Al Asar Foundation আল আসর ফাউন্ডেশন

Al Asar Foundation আল আসর ফাউন্ডেশন দান করতে পারা এক মহৎ গুণ। ইচ্ছা করলেই কেউ দান করতে পারে না! যতক্ষণ না আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওফিক হয়।

আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ❤️
16/09/2024

আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ❤️

27/07/2024
14/07/2024

একজন সাহাবী স্বপ্নে দেখেন তিনি নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কপালে চুমু দিচ্ছেন।

সকাল হলো। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন, "ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি গতো রাতে স্বপ্নে দেখলাম আমি আপনার কপলে চুমু দিচ্ছি।"

নবিজী বললেন, "তুমি চাইলে তোমার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারো।"

কথাটি শুনামাত্র সাহাবী উঠে দাঁড়ালেন। এগিয়ে গিয়ে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কপালে চুমু দিলেন!

তাঁর নাম ছিলো খুযায়মা ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু। তাঁকে বলা হতো 'জু-আশ-শাহাদাতাইন' বা দু সাক্ষ্যের অধিকারী। তাঁর একার সাক্ষ্যকে দুজনের সাক্ষ্য হিশেবে ধরা হতো।

14/06/2024

"একবার শায়খুল হাদিস মুফতি তাকি উসমানী কে জিজ্ঞাসা করা হল, জীবনের সারকথা কী?

তিনি উত্তরে ২০টি সুক্ষ্ম বিষয়ের কথা তুলে ধরেন:

১. সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় কর।
২. চেষ্টা কর সারা জীবনে কেউ যেন তোমার অভিযোগ অন্য কারো কাছে না করে। আল্লাহর কাছে কখনই না।
৩. বংশীয় লোকদের সাথে কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করো না। ক্ষতি হলে মেনে নিও, তবে বিরোধিতা করো না। পরে ভালো ফল পাবে।
৪. কোথাও এ কথা বলো না যে, আমি আলেম। আমার সাথে অনুগ্রহ করেন। এটি কখনই কাম্য নয়। চেষ্টা কর দ্বীনদারী হয়ে চলার।
৫. সর্বোত্তম দস্তরখান হল নিজ ঘরের দস্তরখান। যে রিজিক পাবে তাই রাজার হালে খাবে।
৬. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো থেকে আশা করো না।
৭. প্রত্যেক আগামী দিনে পরিশ্রম বৃদ্ধি কর।
৮. বিত্তশালী ও অহংকারী ব্যক্তি থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।
৯. প্রতিদিন সকালে কিছু দান খয়রাত কর। আর সন্ধ্যায় এস্তেগফার পাঠ করার অভ্যাস কর।
১০. নিজের কথার মাঝে মিষ্টতা তৈরি কর।
১১. উচ্চস্বরে কথা বলো না। এমনকি ছোট বাচ্চাদের সাথেও নয়।
১২. যে জায়গা থেকে তোমার রিজিকের ব্যবস্থা হচ্ছে সে জায়গাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসো। যেমন সম্মান করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৩. চেষ্টা কর সারা জীবনে সফল মানুষদের সাথে ওঠাবসা করবে। একদিন তুমিও তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
১৪. প্রত্যেক সেক্টরের যোগ্য ব্যক্তিদের সম্মান কর। তার সামনে আদবের সাথে আসা উচিত। হোক সে যে কোন ময়দানের।
১৫. পিতা মাতা, শিক্ষক ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে যেমন উত্তম আচরণ করবে তেমন রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
১৬. সব কাজে মধ্যমপন্থা গ্রহণ কর।
১৭. জন সাধারণের সাথে সম্পর্ক রেখ। তাদের থেকে অনেক কিছু শেখা যায়।
১৮. একজনের অভিযোগ অন্যের কাছে না করা। অভিযোগকারীকে আমাদের নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপছন্দ করতেন।
১৯. সব কথা ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন কর। এর দ্বারা অনেক সমস্যার সমাধান হয়।
২০. বড়দের বৈঠকে চুপ থেক।
সর্বশেষ এই দুয়া শিখে সর্বদা পাঠ কর। পেরেশান অবস্থায় অনেক উপকারে আসবে।رَبَّنَا آتِنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً وَهَيِّئْ لَنَا مِنْ أَمْرِنَا رَشَدًا

