আজ গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে গাজওয়াতুল হিন্দের,,
__ইসলাম বিষয়ে অজ্ঞ সাধারণ মানুষদের মাঝে একটু একটু করে বাড়ছে ধর্মহীন-নাস্তিক্যবাদী শাতিমে রাসুলদের সংখ্যা...।
-> কিন্তু সেদিকে কারো খেয়াল নেই,
-> সেদিকে চোখ দেওয়ার কেউ নেই,
-> সে বিষয়ে জনগণকে সাবধান করার কেউ নেই...!!!
--> দলীয় কোন্দলে ব্যস্ত থেকে আজ ইসলাম রক্ষার কাজেই আমরা গাফিল...!!!
-> ফিকহি মতপার্থক্য নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে আজ আমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজেই গাফিল...!!!
🚩 আজ চারিদিকে গীবত, পরনিন্দা, মিথ্যাচার, ভোট চুরি, চাল চুরি, চোখের যিনা, হারাম উপার্জনের হার বাড়ছে...।
__ অথচ প্রতিটি হারাম, কবিরা গুনাহ আলাদা-আলাদাভাবে বর্জন করাটা আলাদা-আলাদাভাবে একেকটা ফরজ...!
🚩 মুসলিমদের মাঝেই বাড়ছে ইসলাম ব্যতীত অন্যান্য জীবনব্যবস্থা যেমন পুঁজিবাদ, রাজতন্ত্র, নাস্তিক্যবাদী সমাজতন্ত্র কিংবা কুফরি গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীলদের সংখ্যা...।
__ অথচ ইসলাম ব্যতিরেকে অন্য কোন জীবনব্যবস্থা, রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা কিংবা সরকারব্যবস্থার প্রতি সমর্থন দেওয়া হারাম...!
🚩 আজ মানুষ জাতীয়তাবাদ' এর মতো হারাম বিষয়কে হারাম' হিসেবেই জানে না...।
__ অথচ কোন জায়েযকে হারাম সাব্যস্ত করা, বা কোনো হারাম বিষয়কে হালাল-জায়েজ মনে করাটা কুফরী...!
🚩 আজ মানুষ ভুলে গেছে ঈমানের অন্যতম শাখা "আল ওয়ালা ওয়াল বারাহ" বা "কেবল আল্লাহর জন্য মিত্রতা পোষণ ও কেবল আল্লাহর জন্য বৈরিতা পোষণের নীতি...।
__অথচ এটা ব্যতীত কারো ঈমান সম্পূর্ণ হয় না...!
🚩 আজ আমরা সুন্নত-নফল ইবাদত নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করলেও প্রতিনিয়ত নিজেদের অজান্তে বাদ দিয়ে যাচ্ছি হাজার হাজার ফরজ কাজকে...।
__অথচ সুন্নাহ-নফল আমল করার চাইতে গুনাহের কাজ, হারাম বর্জন করাটা হাজারগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ...!
সকল পথভ্রষ্ট ফির্কা হতে মুক্ত করে একমাত্র হক দলের সঙ্গে মিলিত হওয়ার তৌফিক দান করুন। আমীন।
একদিন আল্লাহর নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার সাহাবিদের নিয়ে মসজিদের ভিতরে বসেছিলেন।হঠাৎ তিনি বলে উঠলেন,আজ আমি তোমাদের একটি গল্প বলবো।যার মাধ্যমে তোমাদের যে কারো প্রকাশিত তিনটি সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।সকলে নিশ্চুপভাবে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কথা শুনছেন।তিনি বলতে থাকলেন......
