RES treasure

RES treasure A corner crafted with goodness, beauty, humanity, and the Creator’s satisfaction 💟

12/03/2026

রমজানের শেষ দশকের ১০টি ‘গোল্ডেন আইডিয়া’

রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাত আমাদের জন্য রহমতের এক বিশাল সুযোগ। যদি আপনার কোনো আমল 'লাইলাতুল কদর'-এর সাথে মিলে যায়, তবে তার সওয়াব হবে দীর্ঘ ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের সমান। ইনশাআল্লাহ।

১. প্রতি রাতে অন্তত ৩ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা
যদি কদরের রাতে এটি মিলে যায়, তবে আপনি টানা ৮৪ বছর প্রতিদিন পূর্ণ কুরআন খতমের সওয়াব পাবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَقْرَأَ فِي لَيْلَةٍ ثُلُثَ الْقُرْآنِ؟... قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ
"তোমাদের কেউ কি এক রাতে কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ পড়তে অক্ষম? ... সূরা ইখলাস হলো কুরআনের এক-তৃতীয়াংশ।" (সহীহ মুসলিম)

২. প্রতি রাতে ১০০ আয়াত দিয়ে অন্তত ২ রাকাত কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) আদায় করা

যদি এই আমলটি কদরের রাতে হয়, তবে আপনি টানা ৮৪ বছর আল্লাহর অনুগত ইবাদতকারী হিসেবে গণ্য হবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَامَ بِمِائَةِ آيَةٍ كُتِبَ مِنَ الْقَانِتِينَ
"যে ব্যক্তি ১০০ আয়াত দিয়ে কিয়াম (সালাত) আদায় করবে, সে ইবাদতকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।" (সুনানে আবু দাউদ)

৩. সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করা
آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ
কদরের রাতে এটি পাঠ করলে আপনার আমলনামায় দীর্ঘ ৩০,০০০ রাতের ইবাদতের সওয়াব লেখা হতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَرَأَ بِالْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ
"যে ব্যক্তি রাতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়বে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।" (সহীহ বুখারী)

৪. প্রতিদিন সামান্য কিছু হলেও দান করা

যদি আপনার এই দান কদরের রাতে মিলে যায়, তবে আল্লাহর কাছে তা টানা ৮৪ বছর প্রতিদিন দান করার সমান মর্যাদা পাবে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ تَصَدَّقَ بِعَدْلِ تَمْرَةٍ مِنْ كَسْبٍ طَيِّبٍ... فَيُرَبِّيهَا لِصَاحِبِهِ حَتَّى تَكُونَ مِثْلَ الْجَبَلِ
"যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন থেকে একটি খেজুর পরিমাণও দান করে... আল্লাহ সেটি দাতার জন্য পাহাড়ের মতো বিশাল করে দেন।" (সহীহ বুখারী)

৫. প্রতিদিন ১০০ বার তওহীদের যিকির করা
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

কদরের রাতে এটি পড়ার উছিলায় আপনি ৩ লক্ষ মানুষ মুক্ত করার সমপরিমাণ সওয়াব পেতে পারেন।
হাদিস: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি এটি ১০০ বার পড়বে সে ১০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাবে। (সহীহ বুখারী)

৬. সকল মুমিন নর-নারীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা
اللهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ

কদরের রাতে এই দোয়ার মাধ্যমে আপনি প্রায় ৬০ বিলিয়ন (৬ হাজার কোটি) নেকি পেতে পারেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنِ اسْتَغْفَرَ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ كَتَبَ اللهُ لَهُ بِكُلِّ مُؤْمِنٍ وَمُؤْمِنَةٍ حَسَنَةً
"যে ব্যক্তি মুমিন নর-নারীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে প্রত্যেক মুমিনের বিনিময়ে একটি করে নেকি দেবেন।" (তাবারানী)

৭. প্রতিদিন ১০০ বার 'সুবহানাল্লাহ' পাঠ করা سُبْحَانَ اللهِ

কদরের রাতে এটি পাঠ করলে আপনার আমলনামায় ৩০ লক্ষ নেকি যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ، كُلَّ يَوْم أَلْفَ حَسَنَةٍ؟... يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ، فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ
"তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন ১০০০ নেকি অর্জন করতে অক্ষম? তোমরা ১০০ বার সুবহানাল্লাহ পড়ো..." (সহীহ মুসলিম)

