Islamic ilm Hive

Islamic ilm Hive All the praises and thanks to Almighty Allah.

ভ্যালেন্টাইন ডে নামক অপসংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা ওকুইজ প্রতিযোগিতা-২০২৪____________________________________ভ্যালেন্টাইন ...
09/02/2024

ভ্যালেন্টাইন ডে নামক অপসংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা ও
কুইজ প্রতিযোগিতা-২০২৪
____________________________________
ভ্যালেন্টাইন ডে নামক এ দিবসটি বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে অসামাজিক ও অবৈধ পন্থায় উদযাপিত হওয়ায় আজ তা "বিশ্ব বেহায়া দিবস” এ রূপ লাভ করেছে। সহশিক্ষার বদৌলতে স্কুল ও শিক্ষালয়গুলো শিক্ষার পরিবর্তে প্রেম নিবেদনের নিরাপদ কেন্দ্রে পরিগণিত হয়েছে। বহু পরিবার তার সংসার ভাঙ্গতে বাধ্য হচ্ছে। বারোটা বাজছে শিক্ষা ও নীতি-নৈতিকতার। ছেলে-মেয়েরা অল্প বয়সে প্রেম নিবেদন করা শিখে লেখাপড়া বাদ দিয়ে প্রেম-চ্যাটেই সময় ব্যয় করছে। কেউ বা অবুঝ বয়সে প্রেমের টানে পড়ে অনুপযুক্ত পরিবারের সাথেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলছে। আর অবৈধ সম্পর্কের লালসায় কখনো নিজেদের ইজ্জত-সম্মান, এমনকি জান পর্যন্ত ঝুঁকিতে ফেলছে।
----------------------------------------------------------
🏆সেরা ০৫ জন প্রতিযোগীর জন্য পুরষ্কার হিসেবে থাকবে "পেনফিল্ড পাবলিকেশন" প্রেজেন্টস দুটি বই
🏅"বিয়ে সংক্রান্ত্র তরুণ-তরুণীর জিজ্ঞাসা"
🏅"দাম্পত্যজীবন সংক্রান্ত স্বামী-স্ত্রীর জিজ্ঞসা"
সংকলকঃ ইয়াকুব আলী।
----------------------------------------------------------
💠প্রতিযোগিতার সিলেবাস হিসেবে থাকবে
🔸শায়েখ আহমাদুল্লাহ এর বয়ান থেকে সংগৃহীত "ভ্যালেন্টাইন ডে নামক অপসংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা" কোর্সটি
🔸এবং মুফতি রবিউল হক রচিত "ইতিহাস, সমাজ ও বাস্তবতার বিবেচনায় তথাকথিত ভালোবাসা দিবস" বইটির নির্বাচিত পিডিএফ অংশ।
----------------------------------------------------------

🍀প্রতিযোগিতার ধাপ ও নিয়মাবলীঃ

▪️ প্রথমে https://academy.duil.org/courses/valentine-day-fitna/ লিংকে প্রবেশ করে কোর্সে Enroll Now তে ক্লিক করতে হবে।

▪️ Enroll করার জন্য নতুন একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে Register Now তে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে Register অপশনে ক্লিক করতে হবে।

▪️ এবার Enroll হয়ে গেলে Start Learning এ ক্লিক করতে হবে। অতঃপর পর্যায়ক্রমে ভিডিওগুলো দেখা কমপ্লিট করতে হবে।

▪️ সবগুলো ভিডিও সম্পূর্ণ দেখা ছাড়া পরবর্তী অপশনে যাওয়া যাবেনা। ভিডিওগুলো শেষ হলে নির্বাচিত পিডিএফ বইয়ের অপশনে নিয়ে যাবে।

▪️ "বইটি পড়তে ক্লিক করুন" অপশনে ক্লিক করলে পিডিএফ ফাইলটি ওপেন হবে। সম্পূর্ণ পিডিএফটি পড়ার পরই কেবলমাত্র Mark as Complete এ ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যাবেন।

▪️ সবশেষে "কুইজ পরীক্ষা" অপশনে ক্লিক করে Start Quiz সিলেক্ট করে পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

▪️ কুইজ পরীক্ষায় ৩৫ টি প্রশ্ন দেয়া থাকবে ২০ মিনিটের ভেতর উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নগুলো একটি একটি করে পরপর আসতে থাকবে।