#একজন ব্যক্তি তার জীবনের শেষ সময় সম্পর্কে জানতে পারলো য,খুব শীঘ্রই সে মৃত্যুর সম্মুখীন হবে। তার মৃত্যু সময় জানার পর থেকে ই সে কবরের একাকিত্বকে ভয় পেতে থাকে এবং তার জন্য সে প্রকৃত বন্ধুদের খুঁজতে থাকে,যারা তাকে সাহায্য করবে এবং তার সাথী হবে।সে তার প্রথম বন্ধুর দরজায় করাঘাত করলো,এবং জিজ্ঞেস করলো,,,,,তুমি কি আমার সাহায্যে আসবে..?বন্ধুটি তাকে বললো,কেন নয়..?তোমার কিসের সাহায্যের দরকার..?কিন্তু যখন লোকটি বলতে শুরু করলো,সে আর কিছুদিন বেঁচে থাকবে এবং তাঁর মৃত্যুর পর তার সহযোগীর প্রয়োজন।তার সম্পূর্ণ বক্তব্য শেষ হলে তার বন্ধু তাকে বললো,আমি খুবই দুঃখীত, কিন্তু যখন ই মৃত্যু আমাদের সঙ্গী হয়ে যায়, তখন আমাদের কারো জন্য ই কোন কিছু করার থাকে না।কিন্তু আমি তোমার জন্য যা করতে পারবো তা হলো,তোমার কবরের জন্য জায়গা কিনতে পারবো,তোমার কাফনের জন্য কাপড় কিনতে পারবো যা দিয়ে তোমাকে ঢাকা হবে।লোকটি খুব হতাশ হলো কিন্তু তার পরবর্তী বন্ধু খোঁজার জন্য সে ছুটে চললো।
#দ্বিতীয় দরজাতে সে আসলো,যখন ই সে তার বন্ধুর মুখোমুখি হলো,তখন সে তার অবস্থার কথা বর্ণনা করলো এবং সাহায্য চাইলো।কিন্তু সেখান থেকে ও সে একই উওর পেলো।আমি পৃথিবীতে সারাজীবন তোমার সাথে থাকতে পারি এবং যে কোন সহযোগিতা তোমাকে করতে পারি।কিন্তু তুমি যখন মৃত্যুবরণ করবে তখন তোমার জন্য তোমার মৃতদেহটি গ্রহন করে সুন্দরভাবে তা কবরে সমাহিত করতে পারি।এর চেয়ে বেশী কিছু যে করা কারো পক্ষে ই সম্ভব নয়।লোকটি দারুণভাবে ব্যথিত হলো এবং হতাশ হয়ে পড়লো।
#সে তার তৃতীয় বন্ধুর সম্মুখীন হলো এবং একই উওর শুনতে পাবে বলে ধরে নিলো।সে তার অবস্থার কথা তার তৃতীয় বন্ধুকে ও বললো এবং তার সাহায্য চাইলো।এর প্রতিউওরে তার তৃতীয় বন্ধু উওর দিলো,,কোন চিন্তা করো না আমার প্রিয় বন্ধু! আমি কবরে তোমার সঙ্গী হবো,কবরে তোমার সাথে থাকবো।এমন কি যখন ফেরেশতারা কবরে তোমাকে প্রশ্ন করবে তখনও,তোমাকে পুলসিরাত পার হতে সহযোগিতা করবো এবং জান্নাতে প্রবেশ করানোর জন্য নেতৃত্ব দেবো।এভাবেই লোকটি মৃত্যুবরণ করলো এবং শান্তিতে থাকলো।
