Kazi Aminul Islam Foundation

Kazi Aminul Islam Foundation Surve. Lead. Support.

কাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে বন্যাদূর্গতদের জন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ 🤲
06/08/2026

কাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে বন্যাদূর্গতদের জন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ 🤲

“নিশ্চয়ই আল্লাহর মসজিদসমূহ তারাই আবাদ করে, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনে।” (সূরা আত-তাওবাহ্: ১৮)​আলহামদুলিল্লা...
06/08/2026

“নিশ্চয়ই আল্লাহর মসজিদসমূহ তারাই আবাদ করে, যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনে।” (সূরা আত-তাওবাহ্: ১৮)

​আলহামদুলিল্লাহ, কাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশন-এর সামাজিক ও দ্বীনি খিদমতের অংশ হিসেবে কালীকৃষ্ণনগর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ এ একটি সুন্দর ঘড়ি সৌজন্য প্রদান করা হয়েছে।

01⭕বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীমকাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশনগ্রাম:নালঘর,ডাকঘর : নালঘর বাজার,উপজেলা:চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্...
30/07/2026

01⭕
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
কাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশন
গ্রাম:নালঘর,ডাকঘর : নালঘর বাজার,উপজেলা:চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্লা-৩৫০০।
গঠনতন্ত্র
-------------

ভূমিকাঃ

বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি অন্যতম দেশ। যুগ যুগ ধরে গ্রামীণ কৃষি ব্যবস্থাই এ দেশ তথা সমাজ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছে। এ দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ আর জনবল এর দিক থেকে কোন কমতি নেই, শুধু এদের সঠিক ব্যবহার করার মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ তথা দেশের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব। আর এ জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস, ঐক্য, কর্ম দক্ষতা এবং সংহতি। তবেই এদেশের জনবল অভিসম্পাত না হয়ে তা জনশক্তি বা সম্পদে পরিণত হবে বলে কাজী আমিনুল ইসলাম মনে করেন। উক্ত বিশ্বাসকে সামনে রেখেই পিছিয়ে থাকা গরীব জনগোষ্ঠীর সার্বিক মঙ্গল ও কল্যাণ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবার কথা চিন্তা করে জনাব কাজী আমিনুল ইসলাম এলাকার কতিপয় সমাজসেবী ও উন্নয়ন চিন্তা ধারায় অগ্রগামী ব্যক্তিত্বদেরকে সাথে নিয়ে এই "কাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশন" নামের সমাজ সেবামূলক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর ফাউন্ডেশন সঠিক ভাবে পরিচালনা পদ্ধতির প্রয়োজন উপলব্ধি করে অত্র গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হয়েছে।

কাজী মো: আমিনুল ইসলাম এর জীবনবৃত্তান্ত:
জন্ম ও শৈশব :
কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নালঘর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মরহুম কাজী সিরাজুল ইসলাম এবং মাতা ছিলেন মরহুমা ফুলমতি বিবি। তাঁর আট ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বাবা-মায়ের সপ্তম সন্তান।

ব্যক্তিগত জীবন :
তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বার্কিংয়ে বসবাস করছেন।

শিক্ষাজীবন :
তিনি নালঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা এবং শ্রীপুর প্রসন্ন একাডেমি থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ১৯৯১ সালে কুমিল্লা বোর্ড থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ(জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে ১৯৯৭ সালে গণিতে বিএসসি এবং ১৯৯৮ সালে এমএসসি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের University of Wales থেকে MBA in Finance ডিগ্রি অর্জন করেন, যা তাঁর পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

কর্মজীবন :
স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী Cordova International School & College এ সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান এবং London Metropolitan College এ প্রভাষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান London School of Business and Finance-এ Business Development Manager হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে FBA (UK) Ltd (Global Education Management), Finance & Business Academy, FBA Estates Ltd এবং FBA Global Care Foundation প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নেতৃত্বে এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, ব্যবসা উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি :
কাজী আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সামাজিক ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি যুক্তরাজ্যের নিউহ্যামে Channel iON-এর পক্ষ থেকে স্থানীয় এমপি কর্তৃক সম্মাননা লাভ করেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবসেবামূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত আছেন। ছোট পরিসরে শুরু করলেও ২০১৫ সাল থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন, সুদান, তানজানিয়া, সিরিয়া সহ বিভিন্ন দেশে দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বাংলাদেশে তিনি দরিদ্র মানুষের জন্য ২০০টিরও বেশি গৃহ নির্মাণ করেছেন। এছাড়াও তিনি চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা সহায়তা, এতিম ও অসহায়দের সহায়তা, জরুরি ত্রাণ বিতরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

ধারা- ১ঃ (ক) সংস্থার নামকরণঃ

এই সংস্থার নাম হবে "কাজী আমিনুল ইসলাম ফাউন্ডেশন "

খ) সংস্থার মনোগ্রামঃ লগো

ধারা- ২ঃ সংস্থার ঠিকানা:



ক) স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম: নালঘর, ডাকঘর: নালঘর বাজার ,উপজেলা :চৌদ্দগ্রাম, জেলা:কুমিল্লা-৩৫০০।