09/05/2024

জীবরীল (আ) একদিন আল্লাহর রাসূলকে (স) বললেন, “ইয়া মুহাম্মাদ, আপনার জন্য পাঁচটি উপদেশ,

১) যা-ই করুন না কেন, মৃত্যু একসময় আসবেই। অর্থাৎ, জগতের মাঝে নিজেকে একেবারে জড়িয়ে ফেলবেন না। কেননা, আমাদের উদ্দেশ্য এ জগতকেন্দ্রিক নয়।

২) কাউকে যতই ভালোবাসুন না কেন, বিচ্ছেদ একসময় আসবেই। এ জগতের মানুষের সাথে বেশি জড়িয়ে যাবেন না। কেননা, এক না একদিন আপনাকে তাদের থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে।

৩) যা ইচ্ছা করুন, তবে মনে রাখবেন প্রত্যেককে নিজ নিজ কাজের প্রতিদান দেওয়া হবে। অর্থাৎ, জগতের প্রতিটি কাজের প্রতিদান পরকালে পাওয়া যাবে।

৪) জেনে রাখুন, 'কিয়ামুল লাইল' অর্থাৎ, রাতের সলাতের মাঝে মুমিনদের মর্যাদা রয়েছে।

৫) নিজের ইজ্জত, সম্মান, মর্যাদা এগুলোর জন্য মানুষের মুখাপেক্ষী না হওয়া। শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক সবদিক থেকে অন্যের উপর নির্ভরশীল না হওয়ার চেষ্টাতেই প্রকৃত সম্মান নিহিত।"

[আল মুস্তাদরাক আলাস সহিহাইন, ৭৯৯১। আত তারগিব ওয়াত তারহিব, ১/৪৮৫। আল মুজামুল আওসাত, ১২০৮।]

এই দুনিয়ার প্রত্যেক টা মানুষ সফলতার পিছনে ছুটে।। তারা ভাবে,,অনেক টাকার মালিক হতে পারলে সফল হব।কেউ বা ভাবে অনেক বড় আলেম হ...
01/05/2024

এই দুনিয়ার প্রত্যেক টা মানুষ সফলতার পিছনে ছুটে।।
তারা ভাবে,,অনেক টাকার মালিক হতে পারলে সফল হব।
কেউ বা ভাবে অনেক বড় আলেম হতে পারলে,চতুর্দিকে, আমার নাম-ডাক, ছড়ালে সফল হতে পারব।

কেউ ভাবে আমাকে ইসলামী বিশেষজ্ঞ হিসেবে, অনেক খ্যাতী অর্জন করতে হবে।
তাহলেই আমি সফল।
কেউ মনে করে, আমাকে অনেক বড় ইসলামী স্কলারের খেতাব অর্জন করতে হবে। তবেই আমি আমার সমসাময়িক আলেম দের শিরোমণি হব,আর এটাই হবে আমার সফলতা।

কেউ ভাবে আমাকে অনেক বড় লেখক হতে হবে। যেন এক নামে আমাকে সবাই চিনে।তবেই আমি আমার বন্ধুদের মধ্যে ও হতে পারব বিশেষ ব্যাক্তীত্ব! আর এটাই আমার সফলতা!

কেউ ভাবে,আমি যদি অনেক বড় সেলিব্রিটি হতে পারি তাহলেই কেবল সফল হব।
কেউ মনে করে, আমার ক্যারিয়ারের সফলতা কেবলই প্রাচুর্যের মধ্যে।

আবার কেউ বা ভাবে,আমাকে,আমার আত্বীয় স্বজন সবার মধ্যে, বন্ধু বান্ধব,কলিগ, পাড়া প্রতিবেশী সবার থেকে, সবচেয়ে বেশি বড়লোক হতে হবে, তাহলেই কেবল আমি সফল হব।
কেউ ভাবে আমাকে অনেক বড়, বিজন্যাস ম্যান হয়ে দেখাতে হবে, যেন আমার কাছাকাছি কেউ পৌঁছতে না পারে।
তবে আমি হব একজন সফল ব্যাক্তীত্ব।

