Tazim Islamic Studio

Tazim Islamic Studio আসুন, পবিত্র কুরআন ও সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করি।

19/09/2023

ভাইরাল টপিক

30/07/2023

#প্রশ্নঃ-> জোড়া কলা খেলে কি জমজ সন্তান হয়?
:

#উত্তরঃ--> জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান হয় এই মন্তব্য করা শির্ক । বিস্তারিত
আমাদের সমাজে কিছু প্রচলিত কুসংস্কার রয়েছে যেগুলো অধিকাংশই মানুষের তৈরি করা। কোথাও রওনা দিলে ঝাড়ু, খালি কলসি বা কেউ হাছি দিতে দেখলে অযাত্রা হয়! আসলে ইসলামে এ ধরনের কুসংস্কারের কোনো ভিত্তি নেই। বরং এই কথা গুলি মানুষের ঈমান ধংস করে পেলে। যা থেকে দূরে থাকা সবার উচিত। এবং বাধ্যতামূলক ।

আমাদের আজকের আলোচনা সমাজের প্রচলিত কুসংস্কারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। আর তা হলো জোড়া কলা খাওয়া। শুধু জোড়া কলা কেন কোনো খাবারেরই জোড়া সন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার কোনো ক্ষমতা নেই। বরং এই গুলি মন্তব্য করা শির্ক।

সন্তান দেওয়ার মালিক আল্লাহ। এটা তার সিদ্ধান্তে হয়ে থাকে। তিনি যা ইচ্ছা করেন সেটাই হবে।
এ প্রসঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে পাকে ইরশাদ করেছেন :
لِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَخْلُقُ مَا يَشَاء يَهَبُ لِمَنْ يَشَاء إِنَاثًا وَيَهَبُ لِمَن يَشَاء الذُّكُورَ – أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَاثًا وَيَجْعَلُ مَن يَشَاء عَقِيمًا إِنَّهُ عَلِيمٌ قَدِيرٌ
অর্থ : নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা’য়ালারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন। অথবা তাদের দান করেন পুত্র
ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যাত্ব করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল। [সুরা শূরা : ৪৯,৫০]

সুতরাং মহান আল্লাহর পবিত্র কালামে পাকের এই দুটি আয়াত থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, সবকিছুর ক্ষমতা এক মাত্র মহান আল্লাহর হাতে। তিনি চাইলে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন।

আরেকটি তথ্য আপনাদের ভুল ভাঙার সুবিধার্থে বলতে হচ্ছে, বর্তমানে অনেক দেশেই দেখা যায় দুইয়ের অধিক সন্তান জন্ম নিচ্ছে। যেমন কিছুদিন আগে আমাদের দেশের খুলনায় এবং রংপুর জেলায় ৫টি করে সন্তান জন্ম হয়েছে। তাহলে তারা কয়টি করে কলা খেয়েছিলেন? আসলে এ ধরনের কথাগুলোর ইসলামে কোনো প্রকার ভিত্তি নেই। তাই এমনসব আলােচনা থেকে নিজে দূরে থাকুন এবং অপরকেও সচেতন করুণ।

জোড়া কলা খাওয়ার কারণে জোড়া সন্তান জন্ম হবে- আমাদের সমাজের এমন একটি কুসংষ্কারের প্রচলন রয়েছে। অনেকে এই কুসংস্কারের কারণে শুধু গর্ভকালীন সময়ই নয়, যেকোনো সময়েই জোড়া কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকেন।

অাবার অনেকেই দেখা গেছে, বিয়ে করেননি তারাও এই কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। তারা মনে করেন, জোড় কলা খাওয়ার কারণে বিয়ের পর তাদের ঘরে জোড় সন্তান জন্ম নেবে। অথচ ইসলাম এমন কোনো ধারণাকে কখনোই সমর্থন করে না।

প্রাচীনকালে এমন কিছু প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত ছিল। ঠিক আজ সেই প্রাচীনকালের অকেজো ধারণাগুলোকে আঁকড়ে ধরে আছেন কিছু মানুষ। বিশেষ করে দেখা যায় পরিবারের প্রবীণ লােকদের কাছে এসব কুসংস্কারের কথা শোনা যায় এবং তাদের কাছেই এই প্রথার মূল্য বেশি।

আবার গর্ভবতী মায়েরা কি খেতে পারবেন আর কি খেতে পারবেন না এ নিয়েও রয়েছে আমাদের সমাজে নানা কুসংস্কার। যেমন, জোড়া কলা খেলে যমজ সন্তান জন্ম নেয়। আসলে এ কথাটি নিতান্তই হাস্যকর এবং এর পেছনে না আছে কোনো ইসলামী শরীয়তের নির্দেশনা, না আছে কোনো যুক্তি। ইসলাম কারো মুখের কথায় চলে না এবং চলতে পারে না। তাই এমন বিশ্বাস অবশ্যই বর্জন করা উচিত।

