দেউতি দাওয়াহ সার্কেল - Deuty Dawah Circle

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • দেউতি দাওয়াহ সার্কেল - Deuty Dawah Circle

দেউতি দাওয়াহ সার্কেল  - Deuty Dawah Circle LA ILAHA ILLALLAHU MUHAMMADUR RASULULLAH

18/02/2026

রমাদান মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো এবং করণীয় ও বর্জনীয় :

১/ সিয়াম পালন করা
২/ সময় মত সালাত আদায় করা
৩/সহীহভাবে কুরআন শেখা
৪/ অপরকে কুরআন পড়া শিখানো
৫/ সাহরী খাওয়া
৬/সালাতুত তারাবীহ পড়া
৭/বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত কিরা
৮/শুকরিয়া আদায় করা
৯/কল্যাণকর কাজ বেশি বেশি করা
১০/ সালাতুত তাহাজ্জুদ পড়া
১১/ বেশি বেশি দান সদাকাহ করা
১২/ উত্তম চরিত্র গঠনের অনুশীলন করা
১৩/ই'তিকাফ করা
১৪/দাওয়াতে দ্বীনের কাজ করা
১৫/সামর্থ্য থাকলে উমরা পালন করা
১৬/লাইলাতুল কদর তালাশ করা
১৭/বেশি বেশি দোয়া ও কান্নাকাটি করা
১৮/ইফতার করা
১৯/ইফতার করানো
২০/তাওবাহ ও ইস্তেগফার
২১/তাকওয়া অর্জন করা
২২/ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত মাসজিদে অবস্থান করা (ছেলেদের জন্য)
২৩/ফিতরাহ দেওয়া
২৪/অপরকে খাদ্য খাওয়ানো
২৫/ আত্নীয়তার সম্পর্ক উন্নীত করা
২৬/কুরআন মুখস্থ বা হিফয করা
২৭/আল্লাহর যিকির করা বেশি বেশি
২৮/মিসওয়াক করা
২৯/একজন অপরজনকে কুরআন শুনানো
৩০/কুরআন বুঝা ও আমল করা

*যা করণীয় নয়*
রমাদান মাসের ফাজিল হাসিল করার জন্য এমন কিছু কাজ রয়েছে যা থেকে বিরত থাকা দরকার, সেহুলো নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:-
১. বিলম্বে ইফতার করা
২. সাহরী না খাওয়া
৩. শেষের দশ দিন কেনা কাটায় ব্যস্ত থাকা
৪. মিথ্যা বলা ও অন্যান্য পাপ কাজ করা
৫. অপচয় ও অপব্যয় করা
৬. তিলাওয়াতের হক আদায় না করে কুরআন খতম করা
৭. জামায়াতের সাথে ফরজ সালাত আদায়ে অলসতা করা (ছেলেদের জন্য)
৮. বেশি বেশি খাওয়া
৯. রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত করা
১০. বেশি বেশি ঘুমানো
১১. সংকট তৈরি করা জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধির জন্য
১২. অশ্লীল ছবি,নাটক দেখা
১৩. বেহুদা কাজে রাত জাগরণ করা
১৪. বিদা-আত কিরা
১৫. দুনিয়াবি ব্যস্ততায় মগ্ন থাকা

আল্লাহ আমাদেরকে রমাদান মাসের ফজিলত হাসিল করার তৌফিক দান করুন, আমিন।

লিখেছেন : হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
সম্পাদনা :ড. আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ

18/02/2026

রমাদান একটি মহৎ মাস, আলহামদুলিল্লাহ
রমাদান মুবারক 🌙

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত  রংপুর জেলার ইফতার ও সাহরীর সময়সূচী
16/02/2026

ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত রংপুর জেলার ইফতার ও সাহরীর সময়সূচী