খ) বর্তমান ঠিকানা (কার্যালয়): একই

ধারা- ৩ঃ সংস্থার ধরনঃ সম্পূর্ণ অ-রাজনৈতিক,অলাভজনক এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা।

ধারা- ৪: সংস্থার কার্যক্রমের আওতাভুক্ত এলাকাঃ

বর্তমানে কুমিল্লা জেলা ব্যাপী। পরবর্তীতে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এর কার্যক্রম সমগ্র বাংলাদেশ ব্যাপী সম্পসারণ করা যাবে।

ধারা- ৫ঃ লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যঃ

বৃহৎ উদ্দেশ্যঃ কর্ম ও লাভজনক বৃত্তি সৃষ্টি ও বিকাশ এর মাধ্যমে গ্রামের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনসাধারণ সহ দুস্থ্যরোগীদের চিকিৎসা সেবা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও জীবন ধারার পরিবর্তন করা। এছাড়াও শহরের নিম্নমধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত এবং বস্তি এলাকায় বসবাসরত সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করা।
--------
02⭕
সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য:

০১. চিকিৎসা সেবা শিশু ও মাতৃকল্যাণঃ

ক) দুস্থ রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা ও এলাকার জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি আধুনিক ও মানসম্মত হাসপাতাল স্থাপন করা।

খ) শিশু মৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যে গর্ভবতী মায়ের সেবা এবং শিশু পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সংস্থার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।

গ) শিশুশ্রম রোধকল্পে ব্যাপক ভাবে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

ঘ) সংগঠিত সদস্যদেরকে নিজ নিজ সন্তানদের উন্নত পাঠদানে উদ্বুদ্ধ করা।

ঙ ) উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রকল্পের আওতায় ঝরে পড়া/বাদ পড়া শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দান।

চ) আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় বা দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা।

০২. যুব কল্যাণঃ

ক) অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক সেবনের কুফল সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে যুব সমাজকে এই সর্বনাশা পথ থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন সভা/সিম্পোজিয়াম এর আয়োজন করা।

খ) আয়বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হতাশাগ্রস্থ যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা।

গ) দক্ষতা ও উদ্যম এর বিকাশ সাধনের মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মের সুযোগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

ঘ) নিজস্ব উদ্যোগে পুঁজি গঠনের লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা।

৩) বিভিন্ন আয়বৃদ্ধিমূলক প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে ভূমিকা রাখা।

চ) পল্লীর পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বিশেষ করে গরীব, ভূমিহীন এবং বেকার যুবকদের মধ্যে সমষ্টি
উন্নয়নের চেতনা সৃষ্টি করে তাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করা।
জ) ফাউন্ডেশনের তহবিলের পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য মক্তব, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
০৩. এতিমখানা:
ক) এতিমখানার মাধ্যমে সমাজের দরিদ্র, এতিম, অসহায় শিশুদের শিক্ষা
ব্যবস্থা চালু রাখা।

খ) মাদ্রাসা ও এতিমখানার মাধ্যমে শিশুদের আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় বা দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা।

০৪. নারী কল্যাণঃ

ক) বিত্তহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মহিলাদেরকে সংগঠিত করে তাদের আত্মকর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সহায়তামূলক কর্মসূচী পরিচালনা করা। যেমন- দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ, নিজস্ব পুঁজি গঠনের জন্য উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা এবং বিভিন্ন আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা করা প্রভৃতি।

খ) সংগঠিত সদস্যদের উৎপাদিত পণ্যের বিপণন সহ ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকল্পে বাজার সৃষ্টিতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা। প্রয়োজনে ন্যায্য মূল্যে উক্ত দ্রব্যাদি ক্রয় করে সংস্থার নিজস্ব বিপণন নীতিমালার আওতায় উহা বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা।
-------
03⭕
গ) গ্রামীণ সুবিধা বঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বিশেষ করে মহিলাদেরকে তাদের সামাজিক ও আইনগত অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নারী নির্যাতন দমন ও যৌতুকের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা।

ঘ) নির্যাতিতা/তালাকপ্রাপ্ত/স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদেরকে সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতকল্পে প্রাথমিক ভাবে নারীদের অংশগ্রহনণের মাধ্যমে গ্রাম্য শালিসের ব্যবস্থা করা, প্রয়োজনে আইনগত সহায়তা প্রদান করা।

ঙ) সংগঠিত মহিলাদেরকে নিয়ে দল গঠন করে তাদের মধ্য হতে নেতা/নেত্রী নির্বাচনের মাধ্যমে মহিলাদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো।

চ) মাতৃত্বকালীন ঝুঁকি এড়ানোর লক্ষ্যে গর্ভবতী মায়ের পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সংস্থার সামর্থ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।

০৫. শারীরিক ও মানসিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ

ক) শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের যথাযথ মর্যাদার সাথে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তাঁদেরকে বিভিন্ন আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে উক্ত প্রশিক্ষণকে যথাযথ ভাবে কাজে লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা, প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য কাজ করা।

