16/04/2025
ইসলামের ৫টি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে 'যাকাত' অন্যতম।
নামাজ, রোজা, হজ পালনের মত 'যাকাত' একটি ফরজ রোকন ও ইবাদত।
কারো জিম্মায় যদি আনুমানিক ৭.৫ ভরি (কম/বেশি) স্বর্ণ এক বছর যাবত গচ্ছিত থাকে অথবা আনুমানিক ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা এক বছর যাবত জমা থাকে তবে তার উপর 'যাকাত' ফরজ হয়।
কেউ যদি ফরজ হবার পর 'যাকাত' না দেয় তবে অন্যান্য ফরজ ইবাদত ছেড়ে দেয়ার মত শক্ত গুনাহ হবে এবং কঠিন আযাবে গ্রেফতার হতে হবে।
'যাকাত' গরীবের হক। ইসলামী জীবন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং সমাজে ধনী গরিবের ভেদাভেদ নির্মুল করে সাম্যতা সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার।
'যাকাত' আদায়ের দ্বারা সম্পদ পরিশুদ্ধ হয়। সম্পদ বৃদ্ধি পায়। রুজিতে বরকত হয়। সৃষ্টকর্তার নৈকট্য অর্জন করা যায়।
'যাকাত' আদায় করা এবং এর হিসেব খুবই সহজ। গচ্ছিত সম্পদের ২.৫ শতাংশ 'যাকাত' দিতে হয়। অর্থাৎ প্রতি একশত টাকায় ২.৫/- হিসেবে 'যাকাত' হিসেব করতে হয়। এই হিসেবে তিন লক্ষ টাকার 'যাকাত' হবে মাত্র ৭,৫০০/-।
৮ শ্রেণিকে 'যাকাত' দেয়া যায়। এগুলোকে 'যাকাত' প্রদানের খাতও বলা হয়। ৮টি খাতের মধ্যে দুস্থ ও ঋণগ্রস্থ আত্মীয়/ব্যক্তি, দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুসাফির, 'যাকাত' আদায়কারী অন্যতম। সবচেয়ে উত্তম হয় যদি কাউকে 'যাকাত'-এর অর্থে সাবলম্বি করে দেয়া যায়।
আমি নিজে 'যাকাত' আদায় করি। অন্যকে উৎসাহিত করি।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন এবং 'যাকাত' আদায়ের মন ও চেতনা দান করুন।
আমিন।