সত্য কথন

সত্য কথন �The Mosque is Our Barracks,The Dome is Our Helmet�and The Minaret is Our Bayonet�

21/05/2025

এর পুর্বে এত গরম বক্তব্য শুনেনি শাইখুল ইসলামের।সকল মুসলিম শাসকদের উপর জি*হা*দ ফরজ হয়ে গেছে।।

বিশ্বের প্রধান শাইখুল ইসলাম আল্লামা মুফতী জাস্টিস তকী উসমানী হাফিঃ
#তাকিউসমানি #গাজা #ফিলিস্তিন #জিহাদ
#হেফাজত

(উসা*মা বিন লা*দেন (রহি.) এর বয়স যখন ৮ বছর তখন তিনি স্বপ্নটি দেখেছেন)মাহদির অগ্রবাহিনীর সিপাহসালার শহীদ উসা*মা বিন লা*দে...
13/04/2025

(উসা*মা বিন লা*দেন (রহি.) এর বয়স যখন ৮ বছর তখন তিনি স্বপ্নটি দেখেছেন)

মাহদির অগ্রবাহিনীর সিপাহসালার
শহীদ উসা*মা বিন লা*দেন রহি.

১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দ। ফজরের পূর্বমুহূর্ত। বিত্তশালী পরিবারের এক আরব-শিশু অতিব্যস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলে তার পিতাকে। এরপর বলে,

_আব্বাজান আমি একটি স্বপ্ন দেখেছি।
পিতা ভাবছিলেন ছেলে হয়তো ভয়ংকর কোনো স্বপ্ন দেখেছে। তাই অযু করে তাকে নিয়ে মসজিদের রাস্তা ধরেন। পথে ছেলে তার পিতাকে বলে, আব্বা,আমি স্বপ্নে দেখি প্রশস্ত এক ময়দানে আমি দাড়িয়ে আছি। আচমকা সাদা আশ্বরোহী একটি বাহিনী আমার দিকে এগিয়ে আসছে। সে বাহিনীর জ্বলজ্বলে চোখের অধিকারী এক আশ্বরোহী আমার সামনে এসে জিজ্ঞেস করেন, ′তুমি কি উসা*মা বিন লা*দেন? উত্তরে আমি বলি হ্যাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন তুমি কি উ*সামা বিন লা*দেন? এবারও আমি হ্যাঁ বলি। আশ্বরোহী ফের প্রশ্ন করেন তুমি কি উসা*মা বিন লা*দেন? উত্তরে আমি বলি হ্যাঁ, আল্লাহর শপথ আমিই উ*সামা বিন লা*দেন।এরপর তিনি আমার দিকে পতাকা বাড়িয়ে ধরে বললেন পতাকাটি মসজিদে আকসার দরজায়, হজরত মাহদি মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহকে দেবে। আমি পতাকাটি হাতে নেই। এরপর দেখতে পাই সে বাহিনী আমার পেছন পেছন যাত্রা শুরু করছে।

পিতা স্বপ্নবিত্তান্ত শুনে চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে ব্যস্ততার কারণে তিনি স্বপ্নের কথা ভুলে যান। পরদিন ভোরে তিনি পিতাকে জাগিয়ে একই স্বপ্ন শোনায়। তৃতীয় দিনও সে একই স্বপ্নবিত্তান্ত খুলে বলে। পিতা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েন অবশেষে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে তাকে নিয়ে একজন আলেমের কাছে যান।

আলিম স্বপ্নের বিবরণ শুনে শিশুটির দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে তাঁর পিতাকে জিজ্ঞেস করেন এ শিশুটিই কী স্বপ্ন দেখেছে? তিনি বলেন হ্যাঁ। এবার আলিম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, বেটা সাদা আশ্বরোহী তোমাকে যে পতাকা দিয়েছিল, সেই পতাকার স্বরূপ কি তোমার স্মরণ আছে? তিনি বলেন স্মরণ আছে। এবার আলিম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, পতাকাটি কেমন ছিল? তিনি বলেন পতাকাটি সৌদিআরবের পতাকার মতোই ছিল, তবে তার রঙ সবুজ ছিল না, ছিল কৃষ্ণবর্ণের(কালো)।আলিম জিজ্ঞেস করেন তুমি কি স্বপ্নে কখনো নিজেকে লড়াই করতে দেখেছো? উত্তরে তিনি বলেন 'জি, প্রায়ই এমন স্বপ্ন দেখি। এবার আলিম তাকে বাইরে যেতে বলে তার পিতাকে জিজ্ঞেস করেন 'আপনাদের পূর্বপুরুষ কোথায় বসবাস করতেন? তিনি বলেন 'আমরা ইয়ামেনের হাজারমাউতের অধিবাসী ছিলাম। আলিম বলেন আপনাদের গোত্রের ব্যপারে বলুন।