এরপরেই আল্লাহর রাসূল (সাঃ) সাহাবিদের দিকে মনযোগ দিলেন এবং তার সাথীদের জিজ্ঞেস করলেন,তোমরা কেউ কি সেই তিন বন্ধু এবং লোকটিকে সনাক্ত করতে পারবে..?যখন সম্পূর্ণ মজলিস নিরব হয়ে থাকলো।তখন প্রিয় নবী (সাঃ) বললেন,লোকটি হলো যে,কোন মানুষের গল্প।আর তাঁর প্রথম বন্ধু হলো টাকা বা সম্পদ যা শুধুমাএ আমাদের জীবনের জন্য ই কাজে লাগে কিন্তু মৃত্যুর পরবর্তীতে নয়।
দ্বিতীয় বন্ধুটি হলো পরিবার বা বন্ধু(সন্তান, পুএ ও কন্যা)।আমরা যার জন্য প্রতিযোগীতা করি এবং তাদের প্রত্যেকেই আমাদের কবরে ফেলে চলে যায়।আর তৃতীয় বন্ধু এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু হলো আমল,যে সবসময়ই আমাদের সাথে থাকে।
#আর তাই আমাদের প্রত্যেকেরই উচিৎ হবে সম্পদ আর পরিবারের পিছনে জীবনের সময়গুলো খুব বেশী ব্যয় না করে আমল অর্জনের পিছনে দৌঁড়ানো।
#হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন,মানুষের তিনটি বন্ধু আছে--সম্পদ,পরিবার ও তার আমল।
#সত্যিই পৃথিবীর ভালোবাসা তার মূল্যের জন্য নয় বরং প্রত্যেক মন্দের জন্য।একজন ব্যক্তি ইমাম সাজ্জাতকে প্রশ্ন করলো--কে সবচেয়ে বিপদের মধ্যে আছে..?ইমাম সাজ্জাত প্রতিউওরে বলেন,ঐ ব্যক্তি যে গণ্যই করে না যে পৃথিবী তার জন্য বিপদজনক।
#আল্লাহ আমাদের জেনে বুঝে মেনে চলার তাওফিক দান করুন🤲
#জেবা জান্নাত।
রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,
আল্লাহর রহমত ছাড়া কেউ জান্নাতে
প্রবেশ করতে পারবে না।(মিশকাত ২৩৭২
পৃথিবীতে কিয়ামত
সংঘটিত হয়ে যাওয়ার
পর আল্লাহ তাআলা
সপ্তআকাশ ভেঙে
দিবেন। সপ্ত আকাশে অবস্হানরত
ফেরেশতারা মৃত্যুর দুয়ারে। সমস্থ
ফেরেশতা মৃত্যুর
পেয়ালা পান করবে।
আরশ বহনকারী
ফেরেশতাগণও বরণ
করবে মৃত্যুর মালা।
অতঃপর নির্দেশ হবে -
:
=> জিবরাইল! মৃত্যু
বরণ কর!
=> মিকাইল! মৃত্যু বরণ
কর!
:
আল্লাহ তাআলার
ইশক ও ভালোবাসা
সুপারিশ করবে - 'হে
আল্লাহ! জিবরাইল ও
মিকাইলকে রক্ষা
করো!' তখন আল্লাহ
তাআলা ঘোষণা করবেন
-
ﺍَﺳْﻜُﺖْ ﻓَﻘَﺪْ ﻛَﺘَﺒْﺖُ ﺍﻟْﻤَﻮْﺕَ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﺗَﺤْﺖُ ﻋَﺮْﺷِﻰْ
"চুপ কর! আমার
আরশের নিচে যারা
আছে সকলের জন্যই
আমি মৃত্যুর ফয়সালা
করে দিয়েছি।"
:
মৃত্যুবরণ করবে
জিবরাইল। মিকাইল ও
শেষ। সিঙা ফুৎকারের ইসরাফিলও ঢলে পড়বে
মৃত্যুর কোলে। সিঙার ফুৎকার হাওয়ায় ভেসে
উড়ে যাবে আরশে।
আরশের উপরে আছেন
আল্লাহ। নিচে কেবল
আজরাইল। তখন
আল্লাহ তাআলা
প্রশ্ব করবেন - 'বলো
আর কে বাকি আছে?'