খ) সংস্থার সামর্থ বৃদ্ধি/দাতা সংস্থার সহযোগিতায় মানসিক প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তাদেরকে পূনর্বাসন করা।

০৬. পরিবার পরিকল্পনাঃ

ক) ব্যাপক গণ-সংযোগের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচী বাস্তবায়নে এই সকল জনগোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ করণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখা।

খ) গ্রামীণ জনগণের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিশেষ করে পানি বাহিত ও মল বাহিত রোগ ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং গ্রামীণ স্যানিটেশন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।

০৭. সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হতে জনগণের নিবৃত রাখিবার উদ্দেশ্যে চিত্ত-বিনোদন কর্মসূচীঃ

ক) পথ নাটকের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টিঃ সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ হতে জনগণের নিবৃত রাখিবার উদ্দেশ্যে এতদসংক্রান্ত জনসচেতনতা সৃষ্টিমূলক নাটিকা রচনা করে সংস্থার নিজস্ব নাট্য গোষ্ঠী দ্বারা বিভিন্ন পাড়া/মহল্লায় মঞ্চস্থ করা।

খ) ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি: ভিডিও চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে সমাজ বিরোধী বিভিন্ন কার্যকলাপের শাস্তি এবং এর কারনে সৃষ্ট সমাজের ক্ষতিকর দিকগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরে তাদেরকে এই পথ পরিহারে উদ্বুদ্ধ করা।

০৮. নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার উদ্দেশ্যে সামাজিক শিক্ষা, বয়স্কদের শিক্ষা ব্যবস্থাঃ

ক) সমাজের শিক্ষা কর্মসূচীঃ

বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সৎ ও যোগ্য নেতা নির্বাচন সহ অন্যান্য নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করবার মানসে সামাজিক শিক্ষা কর্মসূচী পরিচালনা করা।

খ) উপানুষ্ঠানিক বয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচীঃ
-------
04⭕
উপানুষ্ঠানিক বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় বঞ্চিত বয়স্ক ব্যক্তিদেরকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা।

০৯. কারামুক্ত কয়েদীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনঃ

ক) আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানঃ
কারামুক্ত কয়েদীরা যাতে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে না পড়ে এই লক্ষ্যে তাদেরকে আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মমূখী করে গড়ে তোলা।

খ) পুনর্বাসন: পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তাদেরকে বিভিন্ন আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প পরিচালনার জন্য প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।

১০. কিশোর অপরাধীদের কল্যাণঃ

দাতা সংস্থার সহযোগিতায়/সংস্থার সামর্থ্য বৃদ্ধি সাপেক্ষে অপরাধী কিশোরদের সংশোধনাগার নির্মাণের মাধ্যমে কিশোর অপরাধীদের সংশোধন ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা করা।

১১. ভিক্ষুক ও দুঃস্থদের কল্যাণঃ

সংস্থার হতদরিদ্র প্রকল্পের আওতায় ভিক্ষুক ও দুঃস্থদের সংগঠিত করে পুঁজি গঠনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা সহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা, আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা। আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করার মাধ্যমে তাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করা।

১২. বৃদ্ধ ও দৈহিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ

দাতা সংস্থার সহযোগিতায়/সংস্থায় সামর্থ বৃদ্ধি সাপেক্ষে পরিবারের অবহেলিত বৃদ্ধ ও দৈহিক অসমর্থ ব্যক্তিদের জন্য
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করা।

১৩. সমাজকল্যাণ সংস্থা সমূহের সমন্বয় সাধন:

সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে এলাকায় কর্মরত সমাজকল্যাণ সংস্থা সমূহের সাথে মাসিক সভার আয়োজন করা। এছাড়াও সমাজ তথা জাতির জন্য কল্যাণকর যে কোন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মকান্ডে সমন্বিত অংশগ্রহনের লক্ষ্যে সমাজকল্যাণমূলক সংস্থাসমূহের সাথে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা করা।

১৪. সমাজকল্যাণমূলক কার্যে প্রশিক্ষণঃ

অত্র ফাউন্ডেশন হতে নিম্নলিখিত কার্যে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হবে।

ক) হস্ত শিল্প।

খ) ব্লক বাটিক।

গ) কম্পিউটার প্রশিক্ষণ।

ঘ) দর্জি বিদ্যা।

ঙ) বিউটিফিকেশন।

চ) মোবাইল সার্ভিসিং।

ছ) মৃৎ শিল্প।

জ) বাঁশ, বেতের কাজ।
---------
05⭕
ঝ) পোশাক শিল্প।

ঞ) হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল ও মৎস্য খামার।

১৫. রোগীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনঃ

সংস্থার সামর্থ বৃদ্ধি সাপেক্ষে রোগীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে
হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা।

১৬. সামাজিক অসমর্থ ব্যক্তিদের কল্যাণঃ

দাতা সংস্থার সহযোগিতায়/সংস্থার সামর্থ বৃদ্ধি সাপেক্ষে সমাজের অসমর্থ ব্যক্তিদের আয় বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা। আয় বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে তাদের স্বনির্ভর হতে সাহায্য করা।

