08/08/2024
আরেকটা দরকারী আলাপে আসি। সবাই চেয়েছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে একজন হলেও আলেম থাকুক। আমার জানা মতে এর বিপরীত অবস্থান কারো ছিল না। অন্তত আমার নজরে আসেনি।
এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে। তাদের অন্যতম মূল দায়িত্ব হলো গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
তো এই কাজ যারা করবে, তাদের মধ্যে একজন আলেম থাকুক, এটার জন্য কেন সবাই মরিয়া হয়ে ছিলেন? এই প্রশ্নটার উত্তর সবার কাছেই সুস্পষ্ট। এটা নিয়ে লম্বা কথা লেখার প্রয়োজন নেই আর।
ঠিক এই কারণেই আলেমগণ আগ থেকে বলে আসতেন, গণতন্ত্র যদিও ইসলামের আদর্শ বিরোধী একটি ব্যবস্থা, কিন্তু ওজর হিসেবে এবং সাময়িক প্রয়োজনে এতে অংশ নিয়ে ইসলাম ও মুসলিমদের পক্ষে কাজ করা উচিত। পুরো বিষয়টাকে সেক্যুলারদের হাতে ছেড়ে দেওয়া মানে আমাদের ক্ষতিকেই দাওয়াত করে আনা। আলেমদের এই মতের কারণে অনেক ভাই তাদেরকে বহু কথা বলেছেন। আশা করি তারা এখন বাস্তবতা বুঝবেন। যারা বড় ক্ষতিকে রোধ করার জন্য ছোট ক্ষতিকে মানার নীতিকে স্বীকার করতেন না, তারাও আশা করি এখন বুঝবেন।
খোলাসা কথা হলো, যে কারণগুলোকে সামনে রেখে আপনি এখন একজন আলেমকে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্য হিসেবে কামনা করছেন এবং একে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করছেন, হুবহু একই কারণে আলেমরা ইসলামি রাজনৈতিক দল গঠন এবং তাদের নির্বাচনে যাওয়াকে সমর্থন করেন।
আমাদের সবারই মূল লক্ষ্য ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করা। সেটা যতদিন হচ্ছে না, ততদিন আমরা সেই রাষ্ট্র চাইব, যা ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে সহায়ক হবে।
––আব্দুল্লাহ আল মাসুদ