তিনি বলেন 'আমরা ইয়ামেনের হাজারমাউতের অধিবাসী ছিলাম। আলিম বলেন আপনাদের গোত্রের ব্যপারে বলুন। তিনি বলেন আমরা ইয়েমেনের শানুআহ গোত্রভুক্ত; আর শানুআহ হচ্ছে কাহতান গোত্রের শাখা গোত্র।
আলিম তখন জোরে তাকবির-ধ্বনি দিয়ে শিশুটিকে ডেকে আনেন। তারপর তার কপালে চুমু খেয়ে বলেন, 'কিয়ামতের আলামতসমূহ নিকটবর্তী হয়েছে। হে মুহাম্মাদ বিন লাদেন আপনার এই ছেলে হজরত মাহদির জন্য সেনাবহিনী প্রস্তুত করবে এবং নিজের দীনের হিফাজতের জন্য খোরাসান-ভূমিতে হিজরত করবে। সৌভাগ্য তাদের, যাঁরা তাঁর সঙ্গে মিলিত হয়ে যুদ্ধ করবে। হতভাগা তারা, যারা তাঁকে ছেড়ে দেবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে।

মুহাম্মাদ বিন লাদে*নের সেই শিশুপুত্রই আজ পুরো বিশ্ববাসী তানজিম আল কায়ি*দাতুল জি*হাদ-এর প্রধান শায়েখ উসা*মা বিন লা*দেন নামে চেনে। এই মহান মুজাহিদ দীনের হেফাজতের লক্ষ্যে আক্ষরিক অর্থেই হিজরত করেছেন; বিশ্বযুদ্ধের ভিত্তিস্থাপন করেছেন। জিহাদের জন্য নিজের রক্ত ও ধনসম্পদ ঢেলে দিয়ে শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করে প্রভুর সন্নিধ্যে চলে গেছেন। পেছনে রেখে গেছেন এমন এক বাহিনী,যারা পৃথীবির প্রতিটি অঞ্চলে দাজ্জালের সহযোগী ইয়াহুদি ও খ্রিষ্টানদের আতঙ্কিত করে হজরত ইমাম মাহদির নেতৃত্বে যুদ্ধ করতে আধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

সুত্রঃ"সত্যের সন্ধানে সেই যুবক,বইয়ের মধ্যে আছে ঘটনাটি....!
©️

ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমা...
09/04/2025

ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।

হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।

হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।

ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!

৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।

এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।

মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।

তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।

তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।

তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।

কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।

তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।

বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!

ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।

বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।

১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।

যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।

তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।

তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!

জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।

ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!

আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!

আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!

"হে মুসলিম জাতি তোমরা হিজড়াইল এর পণ্য কিনে, খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছো,তোমরা হয়তো জানো না তোমরা তোমাদের মুসলিম ভাইদের হত্...
06/04/2025

"হে মুসলিম জাতি তোমরা হিজড়াইল এর পণ্য কিনে, খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছো,তোমরা হয়তো জানো না তোমরা তোমাদের মুসলিম ভাইদের হত্যা করে তাদের রক্ত খাচ্ছ😢কারন তোমরা যে সকল বিদেশি পণ্য ভালো বলে গলা ফাটিয়ে দ্বিগুন দাম দিয়ে কিনছো সেই টাকা গুলো ইস** রা ইল এর কাছেই যাচ্ছে,তাদের অর্থের যোগান দিচ্ছে। আমরাই আমাদের ভাই,বোনদের হত্যা করছি😢

06/04/2025

ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।

মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।

সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।

সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..

গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।

সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'
😢😢

04/04/2025

এটা কোন সিনেমার সুটিং নয়!!
এটা হলো আমাদের ফি*লি**স্তিন গা@যার মুসলিম ভাই বোন! 😭😭 যাদের কে ঐ জা*নো ★য়ার হা★ য়েনা ই**হু Di রা একের পর এক গণহ*ত্যা করছে 😡😡
তাদের ঐ বোমা বর্ষনের সাথে সাথে আমার ভাইরা ও আকাশে উড়ে উড়ে পরছে😡

কোথায় আজ মুসলিম দেশ গুলো??
আইনাল আলাল মুসলিম??
হে আরশের মালিক 🤲হে রব্বে কাবা🤲আমাদের অন্তর তো মানছে না😭তুমি কেমনে সয্য করছো?
তুমি যালিমদের ধংস করে দাও🤲
Gaza
Save Gaza
Pelestain

20/03/2025

😭😭😭
হ্যাঁ!! এটাই আমাদের বর্তমান গা***জা** র অবস্থা😢😢
হে রব্বে কা'বা হে রব্বে আ*কসা🤲🤲
তুমি সকল নামধারী জিবন্ত আত্নার মুসলমানদের ঘুমন্ত ঈমানকে জাগিয়ে দিন🤲আপনার সাহায্য দান করুন🤲
😭