ধারা-০৬: সদস্য পদঃ

সংস্থার ৩ ধরনের সদস্য পদ থাকবে।

ক) সাধারণ সদস্য
খ) আজীবন সদস্য
গ) পৃষ্ঠপোষক সদস্য

ক) সাধারণ সদস্য। এই সংস্থার কার্য এলাকার স্থায়ীভাবে বসবাসরত পাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও মহিলা যিনি সৎ ও চরিত্রবান, সংস্থার প্রতি আস্থাশীল ও নিবেদিত প্রাণ এবং এই সংস্থার গঠনতন্ত্র মেনে চলতে অঙ্গিকারবদ্ধ তিনি এই সংস্থার সদস্যপদ লাভের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে পারবেন। একজন সাধারণ সদস্য ভর্তি ফি বাবদ = ১০০০/- টাকা এবং মাসিক চাঁদা বাবদ ৫০০/- টাকা দিতে বাধ্য থাকবেন।
খ)আজীবন সদস্যঃ

যে কোন মহৎ ব্যক্তি বা দানশীল ব্যক্তি এই সংস্থার প্রতি হিতাকাংখী হইয়া এককালীন ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকা দান করিবে সে আজীবন সদস্য হইতে পারবেন। তাদের ভোটাধিকার থাকবে।

গ) পৃষ্ঠপোষক সদস্যঃ যিনি বিশেষ ব্যক্তি, সাধারণ পরিষদের সদস্য নহেন অথচ এই সংস্থার প্রতি আস্থাশীল, হিতাকাঙ্খী এবং সংস্থার উন্নতি বিধানে অবদান রাখতে আগ্রহী এরূপ ব্যক্তিকে সংস্থার পৃষ্ঠপোষক সদস্য করা যেতে পারে। তবে এরূপ সদস্যদের কোন ভোটাধিকার থাকবেনা।

ধারা- ০৭. সদস্য পদ সাময়িক ভাবে স্থগিত বা বাতিল করণ:

নিম্নলিখিত এক বা একাধিক কারনে সদস্যপদ সাময়িক ভাবে স্থগিত বা বাতিল হবে।

১। যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে একাধিক্রমে ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ না করলে সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

২। যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে একাধিক্রমে তিনটি সভার উপস্থিত না হলে সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৩। মৃত্যু/মানসিক ভাবে অপ্রকৃতস্থ/মস্তিষ্ক বিকৃত হলে/আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৪। কোন সদস্য সংস্থার স্বার্থ পরিপন্থি কোন কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে লিপ্ত হলে কার্যকরি পরিষদ সেই সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করতে পারবেন।

৫। কোন সদস্য পদত্যাগ করলে এবং তা সভাপতি কর্তৃক অনুমোদিত হলে তার সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৬। এ সংস্থায় চাকুরী গ্রহণ করলে।
--------------
06⭕
০৮. সদস্য পদ পুনরুদ্ধারঃ

(১) ধারা- ০৭ এ বর্ণিত যে কোন কারণে কোন সদস্যের সদস্যপদ সাময়িক ভাবে স্থগিত বা বাতিল হয়ে গেলে উক্ত সদস্য যদি যথার্থ কারন দর্শাতে সক্ষম হন এবং তাকে সদস্য পদের যোগ্য বলে বিবেচিত প্রতীয়মান করতে পারেন তাহলে সদস্য পদ সায়মিক ভাবে বাতিল বা স্থগিত হওয়ার বিষয়টি পরবর্তী কার্যকরী পরিষদ সভায় অনুমোদনের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হতে পারে। তবে তাকে পুনরায় ভর্তি ও মাসিক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে।

(২)নিম্নলিখিত এক বা একাধিক কারনের জন্য একজন সাধারণ পরিষদ সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হতে পারে।

(৩)যদি কোন সদস্য তার পদত্যাগ পত্র দাখিল করেন এবং তা কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
---------
07⭕
ধারা- ৯. সদস্যের অধিকারঃ

ক) সাধারণ পরিষদের সকল সদস্যই সংস্থা সম্পর্কিত যে কোন তথ্য অথবা এর অধীন যে কোন প্রকল্প সম্পর্কিত তথ্য জানার অধিকার থাকবে।

খ) সাধারণ পরিষদের সকল সদস্যের কার্যকরী পরিষদের জন্য প্রার্থী হওয়ার ও ভোট দেয়ার অধিকার থাকবে।

ধারা- ১০. সাংগঠনিক কাঠামোঃ

এই সংস্থার সাংগঠনিক কাঠামোতে তিনটি পরিষদ থাকবে।

ক) সাধারণ পরিষদ।

খ) কার্যকরী পরিষদ।

গ) উপদেষ্টা পরিষদ।

ক) সাধারণ পরিষদঃ

সকল সাধারন সদস্যের সমন্বয়ে এ পরিষদ গঠিত হবে। এই পরিষদ কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন, বার্ষিক বাজেট অনুমোদন, বার্ষিক অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা,গঠনতন্ত্র সংশোধন ও অন্যান্য জটিল বিষয়াদির সমাধান করবে। এই পরিষদের অধিবেশন বৎসরে কমপক্ষে একবার অনুষ্ঠিত হবে। তা বিশেষ প্রয়োজনে একাধিকবার করা যেতে পারে।