▪️ পরীক্ষাটি একবারই দেওয়া যাবে, একের অধিকবার দেওয়ার চেষ্টা করলে বাতিল বলে গণ্য হবে।

▪️ ১৩ই ফেব্রুয়ারী রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত দেওয়া কুইজগুলো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে গণ্য হবে।

▪️ উক্ত তারিখের মধ্যে যেকোন দিন যেকোন সময় উপরে উল্লেখিত সমস্ত ধাপগুলো কমপ্লিট করে কুইজ পরীক্ষাটি দিতে পারবেন।

▪️ ১৩ই ফেব্রুয়ারীর পর সাবমিট করা কুইজগুলো প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারী হিসেবে গণ্য হবেনা।

▪️ ১৪ই ফেব্রুয়ারী কুইজের ফলাফল ঘোষণা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে ইং শা আল্লাহ।

▪️ কোন প্রকার ফেইক নাম বা আইডি ব্যবহার করা যাবেনা।

▪️ কোর্স কমপ্লিট করলেই একটি ই-সার্টিফিকেট পাবেন।

📌অংশগ্রহণ করতে ভিজিট করুনঃ https://academy.duil.org/courses/valentine-day-fitna/

(প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত প্রয়োজনে পরিবর্তনযোগ্য।)

✅যেকোন প্রশ্ন ও আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন।

সহযোগিতায়ঃ পেনফিল্ড পাবলিকেশন
আয়োজনে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাওয়াহ সার্কেল

21/07/2023
08/12/2022

❝ইসলামের ইতিহাসে আত্মশুদ্ধি নিয়ে সবচেয়ে সেরা ক্ল্যাসিক বইগুলোর যদি একটা তালিকা করা হয় তাহলে, আমার অত্যন্ত প্রিয় ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)-র ‘‘মাদারিজুস সালিকীন’’ বইটি সেগুলোর মধ্যে সবার্গ্রে থাকবে নিঃসন্দেহে। আত্মশুদ্ধি নিয়ে কোন বই লেখা হচ্ছে/হয়েছে কিন্তু লেখক তাতে ‘‘মাদারিজুস সালিকীন’’ থেকে কোন লাইন, কোন বাক্য, কোন উক্তি, কোন প্যারা কোট করবেন না এমনটা সত্যিই বিরল। আত্মশুদ্ধির জগতে এই বই এবং এই বইয়ের লেখক—দুটোই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো।❞

— আরিফ আজাদ

আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,«كُنَّا نُطْعِمُ الصَّدَقَةَ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ»“আমরা এক সা‘ ...
27/04/2021

আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«كُنَّا نُطْعِمُ الصَّدَقَةَ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ»

“আমরা এক সা‘ পরিমাণ যব দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করতাম।”
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫০৫)

আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন,

«كُنَّا نُخْرِجُ إِذْ كَانَ فِينَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكَاةَ الْفِطْرِ، عَنْ كُلِّ صَغِيرٍ، وَكَبِيرٍ، حُرٍّ أَوْ مَمْلُوكٍ، صَاعًا مِنْ طَعَامٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ أَقِطٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ زَبِيبٍ» فَلَمْ نَزَلْ نُخْرِجُهُ حَتَّى قَدِمَ عَلَيْنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ حَاجًّا، أَوْ مُعْتَمِرًا فَكَلَّمَ النَّاسَ عَلَى الْمِنْبَرِ، فَكَانَ فِيمَا كَلَّمَ بِهِ النَّاسَ أَنْ قَالَ: «إِنِّي أَرَى أَنَّ مُدَّيْنِ مِنْ سَمْرَاءِ الشَّامِ، تَعْدِلُ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ» فَأَخَذَ النَّاسُ بِذَلِكَ قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: «فَأَمَّا أَنَا فَلَا أَزَالُ أُخْرِجُهُ كَمَا كُنْتُ أُخْرِجُهُ، أَبَدًا مَا عِشْتُ»

“আমরা সদকাতুল ফিতর বাবদ এক সা‘ খাদ্য গম অথবা এক সা‘ যব অথবা এক সা‘ খেজুর অথবা এক সা‘ পনির কিংবা এক ‘সা কিসমিস প্রদান করতাম।

