আলোর পথ

আলোর পথ আলোর পথে আসুন —কোরআন, হাদিস ও ইসলামিক জ্ঞানের আলোয় জীবন সাজাই। আলোর পথে চলুন , অন্ধকার দূর হবে

“চিনোস আমারে” বলে গত ১০০ বছর আগে যারা বাজার আর রাস্তা গরম করতো, তারা আজ একাকী শুয়ে আছে কবরে। আজ তাদের সেই প্রশ্নের উত্তর...
13/05/2026

“চিনোস আমারে” বলে গত ১০০ বছর আগে যারা বাজার আর রাস্তা গরম করতো, তারা আজ একাকী শুয়ে আছে কবরে। আজ তাদের সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতও কেউ নেই। আসলেই তাদের কেউ চিনে না আর।

গোরস্থানের সারি সারি কবরের মাঝে তার কবর কোনটা? খুঁজে বের করতে পারে না তার বংশধরেরাও। অথচ তাদের নাম শুনলে একসময় থরথর করে কাপতো মানুষ। তাদের কবরের উপর দিয়েই আজ শিয়াল কু*কু*র হেঁটে যায়।

- কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মাউত.!
- মৃত্যুর স্বাদ একদিন সবাইকে গ্রহণ
করতে হবে!

আল্লাহ আমাকে এবং সবাই কে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করুক, আমিন!❤️

08/05/2026


যিনা হলো বান্দার জন্য কর্জ স্বরূপ। একদিন বিকেলে ইউসুফ পানির মশক নামিয়ে রাখতে এসেছিল। ফাতেমা বেগম একা ছিলেন ঘরে। সেদিন জ...
07/05/2026

যিনা হলো বান্দার জন্য কর্জ স্বরূপ।

একদিন বিকেলে ইউসুফ পানির মশক নামিয়ে রাখতে এসেছিল। ফাতেমা বেগম একা ছিলেন ঘরে। সেদিন জানি কী হলো ইউসুফের — শয়তান তার মনে কুমন্ত্রণা দিল। সে ফাতেমা বেগমের হাত ধরে ফেলল। এক মুহূর্ত কামভাবে হাত চেপে ধরেই দ্রুত বেরিয়ে গেল।

ফাতেমা বেগম পাথরের মতো দাঁড়িয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর হাত দুটো বুকের কাছে চেপে ধরে কেঁদে ফেললেন।

*পনেরো বছর! পনেরো বছর ধরে এই ছেলে এই ঘরে এসেছে। শেষে...*

সন্ধ্যায় রহিম সওদাগর ঘরে ফিরে দেখলেন স্ত্রীর চোখ লাল, মুখ গম্ভীর। জিজ্ঞেস করলেন, "কী হয়েছে তোমার?"

ফাতেমা বেগম সব খুলে বললেন।

রহিম সওদাগর চুপ করে রইলেন কিছুক্ষণ। তারপর তার চোখও ভিজে উঠল।

ফাতেমা বেগম অবাক হয়ে বললেন, "তুমি কাঁদছ কেন? দোষ তো ইউসুফের!"

রহিম সওদাগর মাথা নিচু করে বললেন, "না। দোষ আমার।"

"মানে?"

"আজ দুপুরে এক মহিলা দোকানে এসেছিল চুড়ি কিনতে। পছন্দ করে বলল হাতে পরিয়ে দিতে। পরাতে গিয়ে দেখি হাতটা নরম, সুন্দর। শয়তান আমার মাথায় চাপল। আমিও কামভাবে তার হাত চেপে ধরেছিলাম।"

ফাতেমা বেগম স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন নিঃশব্দে।

রহিম সওদাগর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "আল্লাহ বদলা নিয়েছেন। ঠিক সেদিনই, ঠিক একইভাবে।"

সেই রাতে দুজনে দীর্ঘক্ষণ নামাজ পড়লেন। রহিম সওদাগর তাওবা করলেন — খাঁটি দিলে, চোখের পানি ফেলে।

পরদিন সকালে ইউসুফ মশক কাঁধে নিয়ে এল। কিন্তু দরজায় দাঁড়িয়ে সে আর ভেতরে ঢুকতে পারছিল না। মাথা নিচু, মুখ লাল।

ফাতেমা বেগম দরজা খুলতেই সে মাটির দিকে তাকিয়ে বলল, "খালাম্মা, গতকাল শয়তান আমাকে পথ ভুলিয়েছিল। আমি খাঁটি মনে তাওবা করেছি। আপনি যদি মাফ না করেন তাহলে আল্লাহর কাছে কী জবাব দেব?"