সাধারণ পরিষদের দায়িত্বঃ

১। সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক উপস্থাপিত বাৎসরিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন।

২। সংস্থার আয়-ব্যয় অথবা আর্থিক অবস্থা নিরূপণের জন্য অডিটর নিয়োগ।

৩। নির্বাচনের মাধ্যমে/প্রস্তাব সমর্থনের মাধ্যমে কার্যকরী পরিষদ গঠন করা। (ক) একজন সভাপতি, (খ) একজন সহ-সভাপতি, (গ) একজন সাধারণ সম্পাদক, (ঘ) একজন সহ-সাধারণ সম্পাদক, (ঙ) একজন সাংগঠনিক সম্পাদক (চ) একজন কোষাধ্যক্ষ, (ছ) একজন দপ্তর সম্পাদক ও (জ) দুইজন কার্যকরী সদস্য (সিলেকশনের মাধ্যমে নির্বাচন করা।

৪। সাধারণ পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্র সংশোধন, পরিবর্তন এবং পরিবর্ধন করতে পারবে।

ধারা-০৮(খ):

কার্যকরী পরিষদঃ

সংস্থার সাধারণ পরিষদের একটি বিশেষ সভায় নির্বাচন/প্রস্তাব- সমর্থনের মাধ্যমে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করিবে। এ পরিষদের মেয়াদকালন হবে ৩(তিন)বছর। কার্যকরী পরিষদে নির্বাচিত সদস্যবৃন্দ হবেনঃ

ক) সভাপতি- ১জন

খ) সহ-সভাপতি- ১জন

গ) সাধারণ সম্পাদক- ১জন

ঘ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- ১জন

৬) সাংগঠনিক সম্পাদক- ১জন

চ) অর্থ সম্পাদক - ১জন

ছ) দপ্তর সম্পাদক- ১জন

জ) কার্যকরি সদস্য- ২জন

সর্বমোট= ০৯ জন

ধারা-০৮(গ):

উপদেষ্টা পরিষদঃ

কার্যকরী পরিষদ প্রতি তিন বৎসরের জন্য সাত -সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবেন।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হবেন। তিনি' উপদেষ্টা পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসাবে গণ্য হবেন। প্রধান উপদেষ্টার অবর্তমানে বা অনুপস্থিতিতে উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষে সভাপতি কর্তৃক মনোনিত উপদেষ্টা পরিষদের একজন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্বঃ

উপদেষ্টা পরিষদ সংস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যকরী পরিষদকে গঠনমূলক উপদেশ ও পরামর্শ দেবেন।

ধারা-০৮(গ)-ক:

সভাপতিঃ

১। তিনি হবেন পদাধিকার বলে সংস্থার প্রধান।

২। তিনি সকল প্রকার সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

৩। তিনি সংস্থার কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করবেন।
------------
08⭕

৪। কার্যকরী পরিষদ এর পক্ষে তিনি সকল প্রকার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন।

৫। কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক ভোট হলে তিনি বিশেষ ক্ষমতা বলে একটি কাষ্টিং ভোট প্রদান করতে পারবেন।

৬। কার্যকরী পরিষদ এর সিদ্ধান্তক্রমে সংস্থার সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ করতে পারবেন।

৭। কার্যকরী পরিষদ এর সিদ্ধান্তক্রমে যে কোন কর্মকর্তকর্মচারীকে সংস্থার চাকুরীর বিধি অনুযায়ী ছাঁটাই, বরখাস্ত বা সাময়িকভাবে বরখাস্ত অথবা শাস্তি দিতে পারবেন।

৮। সংস্থার প্রয়োজনে কার্যকরী পরিষদ এর পক্ষে তিনি পরিষদ এর সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক এবং সদস্যের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করবেন।

৯। সভাপতি কার্যকরী পরিষদ এর অনুমোদন সাপেক্ষে সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও প্রয়োজনবোধে প্রজেষ্ট/প্রোগ্রাম ডিরেক্টরস নিয়োগ করবেন।

১০। কার্যকরী পরিষদ এর পক্ষে তিনি সংস্থার হিসাব নিকাশ ও খরচ/ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করবেন।

১১। তাহার যে কোন ক্ষমতা কার্যকরী পরিষদ এর যে কোন সদস্যকে অর্পণ (ডেলিগেট) করতে পারবেন।

১২। কার্যকরী পরিষদ এর পক্ষে সরকারি, বেসরকারি, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহিত সকল চুক্তি সম্পাদন ও স্বাক্ষর করবেন।

১৩। তিনি সংস্থার কার্যকরী পরিষদ এর সভা মূলতবী রাখতে পারবেন। তবে পরবর্তী দুই ☆ সপ্তাহের মধ্যে সভা আহ্বান করতে হবে।

১৪। কার্যকরী পরিষদ এর পক্ষে তিনি সংস্থার খরচ নির্বাহের জন্য মঞ্জুরী বা অনুমোদন দেবেন।