‘আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামা ইবন কা‘নাব রহ. এর সনদে আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের মধ্যে ছিলেন, তখন আমরা ছোট ও বড় স্বাধীন ও ক্রীতদাস প্রত্যেকের পক্ষ থেকে সদকাতুল ফিতর বাবদ এক সা‘ পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা‘ পনির অথবা এক সা‘ যব অথবা এক সা‘ খেজুর অথবা এক সা‘ কিশমিশ প্রদান করতাম। এভাবেই আমরা তা আদায় করতে থাকি। পরে মু‘আবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হজ অথবা ‘উমরার উদ্দেশ্যে যখন আমাদের নিকট আসলেন তখন তিনি মিম্বরে আরোহণ করে উপস্থিত লোকদের সাথে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি বললেন, আমার মতে সিরিয়ার দু-মুদ গম এক সা‘ খেজুরের সামান। লোকেরা তা গ্রহণ করে নিলেন। আবু সা‘ঈদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি তো যত দিন জীবিত থাকব ঐ ভাবেই সদকাতুল ফিতর আদায় করব, যে ভাবে আমি সদকাতুল ফিতর আদায় করে আসছিলাম।
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৮৫)

ইসমাঈল ইবন উমাইয়্যাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে ইয়ায ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সা‘দ ইবন আবু সারহ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বলতে শুনেছেন যে,

«كُنَّا نُخْرِجُ زَكَاةَ الْفِطْرِ وَرَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِينَا، عَنْ كُلِّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ، حُرٍّ وَمَمْلُوكٍ، مِنْ ثَلَاثَةِ أَصْنَافٍ: صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، صَاعًا مِنْ أَقِطٍ، صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ " فَلَمْ نَزَلْ نُخْرِجُهُ كَذَلِكَ، حَتَّى كَانَ مُعَاوِيَةُ: «فَرَأَى أَنَّ مُدَّيْنِ مِنْ بُرٍّ تَعْدِلُ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ» قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: «فَأَمَّا أَنَا فَلَا أَزَالُ أُخْرِجُهُ كَذَلِكَ»

“রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমাদের মধ্যে ছিলেন, তখন আমরা ছোট ও বড়, স্বাধীন ও ক্রীতদাস প্রত্যেকের পক্ষ থেকে তিন প্রকার বস্তু থেকে সদকাতুল ফিতর বাবদ এক সা‘ খেজুর, এক সা‘ পনির অথবা এক সা‘ যব প্রদান করতাম। এভাবে আমরা সদকাতুল ফিতর আদায় করছিলাম। অতঃপর মু‘আবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর সময় আসলো। তখন তিনি দু মুদ এক সা‘ খেজুরের সমান ধার্য করেন। আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি তো সর্বদা পূর্বের ন্যায়ই আদায় করতে থাকব।”
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৮৫)

আবু সা‘ঈদ খুদুরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«كُنَّا نُخْرِجُ زَكَاةَ الْفِطْرِ مِنْ ثَلَاثَةِ أَصْنَافٍ: الْأَقِطِ، وَالتَّمْرِ، وَالشَّعِيرِ»

“আমরা পনির, খেজুর ও যব -এ তিন প্রকার বস্তু থেকে সদকাতুর ফিতর আদায় করতাম।”
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৮৫)

আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,

«أَنَّ مُعَاوِيَةَ، لَمَّا جَعَلَ نِصْفَ الصَّاعِ مِنَ الْحِنْطَةِ، عَدْلَ صَاعٍ مِنْ تَمْرٍ، أَنْكَرَ ذَلِكَ أَبُو سَعِيدٍ، وَقَالَ: لَا أُخْرِجُ فِيهَا إِلَّا الَّذِي كُنْتُ أُخْرِجُ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ زَبِيبٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ أَقِطٍ»

“মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু যখন অর্ধ সা‘ গমকে এক সা‘ খেজুরের সমপরিমাণ নির্ধারণ করলেন, তখন আবু সা‘ঈদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তা মেনে নিলেন না এবং বললেন, আমি সদকাতুল ফিতর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময়ে যা আদায় করতাম এখনও তাই আদায় করব। এক সা‘ খেজুর অথবা এক সা‘ কিশমিশ অথবা এক সা‘ যব কিংবা এক সা‘ পনির”।
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৯৮৫)

আবু ‘আলীয়া রহ. বলেছেন, সদাকাতুল ফিতর ফরয।ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,«فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صَ...
26/04/2021