কেউ মনে করে আমার ফিগার এর সৌন্দর্য,ফিটন্যাস ধরে রাখতে হবে। আমার যতই বয়স হোক তবুও আমাকে কমবয়সী দেখতে লাগতে হবে। তাহলেই আমি আমার সমবয়সী দের মধ্যে ও সফল হব।

যে যাই ভাবুক,এমন সফল হবার জন্য যে যেই, পন্থাই বেছে নিক,কিন্তু সবাই, যারা, যেই বিষয়ে সফল হতে চায়,তার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করে যায়।
না! তাকে থাকা যাবে না।
তাকে অবিরাম দৌড়াতে হবে সফলতার পিছনে।
এমন ভাবে ছুটতে হবে যেন কেউ তাকে পিছনে ফেলতে না পারে। তাকে সবার থেকে এগিয়ে যেতেই হবে, সে যেভাবে হোক,যেমন ভাবে হোক বা যে কোন মুল্যেই হোক!

কিন্তু তোমরা কি জানো?
আসল সফলতা কোথায়?
আসল সফলতা পাওয়া যায় মরনের পরে।
এই দুনিয়ায় কেউই জানে না, সে সত্যিই সফল হতে পারবে কিনা!
দুনিয়ার সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে গেলেও কেউ বলতে পারবে না, এটাই সফলতা!
কারন দুনিয়ায় যতই নাম যশ,খ্যাতী,সম্পদ, সৌন্দর্য আর সেলিব্রিটি হোক না কেন,,যদি ঈমান নিয়ে মরতে না পারে, এবং আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও ক্ষমা অর্জন করতে না পারে তাহলে তার সারা জীবনের সকল পরিশ্রম, সকল অর্জন সব কিছুই বৃথা!
যার পিছনে সে তার সর্বোচ্চ শ্রম ও সময় টুকু খরচ করেছে তার মধ্যে যদি একটা কাজ ও আল্লাহ তায়ালার পছন্দ না হয় তাহলে সে এই দুনিয়ার সব পেয়ে গেলেও একজন চরম ব্যার্থ মানুষে পরিণত হবে।

তাইতো আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, সফলতা কোথায়?? আমি বলব, সেটা বেঁচে থাকতে কখনোই জানতে পারব না।
মরে গেলেই বুঝতে পারব সত্যিই আমি সফলতা পেয়েছি কিনা।যদি আমার রব, আমার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান, এবং তার সন্তুষ্টি নিয়ে মরতে পারি তাহলেই কেবল সফল হব।আর সেই সফলতাই হবে চিরস্থায়ী সফলতা।
যার ফলাফল ও হবে চিরস্থায়ী ইনশাআল্লাহ।

26/04/2024

হালাল রিযিক, বিয়ে শাদী, সুস্থতাসহ বিভিন্ন ইচ্ছা পুরনের জন্য আমল জানতে চেয়ে প্রায় সময়ই ম্যাসেজ আসে।

এসব প্রশ্নের উত্তরে কোন একটি যিকির যদি ডেইলি নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়তে বলা হয়, প্রশ্নকর্তা খুশি হন বেশ। ইনফ্যাক্ট তাদের অধিকাংশ এটাও জানতে চান না যে, এই যিকিরটার অর্থ কি?

এর বিপরীতে যদি কখনো জবাব দেই, আপনার সমস্যা দুর হওয়ার জন্য আপনি বেশি বেশি দুআ করুন। দুআ কবুলের যে সময়গুলো আছে, সেসময় বারবার চাইতে থাকুন। প্রশ্নকারী ব্যক্তিটি সন্তুষ্ট হতে পারেন না। “এগুলো তো করবো। কিছু আমলও বলে দেন।”....

খারাপ লাগে এজন্য যে, কোন একটি কাজের জন্য বিশেষ আমল, কুরআন সুন্নাহ দ্বারা প্রমানিত হলে সেটি করতে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু দুআকে হালকা ভাবে কেন নেয়া হয়? বিশেষ করে, যখন আপনি জানেন না এই ব্যাপারে আমল কি, তখন আপনি নিজ ভাষাতেই আপনার রবকে বলুন না!

