আস-সাহাবা সীরাত কর্নার

আস-সাহাবা সীরাত কর্নার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আস-সাহাবা সীরাত কর্নার, Religious organisation, Ujirpur, chuadanga.

যে মানুষটিকে কখনো দেখিনি, যার কন্ঠস্বর কখনো শুনিনি, যার পবিত্র সান্নিধ্যে পৌঁছনোর সৌভাগ্য কখনো হয়নি, কিভাবে বোঝাবো সে মানুষটা কেমন করে সবচেয়ে প্রিয় মানুষগুলোর চাইতেও প্রিয় হয়ে উঠল? ভাষায় কি করে প্রকাশ করি, আপনাকে কেন ভালবাসি ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ)?

সময় করে পড়তে পারেন।
24/05/2026

সময় করে পড়তে পারেন।

24/05/2026

أَلَا وَإِنَّ أَحْرَمَ الشُّهُورِ شَهْرُكُمْ هَذَا

জেনে রাখো! সবচেয়ে সম্মানিত মাস হল, তোমাদের এ মাস (যিলহজ্ব)।—সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৩৯৩১; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ১১৭৬২

23/05/2026

মাশাআল্লাহ।
এখানে রয়েছে মসজিদে খয়িফ, রয়েছে জামারা, এর পাদদেশে রয়েছে একাধিক নবীগণের কবর।





21/05/2026

যিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ ফজর থেকে নিয়ে তের যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরয নামাযের পর নারী-পুরুষ সকলের জন্য একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। তাকবীরে তাশরীক হল-

اللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، وَلِلهِ الْحَمْدُ

19/05/2026

مَا مِنْ أَيّامٍ أَعْظَمُ عِنْدَ اللهِ وَلَا أَحَبّ إِلَيْهِ الْعَمَلُ فِيهِنّ مِنْ هَذِهِ الْأَيّامِ الْعَشْرِ، فَأَكْثِرُوا فِيهِنّ مِنَ التّهْلِيلِ وَالتّكْبِيرِ وَالتّحْمِيدِ.

আল্লাহ তাআলার নিকট আশারায়ে যিলহজ্বের আমলের চেয়ে অধিক মহৎ এবং অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং আলহামদু লিল্লাহ’ পাঠ কর। -মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৫৪৪৬; আদদাআওয়াতুল কাবীর, তবারানী, হাদীস ৫৩৪

18/05/2026

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিলহজ্বের প্রথম নয় দিন রোযা রাখার ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন। বর্ণিত হয়েছে-

كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ يَصُومُ تِسْعَ ذِي الْحِجّةِ.

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিলহজ্বের নয়টি দিবসে (সাধারণত) রোযা রাখতেন। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৩৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২২৩৩৪; সুনানে কুবরা, বায়হাকী, হাদীস ৮৩৯৩

18/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
সীরাত কর্নারের স্বপ্নদ্রষ্টা, জনাব , ইসতিয়াক আহমেদ বিশ্বাস
পবিত্র হজ্বের উদ্দেশ্যে রওনা করলেন।
আল্লাহ তার সফরকে বরকতময় করুন!
এবং হজ্বে মাবরুর দান করুন!

17/05/2026

যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশকের একটি বিশেষ আমল হল- যিলহজ্বের চাঁদ ওঠা থেকে নিয়ে কুরবানী করা পর্যন্ত নখ-চুল না কাটা, না ছাটা। এতে একদিকে হাজ্বী ছাহেবানের সাথে একরকম সাদৃশ্য প্রকাশ পায়। পাশাপাশি এর রয়েছে বিশেষ ফযীলতও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম ইরশাদ করেন-

إِذَا رَأَيْتُمْ هِلَالَ ذِي الْحِجّةِ، وَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ، فَلْيُمْسِكْ عَنْ شَعْرِهِ وَأَظْفَارهِ.

যখন যিলহজ্বের চাঁদ দেখবে তখন তোমাদের মধ্যে যে কুরবানী করবে সে যেন তার চুল নখ না কাটে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৭৭; জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫২৩

মদীনার আগের নাম ছিল “ইয়াসরিব” (Yathrib)।কিন্তু এই নামের সাথে জড়িয়ে ছিল বিভেদ, যুদ্ধ আর অশান্তির স্মৃতি। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখ...
13/05/2026

মদীনার আগের নাম ছিল “ইয়াসরিব” (Yathrib)।


কিন্তু এই নামের সাথে জড়িয়ে ছিল বিভেদ, যুদ্ধ আর অশান্তির স্মৃতি। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন হিজরত করে সেখানে আগমন করেন, তখন শুধু একটি শহরের নামই বদলায়নি, বদলে গিয়েছিল পুরো ইতিহাস।