১৫। কার্যকরী পরিষদের পক্ষে তিনি সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পদবী ভিত্তিক সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা নির্ধারণ করবেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে কার্যকরী পরিষদ এর মতামত ও পরামর্শ নেবেন।

ধারা-০৮ (গ)-খ:

সহ-সভাপতিঃ

সভাপতির অনুপস্থিতিতে তিনি সভাপতির সকল দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
---------
09⭕
ধারা-০৮(গ)-গ:

সাধারণ সম্পাদকঃ

১। তিনি সংস্থার প্রশাসনিক কার্যক্রম, সংস্থার কর্মসূচী এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন। সংস্থার ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনার জন্য কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেন।

২। কার্যকরী পরিষদের সমস্ত কাজের সমন্বয় করবেন এবং অন্যান্য সদস্যদের কাজে সহযোগিতা করবেন।

৩। তিনি সংস্থার সভাপতির পরামর্শক্রমে সকল প্রকার সভা আহ্বান করবেন।

৪। তিনি নিবন্ধিকরণ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে সকল কাজে সমন্বয় সাধন করবেন।

৫। স্বীয় দায়িত্ব পালনে অপারগতায় কার্যকরী পরিষদের অনুমতিক্রমে, কার্যকরী পরিষদের যে কোন সদস্যের উপর স্বীয় দায়িত্ব/আংশিক দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারবেন।

৬। তিনি সংস্থার হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

৭। তিনি সংস্থার পরিচালক অপারেশন এর দায়িত্ব পালন করবেন।

৮। তিনি অর্থ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অর্থ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

৯। তিনি সংস্থার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নথিভুক্তকরণের মাধ্যমে সংরক্ষণ করবেন।

১০। তিনি সংস্থার সভাপতির পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি দপ্তর এবং দাতা সংস্থার সাথে সকল ধরণের যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

১১। তিনি সংস্থার সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ ও বন্টন করবেন।

১২। সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা ও বাস্তবায়নের জন্য সাজসরঞ্জাম, কম্পিউটার ও যানবাহন এবং অন্যান্য যে কোন দ্রব্যাদি সভাপতির সাথে পরামর্শ করে ক্রয় করবেন।

ধারা-০৮(গ)-ঘ:

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ

তিনি সাধারণ সম্পাদককে সংস্থার কার্যক্রম বাস্তবায়নে সাহায্য করবেন এবং কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি তাহার দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা-০৮(গ)-ঙ:

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ

তিনি সংস্থার কার্যক্রমকে দৃঢ় ও মজবুত করার লক্ষ্যে কার্যকরী পরিষদের পরামর্শ মোতাবেক সাংগঠনিক যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করবেন।
----------
10.⭕
ধারা-০৮ (গ)-চ:

অর্থ সম্পাদক

১। তিনি সদস্যদের ভর্তি ফি ও মাসিক চাঁদা আদায় করবেন। সভাপতির অনুমতিক্রমে তিনি সংস্থার সকল অর্থ/অনুদান/দান গ্রহণ করবেন এবং প্রাপ্ত অর্থ সংস্থার নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টে সাথে সাথে (আদায়কৃত/প্রাপ্ত অর্থ) জমা করবেন। সংস্থার সকল অর্থ প্রাপ্তি এবং প্রদানের পূর্ণ নথি সংরক্ষণ করবেন।

৪। সংস্থার উদ্দেশ্যাবলী যা মূল ধারা বা উপধারায় বর্ণিত হয়েছে তা সংকোচন বাধা প্রাপ্তির কোন প্রকার সুযোগ থাকবে না বা তা অতিরিক্ত বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা ও সংস্থার উপরই ন্যস্ত থাকবে। সেগুলি মূল ধারায় উপ-ধারায় বর্ণিত হউক বা না হউক।

ধারা-০৮(গ)-ছ.

দপ্তর ও প্রচার সম্পাদকঃ

সংস্থার কার্যকরী পরিষদের পরামর্শ ও নির্দেশনা মোতাবেক দপ্তরের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি সংস্থার প্রচার, প্রচারণা ও প্রসার কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা-০৮(গ)-জ:

কার্যকরী সদস্যঃ

এই সদস্যগণ বিভিন্ন বিভাগের সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন।

ধারা-০৯:

কার্যকরী পরিষদের ক্ষমতাঃ

১। কার্যকরী পরিষদ সংস্থার নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নিয়ম কানুন প্রণয়ন করবে। সংস্থার বাৎসরিক কার্যক্রম প্রতিবেদন, বাৎসরিক আর্থিক রিপোর্ট ও বাজেট প্রণয়ন এবং পেশ করবে।

২। সংস্থার উন্নয়নমূলক কাজের জন্য যে কোন উপ-কমিটি গঠন করতে পারবে। কার্যকরী পরিষদ যে কোন স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নয়ন এবং মানবিক সংস্থার সাথে সার্বিক যোগাযোগ রক্ষা করবে। কার্যকরী পরিষদের পক্ষে সংস্থার সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এই দায়িত্ব পালন করবে।