৮. প্রতিদিন ১০০ বার বিশেষ এই তাসবীহটি পাঠ করা
سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ

কদরের রাতে এটি পড়লে জান্নাতে আপনার জন্য ৩ লক্ষ খেজুর গাছ রোপণ করা হতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ قَالَ: سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ غُرِسَتْ لَهُ نَخْلَةٌ فِي الْجَنَّةِ
"যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আজীম ওয়া বিহামদিহি' বলবে, জান্নাতে তার জন্য একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।" (তিরমিযী)

৯. প্রতিদিন ১০০ বার দরুদ শরীফ পাঠ করা
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ

লাইলাতুল কদরে এটি পাঠ করলে আপনি কয়েক লক্ষ বার আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভ করবেন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ صَلَّى عَلَيَّ وَاحِدَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ عَشْرًا
"যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন।" (সহীহ মুসলিম)

১০. অন্যকে কল্যাণের পথে আহ্বান করা

এই বার্তাটি প্রিয়জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। আপনার মাধ্যমে কেউ আমল করলে আপনিও সমপরিমাণ সওয়াব পাবেন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ دَلَّ عَلَى خَيْرٍ فَلَهُ مِثْلُ أَجْرِ فَاعِلِهِ
"যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের পথ দেখায়, সে ওই কাজ সম্পাদনকারীর সমান সওয়াব পাবে।" (সহীহ মুসলিম)

আল্লাহ আমাদের এই দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তৌফিক দান করুন। আমীন।

07/03/2026

সূরা বাকারাহ নিয়ে বসেছিলাম

পড়তে পড়তে ১৬৯ আয়াতে এসে আটকে গেলাম

আয়াতটা কেমন যেন নতুন করে স্ট্রাইক করল।

আয়াতটাতে আল্লাহ শয়তানের একটা কোর স্ট্র্যাটেজি আমাদের কাছে তুলে ধরেন

সাবধান করে বলেন যে

"নিশ্চয় সে তোমাদেরকে আদেশ দেয় মন্দ, অশ্লীল কাজ ও আল্লাহ্‌ সম্বন্ধে এমন সব বিষয় বলার যা তোমরা জান না"

অর্থাৎ এখানে তিনি আমাদের সতর্ক করেন যে

শয়তান আমাদেরকে তিনটা জিনিসের হুকুম দেয়

প্রথম দুইটা তো পয়েন্ট তো আমরা আগে থেকেই জানি তবে তিন নম্বরটা?

খেয়াল করে দেখেন

এতবার পড়া সত্ত্বেও কিন্তু আমরা সেটা মনে রাখার প্রয়োজন বোধ করিনি।

তিন নাম্বার ইন্সট্রাকশনটা তাই আবার একটু চোখ বুলাই

"আল্লাহ্‌ সম্বন্ধে এমন সব বিষয় বলা যা তোমরা জান না"

সিকুয়েন্সটাও একটু খেয়াল করেন

প্রথমে মন্দ কাজ করা, তারপর অশ্লীলতা তারপর গিয়ে মিথ্যে কোট করা!

কেন?