বলবে, 'উপরে তুমি আর
নিচে তোমার গোলাম।'
নির্দেশ করবেন -
ﺍِﻧَّﻚَ ﻣَﻴّـِﺖٌ
"তুমিও মরে যাও।"
এতদিন পর্যন্ত যে
সকলের রুহ কবজ করে
ফিরতো আজ সে
নিজেই নিজের প্রাণ
কবজ করবে। যদি
মানুষ বেঁচে থাকতো
তাহলে মৃত্যুমুখে আজরাইলের সেই
চিৎকার শুনে হৃদয়
বিদীর্ণ হয়ে সকল
মানুষ মারা যেত।
:
=> আজ কারও জন্য
কাঁদবার মত কেউ নেই।
=> আজ কাউকে দাফন
করার মত কেউ নেই।
=> আজ কাউকে কাফন
পরানোর মত কেউ নেই।
=> আজ কারও জন্য
মাতম করার কেউ নেই।
=> আজ সম্পদ হারিয়ে
যাওয়ার ফলে মামলা
করার মত কেউ নেই।
=> আজ দরবার আছে।
দরবারী কেউ নেই।
=> কুরসী আছে।
কুরসীতে বসার কেউ
নেই।
=> বাদশাহী আছে।
বাদশাহ কেউ নেই।
=> পেয়ালা আছে
পানকারী মত কেউ
নেই।
=> আজ এক আল্লাহ
আছেন। তাঁর কোন
শরীক নেই।
*
আল্লাহ তাআলা যখন
সবাইকে মৃত্যু দিয়ে
দিবেন তখন ঘোষণা
করবেন -
ﻣَﻦْ ﻛَﺎﻥَ ﻟِﻰ ﺷَﺮِ ﻳْﻜٌﺎ ﻓَﻠْﻴَﺂﺕِ ...
"আমার কোন শরীক
আছে কি যে আমার
মোকাবিলা করবে?"
তিনি তিনবার এই
ঘোষণা দিবেন। বলবেন,
আমার কোন
প্রতিপক্ষ থাকলে
সামনে এসো। অতঃপর
তিনি আকাশ ও
পৃথিবীকে নত করে
দিয়ে ঘোষণা করবেন -
ﺍَﻧَﺎ ﺍﻟْﻘُﺪُّﺱُ ﺍﻟﺴَّﻠَﺎﻡُ ﺍﻟْﻤُﺆْ ﻣِﻦُ "আমিই কুদ্দুস সালাম
ও মু'মিন।"
পুণরায় ঝাঁকুনি দিয়ে
একই বাণী উচ্চারণ
করবেন। তৃতীয়বার
উচ্চারণ করবেন -
ﺍَﻧﺎَ ﺍﻟْﻤُﻬَﻴْﻤِﻴﻦُ ﺍﻟْﻌَﺰِ ﻳْﺰُ ﺍﻟْﺠَﺒَّﺮُ ﺍﻟْﻤُﺘَﻜَﺒِِّﺮُ
"আমিই মুহাইমিনুল
আজিজুল জব্বারুল মুতাকাব্বির।"
:
তারপর বলবেন -
ﺍَﻳْﻦَ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ
"আজ রাজারা কোথায়?"
ﺍَﻳْﻦَ ﺍﻟْﺠَﺒَّﺎﺭُﻭْﻥَ "জালেমরা আজ
কোথায়?"
ﺍَﻳْﻦَ ﺍﻟْﻤُﺘَﻜَﺒِِّﺮُﻭْﻥَ "অহঙ্কারীরা আজ
কোথায়?"
# বলবেনঃ
ﻟِﻤَﻦِ ﺍﻟْﻤُﻠْﻚُ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡَ "আজ বাদশাহ কে"?