😳😳আপনি কি জানেন??!!নবী মুহাম্মাদ সাঃ ও সাহাবা যুগ  পরে পৃথিবী বিখ্যাত আলেম ও ইসলামের দাঈ গনের জন্ম সৌদি আরবে নয়!! বিশ্বব...
11/03/2025

😳😳আপনি কি জানেন??!!নবী মুহাম্মাদ সাঃ ও সাহাবা যুগ পরে পৃথিবী বিখ্যাত আলেম ও ইসলামের দাঈ গনের জন্ম সৌদি আরবে নয়!!
বিশ্ববিখ্যাত বড় বড় ইসলামিক স্কলারগণের অধিকাংশের জন্মস্থান-দেশ সৌদি আরবের বাহিরে।

১) ইমাম বুখারী রহ. -------------- উজবেকিস্তান
২) ইমাম তিরমিজি রহ. ---------- উজবেকিস্তান
৩) ইমাম দারেমী রহ. ------------- উজবেকিস্তান

৪) ইমাম নাসাঈ রহ. ------------- তুর্কমেনিস্তান
৫) ইমাম আবু দাউদ রহ. ------------ সিজিস্তান
৬) ইবনে খুজাইমা রহ. -------------- নিশাপুর

৭) ইমাম মুসলিম রহ. -------------- ইরান
৮) ইমাম বায়হাকি রহ. ------------- ইরান
৯) ইমাম গাজ্জালি রহ. ------------ ইরান
১০) ইমাম আল-বাগাভী রহ. ----- ইরান

১১) ইমাম শাফি রহ.---------ফিলিস্তিন
১২) ইমাম আবু হানিফা রহ. -------ইরাক
১৩) ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ.----ইরাক

১৪) ইবনে মাজাহ রহ. ---------------- ইরাক
১৫) আব্দুল কাদের জিলানী রহ. ---- ইরাক
১৬) ইমাম দারাকুতনী রহ. ------------ ইরাক
১৭) ইমাম আবী শায়বা রহ. ---------- ইরাক
১৮) ইমাম নুয়াইম বিন হাম্মাদ রহ.---- ইরাক
১৯) ইমাম জাওযী রহ.---------------- ইরাক

২০) ইমাম তাইমিয়া রহ. ------------- সিরিয়া
২১) ইমাম কাইয়ুম রহ.- ------------- সিরিয়া
২২) ইবনে কাছির রহ. --------------- সিরিয়া
২৩) ইমাম যাহাবী রহ. --------------- সিরিয়া
২৪) ইমাম নববী রহ. ----------------- সিরিয়া

২৫) ইবনে হাজার আসকালানী রহ. ---- মিসর
২৬) ইমাম তাহাবী রহ. ----------------- মিসর
২৭) ইমাম সুয়ূতী রহ. ------------------ মিসর

২৮) ইমাম কুরতুবী রহ. --------------- স্পেন
২৯) ইমাম হাযম রহ. ----------------- স্পেন

৩০) ইমাম তাবারানী রহ. -- 'তাবারিয়া আস-শাম'
৩১) ইমাম শাওকানি রহ. ----------- ইয়ামেন

৩২) ইবনে হিব্বান রহ. -------- আফগানিস্তান
৩৩) ইমাম হাকেম রহ. ------- আফগানিস্তান
৩৪) মোল্লা আলী ক্বারী রহ.------- আফগানিস্তান
৩৫) শাহ ওয়ালিউল্লাহ মোহাদ্দেসী দেহলভি রহ.---- ভারত

এইরকম আরো অনেক আছে যাদের জন্ম ও কর্মস্থান সৌদি আরব বা তার আশপাশের বাইরে !!

অতএব ইসলাম মানে সৌদি আরব আলেমদের যা বলে তা ইসলাম এই কথা একমাত্র মূর্খ পণ্ডিত ও জ্ঞান পাপী বলতে পারে !!

বিঃদ্রঃ পোষ্টের ছবি গুলোতে বর্তমান জামানার মরহুম (দুই জন বাদে) কিছু আলেমদের ছবি, উক্ত নামের সাথে ওনাদের কোন নাম ও দেশ উল্লেখ নেই।কিন্তু তারাও হলেন আমাদের রাহবার কলিজার টুকরাা❤️
🤲🤲মহান রব আমাদের রাহবারদের কে জান্নাতের সু উচ্চ মাকাম দান করুন,🤲🤲

🎆এবারের ফেতরার পরিমান🌹🌹
10/03/2025

🎆এবারের ফেতরার পরিমান🌹🌹

Address

Kapasia, Gazipur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সত্য কথন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share