কারণ শয়তান প্রথমেই কিন্তু আমাদের দিয়ে বড়সড় করাপশন করায় না

সে ধীরে ধীরে অ্যাপ্রোচ করে

প্রথমে ছোট ছোট মন্দ কাজ দিয়ে স্টার্ট করায়-

-হয়তো ছোট একটা মিথ্যা বলায়

-কিংবা আড়চোখে সুন্দরীর দিকে তাকাতে বলে

-অথবা ছোটখাটো কোনো আদর্শকে কম্প্রোমাইজ করায়।

প্রথমে বিষয়টা হয় ব্যক্তি পর্যায়ে

তারপর গুনাহের দরজা যখন হালকা খুলতে থাকে

তখন সেটা সে ফারদার পুশ করে

তখন ছোট ছোট মন্দ কাজগুলো ইমোরালিটিতে টার্ন নেয়

একদা যা লুকানো ছিল, তা প্রকাশ পেতে শুরু করে

একদা যা লজ্জার ছিল আস্তে আস্তে তা নরমালাইজ হতে থাকে

ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়তে থাকে।

তবে শয়তান এখানেই থেমে থাকে না

তার আসল বিজয় আসে থার্ড স্টেপে

সে যখন আল্লাহর নাম এমন সব কথা বলানো শুরু করে যা মিথ্যে।

প্রশ্ন আসে না এটা কেন এত বড় একটা বিষয়?

বড় বিষয় কারণ এর মাধ্যমে দ্বীন ডিস্টর্টেড হতে শুরু করে

ভুল জিনিসগুলো ধর্মের নাম জাস্টিফায়েড হতে থাকে

আল্টিমেটলি এটা ডেঞ্জারাস একটা রূপে টার্ন করে!

এটা শুধু ইন্ডিভিজুয়ালের বেহেভিওরই করাপ্ট করে না

বরং ধীরে ধীরে পুরো দ্বীনকেই করাপ্ট করে ফেলে!

অথচ এমন বিশাল একটা বিষয়কে আমরা খুব কেজুয়ালি অলমোস্ট রেগুলারলি প্র্যাকটিস করে থাকি

কিভাবে?

নিজের আইডিওলজি, পলিটিকাল ভিউ অথবা পার্সোনাল আর্গুমেন্টকে জাস্টিফাই করার জন্য

অনায়াসে নিজস্ব একটা মতবাদ এস্টাব্লিশ করার জন্যে কুরআনকে মিসকোট করে ফেলি

আউট অফ কনটেক্সট একটা আয়াত কোট করে ক্লেইম করার চেষ্টা করি যে

আল্লাহ তো আমাদের পজিশনকে সাপোর্টই করে তাহলে তোমরা আমার কথা শুনবা না কেন!

কিংবা ফিনান্সিয়াল গেইনের কারণে নতুন নতুন মনগড়া রিচুয়াল শুরু করি

আর সরলমনা মানুষ আল্লাহকে কাছে পেতে অবুঝ ভাবে সেগুলোতে ঝুঁকে পরে!

কিংবা কখনো কখনো নিজেই মুফতি বনে যাই

"এটা হারাম" "ওটা হারাম" বলে দ্বীনকে কঠিন থেকে কঠিনতর করে তুলি

এতে অনেকেই দ্বীন বিমুখ হয়ে পরে!

এ সবই করি নিজেদের পার্সোনাল ওপিনিয়ন গুলোকে জাস্টিফাই করানোর জন্য।

অথচ ভুলে যাই এই পার্টিকুলার বিষয়ে সূরা নাহলে তার কড়া ওয়ার্নিং

"আল্লাহ্‌র প্রতি মিথ্যা রটনা করার জন্য তোমরা বলো না

‘এটা হালাল এবং এটা হারাম"

যারা আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যে উদ্ভাবন করে

তারা কখনো কল্যাণ লাভ করতে পারে না!

হয়তো এতে তাদের শর্টটার্ম বেনিফিট থাকতে পারে

তবে জেনে রেখো

এতে তাদের জন্য লংরানে যন্ত্রণাদয়ক শাস্তি রয়েছে!

[সূরা নাহল, আয়াত ১১৬]

কখনো কখনো আবার তার নামে ফলস প্রমিসও করে বসি-

-অমুক দুআ তিন বার পড়ে ফু দেন তো ধনী হয়ে যাবেন

-অথবা আজ অমুক দিনে এই বিশেষ আমলটি করেন তো জান্নাত পেয়ে যাবেন!