দুআ অর্থ কি? দুআ অর্থ ডাকা। কে ডাকছে,কাকে ডাকছে? চরম দুর্বল, অসহায়, একজন পাপী ডাকছে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তার রবকে। যিনি রহমান, যিনি রহীম।

যিনি অগোছালো শব্দমালাকেও পড়তে পারেন। যিনি বোবার ভাষাও বুঝেন। যার “কুন” বলার সাথেই সব হয়। যার আদেশ ছাড়া একটি পাতাও নড়ে না। যাকে ডাকার দ্বারা তাকদীর পর্যন্ত পরিবর্তন হয়ে যায়। যার সামনে কিছু আর্জি পেশ করারও প্রয়োজন হয় না, দুহাত তুলে কাঁদতে থাকলে, তিনি ঠিকই বুঝে নিতে পারেন, এ কান্নার পেছনের কষ্টগুলো।

এমন রবের কাছে না চেয়ে আর কার কাছে চাইবো? তিনি না দিলে আর কে আছে দেয়ার মত?....

জুবায়ের ওয়াসিম।

মানুষ আপনাকে খারাপ বলবে,আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করবে,অগ্র পশ্চাতে আপনার নিন্দা করবে,আপনাকে হাসির পাত্র বানাবে,,তাতে আপনার ক...
17/04/2024

মানুষ আপনাকে খারাপ বলবে,আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করবে,অগ্র পশ্চাতে আপনার নিন্দা করবে,আপনাকে হাসির পাত্র বানাবে,,তাতে আপনার কি আসে যায়??

আপনি নিজে তো নিজেকে চিনেন তাইনা??
আর আপনি নিজে, নিজের সম্পর্কে এটাও জানেন,যে আপনার রবের সাথে আপনার সম্পর্ক কি!
তাহলে মানুষের কথায় কান দেওয়ার কি দরকার??

মানুষ আপনার ক্ষতি করার চেস্টা করবে,
আপনার সাথে শত্রুতা করবে,আপনার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলাবে,আপনাকে নিয়ে গসিপ করবে, আপনার সুখ শান্তি বিনস্ট করে দেওয়ার পায়তারা করবে!

কিন্তু আপনি তো জানেন,আপনার রব, আপনার জন্য যা নির্ধারণ করেছেন, যত টুকু কস্ট বা সুখ আপনার রিজিকে লেখা আছে, এর বেশি কেউ কিচ্ছু আপনাকে দিতে পারবে না বা কিছু ছিনিয়ে ও নিতে পারবে না !
তাহলে এসব হীন মানুষের, হীন কর্মকাণ্ড গুলো কেন আপনাকে কস্ট দিতে পারবে??

আপনার মন খারাপ হয়,মেঘলা দিনের, ঘনকালো অন্ধকার এর ঝুপ ঝুপ ঝর্নাধারার মতোই আপনার অন্তর এর ভিতর ঝুম বৃস্টি নামে।।আপনি কাদেন,আপনি খুব একাকী অনুভব করেন।আপনার হৃদয়ের ব্যাথা গুলো অনুভব করানোর মতো এধরায় আর কাউকেই খুজে পান না।।।

আপনি আকাশ পানে চোখ তুলে তাকান,আপনি আপনার রবের নিকট খুলে বলুন,আপনার সব যন্ত্রণা, আপনি আপনার হৃদয় চিড়ে দেখান,আপনার একমাত্র মালিক কে, সেখানে জলজল করে জলে উঠে, কত ক্ষত আর ব্যাথা!

বিশ্বাস করুন, দুনিয়ার কেউ আপনাকে, না বুঝতে পারলেও আপনার রব বুঝতে পারেন। আপনার প্রতিটি ক্ষতের, তীব্র যন্ত্রণা, কত টা ভয়ংকর, তার সবটাই শুধু আপনার রবই অনুভব করতে পারেন।কারন তিনিই যে আপনার সৃস্টিকর্তা!!

তাই হতাশ হবেন না, দুনিয়ার কেউই আপনার চোখের জলের নুন্যতম মুল্য না দিলে ও আপনার রব ঠিকই দিবেন।।
কাদতে ইচ্ছে করলে খুব কাদবেন,কিন্তু আপনার চোখের এক ফোটা জল ও যেন এই স্বার্থপর দুনিয়ার কোন মানুষের দৃস্টিগোচর না হয়।।
আপনি একাকী অনুভব করলে ও একাকীত্বের সংগী হিসেবে আপনার রব কেই আপন করে নিন।
দেখবেন এভাবে একদিন আপনার সব হতাশা দূর হয়ে যাবে।
আপনার যন্ত্রণা গুলো উপশম হবে। আর আপনার হৃদয়ে বইবে প্রশান্তির ঝর্নাধারা!!

