Sunnah & Iman সুন্নাহ ও ঈমান

Sunnah & Iman সুন্নাহ ও ঈমান Education for all Sunnah – Refers to the practices and traditions of the Prophet Muhammad (PBUH).

The Sunnah, alongside the Quran, forms the foundation of Islamic law (Sharia). Iman (Faith) – Represents belief in the six articles of faith in Islam: belief in Allah, angels, holy books, prophets, the Day of Judgment, and predestination.

16/04/2025

ইসলামের ৫টি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে 'যাকাত' অন্যতম।
নামাজ, রোজা, হজ পালনের মত 'যাকাত' একটি ফরজ রোকন ও ইবাদত।
কারো জিম্মায় যদি আনুমানিক ৭.৫ ভরি (কম/বেশি) স্বর্ণ এক বছর যাবত গচ্ছিত থাকে অথবা আনুমানিক ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা এক বছর যাবত জমা থাকে তবে তার উপর 'যাকাত' ফরজ হয়।
কেউ যদি ফরজ হবার পর 'যাকাত' না দেয় তবে অন্যান্য ফরজ ইবাদত ছেড়ে দেয়ার মত শক্ত গুনাহ হবে এবং কঠিন আযাবে গ্রেফতার হতে হবে।
'যাকাত' গরীবের হক। ইসলামী জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে ধনী গরিবের ভেদাভেদ নির্মুল করে সাম্যতা সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার।
'যাকাত' আদায়ের দ্বারা সম্পদ পরিশুদ্ধ হয়। সম্পদ বৃদ্ধি পায়। রুজিতে বরকত হয়। সৃষ্টকর্তার নৈকট্য অর্জন করা যায়।
'যাকাত' আদায় করা এবং এর হিসেব খুবই সহজ। গচ্ছিত সম্পদের ২.৫ শতাংশ 'যাকাত' দিতে হয়। অর্থাৎ প্রতি একশত টাকায় ২.৫/- হিসেবে 'যাকাত' হিসেব করতে হয়। এই হিসেবে তিন লক্ষ টাকার 'যাকাত' হবে মাত্র ৭,৫০০/-।
৮ শ্রেণিকে 'যাকাত' দেয়া যায়। এগুলোকে 'যাকাত' প্রদানের খাতও বলা হয়। ৮টি খাতের মধ্যে দুস্থ ও ঋণগ্রস্থ আত্মীয়/ব্যক্তি, দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুসাফির, 'যাকাত' আদায়কারী অন্যতম। সবচেয়ে উত্তম হয় যদি কাউকে 'যাকাত'-এর অর্থে সাবলম্বি করে দেয়া যায়।
আমি নিজে 'যাকাত' আদায় করি। অন্যকে উৎসাহিত করি।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন এবং 'যাকাত' আদায়ের মন ও চেতনা দান করুন।
আমিন।

15/04/2025

একজন নেককার আমলওয়ালা মহিলা ৭০ জন আউলিয়ার চেয়ে উত্তম। পক্ষান্তরে একজন বদকার মহিলা এক হাজার বদকার পুরুষের চেয়েও নিকৃষ্ট।

একজন গর্ভবতী মহিলার রাতগুলো ইবাদতে এবং দিনগুলো রোজাদার হিসেবে গণ্য করা হয়। উপরন্্তু একজন গর্ভবতী মহিলার দু' রাকাত নামাজ সাধারণ মহিলার ৮০ রাকাত নামাজ অপেক্ষা উত্তম।

একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে ৭০ বৎসরের নফল নামাজ ও রোযার সাওয়াব ঐ মহিলার আমলনামায় লিখা হয় এবং প্রসবের সময় যে ব্যথা হয় প্রতিবারের ব্যথার কারণে ঐ মহিলাকে এক একটি মকবুল হজ্জের সাওয়াব প্রদান করা হয়। সন্তান প্রসবের ৪০ দিনের ভিতর মারা গেলে ঐ মহিলাকে শাহাদাতের মর্যাদা প্রদান করা হয়।

যে মহিলা বাচ্চাকে দুধ পান করায় প্রতিটি ফোটা দুধের বিনিময়ে এক-একটি নেকি সে লাভ করতে পারে। যদি বাচ্চা কাঁদে আর মা অসন্তুষ্ট না হয়ে বাচ্চাকে দুধ পান করায় তাহলে আল্লাহ্‌পাক খুশী হয়ে ঐ মহিলাকে এক বৎসর নফল নামাজ এবং এক বৎসর নফল রোযার সাওয়াব তার আমলনামায় লিখে দেন। আর যখন দুধ পান করানো শেষ হয় আসমান থেকে একজন ফেরেশতা এসে ঐ মাকে সুসংবাদ শুনায় যে, হে মহিলা! আল্লাহ্‌পাক তোমার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন।