“দৃষ্টির হিফাযত কেবল নাজায়েজ কিছু থেকে নয়, বরং জায়েজ বস্তু থেকেও করতে হয়”…চমকে উঠলাম। জায়েয জিনিস থেকেও নজরের হিফাযত?? …...
22/01/2026

“দৃষ্টির হিফাযত কেবল নাজায়েজ কিছু থেকে নয়, বরং জায়েজ বস্তু থেকেও করতে হয়”…

চমকে উঠলাম। জায়েয জিনিস থেকেও নজরের হিফাযত?? …

মাগরিবের পর মসজিদে বসা ছিলাম। মিম্বারের পাশে একজন বয়ষ্ক তাবলিগের মুরুব্বী বয়ান করছেন। কিছুটা দুরে থেকে তার বক্তব্যের এই অংশটা কানে আসতেই কান খাড়া হয়ে গেলো। তিনি ব্যাক্ষা দেয়ার জন্য একটু সময় নিয়ে বলতে শুরু করলেন,

দুনিয়াবী বিষয়গুলো নিয়ে যার ভেতর আকর্ষন এবং হীনমন্যতা বেশী কাজ করে, তার জন্য জরুরী এরকম ক্ষেত্রেও দৃষ্টির হিফাযত করা। যার লেটেস্ট মডেলের গাড়ীর প্রতি ফ্যাসিনেশন আছে, এরকম গাড়ি চোখে পড়লেই তার জন্য চোখ সরিয়ে নেয়া জরুরী। সুন্দর বাড়ী বা এপার্টমেন্ট, লেটেস্ট মডেলের মোবাইল ফোন বা আকর্ষণীয় কোন ড্রেস - যেগুলো দেখলে তার নিজের ভেতর আফসোস এবং আকর্ষণ তৈরি হয়, সে যেন এসব কিছু থেকেও দৃষ্টির হিফাযত করে।

আর এটা আমার কথা না। বরং স্বয়ং আল্লাহ তাআলা তার রাসুলকে এরকম আদেশ দিয়েছেন।

আবার অবাক হওয়ার পালা। এতক্ষন ভাবছিলাম, সাময়িক চিকিৎসা হিসেবে তিনি হয়তো নিজ থেকে এটা বললেন। কিন্তু এটা সরাসরি আল্লাহর আদেশ!! সত্যি!!

মুরুব্বী তিলাওয়াত শুরু করলেন,

وَلَا تَمُدَّنَّ عَیۡنَیۡکَ اِلٰی مَا مَتَّعۡنَا بِہٖۤ اَزۡوَاجًا مِّنۡہُمۡ زَہۡرَۃَ الۡحَیٰوۃِ الدُّنۡیَا ۬ۙ لِنَفۡتِنَہُمۡ فِیۡہِ ؕ وَرِزۡقُ رَبِّکَ خَیۡرٌ وَّاَبۡقٰی

হে নবী! তুমি পার্থিব জীবনের ওই চাকচিক্যের দিকে তাকিও না, যা আমি তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে সাময়িক উপভোগের জন্য দিয়ে রেখেছি, তা দ্বারা তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য। বস্তুত তোমার রব্বের রিযক সর্বাপেক্ষা উত্তম ও সর্বাধিক স্থায়ী। - সুরা ত্বহা, আয়াত ১৩১।

দ্বীনি মজলিসের ফায়দা এটাই। কুরআনের এই আয়াত তিলাওয়াত হয়েছে বহুবার। কিন্তু নিজের সাথে এভাবে ফিট করার সুযোগ…. আগে হয়নি কখনো!

~ সংগৃহীত

বান্দার আমল কমে গেলে, আল্লাহ তা'য়ালা তাকে দুশ্চিন্তার পরীক্ষায় ফেলেন।-ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.){সূত্র : কিতাবুত যুহুদ,...
15/01/2026

বান্দার আমল কমে গেলে, আল্লাহ তা'য়ালা তাকে দুশ্চিন্তার পরীক্ষায় ফেলেন।
-ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.)
{সূত্র : কিতাবুত যুহুদ, ৬৪}

14/01/2026

নিশ্চয় দুনিয়ার জীবন ক্ষনস্থায়ী!!!!