আবু ‘আলীয়া রহ. বলেছেন, সদাকাতুল ফিতর ফরয।

ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«فَرَضَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكَاةَ الفِطْرِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ عَلَى العَبْدِ وَالحُرِّ، وَالذَّكَرِ وَالأُنْثَى، وَالصَّغِيرِ وَالكَبِيرِ مِنَ المُسْلِمِينَ، وَأَمَرَ بِهَا أَنْ تُؤَدَّى قَبْلَ خُرُوجِ النَّاسِ إِلَى الصَّلاَةِ»

“প্রত্যেক গোলাম, আযাদ, পুরুষ, নারী, প্রাপ্ত বয়স্ক, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিমের ওপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদকাতুল ফিতর হিসাবে খেজুর হোক অথবা যব হোক এক সা‘ পরিমাণ আদায় করা ফরয করেছেন এবং লোকজনের ঈদের সালাত বের হওয়ার পূর্বেই তা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন।”
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫০৩)

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

«وَكَّلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِحِفْظِ زَكَاةِ رَمَضَانَ فَأَتَانِي آتٍ فَجَعَلَ يَحْثُو مِنَ الطَّعَامِ فَأَخَذْتُهُ، فَقُلْتُ لَأَرْفَعَنَّكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَذَكَرَ الحَدِيثَ -، فَقَالَ: إِذَا أَوَيْتَ إِلَى فِرَاشِكَ فَاقْرَأْ آيَةَ الكُرْسِيِّ، لَنْ يَزَالَ عَلَيْكَ مِنَ اللَّهِ حَافِظٌ، وَلاَ يَقْرَبُكَ شَيْطَانٌ حَتَّى تُصْبِحَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «صَدَقَكَ وَهُوَ كَذُوبٌ ذَاكَ شَيْطَانٌ»

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রমযানের যাকাত (সদকায়ে ফিতরের) হিফাজতের দায়িত্ব প্রদান করলেন। এরপর আমার নিকট একজন লোক আসলো। সে তার দু’হাতের কোষ ভরে খাদ্যশস্য গ্রহণ করতে লাগলো। তখন আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, আমি অবশ্যই তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে যাব। তখন সে একটি হাদীস উল্লেখ করল এবং বলল, যখন তুমি বিছানায় শুতে যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পড়বে। তাহলে সর্বদা আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার জন্য একজন হিফাজতকারী থাকবে এবং ভোর হওয়া পর্যন্ত তোমার কাছে শয়তান আসতে পারবে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে তোমাকে সত্য বলেছে অথচ সে মিথ্যাবাদী এবং শয়তান ছিল।"
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩২৭৫)

রাসূলের (সা)-এর বিভিন্ন হাদীস থেকে সেরা মানুষের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা জানতে পারি। হাদীসগুলো থেকে কয়েকটি নিচে তুলে ধরা ...
23/04/2021

রাসূলের (সা)-এর বিভিন্ন হাদীস থেকে সেরা মানুষের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা জানতে পারি। হাদীসগুলো থেকে কয়েকটি নিচে তুলে ধরা হলো।

১। তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা সে, যে কুরআন শিখে এবং শেখায়।
(বুখারী, পর্ব: ফাজায়েলুল কুরআন, অধ্যায়: ২১ হাদীস নং: ৫০২৭)

২। নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।
(বুখারী, পর্ব: শিষ্টাচার, অধ্যায়: উত্তম চরিত্র, হাদীস নং: ৬০৩৫)

৩। তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।
(বুখারী, পর্ব: উকীল নিযুক্তকরণ, অধ্যায়: ৬, হাদীস নং: ২৩০৫)

৪। তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে যার কাছ থেকে সবাই কল্যান আশা করে, অনিষ্টের আশংকা করে না।
( তিরমিজী, পর্ব: ফিতান, অধ্যায়: ৭৬, হাদীস নং: ২২৬৩/২৪৩২)

৫। তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তার পরিবারের নিকট ভালো।
(ইবনে হিব্বান, পর্ব: বিবাহ, অধ্যায়: স্বামী-স্ত্রীর জীবনাচার, হাদীস নং: ৪১৭৭)

৬। তোমাদের মধ্যে সে সর্বোত্তম, যে খাদ্য দান করে এবং সালামের জবাব দেয়।
(সহীহুল জামে’, হাদীস নং: ৩৩১৮)৭।
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে ব্যক্তি, যে সালাতে কোমল-স্কন্ধ। (অর্থাৎ কেউ নামাজের কাতারে প্রবেশ করতে চাইলে কাঁধ নরম করে তাকে সুযোগ করে দেয়)।
( আবূ দাঊদ, পর্ব: সালাহ, অধ্যায় ৯৬, হাদীস নং:৬৭২ )