৩। সভাপতি কার্যকরী পরিষদ সংস্থার প্রধান থাকবেন। সংস্থার ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনার দায়িত্ব তার উপর ন্যস্ত থাকবে।

৪। কার্যকরী পরিষদের সকল সভায় কার্যবিবরণী সঠিক ভাবে এবং সু-বিন্যস্তভাবে রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৫। সংস্থা পরিচালনার দায়িত্ব কার্যকরী পরিষদ এর উপর ন্যস্ত থাকবে। কোন পদ শূন্য হলে কার্যকরী পরিষদ, পরিষদের সভার উপস্থিত সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সম্মতিতে সাধারণ পরিষদের যে কোন সদস্যকে কো-অপ্ট করে কার্যকরী পরিষদের শূণ্য পদ পূরণ করবে।
----------
11.⭕
৬। সংস্থার কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য সংস্থার নিজস্ব অথবা ভাড়াকৃত ইমারত বা আঙ্গিনার ভাড়া মূল্য ও কর পরিশোধ করা।

৭। সংস্থার গঠনতন্ত্র অনুসারে পরিষদের উপর অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করা।

ধারা-১০:

সভা আহ্বানের নিয়মাবলীঃ

ধারা-১০ (ক):

সাধারণ পরিষদ সভাঃ

১। বৎসরে কমপক্ষে একবার সাধারণ পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে।

২। কমপক্ষে ১০ (দশ) দিনের নোটিশে সভা আহ্বান করা হবে। মোট সদস্যের ১/৩ (এক তৃতীয়াংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম পূর্ণ হবে।

৩। জরুরী সভা ৭ (সাত) দিনের নোটিশে এবং অতি জরুরী সভা ১ (এক) দিনের নোটিশে আহ্বান করা হবে।

ধারা-১০ (খ):

কার্যকরি পরিষদের সভাঃ

১। প্রতি মাসে কার্যকরি পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে এর বেশিও হতে পারে। সাধারণ সম্পাদক এই সভা আহ্বান করবেন।

২।০৭ (সাত) দিনের নোটিশে কার্যকরি পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে। কার্যকরী পরিষদের জরুরি সভা কমপক্ষে ২ দিনের নোটিশে এবং অতি জরুরি সভা ১ দিনের মধ্যে আহ্বান করতে হবে।

৩। ০৫ (পাঁচ) জন সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম পূর্ণ হবে।

৪। ০১ (এক) জন সদস্যের একটি মাত্র ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকবে।

৫। যে কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হলে তা সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যের সম্মতিতে নিষ্পন্ন হবে।

৬। একই সময় সভাপতি এবং সহ-সভাপতি সভায় অনুপস্থিত থাকলে কার্যকরি পরিষদ

কর্তৃক প্রস্তাবিত কার্যকরি পরিষদের যেকোন একজন সদস্য পরিষদের সভাপতিত্ব করবেন।

------------
12.⭕
ধারা-১০ (গ):

মূলতবী সভা:

১। মূলতবি সভার কোন প্রকার নোটিশ ও কোরামের প্রয়োজন নাই।

২। কার্যকরি পরিষদের মূলতবি সভা ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

৩। সাধারণ পরিষদের মূলতবি সভা ২৫ (পঁচিশ) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারা-১০ (ঘ):

তলবী সভাঃ

সাধারণ পরিষদের তলবী সভার কোন প্রয়োজন হলে এই পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য লিখিতভাবে সভাপতির নিকট আবেদন করতে হবে। সভাপতি ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে সভা আহ্বান করতে ব্যর্থ হলে সদস্যগণ তাদের মধ্যে থেকে যে কোন একজন সদস্যকে আহ্বায়ক করে সভা আহ্বান করতে পারবেন। ২/৩ (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম পূর্ণ হবে এবং তারা সকলে একমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন তা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-১১ (ক):

সদস্যপদ পদ বাতিলঃ

১। একটানা ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ না করলে সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

২। পর পর তিনটি সভার উপস্থিত না হলে সদস্য পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৩। মৃত্যু/মানসিক ভাবে অপ্রকৃতস্থ/মস্তিষ্ক বিকৃত হলে/আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত হলে সদস্য

পদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৪। কোন সদস্য সংস্থার স্বার্থ পরিপন্থি কোন কাজে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে লিপ্ত হলে কার্যকরি পরিষদ সেই সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করতে পারবেন।

৫। কোন সদস্য পদত্যাগ করলে এবং তা সভাপতি কর্তৃক অনুমোদিত হলে তার সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।

----------------
13.⭕
ধারা-১১ (খ)

সদস্যপদ পদ পুনর্বহালঃ

ধারা ১১ এ বর্ণিত যে কোন কারণে সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেলে কি কারণে সদস্যপদ বাতিল হয়ে গিয়েছে তা সন্তোষজনক জবাব দাখিল পূর্বক সদস্যপদের জন্য লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে। পরবর্তী কার্যকরী পরিষদের সভায় তাহার সদস্যপদ প্রদান বিষয়ে বিবেচিত হইলে তাকে পুন: ভর্তি ফি ও বকেয়া মাসিক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে।