কোন জবাব নেই।
অতঃপর আল্লাহ
নিজেই বলবেন -
َ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟْﻮَﺍﺣِﺪِ ﺍﻟْﻘَﻬَّﺎﺭِ "পরাক্রমশালী এক
আল্লাহরই নিরঙ্কুশ রাজত্ব।"
- [ সুরা মু'মিনঃ ১৬ ]
:
যেখানে হিসাব নিবেন
স্বয়ং আল্লাহ।
যেখানে ব্যবস্হা আছে শাস্তি ও পুরষ্কারের।
যেখানে ব্যাবস্হা
আছে চিরস্থায়ী
সম্মান ও চিরস্থায়ী অপমানের।
যেখানে চিরন্তন
সুশ্রী রূপ আছে, আছে
কুশ্রী রূপও।
যেখানকার সফলতা
চিরন্তন, ব্যার্থতাও চিরন্তন।
যেখানকার অপমান
যেমন সীমাহীন
তেমনি সীমাহীন
সম্মানও।
:
আল্লাহ যদি কারও
প্রতি সন্তুষ্ট হন
তাহলে তাকে বেহেশত
দিবেন ।
আর অসন্তুষ্ট হলে
দিবেন জাহান্নাম।
আমাদের এই মরণই
যদি শেষ কথা হতো,
তাহলে আর কোন
চিন্তা ছিলোনা।
নামাজ পড়তাম কিংবা
না পড়তাম।
পর্দা করতাম কিংবা
না করতাম।
সত্য বলতাম কিংবা না
বলতাম।
অন্যায় করতাম কিংবা
কল্যাণ করতাম।
সুদ খেতাম কিংবা না
খেতাম।
মানুষের প্রতি ন্যায়
করতাম কিংবা অন্যায়
করতাম।
* কিন্তু মৃত্যুই শেষ
নয়। কবর, হাশর,
মিযান, পুলসিরাত,
জান্নাত অথবা
জাহান্নাম - এ সব
কিছু রয়েছে আমাদের
সামনে।
আল্লাহ সকলের জন্য
তা সহজ করে দিন।
আমিন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
ক্ষুধার্তকে) খাদ্য দান কর।
সিরিয়ার শিশুদের তিনটি উক্তি,
যা যুগ যুগ ধরে পুরো মুসলিম জাতিকে কাঁদাবে
১. একটি শিশু তার শেষ নি:শ্বাস ত্যাগের আগ মুহূর্তে বলেছিল,
"আমি আল্লাহকে সব কিছু বলে দিবো।"
২. বিমান হামলায় বিধ্বস্ত বাড়ীর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একজন তরুণী বলে ছিলো," প্লিজ আংকেল! আল্লাহর দোহাই, আমার ছবি তুলবেন না, আমি এই মুহূর্তে হিজাব পরিহিতা নই!"
৩. একটি শিশু ক্রন্দনরত অবস্থায় বলেছিলো," ও আল্লাহ, আমি মরতে চাই! আমাদের কোন রুটি নেই কেন? আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাও যাতে আমরা রুটি খেতে পারি!"
দারিদ্র্য
না বুঝে ভাইরাস, না বুঝে লকডাউন।
দুমুঠো খাবারের আশায় ছুটে চলা দিন থেকে রাত।
কিন্তু এখন কঠিন পরিস্থিতির শিকার।
হাজারো মানুষের চাঞ্চল্যের স্থানে আজ
শ্মশানের নীরবতা।
আল্লাহ গরীব অসহায়ের সহায় হোন।
হঠাৎ কেন এ চিঠি!!! আরবিতে লিখা ছিল ঐ চিঠিখানা।
আমি সিরিয়া থেকে বলছি,,,
আমি একজন অসহায় মুসলিম বোন। আমার প্রান উষ্ঠাগত। মৃত্যর মুহুর্তে লিখছি মুসলিম উম্মাহকে জানাতে। আমি ১৬ বৎসরের একজন মুসলিম তরুণী,আব্বা আলেম,মা কোরআর হাফেজা। গত ২৩/০২/১৮ দিবাগত রাত্রে আমেরিকার কিছু বদমাইশ আমার বাড়িতে ডুকে আমার ২ ভাই ও আব্বাকে শহীদ করে দেয়।
হঠাৎ আমার বোন (১২ বৎসর) তার উপর পাষান্ডুরা নির্যাতন করে, আব্বা ও ভাইয়ের সামনে যখন তাদের শরির থেকে অঝোরে রক্ত বের হচ্ছিল।