৮। সেরা মানুষ সে যার বয়স দীর্ঘ এবং কর্ম ভালো হয়।
(জা-মিউল আহাদীস, হাদীস নং: ১২১০১ )

৯। সেরা মানুষ সে যে মানবতার জন্য অধিক কল্যানকর উপকারী।
(সহীহুল জা-মি’, হাদীস নং: ৩২৮৯ )

১০। আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।
(তিরমিজী, পর্ব: সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক, অধ্যায়: ২৮, হাদীস নং: ১৯৪৪)

১১। শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন এবং মুখ সত্যবাদী। সাহাবীগন প্রশ্ন করলেন-সত্যবাদী মুখ বুঝা গেলো, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরবিশিষ্ট কে?
নবীজি ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ-নির্মল, মুত্তাক্বী, যাতে কোন পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।
(সহীহুল জা-মি’, হাদীস নং: ৩২৯১)

আল্লহ্ তা’আলা আমাদেরকে সর্বোত্তম মানুষের সবগুলো গুণ দান করুন এবং প্রকৃত ঈমানদার মানুষ হওয়ার তাউফীক দান করুন। আমিন।।

Copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

13/04/2021
রামাদানের প্রস্তুতি নিই নফল সিয়ামের মাধ্যমেরাখতে পারি আইয়ামে বীজ সহ টানা ৫টি রোজাচলমান রজব মাসের আইয়ামে বীজের রোজাগুলো র...
25/02/2021

রামাদানের প্রস্তুতি নিই নফল সিয়ামের মাধ্যমে

রাখতে পারি আইয়ামে বীজ সহ টানা ৫টি রোজা

চলমান রজব মাসের আইয়ামে বীজের রোজাগুলো রাখতে হবে আগামী ২৬, ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্র, শনি ও রবিবার)। এর সাথে যদি আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও ১ মার্চ সোমবার আরও দুইটা রোজা রাখি। তাহলে টানা পাঁচ দিনে আমাদের ২ টা সুন্নাহ পালন করা হবে। কারণ সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখাও সুন্নাহ। ফলে রামাদানের জন্য আমাদের সুন্দর একটা প্রস্তুতি হয়ে যাবে। তাই যাদের সুযোগ আছে বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার সবগুলো সিয়াম পালন করি।

অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে যে শুক্রবার ঈদের দিন তাই রোজা রাখা হারাম। এটা সঠিক নয়। শুধু শুক্রবারকে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখা মাকরুহ, হাদীসে নিষেধ আছে। কিন্তু শুক্রবার অন্য কোনো বিশেষ রোজার দিন হলে তাতে এটা মাকরুহ হবে না। যেমন শুক্রবারে যদি আরাফাহ দিবস হয়, আশুরা হয়, আইয়ামে বীজ হয় তাহলে শুক্রবার রোজা রাখাতে কোনো অসুবিধা নাই।

আইয়ামে বীজ আরবি দু’টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। আইয়ামে অর্থ দিবসসমূহ, আর বীজ অর্থ শুভ্র, সাদা, শ্বেত, খাঁটি, নির্ভেজাল। প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখকে আইয়ামে বীজ বলা হয়। অনেকগুলো সহীহ হাদীস দ্বারা এই তিন দিন রোজা রাখার জন্য উৎসাহিত করার প্রমাণ পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমাদের দেশে অনেকেই রজব মাসের ২৭ তারিখ রাতে বিশেষ ইবাদত ও পরদিন "শবে মেরাজের আমল" হিসাবে রোজা রেখে থাকেন। এগুলো সুস্পষ্ট ভাবে সুন্নতের খেলাফ। মেরাজ সংঘটিত হওয়ার পর নবীজি (সা) অনেক বছর বেঁচে ছিলেন। তিনি বাকি জীবনে উক্ত রাতে বিশেষ ইবাদত ও পরদিন রোজা রাখেন নি। এমন কি ২৭ রজবের রাতেই যে মেরাজ হয়েছিল এটাও হাদীস দ্বারা নিশ্চিত ভাবে প্রমাণিত নয়। শবে মেরাজের তারিখ সংক্রান্ত ১৬ টি মতের মধ্যে একটি দুর্বলতম মত হচ্ছে ২৭ রজব। তাই আসুন, নিজেদের মনগড়া আমল পরিত্যাগ করে সুন্নতের উপর আমল করি। পবিত্র রজব মাসের আইয়ামে বীজের রোজাগুলো অন্তত রাখি। সুযোগ হলে সপ্তাহের প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবারও রোজা রাখি। এ রোজাগুলো নবীজির (সা) সারা জীবনের সুন্নত।

