Taqwa-التَّقْوَى

Taqwa-التَّقْوَى التقوى
� Reviving Hearts with Quran & Sunnah
� Islamic Quotes | � Videos

04/06/2026
12/03/2026

সূরা আদ দোহা যেদিন নাজিল হয় সেদিন একটা চমৎকার ঘটনা ঘটে।
জিবরাইল (আঃ) যখন নবী (সঃ) কে শিখাচ্ছিলেন-

ওয়া লাছাওফা ইউ‘তীকা রাব্বুকা ফাতারদা।

তখন নবী (সঃ) থেমে গেলেন। কোরআন নাজিলের সময় তিনি খুব কষ্ট পেতেন। ওনার উপর অনেক প্রেসার পড়ত। তিনি ঘেমে যেতেন। আরবে তখন অনেক বেশি গরম ছিল। এত কষ্টের মাঝেও তিনি জিবরাইল (আঃ) কে বললেন,

এই জিবরাইল থাম।থাম। আমার কিছু কথা আছে। তুমি সাক্ষী। আল্লাহ্‌ বলেছেন তিনি আমাকে খুশি করে ছাড়বেন। তাই আমি আল্লাহ্‌র কাছে কিছু চাইতে চাই।

জিবরাইল (আঃ) অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন,হে নবী আপনি কি চান আল্লাহ্‌র কাছে?

তখন তিনি বললেন, তোমাকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই,আমার একজন উম্মতও যদি জাহান্নামে থাকে তাহলে আমি আল্লাহ্‌র উপর খুশি হব না। না না না। সবাইকে জান্নাতে না নেয়া পর্যন্ত আমি আল্লাহ্‌র উপর খুশী হব না।

তিনি এমন এক সৃষ্টি যিনি এই উম্মতের জন্য অসীম মায়া নিয়ে দুনিয়ায় এসেছেন।

মারা যাবার আগে ওনার চোখে পানি। আজরাইল (আঃ) ওনার বুকে হাত দেয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন।নবী(সঃ) এর অনুমতি ছাড়া জান কবজ করতে আল্লাহ্‌ নিষেধ করে দিছেন।

জিবরাইল (আঃ) তখন নবী(সঃ) কে বললেন, হে নবী,আল্লাহ আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।আপনি কি যেতে চান না?

তখন তিনি বললেন,না।আগে আল্লাহ্‌কে জিজ্ঞেস কর আমি না থাকলে আমার উম্মতকে দেখে রাখবে কে?

তখন আল্লাহ্‌ জিবরাইল(আঃ) কে বললেন, আমার নবীকে বল আমি তার উম্মতকে একা রাখবো না।। আমি তাদেরকে দেখে রাখবো। আমি তাদেরকে আগলে রাখবো।

আল্লাহ্‌ তাঁকে যে ওয়াদা করেছেন তা আজও আছে। হাশরের মাঠেও থাকবে।

আল্লাহ্‌ আমাদের একা রাখেন নাই। যে কোন বিপদে তিনি আমাদের ছায়া দেন।

জীবনে কত ঝামেলায় পড়লাম। কত কি গেল জীবনের উপর দিয়ে। কিন্তু আল্লাহ্‌ কোন না কোন ভাবে একটা উপায় বের করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে একা করেন নি। তিনি আমাকে নিঃস্ব করেন নি। আলহামদুলিল্লাহ্‌।

- Md Toukir Hossain

05/03/2026

ডাক্তার নিশ্চিত করলেন, রোগী ক্যান্সারে আক্রান্ত। স্টেজ ৩। পাকস্থলির ক্যান্সার। সিম্পটম কী ছিল? এক সপ্তাহ ধরে পেটের ভেতর জ্বালাপোড়া। আর কিছু না। এই এক সপ্তাহ আগেও তিনি সুস্থ একজন মানুষ। মাঝে মাঝে টুকটাক গ্যাস্ট্রিকের প্রবলেম ছাড়া আর কোন সমস্যা নেই, কোন লক্ষন নেই।