আমার ছোট বোনটাও রেহাই পাইনি।বাবা ও ভাইয়ের মৃত্যু অবস্থান নির্যাতিতা আমার বোন। ঠিক এখই সময়ে আমার বোনটাও মারা গেল। আমি ভিতর থেকে চিৎকার দিলাম। পাষান্ডুরা আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ল।
কিন্তু তারা আমাকে তাদের শিবিরে নিয়ে গেল। তারা
পালাক্রমে আমাকে নির্যাতন করল। আমি একটু পানি চাইলাম, তারা আমাকে পানি না দিয়ে এক কাফের আমার মুখে প্রস্রাব করে দিল।
সে বলল মুসলমানকে আমরা এভাবে পানি দিই। আমার দেহ থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে লাগল। আমাকে তারা উলঙ্গ অবস্থায় বেধে রাখল, রাতে অন্য দুজন কাফের এসে আমাকে ধর্ষণ করল।
আমারা দু বোনকে কেউ কখনো দেখেনি,আজ আমাদের করুণ পরিস্থিতির পাশে কেউ নেই।২৬/০২/১৮ তারিখে তারা আমাকে রাস্তায় ফেলে দেয়।আমার হাটার শক্তি নেই, সব কিছু আমার কেড়ে নিল ওরা, ওরা প্রতিনিয়ত কেড়ে নিচ্ছে হাজারো বোনের ইজ্জত। আমি কোন কাফেরকে হত্যা করব ইনশাআল্লাহ। মৃত্যকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত।
#হে_মুসলিম বিশ্বের ভাইরা, আপনার সামনে আপনার কোন বোনকে ধর্ষণ করলে আপনি কি চুপ করে থাকতেন?
আপনার সামনে আপনার পিতা মাতা ভাই বোনকে হত্যা করলে আপনি চুপ করে থাকতেন? আমরা অসহায়, আর আপনারা মহা আনন্দে, মনে রাখবেন আমাদের চোখের পানির জন্য আপনারা দায়ী।
কিয়ামতের কঠিন মুহুর্তে আপনাদের জন্য আল্লাহর দরবারে বিচার চাইব।
আমাদের মালিক একজন আছে,মনে রাখবেন তার বিচার থেকে কেউ রেহাই পাবেন না। আমরা ভাল খাবার কখনো চোখে দেখিনি,ভাল করে কখনো ঘুমাতে পারিনি, জীবনে আনন্দ কি চোখে দেখেনি, মন থেকে কখনো হাসতে পারিনি, সুখ কাকে বলে চোখে দেখিনি।দেখেছি দুঃখ আর কামানের আঘাত, লাশের গন্ধ চারদিকে।
হাজারো সন্তান মা বাবা হারা, হাজারো সন্তান ঘর হারা।হাজারো বোন নির্যাতিতা। আমরা কেবলমাত্র আল্লাহর দরবারে বিচার দিয়ে গেলাম। আর আমার কথা গুলো কোন ভাইকে আঘাত করলে কাফেরের বিরোদ্ধে প্রতিবাদ হোন।
সালামান্তে,,তাহেরা বিনতে আবু বকর,সিরিয়া।
পড়ার অনুরোধ করছি_______😢
ইসরাইল ১৯৬৭ সাল থেকে ১৬ হাজার ফিলিস্তিনি নারীকে গ্রেফতার করেছে এবং গ্রেফতার পরবর্তী সময়ে কারাগারের অভ্যন্তরে তদন্ত কার্যক্রম চলাকালীন তাদের অমানুষিক নির্যাতন করা হচ্ছে।
শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি দিনভর না খাইয়ে রাখা হয় ফিলিস্তিনি নারীদের। আদালতে আনা-নেয়ার সময় কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা তাদের ভাগ্যে কোনো খাবার জোটে না। খাবারের নামে সামান্য যেটুকু সরবরাহ করা হয়, তা ক্ষুধা নিবারণ হওয়ার মতো নয়।
