Islam - Peace

Islam - Peace Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islam - Peace, Cumilla.

29/04/2022
30/03/2022

দ্বিন প্রচারকরা নিজেদের জন্য দোয়া করবে

ইরশাদ হয়েছে, ‘মুসা বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমার বুক প্রশস্ত করে দাও। আমার কাজ সহজ করে দাও। আমার মুখের জড়তা দূর করে দাও, যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে। আমার পরিবার থেকে আমার জন্য একজন সাহায্যকারী দাও। ’

28/03/2022

জিকিরের মাধ্যমে অর্জিত হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি। দিল থেকে দূর হয় যাবতীয় দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি। এটি শয়তানের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। শয়তানের শক্তিকে রুখে দেয়।
হাদিসে বেশ কিছু জিকিরের কথা বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ অন্যতম। এই জিকিরের যেমন আছে মর্যাদা, তেমনি আছে কিছু শিক্ষণীয় দিক। নিম্নে তা তুল ধরা হলো—

একাত্ববাদের স্বীকারোক্তি : এতে রয়েছে আল্লাহর একত্ববাদের স্বীকারোক্তি। এই জিকির যে পাঠ করবে সে এই বিশ্বাস লালন করে যে আল্লাহ তাআলা হলেন এই পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। তিনিই দোজাহানের প্রতিপালক। সব কিছু তাঁর হুকুমেই হয়। দুনিয়ার সব সৃষ্টি তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি মহাক্ষমতাবান। মহামহিম ও শক্তিধর।

নবীজির অসিয়ত : রাসুল (সা.) অনেক সাহাবিকে এই জিকির পাঠ করার জন্য আদেশ দিয়েছেন। যেমন—আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘‘আমাকে রাসুল (সা.) সাতটি জিনিসের উপদেশ দিয়েছেন। তন্মধ্যে একটি হলো আমি যেন বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পড়ি। ’ কারণ এটি জান্নাতের খনি। ’’

(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২১৪১৫)

জান্নাতের খনি : এটি জান্নাতের খনি। হাজেম ইবনু হারমালা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘একদা আমি রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে পথ চলছিলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, হে হাজেম! তুমি বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পড়ো। কারণ এটি জান্নাতের খনি। ’ (সহিহুিল জামে লিল আলবানি, হাদিস : ৭৯০৭)

আল্লাহর সত্যায়ন : আল্লাহ তাআলা যাকে সত্যায়ন করেন তার জন্য রয়েছে ভরপুর কল্যাণ। তার জন্য রয়েছে কল্যাণ ও মঙ্গলের সুসংবাদ। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘যখন কোনো বান্দা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার বলে, তখন আল্লাহ তাআলা তাকে সত্যায়ন করেন। আর তিনি বলেন, আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমি ছাড়া কোনো ইলাই নেই আর আমি এক ও অদ্বিতীয়। আর বান্দা যখন লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলে, আল্লাহ তাআলা বলেন, আমার বান্দা সত্য বলেছে, আমি ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই। ’ (ইবনু মাজাহ, হাদিস : ৩০৭৬)

শয়তান থেকে রক্ষা : আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘‘রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে—তখন তাকে বলা হয়, তোমাকে সঠিক পথের দিশা দেওয়া হলো, তোমাকে যথেষ্টতা দান করা হলো, তোমাকে বাঁচিয়ে নেওয়া হলো। এবং শয়তান থেকে রক্ষা করা হলো। ’’

(তিরমিজি, হাদিস : ৩৪২৬)

পাপ মার্জনাকারী : আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘রাসুল (সা.) বলেছেন, পৃথিবীর বুকে যদি কোনো বান্দা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে তাহলে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায় যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মতো হয়।

(মুসনাদু আহমাদ, হাদিস : ৬৪৭৯)

28/03/2022

তাওবা আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক নবায়ন এবং সুদৃঢ়করণের নাম।

এর মাধ্যমে বান্দা তার রবের কাছে নিজ অক্ষমতা ও মুখাপেক্ষিতার সরল স্বীকারোক্তি দান করে। ফলে সে আল্লাহর অফুরন্ত ভালোবাসা ও সন্তুষ্টি লাভ করে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং তাদেরও ভালোবাসেন যারা পবিত্র থাকে। ’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২২২)
পাপগুলো পুণ্যে রূপান্তরিত হয় : তাওবা দ্বারা শুধু বান্দার গুনাহই মাফ হয় না; তার গুনাহসমূহ নেকিতে রূপান্তর হয়ে যায়। আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গুনাহসমূহ নেকি দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। ’ (সুরা : ফুরকান, আয়াত : ৭০)