ফাতেমা বেগম চুপ করে রইলেন এক মুহূর্ত। তারপর বললেন, "আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন।"

---

সেদিন রাতে রহিম সওদাগর স্ত্রীকে বললেন, "দেখলে? আমি যখন তাওবা করলাম, সে-ও তাওবা করল। আল্লাহর নিয়ম নীতি কত নিখুঁত।"

তারপর একটু থেমে বললেন, "ইমাম শাফিয়ি (রহঃ) বলেছিলেন — *যিনা হলো বান্দার জন্য কর্জ স্বরূপ। সেই কর্জ তার নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমেই শোধ করা হয়।*"

ঘরে তখন গভীর নীরবতা। বাইরে বুখারার রাত নেমে আসছিল ধীরে ধীরে।

---

*যে অন্যের সম্মানে হাত দেয়, সে আসলে নিজের ঘরেই আগুন লাগায় — শুধু সময়ের অপেক্ষা।*
গল্পের একদম শেষে এই অংশটুকু যোগ করা যায়

*যে যুবক ভাবে — "এটা তো ছোট্ট একটা গুনাহ, কেউ দেখেনি" — সে ভুলে যায় যে আল্লাহর আদালতে কোনো ফাইল হারিয়ে যায় না। বদলা আসে নীরবে, অপ্রত্যাশিতভাবে — কখনো তার বোনের উপর দিয়ে, কখনো তার স্ত্রীর উপর দিয়ে, কখনো তার মেয়ের উপর দিয়ে।*

*তাই নিজেকে জিজ্ঞেস করো — তুমি কি চাও অন্য কেউ তোমার বোনের দিকে সেই চোখে তাকাক, যে চোখে তুমি আজ অন্যের বোনের দিকে তাকিয়েছ?*

*উত্তর যদি "না" হয়, তাহলে আজই তাওবা করুন। এখনই। কারণ কর্জ কিন্তু জমতে থাকে — সুদসহ।
তাওবার দরজা এখনো খোলা। কিন্তু কর্জ যত বাড়বে, শোধ করতে তত কষ্ট হবে — এবং সেই কষ্ট শুধু আপনার একার হবে না।" জিনা করার আগে পরিণতির কথা ভাবুন।

মানুষ পারেও, ইসলামকে এরা কলুষিত করে ফেলছে, এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো, না হয় দেখা যাবে, এদের সান্নিধ্যে যারাই যাবে তারাই ...
06/05/2026

মানুষ পারেও, ইসলামকে এরা কলুষিত করে ফেলছে, এদের থেকে দূরে থাকাই ভালো, না হয় দেখা যাবে, এদের সান্নিধ্যে যারাই যাবে তারাই এরকম ফেতনায় আটকে যাবে। মাসনা করেছেন বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী। মাসনা করেছেন, প্রথমার অনুমতি এবং জরুরত সাপেক্ষে করতেই পারেন। সমস্যা নাই। কিন্তু, এই ছবিটা দেখার পর মনে হচ্ছে: তিনি যেহেতু এই লোকের সান্নিধ্যে গিয়েছেন, তিনি মাসনাতে সীমাবদ্ধ থাকতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই সুলাসা-রুবায়াও হয়ে যাবে।

তিনি যার সাথে বৈঠক করেছেন, যার সংস্পর্শে এসেছেন, এই লোক কোনো সুবিধার লোক না।
এই লোকটা একাধিক বিয়েকে ফ্যান্টাসি বানিয়ে রেখেছে। এছাড়া, মনগড়া বার্তা ও ফিতনাহ
ছড়ানোতেও অনেক বড় ভূমিকা রাখছে।