অধিকাংশ সময় ইসরাইলি সৈন্যরা যুবতীদের টার্গেট করে থাকে এবং তাদের সফরে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে থাকে। কারাগারে যৌন-নিপীড়ন ও গুরুতর রোগের শিকার হন অধিকাংশ নারী কয়েদী।
সূত্রঃ যুগান্তর
নাবালিকা কয়েদীরা প্রায় সময়েই যৌন নিগ্রহের শিকার হন। ইসরাইলি কারাগারে নারী কয়েদীরা পুরুষ কয়েদীদের তুলনায় বেশি অসুস্থ হন। হেপাটাইটিস সি, এইচআইভি, বিভিন্ন চর্মরোগ নিয়ে জর্জরিত থাকেন তারা। সব সময়ে এর যথাযথ চিকিৎসাও পান না নারীরা। কারাগারে থাকাকালীন অনেক অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে ইসরায়েলি সৈন্যদের যৌন নিগ্রহের কারণে গর্ভবতীও হয়ে পড়েন।
যে নারীরা হিজাব পড়েন তারা গ্রেফতারের পর সৈনিকদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় লিপ্ত হন, যাতে তাদের হিজাবপড়ার অনুমতি দেয়া হয়। তদন্তের নামে তাদের ওপর চলে নির্যাতনের স্টিম রোলার। তাদের টানা নির্ঘুম রাখা হয়। পেটাতে পেটাতে অজ্ঞান করে ফেলা হয়। দিনের পর দিন কোনো খাবার সরবরাহ করা হতো না
চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না। কি বিভীষিকাময় নির্যাতন চালায় আমাদের মা-বোনদের উপর। ইহুদীর বাচ্চা ফিলিস্তিনিদের জায়গাজমি দখল করে তাদের উপরেই এত নির্যাতন চালাচ্ছে। শিশু ও নারীরা সবসময় নিরাপদ থাকে যে কোন যুদ্ধের ব্যাপারে। কিন্তু এই নরপিশাচদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না আমাদের মা-বোনেরা।
হে আল্লাহ! মুসলমানদের উপর নির্যাতনকারী ইহুদীদের নসিবে হেদায়েত থাকলে হেদায়েত দিন। হেদায়েত না থাকলে কঠিন ও ভয়াবহ আজাব-গজব দিয়ে এদের সমূলে ধ্বংস করে দিন। নাস্তানাবুদ করে দিন। (আমীন)
এখন আমরা অনেকই বলি সিরিয়া, ফিলিস্তিন, মায়ানমার, আফগানিস্তান, কাসমির, দালহি, ভারত আর বিশ্বের যেখানে মুসলিমরা আসে তারা যেই অত্যাচার নির্যাতন ডেইলি শয্য করছে, যেমন ফিলিস্তিন আর সিরিয়াতে এমন একটা দিন নাই যেখানে রক্ত করন হয় না, এখানে ডেইলি বম মেরে মুসলমান হত্যা করা হয়, আমরা কয়েকটা দিন লকডাউন এ আছি, এটাই আমাদের জিবনের অবস্তা খারাপ হয়ে গেছে অথচ কাশ্মীর, ফিলিস্তিন, সিরিয়া দিনের পর দিন,মাসের পর মাস,বছরের পর বছর লকডাউন হয়ে আছে,তারা মাটির নিছে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, কোনো খাদ্য নাই, দূরবিক্ষ, অনাহারে দিন কাটছে।