24/06/2026
বাংলাদেশে আশুরার রোজা কবে রাখতে হবে?
আশুরার রোজার ফজিলত জেনে নিন
হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, "ফরজ নামাজের পর (নফল নামাজের মধ্যে) শ্রেষ্ঠতম নামাজ হচ্ছে গভীর রাতের নামাজ, আর রমজান মাসের রোজার পর (নফল রোজাগুলোর মধ্যে) সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ রোজা হচ্ছে মুহাররম মাসের রোজা।"
[মুসলিম শরীফ, হাদীস নং ২৮১৩]
আশুরার রোজা কবে রাখব?
সহীহ বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ফাতহুল বারী-তে হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ. লিখেছেন : আশুরার রোজা তিন স্তরের। সর্বনিম্ন স্তর হলো মুহাররমের ১০ তারিখ একদিন রোজা রাখা, এর উপরের স্তর দশ তারিখের আগে নয় তারিখেও রোজা রাখা, এর উপরের স্তর হলো নয়-দশ-এগার এ তিন দিন রোজা রাখা। [বাবু সিয়ামি ইয়াওমি আশুরা]
সে হিসাবে বাংলাদেশে এ বছরের রোজার তারিখগুলো হচ্ছে:
৯ মুহাররম - ২৫ জুন
১০ মুহাররম - ২৬ জুন
১১ মুহাররম - ২৭ জুন
সম্ভব হলে ৩ দিনই রাখি। যদি ২দিন রাখতে চাই তাহলে ২৫ ও ২৬ জুন কিংবা ২৬ ও ২৭ জুন রাখতে পারি। যারা ১ দিন হলেও রাখতে পারব তারা ২৬ জুন আশুরার দিন রাখব ইনশাআল্লাহ।
আশুরার রোজার ফজিলত:
আশুরার রোজা বিগত এক বছরের সগিরা গুনাহ মাফ করে দেয়।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা ছাড়া অন্য যেসব দিনে রোজা রাখতেন, সেসব রোজার কোনোটিকেই আশুরার রোজার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে তাঁকে আমি দেখি নি।
[বুখারী শরীফ, হাদীস নং ২০০৬]
মক্কায় থাকাকালীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশদের সাথে সাথে আশুরার রোজা রেখেছেন, তবে তিনি তখন কাউকে এ রোজা রাখতে আদেশ করেন নি। পরে যখন মদীনায় আসলেন, তখন নিজে রাখার পাশাপাশি অন্যদেরকেও রোজাটি রাখতে আদেশ করলেন।