ইয়াসরিব হয়ে যায় “মাদীনাতুন নবী” বা নবীর শহর।
সংক্ষেপে, আজ আমরা যাকে বলি “মদীনা”।
এই শহরেই গড়ে ওঠে ইসলামের প্রথম রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠিত হয় মুহাজির ও আনসারদের ভ্রাতৃত্ব, আর এখান থেকেই পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে ইসলামের আলো।

রাসূল ﷺ “ইয়াসরিব” নামটি অপছন্দ করতেন। কারণ আরবি “ثَرَب” শব্দ থেকে এর অর্থ দাঁড়ায় দোষারোপ, তিরস্কার বা অশুভ কিছু। তাই তিনি এ শহরের নাম রাখেন “তাইয়্যিবাহ” (পবিত্র) এবং “তাবাহ”।

পরবর্তীতে নানা বর্ণনায় ‘মদীনা’ নামটি বেশি ব্যবহৃত হয় এবং রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এই নামই পছন্দ করতেন। কালক্রমে এই পবিত্র শহরের নাম হয়ে যায় 'মদীনা'!

নবিজি (সা.)-এর জীবনের শেষ দিনটি!মদিনার সোমবারের সেই সকালটা ছিল আর দশটা দিনের চেয়ে আলাদা। বাতাসে যেন এক বিষণ্ণতার সুর বাজ...
12/05/2026

নবিজি (সা.)-এর জীবনের শেষ দিনটি!
মদিনার সোমবারের সেই সকালটা ছিল আর দশটা দিনের চেয়ে আলাদা। বাতাসে যেন এক বিষণ্ণতার সুর বাজছিল। মসজিদে নববিতে সাহাবায়ে কেরাম আবু বকর (রা.)-এর পেছনে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। হঠাৎ আয়েশা (রা.)-এর কক্ষের দরজার পর্দাটা আলতো করে নড়ে উঠল। নবিজি উঁকি দিয়ে তার প্রিয় উম্মতকে শেষবারের মতো তৃপ্তির চোখে দেখলেন। তারপর শুরু হলো চিরবিদায়ে অন্তিম মুহূর্তগুলো...
আনাস ইবনু মালিক বর্ণনা করেন, সোমবার সকল সাহাবি আবু বকরের ইমামতিতে ফজরের সালাত আদায় করছিলেন। এ সময় নবিজি আয়িশার হুজরার পর্দা সরিয়ে তাদের দিকে একবার তাকান। আবু বকর একটু পেছনে সরে আসেন এটা ভেবে যে, নবিজি হয়তো এখন কাতারে প্রবেশ করবেন। তাছাড়া নবিজির উপস্থিতি টের পেয়ে কাতারবদ্ধ লোকজনও উৎফুল্ল হয়ে ওঠে। তখন তিনি হাতের ইশারায় তাদেরকে সালাত সম্পন্ন করতে বলেন। তারপর হুজরার ভেতর থেকে পর্দা টেনে দেন।
এটাই ছিল নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ সালাত।
দ্বি-প্রহরের সময় নবিজি তার আদরের দুলালি ফাতিমাকে ডাকেন। এরপর তার কানে কানে কী যেন বলেন। এতে ফাতিমা বাচ্চাদের মতো কাঁদতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর নবিজি আবার তাকে ডাকেন। আগের মতোই কানে কানে কিছু একটা বলেন। এবার ফাতিমার মুখে হাসি ফুটে ওঠে।
আয়িশা বলেন, আমি পরে ফাতিমাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, প্রথমবার বাবা আমাকে বলেছিলেন, এই অসুস্থতায় তিনি দুনিয়া থেকে চিরবিদায় নেবেন। এটা শুনে আমি কাঁদতে শুরু করি। দ্বিতীয়বার তিনি বলেছিলেন, তার বিদায়ের পর পরিবারের সবার আগে আমিই তার সঙ্গে জান্নাতে দেখা করতে পারব। এতে আমি স্বস্তি পাই।
এ সময় নবিজি তাকে সুসংবাদ দিয়ে বলেন, জান্নাতে তুমিই হবে বিশ্বের সকল নারীর সর্দারনি।
নবিজির শেষ সময়ের কষ্ট দেখে ফাতিমার দুচোখ বেয়ে অবিরল ধারায় অশ্রু গড়িয়ে পড়ে। তিনি মুখ ফুটে বলে ফেললেন, আহ, কী কষ্ট হচ্ছে আমার বাবার! সেই কঠিন মুহূর্তেও নবিজি তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, আজকের পর তোমার বাবার আর কোনো কষ্ট থাকবে না।
এরপর আদরের দুই নাতি হাসান ও হুসাইনকে কাছে ডাকেন। তাদের চুমু দেন। বেশ কিছু অসিয়ত করেন তাদের ব্যাপারে। এরপর স্ত্রীদের ডেকে উপদেশ দেন।
এ সময় তার যন্ত্রণা যেন ক্রমেই বাড়তে থাকে। খাইবারের বিষমিশ্রিত সেই খাবারের বিষক্রিয়াও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে তার মধ্যে। তিনি আয়িশাকে ডেকে বললেন, আয়িশা, আমি এখনো সেই খাবারের বিষক্রিয়া টের পাচ্ছি। মনে হচ্ছে আমার মেরুদণ্ডটা ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে সেই বিষের কারণে।
এ সময় তিনি গোটা মানবজাতিকে অসিয়ত করে বলেন, তোমরা সালাতের প্রতি যত্নশীল হবে। দাস-দাসীদের সাথে সুন্দর আচরণ করবে। এ কথা দুটো তিনি বেশ কয়েকবার বলেন।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্তিম মুহূর্ত উপস্থিত হলে আয়িশা তাকে নিজের শরীরের সাথে হেলান দিয়ে বসান। আয়িশা বলতেন, আমার ওপর আল্লাহর বিশেষ এক অনুগ্রহ—আল্লাহর রাসুল আমার ঘরে, আমার পালায়, আমার গলা ও বুকের মাঝখানে মাথা রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন এবং একেবারে শেষ মুহূর্তে আল্লাহ তাঁর রাসুলের লালার সাথে আমার লালা মিলিয়ে দিয়েছেন।
সেদিন আল্লাহর রাসুল আমার গায়ে ভর দিয়ে বসে ছিলেন। হঠাৎ আমার ভাই আব্দুর রহমান ইবনু আবি বকর মিসওয়াক হাতে নিয়ে সেখানে উপস্থিত। আমি লক্ষ করি, আল্লাহর রাসুল বারবার মিসওয়াকের দিকে তাকাচ্ছেন। আমি জানতাম তিনি মিসওয়াক পছন্দ করেন। তাই জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি আপনার জন্য মিসওয়াকটি নেব? তিনি হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়েন।
তখন আমি আব্দুর রহমানের কাছ থেকে মিসওয়াকটি নিয়ে আল্লাহর রাসুলকে দিলাম। কিন্তু সেটা তার কাছে বেশ শক্ত লাগছিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আমি কি মিসওয়াকটি নরম করে দেব? এবারও তিনি আগের মতো মাথা নাড়েন। আমি তা চিবিয়ে নরম করে দিলাম। এরপর তিনি সেটা ব্যবহার করলেন।