তাই চলুন আমরা প্রত্যেকে নফল সিয়ামগুলো পালন করি। কারণ সিয়াম এমন একটা ইবাদত যার প্রতিদান আল্লাহ নিজে দিবেন। সিয়াম পালনকারী বান্দাকে আল্লাহ এত পরিমাণ প্রতিদান দিবেন যে বান্দা আনন্দিত হবে।

আইয়ামে বীজের সিয়াম সম্পর্কিত কয়েকটি হাদীস জেনে নেয়া যাক।

হাদীস ১
------------
ইবনু মিলহান আল-ক্বায়সী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আইয়ামে বীয অর্থৎ চাঁদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সওম পালনে আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এগুলো সারা বছর সওম রাখার সমতুল্য।

(আবু দাউদ ২৪৪৯)

হাদীস ২
------------
জারীর ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ

প্রত্যেক মাসের তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা সারা জীবন সাওম (রোযা) পালন করার সমতুল্য। আর আইয়ামে বীয -তের তারিখের সকাল থেকে চোদ্দ এবং পনের তারিখ পর্যন্ত।

(নাসায়ী ২৪২০)

হাদীস ৩
------------
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার বন্ধু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন,

প্রতি মাসে তিন দিন করে সওম পালন করা এবং দু’রাক’আত সলাতুয-যুহা এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত আদায় করা।
(বুখারী ১৯৮১)

আল্লাহ আমাদের সকলকে প্রতি চান্দ্র মাসের মাঝের তিন দিন আইয়ামে বীজের সিয়ামগুলো রাখার তাওফিক দান করুন। আমীন।

দাওয়াহ এর নিয়তে চাইলে পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আমাদের কারো মাধ্যমে উক্ত আমলটি কেউ শুরু করলে ইনশাআল্লাহ আমরা এর দ্বারা সাদকায়ে জারিয়ার সওয়াব পেতে থাকব।

Copied from Muslims Day Android App
Download Link: https://play.google.com/store/apps/details?id=theoaktroop.appoframadan

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিওএইচও) সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা নগরীকে বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্যসম্মত শহর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়...
02/02/2021

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিওএইচও) সৌদি আরবের পবিত্র মদিনা নগরীকে বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্যসম্মত শহর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিনিধি দল শহরটি পরিদর্শন করে জানায়, স্বাস্থ্যকর শহরের বৈশ্বিক মানদন্ডের সবই এখানে বাস্তবায়ন আছে। মদিনা নগরীর তাইবাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা নগর সমন্বয় প্রোগ্রামটি অনলাইন প্লাটফর্মে সম্পন্ন করে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টি স্বাস্থ্যকর শহর প্রোগ্রামে অংশ নিতে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের সিটি এজেন্সিগুলিকে প্রশিক্ষণ প্রদানের পরামর্শ দেয় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা।

তাইবাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ড. আবদুল আজিজ আসারানি ২২টি সরকারি সংস্থা, সামাজিক সংগঠন, দাতব্য সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের এক শ প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেবে কাজ করেন। নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত নগর পরিসংখ্যানে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাকে ২২ টি সরকারি সংস্থা, সামাজিক সংগঠন, দাতব্য সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবক দল সহায়তা করে।

প্রসঙ্গত, পবিত্র মদিনা নগরীতে প্রায় ২০ লাখ মানুষ বসবাস করে। মনে করা হয় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিওএইচও)-এর স্বাস্থ্যকর শহরের তালিকায় থাকা এটিই প্রথম জনবহুল শহর।

Islamic Onlne Media থেকে সংগৃহীত
এই Website টা খুবই দারুণ । সংযুক্ত থাকতে পারেন---- www.islamiconlinemedia.com

02/05/2020

《 আল কুরআন 》
■ সূরা রা'দ (13/4)■

وَفِى ٱلْأَرْضِ قِطَعٌ مُّتَجَٰوِرَٰتٌ وَجَنَّٰتٌ مِّنْ أَعْنَٰبٍ وَزَرْعٌ وَنَخِيلٌ صِنْوَانٌ وَغَيْرُ صِنْوَانٍ يُسْقَىٰ بِمَآءٍ وَٰحِدٍ وَنُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلَىٰ بَعْضٍ فِى ٱلْأُكُلِۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ

