22/02/2026
নতুন নিয়মে বিশেষ করে নারীদের পোশাকের বিষয়ে প্রেরিত পৌল এবং পিতর গুরুত্ব দিয়েছেন।
১ তীমথিয় ২:৯-১০: এখানে বলা হয়েছে যে, নারীদের উচিত "লজ্জাশীলতা ও সুবুদ্ধি" সহকারে উপযুক্ত পোশাকে নিজেদের সাজানো। অতিরিক্ত জাঁকজমক বা বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে (যেমন: অনেক সোনা, মুক্তা বা দামি পোশাক) সৎকর্ম দিয়ে নিজেদের সাজানোই ঈশ্বরের কাছে বেশি মূল্যবান।
উদ্দেশ্য: পোশাক যেন অন্যদের মনোযোগ নিজের শরীরের দিকে না টেনে বরং নিজের ব্যক্তিত্ব এবং ঈশ্বরের দিকে টানে।
পুরাতন নিয়মে নারী ও পুরুষের পোশাকের স্বকীয়তা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিবরণ ২২:৫: "স্ত্রীলোক পুরুষের পোশাক পরবে না এবং পুরুষও স্ত্রীলোকের পোশাক পরবে না।"
উদ্দেশ্য: ঈশ্বর নারী ও পুরুষকে আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, তাই পোশাকেও যেন সেই স্বতন্ত্রতা বজায় থাকে। তবে বর্তমান যুগে এর ব্যাখ্যা মূলত 'সংস্কৃতি' এবং 'উদ্দেশ্যের' ওপর ভিত্তি করে করা হয়।
বাইবেলের মূল শিক্ষা হলো—পোশাক হতে হবে পরিচ্ছন্ন, শালীন এবং রুচিশীল। এটি এমন হওয়া উচিত যা:
আপনার শরীরকে সম্মান জানায়।
ঈশ্বরের প্রতি আপনার ভক্তি প্রকাশ করে।
অশালীনতা বা অহংকার প্রদর্শন করে না।