[১] সহিহুল বুখারি : ৪৪৬২
[২] সহিহুল বুখারি : ৪৪২৮
এক বর্ণনায় এসেছে, নবিজি সেদিন খুবই চমৎকারভাবে মিসওয়াক করেন। তার সামনে একটি পাত্রে কিছু পানি রাখা ছিল। তিনি সেই পানিতে হাত চুবিয়ে বারবার চেহারায় হাত বোলাচ্ছেন আর বলছেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মৃত্যুযন্ত্রণা বড় কঠিন...!
মিসওয়াক করা শেষ হলে তিনি ওপরের দিকে আঙুল তুলে ইশারা করেন। চোখ মেলে ছাদের দিকে তাকান। হঠাৎ ঠোঁট দুটো আলতো করে নড়ে ওঠে। আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তখন পূর্ণ মনোযোগ নিবদ্ধ করেন তার দিকে। কান পাতেন ঠোঁটের কাছে। তখন তিনি শেষবারের মতো উচ্চারণ করছিলেন—
مَعَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ مِنَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الأَعْلَى، اللَّهُمَّ الرَّفِيقَ الأَعْلَى
মা‘আল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম মিনান নাবিয়্যীনা ওয়াস সিদ্দীক্কীনা ওয়াস শুহাদা-ই ওয়াস স-লিহীন। আল্ল-হুম্মাগফিরলী, ওয়ারহামনী, ওয়া আলহিক্বনী বির্ রফীক্বিল আ‘লা-। আল্ল-হুম্মার রফীক্বুল আ‘লা-।
অর্থ : হে আল্লাহ, নবি, সিদ্দিক, শহিদ ও সৎকর্মশীল-সহ আরও যাদের প্রতি আপনি অনুগ্রহ করেছেন, আমাকেও তাদের দলভুক্ত করে দিন। হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমার প্রতি দয়া করুন। আমাকে মিলিত করে দিন আমার প্রিয়তমের সাথে। হে আল্লাহ, আপনিই তো আমার প্রিয়তম।
শেষের বাক্যটি তিনি ৩ বার উচ্চারণ করেন। এরপর তার হাত একদিকে ঝুলে পড়ে। তিনি মিলিত হন তার পরম প্রিয়তম মহান রবের সাথে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এই মর্মস্পর্শী হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে ১১ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার দ্বি-প্রহরে। মৃত্যুর সময় নবিজির বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর ৪ দিন।
আর রাহিকুল মাখতুম
লেখক : শাইখ সফিউর রহমান মুবারকপুরি

Address

Ujirpur
Chuadanga
7210

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আস-সাহাবা সীরাত কর্নার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share