আরেক ব্যবসায়ী। ছয় তালা বাড়ির কাজ ধরেছেন। দোতালা হওয়ার পর তার ব্যবসায়িক জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর আসে। এত অধিক পরিমানে লস হয়, বাড়ি করা তো দুরের কথা, ভাড়া বাসায় থাকার মত অবস্থা তার এই মুহুর্তে নেই। পাওনাদাররা তাকে খুজছে। তিনি আত্মগোপনে।

——————

আজকে আমরা যে অনেকটা ভালো অবস্থায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করছি, তিন বেলা খেতে পারি, রাতে বিছানায় ঘুমাতে পারি, সকালে উঠে কাজে যেতে পারি — এগুলো সব যে কোনো মুহূর্তে ভেঙ্গে গুড়িয়ে যেতে পারে। সম্মান সুস্থতা প্রভাব প্রতিপত্তি- যা দিয়ে মানুষ অহংকার করে, ধুলিস্যাত হয়ে যেতে পারে মুহুর্তেই।

আমাদের প্রতিপালক যদি আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে দয়া করে আমাদের অনুকূলে নিয়ন্ত্রণ না করেন, তাহলে একটি দিনও স্বাভাবিকভাবে পার করা সম্ভব না। তিনি যদি বিপদে ফেলতে চান, যতই সুরক্ষা ব্যবস্থা আপনি গ্রহন করেন না কেন, নিস্তার পাওয়া যাবে না কোনভাবেই। তাই একজন প্রকৃত ঈমানদারকে এ সমস্ত নিয়ামতগুলো কখনোই অহংকারে লিপ্ত করে না। বরং তাকে করে আরও নত, বিনম্র।

রাসুল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর শেখানো সুন্দর একটি দুআ, যা মুলত এরকম আকস্মিক পরিক্ষা ও বিপদ থেকে হিফাযতের উদ্দেশ্যে পড়া হয়। মুখস্থ করে নিতে পারেন।

‎اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই, ইয়া আল্লাহ। (সহিহ মুসলিম)
~Rizwanul Kabir

01/03/2026

☝️🤲

01/03/2026

In sha Allah 🥷

খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:২৭ জুন, ১৯৮১। তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এ...
01/03/2026

খামেনিকে নিয়ে কিছু বিস্ময়কর তথ্য:

২৭ জুন, ১৯৮১।

তেহরানের 'আবুজার মসজিদ'-এ জোহরের নামাজ শেষ করলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এরপর জনগণের সামনে দাঁড়িয়ে নির্ধারিত বক্তব্য দিচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর সামনে রাখা একটি টেপ রেকর্ডার বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

বিস্ফোরণের পর যখন রেকর্ডারটি চেক করা হয়, তখন তার ভেতরে একটি ছোট চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল: "ফোরকান গ্রুপের পক্ষ থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে উপহার।" বোঝা গেল, টেপ রেকোর্ডারের ভেতরে ছিল শক্তিশালী বোমা।

​এই ​বিস্ফোরনে খামেনির বুক, ডান কাঁধ এবং ডান হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফুসফুস ছিদ্র হয়ে যায়, সাথে প্রচুর রক্তক্ষরণ।চিকিৎসকদের মতে, তিনি যে বেঁচে ফিরেছেন তা ছিল এক কথায় অলৌকিক।

​বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শক্তিতে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ডান হাতের স্নায়ু বা নার্ভগুলো পুরোপুরি ছিঁড়ে যায়। ডাক্তাররা কয়েক ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করেও হাতটি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারেননি। এর ফলে তাঁর ডান হাতটি চিরতরে অচল বা প্যারালাইজড হয়ে যায়।

তবুও এক হাত দিয়ে কাঁপিয়েছেন বিশ্ব।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লেখা একটি বই ভীষণ জনপ্রিয়।বইটার নাম 'Palestine'। ৪১৬ পৃষ্ঠার এই বইটিতে তিনি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে এমন সুনিপুণ ম্যাপ আর গাণিতিক বিশ্লেষণ দিয়েছেন যা অনেক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষককে অবাক করেছে। বইটি পড়লে ধারণা পাওয়া যায়, কতটা রণকৌশলী মস্তিষ্ক ছিল খামেনির।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিশ্বের একমাত্র ধর্মীয় নেতা যাকে 'টাইম' এবং 'ফোর্বস' ম্যাগাজিন বারবার বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। সেখানে তাঁকে এমন এক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যার এক ইশারায় বিশ্ব তেলের বাজার ও ভূ-রাজনীতি তোলপাড় হতে পারে।