ইমান দেশে সারা বছরে দূরবীক্ষ লেগেই থাকে, হাজার হাজার মানুষ খাদ্যের অভাবে মারা যাচ্ছে,অথচ আমরা বাংলাদেশি মুসলিম আর বিশ্বের যেখানেই সুখে থাকা মুসলিম আছে,আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ত দুরের কথা মাথা ব্যাথাও করি না, কয়েকদিন পরে ভুলে যাই, আমাদের এই পাপের জন্য এখন আল্লাহ আমাদেরকে ফিলিস্তিন, সিরিয়া, ইমেন,কাশ্মীর দেশের মুসলিমরা যে লকডাউন আছে তা আমাদের সুখে থাকা মুসলিমদের অনুভব করেচ্ছেন, এখন আমাদের নির্যাতিত মুসলিম ভাইদের জন্য যেইটা করলে এই গজব থেকে রেহাই পাব তা হলো সিরিয়া, ফিলিস্তিন, কাশ্মীর,ইমেনের যেইসব দেশ এ মুসলিমরা প্রতিনিয়ত অত্যাচারের শিকার হচ্ছে সেইসব অত্যাচার আর নির্যাতনের পিকচার, ভিডিও সস্যাল মিডিয়াতে, যেমন ফেসবুক,টুইটার,ইন্সটাগ্রাম ছড়িয়ে দেওয়া, নরমাল পাবলিকদের নজরে আনা আর সবার কাছে এইসব নির্যাতিত মুসলিমদের জন্য সাহায্য চাওয়া, সবাই এক হয়ে ইহুদিদের বিরুদ্ধে আর যেসব কাফের মুসলিমদেরকে অত্যাচার করছে তাদের বিরুদ্ধে অক্যৈবদ্ধ হবার আহবান জানানো, এখন আমাদের মধ্যকার ভেদাভেদ ভুলে, দলাদলি ভুলে এক দলে মুসলিম লিগ এ পরিনত হবার আহবান জানানো, আমাদের সবচাইতে বড় সমস্যা আমরা ভাবি যে কোনো বিষয় নিয়ে আল্লাহ্ এর কাছে দোয়া আল্লাহ্ আমাদের জন্য সেই কাজটা করে দিবেন আর আমরা আরামে হাত গুটিয়ে বসে থাকব এই আশায় যে আল্লাহ্ ত আছেনই,উনি হেল্প করে দিবেন,এইরকম ভাবনারে ডাস্টবিনে ফেলে দেন। আপনি যখন কোনো বিষয় এর ব্যাপারে আল্লাহ্ এর কাছে দোয়া চাইবেন তখন আল্লাহ্ আগে দেখবেন আপনি সেই বিষয়ের উপর কতটুকু কস্ট করতেছেন, কতটুকু মেকনত করতেছেন, যে নিজের জন্য চেষ্টা করে না আল্লাহ্ তার জন্য কিছুই করেন না। আপনি যদি নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করেন,নির্যাতিত মুসলিমদের বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করে সারা বিশ্বের করুন খারাপ অবস্তা যখন ছরিয়ে সারা বিশ্বের মানুষদের কাছে তুলে ধরেন, তখন আল্লাহ্ আপনাকে এই বিষয়ে এমন ভাবে সাহায্য করবেন যে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
যারা সুন্দর সুন্দর ইসলামিক পোস্ট পড়তে চান তারা আমার প্রোফাইলে ঢুকে ইসলামিল পোস্ট পড়ুন এবং ইসলামিক পোস্টগুলো কপি করে বিভিন্ন বড় বড় যেকোনো গ্রুপে পোস্ট করুন আপনার বন্ধু বান্ধবি মা বাবা ভাই বোন সবাই কে ইসলামিক পোস্ট গুলো কপি করে দিন বা সবাই কে পড়ে শুনানোর মাধ্যমে ইসলামিক পরিচর্যার কাজ করুন এর ফলে আপনার ইমান বৃদ্ধি পাবে সাথে সাথে যারা ইসলামিক পোস্ট গুলো পড়বে তাদের ইমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাল্লাহ যত মানুষ ইসলামিক পোস্ট গুলো পড়বে তারা পোস্ট গুলো পড়ে যে সব পাবে সেই সব আপনিও পাবেন আর কোনো হেদায়েত পেলে সেই হেদায়েত কর ব্যাক্তি পর্বতীতে যত আমল করবে তার সবটুকু সব আপনিও পাবেন।