ধারা-১২:
সংস্থার আয়ের উৎসঃ

১। সাধারণ সদস্যদের মাসিক চাঁদা ও ভর্তি ফি।

২। দেশি-বিদেশী দান ও অনুদান।

৩। গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের দান।

৪। নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজের জন্য ব্যয় ও প্রাপ্ত অনুদান।

৫। সরকারি ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত দান অনুদান।

৬। বিবিধ।

ধারা-১৩:
সংস্থার অর্থ ব্যয়ের খাতঃ

১। নির্মাণ মেরামত ও উন্নয়নমূলক কাজ।

২। যাতায়াত ও আপ্যায়ন।

৩। ঘর ভাড়া।

৪। বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন।

৫। বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসসমূহ উদযাপন।

৬। গরীব অসহায়দের সহায়তা প্রদান।

৭। আনুসাঙ্গিক খরচ।

৮। সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আসবাবপত্র ও তৈজসপত্র ক্রয়।

৯। বিবিধ।

ধারা-১৪:
ব্যাংক হিসাব পরিচালনাঃ

১। সংস্থার সকল ধরনের লেনদেনের জন্য বাংলাদেশের যে কোন সিডিউল ব্যাংকের যে কোন শাখায় (কাজী আমিনুল ইসলাম) শিরোনামে সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব খুলতে হবে।

২। প্রাপ্ত সকল অর্থ ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

৩। সকল ব্যাংক হিসাব (সঞ্চয়ী/চলতি) সংস্থার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ সম্পাদক।
এ তিন জনের মধ্যে যে কোন দু'জনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।

৪। সংস্থার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য পৃথক পৃথক একাধিক ব্যাংক হিসাব খোলা যাবে।
---------------
14.⭕

৫। সংস্থার অর্থ কোন অবস্থাতেই কারো হাতে গচ্ছিত রাখা যাবে না। তবে জরুরী প্রয়োজন মিটানোর জন্য অর্থ সম্পাদকের হাতে ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকার বেশি জমা রাখতে পারবে না। বাৎসরিক সাধারণ সভায় সকল ধরনের খরচের অনুমোদন নিতে হবে।

৬। ১লা জুলাই হইতে ৩০শে জুন পর্যন্ত আর্থিক বৎসর নির্ধারণ করা হইবে।

৭। সকল প্রকার হিসাব মাসিক ভিত্তিতে সংরক্ষণ করতে হবে। উক্ত হিসাব কার্যকরী পরিষদ এর পক্ষে সভাপতি অনুমোদন দে

কাজী মো: আমিনুল ইসলাম এর জীবনবৃত্তান্ত:জন্ম ও শৈশব :কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের কুমিল্লা জে...
11/07/2026

কাজী মো: আমিনুল ইসলাম এর জীবনবৃত্তান্ত:
জন্ম ও শৈশব :
কাজী মোঃ আমিনুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নালঘর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মরহুম কাজী সিরাজুল ইসলাম এবং মাতা ছিলেন মরহুমা ফুলমতি বিবি। তাঁর আট ভাই-বোনের মধ্যে তিনি বাবা-মায়ের সপ্তম সন্তান।

ব্যক্তিগত জীবন :
তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বার্কিংয়ে বসবাস করছেন।

শিক্ষাজীবন :
তিনি নালঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা এবং শ্রীপুর প্রসন্ন একাডেমি থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ১৯৯১ সালে কুমিল্লা বোর্ড থেকে এসএসসি এবং ১৯৯৩ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ(জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে ১৯৯৭ সালে গণিতে বিএসসি এবং ১৯৯৮ সালে এমএসসি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের University of Wales থেকে MBA in Finance ডিগ্রি অর্জন করেন, যা তাঁর পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

কর্মজীবন :
স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী Cordova International School & College এ সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান এবং London Metropolitan College এ প্রভাষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান London School of Business and Finance-এ Business Development Manager হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে FBA (UK) Ltd (Global Education Management), Finance & Business Academy, FBA Estates Ltd এবং FBA Global Care Foundation প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নেতৃত্বে এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, ব্যবসা উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি :
কাজী আমিনুল ইসলাম বিভিন্ন সামাজিক ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি যুক্তরাজ্যের নিউহ্যামে Channel iON-এর পক্ষ থেকে স্থানীয় এমপি কর্তৃক সম্মাননা লাভ করেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবসেবামূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত আছেন। ছোট পরিসরে শুরু করলেও ২০১৫ সাল থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন, সুদান, তানজানিয়া, সিরিয়া সহ বিভিন্ন দেশে দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বাংলাদেশে তিনি দরিদ্র মানুষের জন্য ২০০টিরও বেশি গৃহ নির্মাণ করেছেন। এছাড়াও তিনি চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা সহায়তা, এতিম ও অসহায়দের সহায়তা, জরুরি ত্রাণ বিতরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

25/02/2026

ইফতার সামগ্রী বিতরণ 🌿📿🌙

25/02/2026

আযান- ফারদীন বিন আমিন📿

25/02/2026

Address

160 Lake Circus Kalabagan, Dhanmandi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Aminul Islam Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share