দুআ এমন জিনিস, যদি আপনি দুনিয়াবী উদ্দেশ্যেও দুআ করেন—যেমন বললেন, হে আল্লাহ! আমাকে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিন। আমার রিয...
14/01/2026

দুআ এমন জিনিস, যদি আপনি দুনিয়াবী উদ্দেশ্যেও দুআ করেন—যেমন বললেন, হে আল্লাহ! আমাকে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিন। আমার রিযিকে বরকত দান করুন। আমাকে সমৃদ্ধ ও প্রশস্ত রিযিক দান করুন। আমাকে সুস্থতা দান করুন। আমার পরিবার পরিজনকে সুস্থতা দান করুন। এই সবগুলো দুনিয়াবী প্রয়োজন। এই দুনিয়াবী প্রয়োজন পূরণের দুআ করাও ইবাদত ও সাওয়াবের কাজ।

ওই মহান দয়ালু রবের দরবার তো এমন যে, তিনি আমাদেরকে ডেকে বলেন—আসো, এবং আমার কাছে চাও।

বান্দা যখন চাওয়ার জন্য তার দরবারে উপস্থিত হয়, তখন বলেন—তুমি যা-কিছু চাচ্ছ সেগুলো তো আমি তোমাকে পরে দেব।

তার আগে তুমি যে আমার কাছে এসেছ এবং চেয়েছ, সেজন্য এখনই তোমার জন্য সাওয়াব ও নেকী লিখে দিচ্ছি। এমনকি তুমি যত চাইবে তত সাওয়াব ও নেকী দেব। এটা তোমার দুআ ও প্রার্থনার নগদ পুরস্কার।

এমন উদার দয়ালু আর কে আছে, যিনি শুধু এতটুকুর জন্য পুরস্কার দেন যে, আপনি তার কাছে চাইতে গিয়েছেন!

মূলত দুআর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং তার সাথে সম্পর্ক বাড়ে। অতএব দুআকে সাধারণ বিষয় মনে করবেন না।

- মুফতী তাকী উসমানী হাফি.

[কুরআনী দুআসমূহের ব্যাখ্যা : ১/৩৯, মাকতাবাতুল আশরাফ]

গুরুত্বপূর্ণ‼️
14/01/2026

গুরুত্বপূর্ণ‼️

আমাদের দেশে 'তথাকথিত এলিট’ হয়ে উঠার খুব সস্তা আর সহজ শর্টকাট মনে হয় ইসলামমোফোবিক আচরণ। ইসলাম, নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাব ...
12/01/2026