যেসব মহিলা বাচ্চা কান্নার কারণে ঘুমাতে পারে না, আল্লাহ্‌পাক তার এই অনিদ্রা ও কষ্টের কারণে ২০ জন গোলাম আযাদ করার ছাওয়াব তার আমলনামায় প্রদান করেন।

যে মহিলা অসুখের কারণে কষ্ট ভোগ করে এবং তা সত্ত্বেও সন্তানের সেবা করে আল্লাহ্‌পাক ঐ মহিলার পিছনের সব গুনাহ মাফ করে দেন এবং ১২ বৎসরের নফল ইবাদতের সাওয়াব দান করেন।

স্বামী পেরেশান হয়ে ঘরে আসলে যে স্ত্রী স্বামীকে হাসি মুখে খোশ-আমদেদ বলে এবং সান্তনা দেয়, সে জিহাদের অর্ধেক নেকী লাভ করে। স্বামী-স্ত্রী যখন একে অপরের প্রতি মুহাব্বতের দৃষ্টিতে দেখে তখন আল্লাহ পাকও উভয়কে রহমতের দৃষ্টিতে দেখেন।

যে মহিলা স্বামীকে আল্লাহর রাস্তায় পাঠায় এবং সে পর্দার সাথে ঘরে অবস্থান করে, স্বামীর আমানতে কোন প্রকার খিয়ানত না করে নিজেকে হিফাজত করে, সে মহিলা পুরুষ অপেক্ষা ৫০০ বৎসর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং ৭০ হাজার ফেরেস্তা তাকে স্বাগত জানাবে। জান্নাতে হুরদের সরদার (নেত্রী) হিসেবে থাকবে। স্বর্ণ থেকে অধিক মূল্যবান ইয়াকুত পাথরের ঘোড়ার উপর সাওয়ার হয়ে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করবে।

যে স্ত্রী স্বামী বলার আগে স্বামীর পা দাবিয়ে দেয় সে ৭ তোলা পরিমাণ স্বর্ণ দান করার সমতুল্য সাওয়াব হাছেল করে। আর যে স্ত্রী স্বামী বলার পর পা দাবিয়ে দেয় সে ৭ তোলা রূপা দান করার সমতুল্য সাওয়াব লাভ করে।

যে স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য, তার নামাজ, রোযা, তিলাওয়াত, সদকা মূলত কোন ইবাদতই কবুল হয় না।

যে মহিলা নামাজ রোযার পাবন্দীর সাথে সাথে স্বামীর খিদমতে রত থাকে তার জন্য বেহেশতের ৮ টি দরজাই খোলা থাকবে।

যে মহিলা যিকির করতে করতে ঘরে ঝাড়ু দেয় সে যেন পবিত্র কাবা ঘর বায়তুল্লাহ শরীফ ঝাড়ু দিল।

যে মহিলা বিস্‌মিল্লাহ বলে খাবার প্রস্তুত করে আল্লাহ পাক তার রিজিকের মধ্যে বরকত দান করেন।

যে স্ত্রী স্বামীর সন্তুষ্টি নিয়ে মারা যায় তার জন্য বেহেশত ওয়াজিব হয়ে যায়।

যে মহিলা পরপুরুষ হতে পর্দা করে না সে বেহেশতে প্রবেশ করবে না।এমনকি বেহেশতের সুঘ্রাণও (খুশবু ) সে পাবে না।

দুনিয়ার কষ্ট সহ্যকারী মহিলা বিবি আসিয়ার সমতুল্য।

একজন অসৎ ও দোযখী মহিলা ৪ জন বেহেশতী পুরুষকে দোযখে নিয়ে যাবে। ১.পিতা, ২.ভাই, ৩.স্বামী, ৪. নিজের ছেলে।ঐ মহিলা বলবে, "তারা আমাকে দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দেননি। সে কারণেই আজ আমার জাহান্নামে যেতে হচ্ছে। সুতরাং আমি একা যাব না, তাদের সহ জাহান্নামে যাব। কারণ তারা আমার অভিভাবক এবং গার্জিয়ান হিসেবে দুনিয়াতে আমাকে পরিচালনা করেছেন, দুনিয়ার শিক্ষায় শিক্ষিতা করেছেন, দ্বীনি জ্ঞান আমাকে দান করেন নি।" তাই তাদের এ দায়িত্ব পালন না করার কারণে তাদের বিরূদ্ধে আল্লাহ্‌ পাকের দরবারে নালিশ করবে, শেষ পর্যায়ে তাদের সহ জাহান্নামে যাবে।