পাশাপাশি আমরা আরেকটা জিনিসও করে থাকি

এমন ভাব দেখাই যে আমরা গায়েবের ফর্মুলা জেনে বসে আছি-

-ওর তো অমুক পাপের জন্য এই অসুস্থতা পেয়ে বসেছে

-কিংবা তার তো সেমুক আমলের জন্য এই বিপদ নেমে এসেছে

অথচ কাহফ পড়লে বুঝি

সব সময় ঘটনা যা দেখি তা নয়

মাঝে মাঝে সেটার পেছনে হিকমতও থাকে

সাথে হাদিস থেকে এও জানি যে

"কোনো বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে এমন একটি মর্যাদা নির্ধারিত থাকে

যা সে তার আমলের মাধ্যমে অর্জন করতে পারে না

তখন আল্লাহ তাকে দুঃখ-কষ্ট ও বিপদে ফেলেন

যাতে তাকে সেই মর্যাদায় পৌঁছাতে পারেন"

[সুনান আবি দাউদ ৩০৯০]

আসলে এসবই করি কারণ আমরা যে কুরআনকে গাইডেন্স হিসেবে না

বরং নিজের ওপিনিয়নকে জাস্টিফাই করার টুল হিসেবে ব্যবহার করতে পছন্দ করি!

এই জন্যই সালাফরা দেখবেন এই বিষয়ে এক বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতেন

তারা যখন কিছু না জানতেন, কোনো গেস করা উত্তর দিতেন না

সিম্পলি বলে দিতেন

আমি জানি না, "আল্লাহু আলম", "আল্লাহ জানেন"!

কারণ তারা একটা ব্যাপার বুঝতেন:

ইন্ডিভিজুয়াল ক্ষমা মার্জনীয় হতে পারে

কিন্তু যখন তা ফলস স্টেটমেন্ট হিসেবে মাস পিপলকে মিসগাইড করা হয় সেটা হয় একদমই ক্ষমার অযোগ্য!

তারা জানতেন যে

গুনাহ মানুষকে নষ্ট করে

কিন্তু আল্লাহর নামে মিথ্যা-

পুরো দ্বীনকেই নষ্ট করে!!

© সামিউল হক

24/02/2026

তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
( সূরা আশ-শুরা; ৩০ )

21/02/2026

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিক
অর্থ: হে আল্লাহ আপনি আমার ভাগ্যকে খুলে দিন।

20/02/2026

মানুষের দুইটা জিনিস ঠিক হয়ে গেলে তার জীবনের সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। "নামাজ এবং জবান"।
বান্দা যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, তাহলে তার অন্তর পরিশুদ্ধ হয়। আর যদি কথা বলার আগে ভেবে বলে, কথা কম বলে এবং গীবত না করে—তাহলে সমাজে তার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

— ইউনুস ইবনে উবাইদ (রহ.)
[সিয়ারু আলামিন নুবালা, ৬/২৮৯]

20/02/2026

তোমার রিজিক লেখা হয়ে গেছে।
তুমি তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরের জিনিস নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করো। আয়, সঙ্গী, সাফল্য এবং সুখ, সবকিছুই প্রায় এসে যাবে। তুমি তোমার দুআয় আত্মত্মবিশ্বাসী হও।"

19/02/2026

তাহাজ্জুদ নামাজ কীভাবে পড়বেন! তাহাজ্জুদ নামাজ শুরু করুন এবং ইনশাআল্লাহ, আপনার দোয়া কবুল হবে।

১. ফজরের নামাজের ৪০ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠুন এবং অজু করুন।
2. তাহাজ্জুদের নামাজ ১২ রাকাত, তবে আপনি ২,৪,৬,৮ রাকাতও পড়তে পারেন(২ রাকাত করে)
3. তাহাজ্জুদের নামাজ শেষ করার পরে নিম্নলিখিত জিকির গুলি করুনঃ দুরুদ শরীফ- ৩ বার। সুবহানাল্লাহ- ৩৩ বার। আলহামদুলিল্লাহ- ৩৩ বার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু- ৩৩ বার। আল্লাহ আকবার- ৩৩ বার। আস্তাগফিরুল্লাহ- ১০০ বার। لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِٱللَّٰهِ ٱلْعَلِيِّ ٱلْعَظِيمِ বাংলা উচ্চারণঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম- ১০০ বার।

পুনরায় দুরুদ শরীফ ৩ বার।

(اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ)

"আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ"