অনেকেই জানেন না যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একজন বড় মাপের আধ্যাত্মিক সাধক বা 'আরিফ'। তিনি ইসলামের গভীর আধ্যাত্মিক দর্শন বা 'ইরফান'-এ বিশ্বাসী। তিনি মনে করেন, স্রষ্টার সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য শুধু নামাজ-রোজার পাশাপাশি অন্তরের পবিত্রতা এবং দুনিয়াবি মোহ ত্যাগ করা জরুরি। তাঁর শান্ত ও ধীরস্থির আচরণের পেছনে এই আধ্যাত্মিক চর্চার বড় প্রভাব দেখেন বিশ্লেষকরা।

খামেনি 'বেলায়াত-এ-ফকিহ' দর্শনে বিশ্বাসী। এর সহজ মানে হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ইমাম মাহদী সশরীরে ফিরে না আসছেন, ততক্ষণ একজন যোগ্য এবং ন্যায়পরায়ণ ইসলামি আইনবিদ মুসলিম উম্মাহর নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই রাজনৈতিক ক্ষমতা আসলে একটি ধর্মীয় দায়িত্ব।

অনুসারী মনে করেন, খামেনি আসলে ইমাম মাহদীর আগমনের পথ প্রস্তুত করছেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি প্রায়ই বলেন, বিজ্ঞান এবং ইসলাম একে অপরের পরিপূরক। একারণেই ইরানে তাঁর শাসনামলে স্টেম সেল রিসার্চ, ন্যানো টেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অনেক রক্ষণশীল মুসলিম দেশে নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত করা হয়।

খামেনির সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো তাঁর দেওয়া একটি বিশেষ ফতোয়া। এর মাধ্যমে তিনি সুন্নিদের অপমান করা হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি মনে করেন, শিয়াদের মধ্যে যারা সুন্নিদের আবেগ নিয়ে কটূক্তি করে, তারা আসলে ইসলামের শত্রু এবং ব্রিটিশ বা পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার চর।

যেকারণে শিয়া নেতা হওয়া সত্ত্বেও তিনি ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইসলামিক জিহাদ-এর মতো সুন্নি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বছরের পর বছর ধরে সামরিক ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। ভূ-রাজনীতিতে এটি একটি বিরল ঘটনা, যেখানে একজন শিয়া নেতা সুন্নিদের স্বার্থে এত বড় ঝুঁকি নেন।

প্রজ্ঞাবান বিশ্বনেতাদের চাইলেই শেষ করা যায় না। বিনম্র শ্রদ্ধা, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

28/02/2026

একেকটা যুদ্ধ হয় আর বাংলাদেশকে টিকায়া রাখার জন্য আমি খোদার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করি। এই দেশটার বাঁচার মতো কিছুই নাই৷

বলার মতো মিলিটারি নাই, এয়ার ডিফেন্স নাই, সাবমেরিন নাই, ড্রোন নাই৷ পররাষ্ট্র সমঝোতা নাই, কোন সুপার পাওয়ারের সাথে এলায়েন্স নাই৷ অর্থনৈতিক শক্তি নাই।

চারপাশে শত্রু৷ একটা বো*মা বাংলাদেশে কেউ মারলে, পাল্টা বো*মা ছোঁড়ার ক্যাপাসিটি নাই। কী একটা অবস্থা চিন্তা করেন৷

আছে শুধু দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, খুন, বুদ্ধিবেশ্যার ছড়াছড়ি। রাষ্ট্র নাই, সিকিউরিটি সিস্টেম নাই, মিলিটারি এলায়েন্স নাই৷ আসলেই কিছুই নাই৷

খোদার অশেষ রহমত ছাড়া এ দেশে আর কিছু নাই৷ হায় খোদা!

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taqwa-التَّقْوَى posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share