মহিলাগণ ঘরে খিদমত তথা রান্না-বান্নার কাজ আঞ্জাম দিলে গাজীদের সমতুল্য ছাওয়াব পায়।

যে ব্যক্তি তার দু'কন্যা বা দু' বোনকে আদর যত্নের সাথে লালন- পালন করে সুশিক্ষা দিয়ে বিয়ে দেয় তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।

নবীজি (সাঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত অন্য কাউকে সিজদা করা অবৈধ এবং হারাম। যদি দুনিয়াতে কাউকে সিজদা করা জায়েয থাকতো তা হলে আমি স্ত্রীদেরকে বলতাম তারা যেন তাদের স্বামীদের সিজদা করে।

06/01/2025

এক লোক কূপে পড়ে গেলো। বিকট আওয়াজে চিৎকার করতে লাগলো: -বাঁচাও! বাঁচাও! গ্রামের লোকেরা আর্তচিৎকার শুনে উদ্ধার করতে দৌড়ে এলো। একটা রশি নামানো হলো। লোকটা রশি বেয়ে উঠে এলো। সে হাঁপাচ্ছিলো। বুকটা হাপরের মতো ওঠানামা করছিলো। ভীষণ ক্লান্ত আর অবসন্ন দেখাচ্ছিলো তাকে। একজনের কাছে তাজা দুধ ছিলো। সে একগ্লাস দুধ খেতে দিলো। লোকটা ঢকঢক করের দুধটুকু খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুললো। লোকেরা জানতে চাইলো, -তুমি কূপে পড়ে গেলে কিভাবে? আমার মেষগুলোকে পানি পান করাতে এসেছিলাম। বালতিটা কূপে ফেলে উপরের দিকে টানছিলাম। তখন আমি এভাবে কূপের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলাম । লোকটা কিভাবে কূপের কিনারায় দাঁড়িয়েছিলো সেটা হুবহু দেখাতে গিয়ে, আবার কূপে পড়ে গেলো। এবার পড়ে আর বাঁচলো না। বেকায়দায় পড়ে বেমক্কা ঘাড় মটকে মারা গেলো। গ্রামের লোকজনের আফসোসের সীমা রইলো না। গাঁয়ের ইমাম সাহেব পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বললেন, -লোকটা কূপ থেকে উঠে এসেছিলো মূলতঃ রিজিকের টানে। রিজিকের এক গ্লাস দুধ তার পাওনা রয়ে গিয়েছিলো। রিজিক সুনির্ধারিত

14/10/2024

কারো দরিদ্র থাকা অভিশাপ নয় এবং এর অর্থ এই নয় যে আল্লাহ আপনাকে ভালবাসেন না।

কারো ধনী থাকা কোন বিশেষ সুবিধা নয় এবং এর অর্থ এই নয় যে আল্লাহ আপনাকে ভালবাসেন।

আল্লাহ ফেরাউন ও কারুনকে প্রচুর সম্পদ ও ক্ষমতা দিয়েছিলেন কিন্তু আল্লাহ তাদের ঘৃণা করতেন।

কোরআনের তথ্যানুযায়ী আল্লাহ সুলায়মান (আ)কে মানুষ, জ্বীন ও পক্ষীকুলের উপরে রাজত্ব দিয়েছিলেন। তিনি পিঁপড়ার রানীর সাথে যে কথাগুলি বলেছিলেন, সেই কথোপকথন আল্লাহ আমাদের শুনিয়েছেন সূরা নমলে। পাখিরা সুলেমানের (আ) গোয়েন্দা হিসাবে সরাসরি রিপোর্ট করতো তাকে। আফরীত জ্বীনেরা মালামাল বহন করে নিয়ে আসতো আধুনিক ড্রোনের মতো। বাতাসের শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। একবার সেবার রানী বিলকিসকে উড়িয়ে উঠিয়ে এনেছিলেন বাদশাহ সুলেমান নিজ দরবারে। জ্বিনেরা কনস্ট্রাকশন কর্মীর কাজ করতো বাদশাহ সুলেমানের প্রজেক্টগুলিতে। (সূরা সাবা)। এত অলৌকিক টেকনোলজি, এতো ক্ষমতা আর এতো ধনী অথচ আল্লাহ তাকে ভালোবাসতেন।