♢তাইসিরুল কুরআন♢

যমীনে আছে বিভিন্ন ভূখন্ড যা পরস্পর সংলগ্ন, আছে আঙ্গুরের বাগান, শস্য ক্ষেত, খেজুর গাছ- একই মূল হতে উদ্গত আর একই মূল থেকে উদগত নয়- যদিও একই পানিতে সিক্ত। খাওয়ার স্বাদে এদের কতককে কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শনাবলী রয়েছে।

♢তাফসীর আহসানুল বায়ান♢

পৃথিবীতে রয়েছে পরস্পর সংলগ্ন ভূ-খন্ড;[১] ওতে আছে আঙ্গুর-কানন, শস্যক্ষেত্র, একাধিক ফেঁকড়া-বিশিষ্ট অথবা ফেঁকড়াহীন খেজুর বৃক্ষ,[২] যা একই পানিতে সিঞ্চিত হয়ে থাকে। ফল হিসাবে ওগুলির কতককে কতকের উপর আমি উৎকৃষ্টতা দিয়ে থাকি,[৩] অবশ্যই বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য এতে রয়েছে নিদর্শন।

[১] مُتَجَاوِرَاتٌ এক অপরের নিকটবর্তী ও পাশাপাশি। অর্থাৎ, ভূখন্ডের একটি ক্ষেত্র শস্য-শ্যামল ও উর্বর, যা অত্যধিক ফসল উৎপন্ন করে। আর তারই পাশাপাশি অনুর্বর ভূমি রয়েছে যাতে কোন প্রকারের ফসল উৎপন্ন হয় না।

[২] صِنْوَانٌ এর একটি অর্থ মিলিত এবং غَيْرُ صِنْوَانٍএর অর্থ পৃথক পৃথক করা হয়েছে। দ্বিতীয় অর্থ এই যে, صِنْوَانٌ একটি বৃক্ষ যার শাখা ও ফেঁকড়া রয়েছে যেমন ডালিম, ডুমুর এবং কোন কোন খেজুর গাছ। আর غَيْرُ صِنْوَانٍ যা উক্ত প্রকারের নয় বরং একটিই কান্ড বিশিষ্ট (যেমনঃ খেজুর, তাল, সুপারী ইত্যাদি)।

[৩] অর্থাৎ মাটিও এক, পানি ও আলো-বাতাসও এক; কিন্তু ফল ও শস্যাদি বিভিন্ন প্রকারের এবং স্বাদ ও আকার-প্রকারও এক অপর থেকে ভিন্ন।

08/04/2020

হাদিসের পাঠ

حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي
عُمَيْرُ بْنُ هَانِئٍ، قَالَ حَدَّثَنِي جُنَادَةُ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ، حَدَّثَنِي عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ تَعَارَّ مِنَ اللَّيْلِ فَقَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ‏.‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ، وَسُبْحَانَ اللَّهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ‏.‏ ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي‏.‏ أَوْ دَعَا اسْتُجِيبَ، فَإِنْ تَوَضَّأَ وَصَلَّى قُبِلَتْ صَلاَتُهُ ‏"‏‏.‏

উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। যে ব্যক্তি রাতে জেগে ওঠে (উপরোক্ত ) দু’আ পড়ে –
(দু’আর অর্থ ) “এক আল্লাহ্ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক তাঁর কোন শরীক নেই। রাজ্য তাঁরই। যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই। তিনিই সব কিছুর উপরে শক্তিমান। যাবতীয় হাম্‌দ আল্লাহ্‌রই জন্য, আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্র, আল্লাহ্ ব্যতীত সত্য কোন ইলাহ নেই। আল্লাহ্ মহান, গুনাহ হতে বাঁচার এবং নেক কাজ করার কোন শক্তি নেই আল্লাহ্‌র তাওফীক ব্যতীত”। অতঃপর বলে, “হে আল্লাহ্ ! আমাকে ক্ষমা করুন”। বা (অন্য কোন ) দু’আ করে, তাঁর দুআ কবুল হয়। অতঃপর উযু করে (সালাত আদায় করলে ) তার সালাত কবুল হয়।


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১১৫৪
হাদিসের মান: সহিহ

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic ilm Hive posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share