৮. এরপর পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে নিচের দোয়াটি পাঠ করুনঃ ১০০ বার ৩০ বারঃ (يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ)
"ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ"

বাংলা অর্থ : হে চিরঞ্জী*ব,হে সবকিছুর ধারক ও রক্ষক! তোমার রহমতের দ্বারা আমি সাহায্য চাই।

19/02/2026

রোজা রেখেও যে ব্যক্তি, মিথ্যা কথা ও অশ্লীলতা
ছাড়তে পারল না তার না খেয়ে থাকাতে আল্লাহ তায়ালার কিছুই যায় আসে না।
[সহীহ বুখারী, ৬০৫৭]

19/02/2026

রমযান ও তাকওয়া :

হে ঈমানদারগণ তোমাদের উপর সিয়াম "রোযা" লিপিবদ্ধ "ফরয" বা লিখে দেয়া হয়েছে যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর তা লিপিবদ্ধ (লিখে) দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ ফরয করা হয়েছে, যেন তোমরা তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অর্জন করতে পার। এ আয়াতে তিনটি মৌলিক বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। এক. মুসলিমদের প্রতি তথা উম্মতে মুহাম্মদী সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর প্রতি মাহে রমযানের "রোযা" ফরয হওয়ার বিধান বিধৃত হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে, এ সিয়াম বা রোযা শুধু বর্তমান মুসলিম জাতির উপরই নতুন করে ফরয করা হয়নি, এর অস্তিত্ব পূর্ববর্তী জাতির ভেতরেও বর্তমান ছিল। তৃতীয়, এবং শেষাংশে রোযা বা সিয়ামের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়েছে। আর তা হচ্ছে 'তাকওয়া'র গুণ অর্জন করা।

আজকের আলোচনায় আমরা এ আয়াতের শেষাংশ অর্থাৎ 'তাকওয়া' নিয়েই সংক্ষেপে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। বছর ঘুরে আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমযান। সময় এসেছে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ভালোভাবে তাদাব্বুর করে সে অনুযায়ী আমল করা। আয়াতের শেষাংশে মহান আল্লাহ সিয়াম সাধনার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য সম্পর্কে বর্ণনা করতে যেয়ে বলেন- "যাতে তোমরা মুত্তাকী বা আল্লাহভীরু হতে পার।" আর এ তাকওয়ার্জনই সিয়াম সাধনার মূল টার্গেট। তাকওয়া শব্দটির একাধিক অর্থ আছে।

* তাকওয়া হলো যা সকল সৎ স্বভাব, দয়া ও ভাল কাজের সমষ্টি। যা সকল ভাল কাজের সোপান ও চাবি এবং আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়ের উন্মুক্ত পথ।

* তাকওয়া হলো হৃদয়ের মধ্যে আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও শাস্তি থেকে আত্মরক্ষার সার্বক্ষণিক অনুভূতি, যেকোনো কথা কর্ম ও কাজের পূর্বেই মনে আসবে যে, আমি যা করছি তাতে আল্লাহ খুশি না বেজার।

*তাকওয়া অর্থ হচ্ছে: মনের সর্ব প্রকার পবিত্রতার নাম। যা ব্যক্তিকে আল্লাহর ভয় ও দয়ার প্রতি উৎসাহিত করা পূর্বক তাঁর কাছে পূর্ণ হিসাব ও শাস্তির কথা হৃদয়ে সদা জাগ্রত থাকার নাম।

*তাকওয়া অর্থ হচ্ছে: সবকিছুই আল্লাহর নিমিত্তে হবে এবং গোপন ও প্রকাশ্য উভয়াবস্থায় মহান স্রষ্টার স্মরণ সার্বক্ষণিক বিদ্যমান থাকবে।

বাস্তবিকই যদি মানুষ তেমনটি করতে পারে, তবে মহান আল্লাহ ঐ মুত্তাকীদের উদ্দেশ্যে বলেন-

"যদি জনপদের লোকেরা সত্যিকারভাবে ঈমান আনয়ন করতো ও তাকওয়ার গুণাবলি অর্জন করতো, তাহলে আসমান ও জমিনের সকল বরকতের দরজাগুলো উন্মুক্ত করে দিতাম।" (সূরা আরাফ-৩৬)