এসব অবাক করা গল্প আল্লাহ নিজেই বান্দাদের সাথে করেছেন।

আল্লাহ বলেন, 'আর তুমি বর্ণনা কর আমাদের বান্দা আইয়ূবের কথা। যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করে বলল, শয়তান আমাকে (রোগের) কষ্ট এবং (সম্পদ ও সন্তান হারানোর) যন্ত্রণা পৌঁছিয়েছে’ (ছোয়াদ ৩৮:৪১)। আল্লাহ তাঁর সবর ও দোয়া কবুল করলেন এবং ছোঁয়াচে রোগাক্রান্ত ও দরিদ্র হয়ে গেছেন বলে যে সমাজ তাকে প্রত্যাখান করেছিলো আল্লাহ তাকে ভালোবেসে আবার সুস্থতা, সন্মান, ধন ও প্রতিপত্তি ফিরিয়ে নবীকে আবার প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলেন। আল্লাহ বলেন, (আইউব নবীর এই ঘটনা ছিলো), 'আমাদের পক্ষ হ’তে রহমত স্বরূপ এবং জ্ঞানীদের জন্য উপদেশ স্বরূপ’ (ছোয়াদ ৩৮/৪৩)।

এইসব ঘটনা দিয়ে আল্লাহ আমাদের বোঝাতে চান:-

আল্লাহ যদি আপনাকে সম্পদ দান করেন, তবে এটি আপনার জীবনের একটি 'পরীক্ষা' মাত্র।

আল্লাহ যদি আপনাকে সম্পদ না দিয়ে থাকেন তবে এটিও আপনার জীবনের একটি'পরীক্ষা' মাত্র।

বেশিও না কমও না, এই পরীক্ষা সাময়িক। কারণ এই পাওয়া না পাওয়ার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ হল আপনার মৃত্যুর দিন। সেইদিন ধনী আর দরিদ্র কেউ নেই, সবাই সমান।

তাই ধনী ব্যক্তির সামনে কোন বিশ্বাসীরই নম্র বোধ করা বা আত্মসম্মান হারানো উচিত নয়।

অন্যদের তুলনায় কম সম্পদ থাকার কারণে প্রত্যেকের কাছে অভিযোগ করে গল্প করা উচিত নয় যে, তখন এরকম হলে বা ওই রকম সিদ্ধান্ত নিলে আমিও অনেক বড়লোক থাকতাম!

কষ্টের কারণে যদি আল্লাহর কাছে ধন-সম্পদ চাইতে হয় তাহলে মুসা (আ) যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবেই আল্লাহকে বলি, ‘হে আমার প্রতিপালক! (আমি দরিদ্র) কিন্তু যেটুকু অনুগ্রহই আপনি আমাকে করবেন সেটুকুর জন্যেই আমি ভিখারী। (আল কাসাস ২৮:২৪)
'রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।'

একজন সত্যিকারের ধনী ব্যক্তি হচ্ছেন তিনি যিনি তার তুলনায় অন্যদের কাছে কম বেশি কি আছে না আছে সেই তুলনা কখনো মাথায় আনেন না এবং তার ব্যবহারে কখনোই ধনের মালিকানার পার্থক্য বোঝান না।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই গুনগত সাইকোলজিকে নাম দিয়েছেন-আফাফা।

নবী (সা) এই গুনার্জনের জন্যে আমাদের দোয়া করতে শিখিয়েছেন, "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়েত, তাকওয়া, পবিত্রতা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণতা চাই।"

আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল হুদা ওয়াত তাকওয়া ওয়াল আফাফা ওয়াল গিনা।
মুসলিম (২৭২১), আল-তিরমিযী (৩৪৮৯), ইবনে মাজাহ (৩১০৫), আল-মুসনাদে (৩৯৫০)।

লেখায়- প্রিয় আরিফুর রহমান ভাই

10/10/2024

পাওয়া না পাওয়ার হিসেব কষতে কষতে শেষমেশ যখন মানুষ নিঃশ্বাসটাই হারিয়ে ফেলে। তখন উপলব্ধি করে- রবের অনুগ্রহ আর সন্তুষ্টি ব্যতিত দুনিয়ার কোনো পাওয়াই তার সার্থকতা ছিল না। আর যা কিছু হারানোর শোকে সে কাতর ছিল, সেসবের কোনোটিই তার নিজের ছিল না।

05/10/2024
15/08/2024

আমাদের দেশে কিছু নামধারী, পদধারী রাজনৈতিক প্রতাপশালীকে দেখা যায়, যে বা যারা, তাদের উপরের নেতাদের পোষ্ট কিছু বুঝে না বুঝে নিজের ওয়ালে শেয়ার করে, চিপায় চাপায় ফাক গলায়া ছবি তুলে ক্যাপশন দেয় "প্রিয় অভিবাবক"।