জান্নাত লাভ : মহান আল্লাহ তাঁর তাওবাকারী বান্দাদের তাওবার বিনিময়ে জান্নাত দান করার ওয়াদা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো—খাঁটি তাওবা; আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। ’ (সুরা : তাহরিম, আয়াত : ৮)

দুশ্চিন্তা দূর হয় : তাওবা ও ইস্তেগফার দ্বারা দুশ্চিন্তা দূর হয়, বিপদ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় এবং রিজিক বৃদ্ধি পায়। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লাহ তাকে সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করবেন, সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। ’ (আবু দাউদ, হাদিস: ১৫১৮)

ধনসম্পদে বরকত হয় : তাওবার পার্থিব উপকারিতা বর্ণনায় আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয় তিনি মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন এবং তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতিতে। আর তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন উদ্যান ও প্রবাহিত করবেন নদী-নালা। ’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ১০-১২)

এই আয়াতগুলোতে তাওবার যে উপকারিতাগুলো বলা হয়েছে, এর সবগুলো মানুষের পার্থিব উপকারিতা ও সুখময় জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সব ধরনের গুনাহ থেকে তাওবা করার তাওফিক দান করুন।

লেখক : প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও মুহাদ্দিস

14/03/2022

পরকালে শাফাআত লাভের শর্ত

মহান আল্লাহর কাছে শাফাআত (সুপারিশ) করা এবং তা গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য কিছু শর্ত আছে। নিম্নে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো—

যার জন্য সুপারিশ করা হবে, তার ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকতে হবে : পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তারা শুধু তাদের জন্যই সুপারিশ করে যাদের প্রতি তিনি (আল্লাহ) সন্তুষ্ট। ’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২৮)

এ আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, যাদের ব্যাপারে সুপারিশ আল্লাহ পছন্দ করবেন, তাদের ব্যাপারেই সুপারিশ করা যাবে। এবং এর জন্য অবশ্যই তাকে আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী হতে হবে।

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, একবার আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে প্রশ্ন করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল, কিয়ামতের দিন আপনার সুপারিশ লাভের ব্যাপারে কে সবচেয়ে বেশি সৌভাগ্যবান হবে? আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, আবু হুরায়রা! আমি মনে করেছিলাম, এ বিষয়ে তোমার আগে আমাকে আর কেউ জিজ্ঞেস করবে না। কেননা আমি দেখেছি, হাদিসের প্রতি তোমার বিশেষ লোভ আছে। কিয়ামতের দিন আমার শাফাআত লাভে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি, যে একনিষ্ঠচিত্তে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই) বলে। (বুখারি, হাদিস : ৯৯)

আল্লাহর অনুমতিক্রমেই সুপারিশ করা যাবে

মহান আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ তাঁর কাছে সুপারিশ করার সুযোগ পাবে না। এমনকি কিয়ামতের দিন মহানবী (সা.) আল্লাহর অনুমতিপ্রাপ্ত হওয়ার পরই সুপারিশ করবেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর (আল্লাহর) কাছে সুপারিশ করতে পারে?’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৫৫)

সুপারিশকারী আল্লাহর প্রিয় হতে হবে

কোরআন-হাদিসের ভাষ্য দ্বারা বোঝা যায়, মহান আল্লাহ নবী-রাসুল ও তাঁর প্রিয় কিছু নেক বান্দাদের সুপারিশ করার সুযোগ দেবেন। যারা আল্লাহর ওপর ঈমান রাখে না কিংবা আল্লাহর প্রিয় নয়, তারা সুপারিশের সুযোগ পাবে না। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আকাশমণ্ডলীতে কত ফেরেশতা আছে তাদের কোনো সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না, যতক্ষণ আল্লাহ যাকে ইচ্ছা এবং যার প্রতি সন্তুষ্ট তাকে অনুমতি না দেন। ’ (সুরা : নাজম, আয়াত : ২৬)

আবু দারদাহ (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে অভিসম্পাতকারীরা কিয়ামতের দিন সাক্ষী ও সুপারিশকারী হতে পারবে না। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৫০৬)