আমাদের দেশে 'তথাকথিত এলিট’ হয়ে উঠার খুব সস্তা আর সহজ শর্টকাট মনে হয় ইসলামমোফোবিক আচরণ। ইসলাম, নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাব নিয়ে দুই-একটা উল্টাপাল্টা নোংরা কথা বললেই এই দেশে একাডেমিক হিসেবে বিশেষ সম্মান পাওয়া যায়। সম্প্রতি জনৈক রাজনৈতিক নেতার নিক্বাবকে কুরুচিকর ইতিহাসের সাথে তুলনা করা এবং ইহুদি নারীদের অশালীন পেশার সাথে গুলিয়ে ফেলা, সেই সস্তা মানসিকতা ও চরম ধৃষ্টতারই বহিঃপ্রকাশ।
ইসলামে 'জিলবাব' এবং 'খিমার' (ওড়না বা বড় চাদর) এর বিধান সরাসরি ক্বুরআন থেকে এসেছে।[১] জাহেলি যুগে আরব নারীরা ওড়না পরত ঠিকই, কিন্তু তারা তা ঘাড়ের পেছনে ফেলে রাখতো, যার কারনে বুক ও কান অনাবৃত থাকতো।[২] ইসলাম এসে সেই পোশাকের ধরনে আমূল পরিবর্তন আনে এবং পুরো শরীর আবৃত করার নির্দেশনা দেয়। 'নিক্বাব মুসলমানদের পোশাক না', এধরনের ঘৃণ্য বক্তব্য যারা ছড়ায়। তাদের এসব বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে ইসলামের শ্রেষ্ঠযুগের নারী সাহাবিয়াতগনের কয়েকটা ঘটনা মাধ্যমে নিক্বাবের সত্যতা একটু যাচাই করি।
১. হযরত আ'ইশা (রা.) থেকে বর্ণিত, "আল্লাহ্ তা‘আলা প্রাথমিক যুগের মুহাজির মহিলাদের উপর রহম করুন, যখন আল্লাহ্ তা‘আলা এ আয়াত 'তাদের গ্রীবা ও বক্ষদেশ যেন ওড়না দ্বারা আবৃত করে'[৩] অবতীর্ণ করলেন, তখন তারা নিজ চাদর ছিঁড়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল ঢাকল"[৪]। যদি নিক্বাব (মুখমন্ডল ঢাকা) ইসলামের অংশ না হতো, তবে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নারীগণ এই কাজ করতেন না।
২. বিখ্যাত ইফকের ঘটনায় আ'ইশা (রা.) যখন মরুভূমিতে ঘুমিয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর চেহারা অনাবৃত হয়ে পড়েছিলো। সাহাবী হযরত সাফওয়ান (রা.) তাঁকে দূর থেকে দেখে চিনে ফেলেন। আ'ইশা (রা.) বলেন, "তিনি আমাকে দেখে চিনে ফেললেন কারণ পর্দার বিধান আসার আগে তিনি আমাকে দেখেছিলেন। তিনি যখন উচ্চস্বরে 'ইন্নালিল্লাহ' পড়লেন, আমি জেগে উঠলাম এবং তৎক্ষণাৎ আমার চাদর দিয়ে মুখ ঢেকে ফেললাম" [৫] এই ঘটনায় এটা স্পষ্ট হয়ে যায়, পর্দার বিধান নাজিলের পর সাহাবিয়াতগন (রা.) তাঁদের চেহারা পুরুষদের সামনে অনাবৃত রাখতেন না।
৩. হজের ইহরাম অবস্থায় আলাদা সেলাই করা নিক্বাব পরা নিষেধ। কিন্তু এর মানে এই না সাহাবিয়াতগণ পুরুষদের সামনে মুখ খোলা রাখতেন। হজরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) এবং ফাতেমা বিনতে মুনযির (রহ.) বর্ণনা করেন, "আমরা ইহরাম অবস্থায় থাকতাম। যখন পুরুষদের কাফেলা আমাদের পাশ দিয়ে যেতো, তখন আমরা আমাদের মাথার ওপর থেকে চাদর টেনে মুখ ঢেকে নিতাম, তারা চলে গেলে আবার খুলে দিতাম"[৬]। অর্থাৎ, ইবাদতের বিশেষ অবস্থায়ও তাঁরা চেহারা আবৃত রাখতেন।