মহান আল্লাহ আরো বলেন:

"নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন, যারা আল্লাহভীরু এবং যারা সৎকর্ম সম্পাদন করে।" (নাহল-১২৮)

মহান আল্লাহ আরো বলেন:

"অতঃপর আমি মুত্তাকিদেরকে উদ্ধার করবো এবং অত্যাচারীদেরকে সেখানে নতজানু অবস্থায় ছেড়ে দেবো।" (সূরা মারইয়াম-৭২)

এভাবেই কোরআনের আরো অসংখ্য জায়গায় মহান আল্লাহ তাকওয়া সম্পর্কে এবং তাকওয়া অবলম্বনকারী মুত্তাকীদের সম্পর্কে সুসংবাদ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সিয়ামের বিধান বর্ণনা করার পর সুরা বাকারার ১৮৭ নম্বর আয়াতে বলেন, "এভাবেই আল্লাহ তাঁর আয়াতগুলো মানুষের জন্য বিস্তারিত বর্ণনা করেন, যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে।"

কোরআনে মুত্তাকীদের বৈশিষ্ট্য বর্ননা করতে গিয়ে বিভিন্ন আয়াতে বিভিন্ন গুনাবলির কথা এসেছে। তন্মধ্যে কয়েকটি আয়াত নিয়ে আলোকপাত করা যেতে পারে : ১."তারা অত্যন্ত ধৈর্যশীল, সত্যবাদী, নির্দেশ সম্পাদনকারী, সৎপথে ব্যয়কারী এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।" (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৫)

২. "যারা সচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে, আর আল্লাহ তায়ালা সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।" (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৩৪)

৩. ‘যাদের মনে ভয় রয়েছে, তাদের ওপর শয়তানের আগমন ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই তারা সতর্ক হয়ে যায় এবং তখনই তাদের বিবেচনাশক্তি জাগ্রত হয়ে ওঠে। ’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২০১)

অর্থাৎ, মুত্তাকীদের মধ্যে আল্লাহভীতি, নামাজ কায়েম করা, যাকাত ও দান-সদকা করা, আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস, সত্যবাদিতা, ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন, অশ্লীলতা ও পাপ থেকে বিরত থাকার সর্বাত্মক চেষ্টা, রাগ নিয়ন্ত্রণ করা ও ক্ষমাশীল হওয়া, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করা, শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনা করা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য থাকা জরুরি।

শেষ করছি তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য সুসংবাদ প্রদানকারী চমৎকার আরেকটি আয়াত দিয়ে, আল্লাহ তায়ালা বলেন,

"আর মুত্তাকীদের জন্য জান্নাতকে এত নিকটবর্তী করে দেওয়া হবে যে, কোনো দূরত্বই বাকি থাকবে না। (এবং বলা হবে যে,) এই সেই জিনিস, যার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে এভাবে দেওয়া হত যে, এটা প্রত্যেক এমন ব্যক্তির জন্য, যে আল্লাহ-অভিমুখী থাকে এবং নিজেকে রক্ষা করে চলে। যে দয়াময় আল্লাহকে ভয় করে- তাঁকে না দেখেই। এবং আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী অন্তর নিয়ে আসে।"-(সূরা কফ ৩১-৩৩)

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজান মাসে সিয়াম সাধনার মূল লক্ষ্য 'তাকওয়া'র গুণে গুণান্বিত হওয়ার মাধ্যমে মুত্তাকী হওয়ার তৌফিক দান করুন। সবাইকে তাঁর নৈকট্যশীল ও প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন। আমীন।

লেখা : মাইশা মেহজাবিন

Ramadan Mubarak 🌙
18/02/2026

Ramadan Mubarak 🌙

“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।” (সূরা ইনশিরাহ ৯৪:৬)
17/02/2026

“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।” (সূরা ইনশিরাহ ৯৪:৬)

এই ঘর হোক দোয়া ও বরকতে পূর্ণ
15/02/2026

এই ঘর হোক দোয়া ও বরকতে পূর্ণ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RES treasure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share