তারা নিজেরা সমাজ গঠনে বা নীতির দুইটা কথা লেখার অবসর পায়না,
কিন্তু নেতায় যদি হে*গেও আসে, সেটা পোষ্ট দিতে ভুলে না।

আজকে তাদের সকলের পোষ্ট ফাকা,
গত ১৫ বছরে যারা শেখ মুজিবর রহমানকে একটা দলের ব্যাক্তি বানিয়ে, মাইক বাজিয়ে, খিচুরীর চাদা তুলে সাধারণ মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলো, আজকে তাদের সকলের ফেইসবুক দেয়াল ফাকা।

কতটা নিমকহারাম হলে, আজ তারা এতটুকু শ্রদ্ধা জানাবার সাহস পায়নি। জাস্ট তাদের নেতাদের পলায়নে, তারাও গুটিয়ে গেছে।

অথচ তারা গলা ফাটায়া বলতো,
তারা মুজিব সেনা, ভয় পায়না বুলেট বোমা।

আমরা এইরকম মুজিব সেনা বা জিয়ার সেনা চাই না।

দুইজন ব্যক্তিই এই জাতীর সূর্য সন্তান,
তারা যেনো কারো রাজনৈতিক হাতিয়ার না হয়।

আমরা চাই, যে বা যারা রাজনীতি করবে, তারা যেনো নীতিহীন না হয়।
কৃষক, শ্রমিক, তাতী, মৎস, যুব, ছাত্র শাখা সংগঠনে শুধু যেনো পদবাণিজ্য না হয়ে, প্রকৃত কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র কল্যানে রাজনীতি হোক।

আমাদের মতো সাধারণ মানুষ যেনো সত্য বলার স্বাধীনতা পাই,
লিখলেই যেনো বাধার খড়গ নেমে না আসে।

আমাদের নতুন বাংলাদেশে যেনো সকল সাধারণ মানুষ শেখ মুজিবর রহমানকে ও শহীদ জিয়াউর রহমানকে তাদের কর্ম দ্বারা শ্রদ্ধা করে, তাদের নিয়ে আর বিতর্ক না হোক।

#রাজকথন

15/07/2024

সারাক্ষণ ফেসবুকে দুজন দুজনকে আগলে রাখা ছবি দেওয়া মানুষ দুটোর ডিভোর্স হয়ে গেছে। সমাজকে আমরা ভালো আছি বুঝাতে বুঝাতে একসময় ক্ষত এত বড় হয়েছে আর থাকা সম্ভব হয়নি।

বেচে থাকার মতো এত সুন্দর আর কিছুতে নেই, বেচে থাকাতেই স্বার্থকতা। এ কথা প্রতিদিন নিজের আইডিতে একবার করে পোস্ট করা ছেলেটাও আত্মহত্যা করেছে। যন্ত্রণা লুকিয়ে প্রতিনিয়ত মিথ্যে আশ্বাস দেওয়া মানুষটা শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি।

সারাক্ষণ হাসতে থাকা মানুষ নীরবে দরজা বন্ধ করে কাঁদে। সারাক্ষণ নীরব থাকা মানুষটার ভিতরে অসংখ্য কথার ঝড় বয়ে যায়, যা কোনোদিন বলা হয় না।

আমরা প্রতিনিয়ত অভিনয় করি। সবার সাথে এমনকি নিজের সাথেও। এই অভিনয়ে যে যত ভালো করে তাকে আমরা তত বেশী সুখী মনে করি। প্রকৃত সুখ অধরা ,তা হয়তো ওপারে।

জীবন সবসময় ঝকঝকে চকচকে হয়না। কখনো অন্ধকার ,কখনো আলো সব মিলিয়েই জীবন। কঠিন সময়ে হাল ধরে রাখার মতো মানসিক শক্তিই আমাদের পরবর্তী জীবনে সুখ এনে দেয়।সুন্দর জীবনের অপেক্ষায় থেকে কঠিন সময় পার করতে পারার নামই জীবন।

ঁবাজি

গরমের সল্প টাকার খাবার......অল্প সময়ে সাময়িক আরাম...
23/04/2024

গরমের সল্প টাকার খাবার......
অল্প সময়ে সাময়িক আরাম...

এখন তো সময়......পরের লাইন টা লিখে যান
22/04/2024

এখন তো সময়......
পরের লাইন টা লিখে যান

Address

Larmini Street, Wari
Dhaka
1203

Telephone

+8801617663636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sunnah & Iman সুন্নাহ ও ঈমান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share