এই মামুনুর রশিদ ক্বাসেমী সুস্পষ্ট ফিতনাবাজ লোক। এই বেডার এক্টিভিটি দেখলে মনে হয়: এই লোকটা পৃথিবীতে আসছেই বিয়ে করার জন্য।

তোমরা যারা বলো একাধিক বিয়ে করা সুন্নাহ। (অথচ এটি সুন্নাহ নয়, বরং মোবাহ)
তোমাদের এই সবক যেই পাগল শিখিয়েছে সে অলরেডি ৯ টি আস্বাদন করে ফেলেছে।
হয়তো ১০০ ছাড়িয়ে যাবে। (বয়স বিবেচনায় এমনটি হওয়া স্বাভাবিক) একটি সাক্ষাৎকারে ১০০ করার ইঙ্গিত দিয়েছে।
তোমরা শোনো!
এরা তোমাদের কে সুন্নাহের কথা বলে নিজেদের খাহেশ পুরা করে।
একটা প্রশ্ন করিও তোমার বস্ কে:-
"একাধিক বিয়ে করা সুন্নাহ। কিন্তু তালাক দেওয়া কি?"
(হাদিসে এসেছে:- তালাক হলো নিকৃষ্ট হালাল কাজ)
তোমাদের মুরুব্বি কিন্তু ১০০ পূরণ করতে গিয়ে তালাকের এপ্লাই করবে। যেভাবে ৯ পূর্ণ করতে তালাকের এপ্লাই করেছে।
না, মানে শোনো!
সুন্নতে ভরা জিন্দেগীতে তালাক আসে কোথা থেকে?
মাথা থেকে গোবর বের করে একটু মশলা পাতি ঢুকাও।

ফজরের নামাজ পড়ার সৌভাগ্য কার কার হয়েছে?
06/05/2026

ফজরের নামাজ পড়ার সৌভাগ্য কার কার হয়েছে?

একটা জিনিস আমি খুব খেয়াল করেছি, মানুষ যেমনটা চায়, আল্লাহ ঠিক তেমনই মিলিয়ে দেন।কয়টা উদাহরণ দেই। পরিচিত একজনকে দেখেছি,...
05/05/2026

একটা জিনিস আমি খুব খেয়াল করেছি, মানুষ যেমনটা চায়, আল্লাহ ঠিক তেমনই মিলিয়ে দেন।

কয়টা উদাহরণ দেই। পরিচিত একজনকে দেখেছি, বাচ্চার বয়স কমিয়ে বলতো যেন পরিবহনের টিকিট কাটতে না হয়, বা হাফটিকিট কাটলেই হয়। কিছুদিন পর দেখা গেল, বাচ্চার গ্রোথ আটকে আছে। টিকিটের টাকা এখনো বেঁচে যাচ্ছে, কিন্তু এখন বাচ্চার ওষুধ আর সাপ্লিমেন্ট কিনতে টাকা বেশি খরচ হচ্ছে।

আরেকজনকে দেখেছি, ছেলের বয়স সার্টিফিকেটে অনেক কমিয়ে রেখেছে, যেন সরকারি চাকরিতে এপ্লাই করার জন্য বেশিদিন সুযোগ পায়। তার সরকারি চাকরি ঠিকই হয়েছে, তবে বহুবার পরীক্ষা দিয়ে, আর অরিজিনাল বয়স ৩০ বছর পার করে।

আরেকজনকে চিনি, বিয়ের আগে শ্বশুরবাড়ি খুব প্রভাবশালী হবে এমন চাইতো। এরকম আত্মীয়-স্বজন থাকলে নাকি বিপদে আপদে বহু কাজে লাগে। অতঃপর তার বিয়ে হয়েছে মনমতো, সাথে একের পর এক বিপদও লেগে আছে।

এরকম আরো বহু উদাহরণ দিতে পারবো। শুধু নেগেটিভ না, পজিটিভ অনেক ঘটনাও কিন্তু আছে।

যেমন, এক ভাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুদি ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। মাঝে কয় বছর পরীক্ষার ভেতর দিয়ে গেলেও আজ তার আরো ভালো কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে, তার সন্তানেরা সবাই হাফেজ ও আলেম হওয়ার পথে।

