28/05/2022
বিলম্বে বিবাহ একটি সামাজিক ব্যাধি।
১. বর্তমানে তরুণ তরুণীদের প্রায় ৮০% শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মূলে আছে ‘বিলম্বিত বিবাহ’। বিয়ে পড়ালেখার জন্য অন্তরায় এই ভুল চিন্তা সমাজে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে বিয়ে লেখাপড়ার অন্তরায় হতে পারে। সেটা কাটিয়ে ওঠার নানা উপায় আছে।
২. লেখাপড়ার ক্ষতির কথা বিবেচনা করে, বিয়ে পিছিয়ে দিলে ঈমান-আমল, শরীরমন, সমাজ ও উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়, সে তুলনায় লেখাপড়ার ক্ষতির অজুহাত নিতান্তই ঠুনকো।
৩. মেয়ের বাবা মেয়ে উপযুক্ত হওয়ার সাথে সাথে বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেললে কী এমন ক্ষতি? এমন পাত্রের কি অভাব আছে, মেয়ে লেখাপড়া শেষ করা পর্যন্ত মা-বাবার সাথেই থাকবে, এই শর্তে রাজি হবে না? এখনো পড়াশোনা করছে, এমন পাত্র বাছাই করলে কিই বা এমন ক্ষতি? মেয়ে তো ঘরেই আছে, জামাই মাঝেমধ্যে আসবে। সম্ভব হলে জামাইকেও মেয়ের সাথে রেখে দেয়ার ব্যবস্থা করলে, খুব বেশি সমস্যা হবে? আরেকজনের জন্য একমুঠ চাল বাড়িয়ে দিলেই হল।
৪. ছেলের পক্ষে সবসময় থাকা সম্ভব না হলে, সে মাঝেমধ্যে আসবে। মেয়ের লেখাপড়াও হল, একজন মুমিন পিতার কর্তব্যও পালন করা হল। বিয়ের পর মায়ের সাথে কিছুদিন থাকার কারণে মেয়েটাও মায়ের কাছে সংসারধর্ম হাতেকলমে শিখতে পারল। বিয়ের প্রথম দিনগুলোতে শ্বশুরবাড়িতে নিজের অনভিজ্ঞতা, শাশুড়ি-ননদের ক্ষুদ্রতার কারণে যেসব সমস্যা হয়, সেগুলো থেকেও বাঁচা গেল।
✑ মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