25/02/2022

দেহ-মনের পবিত্রতায় গোসলের গুরুত্ব ও বিধান
আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্রতা পছন্দ করেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, ‘এবং যারা পবিত্র থাকে, তাদের আল্লাহ ভালোবাসেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২২২)। ‘সেথায় এমন লোক আছে, যারা পবিত্রতা অর্জন ভালোবাসে এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের আল্লাহ ভালোবাসেন।’ (সুরা-৯ তাওবা, আয়াত: ১০৮)। ইসলামি শরিয়াহমতে, তিনটি আমল সম্পাদনের জন্য পবিত্রতা ফরজ বা পূর্বশর্ত—নামাজ পড়া, কোরআন স্পর্শ করা ও কাবা শরিফ তাওয়াফ করা।

শারীরিক পবিত্রতা অর্জনের তিনটি পদ্ধতি হচ্ছে অজু, গোসল ও তায়াম্মুম। গোসল হলো সর্ববৃহৎ ও পরিপূর্ণ পবিত্রতা; যেটি এমন একটি ইবাদত, যার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ পবিত্রতা অর্জনের পাশাপাশি দেহ-মনে বিশেষ প্রশান্তি লাভ হয়, শরীরের শ্রান্তি–ক্লান্তি দূর হয়, মন প্রফুল্ল ও চিত্ত প্রসন্ন হয়, সঙ্গী ফেরেশতারা স্বস্তি লাভ করে, শয়তান ও শয়তানি ওয়াসওয়াসা বিদূরিত হয়, রুহ শান্তি পায় এবং নফস কলুষমুক্ত হয়। সর্বোপরি সব পাপ-পঙ্কিলতা মুক্ত হয়, ইবাদতে আগ্রহ ও মনোনিবেশ বৃদ্ধি হয়।

পরিভাষায় আপাদমস্তক পুরো শরীর ধৌত করাকে গোসল বলা হয়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে বলেন, ‘যদি তোমরা অপবিত্র থাকো, তবে বিশেষভাবে পবিত্র হবে।’ (সুরা-৫ মায়িদাহ, আয়াত: ৬)। গোসলের ফরজ তিনটি—ভালোভাবে কুলি করা, নাকের ভেতর পানি দেওয়া, পুরো শরীর ধৌত করা (ফাতাওয়া শামি)। যে ব্যক্তি পবিত্রতার উদ্দেশ্যে গোসল করে, তার পাপগুলো ঝরে যায় এবং ঝরে পড়া প্রতিটি পানির ফোঁটা ও কণা একেকটি নেকি রূপে গণ্য হয় (আল হাদিস)।

গোসলের সুন্নাত পদ্ধতি
গোসলের আগে প্রাকৃতিক প্রয়োজন সম্পন্ন করা। শরীরে বা কাপড়ে কোনো নাপাক লেগে থাকলে তা পরিষ্কার করা। গোসলের আগে অজু করা। পবিত্রতা অর্জন ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে গোসল করা। অতঃপর মাথায় পানি ঢালা, এরপর ডান কাঁধে পানি ঢালা, তারপর বাঁ কাঁধে। এভাবে পুরো শরীর ভালোভাবে তিনবার ধৌত করা। নারীদের কানে ও নাকে অলংকারাদি থাকলে তার ছিদ্রে পানি পৌঁছানো এবং আংটি, চুড়ি বা বালা ইত্যাদি নাড়াচাড়া করে ওই জায়গায় পানি পৌঁছে দেওয়া। শরীরের যেসব অঙ্গে সাধারণত স্বাভাবিকভাবে সহজে পানি পৌঁছায় না—যেমন কান, আঙুলের ফাঁকা, বগলের নিচ, চোখের কিনারা, চুলের গোড়া ইত্যাদি—ওই সব জায়গায় সযত্নেœ পানি পৌঁছানো। উল্লেখ্য, নখে নেইলপলিশ লাগানো থাকলে তা সম্পূর্ণ ওঠানো ব্যতীত অজু-গোসল শুদ্ধ হবে না, পানির স্পর্শ পরিপূর্ণভাবে থাকতে হবে। কাপড়ে নাপাক লেগে থাকলে তিনবার কচলে ধুতে হবে এবং প্রতিবার ধোয়ার পর এমনভাবে নিংড়াতে হবে, যাতে ঝুলিয়ে রেখে দিলে তা থেকে পানির ফোঁটা টপকে না পড়ে। স্মর্তব্য, গোসলের আগে অজু না করলেও পরে আর অজু করতে হবে না, তবে অজুভঙ্গের কারণ ঘটলে অবশ্যই অজু করতে হবে এবং গোসলের পর পবিত্রতা প্রয়োজন, এমন ইবাদত যথা ‘নামাজ পড়া, কাবাঘর তাওয়াফ করা ও কোরআন মাজিদ স্পর্শ করে পড়া’ যদি করে থাকেন, তবে চাইলে আবার অজু করতে পারবেন। অজু ও গোসলের পর ওই তিন আমলের কোনোটিই না করলে এবং অজুভঙ্গের কারণও সংঘটিত না হলে দ্বিতীয়বার অজু করা উচিত নয় এবং তা পানির অপচয় হিসেবে গণ্য হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে হাতে–মুখে পানি দেওয়া বা হাত, পা ও মুখ ধৌত করা যাবে; অজু হিসেবে নয়।