৪. হযরত কায়েস ইবনে শামমাস (রা.) বর্ণনা করেন, এক নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এলেন। তাঁকে উম্মে খাল্লাদ বলে ডাকা হতো। তার মুখ ছিল নিক্বাবে ঢাকা। তিনি আল্লাহর পথে তার শহীদ পুত্র সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জানতে এসেছিলেন। তখন তাঁকে এক সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তোমার পুত্র সম্পর্কে জানতে এসেছ, আর মুখে নিক্বাব। তখন হযরত উম্মে খাল্লাদ (রা.) তাঁকে উত্তরে বললেন, আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে এক বিপদে পড়েছি। এখন লজ্জা হারিয়ে তথা মুখমণ্ডলসহ গোটা শরীর পর্দা না করে কি আরেক বিপদে পড়বো?[৭] এই সাহাবিয়াত মুখ অনাবৃত করাকে সন্তান হারানোর মতো বিপদের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের চেয়ে বিশুদ্ধ আর নির্মল ইসলাম আর কারোর কাছে নেই। সেই সময় সাহাবীরা সরাসরি ওয়াহীর নিখুঁত জ্ঞানের মাধ্যমে জীবন পরিচালিত করতেন। তাদের প্রত্যেকটি কর্মকান্ডের মানদণ্ড ছিলো, ওয়াহী ও রিসালাত। সেই সময়কার নারীরা ইবাদাতের বিশেষ মুহুর্তে, সফর কিংবা সন্তান শহীদ হওয়ার মতো কঠিন মুহুর্তেও তাঁদের চেহারা আবৃত রাখতেন। কিন্তু দেড় হাজার বছর পর এসে, ইসলামের মিনিমাম জ্ঞান রাখে না এমন পলিটিক্যাল এলিটরা মুসলিমদের পোশাকের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয়!
কোনো তথাকথিত বুদ্ধিজীবি, রাজনৈতিক নেতা কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি নারীর হিজাব নিক্বাব নিয়ে নোংরা কটাক্ষ করেন, তখন তথাকথিত এলিট নারী অধিকারবাদীদের মুখে কুলুপ পড়ে থাকে। তারা নারীর পোশাকের স্বাধীনতার বুলি আওড়ায় ঠিকই, কিন্তু কেউ যদি একজন মুসলিম নারীর হিজাব কিংবা নিক্বাবের স্বাধীনতা নিয়ে ট্রল করে, তখন তাদের কাছে এটাকে ‘নিপীড়ন’ মনে হয় না। তাদের এমন নির্লিপ্ত দ্বিমুখী আচরণ স্পষ্ট করে দেয়, তাদের বুলি আওড়ানো ‘নারী অধিকার’ আসলে পশ্চিমা ও ইসলামবিদ্বেষী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার একটা স্ট্র্যাটেজিক প্রক্সি মাত্র!
বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দল পতিত ফ্যাসিস্টদের সিফাত অনুসরণ করে যদি এই ভূখণ্ডে ইসলামমোফোবিয়ার চাষাবাদ করতে চায়। তাহলে সেসব ধৃষ্টতা দেখানো ব্যক্তিদের জেনে রাখা উচিত, এই জমিনের তৌহিদী জনতা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এসব মনে রাখছে।
টীকা:-
[১] সূরা আল-আহযাব, ৫৯।
[২] তাফসিরে ইবনে কাসির, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৪১-৪২ (সূরা নূর, আয়াত: ৩১-এর ব্যাখ্যা)।
[৩] সূরা আন-নূর, ৩১।
[৪] সহিহ বুখারী,৪৭৫৯।
[৫] সহিহ বুখারী, ৪১৪৪।
[৬] মুওয়াত্তা ইমাম মালিক,১০১৮।
[৭] আবু দাউদ-১/৩৩৭।

12/01/2026

দুনিয়াতে বেচে থাকা যে কত বড় নিয়ামত, সুবহানাল্লাহ!

11/01/2026

নামাজে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়:

১. অনলাইন অফলাইনে নজর হেফাজত করা
২. উপার্জন এবং ব্যবহৃত জিনিস হালাল হওয়া
৩. নামাজে মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়, এমন বস্তু থেকে নামাজের পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে দূরে থাকা
৪. "আল্লাহুম্মা আইন্নি আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবাদাতিক" দুয়াটি প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর পড়া।

_ শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেউতি দাওয়াহ সার্কেল - Deuty Dawah Circle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to দেউতি দাওয়াহ সার্কেল - Deuty Dawah Circle:

Share