বিঃদ্রঃ এই ভাবে শত শত কুফরী বাক্য আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। আসুন সবাই এই বিষয় গুলি থেকে দূরে থাকি।
আল্লাহ আমাদেরকে শির্ক মুক্ত রাখুন। আমীন।

26/07/2023

জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ আপনাকে জান্নাত এবং জান্নাতে তাঁর দিদার দ্বারা সৌভাগ্যবান করুন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ আপনাকে কাফিরদের স্থান জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ যেন আপনাকে সিরাতে মুস্তাক্বিম, তথা সরল পথে পরিচালিত করেন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ যেন আপনার উপর কোন অভিশপ্ত শয়তানকে, চাপিয়ে না দেন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, আল্লাহ যেন আপনার রিজিকের মধ্যে বরকত দান করেন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, জীবনের শেষ দিবস পর্যন্ত, আল্লাহ যেন আপনাকে মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী করেন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ যেন আপনাকে রাসূলের সুন্নাতের অনুসারী করেন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ আপনাকে নেক সন্তান দান করুন।
জাজাকাল্লাহু খাইরান, অর্থঃ, আল্লাহ আপনাকে সবরকম কল্যাণ দান করুন।
এর আরো অসংখ্য অর্থ রয়েছে। কেননা, খাইর, আল্লাহর নিকট অগুনিত। যা গণনা করা অসম্ভব। তবে আমরা বাক্যটির শাব্দিক অর্থ করি, “আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন, বলে।

আজ অথবা কাল, যেতেই হবে। জীবনের সব অহংকার,  এখানেই শেষ....... ⤵️
25/07/2023

আজ অথবা কাল, যেতেই হবে। জীবনের সব অহংকার, এখানেই শেষ....... ⤵️

Exited
24/07/2023

Exited

13/07/2023

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ (বালক শাখা) (বালিকা শাখা)
বীরহাটাব, হাটাব, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি শিশু শ্রেণি হতে ছানোবিয়্যাহ পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার বিরাব পোস্ট অফিসের অন্তর্গত স্থানীয় বেলদী বাজারের প্রায় ১ কিলোমিটার পশ্চিমে বীরহাটাব-হাটাব গ্রামদ্বয়ের মধ্যস্থলে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

Learning from the roots.......
06/07/2023

Learning from the roots.......

25/06/2023

আসসালামু আলাইকুম। আজকে আপনাদের সাথে বেনামাজিদের কিছু বাহানা নিয়ে কথা বলতে চাই। বেনামাজিদের সতেরটি বাহানা।
এক,। সময় হলে নামাজ পড়বো।
দুই,। প্রচন্ড কাজের চাপ, সময় পাই না।
তিন,। আজকে গোসল করি নাই।
চার,। কাপড় নোংরা ।
পাচ,। তুমি যাও, আমি পরে যাবো।
ছয়,। নামাজ তো পড়তেই হবে, ঠিকই কইছেন।
সাত,। প্রস্রাব করে পানি নেই নাই, লুংগি অপরিস্কার।
আট,। নিয়ত আছে, অতি তাড়াতাড়ি নামাজ ধরবো।
নয়,। আগামী শুক্রবার থেকে নামাজ ধরবো।
দশ,। নামাজ না পড়লে কি হবে?। নামাজিদের চেয়ে ঈমান ঠিক আছে।
এগারো,। কত নামাজিকে দেখলাম, নামাজ পড়েও যা, না পড়েও তা।
বারো,। নিজের চরকায় তেল দাও, অন্যকে জ্ঞান দিতে এসো না।
তেরো,। আমার জবাব আমি দেবো, এ নিয়ে তোমাকে ভাবতে হবে না।
চোদ্দ,। নামাজ না পড়িয়া অন্যদের চেয়ে বেশি ভালো আছি।
পনেরো,। শুক্রবারে নামাজ পড়ি তো।
সোলো,। ঠিক কইছেন ভাই।
সতেরো,। সামনে একটা সমস্যা আছে, ওইটা থেকে কাটিয়ে উঠতে পারলে নামাজ ধরবো।

এরকম আরো হাজারো অজুহাত তারা দিয়ে থাকে। মহান আল্লাহ, আমাদেরকে বুঝার তওফিক দান করুন। আমিন

Address

Savar
Dhaka
1344

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tazim Islamic Studio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Tazim Islamic Studio:

Share