গোসল ফরজ হওয়ার কারণ
রতিক্রিয়া, শুক্রপাত হওয়া (স্বপ্নে বা জাগরণে) এবং নারীদের ঋতুস্রাব ও প্রসবোত্তর স্রাব সমাপ্ত হওয়া। (ফাতাওয়া তাতারখানিয়া, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৭৮)। গোসল ফরজ হলে বিনা কারণে বিলম্ব করা উচিত নয়। একবার গোসল করার পর উপরিউক্ত কারণগুলোর কোনো একটি সংঘটিত হওয়ার আগপর্যন্ত গোসল ফরজ হবে না। তবে প্রতি শুক্রবার গোসল করা সুন্নাত, উভয় ঈদের দিনে গোসল করা সুন্নাত এবং বিশেষ ইবাদতের জন্য গোসল করা মুস্তাহাব। আমরা সাধারণত প্রতিদিন গোসল করে থাকি, এতে পবিত্রতার নিয়ত থাকলে সওয়াব হিসেবে গণ্য হবে।

25/02/2022

মিরাজ রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের এই একান্ত সাক্ষাতে যে বিষয়গুলো ঘোষণা হয়: আল্লাহকে ছাড়া কারও ইবাদত করবে না, পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে, নিকট স্বজনদের অধিকার দিতে হবে; মিসকিন ও পথসন্তানদের (তাদের অধিকার দিতে হবে); অপচয় করা যাবে না, অপচয়কারী শয়তানের ভাই; কৃপণতা করা যাবে না; সন্তানদের হত্যা করা যাবে না; ব্যভিচারের ধারেকাছেও যাওয়া যাবে না; মানব হত্যা করা যাবে না, (আত্মসাতের উদ্দেশ্যে) এতিমের সম্পদের কাছেও যাওয়া যাবে না; প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করতে হবে; মাপে পূর্ণ দিতে হবে; তা করা বা বলা যাবে না যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই; পৃথিবীতে গর্বভরে চলা যাবে না। এসবই মন্দ, তোমার রবের কাছে অপছন্দ। (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ২২-৪৪।)

16/02/2022

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ফজরের নামাজের সময় হলো, ঊষার উদয় থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৬১২)

আর পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফরজ। ’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১০৩)।

সুতরাং ঘুম বা ভুলে যাওয়ার কারণে ফজর নামাজ ছুটে গেলে তার ওপর কাজা করা ওয়াজিব। কেননা রাসুলুল্লাহ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে ভুলে যায় বা সে সময় ঘুমিয়ে থাকায় তা ছুটে যায়, তাহলে তার কাফফারা হলো সে যখনই তা মনে করবে, তখনই (সঙ্গে সঙ্গে) নামাজ আদায় করে নেবে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৮৪)
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন। ’ (সুরা : মাউন, আয়াত : ৪-৫)

তাফসিরবিদ আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, উল্লিখিত আয়াতে সেসব নামাজির কথা বলা হয়েছে, ‘যারা নামাজের নির্দিষ্ট সময় থেকে দেরিতে আদায় করে। ’ (তাফসিরে কুরতুবি, খণ্ড : ২০, পৃষ্ঠা : ২১১)

16/02/2022

তিনি বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সে ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম হারাম করেছেন যে বলে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪২৩)
আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার সন্তোষ অর্জনের উদ্দেশ্যে একাধারে ৪০ দিন তাকবিরে উলার (প্রথম তাকবির) সঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করতে পারলে তাকে দুটি নাজাতের ছাড়পত্র দেওয়া হয়; জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ এবং মুনাফিকি থেকে মুক্তি। ’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১)

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam - Peace posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share