আরেকজন নিজ ছেলেকে স্টুডেন্ট অবস্থায় বিয়ে দিয়েছিল। ছেলের পড়াশোনা ব্যাহত হবে, ছেলের বউকে পালতে হবে- এসব নিয়ে দুশ্চিন্তা করেননি। আজ তার ছেলে পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছে, আর তার ঘর জুড়ে অনেক নাতি-নাতনির মেলা।

আরেকজনের গল্প শুনেছি, গর্ভে থাকা কালীন তার বাচ্চার জটিল রোগ ধরা পড়ে। বিদেশের ডাক্তাররা এবর্শনের করা বললেও তিনি আল্লাহর উপর ভরসা করেন। পরবর্তীতে তার বাচ্চা সম্পূর্ণ সুস্থ জন্ম নেয়, সুবহানাল্লাহ! এরপর তিনি নিজেকে ও সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় সপে দেন।

আসলে, মানুষ যখন জীবন নিয়ে ইতিবাচক চিন্তা করে, আল্লাহ তাকে হুবহু এক না হলেও উত্তম কোন ব্যবস্থাই করে দেন। আর সে যদি আল্লাহর উপর ভরসা করে কিছু ছাড় দেয়, তখন তিনি আরও বারাকাহ দান করেন।

রিজিক ব্যাপারটা এমনই রহস্যময়! এর পিছনে ছুটলে ধরা যায় না; কিন্তু চোখ বন্ধ করে আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেই আপনাআপনি কাছে এসে ধর্না দিবে- কখনো কখনো কল্পনার থেকেও বহুগুণ বেশি হয়ে!

৫ মে, ২০১৩শাপলা চত্বর — ইতিহাসের একটি কালো রাতের কথা যা আজও ভোলা যায় না. ২০১৩ সালের ৫ মে। ঢাকার মতিঝিলে শাপলা চত্বরে লক...
05/05/2026

৫ মে, ২০১৩
শাপলা চত্বর — ইতিহাসের একটি কালো রাতের কথা যা আজও ভোলা যায় না.

২০১৩ সালের ৫ মে। ঢাকার মতিঝিলে শাপলা চত্বরে লক্ষাধিক মানুষের ঢল। হেফাজতে ইসলামের ডাকে সারা দেশ থেকে আসা মানুষ — তাদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিলো না,

যৌক্তিক কিছু দাবী আদায়ের লক্ষে লাখো জনতা এক হয়ে ছিলেন.
তাদের দাবি ছিল
নাস্তিক ব্লগারদের বিচার করা
ইসলাম-বিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করা
নারীনীতি আইন সংশোধন করা — মোট ১৩ দফা

রাত যখন গভীর হলো। মানুষ তখনও রাজপথেই অবস্থান করছে। তারপর, তারপর কি হল, তা আর বিশ্লেষণ করতে চাই না— গভীর রাতে, ভোরের আঁধারে — বিদ্যুৎ গেল। এলাকা অন্ধকারে ডুবে গেল। সেই অন্ধকারে শুরু হলো অভিযান। কি নৃশংস হত্যাকান্ড চললো হাসিনা বাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি, — সম্মিলিত বাহিনী নামলো নিরস্ত্র মানুষের উপর!!

"সরকার বলল — পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
হেফাজত বলল — শত শত লাশ গুম করা হয়েছে। সত্যিটা আজও আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হয়নি।"

কোনো স্বাধীন তদন্ত হয়নি। নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আজও অজানা। যারা মারা গেছেন — তাদের নামও ইতিহাসের পাতায় স্থান পায়নি।

এই দিনটিকে তাই অনেকে ডাকেন গণহত্যা দিবস বলে। বিচার হয়নি। স্বীকৃতি নেই। কিন্তু স্মৃতি মুছে যায় না।

আলো নিভিয়ে যা করা হয়েছিল সেদিন রাতে —
ইতিহাস তার হিসাব একদিন নেবেই নিবে ইনশাল্লাহ ।

Address

Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোর পথ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share