এভাবে একদিন আপনার রব আপনার সকল না পাওয়া গুলো, পাওয়ায় পরিনত করে দিবেন।তখন আপনাকে কস্ট দেওয়া মানুষ গুলো পরাজিত হবে। আপনার সুখে আবার ও তারা কস্ট পাবে এবং তাদের অন্তর আগের থেকে ও আরও তীব্রবেগে জলে পুড়ে ছাড়খার হয়ে যাবে ।কিন্তু আপনি হাসবেন বিজয়ীর হাসি!!

আপনার সময় গুলো সুন্দর কাটবে,আপনার একাকীত্ব ও দূর হবে।। আর আপনার কখনোই মন খারাপ হবে না যখন আপনি জানবেন,এই দুনিয়ায় আপনার কেউ না থাকলে ও আপনার রব কখনোই আপনাকে ছেড়ে যায়নি আর কখনো ছেড়ে যাবেন ও না।

13/04/2024

চাওয়ার সাথে সাথে না পেলে একথা ভেবে সবর করে নিব যে, গুনাহ করার সাথে সাথে শাস্তিও তো আসছে না!

31/03/2024

#প্রশ্নঃ
• লাইলাতুল কদরের নামাজ কিভাবে পরবো?

• নিয়তে কি বলবো?

• নামাজের দুয়া টা কি?

• সূরা কদর টা কি পড়তেই হবে?

• নামাজে সূরাহ কদর পড়ার নিয়ম কি?

• কদরের দুয়া ও মুনাজাত কি?

#উত্তরঃ
• লাইলাতুল কদরের আলাদা কোন নামাজ নেই।
ইশার পর তারাবি ও মাঝ রাতে তাহাজ্জুদ পড়বেন।
২/২ রাকাত করে যত খুশি তত আপনি এই রাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
বিতর নামাজ পরে নিবেন সবার শেষে।

• “নাওয়াইতু আন উসল্লি” এই রকম কোন নিয়ত নেই।
মনে মনে ভাবলেই হবে আপনি এখন তারাবি বা তাহাজ্জুদ পড়ছেন।

• নামাজের আলাদা কোন দুয়া বা মুনাজাত নেই।

• সুরাহ আল কদর পড়া জরুরি না।
না পড়লেও সমস্যা নেই।
যেই সুরাহ গুলো জানেন সেগুলা দিয়েই নামাজ পড়বেন।

• সুরাহ আল কদর পড়ার কোন নিয়ম নেই।
অনেকে ৩ বার করে পড়েন।
এইসব আমল সহিহ বা বাধ্যতামূলক নয়।

• লাইলাতুল কদরের যেমন আলাদা কোন নামাজ নেই তেমন দুয়া ও মুনাজাত ও নেই।
নিজের মত করে দুয়া করবেন।
আর সারাদিন রাতই এই
দুয়া করবেন বেশি বেশি,

ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌّ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨِّﻲ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নী।“(আরবি উচ্চারন দেখে পড়বেন)

অর্থঃ হে আল্লাহ্! নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করাটা আপনি পছন্দ করেন।
সুতরাং আমাকে ক্ষমা করে দিন।

২০ রাকআত তারাবী পড়ার পর টাইম থাকলে চাইলে যত রাকআত ইচ্ছে নফল নামাজ পড়তে পারেন।
তারপর মাঝ রাত হতে শেষ রাত পর্যন্ত তাহাজ্জুদ পড়তে পারেন।
আলাদা কোন নিয়ম নেই।
নফল নামাজ যেভাবে পড়া হয় সেভাবেই পড়বেন।
জুবায়ের ওয়াসিম

দান করতে পারা এক মহৎ গুণ। ইচ্ছা করলেই কেউ দান করতে পারে না! যতক্ষণ না আল্লাহর পক্ষ থেকে তাওফিক হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Asar Foundation আল আসর ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share